Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প466 Mins Read0
    ⤶

    পরিশিষ্ট – ‘আতঙ্ক সমগ্র’: সমগ্র আতঙ্কের খতিয়ান

    গল্পসংকলনের মূল্যায়ন করে কিছু লিখতে যাওয়া খুব বিপদের কথা। কারণ  যতই কষে ধরেবেঁধে বাঁধতে যাওয়া হোক না কেন, ঠিক ঠোঙা ফেটে গল্পচূর্ণ স্পয়লার হয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে যাওয়ার রিস্ক থেকে যায়। আর ‘ছোটো’ গল্প তো, তাই ওইটুকু গল্পচূর্ণ বেরিয়ে পড়লেই গোটা গল্পটা মুখ দেখিয়ে ফ্যালে আর রিভিউয়ার গালাগালি খেয়ে মরেন। উপন্যাস বা নন-ফিকশনের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি থাকে না অতটা। অতএব প্রথমেই বলে রাখি যে এই লেখায় আমি ‘আতঙ্ক সমগ্র’-এর গল্পগুলি ধরে ধরে সামারি দেওয়ার মতো বিশ্লেষণ করতে বসিনি। বইটা পড়ে সামগ্রিকভাবে যে কটি কথা মনে হয়েছে তাই বলব।

    বইতে আছে ছোটো-বড়ো মিলিয়ে পঁচিশটি গল্প। বইয়ের নাম থেকে এও পরিষ্কার যে, সবকটিরই মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ‘আতঙ্ক’। এর মধ্যে বেশিরভাগ কাহিনিই লেখকের পূর্বপ্রকাশিত দুটি বই ‘আঁধার আখ্যান’ ও ‘আবার আঁধার’-এ অন্তর্ভুক্ত ছিল। কাজেই বেশ কিছু মানুষ সেগুলি পড়েছেন। যে গল্পগুলি আগে সাদা-কালোয় ছাপা হয়নি তারাও বিপুলভাবে প্রশংসা পেয়েছে মানুষের- না, পাঠকের নয়, শ্রোতার। ‘গপ্পো মীরের ঠেক’-এ কৌশিক মজুমদারের ভয়ের গল্পের জন্য আলাদা করে দাবি আসে আজ। মোদ্দা কথা, কৌশিক মজুমদারের কলমে যে ভয়ের পাওয়ান রচিত হয় তার স্বাদ বাংলার জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে ডুবে থাকা এক বড়ো অংশের মানুষই পেয়েছেন। আমি এই বইয়ের পঁচিশটি গল্পের নিরিখে সেই মনোহর পাওয়ানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মশলাপাতিগুলির স্বাদ-গন্ধ একটু আলাদা আলাদা করে চেখে দেখার চেষ্টা করব কেবল।

    আতঙ্ক জিনিসটা আসে রহস্য থেকে, অন্ধকার থেকে। অন্ধকারের রং কালো। কিন্তু সব কালো তো একরকমের হয় না, তাই না? তাই আতঙ্কের রং-ও অন্ধকারের ঘনত্ব আর উপাদানের সঙ্গে সঙ্গে পালটাতে থাকে। এ বইয়ের গল্পগুলি নানান ধাঁচের। কৌশিক মজুমদার স্পেকুলেটিভ ফিকশনের বিভিন্ন জঁরেই হাত দিয়েছেন মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা ‘অন্ধকার’-কে বিভিন্ন দিক থেকে নিরীক্ষণ করার জন্য। আসলে মানুষের মনের তলদেশে লুকিয়ে থাকা অন্ধকারের পাঁকই তাকে দিয়ে করিয়ে নেয় এক-একটা অভাবনীয় কুকর্ম, তাকে ভয় দেখায়— দুঃস্বপ্নের বেশে, অলৌকিকের রূপে, ভবিষ্যতের চেহারায়। অন্ধকারের উৎস তাই একই, উদ্ভাস হয় ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির। দানবের অধিষ্ঠান কখনও মনের ভিতরে, হয়তো মনের অগোচরে, আবার কখনও বা নিতান্ত চোখের সামনে অসহনীয়ভাবে। কালিকলমে যখনই এই রূপভেদ ফুটে উঠেছে, লেখক-পাঠক-সমালোচক তাদের ভেঙে দিয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন জঁর আর সাবজঁরে— ক্রাইম, হরর, সুপারন্যাচারাল, স্ল্যাশার হরর, ডিস্টোপিয়ান ফ্যান্টাসি, সাই-ফি থ্রিলার, কিংবা একেবারে আমাদের ঘরের তন্ত্র-মন্ত্র আর ভূত-প্রেত- অপদেবতাদের নিয়ে লেখা অকাল্ট হরর- বলতে বলতে রাত ভোর হয়ে যাবে। মহাজন-সাহিত্যিক স্টিফেন কিং ‘ড্যান্সে ম্যাকা’ বইতে এই জঁর ভাগাভাগির ব্যাপারটাকে মান্যতা দিয়েও আদতে সবই যে এক সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন।

    “It’s a trap, this matter of definition, and I can’t think of a more boring academic subject […] and not really interesting unless those involved in the discussion are drunk or graduate students- two states of roughly similar incompetence. I’ll content myself with stating the obvious inarguables: [they] are works of the imagination, and [they] try to create worlds which do not exist, cannot exist, or do not exist yet. There is a difference, of course, but you can draw your own borderline, if you want- and if you try, you may find that it’s a very squiggly border indeed.”

    কৌশিক মজুমদার এই তত্ত্বের মূল ধরে টান দিয়েছেন। তিনি স্বচ্ছন্দ পায়ে বিচরণ করেছেন এক জঁর থেকে আর এক জঁরে, কিন্তু মূল বিষয়বস্তু যে অন্ধকার সেটা ভুলে যাননি কখনও। গল্পগুলিতে বিভিন্ন রূপে এবং বিভিন্ন পরিমাণে এসেছে ‘ডার্কনেস’। গোটা বইটাই তাই হয়ে উঠেছে সেই অন্ধকার-সঞ্জাত আতঙ্ক নিয়ে সাহিত্যিক পরীক্ষানিরীক্ষার এক ল্যাবোরেটরি। সেইজন্যই বুঝি বইয়ের নাম ‘আতঙ্ক সমগ্ৰ’– গোটা বই জুড়ে যেন একখানাই গল্প- আতঙ্কের। পঁচিশটা ছোটোগল্পকে সেই একটা গল্পের পঁচিশটা পর্ব ভেবে পড়লে স্বাদগ্রহণে সুবিধে হবে। এবং পঁচিশটি আদ্যম্ভ ভিন্ন স্বাদের গল্পে ‘আতঙ্ক সমগ্র’ হয়ে উঠেছে একটি লোভনীয় আতঙ্ক-চকোলেটের মিক্সড ব্যাগ। অবশ্য তা না বলে বইটিকে একটি ডার্কনেস থিমের পূর্ণাঙ্গ থালিও বলতে পারেন। অথবা একটি পারফেক্ট ধ্রুপদি সংগীতের আসর। ধ্রুপদি রহস্যগল্প দিয়ে শুরু হয়ে, নন-ক্রাইম স্টোরি পেরিয়ে, ডার্ক হিউমর আর ডার্ক ফ্যান্টাসি হয়ে সাইকোলজিকাল হররের ঘাট পেরিয়ে সোজা সুপারন্যাচারাল হররে ঢুকে পড়েন লেখক। সেখানে বিরাট এক প্ল্যাটার সাজিয়ে তিনি পুজো দেন বিশ্বের হরর সাহিত্যের মহারাজ হাওয়ার্ড ফিলিপস লাভক্রাফটের। তারপর ডিস্টোপিয়ান-কল্পবিজ্ঞান দিয়ে মৌলিক গল্পের পাত শেষ করেন। ডেজার্টে হাতে তুলে নেন বিদেশি মিষ্টি, বাংলার রসে অনুবাদ করা। পাঠক এইখানেই বুঝতে পারবেন কেন তাঁর আগের গল্পগুলো পড়তে এত ভালো লেগেছে। কারণ তিনি বুঝতে পারবেন যে লেখকের মনের তার বাঁধা আছে পাশ্চাত্য স্পেকুলেটিভ ফিকশনের ডার্কনেসের ট্রিটমেন্টের মধ্যে, সেই ঘরানার থেকেই তিনি উদ্বুদ্ধ হয়েছেন অন্ধকারকে বিজ্ঞানীর মতো একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে এক্সপ্লোর করা এমন একটি বইয়ের কথা ভাবতে।

    ‘আতঙ্ক সমগ্ৰ’-তে পাশ্চাত্য হররের প্রভাব নিয়ে কিছু বলতে গেলে আলাদা করে অবশ্যই বলতে হবে লাভক্রাফটিয়ান হররের কথা, কারণ এই বইয়ের কয়েকটি গল্প লাভক্রাফটের কপিবুক স্টাইলে লেখা। কিন্তু সেগুলির কথায় যাওয়ার আগে লাভক্রাফটিয়ান হররের ব্যাপারে কিছু কথা জেনে নেওয়া জরুরি, কারণ বাঙালি পাঠকের কাছে লাভক্রাফট স্বনামে পরিচিত হলেও গল্পের ধাঁচের নিরিখে ততটা নন। ১৯২০-র দশকে হরর-ফ্যান্টাসি-উইয়ার্ড সাহিত্যের ইতিহাসের মোড় ফিরিয়ে তাকে ইংল্যান্ড থেকে আমেরিকায় ঘাঁটি গাড়তে বাধ্য করার পিছনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল থুলু মিথোসের স্রষ্টা হাওয়ার্ড ফিলিপস লাভক্রাফটের লেখালিখি শুরু করা। হরর সাহিত্যকে কালের বিচারে যদি দুটি যুগে ভাগ করতে হয়, তবে সেই যুগসন্ধিতে দাঁড়িয়ে আছেন লাভক্রাফট। তিনি পূর্বসূরিদের রচনাশৈলী নিংড়ে নিলেন এবং তাই দিয়ে তাঁর পরবর্তী এক বিরাট লেখকসমাজকে পথ দেখানোর মতো একদম নতুনরকমের রচনা ও চিন্তাশৈলী তৈরি করলেন। ভয়-আতঙ্কের কারবারে মানুষী সম্পর্কের অলিগলিতে নয়, তিনি আগ্রহী ছিলেন মানুষের সঙ্গে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সম্পর্কের আনাচকানাচ নিয়ে। লর্ড ডানসেনি, রবার্ট, ডব্লিউ চেম্বার্স, আর্থার ম্যাকেন প্রমুখের রচনা তাঁকে দেবতাপদবাচ্য প্রাচীন ‘থিংস’-এ ভরা এক ‘কসমস’, এক ছদ্ম-মিথোলজি কল্পনা করতে প্রভাবিত করেছিল। মানুষের জানা দুনিয়ার বাইরে থাকা অমিত শক্তিধর এই ব্রহ্মাণ্ডের অশেষ ক্ষমতা এই দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করার। লাভক্রাফট বলতে চাইলেন যে নিজেদের সব জ্ঞান-বুদ্ধি আর সমগ্র অস্তিত্বের দন্ত নিয়েও মানুষ আসলে সেই ব্রহ্মাণ্ড আর তাদের প্রকাণ্ড অধিবাসীদের ক্ষমতার সামনে খড়ের পুতুল মাত্র। তাদের আর আমাদের জগতের মাঝখানে ব্যবধান শুধুমাত্র একটি পাতলা পর্দার- আর সে পর্দাও সরে যেতে পারে যখন-তখন। হয়তো বা আমাদেরই অতি-কৌতূহলের বশে কিংবা অসাবধানী আঙুলের স্পর্শে। লাভক্রাফট বললেন এক রহস্যময় বইয়ের কথা। ‘নেক্রোনমিকন’ নামের সেই মহাগ্রন্থই দুই জগতের মাঝের সেই রহস্যদ্বার খোলার চাবি। সে মহাগ্রন্থে রয়েছে সেই বহিব্রহ্মাণ্ডের বিকট ভয়ংকরদের কথা, জগতের পরম সত্য— ঈশ্বর বলে কিছু নেই, মৃত্যুর অতীত সেই সর্বশক্তিমানরাই নিয়ন্ত্রণ করছে এই মরজগৎকে তাদের যেমন ইচ্ছা তেমন। নেক্রোনমিকনের এই পরম জ্ঞানও কিন্তু সকলের জন্য নয়। নেক্রোনমিকন বেছে নেয় নিজের পাঠককে। তাকে ডাক পাঠিয়ে অলৌকিক উপায়ে টেনে আনে নিজের কাছে। তারপর তার চোখের সামনে সেই মহাগ্রন্থ জীবন্ত হয়ে ওঠে। তার অক্ষরগুলি প্রাণ পেয়ে ধীরে ধীরে অধিকার করে নেক্রোনমিকনের পাঠককে। তখন তার সামনে সেই জ্ঞান-বোধ-আবেগের অগম্য অধিবাসীরা তাদের সমস্ত ক্ষমতা নিয়ে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় প্রলয় ঘটাতে ঘটাতে। তারা দেবতা না দানব? লাভক্রাফট পাঠককে গুলিয়ে দেন। থুলু, ডাগনের মতো সেই দানবিক দেবতারা (লাভক্রাফটের ভাষায় ‘দি ওল্ড ওয়াস’) মানুষকে পাকে পাকে বেঁধে ফেলে নিজেদের দাস বানিয়ে রেখে অট্টহাসি হাসতে থাকে। তখন সৃষ্টি হয় প্রবল আতঙ্কের। সেই আতঙ্ককে লাভক্রাফট উপস্থাপিত করলেন ঘাড়ে কাঁটা দেওয়া মনস্তাত্ত্বিক ভয়ের রূপে। নেক্রোনমিকনের পাঠক সেই মৃত্যুর অতীত সর্বশক্তিমানের পূজারী হয়ে উঠতে উঠতে কি নিজেই সেই ‘কসমিক’ মহাভয়ংকরের অংশে পরিণত হয়? লাভক্রাফট তাই বলেন। তবে তাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী? উপায় নেই… নেই।

    লাভক্রাফটিয়ান হরর বা কসমিক হররের মূল চরিত্র হল এই। পরবর্তীতে যে ভিন্ন জগতের প্রাণীর পৃথিবী আক্রমণ হরর সাহিত্যের এক অতি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছিল, তার একটা উৎস যে এই ভিনব্রহ্মাণ্ডের আতঙ্ক বা ‘কসমিক হরর’, এমনটা বলা যায়। ধ্রুপদি সাহিত্য-সংস্কৃতির ভক্ত লাভক্রাফটের ভয়ের চড়াই ভাঙার ভাষায় সেই ধ্রুপদি প্রভাব স্পষ্ট। তাঁর ‘ডাগন’ (১৯১৯), ‘দ্য কল অফ থুলু’ (১৯২৮), ‘দ্য ডানউইচ হরর’ (১৯২৯), ‘দ্য শ্যাডো ওভার ইন্‌সমাউথ’ (১৯৩৬), ‘দ্য কেস অফ চার্লস ডেক্সটার হাওয়ার্ড’ (১৯৪১) প্রভৃতি প্রায় সত্তরটি গল্প-উপন্যাসের প্রত্যেকটিই অনন্য। লাভক্রাফটকে অনুসরণ করে এই ‘কসমিক’ হরর তাঁর পরে অনেকে (যেমন ক্লার্ক অ্যাশটন স্মিথ, রবার্ট ই হাওয়ার্ড, অগাস্ট ডেরলেথ, ফ্রিৎস লাইবার, রবার্ট ব্লক প্রমুখ) লিখতে চেয়েছেন, কিন্তু তাঁর উচ্চতায় কেউই নিয়ে যেতে পারেননি। বাংলাতে নিখাদ লাভক্রাফটীয় ঘরানার হরর লেখা হয়নি বললেই চলে, যদিও একাধিক লেখকের একাধিক লেখায় সেই ছাপ পড়েছে। যেমন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বন্ধ দরজার ওপারে’ কিংবা অদ্রীশ বর্ধনের ‘আদিম আতঙ্ক’। কৌশিক মজুমদারের ‘আতঙ্ক’ বা ‘জুজুমা’ সেখানে এই কসমিক হররের ছক মেনে চলেছে প্রায় নব্বই শতাংশ। এই গল্পদুটি ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় অডিও স্টোরি প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হয়েছে। ‘আতঙ্ক’ গল্পে লেখক লাফক্রাফটের ইংরেজি ধ্বনিগাম্ভীর্যের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে সাধুভাষার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। তারপর যে বইটির সামনে কথক উপস্থিত হন সেটি যে নেক্রোনমিকনই তা লাভক্রাফটিয়ান হররের সঙ্গে সামান্য পরিচিত যে-কোনও পাঠকই বুঝতে পারবেন। ‘জুজুমা’ গল্পে লাভক্রাফটের আদিম ভয়ংকর দেবতা থুলু-ডাগনের জায়গা নিয়েছে ভারতীয় মূলনিবাসী জনবিশ্বাসের দেবতা জুজুমা, যিনি নাকি বৃদ্ধ ঠাকুরদা, যিনি প্রতিশোধ নেন। তাঁর আবির্ভাবও ঘটে দেওয়ালের মধ্যে দিয়ে, লাভক্রাফটেরই লেখার ঢঙে। এমনকি জুজুমার বর্ণনাও লাভক্রাফটের দৈবী-দানব থুলুকে মনে পড়িয়ে দেয়।

    কিন্তু ভুল করবেন না, কৌশিক মজুমদার স্বদেশের কুকুর ফেলে বিদেশের ঠাকুরকে মাথায় তুলে নেননি আদৌ। বরং ‘আতঙ্ক সমগ্র’-এর যে বৈশিষ্ট্যটি সবথেকে বেশি আমার নজর কেড়েছে তা হল পাশ্চাত্য আর ভারতীয় গল্প বলার ধারার মেলবন্ধনের একটা প্রচেষ্টা। লেখকের কলম যেমন আধুনিক এক্সপেরিমেন্টাল হররের (উত্তর— ১৯২০/৩০ হরর সাহিত্যের ধারা অনেকটাই মার্কিন প্রভাবান্বিত) কাছে ঋণ স্বীকার করেছে, তেমনই একাধিকবার আপন করে নিয়েছে খাঁটি ইংরেজ ভয়-রহস্য গল্পের অন্ধকার পরিমণ্ডল নির্মাণের আদি ধ্রুপদি শৈলীকে। আর এই ‘ব্যাক টু দ্য বেসিক্স’-এ যাওয়ার সময়ই তিনি বাংলার ভূতের গল্পের মাটির গন্ধকেও নিজের কাজে লাগিয়েছেন। ‘শল্পের নাভি’ গল্পের শেষে ‘লেখকের জবানি’-তে তিনি ঠিক এই কথাটা জানিয়েওছেন। তন্ত্রের আবছায়া গলিগালায় প্রবেশ না করেও যে নিটোল ভয়ের গল্প লেখা যায়, তা এই তন্ত্রসর্বস্ব ভয়বাজারের বুকে দাঁড়িয়ে তিনি এই গল্প দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন। বাংলার অলৌকিক কাহিনি-ঐতিহ্যের অনেকটা জায়গা জুড়ে রয়েছে আমাদের লোককথার ভূতপ্রেতেরা। ‘রিয়ালিস্টিক হরর’-এর দাবির এই যুগে যখন ভয়ের গল্প মানেই অ্যাড্রিনালিনে চোবানো রগরগে শিহরনের নামান্তর হয়ে উঠছে, তখন ব্ৰহ্মদৈত্য-শাঁখচুন্নি-পেতনি-ভুলো-একানড়েরা নেহাতই ‘গ্রাম্য’, ‘ছেলেভুলোনো’ মিথের তকমা পেয়ে পিছু হঠছে। তাদের দোষ হয়তো তাদের কাহিনিগুলির গঠনগত সারল্য। কিন্তু কৌশিক মজুমদার তাদেরও এনে ফেলেছেন হাড়- হিম করা বাস্তবোচিত ভয়ের পটভূমিকায়, আর তার ফল যে হয়েছে চমকপ্রদ তা ‘পেডিকিওর’, ‘অপদেবতা’, ‘একানড়ে’ গল্পগুলো পড়লেই বোঝা যাবে। এই নিরিখে ভীষণভাবে মন কাড়ে ‘প্রেতিনী’। এই গল্পের শিরদাঁড়াস্বরূপ বাংলার নিজস্ব আদিম ‘র’ ভৌতিকতাকে যোগ্য পূর্ণ রূপ দিয়েছে ভিক্টোরিয়ান আবহনির্মাণ, এবং শেষের টুইস্টটি একেবারেই আধুনিক সাইকোলজিকাল হররের মোক্ষম টাচ যা পাঠককে ভাবতে বাধ্য করবে সত্যিই কি যা বলা হচ্ছে সেটাই সত্যি? এবং এই বিভাগের সেরা কাহিনি নিঃসন্দেহে ‘মনা’। তন্ত্র-মন্ত্র-মারণ- উচাটন কি সত্যিই হয়? কোনও দিন ছিল? থাকলেও এই একবিংশ শতাব্দীতে কি তার কোনও জায়গা আছে? যারা এসবের চর্চা করে বলে শোনা যায় তারা কি খাঁটি লোক, নাকি ভাঁওতাবাজ অথবা পাগল? এইসব প্রশ্নের কংক্রিট উত্তর খোঁজা বৃথা। শুধু যা জেগে থাকে তা হল ‘হলেও হতে পারে’-সঞ্জাত ভয়। আর সে ভয় তীব্রতর হয় যখন তেমন আধিদৈবিক, অতিলৌকিক, অদ্ভুতুড়ে কার্যকলাপের রঙ্গমঞ্চ হয়ে দাঁড়ায় আমার-আপনারই পাশের বাড়ি, কুশীলব আমার-আপনারই প্রতিবেশী— এমনকি কখনও কখনও আপনি নিজেও। তখন সেই অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে তীব্রতম ভয়ের, যে ভয়ের স্বাদ দেয় ‘মনা’।

    বলতে গেলে প্রায় সব গল্পের কথাই বলতে হয় আলাদা করে। ‘স্ন্যাপচ্যাট’ গল্পে অন্ধকারের থিম ব্যবহৃত হচ্ছে কনেবউয়ের সিঁথিতে সিঁদুরের রেখার মতো- এক লাইনে গোটা গল্পটার ভোল পালটে দিতে। এই গল্পটিকে স্পেকুলেটিভ ফিকশনের চেয়েও বেশি আমি উচ্চমানের সামাজিক গল্পই বলব। ‘রৌরবকাল’ মূলত কল্পবিজ্ঞান হলেও, এক অনাগত ভবিষ্যতের ছবি আমাদের হাড় হিম করে দেয়। কেবলমাত্র মৌলিক গল্পই নয়, অনুবাদের ক্ষেত্রেও তিনি অসাধারণ সাবলীল। আধুনিক বাঙালির পরিচিত ঝরঝরে বাংলা ভাষায় তিনি তাঁর গল্পের প্ল্যানচেট টেবিলে ডেকে এনেছেন নিল গেইম্যান, জোসেফ কনরাডের আত্মাকে। ‘কেউ কোত্থাও নেই’ গল্প যে আসলে রে ব্র্যাডবেরির ‘দ্য হোল টাউন ইজ স্লিপিং গল্পকে ‘হিন্দের বন্দি’ (নারায়ণ সান্যালের কাছে ঋণ স্বীকার করি) তথা ‘বাংলার বন্দি’ করা, তা গল্প শেষ করে অনুবাদকের জবানি পর্যন্ত যাওয়ার আগে বোঝাই যায় না। একে নিছক অনুবাদ বলতে আমি রাজি নই। মার্কিন স্মল টাউন কৌশিক মজুমদারের কলমের গুণে আত্তীকৃত হয়ে রূপ নিয়েছে কলকাতার কাছ-বরাবর অশোকনগরের। সত্যি বলতে কী, ইংরেজি হরর সাহিত্যের অন্যতম পটভূমি যে মফস্সলের ছোটো শহর বা ‘স্মল টাউন’, তা যেন কৌশিক মজুমদারের বিভিন্ন গল্পে বারবার ফুটে উঠেছে। কখনও তা কালিম্পংয়ের মতো শৈলশহর, কখনও মেদিনীপুরের মতো জেলাসদর, কখনও বা তাঁর নিজের বাসভূমি উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগর।

    প্রতিটা কাহিনির গল্প বা উপন্যাস বা বই ‘হয়ে ওঠার’ একটা কাহিনি থাকে। সেটা লেখকের একান্ত আপন। সচরাচর লেখক সেই ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলো কারও সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান না, কিন্তু সেগুলো জানতে পারলে পাঠকের কাহিনিপাঠের আনন্দ কয়েকশো গুণ বেড়ে যায়। এখানে কৌশিক মজুমদার প্রতিটি গল্পের শেষে ‘লেখকের/অনুবাদকের জবানি’-তে সেটা করেছেন এবং তাতে বইয়ের গুণমান বেড়েছে বই কমেনি।

    কৌশিক মজুমদার বিখ্যাত প্রাবন্ধিক এবং ঔপন্যাসিক। কিন্তু উপন্যাসের থেকেও ছোটোগল্প বোধহয় একজন কাহিনিকারের কাছের দুরূহতর পরীক্ষার জায়গা, কারণ অল্প পরিসরে নিপুণ মুনশিয়ানায় কাহিনির সবটুকু রস সুচারুভাবে পরিবেশন করতে হয়। ম্যাসন সিরিজ বা তারিণীচরণের মতো রহস্য কাহিনি, ‘হোমসনামা’, ‘তোপসের নোটবুক’-এর মতো সিউডোগ্রাফি হোক কিংবা ‘নোলা’- ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’-র মতো নন-ফিকশন, কৌশিক মজুমদার যে গল্প বলতে পারেন এবং তার থেকেও বড়ো কথা গল্প বলতে দারুশ ভালোবাসেন, সেটা বারবার প্রমাণ হয়েছে। ‘আঁধার আখ্যান’-এ তাঁর ছোটোগল্পকার রূপের উদযাপনের শুরু হয়েছিল, ‘গপ্পো মীরের ঠেক’-এ সেই উদ্যাপন রীতিমতো উৎসবে পরিণত হয়েছে। এখন পাঠক, সেই উৎসবের তারাবাজি, রংমশাল, তুবড়ি যা-ই বলতে চান না কেন, ভুলে দেওয়া হল আপনারই হাতে। তবে আর দেরি না করে জ্বালিয়ে ফেলুন। দেখুন সেই আলোয় আতঙ্কের আঁধার ফিকে হয়, না আরও গাঢ় হয়ে আসে।

    রাজর্ষি গুপ্ত
    ভূত চতুর্দশী, 2025

    .

    রাত নিস্তব্ধ। বইয়ের একেবারে শেষপাতায় এসে গেছি। সাদা পৃষ্ঠাখানা বিরাট এক ক্ষারীয় প্রান্তরের মত আমার সামনে বিস্তৃত। ভাবছিলাম, যাক, এবারের মত আমার গল্প বলা শেষ হল। কে যেন কানের সামনে ফিসফিসিয়ে বলে উঠল “না, এখনই নয়”। চমকে উঠে আমি আয়নার দিকে তাকালাম আর দেখলাম, আমার বলা সব গল্পের চরিত্ররা এখন আমার ভিতরেই বাস করছে। তারা অট্টহাসিতে ফেটে পড়ছে, অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি করছে আবার ডুকরে কেঁদে উঠছে অকারণে।

    আর সেই আয়নায় আগুনের হরফে লেখা

    ‘এবার পরের গল্প শুরু।’

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }