Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিম সমাজ – লুইস হেনরি মর্গান

    বুলবন ওসমান এক পাতা গল্প216 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.২ জীবন ধারণের সামগ্রী লাভের কলাকৌশল

    ১.২ দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ – জীবন ধারণের সামগ্রী লাভের কলাকৌশল

    মানুষ যে নগণ্য অবস্থা থেকে তার যাত্রা শুরু করেছিল তা নিখুঁতভাবে পরিস্ফুট হয় মানুষের জীবন ধারণের আনুক্রমিক সামগ্রী লাভের কলাকৌশলে। এর ওপর নির্ভর করছে পৃথিবীর ওপর মানুষের কতটা প্রাধান্য খাটবে। মানুষই একমাত্র প্রাণী খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের ওপর যার আছে পুরোপুরি দখল। একেবারে প্রাথমিক যুগে অবশ্য মানুষ অন্যান্য প্রাণীদের চেয়ে কোনো অংশে ওপরে ছিল না। একই ধরনের খাবার এবং তার উৎপাদনের ব্যবস্থা পরিব্যাপ্ত না করতে পারলে মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারত না। খাদ্যের বিভিন্নতা ও পরিমাণের ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা না থাকলে জনবহুল জাতি গঠন সম্ভব হত না। মানবজাতির মধ্যে প্রগতির যে ঢল নামে সম্ভবত তা খাদ্যদ্রব্যের উৎসের ক্রমবর্ধমানতার দরুন সম্ভব হয়েছে।

    মানুষের খাদ্য সংগ্রহের ব্যাপারে আমরা পাঁচটি উৎস দেখতে পাই। প্রথম দুটি আদিম যুগে এবং বাকি তিনটি ঘটে বর্বর যুগে। আবির্ভাবক্রম অনুযায়ী এদের নিম্নলিখিতভাবে সাজানো গেল :

    ১। ফল-মূলনির্ভর আহার্য-দ্রব্য–যার উৎস ছিল খুব সীমিত

    এ ব্যাপারটা আমাদের মানুষের শৈশব অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে। যখন মানুষের সংখ্যা ছিল অতি অল্প, আহার্য-দ্রব্য ছিল অতি সাধারণ এবং মানুষ যখন ভূখণ্ডের অল্প এলাকা জুড়ে বসবাস করত। মানুষ তার নূতন জীবনযাত্রার পথে মাত্র পদক্ষেপ করেছে। এই সময় এমন কোনো শিল্প বা প্রতিষ্ঠান ছিল না যা উল্লেখ করা যায়। কিন্তু একটা উদ্ভাবনের কথা স্বীকার করা দরকার, তা ভাষা। যে ধরনের আহার্য-দ্রব্যের উল্লেখ করা হয়েছে তাতে বোঝা যায় মানুষ বাস করত গ্রীষ্মমণ্ডল বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে। এই অঞ্চলের জলবায়ুতেই আদিম মানুষ তাদের জীবন কাটিয়েছে। গ্রীষ্ম ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের বনে ফল ও বাদাম পাওয়া যায় প্রচুর, এ থেকেই অনুমান করা যায় আমাদের পূর্বপুরুষরা কোন অঞ্চলে বসবাস করত।

    কালের দিক থেকে বিচার করলে অন্যান্য প্রাণী মানুষের বহু পূর্বেই সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ যখন পৃথিবীতে আসে অন্যান্য প্রাণীরা অসংখ্য দলবল নিয়ে সদম্ভে রাজত্ব করছে। প্রাচীন কবিরা লিখে গেছেন যে বন্যপ্রাণীর[১] সাথে সংগ্রাম করে মানুষ বনে ও গুহায় বাস করত। আর আপনা থেকে গজিয়ে ওঠা ফল-মূল খেয়ে জীবন কাটাত। আত্মরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্যে মানুষকে গাছের ওপর বাস করতে হত।

     

     

    বাঁচার জন্যে খাবার অন্বেষণের বোঝা প্রতিটি প্রাণীর ওপরই সর্বদা চাপানো রয়েছে। আমরা মানুষের যত আদি অবস্থার দিকে নামতে থাকি দেখতে পাই মানুষের আহার্য-দ্রব্য গুটিকয়েক জিনিসে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। যত ওপরে উঠতে থাকি তা ধাপে ধাপে ঊর্ধ্বারোহণ করে এবং বিশেষ এক উন্নতির পর্যায়ে তা হঠাৎ ব্যাপক হয়ে উঠেছে। তখন থেকে মানুষের বুদ্ধিমত্তা একটা প্রধান উপাদান হয়ে দাঁড়ায়। আহার্য হিসেবে পশুর মাংস সম্ভবত প্রাথমিক যুগেই ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু মানুষ যখন ফল-মূল আহরণ পর্যায়ে তখন সচেতনভাবে পশু শিকার করত কি না অনুমানসাপেক্ষ। এই ধরনের আহার্য-ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবেই পড়ে আদিম পর্যায়ে।

    ২। আহার্য বস্তু হিসেবে মাছ

    প্রথম কৃত্রিম খাদ্য হিসেবে মাছকেই ধরতে হবে, কারণ রান্না ছাড়া একে সম্পূর্ণ গ্রহণ করা কষ্টকর। আগুনের ব্যবহার হয়তো এই কাজেই প্রথম শুরু হয়। পৃথিবীর প্রায় সব অঞ্চলেই প্রচুর পরিমাণে মাছ পাওয়া যায়। খাবার হিসেবে তাই মাছকে সব সময়ই ব্যবহার করা যায়। আদিম যুগের খাবার সম্বন্ধে পুরো তথ্য জানা যায় নি। পশু শিকারে মানুষ সম্পূর্ণভাবে বাঁচতে পারে কি না সন্দেহের ব্যাপার। মাছের ওপর নির্ভর করতে শিখে মানুষ জলবায়ু ও আঞ্চলিক বন্ধনের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে। নদী, সমুদ্র ও হ্রদের তীর ধরে মানুষ আদিম যুগেই পৃথিবীর বিপুল অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় প্রতিটি মহাদেশে এই স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়া যায় আদিম পর্যায়ের চকমকি পাথর ও পাথরের জিনিসপত্রের নিদর্শন দেখে। শুধু প্রাকৃতিক ফল-মূলের ওপর নির্ভর করে মানুষের আদিম চরিত্র বদলানোর কোনো সুযোগই ছিল না।

     

     

    খাবার হিসেবে মাছের ব্যবহার ও শস্য চূর্ণ করে আটা তৈরির মধ্যে অনেক সময় কেটে যায়। এই দুয়ের মধ্যে খাবারের পরিমাণও প্রকারে বাড়ে প্রচুর। যেমন মাটির চুলো তৈরি করে রুটি তৈরি করা এবং উন্নত অস্ত্র দিয়ে শিকার করা, বিশেষ করে তীর-ধনুকের[২] সাহায্যে শিকার। এই অস্ত্রটা আসে বর্শা আবিষ্কারের পর, কিন্তু অস্ত্র হিসেবে খুবই ফলপ্রসূ হয়ে দাঁড়ায়। এর উদ্ভাবন ঘটে আদিম যুগের শেষ পর্যায়ে। এই অস্ত্র আদিম সমাজকে বেশ শক্তিশালী করে তোলে, যেমন লোহার তরবারি শক্তিশালী করে বর্বর যুগকে। আর আগ্নেয়াস্ত্র শক্তিশালী করে সভ্য যুগকে।

    মৎস্যজীবী অঞ্চলের বাইরে মানুষ আরেক ভয়ঙ্কর উপায়ে খাদ্য সন্ধানে লাগে তা নরখাদকতা।

    ৩। চাষের সাহায্যে শস্য উৎপাদন এবং শস্যকে আহার হিসেবে গ্রহণ

    আদিম স্তর পার হয়ে আমরা এখন নিম্ন পর্যায়ের বর্বর যুগে প্রবেশ করছি। পশ্চিম গোলার্ধে ধান-গম-যব ইত্যাদির চাষ ছিল অজ্ঞাত। যারা আদিম পর্যায় পার হয়ে এসেছিল এমন কিছু গোষ্ঠী অবশ্য তা জানত। পূর্ব গোলার্ধে এশিয়া এবং ইউরোপীয় গোষ্ঠীরাও এই ব্যাপারে ছিল অজ্ঞ। তারা সম্ভবত নিম্ন বর্বর পর্যায় শেষ করে মধ্য বর্বর যুগ ছুঁই ছুঁই অবস্থায় এই জ্ঞান লাভ করে। এ থেকে দেখা যাচ্ছে আমেরিকান আদিবাসীরা পূর্ব গোলার্ধের গোষ্ঠীগুলো থেকে সম্পূর্ণ এক জাতিতাত্ত্বিক বিভাগ আগেই এই জ্ঞান লাভ করে। এর কারণ দুই গোলার্ধে অগ্রগতি একইভাবে সাধিত হয় নি। পূর্ব গোলার্ধে প্রায় প্রয়োজনীয় সব পশুই তারা গৃহপালিত করে ফেলেছে এবং বেশ কিছু শস্যও চাষ করছে। এদিকে পশ্চিমে তখন মাত্র একটা শস্যের চাষ হয়। অবশ্য এই শস্যটি ছিল অন্যতম প্রধান শস্য। এতে দেখা যায়। বর্বর যুগ পূর্ব গোলার্ধে প্রথম দিকে বেশি সময় ধরে থাকলেও পরে তা থাকে বেশ অল্প সময়। কিন্তু অবস্থার আনুকূল্যে আমেরিকান আদিবাসীরা এই সময় তবু এগিয়ে ছিল। কিন্তু মধ্য বর্বর যুগে বহু পূর্ব গোলার্ধীয় গোষ্ঠী চাষবাস না জানলেও কিছু পশুপালনের ফলে দুধ ও মাংস সম্বন্ধে সুনিশ্চিত হওয়ায় আমেরিকান আদিবাসী থেকে অনেকটা এগিয়ে যায়। যদিও এই আদিবাসীরা তখন যব-গম-ভুট্টা ইত্যাদি শস্যের চাষ ভালোভাবেই রপ্ত করেছে। শুধু পশুপালনবিদ্যা জানা ছিল না বলে তারা ছিল পিছিয়ে। সেমিটিক ও আর্য পরিবারগুলোকে অন্যান্য বর্বর গোষ্ঠীদের থেকে আলাদা করা যায় তাদের এই পশুপালনের গুণের জন্যে।

     

     

    আর্য পরিবারগণ পশুপালনের পর যে শস্য চাষের ব্যাপারটা শেখে তার প্রমাণ মেলে তাদের আঞ্চলিক কথায়। তাদের ভাষায় অনেক পশুর নাম প্রায় এক, কিন্তু কোনো শস্যের নাম এক নয়। মমসেন দেখিয়েছেন যে গ্রিক, সংস্কৃত ও ল্যাটিনে (যা মাক্সমুলার পরে আর্য ভাষাতেও দেখান)[৩] গৃহপালিত পশুর নাম এক। এতেই প্রমাণিত হয় তাদের পৃথক হবার আগে তারা সমানভাবে পশুপালন করেছে : “অপর দিকে এই সময় চাষের কোনো প্রমাণ আমরা পাই নি। ভাষা দেয় নেতিবাচক সাক্ষ্য। ল্যাটিন ও গ্রিক নাম সংস্কৃতে পাওয়া যায় না। একমাত্র যি (যব) ছাড়া। শব্দতত্ত্ব অনুযায়ী সংস্কৃতে যা যব, তা আসলে ভারতীয় বার্লি। আর গ্রিক ভাষা অনুযায়ী বোঝায় বুনো গম। এ থেকেই বোঝা যায় পশুপালনের মতো তারা একই সঙ্গে চাষবাস করে নি। ভারতীয়দের মধ্যে ধান, গ্রিকদের মধ্যে গম, আর জার্মান ও কেন্টদের মধ্যে রাই ও জই এ-সবের চাষ একই চাষ পদ্ধতির উৎস থেকে উৎসারিত।[৪] এই শেষোক্ত সিদ্ধান্তটি অবশ্য সঠিক নয়। উদ্যান-কৃষি ক্ষেত্ৰ-কৃষির আগেই এসেছে এবং এটাই স্বাভাবিক। প্রথমে ঘটে পলি পড়া সামান্য জায়গায় চাষ, এরপর আসে ঘেরা বাগান, আর সবশেষে পশু-চালিত লাঙলের সাহায্যে ক্ষেত্ৰ-কর্ষণ। মটর, বিট, শিম, তরমুজ ইত্যাদি শস্য চাষের আগে এসেছে কি না এ সম্বন্ধে সঠিক জ্ঞান লাভের উপায় নেই। গ্রিক ও ল্যাটিনে এদের কিছুকে প্রায় একই শব্দে প্রকাশ করা হয়, কিন্তু অধ্যাপক হুইটনের অভিমত, গ্রিক ও ল্যাটিনে এই শব্দ এক হলেও সংস্কৃতে তা নয়।

     

     

    পশুপালনের চেয়ে উদ্যান-কৃষির প্রয়োজনটাই মানুষের কাছে বেশি করে দেখা দেয়। পশ্চিম গোলার্ধে জনার ও ভুট্টার সাথেই এই বিদ্যার আরম্ভ। এই নূতন যুগ যদিও দুই গোলার্ধে একইভাবে সৃষ্টি হয় নি তবু মানবজাতির গন্তব্যের একটা সুস্পষ্ট ধারণা জন্মে। চাষের ওপর প্রধানভাবে নির্ভর করতে অবশ্য বহু যুগ লেগে যায়।

    আমেরিকার ইণ্ডিয়ানরা চাষ গ্রহণের ফলে নির্দিষ্ট গ্রাম গড়ে তুলতে সক্ষম হয় এবং পশু শিকার ও মাছ ধরার হাত থেকে মুক্তি পায়। শস্য আহার ও পুরোদস্তুর চাষবাসের সাহায্যে মানুষ আরো একটা জ্ঞান লাভ করে যে চাষের সাহায্যে তারা খাদ্যশস্য পেতে পারে।

    এই শস্যের ওপর নির্ভরতা, আর এশিয়া-ইউরোপে পশুপালনবিদ্যার ফলে উন্নত গোষ্ঠীগুলো নরখাদকতা ত্যাগ করে। আমরা আগেই বলেছি আদিম যুগে নরখাদকতা ছিল। প্রায় সর্বজনীন। আদিম যুগেই বন্দীদের এবং দুর্ভিক্ষকালে বন্ধুবান্ধব, এমনকি ছেলেমেয়েদের পর্যন্ত খেয়ে ফেলা হত। শুধু যে নিম্ন পর্যায়ের বর্বর যুগেই যুদ্ধবন্দীদের খেয়ে ফেলা হত তা-ই নয়, এমনকি মধ্য বর্বর যুগেও ইরোকোয়া ও আজটেক গোষ্ঠীতে তা দেখা গেছে। কিন্তু তা সর্বজনীন ছিল না। এতেই বোঝা যায় আহার্য-বস্তুর পর্যাপ্ততার দরুনই এই পরিবর্তন ঘটে।

     

     

    ৪। আহার্য হিসেবে মাংস ও দুধের ব্যবহার

    পশ্চিম গোলার্ধে পশুপালন সংঘটিত হয় নি। একমাত্র ‘লামা’ (এক প্রকার কুকুর)[৫] বাদে, আর শস্য ফলনের ব্যাপারটাও দুই গোলার্ধে দুই-রকমভাবে হওয়ায় মানব সমাজে প্রভাব পড়ে ভিন্নভাবে। অবশ্য অগ্রগতির এই অসম উন্নয়ন আদিম পর্যায়ে এমন কিছু হেরফের ঘটায় নি, এমনকি নিম্ন পর্যায়ের বর্বর যুগেও। কিন্তু মধ্য পর্যায়ের বর্বর যুগে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা দেয়। পশুপালনের ফলে দুধ ও মাংসের একটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয়। আর যে সমস্ত বর্বর গোষ্ঠী তা করতে শেখে অন্যদের থেকে তাদের একটা উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ঘটে। পশ্চিম গোলার্ধে মাংসের সরবরাহ ছিল ভীষণভাবে সীমিত কারণ শিকার তেমন পাওয়া যেত না। এই বিশেষ খাবারের অভাব গ্রামীণ আমেরিকান ইণ্ডিয়ানদের প্রতিকূল অবস্থায় ফেলে। আর নিঃসন্দেহে এই জন্যেই দেখা গেছে নিম্ন পর্যায়ের বর্বর যুগ থেকে আদিম ইণ্ডিয়ানদের মস্তিষ্কে ঘিলুর আকার ছিল কম। পূর্ব গোলার্ধে পরিশ্রমী লোকেরা পশুপালনের দরুন দুধ ও মাংস সম্বন্ধে নিশ্চিত[৬] হয়। এর ফলে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান ছেলেমেয়ে জন্ম নিতে থাকে, নিঃসন্দেহে এটা একটা উল্লেখযোগ্য বিষয়। এটা অন্তত ধরে নেওয়া যায় যে আর্য ও সেমিটিক গোষ্ঠীগুলো প্রচুর পরিমাণে গৃহপালিত পশু রাখত। মোটকথা দুধ ও মাংসকে তারা জীবন ধারণের একটা প্রধান উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে। অন্য কোনো মানবজাতি এত প্রচুরভাবে পশুপালন গ্রহণ করে নি আর আর্যরা সেমিটিকদের চেয়েও তা বেশি করে গ্রহণ করে।

     

     

    পশুদের গৃহপালিত করতে পারায় এক নূতন জীবনধারার সূত্রপাত ঘটে। বিশেষ করে মেষপালক দলের আবির্ভাব ঘটে ইউফ্রেটিস, ভারত ও এশিয়ার তৃণভূমিতে। এইভাবে প্রথম পশুপালন বৃহদাকারে গৃহীত হয়। এই অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য এ সম্বন্ধে সমানভাবে সাক্ষ্য দেয়। এই অবস্থা থেকেই বোঝা যায় তারা আর আদিম পর্যায়ে নেই বা নেই বর্বর যুগের নিম্ন পর্যায়ে। যে পর্যায়ের জন্যে বনজঙ্গলই ছিল আদি-বাসস্থান। এই পশুপালন জীবনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠার পর তাদের পক্ষে ইউরোপের জঙ্গলে ফিরে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। তা ছাড়া ধান-যব-গম ইত্যাদি কিছু শস্যের চাষ না জানলে তারা তৃণভূমি ছেড়ে সমতলে যায় কী করে? এতেই মনে হয় পশুদের খাবারের জন্যেই হয়তো চাষের ব্যাপারটা এদের আয়ত্তে আসে। এইভাবেই তারা চাষের ব্যাপারটা শেখে।

    পশ্চিম গোলার্ধে আদিবাসীরা নিম্ন বর্বর পর্যায় থেকে মধ্য পর্যায়ে ওঠে কোনো গৃহপালিত পশু ছাড়াই এবং শস্য বলতে ছিল ভুট্টা, জনার, শিম, তুলো, মরিচ ইত্যাদি… কিন্তু পাহাড়ি অঞ্চল থেকে জমিতেই ভুট্টা ভালো হয়। তা ছাড়া কাঁচা-পাকা দু অবস্থাতেই সমান পুষ্টিকর। তাই এর চাষ অন্য সব শস্যের চেয়ে বেশি ফলপ্রসূ হয়। এর ফলে মার্কিন আদিবাসীরা পশুপালন ছাড়াই যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করে। এর মধ্যে পেরুবাসীরা ব্রোঞ্জের আবিষ্কার করে। যার ফলে এরা প্রায় লোহা গালানোর কাছাকাছি এসে দাঁড়ায়।

     

     

    ৫। জমি চাষের জোরে প্রচুর খাদ্যশস্যের ফলন

    গৃহপালিত পশুরা মানুষকে তার শ্রম দিয়েও সাহায্য করেছে। মানুষের অগ্রগতিতে এর একটা বিরাট অবদান আছে। কালক্রমে লোহার ব্যবহার শেখার পর লৌহ-ফলা ব্যবহার করে লাঙলের ব্যবহার ঘটে। তার সাথে আসে উন্নত কোদাল ও কুড়ুল। ফলে পূর্ব গোলার্ধে উদ্যান-কৃষির পর আসে ক্ষেত্র-কর্ষণ। এই প্রথম মানুষ প্রচুর শস্যের অধিকারী হয়। পশু চালিত লাঙলকে এক নূতন কলাকৌশলের উদ্বোধন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। এই প্রথম মানুষের মাথায় আসে বনজঙ্গল সাফ করে চাষের ক্ষেত্র বাড়ানোর চিন্তা।[৭] তা ছাড়া এখন সীমিত জায়গায় ঘন-জনবসতি সম্ভব হয়ে ওঠে। ক্ষেত্র-কর্ষণ পদ্ধতির আগে পৃথিবীপৃষ্ঠের কোনো অংশেই এক সরকারের আওতায় পাঁচ লক্ষ জনসংখ্যার বসবাস সম্ভব হয় নি। আর যদি কোনো ব্যতিক্রম হয়ে থাকে তা সমভূমিতে পশুপালনের জন্যে বা উন্নত সেচ ব্যবস্থায় উদ্যান-কৃষির ফলে।

    এই সূত্রে আমরা বিভিন্ন জাতিতাত্ত্বিক যুগের পারিবারিক গড়নের কাঠামো নিয়ে আলোচনা করব। যা যুগে যুগে পরিবর্তিত হয়। তৃতীয় খণ্ডে এ সম্বন্ধে বিশদভাবে আলোচনা করা হবে। যেহেতু পরবর্তী খণ্ডেই বারবার এদের উল্লেখ করা হবে তাই পাঠকের সুবিধার্থে আগেই সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা দিয়ে নিতে চাই। নিম্নে এদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হল :

     

     

    ১। কনসাঙ্গুইন বা রক্ত-সম্পর্কিত জ্ঞাতি পরিবার

    দলের মধ্যে নিজ ভাই-বোনদের বিয়ের ফলে এই পরিবারের সৃষ্টি হয়। এর নিদর্শন এখনো মেলে। মালয়ে এ ধরনের বিয়ে দেখা গেছে। সবচেয়ে পুরোনো ধরনের বিয়ে হল এই ভাই-বোনের বিয়ে। আদিম যুগেই এই পদ্ধতি ছিল প্রায় সর্বজনীন।

    ২। পলুয়ান বা দলগত বিবাহ সৃষ্ট পরিবার

    এই নাম নেওয়া হয় হাওয়াইদের পুনালুয়া সম্পর্ক থেকে। এই পদ্ধতিতে নিজ দলের বিভিন্ন সম্পর্কের ভায়েরা অপরের স্ত্রীকে বিয়ে করে। আর বিভিন্ন সম্পর্কের বোনের বিয়ে করে নিজ দলের মধ্যে অপরের স্বামীকে। ভাই পদকে শুধু আপন ভাই বা চাচাতো ভাইকেই বোঝাবে না, খালাতো, ফুপাতো, মামাতো ইত্যাদি দূর-সম্পর্কের সব ভাইকেও বোঝাচ্ছে। যাদের সবাই একে অপরের ভাই হিসেবে গণ্য। যেমন আমরা নিজেদের ভাইদের গণ্য করি। অনুরূপভাবে বোনরাও সব ধরনের বোনকেই বোঝাচ্ছে। এই ধরনের পরিবার রক্ত সম্পর্কিত জ্ঞাতি পরিবারের ঠিক পরেই এসেছে। এই পদ্ধতি টুরানীয় গ্যানোয়া পদ্ধতির সগোত্রতা সৃষ্টি করে। বিয়ের এই পদ্ধতি ও উল্লিখিত পূর্বের পদ্ধতিটি ছিল সম্পূর্ণভাবে আদিম যুগে।

     

     

    ৩। সিনড্যামিয়ান বা জোড় পরিবার

    শব্দটা সিনডিয়াজো বা জোড় দেওয়া ও সিনডিয়াসমস বা দুজনকে জোড়া লাগানো থেকে এসেছে। এখানে একজন মেয়ের সাথে একজন পুরুষের বিয়ের আকারে জোড় দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু তাদের সহবাসের কোনো নির্দিষ্টতা নেই। এখানেই অবশ্য একবিয়ে পরিবারের বীজ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। কোনো রকম বিবাহ বিচ্ছেদ স্বামী বা স্ত্রী যে-কোনো একজনের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করত। এই ধরনের পরিবার রক্ত-সম্পর্কিত কোনো গোত্র বা জ্ঞাতি সৃষ্টি করতে পারে নি।

    ৪। পিতৃতান্ত্রিক পরিবার

    একজন পুরুষের কয়েকজন স্ত্রী গ্রহণ করে যে পরিবার তা-ই পিতৃতান্ত্রিক পরিবার। এখানে কথাটাকে অবশ্য সীমিতভাবে ব্যবহার করতে হবে। কারণ হিব্রু পশুপালন গোষ্ঠী প্রধান এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই কেবল বহু স্ত্রী গ্রহণ করত। এটা কোনো সর্বজনীন পদ্ধতি ছিল না।

     

     

    ৫। একবিয়ে পরিবার

    এই পরিবার পদ্ধতিতে এক স্ত্রী ও এক পুরুষের বিয়ে এবং তাদের সম্পূর্ণ সহবাস। সম্পূর্ণ সহবাসটাই এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয়। এর ফলে এটা একটা প্রতিষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পদ্ধতি প্রধানতই সভ্যতা সৃষ্ট। তাই একে বলতে হবে আধুনিক যুগের পরিবার। এই পারিবারিক পদ্ধতি স্বাধীনভাবে জ্ঞাতি পদ্ধতির জন্ম দেয়।

    আগামীতে আমরা দেখব একেক জাতিতাত্ত্বিক পর্যায়ে এই বিভিন্ন ধারার পরিবার কীভাবে বিরাজ করছিল।

    —–

    ১। Lucr. De Re. Nat., lib. v. 951.

    ২। নানা কারণে মনে হয় তীর-ধনুকের ব্যাপারটা হঠাৎ করেই পাওয়া। নানা গাছ বা তার স্থিতিস্থাপক ক্ষমতা এবং একে কাজে লাগিয়ে কিছু একটা করা যায় এই ধারণা আদিবাসীদের মনে হঠাৎ করেই খেলে। তাই দেখা গেছে পলিনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের মধ্যে কোনো তীর-ধনুক দেখা যায় নি। এ থেকেই বোঝা যায় আদি অবস্থায় তীর-ধনুকের আবিষ্কার সমাজে একটা গুণগত পার্থক্য সৃষ্টি করে।

     

     

    ৩। “Chip. From a Jerman Workshop”, Comp. Table, iv. p. 42

    ৪। “রোমের ইতিহাস”, সাইবনারের সংস্করণ, ১৮৭১, ১ খণ্ড, পৃঃ ৩৮।

    ৫। প্রথম দিকের স্পেনীয় লেখকরা ওয়েষ্ট ইণ্ডিয়া আইল্যাণ্ডে একটি “বোবা কুকুরকে” গৃহপালিত করার উল্লেখ করে এবং মধ্য আমেরিকায় মেক্সিকোতেও তা দেখা যায়। হাঁস-মুরগি এমনকি টার্কিরও উল্লেখ আছে। নাহয়াটক গোষ্ঠীতে বুনো মুরগি পোষ মানার তথ্য জানা যায়।

    ৬। আমরা ইলিয়াড থেকে জানতে পারি গ্রিকরা গরু-ছাগল-ভেড়ার দুধ দুইত।

    ৭। Luer. De Re, Nat., V. T369

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদুচাকায় দুনিয়া – বিমল মুখার্জি
    Next Article জবরখাকি – বর্ণালী সাহা
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }