Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক একাদশ – অনুষ্টুপ শেঠ

    লেখক এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তকরবী

    “আপনি আগে এই ফ্ল্যাটে এসেছেন?”

    খসখসে গলায় পালিশ ছিল না। বরং ভদ্রতার পাতলা চাদর ছুড়ে ফেলে বেরিয়ে আসতে চাইছিল পুলিশি কড়কানি। কাঁপা গলায় উত্তর দিল বিশ্ব, “না স্যার।”

    “তাহলে আজ এসেছিলেন কেন?” নিপুণ যোশি’র চোখজোড়া বিশ্ব’র মাথার ভেতরটা ফুঁড়ে ফেলতে চাইছিল। এমনিতে তো ব্যাপারটা সহজই মনে হচ্ছে। কিন্তু ড্রেসিং-টেবিলের দেরাজে পাওয়া ডায়েরিটা সব গুলিয়ে দিচ্ছে।

    “উনি আসতে বলেছিলেন।” ভয় সরিয়ে শোক ফিরে আসছিল বিশ্ব’র চোখে, “কী একটা জরুরি কথা নাকি বলার ছিল।”

    একটা বড়ো শ্বাস ফেললেন নিপুণ। ডায়েরিতে এমন কিছুই আছে বটে। কিন্তু…

    বুকের ওপর রঞ্জনের হাত এসে পড়লে চিরকালই শিউরে উঠেছে নেহা।

    বাইরের লোকের জন্য নেহা, তবে রঞ্জন ওকে নন্দিন বলেই ডাকত।

    ওই শক্ত হাত শিকারী নেকড়ের মতো ঘুরে বেড়াত বুকের পাহাড় আর উপত্যকায়। মুঠোয় পিষে দিত সবকিছু। কিন্তু প্রতিনিয়ত এই রুটিনের পরেও কানের কাছে ফিসফিস করে ‘নন্দিন’ ডাক শুনলে নেহা আমূল মোমবাতির শিখার মতো কেঁপে উঠত। দুরন্ত ইচ্ছের মোম গলে পড়তে থাকত বুকের মধ্যে।

    আজও রঞ্জন সেই চেনা ভঙ্গিতে বুকে হাত বোলাচ্ছিল। কানের কাছে মুখ এনে নামটা বলতেই শিউরে উঠেছিল নেহা— কিন্তু ইচ্ছেয় নয়, আদরে নয়। আপাদমস্তক নড়িয়ে দেওয়া এই অনুভূতির নাম আলাদা।

    ***

    স্বাধীনতা! মুম্বই আসা, প্রীতি’র মতো সোজাসাপটা একটা মেয়ের সঙ্গে ফ্ল্যাট শেয়ার করা, নিজের সীমিত রোজগারেও সপ্তাহের শেষে কোথাও বেড়াতে যাওয়া— এগুলো সব আসলে ওই একটাই অনুভূতিকে বোঝাত। ওটা কিছুতেই ছাড়তে চায়নি নেহা। হয়তো সেজন্যই মনের ‘নো ম্যারেজ, নো কিড, লিভ্-ইন্’ ইচ্ছেটা বলে ফেলেছিল প্রীতিকে।

    কখনও ভাবেনি, সেটার সূত্র ধরেই এক সন্ধ্যায় ওর দুনিয়াটা এমন এলোমেলো হয়ে যাবে।

    রঞ্জন সিনহা প্রীতি’র দাদার বন্ধু। সে অফিসের কাজে মুম্বই এসেছে শুনে এক সন্ধ্যায় ডিনারে গেছিল প্রীতি। একরকম টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নেহাকেও। রেস্তোরাঁয় নেহা’র উলটো দিকেই বসেছিল রঞ্জন। ছ’ ফুটের কাছাকাছি উচ্চতা, গালে হালকা চাপদাড়ি, ডার্ক-ব্লু রিমের চশমা, ঝকঝকে চোখ— সব মিলিয়ে প্রবল চার্মিং ব্যক্তিত্ব। পরিশীলিত উচ্চারণে, ভরাট গলায় প্রীতি’র সঙ্গে রঞ্জনের খুনসুটি দেখছিল নেহা।

    রঞ্জন বলেই দিয়েছিল ওর ট্রিট, ওরা যেন একদম ইতস্তত না করে। সে কথার মান রাখতেই হয়তো প্রীতি পেগের পর পেগ চালান করছিল। কথায়-কথায় ও রঞ্জনকে বলেও দিয়েছিল, নেহা’র ‘নো ম্যারেজ, নো কিড, লিভ্-ইন্’ ইচ্ছের ব্যাপারে। আর তখনই রঞ্জন পূর্ণদৃষ্টিতে তাকিয়েছিল নেহার দিকে। সে চাহনির সামনে নেহা লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলেছিল। এরকম আগে কখনো হয়নি ওর, অসম্ভব দ্রবীভূত হয়ে যাচ্ছিল সে ভিতরে ভিতরে। বিস্রস্ত দশা সামাল দিতে মুখ ফিরিয়ে নেহা দেখেছিল, প্রীতির অবস্থা সুবিধের নয়। মুখ লাল, খরচোখে রঞ্জনকে দেখছে, অত সুন্দর ঠোঁট দুটো কেমন ক্রূরভাবে বেঁকে গেছে।

    “আব্বে কামিনা!” হিসহিসিয়ে উঠেছিল প্রীতি, “তোমরা সব সমান! দু’দিন অন্তর ঘর কা মুর্গি দাল বরাবর, তাই না?”

    প্রীতি’র কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল, চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছিল। রঞ্জন চুপ করে বসে ছিল অন্যদিকে তাকিয়ে। নেহা হতচকিত হয়ে গেছিল, ভাবছিল একে কী করে শান্ত করিয়ে বাড়ি নিয়ে যাবে।

    একটু পরেই ওয়েটারকে ডেকে বিল মিটিয়ে দিল রঞ্জন। উঠতে গিয়ে প্রীতি’র পা এলোমেলো হচ্ছে বুঝে তাকে জাপটে ধরে নিয়ে চলল বাইরের দিকে। পিছন থেকে রঞ্জনের মেদহীন লম্বা শরীর দেখে নেহা’র তখন মনে হচ্ছিল, প্রীতির সঙ্গে জায়গা পালটাপালটি করলে কেমন লাগবে?

    ক্যাব ডেকে, তাতে ওদের তুলে রঞ্জনও সামনে উঠে বসল। নেহা’র আপত্তিতে ও শান্ত গলায় বলেছিল, “এ নিজে হাঁটতে পারছে না। তুমি একা বয়ে তুলতে পারবে তো?”

    এর জবাবে নেহা কিছু বলতে পারেনি। শুধু খেয়াল করেছিল, প্রথম থেকেই ওকে ‘তুম’ বলেছে রঞ্জন, ‘আপ’ নয়।

    ***

    “রঞ্জন সিনহা বলে কাউকে চিনতেন আপনি?”

    “না স্যার।” ঠোঁটের ওপর জিভ বুলিয়েও গলা থেকে কাঁপুনি সরাতে পারে না বিশ্বজিৎ, “উনি কে?”

    মাছি তাড়ানোর মতো করে প্রশ্নটা সরিয়ে পরের প্রশ্নটা করেন নিপুণ, “প্রীতি নামের কেউ আছেন আপনাদের অফিসে?”

    “তা আছেন। ও নামটা তো বেশ কমন। তবে আমি তেমন কাউকে…”

    “নেহা ভাসিনের সঙ্গে তাঁদের কারও আলাপ ছিল?”

    “ছিল তো।” কোশ্চেন কমন পড়ার আনন্দ ফোটে বিশ্ব’র মুখে, “আমাদের বস্ ললিত শ্রীবাস্তবের স্ত্রী’র নাম প্রীতি। তাঁর সঙ্গে আলাপ ছিল নেহা’র।”

    *

    ঘাড়ে শেভ না করা গোঁফদাড়ির খোঁচা লাগছে। ঠোঁট দুটো এত চেপে বসেছে গলার পাশে যেন মিশেই যাবে ওর চামড়ায়।

    কিন্তু… চাবি ছাড়া রঞ্জন ঘরে ঢুকল কী করে?

    যেভাবেই ঢুকুক, খুব ভালো লাগছে নেহা’র। তাছাড়া, কত-কতদিন পর ও রঞ্জনের গলায় আদরের নামটা শুনতে পাচ্ছে। এই নাম শোনার শুরু হয়েছিল সেই মাতাল সন্ধ্যার পরেই।

    ***

    ঘরে ঢুকে বেহুঁশ প্রীতিকে সযত্নে বিছানায় শুইয়ে দিয়েছিল ওরা দু’জন। রঞ্জন ঘরের মধ্যে এক মিনিটও দাঁড়ায়নি। তবে দরজার ওপাশে গিয়ে, নেহার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, অল্প ঝুঁকে বলেছিল, “একটা কথা বলি?”

    মোহময় পারফিউমের সুবাস ভেসে আসছিল রঞ্জনের গা থেকে। পরে জেনেছিল ওটা হিউগো রেড, রঞ্জনের অলটাইম ব্র‍্যান্ড। তার সঙ্গে মিশেছিল হালকা তামাকের গন্ধ।

    “বি মাই নন্দিন্।” নেহা’র চোখে চোখ রেখে বলেছিল রঞ্জন। নামটার কিচ্ছু তখন বোঝেনি নেহা। কিন্তু সেটা শুনতে ওর ভীষণ ভালো লেগেছিল। সেই পুরুষালি গলায় রঞ্জন বলেছিল, “নিজের ইচ্ছেমতো বাঁচার কথা ক’টা মেয়ে বলতে পারে? এর জন্য গাটস লাগে বস্। লাভড দ্যাট। লাভড ইউ! এনিওয়ে, রাত হচ্ছে, আর থাকা ঠিক হবে না। এই আমার হোটেলের নাম, এই আমার ফোন নাম্বার।”

    দুম করে পিছন ফিরে চলে গেছিল রঞ্জন। হতভম্ব হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়েছিল নেহা।

    প্রীতি পরদিন জানতে চেয়েছিল, রঞ্জন কিছু বলে গেছে কিনা। দরজার মুখে রঞ্জনের বলা কথাগুলো চেপে গেছিল নেহা। গা ম্যাজম্যাজ করার অজুহাত দিয়ে দুপুরের মুভি আর লাঞ্চ আউটের প্ল্যানও ক্যান্সেল করে দিয়েছিল। প্রীতি বিরক্ত হয়ে ওর কোন কলিগকে ডেকে নিয়ে বেরিয়ে গেছিল। তারপর নেহা ফোনটা করেছিল।

    হোটেল খুব দূরে ছিল না। তবুও রঞ্জন এসে ওকে পিক-আপ করেছিল, রাত্রে ডিনারের পর পৌঁছে দিয়ে গেছিল।

    পরদিন নেহা জীবনে প্রথমবার অফিস থেকে ডুব মেরেছিল। তারপর মুভি, লাঞ্চ, হোটেলের আয়েসি বিছানায় আগ্রাসী ওলটপালট। প্রথমবারেই পাকা খেলোয়াড়ের হাতে পড়ার বিধ্বংসী মুগ্ধ অভিজ্ঞতা। সেদিনও রাত্রে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে যায় রঞ্জন।

    তার পরদিন অফিসের কাজ মিটিয়ে ভুবনেশ্বর ফিরে গিয়েছিল সে। নেহা জানতও না, আর রঞ্জনের সঙ্গে দেখা হবে কি না। খুব কেঁদেছিল লুকিয়ে-লুকিয়ে। এভাবে কখনও কাঁদেনি ও কারও জন্য।

    তবে দেখা হয়েছিল। দেড় দুমাস বাদে বাদে রঞ্জন মুম্বই আসত— কখনও দু’দিনের জন্য, কখনও চারদিনের জন্য। গুচ্ছ-গুচ্ছ উপহার নিয়ে আসত নেহার জন্য। নেহা’র কেমন যেন অভ্যাস হয়ে যাচ্ছিল এই স্বাধীনতা আর ‘যা চাই তাই’ পেয়ে যাওয়ায়। ও মনেপ্রাণে অনুভব করেছিল, এমন জীবনই সে বরাবর চেয়েছে। বাঁধাধরা ঘর গৃহস্থালি তাকে টানে না। রঞ্জনকে সে কথাটা ও বলেছিল একবার। খুব খুশি হয়েছিল রঞ্জন। নন্দিনকে চিনতে ওর নাকি ভুল হয়নি!

    ***

    রঞ্জন সেই আগের মতই ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলছে, সেই ফিল্টার উইলস আর হিউগো রেড মেশানো তুমুল পুরুষালি গন্ধটা। কিন্তু রঞ্জন তো আসতে পারে না। কিছুতেই পারে না! এ তার মনের ভুল। অথচ নেহা বুঝতে পারছে, তার জামার ভিতরে সেই হাতদুটোই আরো গাঢ় আদরে মেতে উঠছে। ব্যথার তোয়াক্কা না করে যেন সব ছিঁড়ে ফেলতে চায় তারা— একবার ডানদিকে, পরক্ষণেই বাঁদিকে!

    নেহা শিউরে ওঠে। পুলকে নয়, আতঙ্কে!

    কী করে ফিরে এল রঞ্জন? সেই শক্ত পুরুষালি শরীরটা তো সেই কবেই তার জীবন থেকে ‘নেই’ হয়ে গেছিল।

    তবু, ভয় পেতে-পেতেও সে টের পায়, সে নিজেও রঞ্জনকে ভীষণভাবে মিস করছিল।

    কিন্তু, এগুলো কী বলছে রঞ্জন? এ তো শুধু সুখের অব্যক্ত ধ্বনি নয়। কোন অন্ধকার থেকে এই কথাগুলো উঠে আসছে?

    ***

    বাবা’র সঙ্গে নেহা’র মিটমাট হয়ে গেছিল। সময় অনেক ক্ষতস্থান ভরাট করে দেয়— এই কথাটাই আবার বুঝেছিল ও। তবু নেহা বাড়ি ফিরে যাবার তাগিদ বোধ করেনি আর। বাবাও একবারও বলেনি চলে আসতে। সেদিন হঠাৎ এতকাল পরে ফোনে বলল, “নেহা বেটি, আমার বয়স হয়েছে। শরীরও ভালো যাচ্ছে না। তুই একটু বিয়ে-থা করে সেটল করে গেলে শান্তিতে মরতে পারতাম।”

    কথাটা তখন হেসে উড়িয়ে দিলেও, কোথাও যেন মনটা খারাপ হল নেহা’র। বড়ো আলোটা জ্বেলে, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে, খুব খুঁটিয়ে দেখল নিজেকে। ডাবল চিন হচ্ছে। কপালে কয়েকটা সূক্ষ্ম দাগ বোঝা যাচ্ছে খেয়াল করলে। চুলের সাদাগুলো চাপা দিতে রঙ করা ধরতে হয়েছে।

    বয়স দ্রুত তিরিশের দিকে এগোচ্ছে।

    রঞ্জনকে মনখারাপের কথাটা বলতেই হো-হো করে হেসে দামাল আদরে ভাসিয়ে দিল সে। এই প্রথম, নেহা ভেসেও ভাসল না পুরোপুরি। রাতে খেতে বসে আবার প্রসঙ্গটা তুলল নেহা। রঞ্জন প্রথমে অবাক হল। তারপর ভয়ঙ্কর রেগে গেল। শীলিত উচ্চারণে চিবিয়ে চিবিয়ে জিগ্যেস করল, “তোমার যখন বাচ্চা আনতে এত আপত্তি, নিত্যকার রান্নাবান্না ঘর সামলানোয় এত আপত্তি, তখন বিয়ে নামক একটা সোসাল ফার্সের জন্য এত মাথাব্যথা কেন?”

    নেহা নিজের একাকিত্বের ভয়টা ভাগ করে নিতে চেয়েছিল। জবাবে রঞ্জন চিবিয়ে-চিবিয়ে বলেছিল, “সম্পত্তির ভাগ চাই বুঝি? বেশ তো। মাসোহারার ব্যবস্থা করে দেব না হয়।”

    মাসোহারা শব্দটা থাপ্পড়ের মত আছড়ে পড়েছিল নেহার কানে। আধখাওয়া প্লেট তুলে নিয়ে উঠে গেছিল সে।

    রঞ্জনও উঠে পড়েছিল তৎক্ষণাৎ। সেই প্রথম নেহার গায়ে হাত তুলেছিল সে। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল একটা কুয়োর মধ্যে নেহা’র তলিয়ে যাওয়া।

    ***

    “হাতের লেখাটা চিনতে পারছেন?” সেলোফনে বন্দি ডায়েরিটা সাবধানে বের করে একটা পাতা বিশ্ব’র চোখের সামনে খুলে ধরেন নিপুণ।

    “পারছি।” বিশ্ব নিচু গলায় বলল, “এটা নেহা’র লেখা।”

    “এটা এক্সপার্টরা কনফার্ম করবেন। তবে…” মাথা দুলিয়ে সায় দিলেন নিপুণ, “আমিও একমত যে এই ডায়েরিটা মিস ভাসিনের লেখা। কিন্তু মিস্টার ব্যানার্জি, উনি এই ডায়েরিতে ওঁর নামটা কোথাও লেখেননি কেন, বলতে পারবেন?”

    “আমি…” বিশ্ব’র কণ্ঠার কাছটা ফুলে ওঠে। একটা ঢোঁক গিলে ও বলে, “বিশ্বাস করুন স্যার, আমার সঙ্গে নেহা’র আলাপ হয়েছিল মাত্র কিছুদিন হল। ও আমাকে খুব… পছন্দ করত। আজকেই ও প্রথমবার আমাকে ডেকেছিল। এই ডায়েরিটা আমি আগে কখনও দেখিনি।”

    ঠান্ডা চোখে বিশ্ব’র দিকে তাকিয়ে রইলেন নিপুণ। ছোকরার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক হয়ে গেছে। বিপিও-তে চাকরি পেয়ে এই কমপ্লেক্সে নতুন টেন্যান্ট। কবিতা লেখে, ভালো ফটো তোলে। সেই করতে গিয়েই নেহা ভাসিনের সঙ্গে আলাপ। এই অবধি সব ঠিক আছে।

    কিন্তু তাহলে নন্দিনী কে?

    ***

    নন্দিন্ উধাও হয়ে গেছিল তারপর থেকেই।

    রঞ্জন ফিরে এসেছিল পরের মাসে। অনেক উপহার, অনেক আদর নিয়ে এসেছিল ওর জন্য। নেহাও ভেবেছিল, হয়তো ওর তরফেও চাওয়াটা বড়ো বেশি ছিল। কিন্তু রঞ্জনের আদরটা বড্ড হিংস্র হয়ে উঠছিল তারপর থেকেই। নির্মম, জান্তব। ওর অধিকারবোধের তাড়নায় নেহা কষ্ট পাচ্ছে দেখেও ও বোঝেনি। ওকে নিজের মতো থাকতেও দেয়নি। দেয়নি স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার।

    নন্দিন্ নয়, নেহা বলেই ওকে ডাকতে শুরু করেছিল রঞ্জন।

    একটা অদ্ভুত নাটকের কথা বারবার বলত রঞ্জন। তাতে একটা দমবন্ধ খাঁচার মতো জটিল জালের পেছনে, অন্ধকার জায়গায় নিজেকে আটকে থাকত রাজা।

    সেই নাটকেই ছিল নন্দিনী। আর ছিল তার ভালোবাসার রঞ্জন।

    বন্য, পাশবিক মন্থনের পর নিষ্প্রাণ হয়ে শুয়ে থাকত নেহা। ও ভাবত, অধিকার আর অহংকারের জালের আড়াল থেকে যে রাজা ওকে পিষে দিচ্ছে প্রতিদিন, তার হাত থেকে কি ওর মুক্তি নেই?

    ***

    “মুক্তি, নন্দিন্!” শরীরে আগুন আর গলায় মধু ঢেলে সে ওকে বলছিল, “মুক্তি পেতে চাও না তুমি?”

    চাইত। নেহা খুব-খুব করে চাইত মুক্তি পেতে। সেজন্যই তো এতকাল বাদে সেই প্রীতিকেই সব খুলে বলেছিল ও।

    সেই প্রথম দিনের মতো প্রীতির মুখ লাল হয়ে গেছিল। ঠোঁট বেঁকে গেছিল ক্রূর হাসিতে। সেইসঙ্গে চোখে উপচে উঠেছিল কৌতুক।

    “তোকে আবার বিয়ে করবে?” হেসে উঠেছিল প্রীতি, “ওর তো বউ-ছেলে, ঘর-সংসার সব আছে।”

    নেহা প্রথমে পাথর হয়ে গেছিল। তারপর আছাড়িপিছাড়ি কেঁদেছিল। কান্নার দমক কমলে রাগে, অপমানে পাগল হয়ে গেছিল। ছিন্নভিন্ন করে দিতে ইচ্ছে হয়েছিল ওই জাল লোকটাকে, আর ওর গড়া জালকে!

    ঝড় থেমে গেছিল তৎক্ষণাৎ। ফেলে আসা ক্লাস, আর তাতে নেহাত অনিচ্ছেতে পড়া বইটা নেহা’র চোখের সামনে ফিরে এসেছিল আচমকা।

    স্থির, সবুজ পাতার ভিড়ে মাথা তোলা একটা ফুল। অযত্নলালিত বাগানেও রঙ জাগানো একটা গাছ। ছবিটার নীচে টুকরো-টুকরো ছড়িয়ে থাকা কিছু কথা। ব্যস, এটুকুই।

    জালের আড়াল থেকে মুক্তির সন্ধান পেয়েছিল নেহা।

    ***

    “আপনার সঙ্গে নেহা ভাসিনের সম্পর্কটা ঠিক কেমন ছিল, মিস্টার ব্যানার্জি?” খসখসে গলায় বললেন নিপুণ, “কিছু লুকোবেন না। লুকোলে আমরা সব জানতে পারব।”

    “উ… উনি আমাকে পছন্দই করতেন, স্যার।” বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি, ওরফে বিশ্ব’র মুখচোখ দেখে নিপুণের একটু দয়া হল। বিদেশ-বিভুঁইয়ে এসে এইরকম চক্করে ফাঁসবে তা বোধহয় ভাবতেও পারেনি। জলের বোতলটা এগিয়ে দিলেন নিপুণ। কৃতজ্ঞ ভঙ্গিতে বেশ কিছুটা জল খেল বিশ্ব। তারপর আবার বলতে শুরু করল।

    “নেহা ক’দিন ধরেই একাকিত্বে ভুগছিলেন। এখানে ওঠানামার সূত্রেই আমার সঙ্গে ওঁর দেখাসাক্ষাৎ হত। আমার সঙ্গে কথা বলতে ওঁর ভালো লাগে, আমার ব্লগ খুব ইন্টারেস্টিং— এগুলোই বলতেন। আপনি অন্যদের জিজ্ঞেস করুন। এমনকি ফুটেজ…”

    নিপুণ হাত তুলে বিশ্বকে থামিয়ে দিলেন। তারপর থেমে-থেমে বললেন, “আপনি ওঁকে কী নামে ডাকতেন?”

    “প্রথমে মিস ভাসিন বলতাম।” ঢোঁক গিলল বিশ্ব, “একবার নেহাদিদি বলায় ভয়ংকর রেগে গেছিলেন। নেহা-ই বলতাম। তবে গত কয়েকদিনে…”

    “কী?”

    “উনি বলছিলেন, ওঁকে নন্দিনী বলে ডাকতে।”

    ***

    গাছটাকে খুঁজে পেতে সমস্যা হয়নি। সমস্যা হয়নি জিনিসগুলো তার থেকে আদায় করে নিতেও। প্রীতির মাধ্যমে ওর বরের ক্লাবে নানা কোম্পানির হরেক কাজের লোকের সঙ্গে পরিচিতি তো ছিলই। তাদেরই একটা কাজে লেগে গেছিল।

    অনেকদিন পর রঞ্জনের আসার অপেক্ষায় ছটফট করছিল ও!

    রঞ্জন মুম্বই এসেছিল এর ক’দিন পরেই। এসেই ওকে বলেছিল কাজকর্ম ছেড়ে হোটেলে চলে আসতে।

    এ-ঘটনা আগেও ঘটেছিল। কাজের ক্ষতি হচ্ছে জেনে, ক্যারিয়ারে দাগ লাগছে জেনে খুব খারাপ লাগত নেহা’র। সেটা বলতে গিয়ে ওকে মার খেতে হয়েছিল। শিকার হতে হয়েছিল অমানুষিক সঙ্গমের। তবে সেই বিশেষ দিনে একটা লাল শিফন পরেছিল নেহা— ঠিক যেমনটা রঞ্জন চাইত। তারপর হোটেলের ঘরে গেছিল।

    তার আগেই অনেক কষ্টে ও জোগাড় করেছিল রঞ্জনের ফেভারিট বিটার ‘পেশো’জ’— তিতকুটে অথচ ভেতরে-ভেতরে শরীরকে গলিয়ে দেওয়া সুরা। মিন্টের হালকা গন্ধ আর জংলি সুবাসের মধ্যে ঢাকা পড়েছিল পাতার নির্যাস।

    ওর শরীরটাকে ছিঁড়েখুঁড়ে দিয়েছিল রঞ্জন। কিন্তু কষ্ট হয়নি নেহার। রঞ্জনের কপাল-জুড়ে আসা বিন্দু-বিন্দু ঘামের দিকে তাকিয়ে ও বুঝতে পেরেছিল, ডালপালা মেলছে মুক্তির গাছটা।

    ***

    “মুক্তি পেয়েছিলে নন্দিন্?” নেহা’র সর্বাঙ্গ ঝিমঝিম করে ওঠে পুরুষালি গলা শুনে আর কানের লতিতে আলতো কামড়ের অনুভূতিতে, “তাহলে কেন আবার ধরা পড়তে চাইছ?”

    এই বাচ্চা ছেলেটাও কি ওকে বেঁধে ফেলবে? নাকি ছেলেটা ওকে বুঝবেই না?

    বয়সের দুস্তর পারাবার কি একটা জটিল জাল হয়ে আবার ওকে বন্দি করে ফেলবে?

    “ওকেও মুক্তি দাও বরং।” অন্ধকারের মধ্য থেকে গলাটা ভেসে আসে। কিন্তু… রঞ্জন তো ওর শরীর লেপটে দাঁড়িয়ে আছে। তাহলে আওয়াজটা সামনের ওই আয়না থেকে আসছে কেন?

    ***

    কথা হয়েছিল, পরদিন ওর ফ্ল্যাটে আসবে রঞ্জন।

    “এই খুবসুরত চিজটি থাকবে তো?” লুব্ধ চোখে বরফের মধ্যে রাখা বোতলটার দিকে তাকিয়ে বলেছিল রঞ্জন। হেসে সায় দিয়েছিল নেহা। ও জানত, রঞ্জন আসবেই। ট্যাক্সি নিয়ে নয়, ভাড়া করা গাড়ি নিয়েই আসবে। শরীর খারাপ লাগলেও আসবে। না এলে পৌরুষের জোর দেখাবে কী করে?

    পরদিন সন্ধ্যায় ঘরের সবটা ও সাজিয়েছিল রঞ্জনের পছন্দ অনুযায়ী। সযত্নে বানিয়েছিল ক’টা ডিশ। ক্যান্ডল-লাইট ডিনারের আয়োজন করেছিল। রোমান্স? নাহ্, আসলে প্রায়ান্ধকার ঘরেও মোমবাতির আলোয় নেহা দেখতে চাইছিল, কীভাবে রঞ্জনের মধ্যে ডালপালা ছড়িয়ে দেয় গাছটা।

    ডিনারে পুদিনার সঙ্গে মিশে গেছিল আরও কিছুটা গুঁড়ো। পেশো’জ-এও মিশে ছিল পাতা আর ডাল থেঁতলে পাওয়া তরলের শুদ্ধতম চেহারাটা। বিছানায় দাপট দেখিয়ে রঞ্জন যখন স্টিয়ারিঙের পেছনে বসল তখন ওর হাত কাঁপছে। নেহা জানত, মুক্তি আর খুব বেশি দূরে নেই। সত্যিই সে তখন উঠে আসছিল পরের বাঁকের ঢালু সার্ভিস রোড দিয়ে।

    ঢাল বেয়ে উঠে আসা ভারী ট্রাকগুলো থামার অবস্থায় থাকে না। রঞ্জনের হাতে গাড়িটা নড়বড় করতে-করতে ওইটুকু যেতে পেরেছিল শুধু। তারপর বিশাল আওয়াজ, আগুন, হইচই।

    পেশো’জ-এর ফাঁকা বোতলটা লুকিয়ে ফেলেছিল নেহা। মুছে ফেলতে পেরেছিল রঞ্জনের সঙ্গে ওর যোগাযোগের চিহ্নগুলো। বাকিটুকু চুপ করিয়ে দিয়েছিল প্রীতি’র কনট্যাক্টস।

    ***

    “আজ উনি কেন আপনাকে ডেকেছিলেন বলে মনে হয়?”

    “লাঞ্চ করাবেন, আর কিছু একটা আলোচনা করবেন।” শুকনো গলায় বিশ্ব উত্তর দিল, “এর বেশি কিছু বলেননি।”

    বিশ্বকে মাপছিলেন নিপুণ। ছোকরা নির্ঘাত ভেবেছিল, লাঞ্চের পর কিছু উপরিও জুটবে। মার্তণ্ড থিয়েটার্সের দাশগুপ্ত ওই ব্যাপারটাকে বোঝানোর জন্য কী যেন বলত? হ্যাঁ, মনে পড়েছে— ‘বেণীর সঙ্গে মাথা!’

    দাশগুপ্ত’র কথা মনে হতে নিপুণ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবলেন, এই ছোকরাকে নিয়ে বেশি টানাহ্যাঁচড়া করে লাভ নেই। গলাটা নরম রেখেই নিপুণ জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি এসে কী দেখেছিলেন?”

    “কলিং বেল বাজানোর পর আমি ভেতরে একটা ঝটাপটির মতো শব্দ পেয়েছিলাম।” শীত করলে যেমন হয়, সেভাবেই কেঁপে উঠল বিশ্ব, “তারপর কাচের কিছু একটা জিনিস ভাঙল যেন। আমি বারবার কলিং বেল বাজাচ্ছিলাম তার আগে থেকেই। ভাবছিলাম, উনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। নীচের সিকিউরিটিকে খবর দিলাম তারপর। ওরা এসে দরজা ভাঙল। ভেতরে…!”

    বেসিনের দিকে ছুটল বিশ্ব।

    ***

    “কী করবে নন্দিন্?”

    ভারী গলাটা নেহার শরীরে কাঁপুনি ধরিয়ে দিচ্ছিল। বিশ্ব বলে ছেলেটাকে লাঞ্চের জন্য ডেকেছিল ও। তারপর আর কী বলত ও?

    আর কী করত ও?

    সেই নাটকটা ও পড়েছিল তারপর। নেহা সত্যিই বোঝার চেষ্টা করেছিল, কোন অদ্ভুত অসুখে ওর রঞ্জন ভেতরে-ভেতরে পচে গিয়ে হয়ে উঠেছিল অন্ধকারের রাজা। উত্তর পায়নি নেহা, তবে খোঁজাটাও বন্ধ রাখেনি।

    তারপর হাতের এক্কেবারে কাছে ও ছেলেটাকে দেখেছিল। বিশ্বজিৎ, বিশ্ব… বিশু পাগল!

    একটা ভারি অদ্ভুত গান ছিল ওই নাটকে? কী যেন… “চোখের জলে লাগল…” মনে পড়ছে না কেন?

    বিশু পাগলও কি ওকে ঠেলে সরিয়ে দেবে?

    “দরজা খুলে দাও নন্দিন।” ওর বুক মুচড়ে দিচ্ছে পুরুষালি হাতদুটো, “কলিং বেল বাজল যে! এসেছে তোমার পাগল। ওকে মুক্তি দেবে না?”

    ব্যথা। বড্ড ব্যথা করছে ওর বুকে। সে কি শুধুই রঞ্জনের হাতের চাপে? না এই ব্যথা আসছে আরও গভীর থেকে?

    বিশ্বও যদি ওকে একা করে চলে যায়, তাহলে সেটা সহ্য করতে পারবে না নেহা। সেজন্যই কি সেই পাতাগুলো পিষে বানানো টলটলে সবুজ তরলটুকুর অবশিষ্টটুকু শিশিতে ভরে ও রেখে দিয়েছিল হাতের নাগালেই?

    এভাবেই কি কাটবে ওর দিনগুলো? নন্দিনী কি মুক্তি পাবে না?

    “ও চাঁদ,” নেহা’র দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে, “চোখের জলে লাগল জোয়ার!”

    ড্রেসিং টেবিলের দিকে এগিয়ে গেল নেহা। ওর কানে হিসহিস করছিল রঞ্জন। ওকে টেনে সরিয়ে আনতে চাইছিল দরজার দিকে, কিন্তু পারছিল না।

    সরু ফাইলটা তুলে নিয়ে নিজের গলার সোজাসুজি আনল নেহা। আয়নার দিকে তাকিয়ে ও নিজেকে দেখতে পেল না। তবে রঞ্জন সেখানে ছিল! কলিং বেলের ঘনঘন আওয়াজ ছাপিয়ে রঞ্জনের ডাক শুনতে পাচ্ছিল নেহা।

    ***

    “আরে এ বোরকর!” চায়ের গ্লাসটা নামিয়ে রেখে হাঁক পাড়লেন নিপুণ, “ডক্টর মাথরে ওই শিশিটার ব্যাপারে কিছু বলেছেন?”

    “জি স্যার।” বোরকর একটা কাগজের টুকরো হাতে উদয় হল, “বললেন ওর মধ্যে একটা গাছের পাতার এক্সট্র্যাক্ট ভরা আছে। গাছটা আনকমন কিছু নয়, তবে ওই তরলটা মারাত্মক বিষাক্ত। আমার তো শুনে অবধি ভয় হয়ে গেছে স্যার! এইরকম ডেঞ্জারাস জিনিস আমাদের আশেপাশেই হয় নাকি?”

    “বাজে না বকে কাজের কথা বলো।” বিরক্ত মুখে বললেন নিপুণ, “কী গাছ? আর তার চেয়েও বড়ো কথা, ওইরকম বিষ নিয়ে মহিলা কী করছিলেন?”

    “মহিলা ভালোমতোই সুইসাইডাল হয়ে পড়েছিলেন স্যার।” বিজ্ঞের মতো বলল বোরকার, “সেজন্যই হাতের কাছে হোমমেড বিষ রেখেছিলেন। হয়তো ভাবেননি, ওইভাবে শেষ অবধি আত্মহত্যা করতে পারবেন।”

    “গাছটার নাম?” দাঁতে দাঁত ঘষে নিজেকে শান্ত রাখলেন নিপুণ।

    “রেড ওলিয়্যান্ডার্স।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিঘাত – অনীশ দেব
    Next Article বিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }