Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক একাদশ – অনুষ্টুপ শেঠ

    লেখক এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এইট-সি

    ট্যাক্সিটা গেটের পাশে দাঁড় করাতেই খাকি পোশাকের সিকিউরিটি গার্ড এসে দাঁড়াল সামনে।

    “কাল পাটিল সাব নে বোলকে গ্যায়া না? নিউ টেনান্ট?”

    “জি। আইয়ে সাব।”

    সোহমের সঙ্গে হাত লাগিয়ে ভারী স্যুটকেস দুটো নামিয়ে ফেলল গার্ডটি। কিটব্যাগ দুটোও নামাল। ল্যাপটপের ব্যাকপ্যাক পিঠে ফেলে, ভাড়া মিটিয়ে গার্ডের ডেস্কে এসে দাঁড়াল সোহম।

    “সাব, এত কিছু তো একসঙ্গে লিফটে যাবে না। আপনি কিছু নিয়ে যান। আমি না হয় বাকি দিয়ে আসছি।”

    খুশি হয় সোহম। ভালো তো লোকটা।

    “পতা হ্যায় না, কিধার লে জানা হ্যায়? এইট-সি।”

    ঝুঁকে স্যুটকেস আর ব্যাগগুলো গুছিয়ে রাখছিল গার্ডটি। সে হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়াল। তারপর টুপি খুলে, সেটা আবার পরার সময় অন্যদিকে তাকিয়ে একগাদা কথা বলল। তাদের মর্মার্থ, তার পক্ষে বেশিক্ষণ ডেস্ক ছেড়ে যাওয়া মুশকিল। সাব যদি নিজেই আরেকবার এসে নিয়ে যান তো ভালো হয়।

    সোহম আড়চোখে দেখল, এক বয়স্কা, কড়া হেডমিস্ট্রেসের মতো চেহারার মহিলা পিছন থেকে এসে হাজির হয়েছেন। সম্ভবত তাঁকে দেখেই গার্ডের এই মত পরিবর্তন। গৃহপ্রবেশের আগেই মেজাজটা একটু খিঁচড়ে গেল তার। একটা কিটব্যাগ আর একটা স্যুটকেস লিফটে ঢোকাল কষ্ট করে। একে জায়গা খুব কম, তার ওপর সেই মহিলাও ঢুকলেন।

    মহিলা বেশ কটমট করে ওর দিকে চেয়ে আছেন বলে সোহমের অস্বস্তি হচ্ছিল। তাও ও ভাবল, নতুন পড়শির সঙ্গে আলাপ করে নেওয়াই ভালো।

    “নমস্তে আন্টি, আই অ্যাম সোহম মণ্ডল। নিউ টেনান্ট হিয়ার।”

    “নমস্তে বেটা। ম্যায় মিসেস গ্যাডগিল। ফ্ল্যাট নাম্বার টেন-এ। আপকা?”

    সোহম ‘এইট-সি’ বলামাত্র মহিলা হিঁক করে যে আওয়াজটা করলেন সেটার জন্য ও মোটেই প্রস্তুত ছিল না। হেঁচকি উঠে গেল নাকি? তখনই লিফটটা এইটথ ফ্লোরে এসে দাঁড়াল। ব্যাগপত্র নামাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল সে। লিফটের বন্ধ হতে থাকা দরজার ফাঁক দিয়ে সোহম দেখল, মহিলা কেমন তীব্র, উদ্ভ্রান্ত চোখে ওর দিকে চেয়ে আছেন।

    ফ্ল্যাটে ঢুকেই ও একেবারে খুশিয়াল হয়ে উঠল। এমন বাজেটে মুম্বইতে এত সুন্দর ফার্নিশড ফ্ল্যাট, ভাবা যায়? ঠিক ওর ব্যাচেলর সংসারের যেমন দরকার— সাজানো গোছানো বেডরুম, মডিউলার কিচেন, সোফা সেট টিভি দেওয়া লিভিং রুম। উপরি পাওনা হল চেম্বুর এলাকার এমন চমৎকার একটা ভিউ।

    ব্রোকার মিস্টার পাটিলকে বার বার প্রশ্ন করেছিল সোহম। কোন গণ্ডগোল আছে কি? জল চলে যায়? কারেন্ট থাকে না? লিফট খারাপ হয়? বর্ষায় দেওয়ালে সিপেজ হয়? উপরের ফ্ল্যাটে ধুপধাপ করে নাচ প্র‍্যাকটিস হয়? ডাম্পিং গ্রাউন্ডের দুর্গন্ধ বা ধোঁয়া আসে?

    সবেতেই ডুগডুগ করে মাথা নেড়ে না বলে গেছে পাটিল। কিচ্ছু প্রবলেম নেই, ফ্ল্যাট “মস্ত্ আহে।” তাহলে এত কম ভাড়া কেন? সে মালিকের মর্জি। বিরাট বড়ো লোক, তাই এই নিয়ে কথা বলা সে পছন্দ করে না।

    এর পর আর কথা বাড়ানো যায় না। সোহমও এত ভালো দাঁও মারার সুযোগটা ছাড়েনি। কাল সন্ধেবেলা ব্রোকারের অফিসে সব সইসাবুদ মিটে যেতেই ও আর দেরি করেনি। সোমবার হলেও রীতিমতো ছুটি নিয়ে আজই মালপত্র নিয়ে উঠে এসেছে।

    এই যাহ্! গা এলিয়ে বসে থাকলে হবে? অন্য ব্যাগগুলো আনতে হবে না? চাবি হাতে নিয়ে বেরিয়ে দরজা টেনে দিল সোহম।

    দরজাটা বন্ধ করার কয়েক সেকেন্ড আগে ওর হঠাৎ মনে হল, ছায়ার মতো কী একটা যেন সাঁৎ করে চলে গেল ঘরের মধ্যে। আবার দরজা খুলে মাথা ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দেখল সোহম। কই, কিচ্ছু তো নেই। মনের ভুল হবে, বা পর্দার ছায়া। নতুন জায়গা তো।

    ব্যাগ তুলে এনে, মনের আনন্দে সংসার পাততে থাকে সোহম।

    *****

    নতুন জায়গায় এক সপ্তাহ কেটে যায় সোহমের। ঘর মোছা আর বাসন মাজার ‘বাই’-ও পেয়ে গেছে সেই গ্যাডগিল আন্টির কল্যাণে। অমন কটমট করে তাকালেও মানুষটা মন্দ না। আসার দু’দিন পরেই অফিস-ফেরত সোহমকে কফি খেতে একদম ধরেই নিয়ে গেলেন মহিলা। কফির সঙ্গে ঘরে বানানো নিমকি, বাই এর ফোন নাম্বার আর মিস্টার গ্যাডগিলের একটানা স্মৃতিচারণ। মূলত শেষেরটার ভয়েই সোহম পরের তিনদিনই বেশ রাত করে ফিরল অফিস থেকে। মোটের ওপর ওর ভালোই লাগছিল এই নির্বান্ধব পুরীতে একটু আদর-যত্ন পেয়ে।

    সেদিন আসার সময়ে একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করেছিলেন আন্টি, “রাত্রে ঠিকঠাক ঘুম হচ্ছে তো? কিছু ডিস্টার্ব করছে না তো?”

    একদম ডিসটার্ব হচ্ছে না শুনে দু’জনেই এত খুশি কেন হলেন সেটাও রহস্য।

    অবশেষে নতুন বাড়িতে প্রথম ছুটির দিন কাটানোর সুযোগ হল। সোহম ঠিকই করে রেখেছিল, আজ আর একদমই বেরোবে না। যাবেই বা কোথায়? গ্যাডগিল দম্পতি, আর উঠতে-নামতে লিফটে দেখা হলে সামান্য নড্ করা এক মিস্টার যাদব ছাড়া আর কাউকেই তো ও চেনে না। এই ফ্লোরের বাকি দুটো ফ্ল্যাটই বন্ধ। একটার মালিক বিদেশে থাকে, শুধু ডিসেম্বরে কিছুদিনের জন্য আসে। অন্যটার মালিক জনৈক শিবরাজন। তিনিও সপরিবারে গত এক বছর ধরে ব্যাঙ্গালোরে মেয়ের কাছেই আছেন। গার্ড সোনেভাউয়ের কাছ থেকে এর বেশি কিছু জানতে পারেনি সোহম। লোকটা একদমই মিশুকে নয়।

    সারাদিন ভারি আরামে কাটল। দুটো নতুন বই পড়ে ছিল বহুদিন, কিছুটা করে পড়ল। জামাকাপড় কাচল। বাড়িতে ফোন করে বহুক্ষণ গল্প করল। দুপুরে পিজ্জা অর্ডার করে খেল, তারপর গান শুনতে-শুনতে ঘুমিয়েও পড়ল আয়েস করে।

    ঘুম যখন ভাঙল, তখন সন্ধে হয় হয়। জানলায় দাঁড়িয়ে দেখল কার পার্কে আলো জ্বলে উঠল। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে কখন। জানলায় ঝোলানো শার্টগুলো আবার ভিজে গেছে। উঠে শার্টগুলো সরিয়ে রাতের জন্য খিচুড়ি বানাল সোহম। ওমলেটের পেঁয়াজ লঙ্কা কুচিয়ে রেখে এসে আবার বই খুলে বসল সে।

    বৃষ্টিটা বেড়েছিল ইতিমধ্যে। ঝমঝম আওয়াজ আসছিল একটানা। বহুদিন পরে এমন নির্ঝঞ্ঝাট বই পড়ার সুযোগ পেয়ে মজে গেছিল সে। উঠি-উঠি করেও বাকি রান্নাটুকু সেরে খেয়ে নিতে ইচ্ছে করছিল না। আলসেমি একটা অজগরের মতো পেঁচিয়ে ধরছিল তাকে।

    ঠক্ ঠক্ ঠক্!

    প্রথমে খেয়াল করেনি সোহম। একটু পর, আরেকটু জোরে, বৃষ্টির আওয়াজ ছাপিয়ে আবার দরজায় আওয়াজ হল— ঠক্ ঠক্ ঠক্!

    বই রেখে উঠে বসতেই হল। এ আবার কী? কলিং বেল বাজছে না? ওহ্ না, তাই তো!

    কাল সন্ধেবেলাই বেলের ওখানে কী যেন শর্ট সার্কিটের মত চিড়িক মারছিল বটে। দেহ রেখেছে তবে সেটা। আগে খেয়াল করলে আজই সারিয়ে নেওয়া যেত। এইসব ভাবতে-ভাবতে দরজা খুলে হুব্বা হয়ে গেল সোহম।

    খাঁ খাঁ করছে বাইরেটা। দুই ফ্ল্যাটে যথারীতি তালা। লিফটের দরজা বন্ধ।

    যে এসেছিল, সে কি চলে গেল দেরি দেখে? যাকগে, আসবে না হয় আবার। দরজা বন্ধ করে সোফায় ফেরত যায় সোহম। যুত করে সবে বসেছে, অমনি আবার সেই ঠকঠকানি।

    দুচ্ছাই! আবার গিয়ে দরজা খুলল। আবার সেই, কোথাও কেউ নেই।

    এবার মেজাজটা রীতিমতো গরম হয় সোহমের। তখন জানলা দিয়ে কটা বাচ্চাকে নীচে ক্রিকেট খেলতে দেখেছিল না? নির্ঘাৎ তাদের কারো বদমাইশি এটা। নতুন লোক এসেছে জানার পর থেকে হয়তো এই প্রথম সুযোগ পেয়েছে ওকে জ্বালানোর।

    ‘দেখাচ্ছি মজা!’

    দরজা বন্ধ করে তার ঠিক পিছনে জিম করা পাঁচ দশের সুগঠিত শরীরটা টান টান করে অপেক্ষা করে সোহম। আসুক এবার।

    ঠক্ ঠক্…

    অরণ্যদেবের গতিতে দরজা খুলে বেরিয়ে আসে সোহম। কিন্তু সবই বৃথা। এবারেও ধরতে পারে না বিচ্ছুটাকে। দরজাটাকে স্টপার দিয়ে আধখোলা করে রেখে দৌড়ে সিঁড়ির ওপর-নীচ দেখে আসে সে। কাজটা যেই করে থাকুক না কেন, সে খুব চালাক। কোথাও কোনো চিহ্ন রাখেনি সে।

    ‘গার্ডকে বলে আসা যাক।’ ভেবে দরজায় চাবি এঁটে নীচে চলল সোহম। কিন্তু লিফটে চেপে নেমে দেখল ডেস্ক ভোঁ-ভাঁ করছে। সোনেভাউ গেল কই? ও অবশ্য এই সময়টায় খেতে যায়। তাহলে?

    হঠাৎ খেয়াল হয় সোহমের, মিস্টার গ্যাডগিল তো সোসাইটির কমিটি মেম্বার। ওঁকেই বলে আসা যাক তাহলে। রাত হয়েছে বটে, তবে ওঁরাই বলেছিলেন যে রাত বারোটার আগে নাকি ঘুমোন না। ‘টেন-এ’-র দরজায় বেল বাজানোর পর অবশ্য একটু লজ্জা হতে লাগল সোহমের। কী এমন জরুরি ব্যাপার ছিল এটা? কাল এলেও তো হত। কিন্তু ততক্ষণে দরজা খুলে দিয়েছেন আন্টি।

    কী অদ্ভুত আলো এদের ঘরে! নীলচে সবুজ সেই আলোয় বৃহৎ অক্টোপাসের মতো চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন দু’জন। গেঞ্জি-পাজামা পরে, বাঁধানো দাঁত খুলে রেখে ফোকলা মুখে মিস্টার গ্যাডগিল। আন্টির চুল চুড়ো করে বাঁধা, পরনে হাউসকোট, চোখে সেই প্রথমদিনের মতো তীব্র কটমটে চাউনি।

    আমতা-আমতা করতে থাকে সোহম। ওকে চমকে দিয়ে আন্টি ফিসফিসে গলায় জিজ্ঞেস করেন, “এসেছে? সে এসেছে তো?”

    “কে? কোথায়? কে আসবে?” নিজের কানেই অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ শোনায় সোহমের গলা।

    “সে কে, তা কী করে জানব?” হিসহিস করে ওঠেন মিসেস গ্যাডগিল, “কিন্তু সে এসেছে বুঝতে পারছি! এই ভয়টাই পাচ্ছিলাম।”

    “লেকিন ইনহোনে ইতনা কুছ কিয়া তো থা।” মিস্টার গ্যাডগিল দুঃখিত ভঙ্গিতে মাথা নাড়েন, “অব অউর নহিঁ আনা চাহিয়ে থা।”

    “রাখো তোমার ইতনা কুছ!” ঝাঁঝিয়ে ওঠেন মিসেস গ্যাডগিল, “লড়কার মুখ দেখে বুঝতে পারছ না, সে আবার ফিরে এসেছে?”

    সোহম এবার বিনা আহ্বানেই ঘরে ঢুকে সোফায় বসে পড়ে। মিস্টার গ্যাডগিল ওর দিকে জলের বোতল বাড়িয়ে দেন। ঢকঢক করে জল খেয়ে আনুপূর্বিক বৃত্তান্ত বলে সোহম।

    খুব ধীরে-ধীরে মাথা নাড়েন মিস্টার গ্যাডগীল। তারপর বলতে থাকেন।

    “অভিশপ্ত ফ্ল্যাট ওটা। শুরু হয়েছিল বছরতিনেক আগে। এই তোমার মতোই একজন ছেলে প্রথম ভাড়াটে ছিল। কী যেন দূর সম্পর্কের রিলেটিভ ছিল বাড়িওলার। ড্রাগ ধরেছিল। এমন হল শেষে যে ভাড়া দিতে পারছে না। বাড়িওলা একদিন আমাদের সবার সামনে খুব যা তা বলল ওকে। খুব ইন্সাল্ট করল বাপ-মা তুলে। পরদিন ভোরে সে ছেলে জানালা দিয়ে ঝাঁপ মেরে সুইসাইড করল।”

    আন্টি খরখর করে বলে উঠলেন, “ইয়ে তো বস স্টার্টিং থা।”

    “বছরখানেক ফ্ল্যাট খালি ছিল।” মাথা দুলিয়ে বললেন মিস্টার গ্যাডগিল, “তারপর এক সালের মধ্যে তিনজন ভাড়াটে এল আর গেল। প্রথমে এল এক কাপল। আমাদের চেয়ে কিছু কম বয়স, সদ্য রিটায়ার করেছে। এসে ব্যাপারটা নিয়ে শুনল। তারপর তিন দিনের মধ্যে সে লেডি পাঁচবার ফিট হয়ে গেল। রিস্ক না নিয়ে, টাকা লস করেই তারা চলে গেল এক সপ্তাহ বাদে।

    তারপর এল এক উঠতি মডেল। যেমন তার সাজগোজ তেমনি ঝগড়ুটে। সে ছিল দু’ সপ্তাহ। প্রচুর ঝামেলা তার মধ্যেই। কে একটা ছেলে আসত নাকি সময়ে-অসময়ে। তারপর হঠাৎ একদিন সে মেয়ে দুপাট্টা গলায় দিয়ে ফ্যান থেকে লটকে গেল। সে মেয়ের সঙ্গে আমাদের কোনো কথা হয়নি। আসলে প্রথম দিনেই গাড়ি রাখার জায়গা নিয়ে আমার মিসেসের সঙ্গে একটু ক্ল্যাশ হয়ে গেছিল।

    এ বাড়ির অর্ধেক বাসিন্দা বিদেশে থাকে। শিবরাজনরা তারপরেও কিছুদিন ছিল। পরে তাদের সঙ্গে কিছু হয়েছিল কি না, জানি না। তবে তারাও ক’দিন পর মেয়ের কাছে চলে গেল।”

    রুদ্ধশ্বাস হয়ে সব শুনছিল সোহম। পাটিল নিশ্চয় এ-সব জানত। কিন্তু ও ভয় পাবে ভেবে বলেনি। ও বলল, “তারপর কী হল?”

    “তার কিছুদিন পর আরেক ভদ্রলোক এলেন। উনি স্টক মার্কেটে কাজ করতেন। কারো সঙ্গে কথা বলতেন না বিশেষ। আমরা একবার কথা বলতে গেছিলাম, পাত্তাই দেননি।”

    “সেও সপ্তাহদেড়েক টিকেছিল। ডাক্তার অবশ্য বলেছিলেন, হার্ট অ্যাটাক।” আন্টির মুখ দেখে স্পষ্ট বোঝা গেল, ডাক্তারকে উনি বিশ্বাস করেননি।

    আঙ্কল আবার বিড়বিড় করলেন, “তারপর তো এত যাগযজ্ঞ হল। এত পূজাপাঠ। তবু… সে ফিরেই এল!”

    এবার একটু ধাতস্থ লাগে সোহমের। কেসটা বোঝা যাচ্ছে। একটু জোর দিয়েই ও জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা আন্টি, এই কমপ্লেক্সে এমন কোনো দুষ্টু বাচ্চা নেই যে এটা করতে পারে?”

    একটু থতমত খান দু’জনেই। মুখ চাওয়াচাউয়ি করে আন্টি দ্বিধাগ্রস্ত গলায় বলেন, “এইট-বি-র বিট্টু বলে ছেলেটা মহা বদ। ক্লাস সিক্সে পড়লেও দস্যিপনা কম নয়। কালকেই মেহতা ম্যাডামের বেড়ালটাকে কী পরিমাণ জ্বালাচ্ছিল!”

    নিশ্চিন্ত হয়ে উঠে পড়ল সোহম। আচ্ছা লোকের পাল্লায় পড়েছিল যাহোক। কিছু সমাপতন, কিছু অপঘাত মৃত্যু একই ঘরে। তাই নিয়ে এই ঘরে বসে বোর হওয়া বুড়ো-বুড়ির মেলোড্রামা। ধুর-ধুর!

    নিজের ফ্ল্যাটে ফিরে আসতে-আসতে সোহমের মনে হল, সবক’টা মৃত্যুই এই শহরের রাক্ষুসে গতির গ্রাস। প্রথমজন গেছে অসুস্থ জীবনযাপনের ফলে। পরের জন এদেরই মতো কল্পনাপ্রবণ, গল্প শুনেই অজ্ঞান হয়েছে। মেয়েটার তো ভুলভাল লাইফ ছিল, এরা এভাবেই মরে। আর শেষেরটা পিওর কাজের স্ট্রেস হবে। সেই তুলনায় ও নিজে খুব মেপে জীবন কাটায়। বই পড়া, গান শোনার মতো সুস্থ বিনোদন আছে ওর। একটা ভালো চাকরি করে। নিয়মিত শরীরচর্চা করে। ওর নার্ভ এত দুর্বল নয় যে এ-সবের শিকার হবে।

    লঘু পায়ে এসে ঘরের দরজায় চাবি ঢোকায় সোহম। ঘরের আলো যেমন রেখে গেছিল সেভাবেই জ্বলছিল। দরজাটা অনাবশ্যক জোরে বন্ধ করতে গিয়েই বিপত্তিটা হল। গোল নবটা খুলে বেরিয়ে এল হাতের মধ্যে।

    ধুত্তোর! বাড়ির মালিক যাগযজ্ঞ না করিয়ে মেইনটেনান্সটা ঠিক করে করালে কাজে দিত। বিরক্তিতে নবটা ছুঁড়ে ফেলে সোহম। ঠিক বেলের জায়গায় গিয়ে লাগে সেটা। জোরালো একটা চিড়িক মেরেই ঘরের সব আলো নিভে যায়।

    যাব্বাবা!

    অন্ধকার হলেই স্নায়ু খাড়া হয়ে ওঠা বোধহয় মানুষের সহজাত। একবার শিউরে উঠেই নিজেকে শক্ত করে সোহম। যত্ত ছেলেমানুষি। জানলা দিয়ে চাঁদের আলো আসছে, আবছা দেখা যাচ্ছে সব। দিব্যি রাতটা কাটিয়ে দেওয়া যাবে। কাল দেখা যাবে এসব সারাই। ছুটি নিতে হবে মনে হচ্ছে। পায়ে পায়ে ঘরের মাঝখানে পৌঁছে গেছিল ভাবতে ভাবতে, হঠাৎ থমকে থেমে আপাদমস্তক কেঁপে ওঠে সোহম।

    ঠক্ ঠক্ ঠক্!

    সেই দরজায় নক করার আওয়াজটা এসেছে আবার। তফাতের মধ্যে, আওয়াজটা এবার আসছে তার শোয়ার ঘরের বন্ধ পাল্লার ওপার থেকে! 

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিঘাত – অনীশ দেব
    Next Article বিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }