Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঠারো শতকের বাঙলা ও বাঙালী – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প162 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. মুরশিদকুলি খানের শাসন

    অষ্টাদশ শতাব্দীর সূচনায় বাঙলার রাষ্ট্ৰীয় ইতিহাসের প্রধান নায়ক ছিলেন, মুরশিদকুলি খান। ১৭০০ খ্ৰীস্টাব্দে সম্রাট ঔরঙ্গজেব তাঁকে বাঙলার দেওয়াননিযুক্ত করেন। ঢাকা তখন বাঙলা স্কবার রাজধানী। সুবেদার। আজিম-উসশানের সঙ্গে তাঁর বনিবনা না হওয়ায়, মুরশিদকুলি খান তাঁর দপ্তর ঢাকা থেকে – মুকসুদাবাদে স্থানান্তরিত করেন। মুরশিদকুলি খান বাঙলার রাজস্ব বিভাগের গলদগুলি লক্ষ্য করেন। তিনি দেখেন যে বাঙলা স্ববার বেশীর ভাগ অংশই সামরিক জায়গীরদারদের হন্তে ন্যস্ত। যে অংশ সরাসরি সুবেদারের নিয়ন্ত্রণে, তার আয় স্ববার সামরিক ও অসামরিক শাসন বিভাগের ব্যয় নির্বাহের পক্ষে ষথেষ্ট নয়। এই কারণে বাঙলা সুবা সবসময়েই ঋণে ডুবে থাকত, এবং এই ঋণ। পরিশোধ করা হত। অন্যান্য সুবার অর্থে। মুরশিদকুলি খান দেখলেন যে বাঙলার রাজস্ব প্ৰভূত পরিমাণে বাড়ানো যেতে পারে, যদি সমস্ত ভূম্যধিকারীদের সরাসরি দেওয়ানের অধীনস্থ করা হয়। তিনি এই প্ৰস্তাব ঔরঙ্গজেবের নিকট পেশ করেন। সম্রাট তাঁর প্রস্তাব অনুমোদন করেন।

    রাজস্ব আদায় ও জমি বিলির স্থব্যবস্থা করে, মুরশিদকুলি খান বাঙলা দেশের মালগুজারী বাবদ প্ৰতি বৎসর এক কোটি টাকা ঔরঙ্গজেবকে পাঠাতে থাকেন। তার মানে সম্রাটকে খুশী করে নিজের পদ সুপ্রতিষ্ঠিত করবার জন্য বাঙলাকে তিনি দোহন করতে শুরু করেছিলেন। বাঙলার রাজস্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি ঔরঙ্গজেবের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন। এতে বাঙলার সুবেদার। আজিম-উস-শান ভঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হন। তিনি মুরশিদকুলি খানকে হত্যার জন্য, আবদুল ওয়াহিদ নামক নগদি অশ্বারোহী বাহিনীর এক সেনাপতির সঙ্গে এক চক্রান্ত করেন। পথিমধ্যে তাকে হত্যার জন্য তিনি মুরশিদকুলি খানকে ঢাকায় ডেকে পাঠান। পথে মুরশিদকুলি খান আক্রান্ত হন। কিন্তু আক্রমণের মুর্শিদকুলি খান অসাধারণ সাহস প্ৰদৰ্শন করায়, এই চক্ৰান্ত ব্যর্থ হয়ে যায়। ঢাকায় পৌঁছে মুরশিদকুলি খান আজিম-উল শানকে এই চক্রান্তের স্রষ্টা হিসাবে দোষী করেন ও ছোরা হাতে নিয়ে বলেন- ‘তুমি যদি আমার প্রাণ নিতে চাও, তাহলে এখানেই তার মীমাংসা হয়ে যাক, নচেৎ তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি যে এরূপ কাৰ্য থেকে তুমি ভবিষ্যতে বিরত থাকবে।‘ আজিম-উস-শান এ বিষয়ে নিজেকে নিরপরাধ বলে ঘোষণা করেন এবং আবদুল ওয়াহিদকে ভৎসনা করে তার সৈন্যদলকে রাজকীয় বাহিনী থেকে অপস্থত করেন। তারপর মুরশিদকুলি। খান এই ঘটনার এক যথার্থ প্ৰতিবেদন ঔরঙ্গজেবের কাছে পাঠিয়ে দেন। মুরশিদকুলি খানকে হত্যার চক্রান্তের প্রতিবেদন পেয়ে ঔরঙ্গজেব ক্রোধান্বিত হয়ে আজিম-উস-শানকে লিখে পাঠান যে মুরশিদকুলি খানের কোন ক্ষতি হল আজিম-উল-শান তার পৌত্র বলে রেহাই পাবে না, তিনি যথাযথ শান্তি দিবেন। এ ছাড়া তিনি আজিম-উস-শানকে বাঙলা ত্যাগ করে বিহারে এসে বাস করতে আদেশ দেন। এই আদেশের পর আজিম-উস-শন বাঙলার শাসনভার তাঁর দ্বিতীয় পুত্র ফারুকশিয়ারের ওপর অর্পণ করে, পাটনায় চলে যান।

    দুই

    নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে মুরশিদকুলি খান রাজস্বের পরিমাণ রীতিমত বাড়িয়ে তোলেন, এবং সশরীরে সম্রাটের নিকট হিসাব-নিকাশ দিতে যান। সম্রাট তার কার্যের প্রশংসা করেন। এছাড়া, তিনি তাঁকে সম্মানিতও করেন। মুরশিদকুলি খানকে তিনি বিহার, বাঙলা ও ওড়িশা এই তিন প্রদেশের দেওয়ানের পদে – পুনর্নিযুক্ত করেন। উপরন্তু তাঁকে বাঙলা এবং ওড়িশার ডেপুটি নিজাম পদেও উন্নীত করেন। আজিম-উশ-শান এতে ভীষণ ক্রুদ্ধ হন, কিন্তু তাঁর পিতামহের। স্বৈরতান্ত্রিক মেজাজের কথা স্মরণ করে, কিছু করতে সাহস করেন না। ইতিমধ্যে ঔরঙ্গজেবের সন্তানদের মধ্যে হিন্দুস্থানের মসনদ নিয়ে দ্বন্দ্বের উদ্ভব হয়, এবং তঁরে তৃতীয় পুত্ৰ সুলতান মহম্মদ আজিম সম্রাটের প্রিয়পাত্র হয়। মহম্মদ আজিম তার ভ্রাতুষ্পপুত্ৰ আজিম-উশ-শানের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে পাটনা থেকে দিল্লীতে প্ৰত্যাগমন করতে বলে। এই ঘটনারই কিছু পরে ১৭০৭ খ্রীস্টাব্দে ঔরঙ্গজেবের মৃত্যু ঘটে। জাজোঁ নামক স্থানে মহম্মদ আজিমও নিহত হয়।

    আজিম-উশ-শান পাটনা থেকে দিল্লীতে আহুত হবার পর মুরশিদকুলি খানই কার্যত বাঙলা, বিহার ও ওড়িশার শাসক হয়ে দাঁড়ান, যদিও আজিম-উল্‌-শান তাঁর পুত্র ফারুকশিয়ারকে তার উত্তরাধিকারী হিসাবে নাজিমের গদিতে বসিয়ে গিয়েছিলেন।

    ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর তাঁর দ্বিতীয় পুত্র বাহাদুর শাহ (আজিম-উস্‌-শানের পিতা) যখন দিল্লীর সম্রাট হন, তখন তিনি পুত্ৰ আজিম-উস-শানের প্ররোচন, মুরশিদকুলি খানকে দক্ষিণাত্যের দেওয়ান করে পাঠান। কিন্তু বাঙলার নূতন শাসক বিদ্রোহী সেনার হাতে নিহত হওয়ায় সম্রাট দেওয়ান ও ডেপুটি নিজামের পদদ্বয় একত্রিত করে মুরশিদকুলি খানকেই বাঙলার শাসক হিসাবে স্বীকৃতি দেন। মুরশিদকুলি খান মেদিনীপুর জেলাকে ওড়িশা থেকে বিচ্ছিন্ন করে বাঙলার সঙ্গে { যুক্ত করেন, এবং নিজ জামাতা শুজাউদ্দিন মহম্মদ খানকে ওড়িশার ডেপুটি নিজাম পদে অধিষ্ঠিত করেন। দুই হিন্দু ব্রাহ্মণকে তিনি দুই বিশ্বস্ত পদ দেন। তাদের মধ্যে ভূপত রায়কে তিনি ট্রেজারী বা খালসার সচিব ও কিশোর রায়কে তার গোপন সচিব বা প্ৰাইভেট সেক্রেটারী নিযুক্ত করেন। কিন্তু হিন্দু জমিদারদের প্রতি তার ব্যবহার অত্যন্ত অত্যাচারপূর্ণ ছিল। প্রদেশের রাজস্ব সম্বন্ধে প্ৰকৃত পরিস্থিতি জানবার জন্য তিনি তাদের বন্দী করেন ও নিজ প্ৰতিনিধির দ্বারা রাজস্ব আদায় করেন। বাঙলার মাত্র দুজন জমিদার এরূপ ব্যবহার থেকে অব্যাহতি পায়। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে বীরভূমের আফঘান ভূস্বামী আশা-উদ-দৌল, -ব্যায়পরায়ণ বাক্তি হিসাবে যার সুনাম ছিল এবং যিনি তার আদায়ীকৃত খাজনার অর্ধেক অংশ জনহিতকর কাজে ব্যয় করতেন। আর অপরজন হচ্ছেন বিষ্ণুপুরের জমিদার, যার জমিদারীর অধিকাংশই অনুর্বর ছিল এবং যিনি ঝাড়খণ্ডের পার্বত্য অঞ্চল থেকে আক্রমণ প্রতিহত করে সরকারকে সাহায্য করতেন। এদের দুজনকে তিনি তাদের জমিদারীতে বহাল রেখেছিলেন এই শর্তে যে তারা নিয়মিতভাবে মুরশিদাবাদের খাজাঞ্চীখানায় রাজস্ব জমা দিবে। এ ছাড়া, মুরশিদকুলি খান বাঙলার সমস্ত জমির নূতন করে জরীপ করেছিলেন (১৭২২)। এই জরীপ ‘জমা-ই-কামিল তুমার’ নামে পরিচিত। এই জরীপ অনুযায়ী বাঙলা দেশকে ১৩টি চাকলায় ভাগ করা হয়। এই ১৩টি চাকলার অন্তভুক্ত মহাল বা পরগণার সংখ্যা ছিল ১৬৬০ ও রাজস্ব পরিমাণ ছিল ১,৪২,৮৮,১৮৬ টাকা।

    তাঁর সময়ে ভুষনার জমিদার সীতারাম রায় তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করেন। মুরশিদকুলি কয়েকবার তাঁকে দমনের চেষ্টা করেও অক্ষম হন। ফলে তিনি সৰ্ববিষয়েই স্বাধীন রাজার ন্যায় আচরণ করতে থাকেন। পরে ঐশ্বৰ্যমদে মাত্ত হয়ে ওঠায় তার রাজ্যে বিশৃঙ্খলতার উদ্ভব হয়। সেই সুযোগে নবাব সৈন্য তাঁর বাসগ্ৰাম মহম্মদপুর আক্রমণ করে তাঁকে পরাজিত ও বন্দী করেন। কিংবদন্তী অনুযায়ী তাকে শূলে দেওয়া হয়।

    জমিদারদের নিপীড়ন ছাড়া, মুরশিদকুলি খান খুব ন্যায়পরায়ণ শাসক ছিলেন। তার বিচার এত পক্ষপাতশূন্য ছিল যে আইনভঙ্গের জন্য তিনি নিজ পুত্রকেও মৃত্যুদণ্ড দিতে কুষ্ঠিত হননি।

    মুরশিদকুলি খানের প্রতাপ ও প্ৰতিপত্তি দেখে ত্রিপুরা, কুচবিহার ও আসামের রাজারা এমনভাবে সন্ত্রস্ত হয়েছিল যে তারা তাঁকে মূল্যবান উপঢৌকন পাঠাতেন, এবং মুরশিদকুলি খান তার পরিবর্তে তাদের প্রতীক-পোষাক উপহার দিতেন, যে পোষাক পরিধান করলে নবাবের আনুগত্য স্বীকার করা হয়। প্ৰতি বৎসরই এইরূপ উপঢৌকন ও উপহার বিনিময় করা হত।

    তিন

    এই সময় হুগলীর ফৌজদার বাঙলার দেওয়ান ও নাজিম থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন ছিল। কিন্তু একই রাজ্যের মধ্যে অন্য এক দ্বিতীয় শাসক থাকা অযৌক্তিক প্ৰতিপন্ন করে, মুরশিদকুলি খান সম্রাটের কাছ থেকে অনুমতি সংগ্ৰহ করেন যে ওই পদে তিমি নিজ মনোনীত ব্যক্তিকে নিযুক্ত করবেন। সেই অনুসারে তিনি ওয়ালি বেগ নামে এক ব্যক্তিকে হুগলীর ফৌজদার নিযুক্ত করেন। আপস্থত ফৌজদার জিনুদ্দিন শান্তভাবেই প্ৰস্থান করবার জন্য প্ৰস্তুত হয়, কিন্তু ওয়ালি বেগ যখন অপস্থত ফৌজদারের পেশকার কিঙ্কর সেনকে হিসাবপত্র বুঝিয়ে দেবার জন্য আটক করে, তখন অপস্থত ফৌজদার জিমুদিন এর প্ৰতিবাদ করে এবং তার ফলে সংঘর্ষ হয়। জিমুদ্দিন চুঁচুড়ায় অবস্থিত ওলন্দাজদের ও চন্দ্রনগরে অবস্থিত ফরাসীদের কাছ থেকে সাহায্য প্রার্থনা করে। মুরশিদকুলি খান তখন ওয়ালি বেগের সাহায্যার্থে দলপত সিং নামে এক ব্যক্তির অধীনে সৈন্য প্রেরণ করেন। দলপত সিং চন্দ্রনগরের কাছে শিবির স্থাপন করে। কিন্তু কোনরূপ যুদ্ধে প্ৰবৃত্ত হয় না। কিছুদিন পরে জিনুদিন। সন্ধি স্থাপনের জন্য দলপত সিং-এর কাছে এক দূত প্রেরণ করে। ওই দূতের সঙ্গে দলপত সিং যখন কথোপকথনে নিযুক্ত ছিলেন, সেই সময় এক ফরাসী গোলন্দাজ কর্তৃক নিক্ষিপ্ত গোলা এসে তাঁর ওপর পড়ে, এবং তিনি নিহত হন। দলপত সিং-এর মৃত্যুর পর নবাবের সৈন্যবাহিনী কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে হুগলীতে গিয়ে আশ্ৰয় নেয়। এর পর জিমুদ্দিন শান্তভাবে দিল্লীতে চলে যায়। নবাব কিঙ্কর সেনকে ক্ষমা করেন এবং তাঁকে হুগলী জেলায় রাজস্ব আদায়কারীর পদে নিযুক্ত করেন। কিন্তু পরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আসায়, তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। এর অল্পদিন পরে কারাগারেই তার মৃত্যু হয়।

    রাজস্ব আদায় ব্যাপারে মুরশিদকুলি খানের নীতি কঠোরতার চূড়ান্ত ছিল। এ বিষয়ে তাঁর নিযুক্ত লোকেরা নানাবিধ অমানুবিক শান্তি ও পীড়ন দ্বারা রাজস্ব আদায় করত, যেমন মাথা নীচের দিকে করে পা বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা শীতকালে উলঙ্গ করে গায়ে ঠাণ্ডা জল ঢেলে দেওয়া, বগলের তলা দিয়ে দড়ি বেঁধে পচা পুকুরের মধ্য দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি। কখনও কখনও তাদের ঢাউস ইজের পরিয়ে তার ভিতর জ্যান্ত বিড়াল ছেড়ে দিত। এরূপ উৎপীড়ন ও অত্যাচার দ্বারা জমিদারদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করা হত। এবং প্ৰতি বৎসর বৈশাখ মাসে ৩০০ অশ্বারোহী ও ৫০ ০ পদাতিক সৈন্য সমভিব্যাহারে দিল্লীতে সম্রাটের নিকট এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা পাঠানো হতু। এর ফলে গোটা দেশ করভারে পীড়িত হয়ে পড়েছিল।

    চার

    আমরা আগেই বলেছি যে আজিম-উস-শান যখন দিল্লীতে প্ৰত্যাগমন করেন, তখন তিনি তাঁর পুত্র ফারুকশিয়ারকে বাঙলা ও ওড়িশার মসনদে তার প্রতিভু হিসাবে বসিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও মুরশিদকুলি খানই বাঙলায় কাৰ্যত শাসক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তা হলেও ফারুকশিয়ার মুরশিদকুলি খানের সঙ্গে সম্ভাবই রেখেছিলেন। কিন্তু সম্রাট বাহাদুর শাহের মৃত্যুর (১৭১২) পর তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্ৰ জাহান্দর শাহ যখন নিজ ভ্ৰাতা আজিম-উস-শানকে হত্যা করে সম্রাট হন, ফারুকশিয়ার তখন পিতার মৃত্যুর প্রতিহিংসা নেবার জন্য মুরশিদকুলি খানের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন। মুরশিদকুলি খান দিল্লীর সম্রাটের আনুগত্য পরিহার করতে অস্বীকার করেন। তখন ফারুকশিয়ার পাটনায় গিয়ে, আজিমউস-শান কর্তৃক অধিষ্ঠিত বিহারের শাসক সৈয়দ হুসেন আলি খানের সাহায্য প্রার্থনা করেন। হুসেন আলি প্ৰথমে ইতস্তত করেন, কিন্তু যখন ফারুকশিয়ারের পরিবারের মেয়েরা গিয়ে তাঁকে অনুনয় বিনয় করল, তখন তিনি ফারুকশিয়ারকে সাহায্য করতে সম্মত হন। অ্যালাহাবাদের শাসক সৈয়দ আবদুল্লা খানকেও আজিম-উল-শানই তার পদে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। আবদুল্লা খান সৈয়দ-হুসেন আলি খানেরই ভ্ৰাতা। দুই ভাই একত্রিত হয়ে ফারুকশিয়ারকে সাহায্য করতে প্ৰবৃত্ত হয়। দিলী অভিগামী রাজস্ব তারা লুঠ করে এবং পাটনা ও বারাণসীর ব্যাঙ্কারদের কাছ থেকে টাকা ধার করে, তারা এক সৈন্যবাহিনী গঠিত করে। কাঠগয়া নামক স্থানে তারা জাহান্দর শাহের জ্যেষ্ঠ পুত্ৰ আজিউদ্দিনকে যুদ্ধে পরাজিত করে (১৭১২)। ১৭১৩ খ্রীস্টাব্দে স্বয়ং সম্রাট কর্তৃক পরিচালিত সৈন্যবাহিনীকেও ফারুকশিয়ারের সৈন্যদল আগরায় পরাজিত করে। সম্রাট SBBBDB BB DB BBD DBBDSDDSDDB DuDB DBDuB BD DDD আসাদ-উদ-দৌল বিশ্বাসঘাতকতা করে সম্রাটকে ফারুকশিয়ারের হাতে সমর্পণ করে। ফারুকশিয়ার সম্রাটকে হত্যা করে। এইভাবে ১৭১৩ খ্রীস্টাব্দে ফারুক-শিয়ার হিন্দুস্থানের সম্রাট হন।

    পাঁচ

    এই ঘটনার এক বৎসর পূর্বে ফারুকশিয়ার যখন পাটনাতে নিজেকে সম্রাট বলে ঘোষণা করেছিলেন, তখন তিনি কিছু প্ররোচনার বশীভূত হয়ে রশিদ খান নামক এক ব্যক্তিকে বাঙলার শাসক নিযুক্ত করেছিলেন। এই সংবাদ পাওয়া মাত্র মুরশিদকুলি খান রশিদ খানকে মুরশিদাবাদের নিকট ‘প্ৰতিরোধ করেন। রশিদ খানের সঙ্গে মুরশিদকুলি খানের যে সংঘর্ষ হয়, সেই সংঘর্ষে রশিদ খান নিজ অশ্ব থেকে পড়ে গিয়ে মারা যান। কিন্তু ফারুকশিয়ার যখন হিন্দুস্থানের সম্রাট হন (১৭১৩) মুরশিদকুলি খান তখন নিজ কুটবুদ্ধি অনুযায়ী সম্রাটের আনুগত্য স্বীকার করেন এবং তাকে বহু মূল্যবান উপঢৌকন পাঠান। ফারুকশিয়ারও মুরশিদকুলি খানকে বাঙলা ও ওড়িশার স্ববেদার নিযুক্ত করেন। তখন মুরশিদকুলি খান মুকসুদাবাদের নাম পরিবর্তন করে মুরশিদাবাদ রাখেন (১৭১৩ খ্রীস্টাব্দ)।।

    এইভাবে শক্তিমান হবার পর মুরশিদকুলি খান ইংরেজদের সঙ্গে কলহে প্ৰবৃত্ত হন। শাহজাদা শুজার কাছ থেকে ইংরেজরা যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা পেয়েছিল, সেগুলি তিনি বাতিল করে দেন। বাৰ্ষিক তিন হাজার টাকা প্ৰদানের পরিবর্তে ইংরেজরা অবাধ বাণিজ্যের যে অধিকার পেয়েছিল, তাও নাকচ করে তিনি আদেশ দেন যে হিন্দুরা যে বাণিজ্য শুষ্ক দেয়, ইংরেজদেরও তা পুরামাত্রায় দিতে হবে। নবাবের এরূপ আচরণে বিক্রত হয়ে ইংরেজরা দিল্লীতে সম্রাটের নিকট দূত প্রেরণ করে। ১৭১৫ খ্রীস্টাব্দে ইংরেজ কোম্পানি জন সুরম্যান ও এডওয়ার্ড ষ্টিভেনসন নামে দুই ব্যক্তিকে দৌত্যকর্মে নিযুক্ত করে সরাসরি দিল্লীতে বাদশাহ ফারুকশিয়ারের কাছে পাঠিয়ে দেয়। তাদের সঙ্গে যায় দোভাষী হিসাবে খোজা সারহাউদ ও চিকিৎসক হিসাবে ক্যাপটেন উইলিয়াম হামিলটন। তারা সঙ্গে করে নিয়ে যায় বহুমূল্য উপঢৌকন। মুরশিদকুলি খান দূতদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করবার চেষ্টা করেন, কিন্তু এক আকস্মিক ঘটনা ইংরেজদের সহায়ক হয় এবং তারা সম্রাটের কাছ থেকে সহানুভূতিশীল ব্যবহার পায়। ঘটনাটা আর কিছুই নয়, সম্রাটের অণ্ডকোষের এক কঠিন পীড়া। ১৭২৩ খ্রীস্টাব্দে বাদশাহ ফারুকশিয়ারের আদেশে হুসেন আলি খান নামক সেনাপতির অধীনে মোগল বাহিনী যোধপুর আক্রমণ করে। যোধপুরের রাজা অজিত সিং পরাহত হয় এবং সন্ধির শর্ত অনুযায়ী অজিত সিং তার মেয়ের সঙ্গে বাদশাহের বিবাহ দিতে রাজী হয়। কিন্তু সম্রাট হঠাত পীড়িত হওয়ায়, এই বিবাহে বিঘ্ন ঘটে। এই মুহূর্তেই ইংরেজ কোম্পানির দূতগণ দিল্লীতে গিয়ে হাজির হয়। ইংরেজ দূতগণের সঙ্গে আগত চিকিৎসক ডাক্তার উইলিয়াম হামিলটন সম্রাটকে পীড়ামুক্ত করে। এভাবে তার বিবাহের পথ প্ৰশন্ত হয়। সম্রাট খুশী হয়ে ইংরেজদের প্রার্থনা মঞ্জুর করেন ও তাদের ফরমান দেন। ইংরেজদের প্রার্থনা ছিল-(১) কলকাতার প্রেসিডেন্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছাড়পত্র প্ৰদৰ্শন করলে, নবাবের কোন কর্মচারী নৌপথে আগত ইংরেজদের কোন মাল আটক বা পরীক্ষা করতে পারবে না, (২) সপ্তাহে তিনদিন মুরশিদাবাদের টাকশালে ইংরেজদের মুদ্রা নির্মাণের অধিকার থাকবে, (৩) ইংরেজরা অনুরোধ করা মাত্র ইংরেজদের কাছে ঋণী এরকম ব্যক্তিকে ইংরেজদের হাতে সমৰ্পণ করতে হবে, এবং (s) কলকাতার সংলগ্ন ৩৮ খানা গ্রামের জমিদারী স্বত্ব তারা কিনতে পারবে। ফারমান দ্বারা সম্রাট ইংরেজদের এ সকল প্রার্থনা মজুর করেন। মুরশিদকুলি খান সম্রাটের আদেশ অমান্য করতে সাহস করলেন না। কিন্তু ৩৮ খানা গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কেনা সম্বন্ধে তিনি স্থানীয় জমিদারদের ওপর এমন প্রভাব বিস্তার করলেন যে সে সম্পর্কে ইংরেজদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হল।

    ১৭১৮ খ্রীস্টাব্দে সম্রাট ফারুকশিয়ার মুরশিদকুলি খানকে বিহারেরও শাসক নিযুক্ত করেন। ১৭১৯ খ্রীস্টাব্দে ফারুকশিয়ারের মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুর পর সাত মাসের মধ্যে পার পর দুজন সম্রাট হন; তারপর ১৭২৭ খ্রীষ্টাব্দে মহম্মদ শাহ দিল্লীর বাদশাহ হন। তিনিও মুরশিদকুলি খানকে বাঙলা, বিহার ও ওড়িশার শাসক পদে বহাল রাখেন। কিন্তু মুরশিদকুলি খান দিল্লীর সঙ্গে নামমাত্র সম্পর্ক রেখে নিজেই স্বাধীন শাসক হয়ে ওঠেন। এভাবে তিনি বাঙলায় নবাবী আমলের স্বচনা করেন। ১৭২৭ খ্রীস্টাব্দে মুরশিদকুলি খানের মৃত্যু ঘটে।

    মুরশিদকুলি খান যোগ্য শাসক হলেও, দেশের আর্থিক বা সামাজিক অবস্থার কোন উন্নতি ঘটাতে পারেন নি। তাঁর হিন্দুবিদ্বেষ এবং জমিদার ও প্রজাদের পীড়ন করে অর্থসংগ্ৰহ করার ফলে দেশে হাহাকার পড়ে গিয়েছিল। অর্থনৈতিক শোষণে বাঙলা ক্রমশ জীৰ্ণ হতে আরম্ভ হয়েছিল। দুর্ভিক্ষের সময় দেশের লোকের দুর্দশার সীমা থাকত না। পরবর্তী শাসকদের সময় এই অবস্থাই চলেছিল। মোটকথা, গোটা অষ্টাদশ শতাব্দীতেই বাঙালী সমাজে দৈন্যতা করেছে। মুখব্যাদান। বৎসরের পর বৎসর দিল্লীতে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব প্রেরণের ফলে বাঙলায় রৌপ্য মুদ্রার অভাব ঘটেছিল, যার পরিণতিতে কেনাবেচা ও লেনদেন প্ৰাচীন প্ৰথানুযায়ী কড়ির মাধ্যমেই হওয়া ব্যাপকভাবে প্ৰচলিত হয়েছিল। পলাশী যুদ্ধের সময় পৰ্যন্ত এই অবস্থা বহাল থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রমীলা প্রসঙ্গ – অতুল সুর
    Next Article চোদ্দ শতকের বাঙালী – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }