Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক একাদশ – অনুষ্টুপ শেঠ

    লেখক এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাত

    ধাম্! ধাম্!! ধাম্!!

    আরে! এত জোরে দরজা পেটাচ্ছে যেন ভেঙেই ফেলবে। কলিং বেল বাজছে না নাকি?

    বলতে না বলতে বেল বেজে উঠল। বাজতেই থাকল পাগলা ঘণ্টির মতো। বাথরুম থেকে কোনোমতে বেরিয়ে এসেছিলেন দীপংকর। কিন্তু দরজার ওপাশে যে আছে, তার ভাবগতিক দেখে মনে হচ্ছিল, জামাটুকু পরার সুযোগ তাঁকে দিতেও রাজি নয় সে।

    আগুন লাগল নাকি বিল্ডিঙে?

    রীতিমতো ছুটে এসে দরজা খুললেন দীপংকর। বেল টিপে ধরে থাকা হাতের উদ্বেগ তাঁর হাত-পায়েও সঞ্চারিত হয়ে গেছিল ততক্ষণে। দরজা খুলে চেনা মুখ দেখে নিশ্চিন্ত হওয়ার বদলে আরো ভয় পেয়ে গেলেন তিনি।

    “কী ব্যাপার কানাই? এইভাবে…?”

    কথা শেষ করতে পারলেন না দীপংকর। তাঁকে দেখেই মাটিতে থপ্ করে বসে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেছিল কানাই।

    দীপংকরের একতলার প্রতিবেশী ডাক্তার অনিন্দ্য বসুর পুরোনো রাতদিনের কেয়ারটেকার হল কানাই। তিনি আর দোতলার ভটচাজদা ঠাট্টা করে ওকে ‘ডাক্তারের ম্যান ফ্রাইডে’ বলেন। আজ অবধি কানাইকে এরকম বিচলিত হতে দেখেননি ওঁরা কেউই।

    কানাইয়ের ফোঁপানো আর জড়ানো কথা থেকে যা বোঝা গেল, তাতে দীপংকর নিজেও যারপরনাই বিচলিত হয়ে পড়লেন। ঘরের চটি পায়েই ছুটে একতলায় গেলেন তিনি। কানাইয়ের সঙ্গেই ঢুকলেন ফ্ল্যাটের একটেরে চেম্বারে। দৃশ্যটা দেখে তাঁর মাথাটা ঘুরেই গেছিল। নেহাৎ শক্ত মানুষ বলে নিজেকে সামলে নিলেন তিনি। তবে, ইতিকর্তব্য স্থির করে লোকাল থানায় ফোন করার সময়েও তাঁর কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল উত্তেজনা আর আতঙ্কে।

    ঘণ্টাখানেক পরেও একটা ছোটোখাটো ভিড় জমেছিল বাড়িটার সামনে। ডাক্তারবাবু অনেকদিনের বাসিন্দা এ পাড়ায়, পসারও মন্দ নয়। পুলিশের জিপের পিছনের গাড়িতে সাদা চাদর ঢাকা স্ট্রেচার তোলার সময়ে ভিড়ের অনেকেই কপালে হাত ঠেকাল। গুনগুন চাপা কথাও শোনা গেল কিছু— ‘কতই বা বয়েস হয়েছিল!’ ‘দিনকাল বড়ো খারাপ। চেম্বারে কী-ই বা থাকত?’ ‘বেশ যত্ন করে দেখত কিন্তু ছোকরা।’ ইত্যাদি।

    একতলার অর্ধেকটা নিয়ে গ্যারেজ, বাকি অর্ধেক জুড়ে ডাক্তারের ফ্ল্যাট। একটা মাস্টার বেডরুম, একটা গেস্টরুম— সেটাতেই পার্টিশন করে চেম্বার আর কানাইয়ের ঘর। চেম্বারের এন্ট্রি লাগোয়া গ্রিল ঘেরা বারান্দা দিয়ে। এদিকের মেইন দরজা খুলে বসার ঘর, রান্নাঘর, বাথরুম ইত্যাদি।

    পুরো জায়গা ঘুরে বেড়াচ্ছিল পুলিশের দল, ছবি তুলছিল তাদের একজন। চেম্বারটা দেখছিল ইন্সপেক্টর রজত জানা নিজে। আপাতদৃষ্টিতে একটাও জিনিস এদিক-ওদিক হয়নি। ডাক্তারের চেম্বারে যা-যা থাকা স্বাভাবিক, সেগুলোই ছিল ওখানে। একটা বড়ো টেবিল, তাতে প্যাড, পেন, ওষুধের স্যাম্পল, ব্লাডপ্রেশার মাপার যন্ত্র। ওপাশে গদি-আঁটা রিভলভিং চেয়ার, এদিকে এমনি চেয়ার একটা। একপাশে সোফা-সেট, সেন্টার টেবিলে কয়েকটা ম্যাগাজিন। ব্যস।

    সময় নিয়ে সব খুঁটিয়ে দেখে রজত। পেনের ঢাকনাটা খুলে নীচে পড়ে আছে। এছাড়া অস্বাভাবিক কিছুই চোখে পড়ে না। রজত এই ঘরে ঢোকার সময়ও বাকি সব স্বাভাবিক লেগেছিল। শুধু ডাক্তার বসু’র মৃতদেহ তখন ওই চেয়ারে বসে ছিল। ঘাড় পিছনে হেলানো, চোখ ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে, দাঁতের চাপে জিভ কেটে গিয়ে রক্ত বেরিয়ে গড়িয়ে পড়েছে চিবুক অবধি। গলায় দাগড়া দাগড়া লাল-কালো টিপে ধরার দাগ। মানুষের বদলে মুরগির গলা মনে হচ্ছিল, এমন থেঁতলে গেছিল জায়গাটা।

    তিনতলার এক প্রতিবেশী ভদ্রলোক থানায় ফোন করেছিলেন। তিনি তখন বসার ঘরের সোফায় জবুথবু হয়ে বসে ছিলেন৷ কানাই নামের কাজের লোকটিও একপাশে একটা টুলে বসে ছিল। রজত দুজনের উদ্দেশেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল, “কেউ চেম্বারের কিছু নাড়াচাড়া করেনি তো?”

    “না-না।” ভদ্রলোক বলে ওঠেন, “কেউ ঢোকেইনি ও-ঘরে। আমি তো দেখেই সঙ্গে-সঙ্গে বেরিয়ে এসেছি, কিচ্ছু ছুঁইনি। এসে, দরজা টেনে দিয়ে ঠায় বসে আছি এখানে। তারপর আপনিই প্রথম এসে ঢুকলেন।”

    রজতের সপ্রশ্ন দৃষ্টির উত্তরে কানাইও ঢক ঢক করে মাথা নাড়ায়। তারপর বলে, “আমি হাত দেব কী বাবু! দাদা চা খান সাড়ে এগারোটায়। তাই নিয়ে ঘরে ঢুকে টেবিলে রেখেছিলাম। দুপুরের রান্না নিয়ে কথা বলব বলে মুখ তুলে দেখি এই দশা! দেখেই তো হাত পা কাঁপতে লেগেছে আমার। কোনোরকমে হাতের কাপ রেখে এক দৌড়ে উপ্রে গেলাম! দোতলায় তো সব ঘরে তালা। সবাই বেরিয়ে গেছেন। তখন তিনতলায় গিয়ে এই দাদাবাবুকে ডাকলাম।”

    ‘দাদাবাবু’ মাথা নেড়ে সায় দেন। সামনের টেবিলে একধার করে বসানো কাপ-ডিশ, তাতে সর পড়ে যাওয়া চা, তার পাশে নীচে টুলে রাখা লাল টেলিফোন নীরবে দু’জনের কথার সাক্ষী দেয়।

    “স্যার, অল ডান। আমরা কি যাব?”

    “হয়ে গেছে? এগোন তাহলে, আমিও আসছি।”

    নিঃশ্বাস ফেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হয় রজত। বাইরের লোকই মনে হচ্ছে। কিন্তু মোটিভের জায়গায় ধোঁয়াশা। পেপারওয়ার্ক করতে হবে এবার।

    “তুমি কিন্তু একদম বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবে না।” কড়া গলায় বলল রজত, “তোমার দেশের ঠিকানা, আধার কার্ড, ছবি, টিপছাপ— সব নিয়ে নিয়েছি। পালালেই ধরে ফেলব কিন্তু।”

    “না বাবু! আমি কোথাও যাব না।”

    বেরিয়ে এসে বাইকে স্টার্ট দিয়েও ভ্রূকুটি যায় না রজতের। ডাক্তারের চোখ দুটো কিছুতেই ভুলতে পারছে না ও। এমন নিখাদ আতঙ্ক ছিল ওই দৃষ্টিতে! আর গলাটা?! তার মতো সাত বছর ধরে নিয়মিত খুন-জখম দেখা পুলিশেরও নার্ভে চাপ পড়ে গেছিল গলাটার ওই দৃশ্যত দুমড়ে-মুচড়ে পিষে যাওয়া দশা দেখে।

    কীসের দাম চোকাতে হল ডাক্তারকে? কে হতে পারে এই অসমশক্তিধর আততায়ী?

    *****

    জ্ঞানটা ঠিক করে ফিরতে যা দেরি। পরক্ষণেই ছটফট করে উঠল রোগী। একপাশে বসে থাকা সিস্টার হাঁকপাঁক করে ছুটে এল। তার চিৎকারে পাশের ঘর থেকেও ছুটে এল আরেক সিস্টার। কিন্তু ততক্ষণে যা হবার হয়ে গেছে। বিশাল লম্বা-চাওড়া পেটানো চেহারার লোকটির গায়ের জোর অমানুষিক। সিস্টাররা এসে পৌঁছোনোর আগেই এক ঝটকায় দু’দিক থেকে আটকে রাখা স্ট্র্যাপগুলো ছিঁড়ে ফেলে সে নিজের দুই হাত তুলে ধরেছে চোখের সামনে।

    এক মুহূর্ত, দুই মুহূর্ত সব চুপ রইল। তারপর “হাআআআআআআআ” করে একটা জান্তব চিৎকার সারা ফ্লোর কাঁপিয়ে আছড়ে পড়ল বাতাসে। সেই ভয়ানক চেঁচানির ধাক্কায় হাসপাতালের ফ্যাকাশে সাদা দেওয়ালগুলো অবধি কেঁপে উঠল। আশপাশের ঘরগুলোয়, বড়ো হলের সারি-সারি লোহার খাটে একা বা বেড শেয়ার করে শুয়ে থাকা মলিন পোশাকের লোকগুলো আঁতকে উঠল। যারা ঘুমিয়ে ছিল তাদের ঘুম গেল ভেঙে।

    টহল দেওয়া শেষ করে ডাক্তার অনিন্দ্য বসু সদ্য স্টাফ রুমে গিয়ে গায়ের সাদা কোটটা খুলতে যাচ্ছিলেন। চিৎকারটা সেখানেও এসে ধাক্কা দিল। এতই হিংস্র, এতই বিক্ষুব্ধ সে আওয়াজ যে স্থানু হয়ে গেলেন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসা বা দাঁড়ানো ডাক্তারেরা। ডাক্তার বসু আন্দাজ করতে পেরেছিলেন, ওটা কার গলা। ঝট করে কোট পরে নিয়েই সেই স্পেশাল কেবিনের দিকে দৌড় মারলেন তিনি। পিছনে পিছনে ছুটলেন আরো দুই জুনিয়র ডাক্তার।

    প্রতাপের জ্ঞান ফিরলে যে এমনই কিছু একটা হবে তা আশা করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ঘরের দরজা পেরিয়েই যা দেখলেন তার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না অনিন্দ্য। খাটের সামনে যেন তুফান চলছে। একটা ছ’ ফুট লম্বা বিশাল দানব তাণ্ডব করছে সেখানে। পরনে ওটির সবুজ দড়ি বাঁধা পোশাক। কাটা মুরগির মতো ধড়ফড় করছে তার মাথা, হাত, পা। ছিটকে পড়ছে পাশের টেবিলের ওষুধপত্র, খাবার জল, স্ট্যান্ডে লাগানো ড্রিপের সরঞ্জাম। একজন সিস্টার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন, কপালে লাল হয়ে আলুর মতো ফোলা। অজ্ঞানই হয়ে গেছেন বোধহয়। আরেকজন ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে বলির পাঁঠার মতো কাঁপছেন।

    এক পলকে দৃশ্যটা দেখে নিয়েই পকেট থেকে ফোন বার করে ইমার্জেন্সি সিকিউরিটি নাম্বারে ফোন করলেন অনিন্দ্য। পিছনে আসা জুনিয়র রোহন আর ঈশানী ততক্ষণে “গার্ড-গার্ড! হেল্প!” করে বিশাল শোরগোল তুলে ফেলেছে। তাতে আরো কয়েকজন নার্স, ঝাড়ুদার, ওয়ার্ড-বয় গোছের কর্মী জড়ো হয়ে গেছিল কেবিনের সামনে। তাদের ঠেলেঠুলে অচিরেই এসে হাজির হল দুই ষণ্ডা গার্ড। কিন্তু তারপরেও, এই এতজন মিলেও, সে লোকটাকে পাকড়াও করে শোয়াতে প্রায় কালঘাম ছুটে গেল সবার। ততক্ষণে সব তছনছ হয়ে গেছে ঘরের।

    মনের জোরে হাত স্টেডি রাখলেন অনিন্দ্য। তারপর কড়া ডোজের ঘুমের ইঞ্জেকশনটা পুশ করলেন। ভারী শরীরটা নেতিয়ে পড়ার পর তবে তাঁর নিজের শ্বাস স্বাভাবিক হল। ওয়ার্ড বয়-রা মাটিতে পড়ে থাকা নার্সকে ধরাধরি করে তুলে নিয়ে গেল। সবাই ঘর ছাড়ল একে-একে। শুধু দরজার পাশে সারাক্ষণ যার বসে থাকার কথা, সেই সাদা পোশাকের পুলিশটি গুটি গুটি পায়ে আবার তার টুলে গিয়ে বসল। মোক্ষম মুহুর্তেই সে বেচারার পিসাব পেয়ে গেছিল। তবে চিৎকার শুনে ছুটে আসার পর সেও হাত লাগিয়েছিল অবস্থা আয়ত্তে আনার জন্য। চোখের নীচে গভীর কালশিটেটাই তার প্রমাণ।

    বেরোনোর আগে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে রোগীর বিছানার পাশে গেলেন অনিন্দ্য। অঘোরে ঘুমোচ্ছে এখন সে। রোদে পোড়া তামাটে মুখ, নাক-মুখ রীতিমতো ধারালো। ভ্রূর উপরে একটা গভীর ক্ষত চুলের গোড়া অবধি চলে গেছে কপাল বেয়ে।

    প্রতাপ কুমার সিং। গতকাল রাত্রে হাসপাতালের খাতায় এই নামই লেখা হয়েছিল। তবে ওর পরিচিতরা কেউ এই নামে চিনবে না ওকে। পুলিশের খাতায় লেখা আছে পরতাব, পেটো পরতাব। পাইকপাড়া অঞ্চলের অন্যতম ত্রাস। ভ্রূর উপরের ক্ষতটা ছুরি নিয়ে মারামারির চিহ্ন। এরকম আরো অজস্র ক্ষত আছে সারা গায়ে, আজই দেখেছেন।

    এখন ঘণ্টাচারেক নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। থানা থেকে ফোন এসেছিল এইমাত্র। নির্ঘাত মার-খাওয়া কনস্টেবলটিই খবর দিয়েছে। ওসি জানিয়েছেন, একটু পরে তিনিই আসছেন হ্যান্ডকাফ নিয়ে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একে রিলিজ করে নিয়ে যেতে বলতে হবে।

    সামান্য ঝুঁকে, হাতের নতুন বাঁধনগুলো নেড়েচেড়ে দেখলেন একবার অনিন্দ্য। পাথরের মতো মজবুত হাতের গোছ। কনুই থেকে সুন্দর ডৌলে কবজি অবধি যেন কোনো ভাস্কর্য রক্তমাংসের রূপ পেয়েছে।

    তার পর ফাঁকা। কিছু নেই।

    না, ভুল বলা হল। ব্যান্ডেজ আছে। রক্তের ছোপ লাগা সাদা ঢেলার মত দুটো ব্যান্ডেজ দুই হাতে। ভোর থেকে অপারেশন চালিয়ে দুটো হাতের পাতাই পুরো বাদ দিয়ে দিতে হয়েছে। গ্যাংগ্রিন সেট করে গেছিল।

    *****

    তিনদিন পরে সুপার মৈত্রেয়ীদির ঘরে বসে ছিলেন অনিন্দ্য। ওসি সুরজিৎবাবুও ছিলেন সঙ্গে।

    “আর কিছু নোট করার মতো আছে কি ডাক্তারবাবু?”

    “নাহ! এমনি তো সব প্যারামিটার ঠিকই আছে। হেলথ স্ট্রং তো, রিকভারি ভালোই হচ্ছে। তাড়াতাড়ি সেরে উঠবে।”

    “কিন্তু নুলো হয়ে।“

    একটু নড়েচড়ে বসে অনিন্দ্য, গলার স্বরে অল্প ক্লান্তি মেশে।

    “হ্যাঁ, ওটা তো বললামই আপনাকে। কিচ্ছু করার ছিল না। দিন বারো আগে যখন ওই বেলগাছিয়ার বস্তিতে মারপিট বোমাবাজিটা হয়েছিল বললেন, তখনই চোট পেয়েছিল নির্ঘাৎ। তখনই যদি আসত, হয়তো হাত বাঁচাতে পারতাম।”

    “এদের সে বোধ থাকলে তো হয়েই গেছিল ডাক্তারবাবু! সেদিন রামাইয়ার হাতে বেধড়ক মার খেয়েছিল ও। হেরে যাচ্ছে বুঝতে পেরে পালিয়ে গেছিল স্রেফ। গা ঢাকা দিয়েছিল পার্ক সার্কাসের বস্তিতে বন্ধুর বাড়ি। আরে আমাদের কাছে সব খবর থাকে, যাবি কোথায়! ক’দিন সময় লেগে গেল খুঁজে বার করতে, কিন্তু ধরা পড়লই! আমরা হানা দিয়ে দেখি, মাল ধুম জ্বরে কোঁকাচ্ছে। হাতে ঘা ভর্তি। মাছি থিকথিক করছে। দুর্গন্ধে বমি এসে যায়!”

    “আর ৪৮ ঘন্টা ওভাবে পড়ে থাকলেই মারা যেত শিওর। আপনারা তুলে আনলেন বলে প্রাণে বেঁচে গেল অন্তত।”

    মৈত্রেয়ীদি এতক্ষণে মুখ খোলেন, “ডিসচার্জ তো তাহলে আপনিই নেবেন?”

    “হ্যাঁ, সে তো বটেই। কবে ছাড়ছেন ডাক্তারবাবু?”

    অনিন্দ্য একটু ইতস্তত করে বলল, “আরেকটা দিন একটু দেখে নিই, জানেন। কাল দুপুরে নিয়ে যান। জেলে যাবে, না জামিন? সেইমতো ওষুধ দিয়ে দেব সঙ্গে।”

    মুখ টিপে হাসলেন সুরজিৎবাবু। তারপর বললেন, “সব তো আপনাদের বলতে পারব না। তবে যা বুঝছি, ইনি এখন আউট-অফ-ফেভার। রামাইয়া এদিকের উঠতি হিরো। কাজেই, একে হাজতে ঘানি ঘোরাতেই যেতে হবে। ওহো! সেটাও তো আর পারবে না।”

    নিজের রসিকতায় নিজেই হো হো করে হেসে ওঠেন ওসি।

    *****

    একজন নার্স এবং সেই পুলিশের লোকটি পিছনেই দাঁড়িয়ে আছে সতর্ক ভাবে। প্রতাপের দুই হাতই কনুইয়ের কাছে হ্যান্ডকাফ দিয়ে আটকানো বেডের রেলিং-এ। সতর্কতার খাতিরে একটা পা-ও। তবু, বেডের পাশে দাঁড়িয়ে প্রেশার মাপার সময়ে নিজের রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যাচ্ছে টের পাচ্ছিলেন অনিন্দ্য। ঠায় তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে যে চোখজোড়া, বাঘের হলুদ চোখের নির্মম করাল দৃষ্টির সঙ্গেই একমাত্র তার তুলনা চলে।

    “এই ডাগদার? এই কুত্তি, বল না! এই ডাগদারটা তো?”

    হুংকারে নার্সটি তো বটেই, অনিন্দ্যরও হাত কেঁপে ওঠে। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে নার্সটির মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে, ভয়ে মুখ দিয়ে আওয়াজ বেরোচ্ছে না।

    বেচারি। এমন একটা জানোয়ারের কাছে ডিউটি করা যে কত চাপের তা না বোঝার মতো হৃদয়হীন ডাক্তার অনিন্দ্য বসু নন। প্রতাপের চোখে চোখ রেখে খুব ঠান্ডা গলায় তিনি বললেন, “এখানে একটাও বাজে শব্দ উচ্চারণ করবে না। নার্সদের সঙ্গে অসভ্যতা করলে এমন ইঞ্জেকশন দেব যে জীবনে আর গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোবে না। কী জানতে চাও, আমাকে বলো।”

    সটান শুয়ে থাকা শরীরটা একটুও কাঁপল না। শুধু ভারী মুখের পেশিতে হিল্লোল খেলে গেল। চোখের পাতা পড়ল না। বরং আগুন ধক-ধক করে লাফিয়ে উঠল সে চাহনি থেকে।

    “কোন বাঞ্চোৎ আমার হাত নুলো করে দিয়েছে? কার কথায়?”

    ঘাড় শক্ত হয়ে উঠল অনিন্দ্যর। চোখের পাতা না ফেলে সেও চিবিয়ে চিবিয়ে উত্তর দিল, “তোমার হাত আমি কেটে বাদ দিয়েছি। হাত না কাটলে জানে মারা যেতে সে হুঁশ আছে? রক্ত বিষিয়ে গেছিল পুরো।”

    “ঝুট!”

    চিৎকারটা যত জোরে হল, পরের কথাগুলো ততটাই আস্তে বেরোল।

    “ও দারোগার বাচ্চার সঙ্গে রামাইয়া সাঁট করেছে। আমি জানি! টাকা খেয়ে, ওকে তুলবে বলে আমার হাত কাটিয়ে দিল হারামিরা। আমি জানি।”

    “চুপ! মুখ খারাপ করতে বারণ করেছি তোমায় এখানে।“

    “তুই চুপ যা, হারামজাদা! টাকা খেয়ে আমার সর্বনাশ করলি। তোকে আমি ছাড়ব ভেবেছিস?”

    ধৈর্য ফুরিয়ে আসছিল অনিন্দ্যর। উত্তরটা স্বভাববিরুদ্ধ রুক্ষ ভঙ্গিতেই বেরিয়ে এল, “বেশ তো, ছাড়তে হবে না। যা পারিস করে নিস, আগে তো জেলের ঠেলা সামলা!”

    চুপ করে গেল লোকটা। জব্দ হয়েছে এবার। বাকি কাজ সেরে, নার্সের হাতের কাগজে সই করে বেরোতে যাচ্ছিলেন অনিন্দ্য। দোরগোড়ায় পা-টা থেমে গেল পিছন থেকে ভেসে আসা হিসহিসে সুরে বলা কথাগুলোয়।

    “হাত কেটেছিস, মাথা নয়। আজ হোক, দশ বছর পরেই হোক, তোর লাশটা আমিই ফেলব, দেখে নিস!”

    এর দু ঘন্টা পরে পুলিশের গাড়িতে ওঠা অবধি প্রতাপ আর একটা কথাও বলেনি।

    *****

    সুরজিৎবাবু’র আন্দাজ অভ্রান্ত ছিল। প্রতাপকে এবার আর কেউ জামিনে ছাড়াতে এল না। কেস কোর্টে উঠল। কয়েক মাস ধরে মামলা চলাকালীনই তার দল ভেঙে গেল। রামাইয়া বকলমে প্রোমোটার হয়ে বসল। প্রতাপের সবচেয়ে বড়ো রাজনৈতিক আশ্রয় নেতাটিও দলীয় মন কষাকষির জেরে অন্য কোনো জেলার দায়িত্ব নিয়ে কলকাতা ছাড়লেন। মোটমাট, এক গাদা ধারায় জড়িয়ে প্রতাপের শেষ অবধি ছ বছর জেল হয়ে গেল।

    কলকাতার জেলেই থাকার কথা তার। সেই মতো দমদমে নিয়েও যাওয়া হয়েছিল কোর্ট থেকে। চুপচাপ ওখানে কাটিয়েই বেরিয়ে আসতে পারত হয়তো। কিন্তু বাদ সাধল ঐ কাটা হাত জোড়া।

    একসঙ্গে লাইন দিয়ে খাবার সময়ে প্রথম-প্রথম সবাই হাঁ করে চেয়ে থাকত। তারপর শুরু হল নিজেদের মধ্যে ফিসফিসানি, এর ওর গা ঠেলে দেখানো, হাসাহাসি। ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেল খুব শিগগিরই। প্রতাপের চেনা কেউ থাকলে, বা ও যদি কথাবার্তা বলে দু চারটে দোস্ত বানিয়ে নিতে পারত, তাহলে হয়তো এগুলো কমে আসত। তার বদলে অন্য কয়েদিরা কী দেখত? একটা হুমদো চেহারার লোক রোজ ঘাড় হেঁট করে আসছে। কারো দিকে না তাকিয়ে নুলো দিয়ে বাটি ধরে কসরৎ করে খাচ্ছে। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে জবাবও দিচ্ছে না। খাওয়া কোনোমতে শেষ হলেই উঠে চলে যাচ্ছে।

    এগুলো, বাকি খুনে গুন্ডা-মস্তানদের কাছে ‘অহঙ্কার’ ছাড়া আর কী-ই বা মনে হতে পারত?

    সেদিনও প্রতাপ সবে এসে ওর নির্দিষ্ট জায়গায় বসতে যাবে। হুট করে দৌড়ে এসে বকাই সেখানে বসে গেল। সঙ্গে-সঙ্গে দূরের জটলাগুলো থেকে ভেসে এল সিটি, হাসির হররা, হাততালি।

    প্রতাপ এই প্রথম চোখ তুলে তাকাল বকাইয়ের দিকে। একটা কমবয়েসী ফচকে ছেলে। মুখে ব্রণ, চুলে পনিটেল।

    “ওয়ে ব্বে! শুভোদিষ্টি করছিস নাকি রে!”

    পঞ্চার গলায় কথাটা ভেসে আসতেই নববধূর মতো লজ্জা পাবার ভান করল বকাই গালে হাত দিয়ে। সারা ঘর জুড়ে তুমুল হাসির শোরগোল ওঠে। প্রতাপের চোয়াল শক্ত হয়ে যায়, নিঃশ্বাসের গতি বাড়ে। মুখ ফিরিয়ে অন্য কোথাও বসার জায়গা খোঁজে সে।

    “আরে নুলোকাত্তিকের তোকে পছন্দ হল না যে! মুখ ফিরিয়ে পালাচ্ছে!”

    এক ঝটকায় মুখ ফিরিয়ে গর্জে ওঠে প্রতাপ, “পরতাব পালায় না বেজন্মার দল। মুখ সামলে কথা না বললে…!”

    ঘরের বাতাস থমথমে হয়ে উঠল মুহূর্তের মধ্যে। এক-দুজন করে উঠে এসে ওকে ঘিরে দাঁড়াল বেশ কয়েকজন। তাদের চোখ, মুখ, দাঁড়ানোর ভঙ্গি— এ-সবই বলে দিচ্ছিল, এরা সবাই পুরোনো পাপী। জেল খেটে-খেটে গায়ে চড়া পড়েছে। সঙ্গে যোগ হয়েছে এই জীবনের ঘাঁৎঘোত জানা থাকার ঔদ্ধত্য। হাজার মস্তানি করলেও জেলকে এতকাল কাঁচকলা দেখিয়ে এসেছে প্রতাপ। এ-রকম বাঘবন্দি দশা হয়ে সেও কিছুটা বেকুব বোধ করছিল।

    মারটা আচমকাই শুরু হয়েছিল। নাকে ঘুষি, পিঠে লাথি— সব একসঙ্গে পড়তে থাকায় আত্মরক্ষার সহজাত প্রবৃত্তিতে হাত তুলে মুখ আড়াল করেছিল প্রতাপ। কাটা জায়গায় তীব্র ব্যথায় চমকে উঠে দেখল একটা কালো হাত সাঁ করে সরে গেল। হাতের মালিক বকাই তার ব্রণ মুখ নিয়ে বিশ্রীভাবে হাসছিল ওর চমকানো দেখে। সাপের ছোবলের মতো সে আবার হাত চালাল ওর চোখের সামনে। প্রতাপ বিস্ফারিত চোখে দেখল আঙুলের ভাঁজে লুকোনো ব্লেডের ঝলক। তারপরই পিঠে একাধিক লাথি খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে-যেতে ওই বকাইকেই গলা জাপটে ধরে নিজেকে সামলাল প্রতাপ।

    তারপর শুরু হয়েছিল চরম হুড়োহুড়ি। প্রতাপের মুখে-পিঠে-পায়ে বন্যার মতো আছড়ে পড়েছিল মার। অকথ্য গালাগালি আর চিৎকারের মধ্যে বকাইয়ের কোঁকানোর আওয়াজ কারো কানে যায়নি। অ্যালার্ম বেজে ওঠার পর পুলিশেরা দৌড়ে এসে যখন অচৈতন্য প্রতাপকে ধরে তুলল, তখন বকাইয়ের আর্তনাদে কান পাতা দায়।

    দুজনকেই হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছিল। প্রতাপের সর্বাঙ্গে কালশিটে আর কাটা দাগ। বকাইয়ের কাঁধের হাড় ডিসলোকেট হয়ে গেছিল দুই হাতের পেষণে।

    *****

    বহরমপুর জেলের ভারী দরজাটা একটু-একটু করে খুলে যাচ্ছিল। সারা রাস্তা ঝিমিয়ে বসে থাকা বন্দিটি মাথা উঁচিয়ে, চোখ খুলে দেখেছিল আশপাশ। জিপ থেকে নামার পর কন্সটেবলদের পিছু-পিছু পা টেনে চলে যাওয়ার সময় অবশ্য সে কোনোদিকে তাকায়নি।

    এ-রকম দু’হাত-কাটা অপরাধী আগে দেখেনি বিশ্বেশ্বর। কী যেন আছে লোকটার মধ্যে। প্রতিবন্ধী, চোখে চোখ রাখে না, চুপচাপ— তবু গা শিউরে ওঠে কেমন লোকটাকে দেখলে। মরুকগে! ওর কাজ শেষ। কাগজপত্র ঠিক করে গুছিয়ে নিয়ে লাফ মেরে জিপে উঠে পড়ল হাবিলদার বিশ্বেশ্বর জানা।

    মাথা নিচু রাখলেও প্রতাপের চোখ কিন্তু সবই দেখে নিচ্ছিল। চৌকো উঠোন, এক পাশে কিছু ফুলগাছ। অফিসঘর, জলের পাইপ, বেসিন। পেছনে বাগান? না, ছোট্ট সবজিক্ষেত। ওর গন্তব্য হল এদিকের প্যাসেজ পেরিয়ে ওপাশের কুঠুরিগুলোর কোনো একটা।

    এগুলো বোধহয় পুরোনো স্ট্রাকচার। মোটা মোটা দেওয়ালের গাঁথনি, নিচু ছাত। দিনের বেলাতেও প্রায় অন্ধকার। প্রায় সবই ফাঁকা পড়ে আছে। একদম শেষের দিকে একটা কুঠুরির দরজা খুলে লোকগুলো ওকে ঢুকতে বলল। পা ঘষে ঘষে ঢুকল প্রতাপ। কিছুই প্রায় চোখে পড়ে না— এমন অন্ধকার! চোখ সয়ে যাওয়ার আগেই নাকে ধক্ করে ধাক্কা মারল একটা গন্ধ। ভেজা, ছাতাপড়া, নোংরা মাটির গন্ধের সঙ্গে, ধূপধুনো আর মাছের আঁশের গন্ধ মেশালে যেমন হয়— তেমন। গা গুলিয়ে উঠল ওর। ঘাড় ফিরিয়ে দেখল, পিছনের দরজায় তালা দিয়ে চলে গেছে ওরা।

    কী একটা ভয় গ্রাস করল প্রতাপকে। প্রায় ছুটে গিয়ে পিছনদিকের দেওয়াল ঘেঁষে দাঁড়াল ও। পরিষ্কার, চুনকাম-করা সাদা আর সমান দেওয়ালের পাশে গিয়ে একটু স্বস্তি পেল। গন্ধের তীব্রতাও যেন একটু কম লাগল।

    দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতেই টের পেল প্রতাপ, জ্বর আসছে আবার। গলা শুকিয়ে কাঠ, শীত করছে, চোখের সামনে দেওয়ালগুলো কাঁপছে যেন। দেওয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে মাটিতে বসে পড়ে সে। অবসন্ন শরীরটা হেলিয়ে দেয় পিছনে।

    ঘুমিয়েই পড়েছিল। রাত্রের খাবার নিয়ে এসে ডাকল পুলিশটা। উঠে দাঁড়ানোর মতো জোর নেই বলে ঘষটে-ঘষটে এগিয়ে এল প্রতাপ। ঢকঢক করে খানিকটা জল খেয়ে ঝুঁকে পড়ে কানাতোলা সানকির দ্রব্যটায় মন দিল সে।

    “চুঃ চুঃ…!”

    উপুড় হয়ে ঝুঁকে, থালায় মুখ নামিয়ে সরাসরি খাওয়ার ভঙ্গিমাটা দেখলে কুকুর মনে হতেই পারে। ওর নিজেরও প্রতিবার নিজেকে কুত্তাই লাগে। তাই বলে শালা খানকির বাচ্চা পুলিশটার এত স্পর্ধা?

    ঝট করে মাথা তোলে প্রতাপ। মুখে-নাকে লপসি মাখা, চোখে আগুন।

    এ কী! কেউ নেই তো প্যাসেজে। কিন্তু ও যে স্পষ্ট শুনল?

    আবার সেই গন্ধটা নাকে ফিরে আসে। তারপর এক অনৈসর্গিক তীক্ষ্ণ, খসখসে গলায় চিৎকার করে ওঠে কেউ, “ওরে আয়! আয় রে আমার জীয়নকাঠি! আমি যে তোর অপেক্ষায় বসে আছি বাপ্!”

    কী ভয়ানক লালসা মেশানো গলা! কী সাংঘাতিক দাপট সেই আহ্বানে। প্রতাপের মতো কঠিন লোকেরও অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল সেটা শুনে।

    “ওরে এলি? চেয়ে দ্যাখ আমার দিকে! তোর জন্যই তো পরাণডা ধরে রাখা অ্যাদ্দিন।”

    এইবারে প্রতাপ দেখতে পায়। প্যাসেজের ওপারে, গরাদের পিছনের অন্ধকারে একজোড়া চোখ অঙ্গারের মতো জ্বলছে যেন! আস্তে-আস্তে স্পষ্ট হয়ে ওঠে তার গরাদ আঁকড়ে ধরে থাকা, শিরা-ওঠা কঙ্কালসার হাত। একটু-একটু করে প্রতাপ দেখতে পায় তার কাঁধ অবধি ঝুলে পড়া সাদা পাকানো চুল। ঢালু, টাক-পড়া কপাল, বাঁকা আর মোটা নাক— এও এবার প্রকট হয়। প্রতাপের চোখে চোখ পড়তেই একটা প্রবল উল্লাসের ক্রূর হাসি ফুটে ওঠে সেই জীবন্ত প্রেতাত্মার মুখে।

    “কে তুমি? কী চাও?” অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রশ্নটা বেরিয়ে গেল প্রতাপের মুখ দিয়ে।

    “তুই কী চাস?” নিচু স্বরে, প্রশ্ন ফিরে এল তার দিকে, “বল। যা চাইবি, তাই পেয়ে যাবি। মনে রাখিস।”

    “মানে?”

    “কী চাই তোর? বল না!”

    প্রতাপের ধন্ধ লাগে। কী চাইবে? জেল থেকে মুক্তি? টাকা পয়সা? আগের মত অবাধ ক্ষমতায় বিচরণ? নাকি… নিজের হাতের দিকে অজান্তেই চোখ চলে যায় তার।

    প্রতিশোধের বাসনাটা হু হু করে ওঠে মনের মধ্যে।

    “তাই তো? তাই-ই তো? পাবি। দিতে পারি কিন্তু!”

    প্রতাপের সব হিসেব গুলিয়ে যায়। অধীর আগ্রহে সেও এবার গরাদে মুখ ঠেকিয়ে জিজ্ঞেস করে, “তুমি পার? পারবে ঠিক করে দিতে?”

    “ঠিক হবে না। কিন্তু তুই যা চাইছিস তা হবে। নে ধর!”

    ম্যাজিকের মতো মুখ থেকে কী একটা বের করে লোকটা। ঘষষষষষ্ করে আওয়াজ তুলে সেটা গড়িয়ে আসে ওর দিকে প্যাসেজ পার করে।

    আঁকুপাঁকু দুই নুলোয় সেটা ধরে প্রতাপ। ভিতরে নিয়ে আসে খুব সাবধানে।

    একটা পাথর। ম্যাড়মেড়ে লাল, মসৃণ, ডিমের মতো শেপ।

    “ওটা খেয়ে ফ্যাল!” জলদগম্ভীর গলায় হুকুম আসে।

    “পাথর… খাব?”

    হা হা করে হেসে ওঠে লোকটা। বলে, “পাথর নয়। ও একরকম বীজ। সব প্রাণ বীজ থেকে শুরু হয় তা জানিস? মদ্দলোকে মেয়েমানুষের পেটে বীজ ফেললে তবে বাচ্চা গজায়, জানিস?”

    প্রতাপের গা শিরশির করে ভয়ে।

    “খেয়ে ফ্যাল! পুলিশগুলো এসে পড়বে এক্ষুনি! খা বলছি!”

    সম্মোহিতের মত জল দিয়ে জিনিসটা খেয়েই নেয় প্রতাপ। কিসের বীজ? জানা হল না।

    রাতের টহল দিল যখন সান্ত্রী তখন দুই কয়েদীই অঘোরে ঘুমোচ্ছে।

    *****

    পরদিন প্রতাপের ঘুম ভাঙল লোকজনের কথায়। প্যাসেজে বেশ কিছু পুলিশ আর একজন সাদা কোট পরা লোক, সম্ভবত ডাক্তার, কিছু বলছিল।

    “নাহ্! কিছু করার নেই। নিয়ে যাও।”

    সাদা কোট পরা লোকটা চলে গেল। আরো কয়েকজন পুলিশ গেল তার পিছু পিছু। প্যাসেজটা খালি হল এতক্ষণে। প্রতাপ দেখতে পেল, উলটোদিকের কুঠুরির দরজা খোলা। মাটিতে চিৎ হয়ে পড়ে আছে লোকটা, সাদা চুলগুলো এলিয়ে আছে, সম্পূর্ণ উলঙ্গ। জেলের জামাগুলো একপাশে জড়ো করা।

    “কী হল?” কাছে দাঁড়ানো পুলিশটাকে জিজ্ঞাসা করল প্রতাপ।

    “মরেছে আপদটা। ভুগছিল তো।”

    “কীসে মরল?”

    “কে জানে! বুড়ো হয়েছিল, ভুগছিল। তার ওপর অত অনাচার!”

    “অনাচার?”

    এবার প্রতাপের দিকে ভালো করে তাকায় পুলিশটা। একে আগে দেখেনি প্রতাপ।

    “অ! বাইরের মাল। তাই ভাবি, দিগেন মহান্তকে আবার কে না চেনে? বড়ো ঝাড়ফুঁকওয়ালা তান্ত্রিক ছিল তো মালটা। কত কী অখাদ্য-কুখাদ্য খেত সাধনার নামে, তার ঠিক নেই। তেমনি মেয়েখেকো ছিল। সব সমস্যার সমাধানে ঢ্যামনাটার কুমারী মেয়ে লাগত। গেঁয়ো লোকগুলোরও বলিহারি, নিজের বাড়ির মেয়েগুলোকে দিয়েও যেত!”

    “তারপর? জেল হল কেন?”

    “একটা একদম কচি মেয়েকে…! সামলাতে পারেনি মেয়েটা। মরেই গেছিল। সেই সময়েই কলকাতার একদল বাবুরা কুসংস্কার-বিরোধী প্রচারে এসেছিল। তাদের কাছে ধরা পড়ে গেল। নেহাত বুড়ো বলে ফাঁসি হয়নি।”

    অন্য পুলিশগুলো একটা চালি মতো জিনিস নিয়ে ফিরে এসেছিল ততক্ষণে। ধরাধরি করে বুড়োকে তাতে চাপানো হল। সাদা কাপড় দিয়ে শরীরটা ঢাকা হল।

    প্রতাপ চুপচাপ দেখছিল। কথাগুলো শুনে অবধি ওর গা ঘিনঘিন করছিল। আবার কাল রাত্রের কথোপকথন মনে করলে গায়ে কাঁটাও দিচ্ছিল। লোকটা শুধুই ফেরেব্বাবাজ বদমাশ ছিল কি?

    বিকেলের দিকে এক মরণপণ আর্তনাদে কেঁপে উঠল জেল চত্বর। যেন কোনো মানুষের গা থেকে জীবন্ত ছাল ছাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। আওয়াজের উৎস খুঁজে দৌড়ে এসে পুলিশেরা দেখেছিল, প্রতাপ মাটিতে পড়ে মৃগীরোগীর মত হাত পা খিঁচোচ্ছে। সে অজ্ঞান, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা উঠছে।

    তার আধঘণ্টা আগেই দিগেন মহান্তর শরীরটা চুল্লিতে ঢোকানো হয়েছিল।

    *****

    সব মিটিয়ে থানার গাড়ি তখন বেরিয়ে গেছে। যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে, বাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বোতল থেকে জল খাচ্ছিল রজত। হঠাৎ দেখল, প্রতাপ ওর দিকেই এগিয়ে আসছে।

    এ আবার কী চায়?

    “আপনি এখনো যাননি স্যার?”

    “এই যাব। তুমি এখনো এখানে কেন? বাড়ি চলে যাও!”

    “হ্যাঁ স্যার। আপনাদের অনেক মেহেরবানি স্যার। ছুটে গেলাম তাড়াতাড়ি।“

    নুলো দুটো জড়ো করে দাঁড়িয়ে রইল লোকটা, মুখ কৃতজ্ঞতায় কাঁচুমাচু। রজতের একটু মায়া-ই হয় এইবার। সদ্য জেল থেকে বেরিয়ে এরকম হুজ্জুতিতে ফেঁসে যাওয়া নেহাৎ খারাপ কপালেরই লক্ষণ!

    তবে ওর ছাড়া পাওয়াতে রজতদের কোনো কৃতিত্ব নেই। খোঁজখবর নিয়ে, অ্যাপয়েন্টমেন্টের খাতা থেকে ঠিকানা জোগাড় করে প্রতাপ সিংকে তুলে আনার সময়েই পুলিশ বুঝেছিল, এ কেস ধোপে টিকবে না। তাই হল। কোর্টে দাঁড়িয়ে প্রতাপ বারবার কসম খেয়ে বলল যে সে এই খুনের ব্যাপারে কিছু জানে না। এই ডাগদারবাবু তার প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন আর খুব যত্ন করেছিলেন, যখন সে হাসপাতালে ছিল। তাই ছাড়া পেয়ে খোঁজ করে এর কাছেই গেছিল সে— যদি কিছু নকলি হাত ব্যবস্থা করে দিতে পারেন।

    হাউমাউ করে ডাক্তারের প্রশস্তি করেছিল প্রতাপ। না-দেখা খুনির উদ্দেশে প্রচুর অভিশম্পাত দিয়েছিল। বলেছিল, ও বেরিয়ে যাওয়ার পরেই নির্ঘাত সে ঢুকেছিল। সবচেয়ে বড়ো কথাটা, জড়ো হয়ে থাকা কাটা হাতদুটোই চিৎকার করে বলে দিচ্ছিল, এ খুনি হতে পারে না!

    অজ্ঞাতপরিচয় খুনির ওপরেই দায় চাপিয়ে আপাতত কেস ক্লোজ করা হয়েছে।

    “তুমি কাল বরং হসপিটালেই যেও। আরো অনেক ডাক্তার আছেন ওখানে, ওঁরা বলে দেবেন যাতে নকল হাতের ব্যবস্থা হয়।”

    কথাটা বলেই পিছন ঘুরে বাইকের দিকে পা বাড়িয়েছিল রজত। ব্যাপারটা তখনই ঘটল। পড়ে থাকা একটা ব্যান্ডেজ না কীসের কৌটোয় পা পড়ল তার। মুখ থুবড়ে রাস্তায় পড়ছিল ও আরেকটু হলেই। তখনই পিছন থেকে দুটো বলিষ্ঠ হাত রজতকে ধরে ফেলল।

    কানের কাছে রজত স্পষ্ট শুনল ঘষা, ভারী, ধারালো গলাটা, “দেখে স্যার! দেখে চলুন!”

    টাল সামলে পিছন ফেরার আগেই রজতকে ছেড়ে দিয়ে হনহন করে এগিয়ে গেছিল প্রতাপ। গেটের কাছাকাছি গিয়ে সে একবার ফিরে তাকাল। রজতের সঙ্গে চোখাচুখি হতেই একটা ধূর্ত বিদ্রূপের হাসি ফুটে উঠল তার মুখে। তারপরই গেট পেরোনোর জন্য আরো জোরে পা চালাল সে।

    পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল রজত। সারা গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেছে তার, কপালে সারি সারি ঘামের ফোঁটা ফুটে উঠেছে। ওর দশ হাতের মধ্যে অন্য কেউ এখনও নেই, আর তখনও কেউ ছিল না।

    প্রতাপ ছাড়া!

    পড়তে পড়তে চোখের কোণে ও প্রতাপেরই কালো পাঞ্জাবি ঢাকা হাত এগিয়ে আসতে দেখেছিল। অথচ, ওর পেটের উপর ও স্পষ্ট অনুভব করেছিল দুটো হাত, হাতের পাঞ্জা, দু’হাতের দশটা আঙুল।

    পাগল হয়ে যাচ্ছে নাকি ও?

    রাস্তার ভিড়ে লম্বা-চওড়া কালো পাঞ্জাবিটা তখনো দেখা যাচ্ছিল। স্প্রিন্ট টানার মত সেদিকে দৌড়োল রজত। কী করে যেন টের পেল কালো পাঞ্জাবি। সেও বাঁদিকে ছুট মারল।

    রজতের সঙ্গে দূরত্ব কমে আসছে বুঝেই হয়তো ভিড়ের মধ্য দিয়েও রাস্তা পার করতে গেছিল প্রতাপ। দুদ্দাড় করে ছুটে আসছিল দুটো মিনিবাস। তাদের একটা স্পিড বাড়িয়ে প্রায় উড়ে চলে গেল ওর পাশ দিয়ে। অন্যটার চালক প্রাণপণে ব্রেক কষেও বাসটা থামাতে পারল না।

    ব্রেকের ব্রিশ্রী শব্দ আর তারপরেই ওঠা বিকট কোলাহল রজতের কানে গেছিল। ওদিকে এগিয়ে যেতে-যেতেই ও আন্দাজ করেছিল, ভালো কিছু দেখবে না।

    মাথাটা ফেটে ঘিলু গড়িয়ে পড়েছিল রাস্তায়। নিথর দৃষ্টি। পেটো পরতাবের ইহলোকের খেল খতম হয়ে গেছে— এটা বোঝাই যাচ্ছিল।

    পরক্ষণেই, ঘিরে দাঁড়ানো জনতার প্রত্যেকের মতোই আঁতকে উঠল রজত। ওদের সবার চোখের সামনে ধড়ফড় করে উঠল প্রতাপের মাথা থ্যাঁতলানো শরীরটা। ছিঁড়ে টুকরো-টুকরো হয়ে গিয়ে আবার জোড়া লাগল সেটা।

    পুলিশ আর সাধারণ মানুষের নার্ভের তফাত থাকেই। প্রাথমিক শকটা সামলে পায়ে-পায়ে প্রতাপের দেহের দিকে এগিয়ে গেল রজত। সে যা দেখছিল তা একেবারেই অবিশ্বাস্য! উবু হয়ে দেহের পাশে বসে পড়তে বাধ্য হল সে। রজত দেখছিল, তার সামনে রক্ত-ঘিলু মাখামাখি রাস্তায় পড়ে আছে অন্য একটা মৃতদেহ।

    তার হাত আর নুলো নয়। শরীর শুকনো দড়িপাকানো। কপালে ঢালু টাক আর কাঁধ অবধি লম্বা সাদা চুলও সেখানে স্পষ্ট। আর… তার চোখ খোলা!

    সে চোখের মণি নড়ে উঠল এবার। রজতের চোখে সটাং চোখ রাখল ওটা।

    রজত কিছু বোঝার আগেই বন্দুকের গুলির মতো কিছু একটা ছুটে এল পড়ে থাকা শরীরের মুখ থেকে। অবাক বিস্ময়ে হাঁ হয়ে থাকা তার মুখে ঢুকে গেল সেটা। ঘটনাটা এত আচমকা ঘটল যে কিছু বোঝার আগেই রজত ঢোঁক গিলে ফেলল। লিচুর বিচির মতো সাইজের কিছু একটা পিচ্ছিল, শক্ত জিনিস ওর গলা দিয়ে নেমে যাচ্ছিল। ব্যাপারটা টের পেলেও আটকাতে পারল না সে। মাথা ঘুরে পাশে ঢলে পড়ল রজত।

    মাত্র কয়েক সেকেন্ড সব স্থির হয়ে রইল। তারপর রজত উঠে বসল আস্তে-আস্তে। কেউ একজন কাঁধ ধরে ওকে উঠে বসতে সাপোর্ট দিল। আরো অনেক লোক ততক্ষণে এগিয়ে এসেছিল ওদিকে। পড়ে থাকা শরীরটাকে ঘিরে দাঁড়াচ্ছিল তারা।

    ছ’ ফুট লম্বা, পেটানো শরীর, কপালে কাটা দাগ এবং দু’ হাত কাটা অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিল প্রতাপ সিং।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিঘাত – অনীশ দেব
    Next Article বিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }