Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আড়ালে আততায়ী : ১২টি খুনের রোমহর্ষক ময়না তদন্ত

    চিত্রদীপ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ এসএমএস

    নিস্তব্ধতা ভেঙে টিং—টং আওয়াজ করে ঢুকল একটা এসএমএস।

    তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের হাতে ছিল মোবাইলটা। মুহূর্তের জন্য সামান্য অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন তিনি। খানিক আগে ফোনের অপেক্ষাকৃত সহজ লক একবারের চেষ্টাতেই খুলে ফেলতে পেরেছিলেন। কিন্তু এ সময় অনাহুতের মতো আসা বার্তা ওখানে দাঁড়িয়ে দেখার ইচ্ছে হল না তাঁর। ভাবছিলেন, লাশ মর্গে দিয়ে তারপর অফিস ফিরে খতিয়ে দেখবেন এর মধ্যে থেকে সত্যিই কিছু পাওয়া যায় কি না। তবুও ফোনটা নাড়াচাড়া করতে করতে আচমকা স্ক্রিনে গিয়ে চোখ আটকে গেল। আর তখনই নজরে এল সেই মেসেজটা। রোমান হরফে বাংলায় লেখা, ‘শেষবারের মতো সাবধান করে দিচ্ছি। ফের যদি একই কথা বলতে হয়, তবে তা যে ভালো হবে না, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একটু যেন ভাবুক হয়ে গিয়েছিলেন অফিসার। হুশ ফিরল ‘আদত সে মজবুর’ ডােমের বাজখাঁই গলায়, ‘সাব। ইয়ে আজ কা আখরি লাশ। অভি হামকো ঘর ওয়াপস যানা হ্যায়। থোড়া কুছ দিজিয়ে। লাশকাটা ঘরে দুভাগ্যক্রমে যাঁদের যেতে হয়েছে, তাঁদের কাছে অজানা বিষয় নয়, ওখানে ডােমেরাই ডন। ফ্রিজের মতো ঠান্ডা ঘরটায় বারবার ঢুকেও তাঁদের মেজাজ সর্বদা তিরিক্ষি থাকে কেন তা ওঁরাই জানেন। দোর্দন্ডপ্রতাপ যে কোনও পুলিশ অফিসারও ওই এলাকায় ডােমেদের প্রতাপে মুহূর্তে বশ হয়ে যান। দিজিয়ে’ মানে খুব স্পষ্ট কথা। অর্থাৎ, তিনি এখন বেরিয়ে যাবেন গেটে তালা ঝুলিয়ে। আর পুলিশ কর্তাকে নিজের পকেট থেকে দিতে হবে একটা মালের বোতলের দাম। না দিলে? আর রক্ষে নেই। ময়নাতদন্তের দফারফা হয়ে যাবে ওখানেই।

    ইংরেজ আমল থেকে চলে আসা নিয়ম, সূর্য ডুবে গেলেই আর পোস্টমর্টেম হবে না। ফের সেই পরের দিন সূর্য ওঠার পালা। আর এখানে খুন এবং আত্মহত্যার যে ঘটনাটা ঘটেছে তা দুপুরে। ফলে সব হ্যাপা সামলে দুটো বডি আনতে গিয়ে দেরি হয়ে গিয়েছে ঢের।

    যে মোবাইলটা অফিসারের হাতে রয়েছে আসলে সেটা তাঁর, গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত অবস্থায় যাঁর মৃতদেহ কিছুক্ষণ আগে নিয়ে আসা হয়েছে লাশকাটা ঘরে। আনা হয়েছে কলেজ পড়ুয়া এক ছাত্রীর দেহও।

    ৬ জানুয়ারি। ২০০৮। দুপুরবেলা। একই ঘরে দু—দু’টি মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গেল রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শান্তিনিকেতনে।

    কে পাঠাল এমন হুমকি বার্তা? অফিসারের সতর্ক দৃষ্টি ততক্ষণে আটকে গিয়েছে এসএমএসের নীচে ক্যাপিটাল হরফে লেখা AK—তে। আর ওই দুটি ইংরেজি অক্ষরের সৌজন্যে পুলিশের কাছে অপেক্ষাকৃত সহজ এই তদন্তটা মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হল একটা জটিল ধাঁধায়। প্রশ্নের উত্তর আগাম তৈরি করে নিয়েছিলেন তদন্তকারী। অথচ একটা এসএমএস উলটপালট করে দিয়ে গেল পুলিশের ভাবনাচিন্তা সহ সবকিছু। অঙ্কটাও মিলতে গিয়ে আটকে গেল সিঁড়ির মাঝপথে এসে।

    কে এই AK? কেনই বা সে এরকম একটা হুমকি ভরা বার্তা পাঠাল এক মৃত যুবকের মোবাইলে? রহস্যময় মেসেজটা আসার পর তাহলে ঘটনাটা কি একই থাকল, নাকি বাঁক নিল অন্যদিকে? ঠিক কী ঘটল? মামলার তদন্তে নামা দুঁদে পুলিশ কর্তা এসডিপিও দেবাশিস ধরের প্রথমেই মনে হল, তাহলে বিষয়টা কি অনেকটা ‘এক ফুল দো মালির’ চিত্রনাট্য? খুন এবং আত্মহত্যার পর যেটাকে কার্যত রুল আউট করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক এসএমএসেই যেন কাহানি মে নয়া টুইস্ট।

    এবং হ্যাঁ। পুলিশ এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই শুরু করল প্রাথমিক তদন্ত অর্থাৎ দুয়ে দুয়ে চার মেলানোর কাজ।

    এই ঘটনার চার বছর আগে কবি গৃহ থেকে নোবেল প্রাইজ চুরি যাওয়ার ঘটনায় বেআব্রু হয়েছিল বিশ্বভারতীর নিরাপত্তা। তবে এবার আর ছিচকে চুরি নয়, বারবেলায় রীতিমতো গুলি চালানোর মত ঘটনা ঘটে গেল সঙ্গীত ভবনের হস্টেলের অন্দরে। তাও আবার ওয়েবলি স্কট ৯ এমএম পিস্তল থেকে। তদন্তকারীদের সাধারণ বুদ্ধি বলছে, এই পিস্তল তো ব্যবহার করার কথা খোদ পুলিশ অফিসারদের! তাহলে গুলি চালনার ঘটনায় মৃত ২৯ বছরের অমরেশ কুণ্ডুর হাতে এই আগ্নেয়াস্ত্র এল কী করে? নজর ঘুরে গেল সেদিকে। এদিক—ওদিক খোঁজ নেওয়া শুরু করলেন জেলা পুলিশের কর্মীরা। ততক্ষণে টিভি চ্যানেলের পর্দায় ফুটে উঠেছে তিরিশ সেকেন্ডের একটা ফুটেজ। যেখানে দেখা যাচ্ছে একটা ঘরে পর পর দু’টি মৃতদেহ। একটি খাটের উপর শোয়ানো অন্যটি দরজার ঠিক পাশে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে থাকা।

    বিশ্বভারতী যখন এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড়, সে দিন বিকেলে টালিগঞ্জ থানার অতিরিক্ত ওসি কাজে এলেন। দুপুরে কানে এসেছিল শান্তিনিকেতনে সম্ভবত কোনও খুনের ঘটনা ঘটেছে। অবশ্য মাথা ঘামাননি খুব একটা। নিজের এলাকার বাইরে কিছু হলে তা জেনে কী হবে, এটাই ভাবছিলেন সম্ভবত। থানায় ঢুকতেই কাজের ফাঁকে চোখ গেল টিভি চ্যানেলের দিকে। সেই দৃশ্য দেখে চমকে উঠলেন তিনি। আরে এতো অমরেশ বলে মনে হচ্ছে? পিস্তলটা কোথা থেকে পেল?’ সন্দেহটা প্রথমে একটু হালকা তারপর গাঢ় হতেই মনে যেন কু ডাকল। দৌড়ে দেখতে গেলেন থানার আরমারির বক্সটা। প্রাচীন প্রবাদ, অন্য সবার তুলনায় পুলিশের নাকে অপরাধের যে কোনও গন্ধ আগে আসে। এবারও এল, তবে একটু দেরিতে। খোঁজ করতে গিয়ে দেখতে পেলেন সার্ভিস পিস্তলটি বেমালুম উধাও থানা থেকে! আর দেরি করা যায় না। কনস্টেবল সুনীলকে ফোন করলেন। কিন্তু ফোন বেজে গেল তাঁর। রাগে গজগজ করতে লাগলেন, ‘কাজের সময় ফোনটা ধরে না। আজ আসুক, কেস খাওয়াতে হয় কেমন করে দেখতে পাবে। কিন্তু না, আর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করা যায় না। নিয়ম মেনে থানাতে দ্রুত একটা জেনারেল ডায়েরি(জিডি) লিখতে বসে গেলেন অতিরিক্ত ওসি। লেখা হল, ‘প্রবাবলি মাই সার্ভিস রিভলবার ওয়াজ স্টোলেন ফ্রম পুলিশ স্টেশন।’

    খুন এবং আত্মহত্যার ঘটনার পর প্রায় চার—পাঁচ ঘণ্টা ধরে তদন্তের সূত্র ঘোরাঘুরি করছিল শুধুমাত্র একটা জেলার মধ্যে। এবার তার শিকড় বোলপুর টপকে এগোতে লাগল কলকাতা শহরের দিকে। কীভাবে, সে কথায় পরে আসছি।

    মৃত শাশ্বতী পাল
    মৃত শাশ্বতী পাল

    শুরু হল আরও বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়ার পালা। আর তা নিতে নিতেই জানা গেল, মৃত অমরেশের আসল পরিচয়। কলকাতার টালিগঞ্জ থানার অতিরিক্ত ওসির পার্ট টাইম চালক সে। গ্র্যাজুয়েশন করার পর গ্রাম থেকে কলকাতা শহরে চলে এসেছিল একটা কাজের সন্ধানে। অবসর সময়ে গাড়ি চালানোটা শিখে নিয়েছিল। বুদ্ধিসুদ্ধি বেশ ভালো। চেহারাটাও মজবুত। বেশ একটা পুলিশ—পুলিশ ব্যাপার আছে। সেটাই বাড়তি সুবিধা জোগায়। অস্থায়ী হলেও নিয়ম মেনে ঠিকভাবে কাজও করছিল অমরেশ।

    অথচ তার বাইরের চেহারার আড়ালে লুকিয়ে ছিল একটা অন্য চরিত্র। কোনও একটা কারণে মনে জমা হওয়া একরাশ ঘৃণা থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা জেগেছিল এই চালকের। ঘটনার দিন ভোরবেলা সবার চোখ এড়িয়ে পিস্তল পকেটে নিয়ে চেপে বসে সকালের গণদেবতা এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরায়। গন্তব্য ছিল কলকাতা থেকে ১৯০ কিলোমিটার দূরের আনন্দ সদন। সেখানে দেখা করার কথা খুব পরিচিত একজনের সঙ্গে। হস্টেলের আবাসিক সঙ্গীত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী মেদিনীপুরের ঘাটালের বাসিন্দা শাশ্বতী পাল। আগেও বেশ কয়েকবার ওই এলাকা এবং আশেপাশে অমরেশকে ঘুরঘুর করতে দেখেছেন আবাসিকরা। ফলে ওইদিন সকালে আলাদা ভাবে তাঁদের কিছুই মনে হল না। বেলা সাড়ে এগোরোটা নাগাদ হস্টেলের অনেকেই দেখতে পেলেন বারবার মোবাইলটা কানে নিয়ে কাউকে ফোন করার চেষ্টা করছে ওই যুবক। এর ঠিক ঘন্টাখানেক বাদে হস্টেলের ঘর থেকে ভেসে আসে পর পর দুটি গুলির আওয়াজ। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হস্টেলময়। উত্তেজনায় আবাসিকরা ছুটে ভিতরে গিয়ে দেখতে পান খাটের উপর রয়েছে শাশ্বতীর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ। ওই একই ঘরের ঠিক নীচে দরজার পাশে দেওয়ালে হেলান দিয়ে পড়ে রয়েছে গুলিবিদ্ধ অমরেশ কুণ্ডু। তারপর থেকে সেই ঘরে বিশ্বভারতীর কর্তা, পুলিশ, মিডিয়া আরও আরও ভিড়! রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ‘সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে।’

    ঘটনার পর জোরকদমে এগিয়ে চলল তদন্ত। গোয়েন্দাদের মস্তিষ্কের কোষ দ্রুত কাজ করলে কী হতে পারে, তার প্রমাণও পাওয়া গেল হাতেকলমে। ফলস্বরূপ, পর্দা উঠল আসল ঘটনার।

    এবার আসা যাক সেই ঘটনা পরম্পরায়। ছোটবেলা থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে বড় হয়ে ওঠা শাশ্বতী এবং অমরেশের। কাছাকাছি বাড়ি দু’জনের। পড়াশোনাও একসঙ্গে। একটা সময় আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন তাঁরা। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রুজির সন্ধানে, স্নাতক পর্ব পেরিয়ে কলকাতায় এসে টালিগঞ্জ থানায় অস্থায়ী গাড়ি চালকের কাজ নেয় অমরেশ। তবু দু’জনের যোগাযোগ ছিলই। কলেজের পাঠ শেষ করে সঙ্গীত নিয়ে পড়তে চলে আসেন শাশ্বতীও।

    পুলিশ এলাকার লোকজনের কাছ থেকে জানতে পারে তাঁদের মধ্যে তিন বছরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। দুই বাড়ির লোকেরা দু’জনের মেলামেশার কথাও জানতেন। শাশ্বতীর বাড়ির লোকেদের এটা নিয়ে প্রথম থেকে প্রবল আপত্তি ছিল। যদিও সঙ্গীত নিয়ে শান্তিনিকেতনের পড়তে যাওয়ার অধ্যায় বদলে দেবে বাড়ির মেয়েকে, এমনটা ভেবে নিয়েছিলেন তাঁরা। অবশ্য হলও তাই। কিছুদিনের মধ্যেই পুলিশের গাড়ির চালকের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহ কমে গেল শাশ্বতীর। সেটা আবার বোঝা গেল ঘটনার ঠিক দিন তিনেক আগে। রাতে বেজে উঠল অমরেশদের বাড়ির ফোন। ওপারে রিসিভার তুলে হ্যালো বললেন সম্ভবত অমরেশের মা। শুনুন, আমি শাশ্বতী বলছি। আমি আগেও জানিয়েছি, আবারও জানাচ্ছি, আপনারা ওর বিয়ে অন্য কারও সঙ্গে দিয়ে দিন। আমার পক্ষে অমরেশকে বিয়ে করা সম্ভব নয়।’ কথা না বাড়িয়ে ‘ঠিক আছে’ বলে ফোন রেখে দেন অমরেশের মা। বাড়ির সবার খোঁজ নিতে ফোন করায় সেই খবর রাতের মধ্যে পৌছে যায় অমরেশের কানে। সমস্যার শুরুও ঠিক এখান থেকে। সম্পর্ক ভাঙার কথা জানতে পেরে অমরেশ মরিয়া হয়ে ফোন করা শুরু করে ছোটবেলার বান্ধবীকে। কিন্তু বেশ কয়েকদফা ফোন করলেও শাশ্বতী তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাননি। শেষ পর্যন্ত এসপার—ওসপার করতে প্রেমিকাকে চরম শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে পুলিশের গাড়ির চালক।

    পুলিশের তদন্তে উঠে আসে ঘটনার পর পর ছবি, ঘটনার দিন সকাল সকাল টালিগঞ্জ থানায় চলে আসে অমরেশ। থানায় নিয়মিত আসার সুবাদে তাকে চিনত সবাই। আর তারও জানা ছিল, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বাক্সটিতে বেশির ভাগ দিন তালা লাগানো হয় না, ওটি কার্যত অরক্ষিত অবস্থাতে থাকে। এই সুযোগটাই কাজে লাগায় সে। আগের রাতে ডিউটি করে কনস্টেবল সুনীল মাঝি সকাল ছ’টায় বাড়ি যাওয়ার আগে অতিরিক্ত ওসির কাছ থেকে রিসিভ করা নাইন এমএম পিস্তলটি রেখে যান। ভুলে সেই বাক্সে তালা দেননি তিনি। সাত সকালে থানার পুলিশ কর্মীদের ডিউটি বদলের সময় সুযোগ বুঝে ওই পিস্তল পকেটে নিয়ে অমরেশ হাঁটা লাগায় থানার চৌহদ্দি ছেড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ অমরেশকে হস্টেল থেকে ১৫০ মিটার দূরে মাটি দিয়ে বানানো ব্ল্যাক হাউজের সামনে বেশ কিছুক্ষণ শাশ্বতীর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। একসময় তর্কও শুরু হয় তাঁদের মধ্যে। রেগেমেগে ছাত্রীটি হস্টেলে ফিরে আসেন একা। কিন্তু, এত সহজে হাল ছাড়তে রাজি ছিল না বছর ২৯—এর অমরেশ। সে দিন গেটে কোনও নিরাপত্তা কর্মী ছিলেন না। ফলে অমরেশ অবাধে উপরে উঠে আসে। এমনিতে রবিবার হলেও বিশ্বভারতীতে ক্লাস চলার কারণে বেশির ভাগ ছাত্রী হস্টেলে তখন নিজের ঘরে ছিলেন না। আবার হস্টেলের সুপারভাইজার নাফিসা আলির ঘরও ছিল ফাঁকা। হুড়মুড়িয়ে অমরেশ উঠে আসে দোতলায়। হাতে জলের বোতল নিয়ে অন্য একটি ঘর থেকে নিজের ঘরের দিকে সে সময় যাচ্ছিলেন শাশ্বতী। আচমকাই অমরেশকে উপরে দেখতে পেয়ে হস্টেল পরিষ্কার করতে আসা সুইপার ফুচি বীরবংশীকে জানিয়ে দেন শাশ্বতী, ‘ওই ছেলেটিকে বলে দিন আমি আর কোনও কথা বলতে রাজি নই। সুতরাং সময় নষ্ট না করে ও যেন হস্টেল ছেড়ে চলে যায়। ওই নিষেধটুকু শোনার মতো ধৈর্য্য সে সময় ছিল না অমরেশ কুণ্ডুর। সোজা ঘরের মধ্যে তীব্র গতিতে ঢুকে পড়ে সে। নিজের ঘরে জানলার সামনে তখন দাঁড়িয়ে ছাত্রীটি। মুখোমুখি হয়ে আর কোনও কথা না বলে তাঁর বুক লক্ষ্য করে গুলি চালায় অমরেশ। বিছানায় ছিটকে পড়েন শাশ্বতী। বালিশ ভিজে যায় চাপ চাপ রক্তে। শান্ত। থাকা হস্টেলের বাইরে ততক্ষণে গুলির আওয়াজ পৌঁছে গিয়েছে। সামান্য কিছুক্ষণের ব্যবধান। দ্বিতীয়বার ফের গুলির শব্দ। যাঁরা হস্টেলে ছিলেন ছুটে আসেন সবাই। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিরাট পুলিশ বাহিনী, সঙ্গে তাঁদের ফটোগ্রাফার। দুটি মৃতদেহের যে ছবি তোলা হয়, তা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় প্রথমে প্রেমিকাকে গুলি করে তারপরের গুলিটা নিজের মাথায় চালিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুলিশের অস্থায়ী গাড়ির চালক। ফরেনসিক দল ঘুরে যাওয়ার পর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেন তদন্তকারীরা। পুলিশের ভাষায়, ‘ওপেন অ্যান্ড শাট’ এই কেসে বীরভূম পুলিশের তদন্তে এখানেই কার্যত দাঁড়ি পড়ে যাওয়ার কথা।

    তা আর হল কোথায়? অমরেশের মৃতদেহ মর্গে ঢোকানোর সময় তারই মোবাইলে যে হুমকি এসএমএসটি ঢুকল, পুলিশি তদন্তের অভিমুখ ঘুরে গেল এবার সেদিকে। মোবাইল নম্বরের সূত্র জানতে পুলিশ সার্ভিস প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ছানবিনে উঠে আসে নম্বরটি বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা আইটি ইঞ্জিনিয়ার অঞ্জন কারক নামে এক যুবকের।

    এই অঞ্জন আবার কে? এবার অবশ্য সাহায্য পাওয়া গেল মৃত শাশ্বতীর বাড়ির লোকেদের কাছ থেকে। তাঁরা তদন্তকারীদের জানালেন, অমরেশের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করার আগেই শাশ্বতীর বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল স্থানীয় প্রতিষ্ঠিত যুবক অঞ্জন কারকের সঙ্গে। দু’জনের মধ্যে ফোনে নিয়মিত কথাবার্তাও হত। হবু স্ত্রী শাশ্বতী একদিন অঞ্জনকে জানান পূর্ব প্রেমিকের কথা। এও বলেন, তিনি পুরনো সম্পর্ক থেকে সরে আসতে চাইলেও অমরেশ তাতে রাজি হচ্ছে না। বরং নিজেকে পুলিশ কর্মী পরিচয় দিয়ে নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছে, ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টাও করছে প্রায় রোজ।

    বেশ কয়েকদিন ধরে একই অভিযোগ শোনার পর শাশ্বতীর পাশে দাঁড়িয়ে অমরেশকে সম্পর্ক ছেদ করার জন্য প্রথমে অনুরোধ জানাতে ফোন করেন অঞ্জন। তাতে কাজ না হওয়ায় হুমকি দিয়ে এসএমএস পাঠাতে থাকেন। তার আগে বারবার চেষ্টা করেও ফোনে কথা বলতে পারেননি তিনি।

    ঘটনার পর পুরো বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ডেকে পাঠায় অঞ্জনকে। জেরা শুরু করেন তদন্তকারীরা।

    ‘কেন আপনি অমরেশকে এসএমএস পাঠিয়েছিলেন? আপনাদের মধ্যে কোনও শত্রুতা ছিল কি?

    অঞ্জন কবুল করেন, বার্তাটা তাঁর মোবাইল থেকেই গিয়েছিল। কিন্তু কেন? অমরেশ মারা যাওয়ার পরও… প্রশ্ন করেন পুলিশ অফিসার। জবাব আসে, না স্যার, ও যেদিন শাশ্বতীকে সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ফোন করে হুমকি দিত, ঠিক সেই দিনগুলিতে শুধুমাত্র ভয় দেখানোর জন্য ওকে বুঝতে দিয়ে AK নাম দিয়ে এসএমএস পাঠাতাম। এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। দুজনের কেউ কাউকে সামনাসামনি কোনওদিন দেখিনি। যদিও শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই ঘটনা ঘটে গিয়েছে। কিন্তু এতে আমার কোনও হাত নেই।’ সেই বয়ান ক্রশ চেক করতে পুলিশকে এরপর বেশি পরিশ্রম আর করতে হয়নি।

    অঞ্জনের এই একটি স্বীকারোক্তিতে পুলিশের কাছে স্পষ্ট হয়েছিল মেসেজে উল্লেখ করা AK আসলে কে। সেই থেকে চিরতরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই মামলার তদন্তের ফাইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাল মৃত্যুর মুখোশ – এডগার অ্যালান পো – (অনুবাদক : চিত্তরঞ্জন মাইতি)
    Next Article ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল – চিত্রা দেব
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }