Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প466 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নজরদার – কৌশিক মজুমদার

    নজরদার

    আমার একেবারে স্পষ্ট মনে আছে প্রথম কবে আমি সেই লোকটাকে দেখেছিলাম। ছোটো করে কাটা বাটিছাঁট চুল, প্রায় ন্যাড়ামাথা বললেই চলে। একটা চোখ ফুলে প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছে। অন্যটা খোলা। টকটকে লাল। মুখে অদ্ভুত একটা কষ্টের ছাপ। লোকটা সোজা আমার দিকে তাকিয়েছিল।

    তখন আমি সবে ক্লাস সেভেনে উঠেছি। বাবার বদলির চাকরি। নতুন মিশনারি স্কুল। ইংলিশ মিডিয়াম। সবকিছুতে বড্ড কড়াকড়ি। স্কুলের মধ্যে ইংরাজি ছাড়া বাংলায় কথা বলা যেত না। বললেই মনিটর কোথা থেকে যেন উদয় হয়ে হাতে এসে একটা কার্ড ধরিয়ে যেত। এবার যার যার হাতে সেই কার্ড থাকবে তাদের কাজ আরও একজনকে খুঁজে বার করা, যে বেচারা ভুলে একবার বাংলায় কথা বলে ফেলেছে। আমাদের ক্লাসটিচার ছিলেন মিস ইলিয়ানা ডিমেলো। বছর তিরিশেক বয়স। অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। বিয়ে হয়নি। পরে জেনেছিলাম ডিভোর্সি। আমাদের ইংরাজি ক্লাস নিতেন। পান থেকে চুন খসলেই সপাং করে বেতের বাড়ি পড়ত হাতের তালুতে। ইস্কুলে বাংলায় কথা বলা তাঁর বিলকুল নাপসন্দ। নিজে খুব অ্যাকসেন্ট দিয়ে ইংরাজি বলতেন। আমাদেরও বলতে বাধ্য করতেন। ক্লাসে এই কার্ডের নিয়ম ওঁরই করা। প্রথম প্রথম আমরা খুব একটা গুরুত্ব দিইনি। দিব্যি বাংলায় কথা বলতাম। তারপর একদিন দিগন্ত মার খেল। এমনিতে হাসিখুশি, গোটা ক্লাসকে মাতিয়ে রাখে। সেদিন ইয়ার্কি মেরে ক্লাস মনিটরকে “ডিমেলো’স ডিয়ার” বলেছিল। মনিটর অনির্বাণ দেখতে শান্ত, কিন্তু রাতদিন ম্যাডামকে তেল মেরে চলে। সে প্রায় জোর করেই ওর হাতে কার্ড ধরিয়ে দিল। ম্যাডাম ক্লাসে ঢুকতেই পাশে গিয়ে ফিসফিস করে কী বলল জানি না, ম্যাডাম দিগন্তকে ডেকে নিলেন। ঠাস করে চড় পড়ল তার গালে। তারপর দিগন্ত কিছু বলার আগেই ওর গায়ে একের পর এক আছড়ে পড়ল বেত। দিগন্ত মাটিতে শুয়ে ফোঁপাচ্ছিল। ও জানে ওর বেলায় কোনও গার্জিয়ান কল হবে না। হলেও ওর বাবা মা আসবেন না। দুজনেই আলাদা আলাদা ভাবে নিজেদের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। ডিভোর্স শব্দটা ও আমাদের অনেক আগে জেনেছিল। ম্যাডামের বেত থামতেই চাইছিল না। দিগন্ত এবার চিৎকার করছে, “আর করব না ম্যাডাম। প্লিজ পার্ডন মি” বলে। ম্যাডামের মাথায় যেন খুন চেপেছে। আমি ছিলাম থার্ড বেঞ্চের কোনায়। কী যেন হয়ে গেল মাথায়, আমি দৌড়ে গিয়ে দিগন্তকে তুলতে গেলাম। ডান হাতে তীব্র জ্বালা। বুঝলাম দিগন্তকে ছেড়ে ম্যাডাম এবার আমায় নিয়ে পড়েছেন। “হোয়াট ডু ইয়ু থিংক অফ ইয়োরসলেফ? আ সেভিয়ার?” বলে আরও দুটো বেতের বাড়ি পড়ল গায়ে। কঁকিয়ে উঠে দরজার দিকে তাকাতেই প্রথমবার লোকটাকে দেখতে পেয়েছিলাম। স্থির দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে। দরজা বন্ধ। কিন্তু প্রিন্সিপাল যাতে দেখতে পান ক্লাস কেমন চলছে তার জন্য দরজায় একটা খোপ কাটা থাকে। তাতে কাচ লাগানো। সেই কাচের মধ্যে দিয়ে লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। মুখে অদ্ভুত একটা হাসি। একবার মনে হল ও বুঝি আমায় বাঁচাবে। কিন্তু না। যেন মজা পাচ্ছে এইভাবে দেখে যাচ্ছিল লোকটা। ম্যাডামের পরের বেতটা গায়ে পড়ার ঠিক আগে আমি হাতের মুঠোয় বেতটা চেপে ধরলাম।

    গার্জেন কল হল। আমার। হেডমিস্ট্রেস মিসেস আলপনা ডিক্রুজ আবেগহীনভাবে বাবাকে বলে যাচ্ছিলেন, ঠিক কীভাবে আমি আচমকা মিস ডিমেলোকে আক্রমণ করি। মিস ডিমেলোর গালে লাল দগদগে বেতের ঘা তখনও স্পষ্ট। তিনি একপাশে বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন। বিচারসভা প্রায় শেষ। ক্লাসের সবাই আমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে। দিগন্তও। আমাকে এই স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। বাবা অনেকবার অনুরোধ করলেন হেডমিস্ট্রেসকে। তিনি অনড়।

    “কিছু মনে করবেন না মি. বোস, এই ধরনের ঘটনা খুব ব্যাড প্রিসিডেন্স তৈরি করে। একজন ছাত্রকে যদি আমরা ইগনোর করি, কাল সবাই পেয়ে বসবে। তখন স্কুলের ডিসিপ্লিন রাখা মুশকিল হয়ে যাবে। আমাদেরকেও তো স্কুলের কমিটির কাছে, সেক্রেটারির কাছে কৈফিয়ত দিতে হয়। ছাত্রদের তৈরি করতে মাঝেমধ্যে একটু মারধর আমরা করি। সেটা ওদের ভালোর জন্যেই। কিন্তু তা বলে ক্লাসটিচারকে এভাবে… যাই হোক। আপনার ছেলেকে রাস্টিকেট করছি। তবে হ্যাঁ, ওর ফিউচারের কথা ভেবে ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের ক্যারেক্টার অপশানে ‘গুড’ লিখলাম। না হলে জীবনে অন্য কোনও স্কুলে চান্স পাবে না।”

    বাড়ি ফিরে বাবা একটা কথাও বলেনি। আমার মা নেই। মা বছর দু-এক হল সুবীরকাকুর সঙ্গে চলে গেছে। রেলের এই কোয়ার্টারে আমি আর বাবা থাকি। রান্না আর ঘরের কাজের জন্য কাননদি আসে সকালবেলায়। এই আধা শহরে আমার কোনও বন্ধু নেই।

    বাড়ির কাছেই বিবেকানন্দ বিদ্যাভবনে ভরতি করে দেওয়া হল আমার। বছরের মাঝখানে অন্য কোনও স্কুল আর ভরতি নিতে চাইছিল না। এই স্কুলটার খুব বদনাম। এলাকার যত ওঁচা ছেলের ভিড়। মিশনারি স্কুল থেকে এখানে এসে প্রথমে একটা ধাক্কা, তারপর বেশ মজাই লাগল। নিয়মিত ক্লাসের বালাই নেই। অফ পিরিয়ড যখন তখন। ছেলেরা ইচ্ছেমতো এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায়। শিক্ষকরা অনিয়মিত। ক্লাসে এসেই জানিয়ে দেন তিনি কোথায় কোথায় প্রাইভেটে পড়ান। এই স্কুলে এসে আমার বেশ কিছু বন্ধু জুটল। ভোলা বলে একটা ছেলে ছিল। বিহারি। ভালো বাংলা বলতে পারত। কাছেই বস্তিতে ওদের বাড়ি। ক্লাস সেভেনের জীবনবিজ্ঞান বইতে কোশ অধ্যায়ের মাইটোকন্ড্রিয়ার ‘টোকন্ড্রিয়া’ চেপে ধরে একদিন বলল, “বল দেখি এটার মানে কী?”

    ভোলার হাত ধরে আমার প্রথম বড়ো হওয়া। ভোলা খুব খিস্তি দিত। আমি প্রথম প্রথম লজ্জা পেতাম। ভোলা প্রায় টিচারের মতো আমাকে গালি শেখাত। বলত গালি না দিলে আমাকে ওদের দল থেকে তাড়িয়ে দেবে। ওদের একটা দল ছিল। সাইকেল চেপে ঘুরে বেড়াত। মেয়েদের দেখলে আওয়াজ দিত। আমিও ভিড়ে গেলাম ওদের দলে। একদিন ইস্কুলফেরতা ভোলা একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলল। ফাঁকা রাস্তা দিয়ে ঘাড় গুঁজে একটা মেয়ে হাঁটছিল। ভোলা তার পাশ দিয়ে জোরে সাইকেল চালিয়ে যেতে যেতে আচমকা এক খাবলে টেনে নিল তাঁর ওড়না। মেয়েটা চিল চিৎকার করে মাটিতে বসে পড়ল সঙ্গে সঙ্গে। আমরা আরও চারজন ছিলাম। মেয়েটাকে ঘিরে সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম। ভোলা তখন হ্যা হ্যা করে হাসছে। মেয়েটা পায়ের কাছে কুঁকড়ে বসে রয়েছে। আমারও বেজায় হাসি পেল। কিন্তু হাসতে গিয়েই আমি আবার সেই লোকটাকে দেখতে পেলাম। পাশেই একটা গাছের তলায়। পরনের শার্টের দুটো বোতাম আছে। বাকিগুলো নেই। জিন্সের প্যান্টের পকেটে হাত রেখে লোকটা আবার আমার দিকেই তাকিয়ে ছিল। ওকে প্রায় ভুলেই গেছিলাম। ভেবেছিলাম চোখের ভুল। আমি চাপা গলায় ভোলাকে বললাম, “ভোলা শিগগির পালা, লোক আসছে।” পড়িমড়ি করে সাইকেল চালিয়ে রাস্তার শেষে গিয়ে সবাই পিছন ফিরে দেখি রাস্তায় কেউ নেই। মেয়েটা শুধু চোখ মুছতে মুছতে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। ভোলা জ্বলন্ত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে একটা খিস্তি মেরে বলল, “লোক কোথায় বে? ভালোই মুরগি বানালি!”

    আমি যে বখে যাচ্ছিলাম, সেটা দিব্যি বুঝতে পারছিলাম আমি। পড়াশুনোয় মন নেই। বন্ধুদের কাছ থেকে নিয়ে এসে পানু বই পড়ি। “সচিত্র রঙিন প্রজাপতি” বা “উম্মাদ যৌবন”। বাড়িতে সিডি প্লেয়ার ছিল। বাবা না থাকলেই বন্ধুরা সিডি নিয়ে আসত। পানু ছবির। ওরা বলত “ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল”। মাঝে মাঝে স্কুলেই জিজ্ঞেস করত, “কি রে আবার তোদের বাড়ি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল কবে হবে?” জীবনে প্রথমবার নিজেকে কেউকেটা মনে হতে লাগল। ক্লাস নাইন থেকে টেনে উঠতে তিন সাবজেক্টে ফেল করলাম। বাবাকে জানালাম না। জানিয়েই বা কী হত! বাবাও বদলে যাচ্ছিল ধীরে ধীরে। মদ খাওয়া ধরেছিল। খুব নেশা চড়ে গেলে আমাকে বেল্ট খুলে পেটাত। আমি মুখ বুজে থাকতাম।

    আমি প্রায়ই লোকটাকে দেখতে পেতাম। কিন্তু শুধু আমিই। তাই একসময় মনে হল আমার চোখের ভুল। আমি ছাড়া কেউ ওকে দেখতে পায় না বোধহয় সেবার ভোলা কোথা থেকে একটা দামি মোবাইল কিনে নিয়ে এল। ক্যামেরা লাগানো। ছবি তোলা যায়। ভিডিও দেখা যায়। গান শোনা যায়। ভোলা আমার একটা ছবি তুলে স্ক্রিনে চোখ রেখেই কেমন যেন ভেবলে গেল, “আরেহ! তোর পিছনে এটা কার ছবি?” চোখ তুলে দেখতে চাইল। কিন্তু কেউ নেই। আমিও দেখলাম। সেই লোকটা। বেশ দূরে দাঁড়িয়ে। কিন্তু স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। গায়ের জামা, পরনের জিন্সের প্যান্ট একেবারে প্রথম দিনের মতো। আমার থেকে হাত দশেক দূরে দাঁড়িয়ে আছে লোকটা। পকেটে হাত। সোজা ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে। ভোলাকে সেদিন কিচ্ছু বলিনি। মনে মনে কোথাও একটা নিশ্চিত্ত হয়েছিলাম। যাক! তাহলে আমার মনের ভুল না।

    ক্লাস টেনের টেস্টে ফেল করতেই আমি আর বাবা দুজনেই বুঝে গেলাম আমার দ্বারা আর পড়াশুনো হবে না। কিন্তু বাবা আজকাল আমায় আর বকত মারত না। একদিন ইস্কুলে তাড়াতাড়ি ছুটি। ভোলারা গেছিল কোথায় একটা মাছ ধরতে। বাড়ি ফিরে দেখি তালা খোলা। এই সময় বাবার বাড়ি ফেরার কথা না। নিঃশব্দে ঘরে ঢুকতেই বুঝলাম কিছু গণ্ডগোল। বাবার শোবার ঘর থেকে অদ্ভুত আওয়াজ ভেসে আসছে। দরজা খোলা। সামনেই টিভিতে একটা রগরগে সিনেমা চলছে। আমরা আগের হপ্তাতেই ফিল্ম ফেয়ার পার্টিতে দেখেছিলাম। খাটে বাবা আর কাননদি। আমি যে ঘরে ঢুকেছি টের পায়নি একদম। শঙ্খলাগা সাপের মতো জড়িয়ে আছে একে অপরকে। আমি কিচ্ছু না বলে চুপটি করে খাটের পায়ের কাছে বসে টিভিতে সিনেমা দেখতে থাকলাম। খানিক বাদে আমার উপরে চোখ পড়াতে কাননদি চিৎকার করে উঠল

    তারপর থেকে বাবার সঙ্গে আমার কথা হত শুধু টাকা দেওয়া নেওয়ার। নতুন মোবাইল কিনলাম। বেশ কটা সেলফি তুলে দেখলাম প্রতিটাতেই লোকটা আমার সঙ্গে আছে। আমার পিছনে। তবে এবার আরও কাছে। মোবাইলে জুম করে দেখলাম। যদি চেনা যায়। চিনলাম না। কিন্তু একেবারে অচেনাও না। কোথাও যেন দেখেছি। দুই একজন বন্ধুকে দেখিয়েছিলাম। তারা কেউ চেনেনি।

    প্রতিশোধ এমন জিনিস যা যত দেরিতে করা যায়, স্বাদ তত বাড়ে। আমাদের দলে ছেনো বলে একটা ছেলে ছিল। জিম করা চেহারা। দেবতার মতো দেখতে। বড়োলোকের এক ছেলে। ওই বয়সেই খারাপ পাড়ায় যেত। ঘুরে এসে পরদিন রসিয়ে গল্প করত আমাদের। ওর মুখেই শুনেছিলাম আমাদের এই আধা শহরের অনেক ভদ্রঘরের মহিলাও নাকি এই ব্যবসায় নেমেছে। চুপিচুপি। কেউ পয়সার লোভে, কেউ শরীরের প্রয়োজনে। বলেই আমাকে মোবাইলে একটা ভিডিও দেখাল। এ আমার বড়ো চেনা দৃশ্য। কিন্তু মজার ব্যাপার, এই প্রথম পর্দার পুরুষ আর নারী, দুইজনকেই আমি চিনি। ছেলেটা ছেনো আর মহিলাও আমার চেনা। সেই রাতেই ছেনোর সঙ্গে গেলাম আমি। না গেলে হত না। বেল টিপতেই জা খুলে দিলেন ইলিয়ানা ডিমেলো। আমায় দেখেই চমকে উঠলেন। আর যাকেই ভুলুন আমায় যে তিনি ভুলবেন না, তা আমি নিশ্চিত জানতাম। খুব স্বাভাবিকভাবেই তিনি প্রথমে রাজি হচ্ছিলেন না। ছেনোর সেই ভিডিওটায় কাজ দিল। মিশনারি স্কুলের দিদিমণির এই ভিডিও বাইরে বেরোলে কী হতে পারে স্টো খুব ভালো জানেন তিনি। বারবার করে বোঝাতে চাইলেন আমাকে। পায়ে ধরলেন। আমি অনড়। ঠিক হল আমি আর ম্যাডাম প্রথমে খাটে যাব। ছেনো ভিডিও তুলবে।

    তারপর আমার কিচ্ছু মনে নেই। যখন খেয়াল হল, ছেনো আমাকে প্ৰাণপণে ম্যাডামের দেহ থেকে সরাতে চাইছে আর আমার হাতের আঙুলগুলো সাঁড়াশির মতো চেপে আছে ম্যাডামের গলা। ম্যাডামের চোখ দুটো বিস্ফারিত। লাল, যেন ঠিকরে বেরোতে চাইছে। জিভ বেরিয়ে আছে গোটাটা। প্রাণ নেই। গোটা ঘটনার ভিডিও তোলা ছিল। পুলিশের নতুন কোনও প্রমাণ লাগল না। তবু লক আপে ঢুকিয়ে রুলের বাড়ি মেরে পুলিশ বারবার জানতে চেয়েছিল ঘরে খাটের ধারে আমার একদম পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটা কে? আমি বলতে পারিনি। ছেনোও না। ছেনোর বাবা ছেনোকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেল। আমার উকিল কোর্টে প্রমাণ করল অনিচ্ছাকৃত খুন। তার উপরে আমি অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাই ফাঁসি হল না। পাঁচ বছরের জেল হল জুভেনাইল কোর্টে।

    জেলে ওই লোকটার সঙ্গে দেখা হত প্রায়ই। কথা বলত না। আমার পাশে পাশে ঘুরত। আমি কথা বললে উত্তর দিত না। শুধু নির্বাক তাকিয়ে থাকত মুখের দিকে। বছরখানেক আগে আচমকা লোকটা হারিয়ে গেল। আমি ওকে খুঁজতাম ঠান্ডা গারদঘরে, ক্যান্টিনে, ফলের বাগানের পাশে মাটি খোঁড়ার সময়… লোকটা ভ্যানিশ হয়ে গেছে। ঠিক যেমনভাবে লোকটা হঠাৎ এসেছিল, তেমন হঠাৎ করেই হারিয়ে গেল।

    আমি ছাড়া পেলাম। রেল কোয়ার্টারে গিয়ে শুনি বাবা অনেকদিন হল সেখানে নেই। ট্রান্সফার হয়ে গেছে হায়দ্রাবাদে। একদিন রাতে তল্পিতল্পা গুটিয়ে চলে গেছে কাউকে না জানিয়ে। পরদিন থেকে কাননদিও বেপাত্তা। কাননদির বর এসে বেজায় চিৎকার চেঁচামেচি করেছিল। কোনও লাভ হয়নি। আমাদের পুরোনো আড্ডার দিকে পা বাড়ালাম। সব নতুন নতুন ছেলে। রকে বসে আড্ডা দিচ্ছে। সামনে একটা বাইক এসে থামল। বুলেট। তারপর আর একটা। তারপর আরও একটা। এবার চিনতে পারলাম। ছেনো, ভোলা আর ওদের দলবল। আমাকে দেখেই ছেনো বলে উঠল, “হারামিটা এসেছে রে! এই বাঞ্চতটার জন্য আমাকে রুলে বাড়ি খেতে হয়েছিল।” ভোলা খুব ঠান্ডা গলায় বলল, “তুই এই জায়গা থেকে চলে যা। এক্ষুনি।”

    আমার রোখ চেপে গেল। কেন যাব আমি? আমার কি একার দোষ? দিনের পর দিন ওরাই তো আমাকে এই পথে টেনেছে। এখন ভালো সাজলে হবে! জেলের অভিজ্ঞতা আমাকেও শক্ত করেছিল এতদিনে। আমিও হিসহিসিয়ে বললাম, “আমি যাব না। কোথাও না। যা করার করে নে।”

    ছেনো আর একটাও কথা বলল না। গাড়ি থেকে নেমে সোজা মুখ বরাবর ঘুসি চালিয়ে দিল। মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই এক লাথি। তারপর গাড়িতে চেপে থাকা সবাই একে একে নেমে এল…

    একটা ভ্যানে করে কয়েকজন আমাকে নিয়ে গেল হাসপাতালে। সারা শরীর ব্যথায় ফেটে যাচ্ছে। কপাল থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে। ডাক্তার একটা চেয়ারে আমায় বসিয়ে দিলেন। মাথায় স্টিচ করতে হবে। সামনে আয়নায় তাকিয়েই আমি চমকে উঠলাম। আয়নায় আর আমি নেই। আছে ওই লোকটা। এক ও অদ্বিতীয়। ছোটো করে কাটা বাটিছাঁট চুল, প্রায় ন্যাড়ামাথা বললেই চলে। একটা চোখ ফুলে প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছে। অন্যটা খোলা। টকটকে লাল। মুখে অদ্ভুত একটা কষ্টের ছাপ। লোকটা সোজা আমার দিকে তাকিয়েছিল…

    .

    লেখকের জবানি— বাংলাদেশের সেরা সব লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত অতীন্দ্রিয় নামের গল্পসংকলনে কীভাবে যেন এটা স্থান পেয়ে গেছিল। সম্পাদক প্রান্ত ঘোষ দস্তিদার আর সালমান হক। ডপেলগ্যাঙ্গার নিয়ে সত্যজিতের রতনবাবু আর সেই লোকটা আজ অবধি ভুলিনি। এখানেও সেই কনসেপ্টটাই নিয়ে এসেছি। একটু অন্যভাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }