Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আপিলা-চাপিলা – অশোক মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প696 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আপিলা-চাপিলা – ২২

    বাইশ

    কলকাতায় প্রত্যাবর্তন, তবে জীবিকার কথাও তো একটু ভাবতে হয়! মুশকিল আসান করে দিলেন ভারতীয় সমাজবিজ্ঞান পরিষদের কর্ণধার জয়ন্ত নায়ক। আমি পরিষদের। প্রতিষ্ঠামুহূর্ত থেকে পরিচালকমণ্ডলীর অন্যতম, হয়তো চক্ষুলজ্জাবশত, হয়তো করুণাবশত, দিল্লি ছাড়ার প্রাক্‌মুহর্তে পরিষদের জাতীয় ফেলোশিপ গ্রহণ করার জন্য নায়ক আমাকে অনুরোধ জানালেন। কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁর দত্ত সুযোগ গ্রহণ করলাম, বন্ধু— ও রাজনৈতিক বৈরী— মোহিত সেনের মেজদা পোটলার সৌজন্যে কলকাতায় গৃহসমস্যারও একটি সন্তোষজনক নিরসন ঘটলো। পোটলা হায়দরাবাদস্থ এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্টাফ কলেজ অফ ইন্ডিয়ার অধ্যক্ষ, ওদের কলকাতায় একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়া ছিল, আমি ব্যবহারের জন্য পেলাম এই শর্তে যে, বছরে বার কয়েক হায়দরাবাদে গিয়ে বক্তৃতা দিয়ে আসবো। হিতেন চৌধুরী তখন ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি-র স্বত্ত্বাধিকারী সমীক্ষা ট্রাস্টের কার্যনির্বাহী অছি, সনির্বন্ধ অনুরোধ জানালেন প্রতি সপ্তাহে যেন ই. পি. ডাবলিউ-র জন্য কলকাতা ডায়েরি লেখা শুরু করি, সেই সঙ্গে একটি-দু’টি সম্পাদকীয় মন্তব্য। সুতরাং কলকাতায় সময়ের ফাঁক বলে কিছু রইলো না। তবে কংগ্রেসি রাজত্ব, হাজার-হাজার রাজনৈতিক কর্মী বিনাবিচারে বন্দী, অনেকে পাড়া ছাড়া, ঘর ছাড়া, প্রতিপক্ষ কোনও রাজনৈতিক দলের সভা-মিছিল করার অধিকার নেই, সংবাদপত্রগুলি কেন্দ্র এবং রাজ্যের কংগ্রেসি সরকারের ধামা ধরে আছে, একমাত্র সমর সেন ‘ফ্রন্টিয়া’র-এ তির্যক বিদ্রুপ ও কষাঘাতের ফুলঝুরি ছড়িয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু প্রধান প্রতিপক্ষ দল সম্পর্কেও তাঁর তো সমান অনীহা। একটি-দু’টি বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা, যেমন হীরেন বসু-র ‘দর্পণ’, প্রতিবাদে মুখর, কিন্তু ক’জন আর সেগুলি পড়েন?

    এই প্রথম ছাত্রাবস্থার পর রাজনীতির অঙ্গনে যথার্থ সক্রিয় হয়ে উঠলাম। জ্যোতিবাবু-প্রমোদবাবুদের সঙ্গে ঘন-ঘন দেখা হয়, আলাপ-আলোচনা-পরামর্শ, এঁরা দু’জনেই সেই সময় নিয়মিত ই পি ডব্লিউ পড়ছেন, আমার বদমেজাজি প্রবন্ধাদি পাঠ করে ভারি খুশি। সত্যব্রত সেন মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির সর্বক্ষণের কর্মী তথা নেতা, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলি, পার্টির বিভিন্ন গণসংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত থাকি। জীবনযাপনকে কয়েকটি ভাগ করে নিতে কোনও অসুবিধা হতো না। সমাজবিজ্ঞান পরিষদের জন্য দেশের হালের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে তত্ত্বের মিশেল-দেওয়া বই লিখছি, সপ্তাহে একদিন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটে পড়াতে যাচ্ছি, রাজনীতির তখন-খুব-অনিশ্চিত ভিড়ে জুটছি। সাহিত্যিকদের সামীপ্যেও আলাদা ঘোরাফেরা-মেলামেশা।

    পুরনো অনেক রাজনৈতিক বন্ধু দূরে সরে গেছেন, নতুন সৌহার্দ্য ঘটেছে। যাঁরা সরে গেছেন তাঁদের হয়তো পাল্টা অভিযোগ দায়ের করতে পারতেন, আমিই আস্তে-আস্তে গোঁড়া সংকীর্ণতাবাদীরূপে পরিণত হচ্ছি। তবে, এখনও বলবো, আমার দিক থেকে রাগ-বিরাগের পর্যাপ্ত কারণ ছিল। একটি ঘটনার কথা বলি। একাত্তর সালের মার্চ মাস হয়তো বা, বিধানসভার নির্বাচনের তারিখ অত্যাসন্ন, আমি দিল্লিতে, কয়েক দিনের ছুটি নিয়ে ভোট দিতে কলকাতায় এসেছি, একদিন দক্ষিণপন্থী এক কমিউনিস্ট কবির গৃহে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পার্টির বহুদিনের পুরনো একনিষ্ঠ সদস্য, আমাকে কাতর অনুরোধ জ্ঞাপন করলেন: আমি ভারত সরকারে ভালো জায়গায় আছি, তাঁর ধারণা তাঁকে সাহায্য করতে পারবো। তিনি নিজে যদিও ঘোর দক্ষিণপন্থী, তাঁর ছেলে উগ্র নকশালপন্থী, কোথায় বোমা ছুঁড়ে দেওয়াল টপকে পালাতে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। আপাতত আদালতের জিম্মায় আছে, তবে যে-কোনও দিন পুলিশ আর্জি জানালে বিচারক সম্ভবত তাঁকে পুলিশের হেফাজতে তুলে দেবেন; পুলিশ এমন অকথ্য প্রহার শুরু করবে যে তাঁর ছেলে মারা যাবে, নয়তো চিরকালের জন্য পঙ্গু হয়ে থাকবে। ভদ্রলোকের একান্ত প্রার্থনা, আমি যদি সরকারি মহলে প্রভাব খাটিয়ে তাঁর সন্তানকে আদালতের জিম্মায় রেখে দেওয়ার ব্যাপারটা পাকা করতে পারি। সাধুজনরা তো বলেন, মানুষের উপকার করতে হয়। রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্রসচিব, যিনি তখন অতিরিক্ত মুখ্যসচিবও, তাঁকে গিয়ে বললাম, কাজ হলো, ছেলেটি আদালতের জিম্মাতেই রইলো। পিতা ভদ্রলোক আমাকে অনেক ধন্যবাদ জানালেন, তবে ভোটের দিন সন্ধ্যাবেলা সেই কবির বাড়িতে বসে আছি, ভদ্রলোকের শুভাগমন, একগাল হেসে বললেন: ‘জানেন, এবার ভোটটা কংগ্রেসকেই দিলাম’। কবি হয়তো নিমিত্তমাত্র, তা হলেও তাঁর বাড়িতে আর কোনওদিন পা রাখিনি।

    ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকায় নিয়মিত লিখি, অরুণকুমার সরকারের প্রাত্যহিক সান্নিধ্য পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করি, পুরনো বন্ধু সুরঞ্জন এখন খুব কাছাকাছি থাকেন, সমরবাবুর বাড়িতেও সপ্তাহে এক দিন-দু’ দিন নিয়ম করে যাই, ওঁর দাদারা আসেন— অমলদা, গাবুদা, অমলদার মতো পরোপকারী মানুষ জীবনে দেখিনি— অনেক খোশগল্প হয়। সমরবাবু আমাকে লিখতে বলেন না, জানেন অনুরোধ করে কোনও লাভ হবে না, তবে আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক অটুট। দিল্লিতে থাকার শেষ বছর ওঁর জ্যেষ্ঠা কন্যা বীথি অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়ে, আমরা খানিকটা দেখাশুনো করি, সমরবাবু ও সুলেখা সেন তা নিয়ে আমাদের কাছে কৃতজ্ঞ, সুতরাং সুইনহো স্ট্রিটে আমার আড্ডা অব্যাহত, রাজনৈতিক মতপার্থক্য যাই-ই হোক না কেন। অবশ্য, যে কথা আগেও উল্লেখ করেছি, তরল-গরল গলাধঃকরণ করলে সমরবাবু অত্যন্ত কড়া-কড়া কথা বলতেন, আমার রাজনৈতিক ঝোঁক নিয়ে ব্যঙ্গ করে, আমার গায়ে লাগতো না।

    ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটে: বই লেখার কাজ করছি, প্রতি সপ্তাহে ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি-র জন্য কলকাতা ডায়েরি ও সম্পাদকীয় মন্তব্য, বহু ধরনের কর্মসূচি, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক সমিতির বার্ষিক অধিবেশনের জন্য সভাপতির ভাষণ মকশো করছি, আতোয়ার রহমানকে ‘চতুরঙ্গ’-এর সম্পাদনায় সাহায্য যোগাচ্ছি, নানা রাজনৈতিক-আধারাজনৈতিক সভাতে গিয়ে বক্তৃতা কপচাচ্ছি, এন্তার গ্রুপ থিয়েটারের নাটক দেখে বেড়াচ্ছি, অর্থনীতিবিদ্ ও অন্যান্য ব্যক্তিগত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার অনবচ্ছিন্ন প্রবাহ।

    কয়েক মাসের ব্যবধানে কিছুদিন ফের দিল্লিতে কাটিয়ে এলাম, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় অর্থনীতিবিদ বন্ধুদের আমন্ত্রণে। তাঁরা আমি যে-বইটি লিখছি, অধ্যায় ধরে-ধরে তার ব্যাখ্যাবিশ্লেষণসহ একপ্রস্থ বক্তৃতার ব্যবস্থা করলেন। আমার সীমিত চৌহদ্দির অর্থনীতিতে রাজনীতির মিশেল, ইতিহাস-দর্শনেরও, সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় ছেঁকে ছেলেমেয়েরা শুনতে আসতো, ব্যাপক অংশগ্রহণ সব মহলের। খুব আনন্দে কেটেছিল ওই ঋতুটি, সেই সঙ্গে বিনোদনেও। মানসিকতার দিক থেকে নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা অধিকাংশই আমার কাছাকাছি, তাঁরা আদরে ঘিরে রেখেছিলেন। প্রভাত পট্টনায়ককে আগেই চিনতাম, এই পর্বে তাঁকে জানা হলো। ওর কথা পরে অবশ্যই আরো বলতে হবে: অর্থনীতিবিদ হিশেবে অবশ্যই সে সর্বোত্তম পর্যায়ভুক্ত, কিন্তু ভালোমানুষ হিশেবেও তার তুলনা নেই। সকাল-সন্ধ্যা বন্ধুরা সবাই এক সঙ্গে ঘুরতাম, একসঙ্গে খেতাম, আনন্দ করতাম, পরচর্চায় নিয়োজিত হতাম। অমিত ভাদুড়ী ও তাঁর স্ত্রী মধু ভাল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি-নিবাস থেকে ভালোবাসার জোর খাটিয়ে আমাকে তাঁদের বাড়িতে নিয়ে তুললো, পরম বিলাসে ছিলাম সেই ক’সপ্তাহ৷ ভোরবেলা প্রাতরাশের টেবিলে আমার আনাড়িত্ব আঁচ করে মধু ছোটো বোনের আদর ঢেলে আমার জন্য বরাদ্দ আধাসেদ্ধ ডিম ভেঙে দিত, স্বর্গীয় সুখ উপভোগ করতাম। অসাধারণ প্রতিভাবতী অর্থনীতিবিদ, কৃষ্ণা ভরদ্বাজ, রাগসংগীতচর্চায়ও সমান পারদর্শিনী, ততদিনে সে-ও জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। কৃষ্ণা ও তার কন্যা সুধার সান্নিধ্যও সমান আনন্দ দিয়েছে ওই এক মাস-দেড় মাস।

    কলকাতাস্থ অনেক বন্ধুরই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে আমার দুস্তর তফাত, কিছুমাত্র ক্ষতি হতো না তাতে। রবিবার সকালে আমাদের ফ্ল্যাটে ভিড়-ঠাসা আচ্ছা, কবি-সাহিত্যিক ছাড়াও অনেক গোত্রের মানুষ আসতেন। যাঁর কথা বিশেষ করে মনে পড়ছে, তিনি কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। কনিষ্ঠ ভ্রাতার প্রভাবে তিনি চল্লিশের একটি বিশেষ সময়ে কিছু ‘সাম্যবাদী’ কবিতা যদিও লিখেছেন, আসলে তিনি অত্যন্ত সরল মানুষ, রাজনীতির আপাতজটিলতায় পথ খুঁজে পাওয়া তাঁর সাধ্যের বাইরে। প্রথম জীবনে মস্ত সাহিত্যকীর্তির যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা তাঁর মধ্যে ছিল, তা বিবিধ কারণে মিলিয়ে যায়। জীবনে ব্যর্থ ব্যক্তিদের প্রতি আমার বরাবরই কেন যেন অতল সহানুভূতি, হয়তো নিজেও ব্যর্থ বলে; কামাক্ষীপ্রসাদকে বরাবরই খুব কাছের মানুষ মনে হতো। ব্যর্থতার অভিশাপ তাঁর দিনযাপন ঘিরে, তা হলেও অমন সরল স্বচ্ছ মানুষের সঙ্গে পরিচয় হওয়া যে-কারও পক্ষেই সৌভাগ্যের। কামাক্ষীপ্রসাদও গত হয়েছেন দীর্ঘ পঁচিশ বছর হলো, কিন্তু তাঁর স্ত্রী একদা-অসামান্যা-সুন্দরী পরম সৌজন্যবতী রেখা ও মেয়ে রুনুর সঙ্গে যথাসম্ভব যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছি।

    সবচেয়ে বেশি আড্ডা দিতাম অবশ্য স্নেহাংশু আচার্যের ওখানে। স্নেহাংশুবাবুর গল্পের ভাণ্ড অফুরন্ত, হেসে পেটে খিল ধরে যেত, তা ছাড়া, পূর্বেই উল্লেখ করেছি, তিনি এবং সুপ্রিয়া আচার্য সমপরিমাণ অতিথি-বৎসল। বাইরে হাসি-মস্করা যতই করুন না কেন, স্নেহাংশুবাবু রাজনৈতিক বিশ্বাসে অব্যয়-অচঞ্চল, জ্যোতি বসু ও প্রমোদ দাশগুপ্ত উভয়েরই মস্ত অবলম্বন। এই দুই নেতার মধ্যে প্রকৃতিগত অনেক তফাত ছিল, অথচ স্নেহাংশুবাবুর সঙ্গে দু’জনেরই সমান নৈকট্য। বেকার রোডের ওই বাড়িতে অবশ্য বিচিত্র চরিত্রের আরও নানা মানুষ আসতেন, বিচারক-ব্যারিস্টার থেকে শুরু করে ডাক্তার-কবিরাজ, কবিয়াল-সঙ্গীতজ্ঞ, খেলোয়াড়-ধড়িবাজ, কে না। একমাত্র যাঁদের দক্ষিণপন্থী কমিউনিস্ট বলে সন্দেহ করতেন, স্নেহাংশুবাবু দু’চক্ষে দেখতে পারতেন না তাঁদের।

    অন্য দু’একজন বন্ধুর কথা বলি। আগে থেকেই ছুটকো-ছাটকা দাঁতের মেরামতির জন্য ওয়াটারলু স্ট্রিটে গোপাল বাঁড়ুয্যের কাছে যেতাম, এবার নতুন করে কলকাতায় স্থিত হয়ে ওঁর বাড়ি তথা চেম্বার অন্যতম প্রধান আড্ডাস্থল হয়ে উঠলো। বিখ্যাত দন্তচিকিৎসক বঙ্কিম মুখোপাধ্যায় তাঁর দুই ভাগিনেয় গোপাল বাঁড়ুয্যে ও বারীন রায়কে তাঁর চেম্বার-এর উত্তরাধিকার অর্পণ করে যান। উভয় ভাগিনেয়ই মামার মতো উদারপ্রাণ, নম্র, পরোপকারী। তাঁর মাসতুতো দাদার প্রতি বারীনের প্রায় লক্ষ্মণসুলভ ভক্তি। শুধু দন্তসংক্রান্ত নয়, যখনই যে-সমস্যা নিয়ে তাঁদের কাছে উপস্থিত হয়েছি, অভয় মিলেছে। গোপাল বাঁড়ুয্যে খাওয়াতে ভালবাসতেন, বেশ কয়েক বছর হলো তিনি প্রয়াত, বারীন কিন্তু তাঁর দাদার ঐতিহ্য সসম্মানে বজায় রেখেছেন। ওই চেম্বারের সঙ্গে অন্য যাঁরা কর্মরত, তাঁদের সবাইকেও আত্মার আত্মীয় বলে মনে হয়। তিন ওয়াটারলু স্ট্রিটের আড্ডার চরিত্র যথার্থই বহুমাত্রিক। তাঁদের বৃত্তির সূত্রেই গোপাল-বারীনদের সমাজের বহু অংশের, বহু স্তরের ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মিশতে হতো এবং হয়, বিভিন্ন কিসিমের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা যেমন আসেন, তেমনি আসেন অভিনেতা-অভিনেত্রী-কবি-সাহিত্যিক-ঔপন্যাসিক-গল্পলেখক-সম্পাদক-শিল্পী-ভাস্কর-সঙ্গীতজ্ঞ। এখানে উৎপল দত্ত-শোভা সেনকে দেখা যেত, দেখা যেত শম্ভু মিত্র-তৃপ্তি মিত্রকেও, এখন যেমন দেখা যায় শাঁওলিকে। আসতেন পাহাড়ী সান্যাল, চারুপ্রকাশ-জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ ভ্রাতৃদ্বয়, অন্যদিকে সমর সেন পর্যন্ত। এক সন্ধ্যার কথা মনে পড়ে, সম্ভবত ছেষট্টি সাল, চেম্বারের দুই এলায়িত চেয়ারে দুই অশোক মিত্রের দাঁতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সর্বজনপ্রিয় গোপাল ডাক্তার; এমন সমাপতন নিশ্চয়ই বিরল। ঘোর বিপ্লবী রবি সেনগুপ্ত, গোপাল বাঁড়ুয্যের হরিহরআত্মা বন্ধু, ওখানে নিয়মিত হাজির থাকতেন, থাকতেন অন্য বিপ্লবী সুহৃদ অমর রাহাও; তবে তাঁদের রাজনীতি ওয়াটারলু স্ট্রিটের বাসিন্দারা, আমার ধারণা, তেমন ধর্তব্যের মধ্যে আনতেন না। মাসতুতো দাদা বিগত, বারীনের ওখানে অন্য সকলের সঙ্গে ‘দেশ’-‘আনন্দবাজার’ পত্রিকার লোকজনও সদা উপস্থিত, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।

    কলকাতার তরুণতর অর্থনীতিবিদ বন্ধুরাও অবশ্য অহরহ সঙ্গ দিত: অমিয় বাগচী, নির্মল চন্দ্র, সঞ্জিত বসুদের বাইরেও অনেকে। তবে বহু ক্ষেত্রে তাঁদের প্রধান আগ্রহের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটাতে বেগ পেতে হতো আমাকে। তাঁরা অর্থনীতিতে বিভোর, অন্য পক্ষে আমার ওই বিষয়ে তেমন আগ্রহ কোনওকালেই ছিল না, প্রথাগত পরীক্ষায় বরাবর উৎরে গেছি, তা স্রেফ আকস্মিকতা। আমার বিবেচনায়, ইতিমধ্যেই যা বলেছি, যা রাজনীতি তা-ই অর্থনীতি, অর্থনীতিই রাজনীতি। অর্থনীতিবিদরা তাঁদের প্রজ্ঞার প্রভাব খাটিয়ে সমাজের অবস্থা পাল্টাতে পারেন না, রাজনীতিবিদরা তাঁদের কর্ম-অকর্ম দিয়ে পারেন। প্রতিটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তেরই আসলে একটি রাজনৈতিক দিক আছে। গণিতসমুদ্রে ভেসে অর্থশাস্ত্রে যে-তত্ত্ব-তথা-বিশ্লেষণের ঘোর এখন দৃশ্যমান, তা, আমি বলবো, অপরিমেয় অপচয়। বড়োলোক দেশে সে ধরনের ব্যভিচার তা-ও বোঝা যায়, তাদের সামর্থ্য অঢেল; গরিব দেশের পক্ষে কিন্তু অনুরূপ চর্চা অমার্জনীয় বিলাসিতা। সমাজবিজ্ঞান পরিষদের জন্য আমি যে বই দাঁড় করালাম, তাতে অর্থনীতি-রাজনীতি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়ানো। এই প্রসঙ্গে পরে হয়তো আরও কিছু বলবার উৎসাহ জাগবে।

    বাহাত্তর সালের মাঝামাঝি থেকে পঁচাত্তর সালের মধ্যমুহূর্ত পর্যন্ত দিন কাটছিল উচ্ছল ব্যস্ততায়, তবে ঈষৎ অনিশ্চয়তায়ও। জিনিশপত্রের দাম সমানে বাড়ছে, পশ্চিম বাংলাতেও শস্যের অনটন, গাঁয়ের মানুষ খরার মরশুমে অন্ন ও কর্মের সংস্থানে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন, হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন, দিনমজুরির হার বাড়ছে না, নামমাত্র একটি ভূমিসংস্কার আইন প্রায় দুই দশক আগে বিধানসভায় গৃহীত হয়েছিল, অথচ ভাগচাষী ও ভূমিহীন কৃষকদের অবস্থার তেমন হেরফের হয়নি, যদিও কৃষকসভার সংগঠন ক্রমশ মজবুত হচ্ছে। শহরে অশান্তি বাড়ছে, পল্লী অঞ্চলেও অস্থিতির লক্ষণ, জগদ্দল পাহাড়ের মতো কেন্দ্রে ও রাজ্যে কংগ্রেসি দুঃশাসন। ভারতবর্ষের অন্যত্রও একটু-একটু করে অসন্তোষের পর্দা চড়ছে।

    গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ-প্রতিরোধের পরিবেশ গোটা রাজ্যে নেই। যে-নাটকে অতি সামান্য বামপন্থী গন্ধ আছে, তা-ও ভারতবর্ষের প্রধান রাজনৈতিক দলের চেলাচামুণ্ডারা জোর করে বন্ধ করে দিচ্ছে। কে অস্বীকার করবেন, ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে পরের কয়েক বছর বাংলা নাটকের উজ্জ্বলতম ঋতু। শম্ভু মিত্র ক্রমশ প্রতিষ্ঠান-বহির্ভূত সত্তায় নিজেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গেছেন, শেষ পর্যন্ত ‘বহুরূপী’ থেকেও তিনি বিশ্লিষ্ট। অথচ, এরই মধ্যে, গ্রীক পুরাণ বা অন্য-কোনও সূত্র থেকে উপাখ্যানের উপকরণ সংগ্রহ করে নাটকের পর নাটক মঞ্চস্থ করে গেছেন। এক বিচারে তিনি সমাজের বাইরে, অথচ নাটক মঞ্চস্থ করছেন তো সমাজকে নন্দিত করবার উদ্দেশ্যেই। কাছাকাছি সময়ে অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ‘নান্দীকার’ গোষ্ঠীর নির্ভরে পর-পর অনেকগুলি উল্লেখযোগ্য নাট্যপ্রয়াস মঞ্চায়িত করেছেন। অবশ্য এখানেও প্রেরণার সূত্র এখান-ওখান থেকে খুবলে-আনা বিদেশী নাটকাদি। অজিতেশের নিজের ও কেয়া চক্রবর্তীর অভিনয়প্রতিভা কলকাতার মধ্যবিত্ত সমাজকে মুগ্ধ করেছে, বিশেষ করে ব্রেশটের ‘তিন পয়সার পালা’-র প্রযোজনা-নৈপুণ্য বহু যুগ ধরে মনে রাখার মতো। বাদল সরকারের ‘এবং ইন্দ্রজিৎ’, বিভাস চক্রবর্তীদের ‘চাক ভাঙা মধু’ বার-বার করে দেখেছেন মধ্যবিত্ত বাঙালি দর্শক। এই লগ্নে মায়া ঘোষের অভিনয়কলাও সবাইকে আবিষ্ট করেছে; আশ্চর্য প্রতিভার অধিকারিণী এই মহিলা, কিন্তু কেমন যেন বরাবর আড়ালেই থেকে গেলেন।

    উৎপল দত্তের মুচলেকা দিয়ে জেল থেকে বেরিয়ে আসা জড়িয়ে যে-ঝামেলার সৃষ্টি, তার জেরে লিটল থিয়েটার গ্রুপ উঠে গেল, কিন্তু উৎপলের উৎসাহে ভাঁটা নেই, প্রায় সঙ্গে-সঙ্গে পিপল্‌স্ লিট্‌ল থিয়েটারের উন্মেষ। এখন আর ঠিক মনে পড়ছে না, সম্ভবত আটষট্টি সালের শেষের দিক সেটা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবিদ্বেষ সমস্যা নিয়ে যে-নাটক তিনি মঞ্চস্থ করেছিলেন, ‘মানুষের অধিকারে’, তার প্রযোজনা-উৎকর্ষ অভাবনীয়; আমার মতে অন্তত, এই নাটকে উৎপল দত্তের অভিনয়প্রতিভাও তাঁর আগের ও পরের সমস্ত প্রয়াসকে ছাপিয়ে গেছে। তবে উৎপল তো আরও এগিয়ে গেলেন। বাংলা নাটকের হৃদয়-মোচড়ানো ইতিকথা ‘টিনের তলোয়ার’ মস্ত আলোড়ন তুললো সত্তর-একাত্তর সালের ডামাডোলের মুহূর্তে। পশ্চিম বাংলায় জরুরি অবস্থার আগেই জরুরি পরিস্থিতি: সভাসমিতি নিষিদ্ধ, খবরের কাগজে বিপক্ষ দলের খবর নেই, দেশ জুড়ে মূল্যবৃদ্ধি ও আর্থিক দুর্গতি, অথচ কারও টুঁ শব্দটি করবার অধিকার নেই, কিন্তু উৎপল বেপরোয়া, পর পর একাধিক নাটকে স্বৈরাচারী অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-মুখর হলেন: ‘ব্যারিকেড’, ‘এবার রাজার পালা’, ‘দুঃস্বপ্নের নগরী’। ততদিনে মিনার্ভা থিয়েটারের বন্ধকি শেষ হয়ে গেছে, বামপন্থীদের ব্যবসায়িক মঞ্চগুলি ব্যবহারের অধিকার নেই, পিপল্‌স্‌ লিট্‌ল থিয়েটরের নাটক ইতস্তত এখানে-ওখানে হল ভাড়া করে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, দর্শকের ভিড় উপছে পড়ছে। ওই একই লগ্নে অন্য এক নাট্যগোষ্ঠী, ‘চেতনা’, নতুন প্রকরণচাতুর্যের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে ‘মারীচ সংবাদ’ নামে একটি নাটক প্রযোজনা করে প্রচুর বাহবা কুড়িয়েছিল। হাওয়া যে গরম হচ্ছে, এত সমস্ত নাট্যপ্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। এই প্রসঙ্গে একটি-দু’টি চলচ্চিত্রেরও আমি হয়তো উল্লেখ করতে পারি, কিন্তু বিষয়ের চেয়ে বিভঙ্গ বাড়তি জায়গা নিয়ে নেওয়াতে সামাজিক অভিভাবসঞ্চারে সেগুলি তত সফল হতে পারেনি।

    আরও যা বোঝা যাচ্ছিল, নকশালপন্থী আবেগে ভাঁটা এসেছে, তবে মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টিকে কেন্দ্র করে বামপন্থী প্রতিবাদ ঘনায়িত হচ্ছে। সভা নেই, উল্লেখ করার মতো পত্র-পত্রিকা নেই, তবু পার্টির ব্যূহরচনা নিঃশব্দে পরিণতির দিকে এগোচ্ছে, হয়তো গ্রামে ও শহরতলিতে একটু বেশি করে এগোচ্ছে। ভারতবর্ষের অন্যান্য প্রান্তেও মানুষ, ক্রমশ অধৈর্য হয়ে উঠছেন, বিক্ষিপ্ত, অসংগঠিত প্রতিবাদের ছোটো-বড়ো ঢেউ, ইন্দিরা গান্ধি ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত ক্ষমতা নিজের দপ্তরে কুক্ষিগত করেছেন, রাষ্ট্রপতি তাঁর ক্রীড়নক, মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও তাই।

    মূল্যমান অপ্রতিহত বাড়ছে, শ্রেণীগত উপার্জনবিন্যাস সব অঞ্চলেই দরিদ্রদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে, পুলিশের সঙ্গে প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই জনসাধারণের নিত্য সংঘর্ষ। আর্থিক সমস্যার সূত্র ধরেই সংঘর্ষগুলি যে সব সময় ঘটছে তা নয়; মানুষের মন যেখানে বিষিয়ে আছে, নানা ধরনের অভিযোগ অবলম্বন করে বিদ্রোহের লক্ষণ চারদিকে দেখা দিতে বাধ্য। প্রধান মন্ত্রীর অসহিষ্ণুতা প্রতি পদে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত, তাঁর অহমিকাও সেই সঙ্গে। চুয়াত্তর সালে রেল ধর্মঘট নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক অশান্তি, নির্মম হস্তে তা দমন করা হলো, হাজার-হাজার রেলকর্মচারী খারিজ হয়ে গেলেন, অত্যাচারিত-নিপীড়িত হলেন আরও বহু সহস্র, তাঁদের মধ্যে অনেককে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারাবন্দী করে রাখা হলো, বরখাস্ত হলেন অনেকে, নানা জায়গায় রেলকর্মচারীদের বাসগৃহে পুলিশ মধ্যরাত্রিতে ঢুকে পরিবারের পর পরিবার উৎখাত করলো।

    পশ্চিম বাংলায় অবশ্য এ ধরনের অত্যাচার-অনাচার সত্তর সালের শুরু থেকেই অব্যাহত, এবার অন্যান্য রাজ্যের সাধারণ মানুষ তার কিছুটা আঁচ পেতে শুরু করলেন। জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে দেশ জুড়ে এক ধরনের গণ অভ্যুত্থানের সূচনা, যা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বিস্ফোরণের চেহারা নিল। পঁচাত্তর সালের জুন মাসের গোড়ায় কলকাতায় বামপন্থী ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলির উদ্যোগে ব্রিগেড প্যারেড মাঠে সভার আয়োজন, জ্যোতিবাবু একদিন সকালে আমাদের বাসস্থানে এসে জানালেন, সব ক’টি দল ঐক্যমতে পৌঁছেছেন যে ওই সভায় উত্থাপিতব্য প্রস্তাবটি আমাকে দিয়ে পাঠ করানো হবে। বহু দিন বাদে কলকাতায় বিরাট মাপের হতচকিত-করা রাজনৈতিক সভা, সাধারণ মানুষের উৎসাহ উদ্বেল। আমি প্রস্তাব পড়লাম, জয়প্রকাশ নারায়ণ, জ্যোতিবাবু এবং, যতদূর মনে পড়ে, প্রফুল্লচন্দ্র সেন, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করলেন, তারপর ব্রিগেড প্যারেড মাঠ পরিক্রমান্তে মস্ত মিছিলের সমারোহ।

    দু’দিন বাদে বাড়িতে গোয়েন্দা শাখার পুলিশ চড়াও, বাড়ির বাইরেও চব্বিশ ঘণ্টা গুপ্তচর বহাল, যাদের সহজেই চেনা যেত। পুলিশের যে-লোকেরা দেখা করতে এলেন, বলতেই হবে অত্যন্ত ভদ্র: ‘স্যার, আপনার কি আগামী এক-দুই সপ্তাহ অন্য কোথাও বক্তৃতা দেবার কথা আছে?’ তাঁদের বলা হলো, কথা থাকলেও তার বিশদ বিবরণ দিতে আমি বাধ্য নই। তাঁরা একটু দমে গেলেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে একজন, আবিষ্কার করলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, তাঁদের চা খাইয়ে বিদায় করা গেল, কথাবার্তায় মনে হলো, তাঁদের হার্দ্যিক সহানুভূতি আমাদের দিকেই, কিন্তু গোলামি করতে হয়, কী করবেন। অনেক পরে, কংগ্রেস জমানায় তখন মুখ্যমন্ত্রীর যিনি আপ্ত সহায়ক ছিলেন, তাঁর লেখা বই থেকে জানতে পারি, আমাকে যে ওই সভায় প্রস্তাব-উত্থাপক হিশেবে স্থির করা হয়েছে, পুলিশ তা আগে থেকেই জানতো, বিরোধী দলগুলির গোপন বৈঠকে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে কেউ অতি তৎপর, সঙ্গে-সঙ্গে সরকারকে জানিয়েছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুধীন দাশগুপ্ত – সম্পাদনা: অশোক দাশগুপ্ত
    Next Article আঙ্কল টমস কেবিন – হ্যারিয়েট বিচার স্টো

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }