Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আড়ালে আততায়ী : ১২টি খুনের রোমহর্ষক ময়না তদন্ত

    চিত্রদীপ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাল হল পনিটেল

    বিকেল গড়িয়ে তখন সবে সন্ধ্যা নামব নামব করছে। ইলিয়ট রোডের পুরোনো বাড়ি, দোকান, নোনাপুকুর ট্রামডিপোর গা বেয়ে আলতো করে চুইয়ে পড়ছে দিনের শেষ আলো। এই চত্বরটা শহরের একেবারে প্রাচীনতম এলাকাগুলোর মধ্যে একটা। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোনো বাড়িগুলোর মধ্যে হয়তো সেই চাকচিক্য নেই, অতীতের গন্ধ আছে।ইতিহাসের হাতছানি রয়েছে। আশপাশে পুরোনো বাড়ি ভেঙে নতুন নির্মাণও হচ্ছে অবশ্য কয়েকটা। বাড়ির ছাদে ঘুড়ি ওড়ানো কচিকাঁচার দল, ফুটপাতের চাউমিন—বিরিয়ানি—ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে মাংসের দোকানে ঝুলিয়ে রাখা কাটা মাংসের মিলেমিশে যাওয়া গন্ধ, ট্রামের ঘটাং ঘটাং আর অটোরিকশা, মোটরবাইকের হর্নের চিল চিৎকার শেষ বিকেলের ব্যস্ততা জানান দেয়। রোজকার মতোই। চেনা ব্যস্ততার আবহ খান খান করে ভেঙে হঠাৎ ঢুকতে শুরু করল একটার পর একটা পুলিশের গাড়ি। “আরে ক্যায়া হুয়া হ্যায়, ভাইয়া,’ আশপাশের মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ল গুঞ্জন। ইলিয়ট রোডের একটা পুরোনো বহুতল বাড়ির কাছে এসে দাঁড়াল পার্ক স্ট্রিট থানার বড়বাবুর লাল টাটাসুমা, বিভাগীয় ডেপুটি কমিশনারের কালো স্করপিও গাড়ি। দ্রুত পায়ে ভিতরে ঢুকলেন অফিসাররা। কিছুক্ষণ বাদে এলেন লালবাজারের গোয়েন্দা প্রধান। তার আগেই হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দারা ঢুকে পড়েছেন বাড়িতে এক এক করে।

    তিনতলার ফ্ল্যাটটার দরজা ঠেলে ঢুকতেই ড্রয়িং রুম। তার সামনে চিৎ হয়ে পড়েছিল কালো প্যান্ট ও ছাই রংয়ের গেঞ্জি পরা দেহটা। মুখের উপর একটা তোয়ালে ফেলা। নাকের নীচে সামান্য রক্তের দাগ। রক্তের সামান্য ছিটে লেগে তোয়ালেতেও। ৭০ ছুঁইছুঁই সুদেবকুমার মুখোপাধ্যায়কে চিনতে অসুবিধা হয় না কারও। ইলিয়ট রোডের চারতলা বাড়িটার তিনতলার ফ্ল্যাটের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা বৃদ্ধ ভদ্রলোককে চিনতেন মোটামুটি এলাকার সবাই। টলিপাড়ায় সিনেমা বা সিরিয়ালের স্ক্রিপ্ট—রাইটার হিসাবে সুনাম ছিল। তাছাড়া পড়শিদের বিপদে—আপদে সাহায্য করতেন। কখনও কারও ব্যাঙ্ক, কারও পোস্টঅফিস বা কপোরেশনে চিঠি লেখালেখির দরকার হলেই শরণাপন্ন হতেন সুদেববাবুর। বৃদ্ধের স্ত্রী বিপাশা মুখোপাধ্যায় বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছেন একসময়। গত হয়েছেন মাস সাত—আটেক আগে। পুত্র—পুত্রবধূ দিল্লির বাসিন্দা।

    ‘স্যর, সুদেববাবু তো আমাদের ‘প্রণাম’—এর মেম্বার। এই তো কদিন আগে এক সকালে ফোন করেছিলাম ওঁকে, হোমিসাইড বিভাগের পোড়খাওয়া গোয়েন্দাকে বলছিলেন পার্ক স্ট্রিট থানার এক তরুণ অফিসার।

    ‘মানে, ওঁকে আগে চিনতে,’ প্রশ্ন করেন গোয়েন্দা অফিসারটি। পার্ক স্ট্রিট থানার অফিসার বললেন, হ্যাঁ স্যর। কদিন আগেও যখন ফোন করেছিলাম, বললেন, ভালো আছেন। কোনও সমস্যা নেই। কী একটা লেখা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত।’

    ‘ভেরি ইন্টারেস্টিং। তাহলে উনি যে খুন হতে পারেন, এমন কোনও আশঙ্কা ওঁর মধ্যে ছিল না। থাকলে নিশ্চয়ই পুলিশকে জানাতেন,’ নিজের মনেই খানিক বিড়বিড় করলেন প্রবীণ গোয়েন্দা অফিসার।

    গোয়েন্দাদের অভিজ্ঞ চোখ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করছিল মৃতদেহ। খুন, নাকি অন্য কিছু? পুলিশের প্রাথমিক পাঠ বলে, এরকম যে কোনও অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে সবার আগে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখা দরকার মৃতদেহ এবং অকুস্থল। তা—ই করছিলেন পার্ক স্ট্রিট থানা ও হোমিসাইডের অফিসাররা। দুই চোখের মাঝখানে কপালের ঠিক নীচে, সুদেববাবুর মুখের ঠিক সেই জায়গাটায় যেন ঘুষি মারার মতো একটা দাগ। ডান চোখের পাতার উপর কালশিটের ছাপ স্পষ্ট। সে দাগ কি কোনওভাবে পড়ে গিয়েও হয়ে থাকতে পারে? হয়তো অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বৃদ্ধ। তোয়ালেতে মুখ মোছার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর পড়ে গিয়ে মৃত্যু। এমনটাও তো হতে পারে। নাকি কেউ বলপ্রয়োগ করে কাবু করেছিল বৃদ্ধকে? ঠান্ডা মাথায় খুন? খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ঘরের প্রতিটি কোণ দেখতে থাকেন তদন্তকারীরা। ঘরের ভিতরে কারও সঙ্গে ধস্তাধস্তির কোনও চিহ্ন মিলল না আপাতদৃষ্টিতে। মেঝের উপর কার্পেট টানটান। বিছানা, বালিশ, আসবাবও বড় একটা ওলটপালট হয়নি। যদি খুনও হয়ে থাকেন সুদেববাবু, তাহলে মোটিভ কী? লুঠের কোনও চিহ্ন আপাতভাবে নেই। অবশ্য বৃদ্ধ একা থাকতেন। তাই বাড়ি থেকে কিছু খোয়া গিয়ে থাকলেও এখনই বোঝা মুশকিল। আর যদি ধরেও নেওয়া যায় ইলিয়ট রোডের মতো জনবহুল এলাকায় দিনদুপুরে ডাকাতির চেষ্টা হয়েছে, তাহলে কেউ টের পর্যন্ত পেলেন না—সেটাই বা কী করে হয়? তাহলে কি পরিচিত কেউ? চিন্তার ভাঁজ পার্ক স্ট্রিট থানা ও লালবাজারের হোমিসাইড বিভাগের ঝানু গোয়েন্দাদের কপালে। একে পার্ক স্ট্রিটের মতো শহরের অভিজাত এলাকা! আবার টলিউড কানেকশন। হাইপ্রোফাইল কেস!

    পুলিশের প্রাথমিক কাজটা সারতে রাত হয়ে গিয়েছিল। ঘটনাস্থল ছাড়ার আগে গোয়েন্দা প্রধান নির্দেশ দিলেন হোমিসাইডের ওসিকে, ‘পোস্ট মর্টেমের প্রাইমারি ওপিনিয়নটা কাল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জানার চেষ্টা করো। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে কিপ মি আপডেটেড। আর গাড়িতে ওঠার আগে পার্ক স্ট্রিট থানার ওসিকে বললেন, ‘সুদেববাবুর ছেলে দিল্লিতে থাকেন না ? ওঁকে ইমিডিয়েটলি খবর দাও। দেখো, উনি যদি কোনও আলোকপাত করতে পারেন। সুদেববাবু নিজের সুরক্ষার জন্য আমাদের প্রণামের সদস্য হয়েছিলেন। কিন্তু কী এমন বিপদ হল, যা উনি আঁচই করতে পারলেন না?’

    ১১ জুন, ২০১৪। বুধবার শেষ বিকেলে ইলিয়ট রোডের একটা পুরোনো বাড়ির তিনতলার ঘরে ডােরবেল বাজাল মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার সংস্থার এক কুরিয়র বয়। ফ্ল্যাটের বাসিন্দার নামে মোবাইল বিল এসেছে। সেটি পৌঁছে দিতে হবে। বেল বাজল বেশ কয়েকবার। ছেলেটি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বোঝার চেষ্টা করল ভিতর থেকে কোনও সাড়া আসে কি না। সাড়া মিলল না। এ বার পড়শি এক মহিলার ঘরের কলিং বেলের বোতামে চাপ দিল ছেলেটি।

    মহিলা জানতে চাইলেন, ‘কী ব্যাপার?’

    ‘ওই ঘরের ভদ্রলোক দরজা খুলছেন না। একটু দেখবেন, প্লিজ,’ জবাব দিল ছেলেটি।

    মোবাইল সংস্থার যুবকের সঙ্গে তড়িঘড়ি পাশের ঘরে গেলেন মহিলা। দরজায় অল্প চাপ দিতেই খুলে সেটা খুলে গেল। মেঝেতে নিঃসাড়ে পড়েছিল সুদেবকুমার মুখোপাধ্যায়ের মৃতদেহ। পড়শি মহিলাই প্রথম খবর দিয়েছিলেন পুলিশে।

    উদ্ধার করা মৃতদেহ
    উদ্ধার করা মৃতদেহ

    সেই পড়শি, কুরিয়র বয়, আশপাশের অন্য বাসিন্দা, নীচতলার দোকানদার— সবার বয়ান নিল পুলিশ। কারা নিয়মিত আসা—যাওয়া করত সুদেববাবুর ঘরে, কারও সঙ্গে বৃদ্ধের শত্রুতা ছিল কি না—সবকিছুই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করলেন তদন্তকারীরা। তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু মিলল না। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে পরদিন বিকেলে চলে এলেন আর্যপ্রতিম মুখোপাধ্যায়— সুদেববাবুর ছেলে। সন্ধ্যায় ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকের প্রাইমারি ওপিনিয়ন পৌঁছে গেল পুলিশের হাতে। আর সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই। খুনই হয়েছেন সুদেববাবু। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিলেন, গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বৃদ্ধকে। শরীরে মিলল অন্তত ১৩টি ছোটখাটো আঘাতের চিহ্ন। ঘাড়ের দু’টি হাড় ভাঙা। সম্ভবত সুদেববাবুর ঘাড় ধরে পিছন দিকে মুচড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল খুনি। গলা, ডান হাতে নখের আঁচড়ের দাগ জানান দিচ্ছে আত্মরক্ষাজনিত আঘাতের আভাস। মৃত্যুর আনুমানিক সময় ১০ জুন, রাত ১২টার আশপাশে। কিন্তু খুনি কে? সে কি সুদেববাবুর পরিচিত কেউ? ইলিয়ট রোডের এই বাড়িটিতে বাইরের অপরিচিত কেউ ঢুকতে গেলে তো কারও না—কারও চোখে পড়ার কথা। কেউ কিছুই দেখলেন না? অত রাতে একাকী বৃদ্ধ খুনিকে দরজা খুলেই বা দিলেন কেন? পরিচিত কেউ ছাড়া তো দরজা খোলা খুব স্বাভাবিক নয়। সুদেববাবুর কি কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল কারও সঙ্গে? না নিছক ডাকাতি করতে এসে খুন? নাকি প্রি—প্ল্যানড মার্ডার? খুন করে ঘরটা আগের মতো গুছিয়ে রেখে গেল কি আততায়ীই? পুলিশের চোখকে ধোঁকা দিতে? কেউ কি বৃদ্ধকে ফ্ল্যাট ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন? নাকি স্ক্রিপ্ট লেখা নিয়ে প্রফেশনাল রাইভ্যালরি? সম্ভাব্য খুনি, খুনের মোটিভ সবকিছুই হোমিসাইড বিভাগের অফিসারদের মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল। খুব একটা আশার আলো দেখাতে পারলেন না বৃদ্ধের ছেলেও।

    —বাবার সঙ্গে তো আপনার নিয়মিত কথা হত। শেষ যখন কথা হয়েছিল, অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়েছিল কি?

    —না, বাবা তেমন কিছু আমাকে অন্তত বলেননি।

    —কোনও শত্রু বা বিপদের কথা…

    —না, না। সেরকম কিছু হলে তো বাবা নিশ্চয়ই বলতেন। উনি একা থাকতেন বলে ‘প্রণাম’—এর সদস্যপদও নিয়েছিলেন। আমরাই বলেছিলাম, নিয়ে রাখতে। বিপদে—আপদে পুলিশকে পাশে পাবেন।

    —আপনার কি কাউকে সন্দেহ হয়? মানে বাড়ি ছাড়তে কেউ চাপ দিচ্ছিল আপনার বাবাকে? বা প্রফেশনাল রাইভ্যালরি?

    —বাবার কোনও শত্রু আছে বলে তো অন্তত আমার জানা নেই। ওঁর সঙ্গে সবার ভালো সম্পর্ক ছিল। কেউ ওঁর ক্ষতি করতে পারেন, ভাবতেই পারছি না।

    অগত্যা কিছুটা অন্ধকারে হাতড়াতে থাকেন তদন্তকারী অফিসাররা। ধোঁয়াশা অনেক। খটকার জায়গাও বিস্তর। কী কী জানা দরকার, কী করা দরকার, তদন্তকারী অফিসার তালিকা তৈরি করতে থাকেন।

    তদন্তের অগ্রগতি প্রতিদিন গোয়েন্দা প্রধানের কাছে ব্রিফ করছিলেন হোমিসাইড বিভাগের ওসি। সাউথ ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে পার্ক স্ট্রিট থানার কয়েকজন অফিসারের সঙ্গে একযোগে তদন্ত চালাচ্ছিল হোমিসাইড বিভাগ। তদন্তের এক একটা পার্ট দেখছিলেন এক একজন। একটা দল খুঁটিয়ে দেখছিল প্রত্যেকের বয়ান। একই ব্যক্তিকে বারবার প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছিল। এক প্রশ্ন বারবার করা ক্লান্তিকর, শোনাটাও, তবু করে যেতে হয়, কার কথায় কখন কী সূত্র বেরিয়ে পড়ে, তার অপেক্ষায়। অন্য একটা দল খোঁজ করছিল, যদি আশপাশের কোনও রাস্তায় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে কোনও সূত্র মেলে। তবে খুনি কে, শেষ তাঁর ঘরে কে এসেছিল, তা না—জানলে ক্যামেরার ফুটেজই বা খুনিকে আলাদা করে চিহ্নিত করবে কীভাবে? পুরোনো বাড়িটায় সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের যে ক্যামেরা আছে, তাতেও এই বাড়িটা সরাসরি ধরা পড়ছে না। তবে তারও আগে দরকার সম্ভাব্য আগন্তুকের একটা তালিকা তৈরি করা। পুলিশের তিন নম্বর দলটা ঝাড়াইবাছাই করছিল সুদেববাবুর মোবাইলের কল ডিটেলস রেকর্ড, পুলিশি ভাষায় সিডিআর। শেষবার কার সঙ্গে কখন কথা হয়েছিল তাঁর, কোনও একটা সূত্র যদি বের হয় সেখান থেকে। প্রত্যেকটা ডিটেলস নজরে রাখছিলেন সাউথ ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার ও গোয়েন্দা প্রধান। একটা জিনিস গোড়া থেকেই আঁচ করছিলেন তদন্তকারীরা, তা হল, আততায়ী সম্ভবত বৃদ্ধের পরিচিত। আগেও এসেছে এই বাড়িতে। তা না হলে এত রাতে কেন সুদেববাবু অচেনা লোককে এভাবে দরজা খুলে দেবেন? খুনিই বা কী করে এতটা নিশ্চিন্তে পালাতে পারল, যে কেউ টের পেল না? নিশ্চয়ই দরজা খোলার সময় আগন্তুকের নাম ও গলার স্বর শুনে নিশ্চিত হয়েছিলেন সুদেববাবু।

    গত কয়েক দিনে কারা এসেছিল ওই বাড়িতে, তার সম্ভাব্য একটা তালিকা তৈরি হল। সবাইকেই মোটামুটি চেনেন সুদেববাবুর পড়শিরা। কাজের লোক, দুধওয়ালা, খবরের কাগজওয়ালা—বয়ান নেওয়া হল প্রত্যকেরই। বৃদ্ধের বাড়ির উপরতলার এক বাসিন্দা জানালেন, দিন কয়েক আগে একটা ছেলেকে আসতে দেখেছেন তাঁর ফ্ল্যাটে। পার্ক স্ট্রিট থানার অফিসার প্রশ্ন করলেন, ‘কে? চেনেন তাঁকে? কবে এসেছিল ছেলেটি?’

    পড়শিটি বললেন, “আমি চিনি না। ছেলেটা এসেছিল, যতদূর মনে পড়ছে, সুদেববাবু মারা যাওয়ার দু’—তিনদিন আগে। আগেও দু—একবার দেখেছি। ছেলেটার মাথায় চুল একটু লম্বা, পনিটেল করে বাঁধা, আর কানে দুল। চেহারা বেঁটেখাটো বলা চলে, তবে বেশ গাঁট্টাগোট্টা।’

    ‘তারপর আর দেখেননি,’ প্রশ্ন করেন অফিসারটি। পড়শিটি জবাব দেন, ‘না, আর তো দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। তবে ছেলেটার নাম জানি না।’

    অন্ধকারের মাঝে একটা সরু আলোর রেখা দেখা দিয়েও যেন মিলিয়ে যাচ্ছে। ‘ছেলেটাকে বের করতে পারলে হতে পারে একটা সূত্র বেরবে। আশপাশ। এলাকায় তোমাদের সোর্সদের কাজে লাগাও, কেউ যদি এমন চেহারার কারও খোঁজ দিতে পারে, নির্দেশ দিলেন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার। কিন্তু এ তো। খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার মতো!

    পুলিশের আর একটা টিম সুদেববাবুর মোবাইলের কল ডিটেলস খুঁটিয়ে পরীক্ষা করছিল। পার্ক স্ট্রিট থানা, হোমিসাইড শাখার পাশাপাশি সেই কাজে নেমেছিল লালবাজারের টেকনিক্যাল উইং। ছাইয়ের স্তুপ সরিয়ে রত্ন খোঁজার মতোই একটা মোবাইল নম্বর বের করে আনলেন গোয়েন্দারা। আপাতদৃষ্টিতে খুব সহজ মনে হতে পারে। তবে কোনও মোবাইল নম্বরে আসা কয়েকশো কলের মধ্যে থেকে একটা বা দু’টো সন্দেহজনক নম্বর খুঁজে বের করার গোটা প্রক্রিয়াটা বাস্তবে এতটাও জলবৎ তরলং নয়। কঠিন অধ্যবসায় লাগে তদন্তকারী অফিসারের। লাগে অক্লান্ত মনঃসংযোগ। টেকনিক্যাল উইংয়ের অফিসাররা অনেক খুঁজে বের করে আনলেন তেমনই একটানম্বর। সুদেববাবুর মৃত্যুর দিন থেকে তার দু’সপ্তাহ আগের সময়সীমার মধ্যে ওই নম্বরটি থেকে একবারই কল এসেছিল তাঁর মোবাইলে। সেটা ১০ জুন রাত ৯টা নাগাদ। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পর খুন হন বৃদ্ধ। কার মোবাইল নম্বর সেটা? আততায়ীরই কি? সন্দেহ আরও দৃঢ় হল সেই নম্বরটি সুইচড অফ থাকায়। লালবাজার থেকে গোয়েন্দা প্রধানের নির্দেশ এল, ‘ইমিডিয়েট খুঁজে বের করার চেষ্টা করো, কার নামে রয়েছে ওই নম্বরটা। খুনি নাগালের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার আগে তাকে ধরতে হবে। কার নামে সিমকার্ড তোলা হয়েছে, জানা গেল দ্রুত। সিমকার্ড নেওয়া হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার এক ব্যক্তির নামে। খুঁজে পেতে অসুবিধা হল না। তবে তাঁকে নিছক ভালো মানুষ বলেই মনে হল তদন্তকারীদের। তিনি তো বলছেন, ওই সিমকার্ড কোনওদিন ব্যবহার করেননি। তাঁর কোনও পরিচিতকেও দেননি সিমকার্ড। সুদেববাবুকেও তিনি চেনেন না। ফোন করার অবকাশ নেই। বক্তব্য যাচাই করে নেওয়ার জন্য পুলিশের হাজারো তরিকা আছে। সবই উল্টেপাল্টে দেখা হল। নাহ, এই ভদ্রলোকটি তো মিথ্যা কথা বলছেন না।

    তাহলে?

    পার্ক স্ট্রিট থানার তরুণ অফিসারটি বলছিলেন, ‘ভেরি ক্লেভার। তাহলে কি নিজের মোবাইল ব্যবহার করেনি খুনি? ওই মোবাইল নম্বরটা থেকে আর কিছু জানা যাচ্ছে?’

    টেকনিক্যাল উইংয়ের আধিকারিক বললেন, ‘স্যর, আমরা সবরকম চেষ্টা করছি।’

    মোবাইল নম্বর সুইচড অফ থাকলেও প্রযুক্তির সাহায্যে এখন বোঝা সম্ভব, কোন মোবাইলে ব্যবহার করা হয়েছিল ওই সিমকার্ড। গোয়েন্দারা দ্রুত বের করে আনলেন যে মোবাইলে ব্যবহার করা হয়েছিল ওই সিমকার্ড, তার ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি বা আইএমইআই নম্বর। এই নম্বরটা এক—একটা মোবাইলের ক্ষেত্রে আলাদা। প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন আলাদা, সেটা দেখে মানুষকে আলাদা করে চেনা যায়, তেমনই প্রতিটি মোবাইলকে আলাদা করে দেয় আইএমইআই নম্বর। দেখা গেল, সেই মোবাইলে শুধু একটা নয়, ১৭টি সিমকার্ড ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। সবকটাই প্রি—অ্যাক্টিভেটেড সিম। কিন্তু সেই সিমকার্ড নম্বরের ভিড়ে কীভাবে মোবাইলের আসল মালিককে খুঁজে পাওয়া যাবে? সব নম্বরগুলোই বিভিন্ন লোকের নামে নেওয়া। হঠাৎ একটু অন্য বুদ্ধি খেলে যায় কলকাতা পুলিশের টেকনিক্যাল উইংয়ের সেই অফিসারটির মাথায়।

    ‘স্যর, একটা কাজ করলে হয় না? এই নম্বরগুলোর কোনওটায় হোয়াটস অ্যাপ আছে কি না, একবার দেখা যায়,’সাউথ ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারকে বলেন অফিসারটি।

    ‘তাতে লাভ কী, প্রশ্ন করেন ডেপুটি কমিশনার।

    অফিসারটি বলেন, ‘স্যর, যদি কোনওটায় হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্ট থাকে। আর তার প্রোফাইলে ছবি পাওয়া যায়, তাহলে একটা ক্লু মিলতে পারে।

    লোকটার চেহারা হয়তো পাওয়া যেতেও পারে।’

    সবক’টা নম্বরই মোবাইলে সেভ করলেন তদন্তকারীরা। দেখা গেল, ১৭টির মধ্যে চারটি নম্বর হোয়াটস অ্যাপে কখনও না—কখনও ব্যবহার করা হয়েছে। আর তার একটার প্রোফাইলে ছবিও মিলল। সেই ছবি দেখে চমকে উঠলেন পুলিশ অফিসাররা। বছর পঁচিশ—ছাব্বিশের একটা ছেলে। গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। মাথায় পনিটেল। ‘আরে, এইরকমই একজনের কথা বলছিলেন না সুদেববাবুর পড়শিটি, প্রশ্ন করলেন ডেপুটি কমিশনার।

    পার্ক স্ট্রিট থানার এক অফিসার বললেন, ‘স্যর, ঠিক তাই।’ ওই ছবি দেখানো হল সুদেববাবুর উপরতলার পড়শিকে। তিনিও বললেন, ‘হ্যাঁ, এ—ই। এই ছেলেটাকেই দেখেছি ওঁর ফ্ল্যাটে। পুলিশের স্থানীয় সোর্সদের চিনতে অসুবিধা হল না ওই যুবককে। এর নাম আবদুল মোমিন। ইলিয়ট রোডেই বাড়ি। বাড়ি গিয়ে অবশ্য মিলল না তাঁকে। বাড়ির লোকেরা জানালেন, মোমিন পাড়ি দিয়েছেন মুম্বইয়ের মীরা রোডে। সেখানে তিনি অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তখন।

    ৫ জুলাই মুম্বই পাড়ি দেয় পুলিশের একটা টিম। মীরা রোডের ছোট্ট ঘরের ভিতর তখন উচ্চগ্রামে চলছে টেলিভিশন। মোমিন কিং খানের ফ্যান। শাহরুখের সিনেমার বাছা বাছা ডায়লগের সঙ্গে লিপ মেলাচ্ছেন বছর পঁচিশের গাঁট্টাগোট্টা চেহারার যুবক, ‘ডন কা ইন্তেজার তো গ্যায়ারা মুল্কোঁ কী পুলিশ কর রহি হ্যায়, লেকিন সমঝ লো…’

    হঠাৎ ঘরের দরজায় টোকা যুবকের মনঃসংযোগে চিড় ধরায়। একটু খেকিয়ে উঠে দরজা খোলেন মোমিন, ‘কৌন?’

    ছোট্ট জবাব আসে, ‘পুলিশ। আপনি আবদুল মোমিন?’ বাড়িতে পুলিশ দেখে একেবারে আকাশ থেকে পড়লেন তিনি।

    —কী বস? ডনকেও তো হার মানাচ্ছ! কলকাতা থেকে সোজা উড়ে এলে মুম্বইয়ে। ভাবলে কেউ কিছু জানবে না।

    —আপনারা? কী ব্যাপার?

    —কিছুই বুঝতে পারছ না চাঁদু? এতদূর থেকে কি তোমার ফিল্মি ডায়লগ শুনতে এসেছি? খুনটা কেন করলি? সোজাসুজি বল তো?

    —খুন? কাকে? আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

    —পারবি, পারবি। এই ছবিটা দেখ, চিনতে পারছিস তো? নাকি এখনও বলবি কিছুই জানিস না! সুদেববাবুর একটা ছবি মোমিনের হাতে দিলেন তদন্তকারী অফিসারটি। এ বার কিছুটা গুটিয়ে গেল সে, ছিনে জোঁকের মুখে নুন পড়লে যেমনটা হয়, অনেকটা সেরকমই।

    সদাব্যস্ত ইলিয়ট রোডে ঘটে খুনের ঘটনা
    সদাব্যস্ত ইলিয়ট রোডে ঘটে খুনের ঘটনা

    ‘স্যর, আমি কিছু জানি না। আমার সঙ্গে শুধু আঙ্কলের পরিচয় ছিল। ভারি ভালো মানুষ ছিলেন। অনেককে সাহায্য করেছেন। আমিও নিয়েছি সাহায্য ওঁর কাছ থেকে। এর বেশি সত্যিই কিছু জানি না,’ গোড়ায় বারবার এটাই বলে যাচ্ছিল মোমিন।

    তদন্তকারী অফিসারটি একটু কড়া ভাষায় প্রশ্ন করলেন, ‘তাহলে ১০ জুন। সুদেববাবুকে ফোন করেছিলি কেন?’ জবাব আসে, ‘ওঁর কাছে উপকৃত হয়েছি। আঙ্কলকে ধন্যবাদ জানাতে।’

    ‘তা বলে এত রাতে ! এমন কী উপকার করেছিলেন সুদেববাবু?’ ফের প্রশ্ন করেন তদন্তকারী অফিসারটি। ‘আমাকে কয়েকদিন আগে হাজার খানেক টাকা ধার দিয়েছিলেন আঙ্কল। অ্যাক্টিং স্কুলের ফিজ দিতে হত। ওঁকে ফোন করে বলি, টাকা খুব শিগগিরই ফেরত দিয়ে দেব। এত ভালো মানুষ, বললেন, টাকা ফেরত দিতে হবে না। আমি অ্যাক্টিং শিখছি শুনে খুব খুশি হয়েছিলেন।

    —ওহ, তাই! তারপরই ভদ্রলোক মারা গেলেন। একবারও দেখতে গেলি ?

    —না, মানে, ওই…

    শাক দিয়ে আর কতক্ষণ মাছ ঢাকা যায়? পুলিশি জেরার মুখে প্রতিরোধের বাঁধ ভাঙল তাড়াতাড়িই। সুদেববাবুর পড়শি যেমনটা জানিয়েছিলেন,তাঁর মৃত্যুর দু’দিন আগে, ৮ জুন মোমিনই গিয়েছিল ইলিয়ট রোডের ফ্ল্যাটে। মানতে বাধ্য হল সে। ১০ তারিখ গভীর রাতেও সে—ই গিয়েছিল সুদেববাবুর ফ্ল্যাটে।

    ‘স্যর, আমি একা ছিলাম না। ফজলও ছিল আমার সঙ্গে,’ জেরায় কবুল করল মোমিন।

    গোয়েন্দা প্রধান হোমিসাইডের ওসির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ফজল, মানে ফজল আহমেদ। একে তো তোমরা ইন্টারোগেট করেছিলে। আবার তুলে আনো ওকে।’

    ওসি হোমিসাইড বলেন, ‘স্যর, ওই ফজলই তখন বলেছিল, ও কিছু জানে না।’

    ফজলের হদিশ পেতে দেরি হল না। ইলিয়ট রোডের বাড়ি থেকে ধরা পড়ল দ্রুত। কলকাতা পুলিশের ইতিহাসে সম্ভবত সর্বপ্রথম একটি রহস্যের কিনারা হল হোয়াটস অ্যাপের সূত্রে। হতে পারে প্রযুক্তির সৌজন্যে, তবু সেই প্রযুক্তিও তো মানুষেরই মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত।

    কিন্তু খুনের মোটিভ কী?

    জেরায় দু’জনেই স্বীকার করে, সুদেববাবুর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বেশ কিছুদিনের। আর পাঁচজনের মতো তাদেরও মাঝেমধ্যে টাকাপয়সা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন বৃদ্ধ। সেই সুবাদে বাড়িতে যাতায়াত ছিল দু’জনের। মিশুকে, দিলখোলা সুদেববাবুকে তাঁর ফ্ল্যাটেই কলসেন্টার খোলার প্রস্তাব দিয়েছিল মোমিন। তাঁকে বুঝিয়েছিল, এতে তাঁরও লাভ হবে। সুদেববাবু রাজি হননি। বরং বেশি চাপাচাপি করলে পুলিশের কাছে যাওয়ারও হুশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। তখন তাঁকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। আর ফজল হাওড়ায় তার মায়ের নামে একটি সম্পত্তি নিজের নামে করে নিতে চেয়েছিল। সুদেববাবুকে বলেছিল কিছু জাল কাগজপত্র তৈরি করে দিতে হবে। তাতেও নারাজ ছিলেন বৃদ্ধ। তাই রাগ মেটাতেই ১০ জুন রাতে শেষবারের মতো দু’জন গিয়েছিল সুদেববাবুর ফ্ল্যাটে। পরিচিত মোমিন ও ফজলকে দেখে দরজা খুলে দেন তিনি। তখনও দু’জনে একই কথা পাড়ে বৃদ্ধের কাছে। সুদেববাবু জানিয়ে দেন, তিনি মোমিন—ফজলের কথামতো চলবেন না। ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন দু’জনকে। তা না—হলে পুলিশ ডাকার কথা বলেন। তখনই রাগের মাথায় বৃদ্ধের মুখে একটা ঘুষি মারে মোমিন। তারপর তাঁর গলা চেপে ধরে দু’জন। হাতের সামনে পড়ে থাকা তোয়ালে দিয়ে চেপে ধরা হয় তাঁর মুখ। সুদেববাবুর নাক থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়তে দেখে দু’জনই পালিয়ে যায়, সদর দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে। নিশ্চিত হয় তারা, অত রাতে কেউ তাদের দেখতে পায়নি। তাই সুদেববাবুর খুনের পরও নিশ্চিন্তে ছিল মোমিন—ফজল। স্বাভাবিক জীবনে গা ভাসিয়ে দিয়েছিল। তবে কথায় আছে না, ধর্মের কল, বাতাসে নড়ে। সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখার সময়েই খুন হলেন সুদেববাবু। আর খুনিদের একজন পালিয়ে গিয়ে মুম্বইয়ে সিনেমায় অভিনয়ের ট্রেনিং নিচ্ছে। কী অদ্ভুত সমাপতন!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাল মৃত্যুর মুখোশ – এডগার অ্যালান পো – (অনুবাদক : চিত্তরঞ্জন মাইতি)
    Next Article ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল – চিত্রা দেব
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }