Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক একাদশ – অনুষ্টুপ শেঠ

    লেখক এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হোম-স্টে

    আহা!

    যেমন সবুজ ঘন জঙ্গল, তেমনি চোখ জুড়োনো পাহাড়ি দৃশ্য। কিছুটা হলেও, এ-বছর হিমালয়ে যেতে না পারার দুঃখ ফিকে হয়ে গেল শ্রীনাথের।

    তামিল ছেলে, বছরছয়েক ধরে মুম্বইয়ের বাসিন্দা। বয়স ত্রিশ ছুঁই-ছুঁই হলেও বিয়ে করেনি, এক্ষুনি করার কোনো ইচ্ছেও নেই। তামাটে পেটানো চেহারা, কুচিকুচি করে কাটা চুল আর চোখে চশমা। বেড়াতে ও বরাবর ভালোবাসত। সহকর্মী অনিকেতের পাল্লায় পড়ে প্রথম হিমালয়ে ট্রেক করতে যায় চার বছর আগে— ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস আর হেমকুণ্ড সাহিব। সেই যে ও হিমালয়ের প্রেমে পড়ল, তারপর আর কিছু ভালো লাগত না। পরের তিন বছরে কেদার-বদ্রী, গঙ্গোত্রী-গোমুখ আর বৈষ্ণোদেবী ট্রেক করে এসেছিল।

    এ-বছর মদমহেশ্বর যাওয়ার পুরো ব্যবস্থা করা হয়েও গেছিল। কিন্তু কপাল মন্দ। জার্নি শুরুর ঠিক দু’দিন আগে অফিস থেকে ফেরার পথে স্টেশনের সিঁড়িতে পা স্লিপ করল। অতঃপর হাসপাতালেই যেতে হল। পায়ের পাতায় মেটাটার্সাল বোন বলে কিছু থাকে তা না জেনেও দিব্যি চলে যাচ্ছিল এতকাল। কিন্তু সেগুলোর তিন নম্বরটায় সরু সুতোর মত ফ্র‍্যাকচার হলে যে এত ব্যথা হয়, সেটা আক্ষরিক অর্থেই হাড়ে-হাড়ে মালুম হল এবার। ট্রেকিঙের বদলে পায়ে প্লাস্টার বেঁধে শ্রীনাথ শুয়ে রইল পনেরো দিনের ছুটিতে।

    ওর ভাগ্য ভালো, হাড়টা ভাঙেনি। তাতেও প্লাস্টার কাটার পরও আরো মাসতিনেক ফিজিওথেরাপি করাতে হল। একটু-একটু করে শ্রীনাথ ফিরে এল হাঁটাচলা আর দৌড়োনোর রুটিনে। অফিস আর ঘরের রুটিন অসহ্য হয়ে উঠছিল। পনেরোই অগাস্টের ছুটি আর শনি-রবি জুড়ে যাচ্ছে দেখেই ও বেরিয়ে পড়ল। অনিকেত আসতে পারেনি। শ্রীনাথ একাই চলে এল মহারাষ্ট্রের এই সবচেয়ে উঁচু হিল স্টেশনে।

    মুম্বই থেকে ভোরবেলার ট্রেন ধরে সাওন্তওয়াডি পৌঁছোতে দুপুর হয়ে গেছিল। খুব খিদে পেয়েছিল। রাস্তার ধারের একটা হোটেলে থালি লাঞ্চ সেরে, একটা প্রাইভেট গাড়িতে দরদস্তুর করে উঠে পড়েছিল শ্রীনাথ। স্টেট বাস-ও যায়, কিন্তু আর সেটার জন্য দাঁড়াতে ইচ্ছে করছিল না। এ লোকটা যাবে কামটওয়াডে। আম্বোলি তার পথেই পড়বে।

    “হোটেল বুকিং ঝালা না? মানডে ছুট্টি আহে, টুরিস্ট ভরপুর য়েতিলঅ।”

    বুকিং করেনি। তবে আসার আগে গতকাল এমটিডিসিতে ফোন করে জেনে নিয়েছে তিনটে ঘর খালি আছে, এলেই পেয়ে যাবে। কাজেই লোকটাকে সংক্ষিপ্ত ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়েছিল শ্রীনাথ।

    ততদূর অবধি গাড়িতে যাওয়া হয়নি শেষ অবধি। রাস্তার দু’ধারের দৃশ্য দেখেই মনটা ফুরফুরে হয়ে উঠেছিল ওর। তারপর আম্বোলি ঘাট ওয়াটারফলস দেখে শ্রীনাথ আর থাকতে পারেনি, গাড়ি থেকে নেমেই পড়েছিল। ম্যাপ অনুযায়ী ওখান থেকে আরও তিন কিলোমিটার মতো রাস্তা যাওয়ার ছিল। ওটুকু হেঁটে মেরে দেওয়া ওর কাছে কিছুই না। তাছাড়া, এখানে তো সন্ধের পর বেরোনো সম্ভব নয়। তাই আজকের দিনের আলোটা যথাসম্ভব কাজে লাগিয়ে আশপাশটা দেখে নিতে চাইছিল শ্রীনাথ।

    না, হিমালয়ের সঙ্গে এর তুলনা চলে না। সে রাজকীয় অভিজাত হিমাদ্রীর সৌন্দর্যের চেয়ে একদম আলাদা এই শ্যামল পাহাড়ি সরল রূপ। কিন্তু এই রূপ বড়ো স্নিগ্ধ। ছবি তুলে আশ মিটছিল না। তখনই বৃষ্টি নামল হঠাৎ। ব্যাগ থেকে ওর প্রিয় নীল রেইনকোটটা বের করে মাথা-পিঠ ঢেকে এগোল শ্রীনাথ।

    কী নির্জন জায়গা! এতক্ষণে একটা বাস ওকে ওভারটেক করে যাওয়া ছাড়া আর মানুষ চোখেই পড়ল না। মনে হচ্ছিল ও অনন্তকাল এভাবে হেঁটে যেতেই পারে, ছবি তুলতে তুলতে। কিন্তু পেটের মাঝে খিদেটা মাথাচাড়া দিল বেশ কিছুক্ষণ পর। ক্যামেরাও বলে দিল, আলো কমে এসেছে। ঘড়ি দেখে চমকে উঠল শ্রীনাথ।

    দেড় ঘণ্টা ধরে সে এমন রাস্তার আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে! এবার হোটেলে যাওয়া দরকার। অন্ধকার হয়ে গেলে মুশকিল। রাস্তা হয়তো হারাবে না, কিন্তু সাপখোপ বেরোতে পারে। ক্যামেরা ব্যাগে পুরে হনহন করে পা চালায় শ্রীনাথ। এখনো অবধি হোটেলের চিহ্ন নেই, বাঁকটা ঘুরলে হয়তো চোখে পড়বে।

    ক্যাঁয়্যাঁচ্!

    জিপটা শেষ মুহূর্তে থেমে না গেলে বড়ো অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেতে পারত আজ। শ্রীনাথ তাল সামলাতে না পেরে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল বনেটের ওপর। জিপ যিনি চালাচ্ছিলেন, সেই মাঝবয়সী ভদ্রলোক ধড়মড় করে ছুটে এসে ওকে ধরে তুললেন। ভদ্রলোকের কাঁচাপাকা চুল, অল্প দাড়ি-গোঁফ, ছোটো-ছোটো ঈষৎ ছলছলে চোখ। তিনি এতবার মাফ চাইতে লাগলেন যে শ্রীনাথের লজ্জাই লাগল। উনি হর্ন দেননি সেটা যেমন ভুল, তেমনি সেও তো মনের আনন্দে রাস্তার মাঝখান দিয়ে গটগট করে হাঁটছিল! ভদ্রলোক যখন হোটেল অবধি লিফট দিতে চাইলেন, সে আর আপত্তি করেনি।

    এমটিডিসি-তে এসে মাথায় বজ্রাঘাত হল তার। একদল ইয়ং ছেলেমেয়ে আজই এসে পৌঁছেছে। ওকে পাশ কাটিয়ে আসা বাসটাতেই এসেছে। তিনটে ঘরই তাদের দখলে, আর কিছু ফাঁকা নেই। আগে এসে ঘরটা বুক করেনি বলে নিজেকেই চড় মারতে ইচ্ছে করছিল শ্রীনাথের। এখানের রিসেপশনেই বলে-কয়ে কাছের অন্য হোটেলটায় ফোন করিয়ে দেখল, সেখানেও ঘর নেই। তবে এটুকু জানা গেল যে এই রাস্তা ধরে কিছুদূর ফিরে গেলে আরেকটা ছোটো হোটেল পড়বে। বেজার মুখে ব্যাকপ্যাক ঘাড়ে ফেলে বেরিয়ে এল শ্রীনাথ।

    “নো রুম?”

    আরেহ্! ভদ্রলোক যাননি। বরং জিপ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাস্তার পাশে। চালকের আসনে বসে ওকেও উঠে আসতে বললেন ভদ্রলোক। অন্ধকারে রাস্তায় চলার হাত থেকে রেহাই মিলল ভেবে শ্রীনাথও দ্বিরুক্তি না করে বসে পড়ল পাশের সিটে।

    “সদাশিউ উসগাঁওকর। প্রাইভেট বিজনেস।” নিজে থেকেই আলাপ শুরু করলেন ভদ্রলোক।

    শ্রীনাথও নিজের পরিচয় দিয়ে বলল, “এস.এম. শ্রীনাথ। ফ্রম মুম্বই। সফটওয়্যার প্রোফেশনাল।”

    ভদ্রলোক চট করে একবার ওর দিকে তাকিয়েই ঘাড় ঘুরিয়ে নিলেন। তারপর বললেন, “ডু ওয়ান থিং। ওই হোটেলটা খুব একটা ভালো না। আপনি থাকতে পারবেন না। আর ঘর আছে কিনা তাও তো জানা নেই, লং উইকেন্ড বলে কথা। আপনি বরং আমার বাড়িতে চলুন।”

    শ্রীনাথ ইতস্তত করল। এভাবে একজন অজানা-অচেনা লোকের বাড়িতে যাওয়া কি ঠিক হবে?

    “আরে ভাই, না হয় কিছু মূল্যই ধরে দেবেন।” সহাস্যে বললেন সদাশিউ, “ওই ‘হোম স্টে’, না কি যেন বলে আজকাল? এ আমরা মাঝেমাঝেই করে থাকি। গেস্ট রুম আছে, সব ব্যবস্থা আছে, কিচ্ছু অসুবিধে হবে না। আমার গিন্নির হাতের খানা খাবেন। আপনারও লাভ, আমারও কিছু এক্সট্রা ইনকাম হবে। মন্দ কী?”

    এইবার গেটের বাইরে ভদ্রলোকের দাঁড়িয়ে থাকার কারণটা শ্রীনাথের কাছে স্পষ্ট হয়। তবে প্রস্তাবটা খারাপই বা কি? পায়ের একটু বিশ্রাম দরকার এবার। হোম স্টে ব্যবস্থা ভালোই হয় বলে শুনেছে ও। সম্মতি জানিয়ে দিল শ্রীনাথ।

    জিপটা পাকা রাস্তা ছেড়ে মেঠো পথ ধরে বেশ খানিকটা ভিতরে ঢুকেছিল। আশপাশটা দেখতে-দেখতে শ্রীনাথ ভাবছিল, এত ঘন জঙ্গলে কেন কেউ বাড়ি বানায়? যাকগে, ঘরগুলো পরিষ্কার হলেই হল। গাছের ফাঁক দিয়ে হেঁটে ভদ্রলোকের পিছু-পিছু ও যখন দাওয়ায় উঠল তখন অন্ধকার হয়ে গেছে। হয়তো তাই একতলা বাংলো বাড়িটা কেমন কালো-কালো ছোপ ধরা, মলিন আর হতশ্রী লাগছিল। ভিতরে ঢুকে আলো জ্বালালেন সদাশিউ। আলোটাও মিটমিটে, ভোল্টেজ কম নির্ঘাৎ!

    “আসুন।” হেসে বললেন সদাশিউ, “ঘর-বাথরুম সব দেখিয়ে দিই। অ্যাটাচড বাথ নয় ঠিক, তবে পাশেই। আর রাত্রে দাল, ভিন্ডি ভাজি, রোটি আর আন্ডা পুলাও বলি? মানে বুঝছেনই তো আগে জানা ছিল না তো, ঘরে যা আছে তাই..”

    নাহ্, মানতেই হবে যে ঘরটা চমৎকার। পরিষ্কার প্রিন্টেড চাদর টানটান করে পাতা রয়েছে ডাবল বেডের ওপর। পাশে চেয়ার-টেবিল। দেওয়ালে গোল আয়নার কাচ ঝকঝক করছে। এমনকি দেওয়াল-লাগোয়া কাবার্ড খুলেও ধুলোর চিহ্নমাত্র দেখতে পেল না শ্রীনাথ। ভদ্রলোকের গিন্নি বা কেয়ারটেকার যে খুবই এফিসিয়েন্ট— এ-কথা মানতেই হচ্ছে।

    দরজায় ছিটকিনি দিয়ে তার পিছনের ব্র‍্যাকেটে ভিজে রেইনকোট ঝোলাল শ্রীনাথ। পা থেকে জুতো খুলে মোজাদুটোও ওখানেও ঝোলাল। পাশের ছোটো কিন্তু পরিষ্কার বাথরুমে ফ্রেশ হল। পোশাক বদলে ঢিলে টি-শার্ট, বারমুডা, আর হাওয়াই চটি পরতেই আরাম একটা কম্বলের মতো ওকে জড়িয়ে ধরল। একবার উঁকি মেরে দেখল, বাইরের ঘরের আলো নেভানো। কিচেন কোনদিকে কে জানে। থাক, ভদ্রলোক ডাকবেন তো রান্না হলে।

    ঘরে টিভি না থাকলেও শ্রীনাথ ঘাবড়াল না। সময় কাটানোর। ব্যাগ থেকে খাতা, পেন আর সিগারেটের প্যাকেটটা বার করে দেখল অ্যাশট্রে নেই। খাতার আধখানা পাতা ছিঁড়ে ছাই ফেলার মতো একটা ব্যবস্থা হল। কোলে বালিশ নিয়ে, সিগারেট ধরিয়ে গুছিয়ে বসল শ্রীনাথ। এই রকম বেড়াতে এসে প্রতিদিনের খুঁটিনাটি খাতায় লিখে রাখা ওর অনেকদিনের অভ্যেস। পরে এই জিনিসগুলোই গুছিয়ে আর্টিকল হিসেবে লিখে একটা পত্রিকায় পাঠায় ও। লেখায় তন্ময় হয়ে গেল ও একটু পরেই।

    “এক্সকিউজ মি!”

    হুংকারের চোটে আরেকটু হলেই ও খাট থেকে পড়ে যেত। সামলে উঠে দেখল, সদাশিউ হাতে ট্রে-তে কাপ-ডিশ নিয়ে দরজা খুলে ঘরে ঢুকেছেন। ছলছলে চোখ দুটো ভীষণ ক্রুদ্ধ ভাবে চেয়ে আছে ওর দিকে।

    “স্মোকিং নট অ্যালাউড।”

    প্রত্যেকটি শব্দ কেটে কেটে, ‘নট্’-এর ওপর বিরাট জোর দিয়ে বললেন ভদ্রলোক। মেজাজ খিঁচড়ে গেল শ্রীনাথের। লেখালেখির সময় মনঃসংযোগ করতে সিগারেট ওর লাগেই। এটা কোনো কথা হল!

    “আগে বলেননি কেন?” গালাগাল দেওয়া থেকে নিজেকে অতিকষ্টে আটকাল শ্রীনাথ। তবু ওর প্রশ্ন থেকে ঝাঁঝটা কমল না।

    কোনো জবাব না দিয়ে, টেবিলে ট্রে নামিয়ে ভদ্রলোক একদম ওর সামনে এসে দাঁড়ালেন। তারপর ওকে হতচকিত করে দিয়ে হাত জোড় করে বললেন, “প্লিজ! আমাদের বাড়িতে স্মোকিং চলবে না। ওটা নেভান।”

    ভদ্রলোকের দৃষ্টি ততক্ষণে বদলে গেছিল। গলার মতো চোখেও ফুটে উঠেছিল আর্ত অনুনয় আর উদ্বেগ। একরকম বাধ্য হয়ে সিগারেট নিভিয়ে সেটা ফেলে দিল শ্রীনাথ। সদাশিউ ঝুঁকে বিছানার ওপর থেকে ওর সিগারেটের প্যাকেটটা তুলে নিলেন। সেটা দেখে রাগে ওর গা জ্বলে উঠল। দাঁতে দাঁত চেপে শ্রীনাথ ঠিক করল, কাল সকালেই ও এখান থেকে চলে যাবে। এত রাত না হয়ে গেলে আজই, এক্ষুনি যেত।

    “গলতি সে ভি না পি লে, ইস লিয়ে হটায়া। সমঝা না? বিলকুল নট অ্যালাউড, ইয়াদ রখনা।”

    যত্তসব!

    গরম মাথা ঠান্ডা করার আশায় আবার খাতা-পেন নিয়ে বসল ও। মন লাগছেই না। ক’টায় যেন শাওন্তওয়াডি ছেড়েছিল? বারোটা না সাড়ে বারোটা? ধুত্তোর! খালি খালি হাত নিশপিশ করছে। সর পড়ে যাওয়া চায়ে চুমুক দিয়ে অখাদ্য লাগল। তাছাড়া চা যেমনই হোক না কেন, তারপর সিগারেট না খেলে থাকা যায়?

    ঠকাস!

    বুকের ভেতরটা লাফিয়ে উঠেছিল। দেওয়ালে চোখ চালিয়ে একটা গাবদা টিকটিকি দেখে কিছুটা আশ্বস্ত হল। পোকা ধরার তাড়ায় দেওয়ালের একটা ছবিকে ধাক্কা মেরে বেঁকিয়ে গেছে টিকটিকিটা। তারই আওয়াজ ছিল বোধহয়। ছবি… মানে একটা পুরোনো অয়েল পেইন্টিং। এক মারাঠি বউ জবরজং সাজ করে তাকিয়ে আছে। সদাশিউয়ের গিন্নি নাকি? উঠে ছবিটা সোজা করে দিয়ে আড়মোড়া ভাঙল শ্রীনাথ। তৎক্ষণাৎ ওর ঘাড়ের লোমগুলো দাঁড়িয়ে গেল। শ্রীনাথের স্পষ্ট মনে হল, কে যেন ওকে দেখছে।

    কিন্তু বন্ধ ঘরে ওকে কে দেখবে? মাথা ঝাঁকিয়ে অনুভূতিটা কাটিয়ে দিতে চাইল শ্রীনাথ। উলটে আরো তীব্র হয়ে উঠল সেটা। জানলার কাছে গিয়ে ভালো করে চোখ চালাল। এমনকি দরজা খুলে বাইরে উঁকিও মারল একবার। কোথাও কেউ নেই! থাকবেই বা কে?

    একটা সিগারেট পেলে এইসব ভুলভাল ভাবনা কাটত।

    আরেহ্! ব্যাগে তো আরো প্যাকেট আছে। রিমোট জায়গা, যদি না পায় তাই ভেবে বেশি করে স্টক নিয়ে এসেছিল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে, ব্যাগ থেকে সিগারেট বের করে ধরাল শ্রীনাথ। তারপর লেখায় বুঁদ হয়ে গেল। সে টেরও পেল না, তার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকা একজোড়া চোখে বারদুয়েক পলক পড়ল। তারপর তেলরঙে আঁকা অধরোষ্ঠে ফুটে উঠল এক ভয়াল ক্রূর হাসি।

    খুব মন দিয়ে সফরের কথা লিখছিল শ্রীনাথ। পাশে কাগজের দোনায় ছাই ভরে উঠেছে। মেঝেতেও রয়েছে দুটো সিগারেটের ধ্বংসাবশেষ। সব আবার তুলে ফেলতে হবে খেতে ডাকার আগেই। লেখাটা হয়ে যাক। একটু না ফেনালে আবার পত্রিকার এডিটর খুঁতখুঁত করে। বাধ্য হয়ে সফরের মধ্যে এক কলেজ-পড়ুয়া মেয়েকে এনে একটা সেমি-রোমান্টিক অ্যাঙ্গল বানাচ্ছিল শ্রীনাথ। তখনই টপ করে কী একটা যেন এসে পড়ল খাতায়।

    জল? ঘাম?

    না। কালচে সবুজ কিছু। গা ঘিনঘিনে। চোখ তুলে দেখতে গিয়ে সত্যি সত্যি খাট থেকে পড়ে গেল শ্রীনাথ।

    সেই টিকটিকিটা একটা লম্বা পেরেক মতো কিছু দিয়ে সিলিং এর সঙ্গে গাঁথা রয়েছে! টপ করে আরো এক ফোঁটা রক্ত পড়ল খাতার ওপর। টিকটিকির এমন সবুজ রক্ত হয়?

    খামোকা ভয় পাচ্ছে ও! নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করল শ্রীনাথ। ওই গজাল মার্কা ব্যাপারটা আগে থেকেই নিশ্চয় সিলিঙে ছিল। টিকটিকিটা বেশি লাফঝাঁপ করতে গিয়ে কোনোভাবে তাতে গেঁথে গেছে। মাঝখান থেকে খাতাটা গেল। সদাশিউ-কে ডেকে বলতে হবে সাফ করতে, নইলে রাতে ঘুমোবে কী করে? তবে তার আগে এ-সব ছাই-ফাই সরাতে হবে।

    আরেকটা পাতা ছিঁড়ে সব কুড়িয়ে তুলতে-তুলতে আবার সেই অস্বস্তির শিহরণ টের পেল শ্রীনাথ। ঝট করে উঠে দাঁড়াতেই ওর শরীর কেঁপে উঠল। ঝরঝর করে হাত থেকে পড়ে গেল এতক্ষণ কষ্ট করে জড়ো করা সিগারেট ও ছাই।

    কাচের জানলার ঠিক ওপারে দাঁড়িয়ে আছেন সদাশিউ উসগাঁওকর। কাঁচে মুখটা প্রায় ঠেকানো, ঘরের ঢিমে আলোয় লালচে মুখটা হিংস্রভাবে বেঁকে আছে। দু’ চোখে জ্বলন্ত ঘৃণা নিয়ে সটাং চেয়ে আছেন ভদ্রলোক শ্রীনাথের দিকে।

    শ্রীনাথ মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখল, সদাশিউয়ের ক্রোধে বিকৃত মুখ হাঁ হল চেঁচানোর জন্য। পাশ থেকে তাঁর ডান হাতটাও উঠে এল উপরে।

    গলা দিয়ে উঠে আসা আর্তনাদটা গিলে ফেলে এক দৌড় মারল শ্রীনাথ। ঘর থেকে বেরিয়ে, হল পেরিয়ে, কোনোরকমে বাইরের দরজা খুলে সোজা জঙ্গলের মধ্যে এলোপাথাড়ি দৌড়ল ও। সদর দরজা পেরোনোর সময় ও শুনতে পেয়েছিল পিছনে জানলার কাঁচ ঝনঝন করে ভেঙে পড়ার আওয়াজ।

    উদ্যত হাতটায় একটা প্রমাণ সাইজের ঝকঝকে কুঠার ছিল।

    এ-রকম রুদ্ধশ্বাস দৌড় জীবনে কখনো দৌড়য়নি শ্রীনাথ। পথে একবার বেকায়দায় পা পড়ায় আগের ভাঙা জায়গাটা চিড়িক দিয়ে উঠেছিল, গ্রাহ্যই করেনি। এমনকি দূরে একটা আলো দেখার পরও স্পিড কমায়নি ও। বরং ফুরিয়ে আসা দম একত্র করে আরো জোরে ছুটতে চেষ্টা করেছিল। কাছে আসার পর দেখতে পেয়েছিল, সাদা রঙের দোতলা কটেজ স্টাইলের একটা বাড়ির কাছে এসে পড়েছে ও। উজ্জ্বল আলো জ্বলছে গেটের পাশে, নাম পড়া যাচ্ছে দূর থেকেও— ডিভাইন ফরেস্ট লজ। সেই অন্য হোটেলটা নিশ্চয়।

    কোনরকমে শেষ ক’টা কদম শরীরকে প্রায় টেনে এনে দরজায় ধাক্কা দেয় শ্রীনাথ।

    খোলাই ছিল দরজা। রিসেপশনে কেউ ছিল না। চারদিকের ডেকোরেশন দেখতে-দেখতে একটু যখন দম ফিরে এসেছে ওর, তখনই ভদ্রমহিলা এলেন। মুখটা আলগা লাবণ্যে বেশ শ্রীময়ী। পরিপাটি শাড়িতে সর্বাঙ্গ ঢাকা। স্পষ্ট ইংলিশ উচ্চারণ, চোস্ত হিন্দি। ওকে প্রথমে দেখে চমকে গেছিলেন মহিলা। কিন্তু ওর কিছুটা এলোমেলো ভাবে বলা কথাগুলো শুনে মহিলার চোখে একেবারে নিখাদ দুশ্চিন্তা আর সহানুভূতি ফুটে উঠল। ওকে সোফায় বসতে বলে মহিলা এক গ্লাস জল এনে দিলেন। তারপর ডেস্কের পেছনের সিটে বসে বললেন, “আজ রাতটা এখানেই থাকুন। স্পেয়ার রুম আছে একটা, আমি ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। খুব জোর বেঁচে ফিরেছেন আজ।”

    “সে আর বলতে!” উদ্ভ্রান্তের মতো বলল শ্রীনাথ, “যা পাগলের পাল্লায় পড়েছিলাম!”

    মহিলা মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিয়ে আগের চেয়েও ধীর গলায় বললেন, “পাগল নয়। সত্যিই একটা হোম স্টে ছিল ওইদিকে বছরপাঁচেক আগে অবধিও। স্বামী-স্ত্রী মিলে চালাতেন। সুনামই ছিল। তারপর, একদল ছেলে এসেছিল বেড়াতে। তখন সবে সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো আসছে পুনেয়। সেখানেই চাকরি করত তারা।”

    বলতে বলতেই আরও কিছুটা জল এগিয়ে দেন মহিলা। ঢকঢক করে গ্লাস খালি করল শ্রীনাথ। তারপর বলল, “তারপর?”

    “তারপর এক রাত্রে বাড়ি পুড়ে ছাই। ভাঙাচোরা স্ট্রাকচার এখনো আছে। ছেলেছোকরার দল! এন্তার সিগারেট খাচ্ছিল, তাদেরই কেউ অসাবধানে ছুঁড়ে ফেলেছিল হবে সোফায় বা বিছানায়। আগুন একবার ধরলে আর ছড়াতে কতক্ষণ! ভদ্রলোক বাইরে গেছিলেন একটু জিনিসপত্র আনতে, এসে দেখেন গোটা বাড়ি দাউদাউ জ্বলছে। ছেলেগুলো কোনরকমে জানলা ভেঙে বেরিয়ে এসেছিল। কিন্তু ভদ্রলোকের স্ত্রী কিচেন থেকে প্রথমে কিছুই টের পাননি। যখন পেলেন তখন খুব দেরি হয়ে গেছে।”

    “মানে, বাঁচেননি?”

    “সেভেনটি পারসেন্ট বার্ন নিয়ে কেউ বাঁচে?”

    “ওহো!” সত্যিই দুঃখিত হয় শ্রীনাথ, “সেই শোকেই কি ভদ্রলোক পাগল হয়ে গেছেন?”

    ভদ্রমহিলা ফিরে তাকান ওর দিকে। তাঁর দু’চোখ জ্বলে ওঠে উত্তেজনায়।

    “বলছি না, পাগল নয়! বউ মারা যাবার দেড় মাসের মাথায় বিষ খেয়ে সুইসাইড করেছিল। জায়গাটা বেওয়ারিশ পড়ে আছে সেই থেকে।”

    শ্রীনাথের হতভম্ব লাগছিল। মাথা ঘুরছিল। এ-সব কী শুনছে সে? আজ কার সঙ্গে গাড়ি করে এল ও, তাহলে?

    “চলুন। আপনার ঘরটা দেখিয়ে দিই।”

    সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে করিডোরের শেষ প্রান্তে নিয়ে যান মহিলা। ঘরে ঢুকে আলো জ্বেলে বলেন, “ওই টেবিলে জলের বোতল আছে দেখবেন। আর এই অ্যাটাচড বাথ। আমি যাই এবার।”

    হ্যাঁ, এই হল একটা ঠিকঠাক হোটেল! বিছানার পরিপাটি সাদা চাদর, দেওয়ালের ঝকঝকে আয়াতাকার আয়নার দিকে সপ্রশংস হয়ে তাকিয়েছিল শ্রীনাথ। মহিলার কথায় সম্বিত পেয়ে ঘুরে দাঁড়াল ও। এক লহমার জন্য বন্ধ হতে থাকা দরজার ফাঁক দিয়ে ওর চোখে পড়ল, মহিলার গায়ে আর আঁচল মুড়ি নেই। গলার নীচ থেকে ব্লাউজের লাইন অবধি অনাবৃত অংশের চামড়া কেমন কালো, কুঁচকোনো। যেন দগদগে পোড়া চামড়া!

    চমক কাটার আগেই দরজাটা ক্লিক করে বন্ধ হয়ে যায় পুরোপুরি। সেই মুহূর্তেই শ্রীনাথের সারা শরীর জুড়ে হিমস্রোত খেলে গেল। ওর মনে হল, ওর পা দুটো কেউ যেন পেরেক দিয়েই গেঁথে ফেলেছে মাটিতে।

    নতুন হোটেলের এই ঘরের বন্ধ দরজার পিছনের ব্র‍্যাকেটে ওর খুব পরিচিত একটা নীল রেইনকোট আর একজোড়া মোজা ঝুলছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিঘাত – অনীশ দেব
    Next Article বিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }