Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আড়ালে আততায়ী : ১২টি খুনের রোমহর্ষক ময়না তদন্ত

    চিত্রদীপ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বস্তাবন্দি দুই কন্যে

    ঝুপ করে কী যেন একটা ফেলেই চলে গেল!

    ২০১২—এর ২৫ জানুয়ারি। তখন বেলা আড়াইটে হবে। ঢাকুরিয়া ব্রিজের নীচে স্টেশন রোডের মোড়ের কাছে একটা হলুদ ট্যাক্সি এসে দাঁড়াল। এই সময়ে বড় একটা ভিড় থাকে না জায়গাটায়। দু—একটা দোকান খোলা রয়েছে বটে কিছুটা দূরে। তবে সেই দোকানিরাও রোজকার মতো দুপুরের খাওয়াদাওয়া সেরে একটু ঝিমিয়ে নিচ্ছেন। পুরসভার জঞ্জাল সংগ্রহের গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে সামনে। ভ্যাট থেকে আবর্জনা সাফাইয়ে ব্যস্ত কয়েকজন। হঠাৎ দু’টো লোক নেমে এল ট্যাক্সি থেকে। প্রথমে এ দিক—ও দিক একটু দেখে নিল। না, কেউ তাদের খেয়াল করছে না। সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। দু’জনে ট্যাক্সির পিছনের ডালা খুলে একটা বস্তা বের করে ফেলে দিল রাস্তার ধারের ভ্যাটে। তারপর একজন ঢাকুরিয়া স্টেশন রোড় ধরে হেঁটে চলে গেল। অন্য জন ট্যাক্সি চালিয়ে গেল গড়িয়াহাট রোড (সাউথ) ধরে ঢাকুরিয়া মোড়ের দিকে।

    ভ্যাটে এত বড় বস্তায় কী? লাভের আশায় কাগজকুড়ানিদের দু’—একজন দৌড়ে গেল বস্তাটার কাছে। হতেই তো পারে, বাতিল মালের মধ্যে থেকে দামি কিছু পাওয়া গেল। কয়েকজন মিলে ঘিরে ধরে সেটাকে। ওদের মধ্যে মাঝবয়সি একজন এক টানে খুলে ফেলল বস্তায় বাঁধা দড়িটা। মুখটা খুলতেই আঁতকে উঠে কয়েক পা পিছিয়ে গেল সবাই। ভিতর থেকে যেটা বেরিয়ে এল সেটা একটা কিশোরীর দেহ। হ্যাঁ, কিশোরীই বলা চলে। বয়স বড়জোর চোদ্দ পনেরোর মধ্যে। পরনে সালোয়ার কামিজ। মাথার চুল ঘাড় পর্যন্ত ছাঁটা। হাত পা ওড়না দিয়ে পিছমোড়া করে বাঁধা। দুর্গন্ধে টেকা দায়। যে ক’জন মিলে বস্তাটা খুলেছিল, একরাশ আতঙ্কে যেন ছিটকে গেল কিছুটা দূরে। ঢাকুরিয়া মোড়ের কাছে ডিউটি করছিলেন কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট। প্রায় হাঁফাতে হাঁফাতে তাঁর কাছে দৌড়ে গেল একজন, স্যর, স্যর। একটা লাশ। ওই ওখানে।

    চমকে উঠলেন সার্জেন্ট, ‘লাশ মানে? কোথায়?’

    লেক থানা থেকে জায়গাটা ঢিল ছোঁড়া দূরত্বেই বলা চলে। কাছাকাছি কেন্দ্রের এক মন্ত্রীর বাড়িও রয়েছে। নিরাপত্তা যেখানে নিচ্ছিদ্র থাকার কথা, সেখানেই কি না একেবারে পুলিশের নাকের ডগায় এভাবে খুনিরা একটা মেয়ের লাশ ফেলে চলে গেল! তাও ভরদুপুরে! টিভি, কাগজে খবরটা চাউর হতে দেরি হল না। লেক থানার ওসি কল করলেন লালবাজারে হোমিসাইড বিভাগের বড় কর্তাকে, ‘স্যর। একজন অল্পবয়সী মেয়ের ডেডবডি পাওয়া গিয়েছে। লোকাল লোকজন বলছে, কিছুক্ষণ আগেই নাকি একটা ট্যাক্সি থেকে ফেলে দিয়েছে কেউ।…হ্যাঁ, স্যর, মার্ডার। কোনও সন্দেহ নেই। লালবাজার থেকে ছুটল হোমিসাইড বিভাগের অফিসারদের গাড়ি। সঙ্গে পুলিশ কুকুরও।

    লেক থানার অফিসার—ইন—চার্জ আর হোমিসাইড বিভাগের ওসি আশপাশটা খুঁটিয়ে দেখছিলেন। মেপে নিচ্ছিলেন, সম্ভাব্য কোন রাস্তা দিয়ে এসে থাকতে পারে ট্যাক্সিটা, যেতে পারে কোথায়। কারও চোখে পড়ার সম্ভাবনা আছে কি ট্যাক্সিটাকে, যে অন্তত গাড়ির নম্বরটা দেখে মনে রাখতে পারবে! মনে রাখার কথা হয়তো নয়। সারাদিনে কতই তো ট্যাক্সি যায় ওই রাস্তা দিয়ে। ক’টার নম্বর কে মনে রাখে! অকুস্থল থেকে যতটুকু যা তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে ছবি তুলে রাখলেন গোয়েন্দারা। কাগজকুড়ানিদের বেশিরভাগই ভয়ে সরে পড়েছিল। পুলিশ এসে পুরো দেহটা বের করল বস্তা থেকে।

    —স্যর, শুধু ডেডবডি নয়। বস্তাটা কীভাবে প্যাক করা হয়েছে দেখুন।

    —কেন, কী হয়েছে?

    —ডেডবডির সঙ্গে নানারকম মাপের জামাকাপড়, ছোট বালিশ, এমনকি একটা বাচ্চাদের স্কুলের ফ্রকও রয়েছে।

    উদ্ধার করা স্কুলের পোশাক
    উদ্ধার করা স্কুলের পোশাক

    —ভেরি ইন্টারেস্টিং। হতে পারে যাতে বস্তার ফাঁক দিয়ে দেহটা কোনওভাবে বোঝা না যায়, সেজন্য এগুলো দিয়ে প্যাক করা হয়েছে। অথবা আমাদের মিসগাইড করতে।

    —কিন্তু যে খুন করেছিল, সে কি এগুলো অন্য কোনও জায়গা থেকে নিয়ে এসেছিল? নাকি, যেখানে খুন করা হয়েছে মেয়েটিকে, সেখানেই ছিল এই স্কুলের ফ্রক, জামাকাপড়ের টুকরো.…

    —সবকিছু আলাদা আলাদা করে কালেক্ট করো। বস্তার মুখটা যে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়েছে, সেটাও। কোনও কিছুই বাদ দিয়ো না।

    প্রাথমিক কাজগুলো শেষ করে মৃতদেহ পাঠানো হল এসএসকেএম হাসপাতালে। দুঁদে গোয়েন্দাদের চোখ বলে দিচ্ছিল, কিশোরী খুন হয়েছে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে। তাই দেহে পচন ধরে গিয়েছে ভালোরকমই। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন তেমন কিছু নেই, অন্তত খালি চোখে ধরা পড়ার মতো নয়। কিন্তু কীভাবে খুন? তার আগে কোনও শারীরিক নির্যাতন হয়েছিল কি? মানে সেক্সয়্যাল অ্যাসল্ট অ্যান্ড মার্ডার? খুনের কিনারা করতে এ সবই জানাটা জরুরি। তার জন্য দরকার ময়না তদন্তের রিপোর্টটা পাওয়া। আর সবার আগে বের করতে হবে যে কিশোরীটি খুন হয়েছে, তার পরিচয়। লালবাজারে ফিরে গোয়েন্দা প্রধানকে পুরোটা ‘ব্রিফ করলেন হোমিসাইড বিভাগের ওসি।

    ২০১৩—এর ৯ ফেব্রুয়ারি। বিকেল অতিক্রান্ত।

    মুম্বই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টারোগেশন রুম। একটানা জেরায় ধুকছেন বছর তিরিশের যুবক। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে দুপুর থেকেই, চলছে বিরামহীন। শুরুর কয়েক ঘণ্টায় পুলিশের সব প্রশ্নেরই একই জবাব দিচ্ছিলেন যুবকটি, ‘স্যর, মুঝে কুছ ভি মালুম নহি। ম্যায় ভি তো উসে ঢুন রহা হু। আপ য়কিন কিজিয়ে। প্লিজ…।’

    উল্টো দিকের অফিসারটি কখনও মারাঠি, কখনও হিন্দিতে যা বলছিলেন, তার সারমর্ম কিছুটা এরকম, “আরে তুই কিছুই জানিস না দেখছি। তোর বৌ, দু’টো বাচ্চা মেয়ে কোথায় গেল কিছুই জানিস না? আশপাশের লোকজন তো বলছে সাত—আট মাস ধরে ওদের কোনও পাত্তা নেই। কোথায় রেখে এসেছিস? যেটা জানিস ভালোয় ভালোয় বলে ফেল। তা না—হলে তোরই সমস্যা বাড়বে।’

    বেশ কিছুক্ষণ এভাবে যুঝে যাওয়ার পর যুবকটি বললেন, ‘স্যর। বচ্চে লোগ তো কলকাত্তা মে হ্যায়। আপ য়কিন কিজিয়ে।’

    —কলকাতা? কলকাতার কোথায়? উত্তর দিতে গিয়ে আবার হোঁচট খান যুবকটি।

    —থোড়া পানি মিলেগা স্যর?

    —পানি জরুর মিলেগা। পহলে বাতা বিবি—বচ্চে হ্যায় কঁহা? নহি তো আউর ভি তরিকে হ্যায় হমারে পাশ সচ উগলওয়ানে কে লিয়ে।

    দাবার বোর্ডে যেমন ক্রমাগত বোড়ে—মন্ত্রী—গজের আড়াল থেকে বের করে কোনঠাসা করা হয় প্রতিপক্ষের রাজাকে, অনেকটা সেভাবেই প্রশ্ন আর পাল্টা প্রশ্নের জালে যুবকটিকে ঘিরছিলেন মুম্বই পুলিশের অফিসাররা। একটা সময় যুবকটির মজবুত ডিফেন্স ভাঙতে সক্ষম হলেন তাঁরা। ইন্টারোগেশন রুম থেকে বেরিয়ে এসে নিজের মনেই বিড়বিড় করেন তদন্তকারী অফিসারটি, ‘বৌ—দু’টো বাচ্চা সবাই….। ভাবা যাচ্ছে না। এক্ষুনি জানাতে হবে সবটা উপরমহলে।’

    ‘ঢাকুরিয়া ব্রিজের নীচে কিশোরীর বস্তাবন্দি লাশ, প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে প্রায় সবক’টি খবরের কাগজেই গুরুত্ব দিয়ে বেরিয়েছে খবরটা। সকালে রেড রোডে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে ডিউটি ছিল সিনিয়র অফিসারদের সবারই। এমনিতে সরকারি ক্যালেন্ডারে ছুটির দিন। তবে পুলিশের আর ছুটি কোথায়? তার উপর এরকম একটা কেস! বিকেলে লালবাজারে হোমিসাইড বিভাগের অফিসারদের ডেকে নিলেন গোয়েন্দা প্রধান। জানতে চাইলেন। কেসের অগ্রগতি।

    —এখনও বাচ্চা মেয়েটার কোনও পরিচয় জানা গেল না? মিসিং পারসনস স্কোয়াডের সঙ্গে কথা বলেছ? কোনও থানায় এই রকম কোনও মেয়ে মিসিং হয়েছে বলে ডায়েরি হয়নি?

    —না, স্যর। আশপাশের সব থানাতেই ছবি পাঠিয়ে দিয়েছি। কোনও জায়গা থেকেই পজিটিভ রিপ্লাই আসেনি এখনও।

    পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে কি বলছে?

    —প্রাইমারিলি পাওয়া গিয়েছে, খাবার বা কোল্ডড্রিঙ্কসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ জাতীয় কিছু খাওয়ানো হয়েছিল। তারপর ম্যানুয়াল স্ট্র্যাঙ্গুলেশন। ডেডবডি রিকভারির ৪৮ ঘণ্টা আগে খুনটা হয়েছে।

    —খুনের আগে কোনও সেক্সয়্যাল অ্যাসল্ট…

    —না, স্যর। সেজুয়্যাল অ্যাসল্ট হয়নি।

    —বস্তাটা বা ওই স্কুল ইউনিফর্ম থেকে কিছু জানা গেল? কোন স্কুলের ইউনিফর্ম ওটা? সেখান থেকে কোনও ক্লু বেরতেও পারে। খোঁজ নাও। আর কোনও আপডেট এলেই জানিও।

    একটা কিশোরীকে কেউ খুন করল। দিনদুপুরে থানার কাছেই খুনি ডেডবডি ভ্যাটে ফেলে দিয়ে গেল। এখনও তার দেহ শনাক্ত করতে এল না কেউ। তাহলে কি অন্য কোনও জেলা বা রাজ্য থেকে অপহরণ করে নিয়ে খুন করা হল মেয়েটিকে? সেজন্যই কি কলকাতা বা তার সংলগ্ন এলাকায় কেউ শনাক্ত করতে পারছে না মেয়েটিকে? আশপাশের প্রত্যক্ষদর্শী, দোকানদার— সবার সঙ্গেই কথা বলছিল পুলিশ। তবে উল্লেখযোগ্য কোনও ক্লু আসছিল তদন্তকারীদের হাতে। আজকের কলকাতা শহরের মতো সাত—আট বছর আগে এত সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না প্রতি কোণে। ফলে যে বা যারা ট্যাক্সি থেকে নেমে বস্তা ফেলে গেল, তাদের চিহ্নিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ সূত্র কিছুতেই আসছিল না হাতে।

    হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দারা যখন রীতিমতো অন্ধকারে হাতড়াচ্ছেন তখন একটা খবর এল। সেটা এল রেলপুলিশের কাছ থেকে। যে দিন ঢাকুরিয়া ব্রিজের নীচে পাওয়া যায় এই কিশোরীর দেহ, ঠিক তার আগেরদিনের ঘটনা। পার্ক সার্কাস স্টেশন থেকে উদ্ধার হয়েছিল আরও এক বালিকার বস্তাবন্দি দেহ। বয়স বছর ৮—৯ এর আশপাশে। বস্তার ভিতর একইরকম জামাকাপড়, ওড়না, স্কুল ইউনিফর্ম। তাকেও খুন করা হয়েছে। সম্ভবত একইরকমভাবে, শ্বাসরোধ করে। সেই বস্তা, জামাকাপড় সবকিছুই রয়েছে রেলপুলিশের জিম্মায়। একজন অফিসারকে ডেকে নির্দেশ দিলেন হোমিসাইড বিভাগের ওসি, ‘এখনই ওই কেসের ইনভেস্টিগেটিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলো। হতে পারে দু’টো কেস ইন্টার কানেক্টেড।’

    বস্তা, তার ভিতরের জামাকাপড়, মৃতদেহের ছবি—সবই খুঁটিয়ে দেখলেন তদন্তকারীরা। দুটো ঘটনার মধ্যে অনেক মিল। একইরকমভাবে ভরা হয়েছে দেহ। মৃত দু’জনেই নাবালিকা। ভিতরে প্যাক করা ছিল প্রায় একই ধরনের জামাকাপড় আর স্কুল ইউনিফর্ম। দুটো বস্তার গায়েই লেখা ‘ইউপিএস’। সম্ভবত একই জায়গা থেকে আনা হয়েছে বস্তা দুটো।

    টুকরো টুকরো এসব তথ্যপ্রমাণ থেকে সম্ভাব্য আততায়ীর একটা ছবি মনে মনে আঁকার চেষ্টা করছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা। হতে পারে, দু’টো ঘটনাতেই খুনি সম্ভবত একই ব্যক্তি বা দল। পার্ক সাকাস স্টেশনের বালিকা আর ঢাকুরিয়া ব্রিজের কিশোরীর মধ্যে নিশ্চিত কোনও সম্পর্ক আছে। আততায়ী কি তাদের পূর্ব পরিচিত? একগুচ্ছ সম্ভাবনার পাশাপাশি ঘুরপাক খেতে থাকে আশঙ্কার মেঘও, খুনি আরও কোনও জায়গায় এভাবে বস্তায় পুরে লাশ ফেলে যায়নি তো? বহু বছর আগে স্টোনম্যানের আতঙ্কে ঘুম ছুটে গিয়েছিল রাতের কলকাতার।

    দু’জন নাবালিকাকে যে খুন করেছে, সে স্টোনম্যানের মতো সিরিয়াল কিলার নয় তো? যে রাতের অন্ধকারে অল্পবয়সি মেয়েদের খুন করে মৃতদেহ বস্তায় ভরে ফেলে যাচ্ছে রাজপথে? নাকি এটা কোনও বিকৃতমনস্কের কারবার ? নগরপালের নির্দেশে শহরের সবক’টি থানাকে সতর্ক করা হল। বার্তা পৌঁছাল কলকাতা লাগোয়া থানাগুলোতেও।

    যে কোনও খুনের ঘটনাতেই তদন্তকারী অফিসারকে খুঁজতে হয় মোটিভ— কেন খুন করা হল। ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, মার্ডার ফর গেইন, নাকি অন্য কিছু। কিন্তু নিহতের পরিচয় জানা না গেলে সেটাই বা কীভাবে সম্ভব? বস্তা, স্কুল ইউনিফর্ম হাতে থাকা সবক’টা সূত্র নিয়ে এগোতে গিয়েও একটা জায়গাতেই আটকে যাচ্ছিল পুলিশ। দু’টো নাবালিকা খুন হল। একই কায়দায় খুন। কিন্তু তাদের বাবা—মা—আত্মীয় কেউ কোনও নিখোঁজ ডায়েরি পর্যন্ত করল না? অনেক দিন তো হল, কেন তাদের খোঁজ করতে এল না কেউ? আর যেখানে মৃতকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না, সেখানে খুনের তদন্ত চালিয়ে যাওয়াটা যে কতটা কঠিন, গোয়েন্দা পুলিশের দুঁদে অফিসাররা তা হাড়ে হাড়ে জানেন। তদন্ত কতদূর এগোল, রোজ গোয়েন্দা প্রধানের কাছ থেকে আপডেট নিচ্ছিলেন নগরপাল। টিভির পর্দা বা খবরের কাগজের পাতায় দুই নাবালিকার মৃত্যু রহস্য ক’দিন বাদে চাপা পড়ে গেল। পুলিশের হাতেও তো কেসের অভাব নেই। তবু নতুন—পুরোনো মামলার ফাইলের ভিড়ে জোড়া খুনের রহস্য নিয়ে তদন্তকারী অফিসারের মাথা থেকে খচখচানিটা যাচ্ছিল না কিছুতেই। হোমিসাইড বিভাগের বড় কর্তাকে গিয়ে বললেন তদন্তকারী অফিসারটি, ‘স্যর, যারা সে দিন বস্তাটা ফেলে গিয়েছিল, তাদের স্কেচ করানো যায় না? তাতে যদি কিছুটা সুবিধা হয়। সায় মেলে সঙ্গে সঙ্গেই। ভ্যাটের কয়েকজন কাগজকুড়ানি দেখেছিল ট্যাক্সি থেকে দু’জনকে নামতে। তাদের বর্ণনা শুনে চেহারা এঁকে ফেললেন পুলিশের শিল্পী।

    একজনের পরনে লাল—সাদা ডােরাকাটা জামা। মুখটা একটু লম্বাটে। এই লোকটাই ট্যাক্সি থেকে নেমে হেঁটে চলে গিয়েছিল। অন্য লোকটার পরনে ট্যাক্সিচালকের পোশাক। বস্তাটা ঢাকুরিয়া ব্রিজের নীচে ফেলার পর সে ট্যাক্সি চালিয়ে বেরিয়ে যায়। সব থানায় দ্রুত পৌঁছে গেল সম্ভাব্য সন্দেহভাজনের ছবি। কিন্তু ফল হল না। দুই নাবালিকার ছবি দিয়ে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপনও দিল পুলিশ, যদি ছবি দেখে কেউ যোগাযোগ করে। অন্তত দু’জনের পরিচয় জানা যায়। মাস গেল, বছরও ঘুরতে যায়। পরিচয় জানা গেল না কারও, না খুনির, না দুই নাবালিকার।

    ২০১৩, ৯ ফেব্রুয়ারি। রাত ৮টা।

    লালবাজারের গোয়েন্দা প্রধানের টেবিলে রাখা টেলিফোনটা ঝনঝনিয়ে উঠল। উল্টোদিকে গোয়েন্দা প্রধানের পিএ অফিস থেকে চেনা কণ্ঠ ভেসে আসে, ‘স্যর, মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ থেকে কল আছে।’ হ্যাঁ, লাইনটা দাও,’ বলেন গোয়েন্দা প্রধান।

    —স্যর, ম্যায় মুম্বই পুলিশ সে ইন্সপেক্টর..…

    —হ্যাঁ, বলুন কী ব্যাপার।

    —স্যর, আপনাদের ওখানে কি দুটো বাচ্চা মেয়ের কোনও কেস পেন্ডিং আছে? একটু বলতে পারেন?

    —হ্যাঁ, হ্যাঁ আছে। কেন বলুন তো?

    —আমাদের এখানে একটা ছেলেকে তুলে এনেছি, অন্য একটা কেসে। ও বলছে, ওই বাচ্চা দুটো নাকি..…

    ফোন রেখেই হোমিসাইডের ওসিকে ডেকে নেন গোয়েন্দা প্রধান, ‘শোনো, কাল আরলি মর্নিং তোমার দু’জন অফিসারকে নিয়ে মুম্বই চলে যাও। ওখানকার ক্রাইম ব্রাঞ্চ থেকে ফোন করেছিল একটু আগেই। মনে হচ্ছে, ডাবল মার্ডারের কোনও পজিটিভ লিঙ্ক আছে। আর কিপ মি আপডেটেড।’

    দু’জন নাবালিকার মৃত্যু তদন্তের ফাইল যখন তথ্যসূত্রের অভাবে বন্ধ হওয়ার মুখে, ঠিক তখনই মুম্বই পুলিশের কাছ থেকে আসা ফোনটা হোমিসাইড বিভাগের অফিসারদের আবার অ্যাড্রিনালিন জোগাল। মুস্তাক শেখ নামে বছর তিরিশের এক যুবককে মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ডিটেইন করেছে। তার বৌ—দুই মেয়ে নাকি অনেকদিন ধরে মিসিং। পরদিন সকালেই কলকাতা থেকে হোমিসাইড বিভাগের একটা টিম উড়ে গেল মুম্বই।

    কে এই মুস্তাক? খুনের সঙ্গে কী তার সম্পর্ক?

    মুম্বই ও কলকাতা পুলিশের জেরায় যা জানাল মুস্তাক, তাতে দুঁদে গোয়েন্দাদেরও মাথার চুল খাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। মুম্বইয়ে একটা চামড়ার মানিব্যাগ তৈরির কারখানায় কাজ করত মুস্তাক। সেখানে থাকতে থাকতেই তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে নাফিসা খাতুন নামে এক মহিলার সঙ্গে। মুম্বইয়ের ধারাভিতে ছোট একটা ঘর ছিল নাফিসার। বিবাহ বিচ্ছিন্না। সঙ্গে দু’টো ফুটফুটে মেয়ে। চোদ্দ আর ন’বছর বয়স দু’জনের। ঘনিষ্ঠতা থেকে প্রেম মুস্তাক—নাফিসার। ধারাভির ঘরে নিয়মিত যাতায়াত করতে শুরু করে তাঁর থেকে বছর দশেকের ছোট মুস্তাক। সেখান থেকে নতুন জীবন গড়ার স্বপ্ন। মুস্তাক তাঁকে বলে, বিয়ে করে নাফিসার দুই মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে থাকবে তারা। সেজন্য কিছু টাকা দরকার। টাকা আসবে কোথা থেকে? তাই নাফিসাকে বলে মুস্তাক, আমরা তো এখানে আর থাকব না। উত্তরপ্রদেশে আমার বাড়ি আছে। সেখানেই নিয়ে যাব তোমাদের। তখন এই ঘরটা রেখে কী করবে? বরং ধারাভির ঘরটা বিক্রি করে দিয়ে যে টাকা আসবে, সেটা আমাদের নতুন সংসার পাততে কাজে লাগবে। গ্রামে তো আমার জমি—বাড়ি আছেই। কাজও জুটিয়ে নেব একটা।’

    নাফিসা তখন দুই মেয়েকে নিয়ে নতুন করে সংসার গড়ার স্বপ্নে বিভোর। তাঁকে বুঝিয়েসুজিয়ে ধারাভির ছোট্ট ঘরটা ন’লাখ টাকায় বিক্রি করায় মুস্তাক। তারপর নাফিসা আর তাঁর দুই মেয়েকে নিয়ে চলে আসে কলকাতায়। একটা ছোট ঘর ভাড়া নেয় তপসিয়ায়। শহরের এই চত্বরটায় আগেও আনাগোনা ছিল মুস্তাকের। আমাদের তোমার বাড়িতে কবে নিয়ে যাবে, মাঝেমধ্যেই জানতে চাইতেন নাফিসা। মুস্তাক বোঝায়, ‘আর ক’দিন এখানে থাকো। আমি খুব শিগগিরই তোমাদের উত্তরপ্রদেশে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাব।’

    সেই দিনও চলে আসে। ঠিক হয়, মুস্তাক প্রথমে নাফিসাকে নিয়ে যাবে তার গ্রামের বাড়িতে। পরে দুই মেয়েকে। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। বড় মেয়ের হাতে হাজার দেড়েক টাকা দিয়ে মুস্তাক বলে, নাফিসাকে নিয়ে যাচ্ছে গ্রামের বাড়ি। ফিরে এসে তাদেরও নিয়ে যাবে। হাওড়া স্টেশন থেকে দু’জন ট্রেনে উঠে পড়ে। উত্তরপ্রদেশের ফতেপুরের কাছে লালোনি নামে একটা জায়গায় নামে তারা। স্টেশন থেকে কাছেই নাকি মুস্তাকের বাড়ি। হেঁটে যাওয়া যায়। বাইরে বেরিয়ে নির্জন জায়গা দেখে মাঝরাস্তাতে মুস্তাক খুন করে নাফিসাকে। রাস্তার ধারে ক্ষেতে ফেলে দেয় দেহ। তারপর উঠে পড়ে ফিরতি ট্রেনে। গন্তব্য ফের কলকাতা। এ বার টার্গেট দুই মেয়ে। কলকাতায় ফিরে এসে দুই মেয়েকে মুস্তাক বলে, ‘মা ঠিকমতো পৌঁছে গিয়েছে বাড়ি। কাল তোদের নিয়ে যাব। আজ খাওয়াদাওয়া করে শুয়ে পড়। কাল অনেক দৌড়াদৌড়ি আছে তো। সেটাই যে তাদের জীবনের শেষ রাত, বোঝেনি দুই বোন। দু’জনকে খাবার আর কোল্ডড্রিঙ্কস কিনে দেয় মুস্তাক। সেই কোল্ডড্রিঙ্কসে মেশানো হয় ঘুমের ওষুধ। দুই বোন খাওয়াদাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অচৈতন্য হয়ে পড়ে। দু’জনের হাত—পা বেঁধে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মুস্তাক। হাত—পা খানিক ছটফট করে ওঠে দু’জনের। তারপর সব শেষ। মুস্তাক ঘরেই ফেলে রাখে দু’জনের দেহ। লাশ দুটো বাইরে ফেলতে আগেই নিয়ে এসেছিল দুটো বস্তা। ঘরের মধ্যে যা জামাকাপড় ছিল সব দিয়ে প্যাক করে দেহ দু’টি তাতে ভরে ফেলে মুস্তাক। একটা ট্যাক্সিওয়ালাকে কিছু টাকা দিয়ে ভাড়া করে। তাকে বলে, দু’টো বস্তা ভ্যাটে ফেলতে হবে। তারপর সুযোগ বুঝে দুই বোনের দেহ ফেলে দেওয়া হয় পার্ক সাকাস স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পাশে আর ঢাকুরিয়া ব্রিজের নীচে। কাজ হাসিল করে আবার মুম্বইয়ে ফিরে যায় মুস্তাক। তার পুরোনো ঠেকে। ভেবেছিল, নাফিসার রেখে যাওয়া টাকায় তার দিব্যি চলে যাবে। আর এত বড় মুম্বই শহরে তার খোঁজ কে পাবে?

    পুলিশের আঁকানো অভিযুক্তদের স্কেচ
    পুলিশের আঁকানো অভিযুক্তদের স্কেচ

    তবে মুম্বইয়ে গুঞ্জন শুরু হল ক’দিন পরেই। কলকাতা যাওয়ার সময় নাফিসা আর দুই মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিল মুস্তাক। সে ফিরলেও বাকিরা কোথায়? প্রথমে নাফিসার আত্মীয়স্বজন ও পড়শিদেরও উত্তরপ্রদেশে গ্রামের বাড়ির গল্প শোনায় সে। কিন্তু মুম্বইয়ে নাফিসার পরিজনদের কেমন একটা সন্দেহ হয়। এতদিন ধরে কোথায় মা আর দুই মেয়ে? এক মাস, দু’মাস, ছ’মাস যায়। মুস্তাকের কথায় ক্রমশ সন্দেহ বাড়তে থাকে নাফিসার পরিবারের, খবর পায় পুলিশ। শাক দিয়ে ক’দিন আর মাছ ঢাকা যায়?

    মুম্বইয়ে মুস্তাকের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা রুজু হয়েছিল নাফিসাকে অপহরণের অভিযোগে। আর এ শহরের দুই প্রান্তে দুই নাবালিকাকে খুনের মামলায় পুলিশ আলাদা চার্জশিট জমা দেয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ সংহত করা হয়েছিল নিবিড় যত্নে, যাতে তদন্তে কোনও ফাঁক না—থাকে। খুঁজে বের করা হল সেই ট্যাক্সিচালককে, যে ট্যাক্সিতে চেপে ঢাকুরিয়া ব্রিজে বস্তা ফেলে আসতে গিয়েছিল মুস্তাক। তপসিয়ার ভাড়া ঘর থেকেও মেলে বেশকিছু তথ্যপ্রমাণ। তদন্তের সূত্র অধরা থাকলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পোড়খাওয়া পুলিশ অফিসারকে গ্রাস করে অনিবার্য হতাশা। কলকাতা শহরের দু’প্রান্তে পর পর দু’দিন বস্তাবন্দি দুই নাবালিকার দেহ উদ্ধারের তদন্তের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হচ্ছিল। কিন্তু বাধার পাহাড় সত্ত্বেও চেষ্টা চালিয়ে গেলে একদিন ভাগ্যদেবী মুখ তুলে তাকান নিশ্চিতই। কৃপাদৃষ্টি দেন আচম্বিতে, ঘটে যায় অভাবিত সমাপতন। যেমনটা হয়েছে এই ডাবল, থুড়ি ট্রিপল মার্ডার মিস্ট্রিতেও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাল মৃত্যুর মুখোশ – এডগার অ্যালান পো – (অনুবাদক : চিত্তরঞ্জন মাইতি)
    Next Article ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল – চিত্রা দেব
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }