Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আপিলা-চাপিলা – অশোক মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প696 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আপিলা-চাপিলা – ২১

    একুশ

    ঘটনাক্রম অতি দ্রুত এগিয়ে গেল। কয়েকদিনের মধ্যে আওয়ামি লিগের সবচেয়ে স্থিতধী নেতা, তাজউদ্দিন আহমেদ, দিল্লি পৌঁছে গেলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে মুখোমুখি যুদ্ধে আপাতত লিপ্ত না হয়েও ভারতবর্ষ কোন ধরনের কী পরিমাণ সাহায্য করতে পারে, তার বিশদ ফিরিস্তি তৈরি হলো। আমার দিল্লিস্থ সুহৃদ, অতি চমৎকার ব্যক্তি, বিশ্বনাথ সরকার, তখন সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, কিন্তু একেবারেই জঙ্গিপনা নেই, আমার লেখার ভক্ত, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রায়ই আলোচনা করতেন, ঘন-ঘন আমার বাড়িতে তাঁর যাতায়াত, ভারত সরকার থেকে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হলো পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীনতা যোদ্ধাদের সহায়তার স্বার্থে গুপ্তবাহিনী তৈরির উদ্যোগ সংগঠনের। তিনি কলকাতা চলে গেলেন, ততদিনে কাতারে-কাতারে বাঙালি সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে এসেছেন, তাঁদের মধ্য থেকে বাছাই করে মুক্তিবাহিনী গঠিত হলো, তাঁদের অস্ত্রশিক্ষা প্রদান, তাঁরা অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত হলেন, তাঁদের পালা করে বিভিন্ন জেলার সীমান্ত দিয়ে পূর্ববঙ্গে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো, যুদ্ধ।

    অচিরে আমাদের লোদি এস্টেটের বাড়ি পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত অর্থনীতিবিদ ও অন্য অতিথিদের ডেরা হয়ে উঠলো, বাড়ি ঘিরে রক্ষীবাহিনীর পরিখা, অপরিচিত কেউ ঢুকলেই সঙ্গে-সঙ্গে প্রধান মন্ত্রীর দফতরে খবর পৌঁছয়, মিনিট কয়েকের মধ্যে হাসারের টেলিফোন, ‘ওই অচেনা লোকটা কে? কেন তোমার বাড়িতে ঢুকেছে?’ মুশকিল হতো রেহমান সোভানকে নিয়ে। সে চঞ্চল, সে বহির্মুখী, তার ক্লান্তিহীন উৎসাহ, পূর্ববঙ্গে পাকিস্তানি বিভীষিকার কথা সে পৃথিবীকে জানাতে অদম্য উৎসাহী, তাই নিষেধ না-মেনে একে-ওকে-তাকে টেলিফোন করে বসত। একদিন নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক সাংবাদিক, সামান্য দাড়ি ছিল, নামটা ভুলে গেছি, বাড়িতে ঢুকে পড়লো রেহমানের আমন্ত্রণে। হাকসার রেগে কাঁই, তখনও কৌশলগত কারণে সব-কিছু চেপে রাখতে ভারত সরকারের আগ্রহ।

    মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টার কাজকর্ম মাথায় চড়লো, স্থগিত রইলো মুক্ত বিহঙ্গ হয়ে কলকাতায় ফিরে যাওয়ার বাসনা, পরের কয়েক মাস প্রায় পুরো সময়টাই পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতা যুদ্ধের সমস্যায় নিয়োজিত। আনিস-রেহমান তো ছিলই, ক্রমে-ক্রমে পূর্ববঙ্গ থেকে আরও অনেকে এলো, যেমন ওয়াহিদুল হক, যে পরে কিছুদিনের জন্য বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হয়েছিল, যেমন, খুব কম সময়ের জন্য হলেও, আজিজুর রহমান খান, যার বুদ্ধির ঔজ্জ্বল্য ও স্বভাবের মাধুর্যের তুলনা হয় না। তার মতো চৌকস অর্থনীতিবিদ যে কোনও দেশেই খুঁজে পাওয়া ভার, তবে আমাকে আজ পর্যন্ত মুগ্ধ করে রেখেছে তার মুক্তোর মতো বাংলা হস্তাক্ষর, সেই সঙ্গে তার বাংলা গদ্যরচনায় সহজ স্বাচ্ছন্দ্য। ওদের মধ্যে সবচেয়ে নামী অর্থনীতিবিদ, নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এক ক্লাস নিচে পড়তো, বাংলাদেশে স্বাধীনতালাভের পর রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা পরিষদের প্রধান হয়েছিল, বেশ কয়েক দিন সে-ও লোদি এস্টেটের বাড়িতে তখন থেকে গেছে। এসেছিল হাসান ইমাম-ও, যে এখন ওয়াশিংটনে নির্লিপ্ত জীবনযাপন করছে, মস্ত প্রাসাদ বানিয়েছে মেরিল্যান্ড উপকণ্ঠে, প্রতি ঘরে বিদ্যুত্যন্ত্রের সাহায্যে প্রতিনিয়ত রবীন্দ্র সংগীতের মূৰ্ছনা। হাসান ইমামের ছদ্মনাম মনে পড়ে না, তবে ওয়াহিদুল হক পরিচিত হয়েছিল বাদল হালদার নামে, আর নুরুল ইসলামের বিকল্প নাম নির্মল সেন। একদিন নুরুল দিল্লি থেকে কাকে যেন কলকাতায় টেলিফোন করছিল, হঠাৎ, উদ্‌ভ্রান্ত, আমার দিকে তাকিয়ে কাতর প্রশ্ন: ‘আমার নামটা কী যেন, নামটা কী যেন?’

    হাকসার-পৃথ্বীনাথ ধরদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, এই অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীদের পশ্চিম ইওরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্বজ্জন মহলে অনেক চেনাজানা আছে, দিল্লিতে গা-ঢাকা দিয়ে থাকার বিশেষ সার্থকতা নেই, কয়েক সপ্তাহ বাদে-বাদে বেনামি ভারতীয় পাসপোর্ট ও যথেষ্ট বিদেশী মুদ্রা সঙ্গে দিয়ে তাদের সবাইকে পছন্দমতো দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, মার্কিন মুলুকে কিংবা নরওয়ে, সুইডেন, ইংল্যান্ড, জর্মানি, ফ্রান্স, নয়তো কানাডা-তে, সেখানে পৌঁছে তারা পাকিস্তানের অনাচারের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সপক্ষে, প্রচার করবে, সমর্থন সংগ্রহ করবে, এখানে-ওখানে বক্তৃতা দেবে, প্রবন্ধ লিখবে। রেহমান সোভান, আনিসুর রহমান, নুরুল ইসলাম, এদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই এই ব্যবস্থা হলো। ইওরোপের বিমানগুলি দিল্লি থেকে সাধারণত শেষ রাত্তিরে ছাড়ে। প্রায় নিয়ম দাড়িয়ে গেল, মধ্যনিশীথে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ আসবেন, আমার অতিথিকে টিকিট ও পয়সা-কড়ি বুঝিয়ে দেবেন, নিঃশব্দে গাড়িতে তুলবেন, ইওরোপ বা আমেরিকাগামী বিমানে তুলে দেবেন, বিমান নির্বিঘ্নে ছেড়েছে জেনে বাড়ি ফিরে ঘুমোবেন।

    কাহিনীর মধ্যেও কাহিনী। একটু পিছিয়ে যেতে হয়। কাণ্ডির সেই বৈঠকে পাকিস্তান থেকে যে সাত বাঙালি উপস্থিত ছিল, তাদের একজনের সম্মেলন শেষ হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে দিল্লির পাকিস্তানি দূতাবাসে অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হয়ে আগমন। আমার বাড়িতে তার আনাগোনা শুরু হলো, তার সঙ্গীরূপে আরও দুই-একজন দূতাবাসে-কর্মরত বাঙালি। সবাই বাচ্চা ছেলে, অনেকেই অবিবাহিত, সুতরাং আমার স্ত্রী তাদের পরম স্নেহের সঙ্গে আপ্যায়ন করতেন, প্রায়ই খাওয়ার নেমন্তন্নও, গানের জলসা তো অফুরান! কিছুদিন বাদে, আমি তখনও কৃষিপণ্য মূল্য কমিশনের সভাপতি, দফতরে এক পুলিশকর্তা দেখা করতে এলেন। আমার খানিকটা বিস্ময়বোধ, ওঁরও একটু জড়োসড়ো অবস্থা, সরকারের সচিব পর্যায়ের একজনের কাছে এসেছেন, কথা প্রায় জড়িয়ে যাচ্ছে, ভদ্রলোক বাঙালি। এটা-ওটা ভণিতার পর হাত কচলে হঠাৎ তাঁর আকুল জিজ্ঞাসা, ‘স্যার, যদি অপরাধ না নেন, একটা প্রশ্ন করতে পারি? পাকিস্তানি দূতাবাসের লোকজনেরা এত ঘন ঘন কেন আপনার বাড়িতে আসে?’ হেসে ফেললাম। হেসে-হেসেই বললাম, ‘এরা অনেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কেউ-কেউ আমার পরিচিতজনের পুত্র বা ভ্রাতুষ্পুত্র, রবীন্দ্রনাথের গান ভালবাসে, বাঙালি রান্না ভালবাসে। আপনাদের আপত্তির কারণ কী?’ ভদ্রলোক মুখ নিচু করে চলে গেলেন, ওই অধ্যায়ের ওখানেই ইতি।

    তবে যা বলছিলাম, কাহিনীর মধ্যেও কাহিনী। পূর্ববঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ, লোদি এস্টেটের বাড়ি পূর্ববঙ্গীয় অতিথিবৃন্দে বোঝাই। একদিন মধ্যরাতে ভারতীয় গোয়েন্দাবাহিনীর নিঃশব্দ গাড়ি আমার বাড়িতে এসে থামলো। ওয়াহিদুল হককে কানাডাগামী বিমানে তুলে দিতে পুলিশের লোক এসেছেন, টিকিট ও অন্যান্য আনুষঙ্গিকসুদ্ধু। হঠাৎ ওয়াহিদকে-বিমানে-পৌঁছুতে-আসা পুলিশ অফিসারটি দুই জুতো জুড়ে শব্দ করে আমাকে স্যালুট জানালেন, তাকিয়ে দেখি কৃষি ভবনে তদন্তে-আসা সেই অফিসারটি। মজা করে তাঁকে বললাম, ‘এবার তো বুঝতে পারছেন, পাকিস্তানি দূতাবাসের লোকজনেরা কেন আমার বাড়ি আসা-যাওয়া করতো?’

    সবচেয়ে বেশিদিন ছিল মঈদুল হাসান। এক সংবাদপত্রের স্বত্ত্বাধিকারীর জামাতা হওয়ার সুবাদে সে সম্ভবত পত্রিকাটির কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিল, পরে অবশ্য তার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়ে যায়। অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছেলে, কথাবার্তায় আলাপ-আপ্যায়নে তুখোড়, দেশ-বিদেশের ঘটনাবলী সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, তাজউদ্দিনের খুব কাছের মানুষ। ততদিনে বনগাঁ সীমান্তে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার সংগঠিত হয়ে গেছে, রাষ্ট্রপতি পূর্ব পাকিস্তানে বন্দী শেখ মুজিব, উপ-রাষ্ট্রপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সমসাময়িক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধান মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ। প্রায় প্রতি সপ্তাহে, দুর্গাপ্রসাদ (ডি. পি.) ধর ও হাকসারের সঙ্গে পরামর্শের উদ্দেশ্যে তাজউদ্দিনের দূত হিশেবে মঈদলের দিল্লি আগমন; থাকতো আমাদের সঙ্গে, আনিস-রেহমানের মতোই আমাদের ঘরের লোক হয়ে গিয়েছিল। চমৎকার ছেলে, বিশেষ করে মহিলাদের আকর্ষণ করবার মতো অনেক গুণ ওর ছিল। আমাদের পক্ষে একটি দুঃখজনক ঘটনা, এই ডামাডোলের সময়ে সে আমার এক বন্ধুপুত্রের স্ত্রীর সঙ্গে মায়ায় জড়িয়ে পড়ে, পরে তাকে বিয়েও করে, বন্ধুপুত্রটির জীবন তার পরই ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়।

    উনিশশো একাত্তর সাল প্রায় পুরোটাই এভাবে কাটলো: বাংলাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধ, কয়েক মাস গড়ালে ভারত বাহিনীর প্রকাশ্য সক্রিয় সমর্থন, ভারতীয় সেনাদের পূর্ববঙ্গ অভিযান, ইন্দিরা গান্ধির সমর বিজয়, তাঁর প্রখ্যাতি দিগ্‌দিগন্তে ব্যাপ্ত, মার্কিনদের নাক ঘষে দিয়েছেন তিনি, তাঁর সাহস, প্রতিজ্ঞা ও কল্পনাশক্তিকে হেলা করার আর কোনও কারণই নেই। তবে, ইতিহাসে যে-কথা লেখা থাকবে না, পাকিস্তানকে পরাভূত করার জন্য প্রধান কৃতিত্ব আসলে বর্তায় পরমেশ্বরনারায়ণ হাকসারের অগাধ বুদ্ধি ও কলাকুশলতার উপর।

    ষোলোই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় আত্মসমর্পণ করলো, ইন্দিরা গান্ধির জয়যাত্রার রথ অপ্রতিরোধ্য। মাত্র কয়েক মাস আগে ‘গরিবি হটাও’-এর উপর ভর করে লোকসভায় পর্যাপ্ত সংখ্যাধিক্য পেয়েছেন, তারও কিছুদিন আগে বুড়ো-বুড়ো কংগ্রেসিদের কুপোকাৎ করেছেন, বামপন্থী সাহায্যেরও তাঁর আর এখন থেকে দরকার নেই। পশ্চিম বাংলা থেকে কমিউনিস্টদের নিশ্চিহ্ণ করতে এখন তিনি প্রচণ্ড আগ্রহী। হাকসারের মনোভাব ঠিক বোঝা যাচ্ছিল না, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে স্নেহাংশু আচার্য একবার দিল্লি এসেছিলেন, তখন ইন্দিরার দুই প্রধান পরামর্শদাতা দুর্গাপ্রসাদ ও পৃথ্বীনাথ ধরকে আমার বাড়িতে আহ্বান করে তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসিয়ে দিয়েছিলাম। স্নেহাংশুবাবু ধরদের যা বলেছিলেন তার সারাৎসার, ‘আপনারা শত চেষ্টা করেও মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টিকে পশ্চিম বাংলা থেকে উৎখাত করতে পারবেন না, সুতরাং মহিলাকে নিবৃত্ত হতে বলুন।’ পরে বোঝাই তো গেল এ সব কথায় কোনও কাজ হয়নি, ইন্দিরা গান্ধি সেই ঋতুতে পুরোপুরি সিদ্ধার্থশঙ্করময়। নকশালপন্থীদের মধ্যে ঢুকে গিয়ে পুলিশ কর্তৃক গুপ্তহত্যার বহর ক্রমশই বিকট আকার ধারণ করছিল। বোধহয় পূর্ব পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল, যে করেই হোক মার্কসবাদী কমিউনিস্টদের আর পশ্চিম বাংলায় ক্ষমতায় ফিরতে দেওয়া হবে না; পুলিশবাহিনী, গুপ্তচরবাহিনী ও সমাজবিরোধীদের সম্মিলিত আক্রমণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছিল, যার সামান্যতম খবরও বামপন্থীদের কাছে পৌঁছুচ্ছিল না।

    বাংলাদেশ যুদ্ধ সমাপ্তির মাসখানেক বাদে বাহাত্তর সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি একটি ভারতীয় অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদলের নেতা হিশেবে ঢাকা গেলাম। গেলাম অনেক বছর বাদে, পুরনো ঢাকাকে আর চেনা যায় না, শহরের চেহারা আমূল বদলে গেছে, বিমানবন্দরে স্নেহাকুল অভ্যর্থনা, আনিস এবং রেহমান দু’জনেই উপস্থিত, ওরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পরিকল্পনা পরিষদের সদস্য মনোনীত হয়েছে, মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মান, নুরুল ইসলাম পরিষদ-প্রধান। তা ছাড়া অন্যান্য বন্ধুরা, নূরজাহান ও স্বদেশ বসু, আমার স্কুলসহচর ওয়াসেক হক, এনায়েত ও হোস্না। প্রথম সন্ধ্যাতেই আমার স্কুল শিক্ষক শামসুদ্দিন স্যারের সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। সেখান থেকে বেরিয়ে পুরানা পল্টনে পিতৃবন্ধু কাজী সাহেব, কাজী মোতাহার হোসেনকে শ্রদ্ধা জানাতে। গিয়ে দেখি কন্যা সন্জীদা বসে আছেন, কাজী সাহেব নেই। অসম্ভব দাবার নেশা, কোন্ দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে যিনি মার্চ মাসে করাচি গিয়েছিলেন, সেখানে আটকা পড়ে গেছেন।

    দাওয়াতের ছড়াছড়ি, অভ্যর্থনার অত্যাচারে হাঁসফাঁস অবস্থা। তবু বুঝতে পারছিলাম এরই মধ্যে হাওয়া একটু-একটু ঘুরতে শুরু করেছে, তার জন্য বাংলাদেশের কর্তাব্যক্তিদের সন্দেহবাতিক যতটা দায়ী, আমাদের এদিককার মানুষজনের, এমনকি পশ্চিম বাংলার অধিবাসীদের একটি অতুচ্ছনীয় অংশের, আদেখলেপনাও কম দায়ী নয়। বাঙালি হিন্দু জমিদারদের অনাচারহেতু চল্লিশের দশকে পূর্ববঙ্গে মুসলিম লিগের হু হু করে প্রভাব বিস্তার, সেদিনের ক্লেদাক্ত রক্তাক্ত দিনের স্মৃতি চট করে মুছে যাওয়ার নয়, তার উপর তুলনাগতভাবে ভারতবর্ষ এত শক্তিশালী দেশ, পাকিস্তানকে পর্যন্ত পর্যুদস্ত করেছে। ভারতের সাহায্য নিয়েই যদিও তাদের স্বাধীনতাপ্রাপ্তি, তা হলেও বাংলাদেশের জনগণের মনে ভয়, ভারতবর্ষ প্রায় জুজুবুড়ি। ওই সময়ে আমি ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি-তে ছদ্মনামে একটি প্রবন্ধ ছাপিয়েছিলাম, তার সারাংশ নিম্নরূপ: বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, ভারতবর্ষের সহায়তাতেই স্বাধীন হয়েছে। তবু এই নতুন দেশ সম্পর্কে ভারতবর্ষের উচিত অনুকম্পায়ী অন্যমনস্কতাযুক্ত নীতি গ্রহণ করা। ইতিহাস তো চট করে ভোলা যায় না, বাংলাদেশীদের স্বাধীন হতে সাহায্য করেছি বলেই তারা আমাদের পায়ে লুটিয়ে পড়বে না; আমরা যদি এখন থেকে নিজেদের সন্তর্পণে সামান্য সরিয়ে রাখি, খুব বেশি ওদের ব্যাপারে নাক না-গলাই, তাতেই উভপাক্ষিক মঙ্গল।

    কে শোনে কার কথা। ডি পি ধর সপ্তাহে-সপ্তাহে দিল্লি থেকে ঢাকা উড়ে যেতে লাগলেন, বিশ্বনাথ সরকার ভারতে ঢাকাস্থ দূতাবাসে সামরিক পরামর্শদাতা, ভারতবর্ষ থেকে প্রচুর আর্থিক, সামরিক ও অন্যান্য বৈষয়িক সাহায্য বাংলাদেশ পেতে শুরু করলো, কিন্তু সাহায্যের পরিমাণ যত বাড়লো, বাংলাদেশীদের সন্দেহের পরিমাণও সমান তালে। বিশেষ করে পশ্চিম বাংলায় পূর্ববঙ্গ থেকে যাঁরা উদ্বাস্তু হয়ে এসেছিলেন, তাঁদের অনেকের মানসিকতা এমন দাড়ালো যেন জমিদারি ফিরে পেয়েছেন, এবার মাঠভরা ধান, নদীতে ছাওয়া ইলিশের সন্ধানে শনৈশনৈ গেলেই হয়। উনিশশো বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর সালের মধ্যে ভারত-বিদ্বেষ হঠাৎ যে উদগ্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো, এ সবই তার প্রধান কারণ। আমাকে জনৈক বন্ধু একটি কাহিনী শুনিয়েছিলেন। ঢাকা বিমানবন্দরে তিনি একটি রিকশা ভাড়া করেছেন, রিকশা চলতে শুরু করতেই চালক এক কাহন অভিযোগ পেশ করলো। মধু-ঝরা বাঙাল ভাষায়, যার মর্মার্থ: ‘বসুন, ইন্ডিয়া থেকে এসেছেন বুঝি? আপনাদের ইন্ডিয়ার কথা আর বলবার নয়, সৈন্য পাঠিয়েছেন, তারা লুটপাট করে, ঘরবাড়ি জবরদখল করে, মহিলাদের ইজ্জত নষ্ট করে। কিছু ধান-চাল পাঠিয়েছেন, তাতে পোকা কিলবিল করছে, তার উপর কাকরে-পাথরে ঠাসা। সামান্য কিছু শাড়ি-কাপড় পাঠিয়েছেন, সব ছেঁড়াফাঁড়া-গর্তে-ভরা। আর যা-ও একটা কবি পাঠিয়েছেন, সেটাও বদ্ধ পাগল’। ভীষণ ব্যথা পেয়েছিলাম, নজরুলকে ইঙ্গিত করে এমন উচ্চারণে, কিন্তু এটাও আমাদের কর্মফল।

    বুঝতে পারছিলাম, দিল্লির পালা এবার সত্যিই ফুরিয়েছে। আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন এক বহু-অভিজ্ঞ বিচক্ষণ ব্যক্তিকে ঢাকায় রাষ্ট্রদূত করে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু কলকাঠি নাড়া হতে দিল্লি থেকে। যুদ্ধজয়ের পরের দিনই সংসদে অটলবিহারী বাজপেয়ী ইন্দিরা গান্ধিকে ‘মা ভগবতী’রূপে সম্বোধন করেছেন, পল্লীতে-নগরে-বন্দরে অভিভূত প্রশস্তি গাথা। ওরকম বিবমিষা-উদ্রেককারী বিদূষণার পরিবেশে আমার মানসিক গঠন নিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব।

    প্রধান মন্ত্রী সম্মান ও ক্ষমতার মগডালে, সকলের ধরাছোঁয়ার বাইরে। লন্ডনের ‘ইকনমিস্ট’ পত্রিকায় খেতাব দেওয়া হলো, ভারতসম্রাজ্ঞী। দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা রাতারাতি চুনোপুঁটি বনে গেলেন। একটি ঘটনার উল্লেখ করি। কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কয়েকজন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং একজন-দু’জন উঁচুমহলের আমলা নিয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়েছিল, ভূমিসংস্কারের পরবর্তী কর্মসূচী নিয়ে দিগনির্দেশের জন্য। সেটা বোধহয় বাহাত্তর সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিক। কৃষি ভবনের কমিটি কক্ষে বৈঠক বসলো। বৈঠক কয়েক মিনিট এগোতে না এগোতেই জনৈক মুখ্যমন্ত্রী আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন: ‘ডক্টর সাব, এত আলোচনার কী দরকার? ম্যাডাম যা চাইছেন, তাই-ই আপনি লিখে দিন না কেন?’ অন্ধ দেবীপূজার অন্য একটি উদাহরণ: রাজ্যসভা না লোকসভায় জনৈক সংসদ সদস্য প্রশ্ন করেছেন, ‘এটা কি সত্য যে, গত বছরের তুলনায় এ বছর শিল্পসংঘাত অনেক কম ও অনেক কম শ্রমদিবস নষ্ট হয়েছে? এরকম হয়ে থাকলে তার কারণ কী?’ মন্ত্রীর সহর্ষ উত্তর: ‘হ্যাঁ, মহোদয়। গত বছরের তুলনায় এ বছর শিল্পসংঘাত যথেষ্ট হ্রাসপ্রাপ্ত; এই আশ্চর্য জাদু ঘটেছে মহিমাময়ী প্রধান মন্ত্রীর অনির্বচনীয় নেতৃত্বের শুভ পরিণামে।’

    শুধু অভাবে স্বভাব নষ্ট হয় না, ক্ষমতাধিক্যেও হয়। দিল্লি ঘিরে তোশামোদের হাওয়া, গা ঘিনঘিন করে। খানিক বাদে নিছক গল্প নয়, অনেক যথার্থ কাহিনীও শোনা যেতে লাগলো, ইন্দিরা গান্ধি এবং তাঁর রাজনৈতিক পার্শ্বসহচররা এবার দু’-হাতে টাকা তুলছেন, একে-ওকে তাকে চোখ রাঙিয়ে; ভক্তিতে না হলেও ভয়ে-ভয়ে অনেকে স্বেচ্ছায় উপুড় করে টাকা দিচ্ছেন। আর্থিক নীতি-রীতিতে সহসা পরিবর্তনের সূচনা। বড়ো শিল্পপতি, বড়ো ব্যবসায়ী, বড়ো জমিদার-জোতদাররের কাছ থেকে টাকা তুলছেন প্রধান মন্ত্রী, সুতরাং গরিবদের বিপক্ষে, বড়োলোকদের স্বার্থে, নীতি প্রয়োগ না-করে গত্যন্তর নেই।

    পশ্চিম বাংলায় আরেক দফা নির্বাচন, পুলিশ দিয়ে, গুপ্তচর বাহিনী নিয়ে, গুণ্ডা লাগিয়ে নির্বাচন। এমনকি জ্যোতি বসুকেও জিততে দেওয়া হলো না। বুথ দখলের, জাল ভোট দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভোটদাতাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার বহু কাহিনী মুখে-মুখে রটিত। এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়া, সোদপুরের বাসিন্দা, বিলাপ করে জানালেন কীভাবে ছুরি দেখিয়ে তাঁকে ভোটকেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মনঃস্থির করে ফেললাম, বোধহয় গুড ফ্রাইডের ছুটি ছিল সেদিন, হাসারের কাছে গিয়ে দিল্লি ত্যাগের সিদ্ধান্ত জানালাম। পরদিন পদত্যাগপত্র দাখিল করে মালপত্ৰসুদ্ধু কলকাতায় প্রত্যাবর্তন: আপাতত লম্বা ছুটিতে, মাসখানেক বাদে একদিনের জন্য ফিরে গিয়ে পুরোপুরি। হাকসার নিজে কিছু বললেন না, নিকটস্থ-দূরস্থ অনেক পরিচিত ভদ্রলোক-ভদ্রমহিলা আমি এক কথায় মস্ত বড়ো কাজ ছেড়ে দিচ্ছি জেনে বাক্‌রহিত, অনেকে প্রচুর উপদেশ-পরামর্শ দিয়ে যথারীতি বিফল হলেন। একমাত্র অশোক রুদ্রের আনন্দ ধরে না; সে আমার সিদ্ধান্ত পূর্ণ সমর্থন করে, যেন আমাকে শিরোপা দিতেই, দুপুরবেলা আমাদের সঙ্গে খেতে এলো।

    অন্য পক্ষে, কলকাতায় ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙারের সঙ্গে যখন দেখা করতে গেলাম, এক প্রস্থ বকুনি খেলাম, ‘মশাই, আমাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা না করে আপনি হুট করে কাজটা ছেড়ে এলেন! দিব্যি ছিলেন ওখানে, আপনার মারফৎ ভিতরের খবর পাচ্ছিলাম, আপনি কেঁচে গণ্ডূষ করে দিলেন।’ ভৎসনা মুখ বুঁজে মেনে নিতে হলো আমাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুধীন দাশগুপ্ত – সম্পাদনা: অশোক দাশগুপ্ত
    Next Article আঙ্কল টমস কেবিন – হ্যারিয়েট বিচার স্টো

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }