Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প466 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জন্মদিন – কৌশিক মজুমদার

    জন্মদিন

    ১৪ নভেম্বর ১৯৮০

    আজ জিতুর নবম জন্মদিন হতে পারত।

    আমরা ওর আটটা জন্মদিন পালন করেছিলাম, প্রতিটাই প্রায় উৎসবের মতো, আত্মীয় বন্ধুরা সবাই উপস্থিত হয়েছিল এক ছাদের তলায়। এমনটা আর কোনও দিনও হবে না।

    জিতু আর নেই!

    ও গত ১৪ অক্টোবর মেনিনজাইটিসে চলে গেছে। কিন্তু আমরা সেই অভিশপ্ত দিনের এগারো মাস আগেই জেনে গেছিলাম এমনটা হতে চলেছে। ওর মা তখন বিশ্বাস করেনি। তবে আমি বুঝেছিলাম একে এড়ানো অসম্ভব।

    কারও মৃত্যু হবার আগেই মৃত্যুদিন জেনে গেলে স্বজন হারানোর বেদনা বিন্দুমাত্র কমে না। বলুন দেখি, কীভাবে মা বাবা তাদের সন্তানের মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেবে? তাদের আট বছরের আদরের ছোট্ট সন্তানের মৃত্যুর?

    এগারো মাস আগেও ওর এই মৃত্যু যেন অলীক কল্পনা মনে হচ্ছিল, যদিও আমি জানতাম সেটাই ভবিতব্য। তারপরেও আমরা কেউই এই কথা মুখে উচ্চারণ করার সাহস পর্যন্ত পাইনি।

    ১৪ নভেম্বর ১৯৭৯

    জিতুর অষ্টম জন্মদিন।

    সেদিন শিশুদিবস। তাই আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে আমরা কাছের আশ্রমের কিছু অনাথ শিশুকেও নেমতন্ন করেছিলাম। সন্ধে ছটা নাগাদ জনা পঞ্চাশ অনাথ শিশু এসে উপস্থিত হল। সঙ্গে এক বয়স্ক ভদ্রলোক। বেশিরভাগ শিশুই সাপ শর্ট আর সামান্য কোঁচকানো খাকিরঙা হাফপ্যান্ট পরে এসেছিল। আমি অবাক হয়ে দেখলাম ওরা সবাই মিলে একটা ব্যান্ড পার্টির বাজনাপাতি সঙ্গে নিয়ে এসেছে।

    “ওরা কোনও পার্টিতে খালি হাতে যায় না, বুঝলেন কিনা”, ওঁদের শিক্ষক জানালেন। “আমি ওদের শিখিয়েছি। দয়াদাক্ষিণ্যের ওপরে বেশি নির্ভর করা চলবে না। তাই এই ব্যবস্থা। ওরা আপনার নিমন্ত্রণের বদলে উপহার হিসেবে গান শোনাবে।” এই ব্যাপারটা এতটাই অপ্রত্যাশিত যে আমি আনন্দের সঙ্গে আমার অতিথিদের সামনে ওদের ব্যান্ডকে পরিচয় করালাম, আর ওরাও দুলে দুলে দারুণ গান শোনাল।

    ওদের গান শুনে সব বাচ্চারা আনন্দে হাসছিল।

    খুব শিগগির ওদের ব্যান্ড পুরো পার্টি জমিয়ে দিল। আলো উজ্জ্বল হয়ে উঠল, বেলুন উড়তে লাগল এদিক ওদিক, অতিথিরাও মহানন্দে আলাপ, গল্প, হাসিঠাট্টায় মেতে উঠলেন। ডিনার সার্ভ করা হল। তখনও সবাই দারুণ খুশি। জিতু একটা সুন্দর যোধপুরী স্যুট পরে উপহার নিচ্ছিল, মৃদুস্বরে ধন্যবাদ জানাচ্ছিল সবাইকে, আর বড়োদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইছিল। সব যেন স্বপ্নের মতো ঘটে চলেছিল একে একে।

    আমি অবাক হয়ে দেখলাম, গানের শেষে অনাথ শিশুরা কী অদ্ভুত সুন্দরভাবে অন্য নিমন্ত্রিত শিশুদের সঙ্গে অবলীলায় মিশে গেল। বুঝলাম শিশুদের মধ্যে কোনও শ্রেণিবিভাগ হয় না। খানিক বাদেই কোলাবার বিদেশি পোশাকের বাচ্চারা হো হো করে হেসে অনাথ শিশুদের পিঠ চাপড়ে দিতে লাগল। কেউ ভাবছিল না কার পরনে কী পোশাক আছে, কিংবা কে সমাজের কোন তলা থেকে এসেছে।

    আচমকা মনে হল কে যেন আমায় দেখছে। ঠিক তখনই আমার নজরে এল একজোড়া বুদ্ধিদীপ্ত চোখ আমায় অনুসরণ করে চলেছে। একটা বাচ্চা ছেলে। ঘরের এক কোনায় বসে আছে। অনাথদের সঙ্গে এলেও ছেলেটা অন্যদের মতো খাকি পোশাক পরেনি। চেহারা ওদের থেকে কিছু হলেও ভালো। কিন্তু যে জিনিসটা আমায় চমকে দিল, সেটা ওর দুই চোখ। অদ্ভুত জ্বলজ্বলে। স্থির দৃষ্টিতে ছেলেটা আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।

    “কী ব্যাপার, এখানে একা একা বসে আছ কেন?”

    “অ্যাঁ”, যেন চটকা ভেঙে ঘুম থেকে উঠল ছেলেটা। তারপর হাসল। সে এক মনকেমনিয়া অলীক হাসি।

    “খেয়েছ?”

    “হ্যাঁ”, মাথা নেড়ে জানাল। মন্ত্রমুগ্ধের মতো আমি তাকিয়েছিলাম ছেলেটার হাসির দিকে। চোখের দিকে।

    “চলো সবার সঙ্গে আড্ডা মারি গে”, আমি ছেলেটার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলাম।

    ওকে জিতুর সঙ্গে আলাপ করালাম, “এই যে আমার ছেলে জিতু। আজ ওরই জন্মদিন।”

    ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের পরিচিত এক বড়োলোক পার্সি ভদ্রমহিলা পার্টিতে এলেন। এসেই জিতুকে বেশ অপ্রস্তুতে ফেলে ওর গালে লম্বা একটা চুমু খেয়ে বললেন, “হ্যাপ্পি বার্থডে সোনা। অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকো।” জিন্তু সঙ্গে সঙ্গে নিচু হয়ে ওঁকে প্রণাম করতেই উনি একটা বেতের ঝুড়িতে দামি শালে ঢাকা কী যেন একটা তুলে দিলেন জিতুর হাতে, “সারাজীবন ধরে এই উপহার তোমার সঙ্গী থাকবে বাছা। হাজার হোক এরাই মানুষের সেরা বন্ধু।”

    জিতু তাড়াহুড়ো করে শালের ঢাকনা খুলেই চেঁচিয়ে উঠল, “আরে! একটা কুকুরছানা! আন্টি, তুমি কী করে জানলে আমার কুকুরছানার এত শখ?”

    “আমার মারিয়ম দিন দুই আগে চারটে বাচ্চা দিয়েছে। তার মধ্যে তিনটে আগেই বুক করে নিয়েছিল। ভেবেছিলাম একটা নিজের কাছে রাখব। তারপর মনে পড়ল আজ তোমার জন্মদিন। তুমি এটাকে খুব আদরে রাখবে।”

    “কীইই মিষ্টি না ও?” বেতের ঝুড়ির ভিতরে রাখা তুলোর বলের মতো প্রাণীটাকে দেখে জিতু উত্তেজনা গোপন করতে পারছিল না।

    “মাত্র দুদিন বয়স। বারোই নভেম্বর, উনিশশো উনআশি। ওর জন্মদিন।”

    “বারোই নভেম্বর”, আমিও আওড়ালাম ওঁর সঙ্গে। আর তখনই ঘটনাটা ঘটল। সেই অভিশপ্ত ঘটনা, যা আমার জীবনকে বদলে দেবে চিরকালের মতো।

    সেই আনন্দের দিনে, সেই উৎসবের রাতে আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অনাথ ছেলেটা বলে উঠল, “ও আগামী ষোলোই নভেম্বর মারা যাবে।”

    “কীইই!” প্রাথমিক চমকের পর আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    “এই কুকুরছানাটা আগামী ষোলোই নভেম্বর মারা যাবে। মানে পরশু দিন”, বুঝিয়ে বলল ছেলেটা। ওর গলা নিশ্চিত।

    “কী বলছে ও?” মহিলা ওর মারাঠি বুঝতে না পেরে আমায় শুধালেন। ভাবলাম সত্যিটা বলে দিলে এ বেচারা বিপদে পড়বে। এমনকি মারধরও খেয়ে যেতে পারে। ভদ্রমহিলা হয়তো চেঁচিয়েমেচিয়ে এই পার্টিতে একটা ঝামেলা খাড়া করবেন। আমি আলোচনা ঘুরিয়ে পারভেজের ব্যবসা, তাঁর ছেলের গিটার শেখা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা শুরু করলাম। তাতে কাজ হল। যতক্ষণ না আমি ওঁর হাতে একটা আইসক্রিমের বাটি ধরিয়ে দিলাম, মহিলা বকরবকর করেই গেলেন।

    এরই মধ্যে জিতু আর তার বন্ধুরা ছেলেটার সঙ্গে আড্ডা জমিয়ে দিয়েছে। কুকুরছানাটার মৃত্যু নিয়ে ছেলেটা আবারও বলল, “আমি বললাম তো, এই ছানাটা আগামী ষোলোই নভেম্বর মারা যাবে।”

    “তার মানে পরও সব কুকুর মরে যাবে?” এক কলেজের ছাত্র ফাজলামো মেরে বলল।

    “সবার কথা বলতে পারব না, তবে এটা মরবেই।”

    ওর গলায় এমন একটা নিশ্চয়তা ছিল, যা আমার শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা স্রোত বইয়ে দিল। হঠাৎ করে সবাই চুপ মেরে গেল একেবারে। কেউ বুঝতে পারছে না কী বলবে।

    অবশেষে আর-একজন কলেজ ছাত্র গলাখাঁকরে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি সবার মৃত্যুদিন বলে দিতে পারো?”

    “যদি আমি তাদের জন্মদিন জানি, তবে… হ্যাঁ। পারি।”

    “বাহ, তবে আমারটা বলো। আমার জন্মদিন বিশে ডিসেম্বর, উনিশশো সাতান্ন।”

    ছেলেটা অনেকক্ষণ চুপ করে রইল। যেন কী একটা হিসেব করছে।

    “তিরিশে জানুয়ারি, দুহাজার আঠাশ”, অবশেষে বলল সে।

    “যাক বাবা! মরতে ঢের দেরি আছে আমার”, হাঁফ ছেড়ে বলল ছেলেটা।

    আমাদের অ্যাকাউন্টেন্ট মিস্টার গোরে ওঁদের কথাবার্তা শুনছিলেন। আগ্রহী হয়ে বললেন, “তুমি ভবিষ্যতের কথা বলতে পারো?”

    “না। কিন্তু কারও জন্মদিন জানলে আমি তার মৃত্যুদিন বলে দিতে পারি।

    “কী ভাঁওতাবাজি রে ভাই! যাই হোক, আমার সতেরোই ফেব্রুয়ারি, উনিশশো উনত্রিশে জন্ম। বলো আমি কবে মরব?”

    খানিক ভয়ানক মনোসংযোগ করে ভেবে-টেবে ছেলেটা উত্তর দিল, “উনিশশো চুরানব্বইয়ের পাঁচই মার্চ।

    “বাপরে! তাহলে আমার এবার নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হবে”, বিড়বিড় করে বলতে বলতে গোরে সেই জায়গা ছেড়ে চলে গেলেন।

    “আমি তোমায় বিশ্বাস করি না”, চশমা আঁটা আর-এক কলেজ ছাত্র বলল, “দশই জুন, উনিশশো চুয়ান্ন।”

    “বিশে আগস্ট, দুহাজার চোদ্দো”, এবার ভাবতে খুব বেশি সময় লাগল না।

    খানিক বাদেই দেখি সে ছেলে ভিড়ের মধ্যে একজন কেউকেটা হয়ে গেছে। তার চারদিকে ছোটোখাটো একটা ভিড়। সবাই যেন এটা একটা খেলা পেয়ে বসেছে। কেউ ওকে সিরিয়াসলি নিচ্ছে না। একমাত্র তারাই নিচ্ছিল, যাদের মৃত্যুদিনের বহুবছর দেরি আছে। সে এক অদ্ভূত ভিড়। মৃত্যুচিন্তায় বিভোর। কে নেই তাতে? কলেজ ছাত্র, তরুণী, যুবতি, অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ, গৃহবধূ। তারা ওকে বিশ্বাস করছিল কি না জানি না, কিন্তু যখনই ও কোনও বহুদুরের তারিখ বলছিল, সবাইকে আমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেখেছি।

    ছেলেটার মুখে এমন কিছু ছিল, যাতে আমি ওর থেকে চোখ সরাতে পারছিলাম না। যখনই কেউ ওকে একটা তারিখ বলছিল, ওর মুখের ভাব বদলে যাচ্ছিল। যেন কিছু একটা হিসেব করছে। আর তারপর একেবারে আবেগহীন ভাবে ছেলেটা প্রত্যেকের মৃত্যুদিন বলে যাচ্ছিল। নামতা বলার মতো।

    কীভাবে ও করছে এটা? হিসেবটা কী? একই দিনে জন্মালে একই দিনে মরবে, এমন তো হয় না। তাহলে জন্মদিন জেনে কী করবে? তবে কি ও প্রত্যেকের আয়ু হিসেব করতে পারে? কিন্তু ওর মুখ… ওর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল এটা যেন একেবারে কোনও চেনা গণিতের সূত্র। মনে মনে ও সেটাই আওড়াচ্ছে। চার বা ছয় ঘরের মানসাঙ্কের চেয়ে জটিল কোনও অঙ্ক।

    আমি প্রথমে ভাবলাম এটা বুঝি কোনও খেলা। একটু বিকট ধরনের। তবে খেলাই। যদিও গোটা পার্টির নজর এবার ছেলেটার দিকে ঘুরে গেছিল, আমি তবুও ছেলেটাকে সিরিয়াসলি নিইনি।

    তারপরেই আমি শুনতে পেলাম।

    এক বিকট আর্তনাদ আর ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ। আমার খুড়তুতো ভাই অনন্ত, চল্লিশ বছর বয়স, বাচ্চাদের মতো কেঁদেই চলেছে। সবাই তাকে বোঝাচ্ছে, এটা নেহাতই একটা খেলা। ও শুনছে না। কাঁদছে আর বিড়বিড় করে বলছে, “আমার ছোটো ছোটো ছেলেমেয়ে আছে। বউ আছে। ওদের কে দেখবে? আমি এত তাড়াতাড়ি মরে গেলে ওদের কী হবে?”

    “ছেলেটা বলেছে ও নাকি আগামী বিশে নভেম্বর মারা যাবে। আর মাত্র ছয় দিন বাদে”, শুনলাম ভিড়ের মধ্যে একজন আর-একজনকে বলছে।

    কেউ একটা অনন্তকে ধরে নিয়ে অন্য ঘরে চলে গেল। আমি কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। এমন কেউ করে নাকি? বাচ্চাদের মতো কান্না! তাও এই পার্টিতে? সবার মুড অফ। সবাই ভিড় ছেড়ে নিজের নিজের মতো সরে গেল। সেই অনাথ ছেলেও কোথায় চলে গেল কে জানে।

    আমি আবার ওকে দেখলাম, যখন আশ্রমের ছেলেরা ফিরে যাবার উদ্যোগ করছে। “ও পরে আসবেখন”, ওদের শিক্ষক বললেন। ছেলেটা বোধহয় ওর শিক্ষকের খুব একটা প্রিয় না। নইলে উনি এমনভাবে বলবেনই বা কেন?

    খানিক বাদেই আমি আবার যখন ছেলেটাকে দেখলাম, দেখি আমার স্ত্রী ওকে ভয়ানকরকম মেরে কালশিটে ফেলে দিয়েছে। কিন্তু ছেলেটা কাঁদছে না।

    “কী ব্যাপার? তুমি এই বেচারাকে এভাবে মারছ কেন?” আমি চেঁচিয়ে উঠলাম।

    “বেচারা! তোমার মুন্ডু। জিজ্ঞেস করো এইমাত্র ও কী বলেছে।” জিতুকে আমার দিকে এগিয়ে দিল সে।

    ফোঁপাতে ফোঁপাতে জিতু শুধু এটাই বলতে পারল, “ও বলেছে… ও বলেছে… আমি নাকি আর মাত্র এগারো মাস বাঁচব।”

    আমার পায়ের তলার জমি যেন সরে গেল এক নিমেষে। কুকুরছানা বা অনন্তের কথায় একটু আগেই হেসেছি। কিন্তু জিতু? আমার একমাত্র সন্তান… অসম্ভব।

    কীভাবে ও করছে এটা? হিসেবটা কী? একই দিনে জন্মালে একই দিনে মরবে, এমন তো হয় না। তাহলে জন্মদিন জেনে কী করবে? তবে কি ও প্রত্যেকের আয়ু হিসেব করতে পারে? কিন্তু ওর মুখ… ওর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল এটা যেন একেবারে কোনও চেনা গণিতের সূত্র। মনে মনে ও সেটাই আওড়াচ্ছে। চার বা ছয় ঘরের মানসাঙ্কের চেয়ে জটিল কোনও অঙ্ক।

    আমি প্রথমে ভাবলাম এটা বুঝি কোনও খেলা। একটু বিকট ধরনের। তবে খেলাই। যদিও গোটা পার্টির নজর এবার ছেলেটার দিকে ঘুরে গেছিল, আমি তবুও ছেলেটাকে সিরিয়াসলি নিইনি।

    তারপরেই আমি শুনতে পেলাম।

    এক বিকট আর্তনাদ আর ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ। আমার খুড়তুতো ভাই অনন্ত, চল্লিশ বছর বয়স, বাচ্চাদের মতো কেঁদেই চলেছে। সবাই তাকে বোঝাচ্ছে, এটা নেহাতই একটা খেলা। ও শুনছে না। কাঁদছে আর বিড়বিড় করে বলছে, “আমার ছোটো ছোটো ছেলেমেয়ে আছে। বউ আছে। ওদের কে দেখবে? আমি এত তাড়াতাড়ি মরে গেলে ওদের কী হবে?”

    “ছেলেটা বলেছে ও নাকি আগামী বিশে নভেম্বর মারা যাবে। আর মাত্র ছয় দিন বাদে”, শুনলাম ভিড়ের মধ্যে একজন আর-একজনকে বলছে।

    কেউ একটা অনন্তকে ধরে নিয়ে অন্য ঘরে চলে গেল। আমি কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। এমন কেউ করে নাকি? বাচ্চাদের মতো কান্না! তাও এই পার্টিতে? সবার মুড অফ। সবাই ভিড় ছেড়ে নিজের নিজের মতো সরে গেল। সেই অনাথ ছেলেও কোথায় চলে গেল কে জানে।

    আমি আবার ওকে দেখলাম, যখন আশ্রমের ছেলেরা ফিরে যাবার উদ্যোগ করছে। “ও পরে আসবেখন”, ওদের শিক্ষক বললেন। ছেলেটা বোধহয় ওর শিক্ষকের খুব একটা প্রিয় না। নইলে উনি এমনভাবে বলবেনই বা কেন?

    খানিক বাদেই আমি আবার যখন ছেলেটাকে দেখলাম, দেখি আমার স্ত্রী ওকে ভয়ানকরকম মেরে কালশিটে ফেলে দিয়েছে। কিন্তু ছেলেটা কাঁদছে না।

    “কী ব্যাপার? তুমি এই বেচারাকে এভাবে মারছ কেন?” আমি চেঁচিয়ে উঠলাম।

    “বেচারা! তোমার মুন্ডু। জিজ্ঞেস করো এইমাত্র ও কী বলেছে।” জিতুকে আমার দিকে এগিয়ে দিল সে।

    ফোঁপাতে ফোঁপাতে জিতু শুধু এটাই বলতে পারল, “ও বলেছে… ও বলেছে… আমি নাকি আর মাত্র এগারো মাস বাঁচব।”

    আমার পায়ের তলার জমি যেন সরে গেল এক নিমেষে। কুকুরছানা বা অনন্তের কথার একটু আগেই হেসেছি। কিন্তু জিতু? আমার একমাত্র সন্তান… অসম্ভব।

    আমার আর আমার স্ত্রীর জন্য এই বেচারা প্রাণীটার মৃত্যু এক দীর্ঘ দুঃস্বপ্নের সূচনা করল। জিতু কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পড়তেই আমার স্ত্রী জিজ্ঞেস করল, “এ- এটা সত্যি। তাই না? ছেলেটা তো আজকেই কুকুরের মরার কথা বলেছিল…” ওর গলার স্বর কেঁপে যাচ্ছিল।

    “আমি জানি না। তুমি এসব জিজ্ঞেস করছ কেন?” আমি ওকে থামানোর চেষ্টা করলাম।

    “তুমি সব জানো। তুমি জানো। আর যদি এসব সত্যি হয়, তবে জিতু… আমার জিতু…” ও ঘুমন্ত জিতুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল।

    .

    ১৯ নভেম্বর ১৯৭৯

    আমি কুকুরছানাটার মৃত্যুর কথা অনন্তকে বলিনি, কিন্তু ওর বাড়িতে প্রায়ই ফোন করে একথা সেকথায় ওর স্বাস্থ্যের খবর নিতাম। ফোন ও-ই ধরত। মৃত্যুভয়ে ভীত, প্রায় অবশ। বাড়ি থেকে এক পা বেরোত না, কুড়ি তারিখ অবধি ও অফিস থেকে ছুটি নিয়ে নিল। বেচারা ভয় পেয়ে গেছিল, কিন্তু ওর স্বাস্থ্য একেবারে অটুট ছিল।

    হতেই পারে কুকুরের মৃত্যুটা নেহাত কাকতালীয়। হতেই পারে অনন্ত বা জিতুর বেলায় এই অমঙ্গল ঘটবে না।

    .

    ২১ নভেম্বর ১৯৭৯

    গতকাল অনন্ত মারা গেছে।

    কোনও ঝড় হয়নি, একফোঁটা বৃষ্টি পড়েনি, তবু কোনও এক অজানা কারণে ওর বাড়ির একটা দেওয়াল ধসে পড়ে ওকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলেছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অনন্তের দেহ এক টন ইটের তলায় পিষে গেছে।

    আমি বুঝে গেছি। জিতুও আর বেশিদিন আমাদের মধ্যে নেই।

    সেই উজ্জ্বল চোখের ছেলেটা সত্যি বলে মার খেয়ে গেল। আমার স্ত্রী ওকে টেনে বাড়ি থেকে বার করে দিল, চিৎকার করে গালাগালি দিল, কারণ ও যা বলছিল তা সত্যি। আর সেই সত্যি আমাদের মনমতো ছিল না কখনোই।

    নিজেকে অপরাধী বলে মনে হতে লাগল। ভাবলাম ছেলেটাকে ডেকে নিয়ে ক্ষমা চাই। অপরাধের ভারে এটাও ভাবলাম আমরা বরং ওকে বাড়িতে এনে দত্তক নিয়ে নিই। ওকে আর ওর এই গুণপনা নিয়ে একলা ওই অনাথ আশ্রমে পড়ে থাকতে হবে না। জিতু আর এগারো মাসের বেশি আমাদের সঙ্গে নেই। কিন্তু ওই ছেলেটা… আমাকে ওই দীপ্ত চোখের ছেলেটাকে খুঁজে বার করতেই হবে।

    আমি ওর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করব, যেমন জিতুর সঙ্গে করি। ও জিতুর মতোই আমাদের সঙ্গে থাকবে। ওর মাধ্যমেই এগারো মাস পরেও আমাদের ছেলে আমাদের মধ্যেই থাকবে। এই একমাত্র সমাধান। আমার স্ত্রী নিশ্চয়ই আপত্তি করবে না। আইডিয়াটা ওর ভালোই লাগার কথা। এগারো মাস পরে কিন্তু মারা গেলে আমরা নতুন জিতুকে পাব। দীপ্ত, বুদ্ধিমান চোখের জিতুকে।

    .

    ২২ নভেম্বর ১৯৭৯

    আমি সেই অনাথ আশ্রমে গিয়ে চেনা সেই বৃদ্ধ ভদ্রলোকের সঙ্গে দেখা করলাম। সেদিন যিনি ওদের নিয়ে এসেছিলেন। উনি আমায় দেখে খুশিই হলেন। “কী ব্যাপার স্যার? এখানে?” আমাকে চা বেড়ে দিতে দিতে ভদ্রলোক প্রশ্ন করলেন।

    “না আসলে আমি ভাবছিলাম…”

    “বলুন না স্যার, কী হয়েছে? অত কিন্তু কিন্তু করবেন না।”

    “সেদিন জিতুর পার্টিতে একটা ছেলে এসেছিল। ও আমাদের বাড়িটা ভালোবেসে ফেলেছে মনে হল। আমরা ভাবছিলাম, যদি ওকে আমাদের পরিবারের একজন করে নেওয়া যেত…”

    লোকটার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। “এর বেশি আর কী-ই বা চাইতে পারি? আমার রীতিমতো উত্তেজনা হচ্ছে। কোন ছেলেটাকে আপনাদের মনে ধরেছে স্যার?”

    “সেই যে ছেলেটা কুর্তা পায়জামা পরে এসেছিল… আপনি বাকিদের নিয়ে চলে যাবার পরেও যে থেকে গেছিল, সেই ছেলেটা।”

    “ওহ, ওই ছেলেটা…” লোকটার ভুরু কুঁচকে গেল।

    “কেন? কোনও সমস্যা আছে?”

    “না, আসলে ও আমাদের এই আশ্রমের কেউ না। মাঝে মাঝে আমাদের সঙ্গে যায় বটে, কিন্তু আমরাও ওর সম্পর্কে সঠিক কিছু জানি না।”

    “ওহহ”, একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল অজান্তেই। “পরের বার ওর সঙ্গে দেখা হলে অবশ্যই আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেবেন তবে… “

    “সে তো বটেই। কিন্তু আপনি যদি অন্য কাউকে দত্তক নিতে চান তো…” আমি আর একটাও কথা না বলে উঠে পড়লাম।

    .

    ২৩ নভেম্বর ১৯৭৯

    গতকাল রাতে ও আমাদের বাড়ি এল। আমি রাতে খাবার পর বাগানে ঘুরছিলাম। আকাশ তারায় ভরা। আমি হঠাৎ বাগানের একপাশে ছেলেটাকে দেখতে পেলাম।

    “আমি আপনার কথা শুনলাম। তাই এসেছি।”

    “কোন কথা?”

    “আপনি আমায় খুঁজছিলেন?”

    “ওহ হ্যাঁ। তুমি ঠিকই বলেছিলে। কুকুরটা মারা গেছে। অনন্তও। তার মানে জিতুও… কি, তাই তো?”

    ওর মুখ ভাবলেশহীন। ঠিক প্রমাণ হবার আনন্দ বা জয়ের উল্লাস কিচ্ছু নেই। এমনকি কোনও দুঃখ বা আশ্চর্যের ভাবটুকুও না।

    “সত্যি করে বলো। জিতুর ব্যাপারটা কি ঘটবেই?”

    “হ্যাঁ। তাতে কী হয়েছে? অনন্ত কাকু এত ভেঙে পড়েছিলেন কেন? কুকুরটা তো এই নিয়ে কান্নাকাটি করেনি! সবাইকে তো একদিন না একদিন মরতেই হবে।”

    “আসলে কী বলো তো সোনা, মৃত্যুভয়টা একেবারেই বড়োদের ব্যাপার। যত তুমি বড়ো হবে, ততই এই জগতের নানা বিষয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে ধীরে ধীরে। তখন এই সমস্ত কিছু ছেড়ে যেতে তোমার খুব খুব কষ্ট হবে। তোমার মতো বাচ্চা ছেলে এই ব্যাপারটা ঠিক বুঝবে না।”

    ছেলেটা মৃদু হাসল। কিছু বলল না।

    “তুমি কি আমাদের সঙ্গে আমার বাড়িতে এসে থাকবে? তুমি যা যা চাও, সব পাবে। জিতুর মতো আমরা তোমার জন্মদিনও ধুমধাম করে পালন করব। তোমার জন্মদিন কবে?”

    “বারোই মার্চ।”

    “তুমি নিজের মৃত্যুদিন জানো?” বলতে না চেয়েও বলে ফেললাম।

    “জানি, কিন্তু আমি ও নিয়ে ভয় পাই না।”

    “কবে?”

    “পাঁচই জুন। উনিশশো পঁয়ষট্টি।”

    .

    অনুবাদকের জবানি— রত্নাকর মটকারে (১৯৩৮-২০২০) মহারাষ্ট্রের লেখক মটকারে পেশায় ছিলেন একাধারে লেখক, চিত্রনাট্যকার, সিনেমার প্রযোজক ও পরিচালক। বিখ্যাত মারাঠি পত্রিকা সোনেরি সাবল্যা ও আপলে মহানগর-এ নিয়মিত লিখতেন কলাম। অশ্বমেধ, ব্রহ্মহত্যার মতো সাড়া জাগানো নাটকের লেখক-পরিচালক। ১৯৮৬ সালে পেয়েছেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, মাঝে ঘর মাঝে সংসার সিনেমার জন্য। ২০২০ সালের মে মাসে কোভিডে তাঁর মৃত্যু ঘটে। বর্তমান গল্পটি তাঁর হার্পার কলিন্স থেকে প্রকাশিত ইংরাজি অনুবাদ বই “ডার্কনেস থেকে নেওয়া। প্রথম প্রকাশ অনুবাদ পত্রিকায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }