Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আপনমনে – রবি ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প201 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাংলা ছবিতে হাসি

    ‘বাংলা ছবিতে হাসি’—এই বিষয়টা খুব একটা ভেতরে ঢোকার মতো বিষয় নয়। কারণ হাসির ছবির খুব একটা ধারাবাহিক মুভমেন্ট বাংলা ছবিতে দীর্ঘদিন নেই। খুব বিস্ময়ের সঙ্গে বলতে হচ্ছে যে, এখন হাসির ছবি করে থাকেন সাধারণভাবে যাঁরা হাসির ছবি সম্পর্কে কিছুই বোঝেন না বা জানেন না। একটা কথা প্রায়ই শোনা যায় বহু পরিচালকের মুখে যে—’ভাবছি এবার একটা হাসির ছবি করব।’ এত সহজে এবং সারল্যের সঙ্গে কথাগুলো বলেন যে শুনলে মনে হয় সব চেয়ে সোজা হাসির ছবি করা। অথচ বিলি ওয়াইল্ডারকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, আপনি ব্যাঙ্গাত্মক ছবি করা ছেড়ে একেবারে সিরিয়াসধর্মী ছবি করেন কেন? উত্তরে তিনি ব্যাঙ্গাত্মক ছবির প্রসঙ্গে বলেছিলেন—’To make such films is more challenging.’ কিন্তু বাংলায় হাসির ছবি করার সময় এই ধরনের মনোভাব কারও থাকে না। তাই সত্যিকারের হাসির ছবি এখানে এত দীর্ঘদিনে মাত্র কয়েকটা হয়েছে। তাও সব ক্ষেত্রেই দেখা যায় পরিচালকরা হলেন সবাই প্রথম শ্রেণির। দু-একজন হয়তো ছিটকে একটা বা দুটো মোটামুটি ভালো হাসির ছবি করে ফেলেছেন। কিন্তু এই হাসির ছবি করার ব্যাপারে কেউ স্পেশালাইজ করেননি। স্পেশালাইজ করেন না—তার কারণ হয়তো, ‘হাসির ছবি’ করার জন্য যে পরিমাণ পড়াশোনা, ধ্যান-ধারণা দরকার সেটা কারও আয়ত্তে নেই বা আয়ত্তে আনবার আগ্রহও নেই। তার চাইতে একটা প্যাচপেচে কান্না, অতিনাটক এবং সঙ্গে মাঝেমধ্যে একটু রগড় দিয়ে বাজার তাড়াতাড়ি পাওয়া যায়। সুতরাং পূর্ণাঙ্গ একটা হাসির ছবি করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এখানে কখনওই হয়নি তেমনভাবে। তবুও যা কিছু হয়েছে আজ পর্যন্ত তাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় :

    ১) ইনটেলিজেন্ট অর্থাৎ বুদ্ধিদীপ্ত হাসির ছবি।

    ২) সামাজিক বক্তব্যওয়ালা হাসির ছবি।

    ৩) কেবলই স্থূল ঘটনা দিয়ে তৈরি হাসির ছবি।

    প্রথমেই বলা দরকার, হাসির চল কতখানি রয়েছে আমাদের দেশে। আমার ধারণায় খুব বেশি নয়। লোকসংখ্যার অনুপাতে দেখা যাবে বেশিরভাগ লোকই একটু কাঁদতে ভালোবাসে। কান্নাটা আমাদের এখানে একটা কাল্ট-এ পরিণত হয়েছে। সর্ব ব্যাপারেই আমরা একটু কেঁদে নিতে পারলে শান্তি পাই। বোধহয় একটা ইকনমিক ব্যালান্স সমাজে না এলে মানুষের মধ্যে হাসির ইচ্ছাটা তেমনভাবে আসে না। বহু শাস্ত্রকাররা হাসিকে নিন্দনীয় পর্যায়ে ফেলে দিয়েছিলেন; অর্থাৎ সমাজে কুলটা নারী এবং নিম্নবর্ণের লোকেরাই হাসি-ঠাট্টা করবে এবং বাকিরা গুরুগম্ভীরভাবে থাকবে। বর্তমানেও যে হাসির প্রবাহ আমরা দেখি সেটাও ঊনবিংশ শতাব্দীর খিস্তিখেউড়ের থেকেই এসেছে। সেই সময় কর্তাদের (বাবু-কালচার) এবং তাঁদের সাহেব প্রভুদের সন্তুষ্ট করার জন্যই কিছু হাসির সরঞ্জাম তৈরি করা হত। যদি বলা হয় বর্তমান যুগটা রবীন্দ্রত্তোর যুগ তাহলে আমার একটু খটকা লাগবে। রবীন্দ্রনাথ এবং তাঁর পরিবারবর্গের লোকেরা ইনটেলিজেন্ট হাসির খোরাক প্রচুর জুগিয়েছেন এ দেশে। কিন্তু কী হল? সমস্ত ব্যাপারটাই এখন সীমাবদ্ধ রবীন্দ্রসদনে, টিভিতে এবং অল ইন্ডিয়া রেডিয়োতে। সাধারণের মধ্যে কতখানি ঢুকতে পারল? আমি মাঠে-ঘাটে শিল্প-কর্ম করে বেড়াই—কদাচ, রবীন্দ্রনাথকে শুনতে পাই। দেখতে তো পাইই না। ছবি করা হয় সাধারণ দর্শকদের কথা চিন্তা করে, সুতরাং সাধারণ দর্শকের রুচির কথাটাও সেখানে এসে পড়ে। সেই খিস্তি-খেউড় থেকে খুব একটু বেশি এগুতেও কিন্তু আমরা পারিনি—তাই বেশিরভাগ হাসির ছবি বলতে যেগুলোকে আমরা বুঝি সেগুলো হাস্যস্পদ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে আমার ব্যক্তিগত মত। একটা সোসিও-পলিটিক্যাল অবস্থা স্টেবল না হলে সমাজে লোকের গ্রহণ শক্তি বাড়ে না। এটা শিক্ষিত লোকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কোথায় যেন একটা ভয় মনের মধ্যে উঁকি মারতে থাকে—ফলে অনেক ঘটনা দেখেও হাসতে ভরসা পায় না। ধরুন না, এই যে আমাদের দেশে একটা বিরাট হত্যাকাণ্ড হয়ে গেল—সেটার একটা বিরাট সিরিয়াস দিক আছে। আবার একটা বিরাট হাসির দিকও রয়েছে। হাসির দিকটা হল—প্রশাসন ব্যবস্থা—ইনটেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট—মহা মহা গোয়েন্দাদের কার্যকলাপ। এইসব লোকদের চলাফেরা-চিন্তাভাবনা-কার্যকলাপের পদ্ধতি খুবই সিরিয়াস—কিন্তু তবুও দেশের প্রধানমন্ত্রী ঘরের লোকের হাতে গুলি খেয়ে মারা যান, এটার চাইতে হাস্যস্পদ ঘটনা ভারতবর্ষে আর কিছু নেই। প্রথম কথা, এই পারস্পেকটিভ থেকে ছবি করতে কেউ ভরসাই পাবে না। যদি করে—ডিস্ট্রিবিউটার ছবি নেবে না। যদিও ডিস্ট্রিবিউটার ছবি নেয় এক্সিবিটার ছবি দেখাবে না। যদি এক্সিবিটার ছবি দেখায় প্রশাসন এসে বন্ধ করে দেবে। সুতরাং হাসির ছবি এদেশে হওয়া খুব কঠিন।

    ‘হীরক রাজার দেশে’ ছবি দেখে বহু রাজনৈতিক নেতারা অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। কেননা ‘মগজ ধোলাই’ ব্যাপারটা খুব পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছিল ছবিতে। এটা বহু লোকই ভালো চোখে দেখেনি। সাধারণ মানুষ গান এবং হালকা হাসির দিকটাই বেশি গ্রহণ করেছিল। আমাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে এবং তাই দেখে আমিও উপভোগ করছি—এ অবস্থাটা আমাদের এখানে আসতে অনেক দেরি।

    সুতরাং বাংলা ছবিতে ‘হাসি’—বলতে গেলে বেশ হাতড়াতে হয় কী লিখব তাই নিয়ে। বাংলা ছবিতে হাসিকে ব্যবহার করা হয় ক্যাটালিটিক এজেন্ট হিসেবে। অর্থাৎ ভীষণ সিরিয়াস ছবি—ভীষণ কান্না—ভীষণ নাটক কিন্তু তবুও ঝুলে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। ঠিক এই ঝুলে যাওয়া মুহূর্তগুলো বাঁচাবার জন্যই হাসিকে ব্যবহার করা হয় বাংলা ছবিতে। মাত্র হাতে গোনা যায় এমন কয়েকজন বাদে প্রায় সব পরিচালকই এটা করে থাকেন। আমি নিজে কমেডি রোল করে থাকি—সুতরাং এ সম্পর্কে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সারা বছরে বেশিরভাগ ছবিই আসে, যেখানে একটু হাসাবার দায়িত্ব আমার থাকে। আর কাঁদাবার দায়িত্ব সবার—মানে যৌথভাবে সবাই কাঁদাবার দায়িত্ব নেন। হাসিকে এইরকম অবিবেচকের মতন ব্যবহার করা হয় বাংলা ছবিতে। আবার হাসির জোগান দেওয়া হয় এমন সব চরিত্রের মাধ্যমে যেগুলো হয় চাকর—কিংবা ঠাকুর—কিংবা বাচাল। ইদানীং ওড়িয়া চরিত্র নিয়ে হাসাহাসিটা একটু কমেছে। সব সময় দেখা যাবে চতুর্থ শ্রেণির চরিত্রগুলো নিয়ে হাসির খোরাক তৈরি করা হয় বাংলা ছবিতে। বহুবার বহু পরিচালককে এই প্রশ্ন করায় তারা সঠিক কোনও জবাব দিতে পারেনি। এটা অক্ষমতা না সামাজিক কোনও নিষেধ ঠিক বুঝতে পারি না। আমার মনে হয় সামাজিক বিধি-নিষেধ। প্রতিষ্ঠিত বা অর্থের দিক থেকে সফল কোনও চরিত্র নিয়ে ব্যঙ্গ বা হাসির কিছু করতে আমাদের বাংলা ছবির পরিচালকরা বোধহয় দ্বিধা বোধ করেন। তাই এখানে হাসির ঘটনা ঘটায়—হয় একজন বাড়ির চাকর—কিংবা একজন তোতলা বন্ধু—কিংবা একজন মোটা অন্য সম্প্রদায়ের চরিত্র। একজন মন্ত্রীর কার্যকলাপ—বা প্রশাসনের বড়ো কর্তারা বা বিরাট পয়সাওয়ালা লোক—কিন্তু রুচিহীন বা এমন কিছু সমাজের কর্তারা—যাঁদের নিয়ে প্রচুর হাসির খোরাক রোজই আমরা কাগজে পড়ি—এই শ্রেণিদের নিয়ে কখনই হাসির ঘটনা ঘটে না বাংলা ছবিতে। ‘রাজা’কে এবং তার পারিষদবর্গকে নিয়ে মানিকদা ‘হীরক রাজার দেশে’ ছবিতে যে পরিমাণ হাসি জুগিয়েছেন—তা এস্টাব্লিশমেন্টের বহু জনেরই ভালো লাগেনি। আমি নিজেই যে কত রকমের চাকরের পার্ট করেছি তার কোনও ইয়ত্তা নেই। হয় চাকর—হয়তো সহৃদয় এক বন্ধু—যাঁর বুদ্ধি কম—কিংবা বেশি চালাক এবং যে অকারণে ছবিতে আসে এবং অকারণে মিলিয়ে যায় ছবিতে। সাধারণভাবে বাংলা ছবিতে হাসি এইভাবেই তৈরি হয়।

    প্রথম শ্রেণির যে হাসির ছবি বললাম তার সংখ্যা বড়োই কম। সেই ‘রজত জয়ন্তী’— তারপর ‘বরযাত্রী’—তারপর ‘পরশ পাথর’ এবং তারপর কী, মনে পড়ছে না আর। এগুলো উইট এবং হিউমার-এর পর্যায়ে পড়ে। এই ছবিগুলোর মধ্যে বুদ্ধির ছাপ বেশ রয়েছে। সিচুয়েশনও অত্যন্ত পরিষ্কার এবং স্মার্ট। তবে এগুলো সর্বজনগ্রাহ্য কিনা বলতে পারব না। উইট এবং হিউমার বুঝতে গেলে বোধহয় শিক্ষার একটা ব্যাপার এসে পড়ে। অর্থাৎ শিক্ষিত এবং রুচিবান দর্শক ছাড়া এর পূর্ণ রস সবাই বুঝতে পারবে না। শুধুই পাণ্ডিত্য থাকলে চলবে না। সঙ্গে একটু রসবোধও চাই। উইট এবং হিউমার কিন্তু আবার ভিন্ন ধরনের হয়। শিক্ষিত এবং রুচিবান এবং সম্পদওয়ালা লোকজনদের উইট এবং হিউমার এক ধরনের। মধ্যবিত্তদের উইট এবং হিউমার আবার একটু অন্য ধরনের। আবার সাধারণ গ্রাম বাংলার উইট এবং হিউমার আর এক ধরনের। আবার সবার ওপরে এক ধরনের উইট এবং হিউমার আছে সেটা সব শ্রেণিকেই আনন্দ দিতে পারে। যার একমাত্র অধিকারী ছিলেন চ্যাপলিন। কিন্তু স্লিক ছবি বলতে যা বোঝায় বাংলায় সেগুলো খুবই কম হাসির ব্যাপারে। ওপরে যে ছবিগুলোর নাম করলাম সেগুলোকে স্মার্ট এবং স্লিক বলা যায়।

    এর পরের পর্যায়ে যে ছবিগুলো আসে—তার মধ্যে খানিকটা সামাজিক বক্তব্য থাকে। যেমন—’যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’১, ‘গল্প হলেও সত্যি’, ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ বা আর অন্য কোনও ছবি এই ধরনের। এই ছবিগুলোকে শুধুই হাসির ছবি বলা যাবে না। এই ছবিগুলো পূর্ণাঙ্গ হাসির ছবি। কিন্তু একটা কটাক্ষ রয়ে গেছে গল্পের মধ্যে। মাঝে মাঝে সুন্দর স্ল্যাপস্টিকের ব্যবহারও আছে। অভিনয় এসব ছবিগুলোতে বেশ উঁচু পর্যায়ের হয়। অর্থাৎ হাসির ছবিতে বিশেষভাবে যেটা প্রয়োজন সেটা হল টাইমিং-পজ-গ্যাপ। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এগুলোকে খুব স্লিকধর্মী বা শুধুমাত্র উইট এবং হিউমার-এর ছবি বলা যায় না। আমি নিজে একটা পূর্ণাঙ্গ হাসির ছবি করেছিলাম—’সাধু যুধিষ্ঠিরের কড়চা’।

    প্রধানত স্ল্যাপস্টিককে ভিত্তি করে। বিগ গ্যাংস্টারইজমকে ব্যঙ্গ করে ছবিটা করা হয়েছিল। এই ছবিটাও এই দ্বিতীয় পর্যায়ে পড়ে। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের হাসির ছবির মোটামুটি একটা চাহিদা প্রায় সব শ্রেণির মধ্যেই পাওয়া যায়। কিন্তু এই ছবিগুলো দেখলে কখনই খুব ঝকঝকে তকতকে মনে হয় না। একটু কোথাও যেন কিছু অগোছাল রয়ে যায়। এই ধরনের পূর্ণাঙ্গ হাসির ছবিও খুব কমই হয়েছে এখানে।

    তৃতীয় পর্যায়ের ছবি অর্থাৎ নিছকই হাসির ছবি হয়েছে প্রচুর। এই ছবিগুলো করার পিছনে কোনও অঙ্ক নেই। আমাদের বহু পরিচালকের ধারণা (ইদানীং ডিস্ট্রিবিউটারতাড়িত) কয়েকজন নামকরা কমেডিয়ানদের নিয়ে একটু হাত-পা নাড়াচাড়া এবং মাঝেমধ্যে কিছু চটুল বাক্যের প্রয়োগ করতে পারলেই লোক বা দর্শক খুব হাসবে। এই অঙ্ক বেশিরভাগ সময়ই নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয় আবার কয়েকটা লেগেও যায়। যেমন—’পাশের বাড়ি’২, ‘কানামাছি’৩ ইত্যাদি। এই ছবিগুলো প্রচুর ব্যবসা করেছিল। কিন্তু এইসব ছবিগুলোতে কোনও বুদ্ধির ছাপ বা শিল্পগত কোনও ছাপ পাওয়া যায় না। ছবি করার পেছনে সবচাইতে বেশি যাঁর অবদান—তিনি হলেন পরিচালক। এই ধরনের ছবিতে পরিচালকের চাইতে প্রাধান্য বেশি পায় অভিনেতারা অর্থাৎ কমেডিয়ানরা। এই ধরনের কিছু ছবিতেও আমি কাজ করেছি। অভিজ্ঞতা যা সঞ্চয় করেছি সেটা নিদারুণ।

    শাস্ত্রকারদের কথা এখনও সত্য প্রমাণ হয়। তাঁরা বলতেন—তিন শ্রেণির দর্শক আছে—১) রাজন্যবর্গ, ২) বিদ্বৎজন, ৩) নাগরিক। এই তিন শ্রেণিরই তিন রকমের রসবোধ। হাস্যরস তাই তিনজনের কাছে তিনভাবে পৌঁছোয়।

    বাংলা ছবিতে হাসির ব্যবহার দেখে বর্তমান রাজ্যবর্গরা মোটেই মাথা ঘামান না। বর্তমান রাজন্যবর্গরা যদি দেখেন যে তাঁদের বিপরীত পক্ষকে নিয়ে কোনও ব্যঙ্গবিদ্রুপ হচ্ছে তাহলেই তাঁরা ছবির রস গ্রহণ করেন। কিন্তু এই ধরনের হাসির ছবি বাংলায় বিরল। দু-নম্বর হল বিদ্বৎজন অর্থাৎ ইনটেলকচুয়ালরা। সংখ্যায় এঁরা এতই কম যে এঁদের ভেবে বাংলায় হাসির ছবি খুবই কম হয়। শেষে রইল নাগরিক অর্থাৎ সাধারণ দর্শক। ছবিতে হাসি বা হাসির ছবি মূলত করা হয় এদের কথা ভেবে। এরা চায় ‘রগড়’। সেই রগড়টাও স্লিকভাবে পরিবেশন করা যায় ছবির মাধ্যমে কিন্তু আমাদের পরিচালকেরা এই স্লিক কথাটাকে কোনও পাত্তাই দেয় না। হাসির ছবিতে ক্যামেরার কাজ এবং শট ডিভিশনই বিশেষভাবে প্রাধান্য পাওয়া উচিত। কিন্তু বেশিরভাগ বাংলা হাসির ছবিগুলোই তৈরি হয়েছে নিম্নমানের কারিগরি গুণ দিয়ে।

    আমাদের বিষয় ছিল বাংলা ছবিতে হাসি। বাংলা ছবিতে হাসিকে কখন কীভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেটা আগেই বলেছি। পূর্ণাঙ্গ হাসির ছবি বাংলায়—তাও খানিকটা আভাস দিলাম। এবার হাসিকে নিয়ে ভাবনাচিন্তা কতখানি এখানে হয় সেটা একটু বলা দরকার। বাংলা ছবিতে হাসির খোরাক জোগায় কমেডিয়ানরা। এমন ছবি এখানে কেউ ভাবেই না যেখানে গল্পটাই রাখা হবে কমেডি ফর্ম-এর মাধ্যমে। দু-একবার এই ধরনের কাহিনি নিয়ে ছবি করেছেন পরিচালক তরুণ মজুমদার। কিন্তু সেখানে সামাজিক কোনও ঘটনাকে ব্যঙ্গ করে নয়। নিছকই মনগড়া কীর্তি একটা উইসফুল থিংকিং-এর গল্প। যেমন ‘দাদার কীর্তি’৪ বা ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’। এই ছবিগুলোর মধ্যে টেকনিক্যাল পলিশ খুব সুন্দর রয়েছে—কিন্তু বিষয়ের দিক থেকে খুব একটা স্ট্রং নয়। একটা দুরূহ বিষয় যেটা সবাই খুব সিরিয়াস ভাবনাচিন্তা করছে সেটাকে নিয়ে কমেডি করার ক্ষমতা এখানে প্রায় দেখাই যায় না। আমাদের সমস্ত বাংলা বায়োস্কোপ জগতে একটা কথা চালু আছে যে ‘দাদা শেষে একটু চোখের জল ফেলবার চেষ্টা করবেন।’ ‘চোখের জল’ বাংলা ছবির একটা ক্যাপিটাল। এর কারণটা আমি আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। আগেই বলেছি—’ভয় এবং সংশয়’ আমাদের কাছে বিরাট বাধা—হাসির ছবি করার ক্ষেত্রে। আর এক ধরনের ছবি হয়েছে বাংলা ছবিতে সেটা খানিকটা সিরিয়ো কমিক। এই ধরনের ছবিতে হাসির অংশ বেশ খানিকটা থাকে কিন্তু গল্পের মোড় অবশেষে নেয় অন্য দিকে। বাংলায় সিরিয়ো কমিক ছবি অনেক আছে—সেগুলোকে বেশ সাকসেসফুলও বলা চলে। কিন্তু আমাদের বিষয় সেটা নয়। আমাদের বিষয় হল—’বাংলায় হাসির ছবি’ বা বাংলা ছবিতে হাসি।

    একটা ভিন্ন স্বাদের ছবি করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। এই ছবিটির নাম ‘জন-অরণ্য’। এটা যে ডার্ক কমেডির পর্যায়ে পড়ে সেটা একমাত্র বিদেশের ক্রিটিকরাই বলেছিল। এই ছবিতে আমি অভিনয় করেছিলাম। আজ পর্যন্ত এটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ ছবি। হাসির মাধ্যমে যে একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের চেহারাকে দেখানো যায় সেটা মানিকদা দেখিয়েছেন। প্রথম দৃশ্যেই পরীক্ষার হলে শিক্ষক ঘুমোচ্ছেন—ছাত্ররা টুকছে। শিক্ষক তাকালেন এবং বললেন—’কী হচ্ছে ভাই’। জবাব এল ছাত্রদের থেকে—’পরীক্ষা হচ্ছে ভাই’। এইখানে প্রচুর হাসি ওঠে দর্শকের মধ্যে—কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে একটা ভীতিরও সঞ্চার হয়। অর্থাৎ লেখাপড়ার হাল আমাদের কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই ছবিটা রিলিজ না-করতে দেবার জন্য তৎকালীন সরকার প্রচুর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পারেনি কারণ ছবিটা ‘সত্যজিৎ রায়ের’ বলে।

    প্রসঙ্গত একটা কথা বলি—সেটা হল আমাদের সাংবাদিকদের কথা। এঁরা অধিকাংশই কমেডি সম্পর্কে কিছুই জানেন না। সব সময় এই রসটাকে স্থূল রস বলে লিখে রেহাই পান। কমেডিটা যে একটা ফর্ম এবং তার একটা স্ট্রাকচার আছে—কালার আছে—শেড আছে সেটা প্রায় কোনও সাংবাদিকেরই কিন্তু জানা নেই। অন্তত তাদের মন্তব্য পড়ে আমার তাই মনে হয়েছে। ধরুন ‘জন-অরণ্য’ যে একটা ডার্ক কমেডি সেটা এখানকার কোনও সাংবাদিকই লিখতে পারেনি। ধরুন ‘গল্প হলেও সত্যি’ যে একটা সামাজিক স্যাটায়ার সেটা কোনও সাংবাদিকই লেখেননি। ধরুন ‘অরণ্যের দিন-রাত্রি’ যে একটা নিট-স্ল্যাপস্টিক রোম্যান্টিক কমেডি সেটা কেউ লিখতে পারেনি। ধরুন ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’ বা ‘হীরক রাজার দেশে’ একটা মিউজিক্যাল স্যাটায়ার সেটা কেউ মন্তব্য করেনি।

    অবশ্য লিটল ম্যাগাজিনে যদি কেউ লিখে থাকেন সঠিক মন্তব্যগুলো—তাঁর কথা বলতে পারব না। দৈনিক পত্রিকা বা সাপ্তাহিক কোনও কাগজে আমি হাসি সম্পর্কে কোনও সঠিক মন্তব্য আজও পর্যন্ত খুঁজে পাইনি। সব সময়ই হাসি ব্যাপারটাকে এখানে সাংবাদিকরা দেখেন সেই পুরোনো শাস্ত্রকারদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে। যেন হাসির ব্যাপারটা নিয়ে বেশি কিছু মন্তব্য করলে জাতে ছোটো হয়ে যাবেন। সেই পুরোনো বক্তব্য আমার—অর্থাৎ ইকনমিক একটা স্টেবিলিটি না হলে হবে না। হাসির ব্যাপার নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছেন— ঠাকুর বাড়ি, সুকুমার রায়। পরবর্তীকালে রাজশেখর বসু৫ প্রমুখেরা। ইদানীং সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়৬ বেশ ভালো। কিন্তু সাংবাদিকরা যেই এঁদের লেখা ছবিতে দেখবেন তখন তাঁরা কেমন গুটিয়ে যাবেন। এটা আমার মতে এক ধরনের অক্ষমতা। যদি মনে করেন আমি মোটামুটি হাস্যরস পরিবেশন করতে পারি—তাহলে আমার মন্তব্য শুনুন—ভালো কি মন্দ কোনও হাসির ছবি করে আমি কোনও দিন কোনও সাংবাদিকের সুমন্তব্য পাইনি। তাঁদের মন্তব্যর ভিতর দিয়ে কখনও তাঁরা বলেন না যে এই হাসির ছবিটা কোন সংজ্ঞায় পড়ে। অর্থাৎ ফর্ম স্ট্রাকচার মুড ইত্যাদি নিয়ে কখনই তাঁরা লিখতে পারেন না। বাংলাদেশে হাসির ছবি করলেও তার কোনও সঠিক সমালোচনা হয় না। এটা আমার মতে একটা অক্ষমতা সাংবাদিকদের তরফ থেকে। অথচ ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’, ‘জন-অরণ্য’-র হাসির ব্যাপার নিয়ে যে সব বিদেশি সমালোচনা পড়েছি সেটা সত্যিই মনে রাখার মতো।

    পরিশেষে বলব মিউজিক্যাল কমেডির কথা। মিউজিক্যাল কমেডি হয়তো এখানে হয়েছে কিন্তু তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য কিছু মনে পড়ছে না গত বিশ বছরের মধ্যে। একমাত্র ‘গুগাবাবা’ বা ‘হীরক রাজা’ ছাড়া আমার এই মুহূর্তে আর কোনওটাই মনে পড়ছে না। বাংলাদেশ গানের দেশ অথচ পুরোপুরি গানকে ভিত্তি করে একটা হাসির ছবি করা এখানে খুব কমই হয়। আমার নিজের খুব ইচ্ছে আছে একটা ডার্ক কমেডি করবার। আমার চারপাশের পরিস্থিতি একটু সুবিধেজনক হলেই শুরু করব।

    (১৯৮৬ সালে সিনে ক্লাব অব ক্যালকাটা আয়োজিত ঋত্বিক স্মারক বক্তৃতায় রবি ঘোষ লেখাটি পাঠ করেন।)

    টীকা

    ১) ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’ একটি জনপ্রিয় হাসির সিনেমা। যা অনেক বিষয়ে নজর দেওয়ায় আমাদের। অনন্ত সিংহ (‘চট্টগ্রাম বিদ্রোহ’ খ্যাত) প্রযোজিত প্রফুল্ল চক্রবর্তী পরিচালিত ও শ্যামল মিত্র সুরারোপিত এই ছবিটি মুক্তি পায় ২৩ জানুয়ারি ১৯৫৮। মুখ্য চরিত্রাভিনেতা হিসেবে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় এ ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করেন। ছবির কাহিনিকার ছিলেন অভিনেতা হিসেবে পরিচিত গৌর শী।

    ২) সুধীর মুখোপাধ্যায় পরিচালিত জনপ্রিয় কমেডি ছবি ‘পাশের বাড়ী’ মুক্তি পায় ৭ মার্চ ১৯৫২। সলিল চৌধুরী সুরারোপিত অসামান্য গানগুলি গেয়েছিলেন ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, প্রীতি বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনয়ে ছিলেন সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপ্তি রায়, জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

    ৩) ‘টাস ইউনিট’-এর পরিচালনায় শৈলেশ দে-র কাহিনিনির্ভর ‘কানামাছি’ ছবিটি মুক্তি পায় ৮ ডিসেম্বর ১৯৬২। ছবিতে সুরারোপ করেন নচিকেতা ঘোষ এবং চিত্রনাট্য লিখেছিলেন মৃণাল সেন। অভিনয়ে ছিলেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, জহর রায়, পাহাড়ি সান্যাল, অনুপকুমার, পদ্মা দেবী, সুনন্দা ব্যানার্জি, তুলসী চক্রবর্তী প্রমুখ।

    ৪) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনিনির্ভর তরুণ মজুমদার পরিচালিত হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সুরারোপিত ‘দাদার কীর্তি’ ছবিটি মুক্তি পায় ২৯ নভেম্বর ১৯৮০। তাপস পাল, মহুয়া রায়চৌধুরী, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবশ্রী রায়, অনুপকুমার, কালী বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ অভিনীত ছবিটি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়।

    ৫) রাজশেখর বসু (১৮৮০-১৯৬০)—বর্ধমানের এক গ্রামে জন্ম এই প্রখ্যাত সাহিত্যিকের। রসায়নে এম.এ সঙ্গে আইন পাশ করেছেন। বেঙ্গল কেমিক্যালে উচ্চপদে চাকরি। ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে রঙ্গ-ব্যঙ্গ হাস্যরসের গল্প লিখে বিখ্যাত। বন্ধু যতীন্দ্রনাথ সেনের অলঙ্করণের সঙ্গে পরশুরামের গল্প এক অন্য মাত্রা নিত। ‘রাজশেখর বসু’ নামে দু’টি কালজয়ী সৃষ্টি—’চলন্তিকা অভিধান’ ও ‘মহাভারত’। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানান সংস্কার সমিতি ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিভাষা সংসদের সভাপতি ছিলেন। অনেক প্রবন্ধও লিখেছেন।

    ৬) সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়—১৯৩৬-এ জন্ম এই জনপ্রিয় সাহিত্যিকের। মূলত হাস্যরসাত্মক রচনার জন্যই পরিচিত। ‘শ্বেতপাথরের টেবিল’ নামে গল্পটি এই লেখককে প্রথম আলাদাভাবে চেনায়। ‘লোটাকম্বল’ নামে উপন্যাসটিই তাঁর প্রথম দীর্ঘ রচনা, যা তাঁকে ঔপন্যাসিক হিসেবে জনপ্রিয় করে। পরবর্তীকালে শ্রীরামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ চর্চায় আত্মনিয়োগ করেছেন। তাঁর অনেক বইয়ের মধ্যে ‘কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই’, ‘লোটাকম্বল’, ‘রসেবশে’, ‘স্বামী বিবেকানন্দ এক অনন্ত জীবনের জীবনী’, ‘ভৈরবী ও শ্রীরামকৃষ্ণ’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশন – অভিষেক সেনগুপ্ত
    Next Article হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি মোর – উত্তমকুমার চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }