Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প466 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কোত্থাও নেই – কৌশিক মজুমদার

    কেউ কোত্থাও নেই

    “কোরেল, শোন না, আজকে সিনেমা দেখতে যাবি? শরুক খানের। সবাই দেখতে যাচ্ছে। হেবি হয়েছে নাকি শুনলাম।”

    .

    অশোকনগর উনিশ নম্বর কাঁকপুল ফরেস্টের আশেপাশে কোনও সিনেমা হল নেই। হল বলতে প্রায় চার-পাঁচ কিলোমিটার উজিয়ে সেই হাবড়ার রুপকথা হল। খানিক হেঁটে, খানিক টোটো আর বাকিটা অটো। সব মিলিয়ে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার মামলা। তাও যদি সবকিছু সময়মতো ঠিকঠাক পাওয়া যায়, তবেই।

    মনে মনে খানিক কী যেন ভাবল কোরেল। আসলে ওদের বাড়ির এই বেকায়দা পজিশনটা নিয়ে চিরটাকাল ওর মনে দুঃখ। আগে স্কুল, এখন কলেজ, সবই বাড়ি থেকে বহু দূরে। সামান্য একটা দেশলাই কিনতে গেলে দশ মিনিট হেঁটে করেস্টের বাইরে মোড়ের মাথায় যেতে হয়। স্বাধীনতার পরেও বহুকাল এই জঙ্গলে লোক থাকত না। খ্যাঁকশিয়াল, ভাম বিড়াল আর সাপের বাস ছিল। অনেকে বলে ছোটোখাটো চিতাবাঘের বাচ্চাও নাকি দেখেছে। সত্যি মিথ্যে ঠিক নেই। তারপর সরকার থেকে এখানে কিছু পরিবারের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করা হল। বাইরে থেকে আসা কিছু পানের ব্যবসায়ী বাউড়ি সম্প্রদায়ের লোক আর মধু চাষের জন্য কিছু পরিবার। সব মিলিয়ে এখন এই ফরেস্টে নয় নয় করেও গোটা কুড়ি পরিবার ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। কোরেলদের নিজেদেরই তিনটে পানের বরজ আছে। আর বেশ কিছু মৌমাছি পালনের বাক্স। এদিকটায় এখনও কেবল লাইন আসেনি। ব্রডব্যান্ড-ও না। ফলে নতুন সিনেমা দেখতে গেলে হল ছাড়া গতি নেই।

    খানিক কী যেন ভাবল কোরেল, তারপর জুঁইকে বলল, “কটার শো রে?”

    “আজ যদি যাই, তবে ইভনিং পেয়ে যাওয়া উচিত। তা না হলে নাইট। খুব নাকি ভিড় হচ্ছে। আজকেই যাবি?”

    “গেলে আজই যাব। মা ভাইকে নিয়ে মামাবাড়ি গেছে। বাবা গেছে ব্যবসার কাজে নদিয়া। আজ ফিরবে না।”

    “মানে? গোটা বাড়িতে তুই একা? মামাবাড়ি গেলি না কেন?”

    “ধুর, পোষায় না। মামা মামি দেখলেই কবে বিয়ে করবি, কবে বিয়ে করবি বলে শুধু জ্বালায়। আর মা-ও সেসব শুনে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তাই কলেজের প্রোজেক্ট আছে বলে কাটিয়ে দিয়েছি।”

    “তাহলে আজকেই যাবি তো? শিওর?”

    “হুমম। শুধু ভাবছি, বাই চান্স ইভনিং-এর টিকিট না পেলে তো রাত হয়ে যাবে ফিরতে ফিরতে…”

    “হলে হবে। ভয় কীসের?” বলেই জুঁইয়ের চোখ বড়ো বড়ো হয়ে গেল। “তুই কি ওই খুনিটার কথা ভেবে…”

    “একদম যে ভাবছিও না তা না কিন্তু। ভেবে দেখ, গত চার মাসে এই ফরেস্টে চারটে খুন। চারজনই মহিলা, প্রায় আমাদের সমবয়সি, আর সবাইকেই খুন করা হয়েছে গভীর রাতে।”

    “একজনই যে করেছে তার প্রমাণ কী?”

    “খুনের ধরন। সবাইকে একইভাবে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করেছে। এত জোরে ফাঁস লাগিয়েছে যে জিভ লকলক করে বেরিয়ে পড়েছিল। একজনের তো দাঁতের চাপে জিভ কেটে দুই টুকরো হয়ে গেছে শুনলাম।”

    “ইসস! শুনেই আমার কেমন গা ঘিনঘিন করছে। এসব বলিস না”, কান চেপে ধরে জুঁই বলল। “বাদ দে, আজকে যেতে হবে না।”

    “সেটা কোনও কথা না। গেলে আজকেই যাব। সামনে পরীক্ষা। কাল সকালে মা এসে গেলে আর হলে যেতে দেবে না। ততদিনে সিনেমাটাও উঠে যাবে। তোকে তোর ঠাম্মা ছাড়বে?”

    “ঠাম্মাকে নিয়ে চাপ নেই। বুড়ি চোখেও দেখে না, কানেও শোনে না। একরকম ভুজুংভাজুং দিয়ে ম্যানেজ করে নেব। কিন্তু সিরিয়াসলি, তুই বলার পর আমারই গা কেমন কেমন করছে। ভেবে বল। যাবি?”

    “যাব তো বটেই। আমায় জাস্ট পনেরো মিনিট দে। আর একটা কাজ কর। সুজাতাকে একটা ফোন করে দে। ও যদি যায়… যাবার পথে ওকে উঠিয়ে নিয়ে যাব।”

    বাড়ি থেকে বেরোতেই সাড়ে পাঁচটা বেজে গেল কোরেলদের। শীতের বেলা। চারিদিকে অন্ধকার নেমে এসেছে এখনই। ফরেস্টের পাশে বড়ো খালটার ধারে জনা বিশেক লোকের ভিড়। দুটো পুলিশের ভ্যানও দেখা গেল। খালে জাল ফেলা হয়েছে। উঁকি মেরে কোরেল দেখতে পেল আর-একজন মেয়ে। পরনে ছোটো স্কার্ট। উলটো হয়ে ভাসছে, তাই মুখ দেখা যাচ্ছে না। মুখ দেখেও বা কী হত? কোরেল জানে অচেনা কেউ হবে। আগের চারজনের দুজনের বাড়ি ছিল বনগাঁয়, একজনের দত্তপুকুরে, শেষজন বারাসাতের মেয়ে। কেউই লোকাল না।

    “যাক! বাঁচা গেল। যতটুকু ভয় ছিল, সেটাও গেল। খাল পেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ফিসফিস করে কোরেল বলল।

    “মানে? কী বলছিস তুই?”

    “মানে আর কিছুই না। এই মাসের কোটা কমপ্লিট। এক মাসের জন্য খুনি বাবাজি আর এদিকে ঘেঁষবে না।’

    “কী করে এত শিওর হচ্ছিস?”

    “দেখ আমি গোয়েন্দা গল্পের বই পড়ি। আর… হ্যাঁ হ্যাঁ, এই বনের মধ্যে দিয়েই শর্টকাটে চল… আর এই খুন শুরু হওয়া থেকে আমি খুনগুলো ফলো করছি। এই খুলি যেই হোক, সে মাসে একটার বেশি খুন করে না, আর লোকাল কাউকে মারে না। খেয়াল করে দেখ। এটাই খুনির প্যাটার্ন। প্রত্যেক খুনির একটা নিজস্ব সিগনেচার থাকে। চাইলেও সে তার থেকে বেরোতে পারে না… এই, সাবধান, এখানে গর্ত আছে।”

    “কে জানে বাবা!” বিড়বিড় করে বলতে বলতে কোরেলের পিছন পিছন চলল জুঁই।

    সুজাতার বাড়ি মূল টাউনে। কিন্তু ওর তৈরি হতেই সময় লাগল সবচেয়ে বেশি। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই ইভনিং শো-র টিকিট পেল না ওরা। লাস্ট শে সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে এগারোটা। হলে ঢুকে সবকিছু ভুলে গেল তিনজনে। অনেকদিন পরে তাদের প্রিয় নায়ক এত ভালো একটা ছবিতে অভিনয় করেছে। তবে ছবিটা লম্বা। হল থেকে তিনজনায় যখন বেরোল, তখন বারোটা বাজতে আর মাত্র মিনিট দশেক বাকি। হলের সামনে সামান্য কয়েকটা টোটো দাঁড়িয়ে চেল্লাছে। তাদের কেউই ফরেস্ট অবধি যাবে না। এত রাতে অতদূর গেলে ফেরার সময় ফাঁকা টোটো নিয়ে ফিরতে হবে। অনেক সাধ্যসাধনার পর প্রায় দেড়া দামে এক টোটো সুজাতার বাড়ি অবধি যেতে রাজি হল। টোটোওয়ালার বয়েস কম। তিনজন কমবয়েসি মেয়েকে দেখে আরও বকবক করতে শুরু করল, “দিদিভাই, এত রাতে সিনেমা দেখতে আসবেন না। পথঘাট ভালো না। আগে এসব বাপের জম্মে দেখিনি। এখন চারিদিকে যা ঘটছে… বুঝতেই তো পারছেন।”

    “কী ঘটছে?” জিজ্ঞেস করল সুজাতা।

    “সে কী, কোনও খবরই রাখেন না দেখছি! অশোকনগরে এক নতুন খুনি এসেছে। মেয়েদের ধরে নিয়ে উনিশ নম্বরের বনে যায়, তারপর… কী আর বলব দিদি… সব হয়ে গেলে গলা টিপে খুন করে। পেটের নাড়িভুঁড়ি ছোরা দিয়ে কেটে বাইরে বার করে আনে। চোখ উপড়ে দেয়।”

    “একদম বাজে কথা বলবে না তো”, প্রতিবাদ না করে পারে না কোরেল। “আমার নিজের বাড়ি ওই ফরেস্টে। আমি জানি। গলা টিপে না, গলায় দড়ি দিয়ে খুন। আর ছোরা-টোরা কিচ্ছু ঢোকায়নি। সব বানিয়ে বলছ আমাদের ভয় দেখাতে।”

    টোটোওয়ালা যেন একটু দমেই গেল। একটু আমতা আমতা করে বলল, “অতশত জানি না দিদি, যে শুনেছি তাই বলছি। আর আপনাদের ভালোর জন্যেই বলা”, বলে গুম হয়ে চুপ করে গেল। চারিদিকে গাড়ির সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। দোকানপাট প্রায় সব বন্ধ। যেগুলো খোলা, সেগুলোতে দোকানদার একলা বসে সারাদিনের হিসেব মেলাচ্ছে, অথবা ঝাঁপ বন্ধ করার তোড়জোড় করছে। মালবোঝাই লরিরা একের পর এক চলেছে সার বেঁধে। নালন্দা মোড় পেরোতেই দেখতে পেল রাস্তার ধারে একটা ঠেলাগাড়িতে কুলপি মেলেভা বিক্রি করছে বুড়োমতো একটা লোক। সেখানে তিন-চারটে অল্পবয়সি ছেলেমেয়ে ভিড় করেছে। গাড়ির লাল নীল চিকচিকে আলোতে তাদের হাসিগুলো চকচক করছে।

    “এত রাতে কারা আইসক্রিম খায় ভাই?” বলে হেসে উঠল জুই।

    “তাও আবার শীতকালে”, গলা মেলাল সুজাতাও।

    টোটোওয়ালা এবার একটু ঘাড় ঘুড়িয়ে কোরেলের দিকে ফিরে বলল, “আজকেও নাকি একটা বডি পাওয়া গেছে? বিকেলবেলায়?”

    কোরেলের এই ছেলেটার সঙ্গে বেশি কথা বলতে ইচ্ছে করছিল না। একটু বেশিই গায়ে পড়া যেন। সে “হুঁ” বলে কাটিয়ে দিতে চাইল।

    “তাহলেই দেখুন। আগে খুন করত রাতে। এখন তো দিনদুপুরে খুন করা শুরু করেছে!”

    “হয়তো আগেই করেছে। বডি ভেসে উঠতে তো টাইম লাগে।”

    “না দিদি। আজকেই খুন হয়েছে। সেই মেয়েকে সকালেও জ্যান্ত দেখা গেছিল। মাইরি বলছি। মিথ্যে কথা না।”

    “তুমি এত কিছু জানলে কী করে? এর আগে তো পরিচয় পেতেই দিন সাতেক চলে যেত।”

    “আরেহ! এত কিছু জানেন, আর এই খবরটা জানেন না! সেই মেয়ে তো আপনাদের লোকাল! পাড়ার মেয়ে।”

    এবার কোরেল একটু চমকাল। পাড়ার মেয়ে? এ বলে কী? এতদিন যা হচ্ছিল, সবটাই বাইরে হচ্ছে বলে এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু যদি পাড়ার মেয়ে খুন হয় তবে তো বুঝতে হবে খুনি এবার ঘরে ঢুকে পড়েছে।

    “কী নাম? বলতে পারবে?” জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে সামান্য হলেও গলা কেঁপে গেল কোরেলের। রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলোতে দেখল বাকি দুজনেরও মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। জুই তো একটা রুমাল দিয়ে মুখ চেপে ধরে বসে আছে।

    “তা আমি কী করে বলব বলুন। কাল সকালেই জানতে পারবেন। এই যে দিদি, কচুয়া মোড় এসে গেছে…”

    দিনের বেলায় মানুষজন আর বাস অটোর দাপটে এখানে নড়াচড়ার জায়গা থাকে না। সর্বদা জায়গাটা আওয়াজে ভরপুর। আর আজ রাতে, কী জানি কেন, দু-তিনটে লেড়ি কুকুর ছাড়া কাউকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। চৌরঙ্গীর দিকে যে রাস্তাটা গেছে, সেটাও শুনশান। শুধু পাতলা একটা কুয়াশার আস্তর নেমে গোটা জায়গাটাকে কেমন ভৌতিক রূপ দিয়েছে। সুজাতার বাড়ি কাছেই। তিনজন ওকে এগিয়ে দিতে গিয়ে দেখল ওর মা আলো জ্বেলে বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন।

    “কী ব্যাপার বল তো তোর? সেই কখন থেকে ফোন করেই যাচ্ছি, আর বলছে ফোন সুইচড অফ।”

    “এই রে!” ব্যাগ থেকে ফোন বার করে দেখল সুজাতা, “আবার গেছে!! এবার সার্ভিস সেন্টারে দিতেই হবে। ব্যাটারির সমস্যা। যখন-তখন অফ হয়ে যাচ্ছে।”

    “আরে আমি তো ভয়ে মরছি এদিকে। তোরা এতটা হেঁটে এলি?”

    “না না। কচুয়া অবধি টোটো ছেড়ে দিয়ে গেল। কেন, কী হয়েছে?”

    “বলছি, ভিতরে আয়। আর তোরা এত রাতে ওই ফরেস্টে ঢুকবি? কী দরকার? আজ রাতটুকু এখানেই শুয়ে পড় খেয়েদেয়ে।”

    “আমার হবে না গো কাকিমা”, প্রথম বেঁকে বসল জুঁইই। “ঠাম্মা একা আছে। আমাকে যেতেই হবে।”

    “সে তো ঠিক আছে। কিন্তু কী হয়েছে শুনেছিস?”

    “শুনব কী করে? হলে ছিলাম তো। ওহহ… সেই উনিশ নম্বরের ঘটনা?”

    “হ্যাঁআআ…” বড়ো করে বললেন সুজাতার মা। “হ্যাঁ রে কোরেল, সুকন্যার বাড়িটা তোর বাড়ির ওদিকেই না?”

    একটা হিমশীতল স্রোত নেমে গেল কোরেলের শিরদাঁড়া বেয়ে। সুকন্যা? মানে সুকন্যা বাড়ৈ? যদি তাই হয় তবে তো…

    সুজাতার মা বলেই চলছিলেন, “আরে যার বাবাটা চেন্নাইতে না কোথায় যেন থাকে। ছোটো একটা বোন আছে…”

    আর কোনও সন্দেহ নেই। সন্দেহ থাকতেই পারে না। টোটোওয়ালা একদম ঠিক বলেছিল। সুকন্যা কালকে অবধি বেঁচে ছিল। শুধু বেঁচে ছিল না, কালকে কোরেলের বাড়ি এসে ঘণ্টা দেড়েক আড্ডাও মেরে গেছে। কালকেই ও বলছিল, ফেসবুকে যেন কার সঙ্গে আলাপ হয়েছে। পরের দিন ডেটে যাবে। কোরেল সেই ছেলের ছবি দেখতে চেয়েছিল। সুকন্যা দেখায়নি। বলেছিল সব পাকাপাকি হলে দেখাবে। এই খুনি কি তবে সেই প্রেমিক? নাকি অন্য কেউ?

    কোরেল চুপ করে আছে দেখে সুজাতার মা আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “কি রে চিনিস? ওই মেয়েটাই তো?”

    তীব্র একটা আতঙ্ক আর ভয়াবহ দুঃখ চেপে বসছিল কোরেলের মনে। জুই মুখে রুমাল চাপা দিয়ে কাঁদছে। কোরেল কাঁদতে পারছে না। ও কেমন একটা হতভম্ব মতো হয়ে গেছে এই খবরে। তেমনভাবে রিঅ্যাক্টও করতে পারছে না। সব কিছু গোলমাল হয়ে যাচ্ছে।

    সুজাতার মায়ের অনেক অনুরোধের পরেও ওদের থাকা হল না। জুইয়ের বাড়ি ফিরতেই হবে। আর জুঁইকে একা ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না। জুই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল। দুজনে খানিক হেঁটে যখন ডানদিকের গলি ধরে ফরেস্টের পথে এগোচ্ছে, উলটো দিক থেকে একটা কালো বাইক অন্ধকার ফুঁড়ে বেরিয়ে এল। বাইকের উজ্জ্বল আলোতে দুজনের চোখ ধাঁধিয়ে গেল মুহূর্তে। ওদের অবাক করে দিয়ে ঘ্যাঁচ করে ওদের পাশে এসে দাঁড়াল বাইকটা। লোকটাকে চেনা যাচ্ছে না। কালো জ্যাকেট আর মাথায় কালো হেলমেট। জুঁই ভয়ে কোরেলের একেবারে গা ঘেঁষে মিশে রইল।

    হেলমেট খুলতেই কোরেল চিনতে পারল। নারায়ণ। ফরেস্টের একটু আগেই যে ওষুধের দোকানটা আছে, সেই দোকানের মালিকের ছেলে। হাবেভাবে বোঝা কোরেলকে পছন্দ করে। কোরেল পাত্তা দেয় না। দোকান বন্ধ করে এখন বাড়ি যাচ্ছে। কোরেলদের এই সময় রাস্তায় দেখে নারায়ণ একটু অবাক হল, “এত রাতে? কী ব্যাপার?”

    “সিনেমা দেখতে গেছিলাম। বাড়ি ফিরছি।”

    “আচ্ছা! তাই বলো। তা বাড়ি পৌঁছে দেব নাকি?”

    “কীভাবে দেবে? তোমার বুলেট গাড়িতে ক্যারিয়ার আছে? আর আমরা তো দুজন।”

    “তাও বটে”, একটু যেন লজ্জা পেল নারায়ণ। “যাই হোক। সাবধানে যেয়ো। শুনেছ তো আজকে বিকেলে…” আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল সে। কোরেল আচমকা “দেরি হয়ে যাচ্ছে। গুড নাইট” বলে পা চালাল।

    “এই শোনো, শোনো, ভালো কথা। তোমার সেই কলেজের বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল তো?”

    “কোন বন্ধু?”

    “আরে আজকে সন্ধে নাগাদ এসেছিল যে।”

    থেমে গেল কোরেল। “আজ সন্ধেবেলা? আজ তো আমি সন্ধেবেলা ছিলামই না!”

    “এহে… তাহলে বোধহয় ফিরে গেছে।”

    “কে এসেছিল? নাম বলল কিছু?”

    “না। তোমার থেকে সামান্য বড়ো একটা ছেলে। বলল তোমার কলেজের সিনিয়ার। কিন্তু বন্ধু। আমায় জিজ্ঞাসা করল তোমার বাড়ি কোথায়?”

    “আর তুমিও বলে দিলে? আমার কাছে মোবাইল ছিল না? যার দরকার কল করে নিত।”

    “আরে বলেছিলাম। বলল নাকি সারপ্রাইজ দেবে… কিন্তু তোমায় না পেলে তো ফোন করা উচিত। কোনও ফোন পাওনি তোমার সেই সিনিয়ার কাম বন্ধুর?” বলে একটা ফিচেল হাসি দিল নারায়ণ।

    “নারানদা… এবার একটু রেগেই বলল কোরেল, “তুমি হয়তো জানো না, আমাদেরটা ওমেনস কলেজ। সেখানে ছেলে সিনিয়ার থাকবে কেমন করে?” বলেই গোটা ব্যাপারটা মাথায় ঢুকল কোরেলের। একটা অচেনা লোক তার খোঁজ করছিল। তার বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞাসা করছিল। কিন্তু কেন?

    ওদিকে নারায়ণ আর কথা না বাড়িয়ে “আচ্ছা, চলি। সাবধানে যেয়ো। গুড নাইট”, বলে বাইক চালিয়ে দিল।

    জুঁই এতক্ষণ কিছু বলেনি। এবার বলল, “কী কেস রে? কিছু করছিস নাকি? সত্যি করে বল তো?”

    “কিচ্ছু না। করলে বলব না কেন? তবে এখন আমার মনে হচ্ছে তোকে আগে যেটা বলেছিলাম, সেটা যদি ভুল হয়, তবে মহা বিপদ।”

    “কী বলেছিলি?”

    “প্রতিটা খুনির একটা প্যাটার্ন থাকে। তারা এর বাইরে বেরোতে পারে না। এই খুনির প্যাটার্ন ছিল মাসে একটা করে খুন আর বাইরের মেয়ে। একটা প্যাটার্ন ভেঙেছে। লোকাল মেয়েকে খুন করেছে। এবার যদি অন্যটাও ভাঙে? তবে তো আমরা আজকেও সেফ নই।”

    “বলিস না, বলিস না। প্লিজ। আমার খুব ভয় করছে।” জুঁই যেন আরও কুঁকড়ে একেবারে ছোটো হয়ে গেল। পুরো রাস্তা একেবারে জনমানবহীন। নিস্তব্ধতায় যেন কানে তালা লেগে যাচ্ছে। রাস্তার ধারে উজ্জ্বল ভেপার ল্যাম্পের হলুদ আলো। নিজেদের ছায়াই অদ্ভুত অশরীরী প্রেতাত্মার মতো। এই মোড়ের শেষ দোকানটাও চলে গেল। গীতা শাড়ি মিউজিয়াম। মিউজিয়ামই বটে। সামনে বড়ো কাচ লাগিয়ে একগাদা ম্যানিকুইন বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে বোবা চোখে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    “আচ্ছা, এখন খুব জোরে একটা চিৎকার করলে ওরা সাড়া দেবে?”

    “কারা?”

    “ওই ম্যানিকুইনগুলো। ধর এদের মধ্যে কেউ একটা নড়ে উঠল।”

    “কোরেল!! ভালো হবে না বলে দিচ্ছি…”

    বাঁধানো রাস্তায় দুইজোড়া হিল জুতোর খটখট শব্দ শুনতে স্টেনগানের আওয়াজের মতো লাগছে। ডান হাতে সামান্য বেঁকলেই ফরেস্টের হাতা শুরু।

    “চল তোকে আগে বাড়ি পৌঁছে দিই।”

    “না, আমি তোকে দেব।

    “বোকা বোকা কথা বলিস না জুঁই। তোর ঠাকুমা একা আছেন। তার উপরে তোর বাড়ি আগে পড়বে। আমি ঠিক চলে যেতে পারব। আমাকে পৌঁছে দিতে হলে ফেরার সময় গোটা বনপথ আর খালের উপরের পুলটা তোকে একা পেরিয়ে আসতে হবে।

    পারবি তো?”

    জুঁই আর কথা বাড়াল না।

    “চল গান করি দুজনে মিলে”, কোরেল প্রস্তাব দিল। একটু বেসুরো হলেও গান ধরল দুজনে। কিন্তু এই শীতের রাতে, এই কুয়াশার মধ্যে, অন্ধকারে, সে গান নিজেদেরই এত অদ্ভূত ঠেকল যে চুপ করে গেল দুজনেই। ফরেস্টে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ল্যাম্পপোস্টের দূরত্ব বেড়েছে। ভেপার ল্যাম্পের বদলে সাদা নিয়ন আলো মিটমিট করছে। ক্ষীণভাবে কানে আসছে বনচর পোকা আর পশুদের সরসর আওয়াজ। আরও বিশ পা হাঁটার পর জুঁইদের বাড়ি। এতক্ষণে ঠাকুমা ঘুমিয়ে পড়েছেন। জুঁইয়ের কাছে চাবি আছে। চাবি ঘুরিয়ে সে ঘরে ঢুকে পড়ল।

    “তোর আর আজকে বাড়ি যাবার দরকার নেই। আমার এখানেই থেকে যা।

    “না রে। হবে না। এখান থেকে আর কতটুকু? ঠিক চলে যাব। চাপ নিস না।”

    “থাক না। প্লিইইজ।

    “আরে না রে বাবা। আর-একদিন এসে থাকব।”

    “তাহলে বাড়িতে পৌঁছেই ফোন করবি। করবি তো?”

    “পাক্কা।”

    .

    কোরেল এবার মধ্যরাতের জঙ্গলে সম্পূর্ণ একা। তার এই একুশ বছরের জীবনে এই প্রথমবার। দূরে দূরে বাড়িগুলো ভূতের মতো দাঁড়িয়ে আছে। একটাতেও আলো জ্বলছে না। গোটা অরণ্য যেন ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘুমাক। ভালো করে ঘুমাক। আর মাত্র পাঁচ মিনিট ঘুমালেই চলবে। কোরেল ততক্ষণে নিজের বাড়ি পৌঁছে যাবে। তারপরেই ফোন করবে জুইকে। জুইটা এত্ত ভীতু না… দূরে কোথায় যেন একটা কুকুর ডেকে উঠল, আর ঠিক তারপরেই কোরেল একটা গান শুনতে পেল গুনগুন করে। পুরুষ কণ্ঠের গান। বনের ঝোপঝাড়ের ফাঁকে কে যেন গান গাইছে, “আভি না যাও ছোড় কর।” এই গান কোরেলের খুব প্রিয়। কিন্তু এই রাতে, এমন অবস্থায় এই গান শুনে কোরেলের হাড় হিম হয়ে গেল। সে একটু দ্রুত হাঁটতে শুরু করল। আকাশের চাঁদ এতক্ষণে বনের মধ্যে উঁকি দিয়েছে। আর সেই চাঁদকে পিছনে রেখে তার দিকেই এগিয়ে আসছে একটা লোক। বেশ বড়োসড়ো চেহারা। হাঁটার মধ্যে কোনও ব্যস্ততা নেই। যেন বিকেলে পার্কে ঘুরতে বেড়িয়েছে। ওই লোকটাই গাইছে, “সিতারে ঝিলমিলা উঠে, চড়াগ জগমগা উঠে… কী ব্যাপার? এত রাতে আপনি এখানে?”

    শেষ প্রশ্নটা কোরেলকে। কোরেল দেখল লোকটার পরনে পুলিশের উর্দি। বয়স অবশ্য খুব বেশি না। জোয়ান। পেটানো চেহারা।

    “আমাকে আজ রাতে এই ফরেস্টেই ডিউটি দিয়েছে। আজ সন্ধ্যায় এখানে একটা মার্ডার হয়েছে, জানেন তো? আপনি কে?”

    “আমি একটু দূরেই থাকি। বন্ধুদের সঙ্গে রূপকথায় সিনেমা দেখতে গেছিলাম।

    নাইট শো। ফিরতে ফিরতে লেট হয়ে গেল।”

    “ওকে। আমি আপনাকে বাড়ি পৌঁছে দেব?”

    “দরকার নেই। আর একটুখানি। আমি চলে যাব। থ্যাংকস।”

    “কিন্তু ওই বনপথ আর খালের ওপর দিয়ে এত রাতে যেতে পারবেন?”

    “পারব, পারব। আপনাকে চিন্তা করতে হবে না।” একটু ঝাঁজিয়েই বলল কোরেল। মরে গেলেও ওই বনপথে এই রাতে কোনও পুরুষের সঙ্গে যাবে না সে। এই লোক নিজেকে পুলিশ বলছে। কিন্তু এ যে সত্যিকারের পুলিশ তার প্রমাণ কী? এই পোশাক যে কেউ পরতে পারে।

    “আমি এখানেই আছি। অসুবিধা হলে হাঁক পড়বেন, কেমন?” লেন লোকটা। “আমি দৌড়ে গিয়ে আপনাকে উদ্ধার করব।”

    কোরেল উত্তর দিল না। পুলিশটাকে পেরিয়ে বনপথের মধ্যে নিয়ে চলতে লাগল সোজা। আর বড়োজোর তিন মিনিট। মানে ১৮০ সেকেন্ড। এতক্ষণ যখন কিছু হয়নি, এই সামান্য সময়েও কিছু হবে না। নিজেকে প্রবোধ দিল কোরেল। দুই সেকেন্ডে এক পা ফেললে আর মাত্র নব্বই পা। ঊননব্বই। অষ্টাশি। সাতাশি…

    খানিক বাদে সে অবাক হয়েই খেয়াল করল, নিজের অজান্তে সে জোরে জোরে গোনা শুরু করে দিয়েছে “বিরাশি, একাশি, আশি…”

    বনপথ ভয়ানক অন্ধকার। মোবাইলের আলো জ্বেলে যে সামান্য আলো হয় তাতে যতটুকু দেখা যায়, সেই ভরসা। কোরেলের মনে হল সারা পৃথিবীতে আর কিচ্ছু নেই। শুধু সে আছে, আর এই ভয়ানক কালো বন আছে। শাড়ির দোকানের ম্যানিকুইন, নারাণের দোকান, রূপকথা সিনেমা হল, এমনকি জুঁইদের বাড়ি, সবকিছু যেন এক লহমায় ভ্যানিশ হয়ে গেছে। “পঞ্চান্ন, চুয়ান্ন, তিপ্পান্ন”… কোরেল মনে মনে সিনেমার নায়িকার মুখ মনে করতে গেল। কিন্তু এখন শুধু সুকন্যার মুখ মনে ভেসে উঠছে। সামনেই সেই খাল। আর খালের উপরে বাঁশের পুল। কোরেলের মনে হল এবার কেউ তাকে ফলো করছে। বনপথে পরিষ্কার পায়ের শব্দ। কোরেল থেমে গেল। পায়ের শব্দ আর নেই। শুধু একগাদা ঝিঁঝিপোকা তারস্বরে চেল্লাচ্ছে। আবার দুই পা ফেলতেই পিছনে পায়ের আওয়াজ শোনা গেল। ঝিঁঝিরাও বা চুপ করে গেল কেন? কেউ কি আসছে? কোরেল চুপ করে রাত্রির আওয়াজ শোনার চেষ্টা করল। রাত্রিও যেন তার আওয়াজের অপেক্ষায়। অনেক পরে ক্ষীণ একটা শব্দ এল কোথা থেকে… দুম! ধুপ! দুম! ধুপ!

    মনের ভুল। কোরেলের হৃৎপিণ্ডের আওয়াজ এত জোরে কিছুতেই হতে পারে না। অসম্ভব। কোরেলের মাথা কাজ করছে না। সে আবার প্রাণপণে দৌড় লাগাল। ভয়, আতঙ্ক, ত্রাস, উদ্বেগ মিলিয়ে মিশিয়ে সে বাঁশের পুলটা প্রায় উড়েই যেন পার হয়ে গেল। নামার সময় সামান্য বেখেয়ালে দুটো বাঁশের মধ্যে পড়ে ডান পা-টা মচকে গেল। প্রচণ্ড যন্ত্রণা। কিন্তু কোরেলকে থেমে থাকলে চলবে না। সে কোনওমতে লেংচে লেংচে এগোতে থাকল বাড়ির দিকে।

    হায় ভগবান। আর বড়োজোর কুড়ি পা। কিন্তু পায়ের যন্ত্রণায় এটাই কয়েক মাইল মনে হচ্ছে। পিছনে পায়ের শব্দটা মাঝে মাঝে আসছে। মাঝে মাঝে মিলিয়ে যাচ্ছে। এই শেষ। আর কোনও দিন যদি সে রাতের শো দেখতে যায়। আর গেলেও সুজাতার বাড়ি রাত্রিটা থেকে যাবে। কিংবা জুইয়ের বাড়িতে। বড্ড বোকামো করেছে আজকে। আর নয়। ওই তো! ওই তো তার বাড়ির দরজা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। যাবার আগে সামনের আলোটা জ্বালিয়ে গেছিল। সেটাও জ্বলছে একইভাবে। কোনওমতে শেষ কয়েকটা পা ফেলে বাড়ির দরজার সামনে হাজির হল কোরেল। ব্যাগ থেকে চাবি বার করতে গিয়ে অসাবধানে গোটা পার্সের জিনিসপত্র ছড়িয়ে পড়ল মাটিতে। পড়ুক গে। কাল তোলা যাবে। আগে তো ঘরে ঢুকি।

    প্রথমে চাবি গোলমাল হল।

    “তাড়াতাড়ি, জলদি, খুলছে না কেন দরজাটা?”

    দরজা খুলেই দড়াম করে দরজা বন্ধ করে, ছিটকিনি লাগিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল কোরেল। উফফ। বাবা! এবার শাস্তি। এবারে আর কেউ কিচ্ছু করতে পারবে না। এবারে সে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। হোম হোম সুইট হোম, সাধে বলে লোকে? বসার ঘরের কাচের জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল কোরেল। যতটা দেখা যায়, কেউ কোত্থাও নেই। গোটাটাই তার মনের ভুল। নিজের উপরেই রাগ ধরল তার। প্যানিক অ্যাটাকে মানুষ কী-ই না করে! পায়ের ব্যথাটা বাড়ছে। ভোলিনি না লাগালে কমবে না। মোবাইল বার করে জুঁইকে ফোন করল কোরেল।

    “হ্যাঁ রে। এখনও জেগে আছিস? ঘুমিয়ে পড়। হ্যাঁ, হ্যাঁ। বাড়িতেই ঘরের ভিতরে। আর কোনও ভয় নেই। পা সামান্য মচকেছে।

    আরে না, না, অন্ধকারে গর্তে পড়ে গেছিলাম। হ্যাঁ, ভোলিনি লাগাচ্ছি। তুই শুয়ে পড়। গুড নাইট”

    আর তখনই শোবার ঘরে নিজের বিছানার দিকে চোখ পড়ল কোরেলের। গোটা ঘর অন্ধকার। শুধু বিছানায় একটা চৌকো চাঁদের আলোর ফালি এসে রুপোলি আলোতে ধুয়ে দিয়ে যাচ্ছে। কোরেলের শোবার ঘরে কাঠের জানালা। কাচ দেওয়া না। জানলায় শিক নেই। তাই সন্ধেবেলাতেই বন্ধ করে দেওয়া হয় রোজ। আজও করেছিল। স্পষ্ট মনে আছে।

    অপলক দৃষ্টিতে শোবার ঘরের দিকে তাকিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় কোরেল বলে উঠল, “কে? কে?”

    .

    ঠিক তার পিছনে অন্ধকার বসার ঘর থেকে কার যেন গলাখাঁকরানোর আওয়াজ পাওয়া গেল…

    .

    অনুবাদকের জবানি— যদিও গোটা গল্প বা তার আঙ্গিক একেবারে আমার জন্মস্থান অশোকনগরে, কিন্তু কাহিনি রে ব্র্যাডবেরির বিখ্যাত গল্প ‘দ্য হোল টাউন ইজ স্লিপিং’ থেকে নেওয়া। বিশেষ করে শেষটা। তাই একে মৌলিক গল্পে না রেখে অনুবাদ বা ভাবানুবাদ অংশেই রাখা গেল। ‘কেউ কোত্থাও নেই’ নামটা একেবারেই সহজ পাঠ থেকে ওঠানো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }