Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আপিলা-চাপিলা – অশোক মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প696 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আপিলা-চাপিলা – ৩৩

    তেত্রিশ

    অর্থ বিভাগের দায়িত্বে আছি, সরকারি কর্মচারী কিংবা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের এতদিন ধরে-অস্বীকৃত ন্যায্য দাবিদাওয়া পরিপুরণের কর্তব্য-পালনে আমার আনন্দ ধরে না। কিন্তু, সাধ ও সাধ্যের অন্তর্দ্বন্দ্ব ব্যতীতও, কোনও-কোনও ক্ষেত্রে বিবেকদংশনের প্রহার, কারণ আমি তো পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে, উন্নয়ন খাতেও ব্যয়ের মাত্রা না বাড়ালে চলবে কী করে। দ্বন্দ্রের যন্ত্রণার অতএব অহরহ পীড়ন। সাধারণভাবে জ্যোতিবাবুর সঙ্গে, ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি, একটি মৌখিক বোঝাপড়া ছিল, আমার কাছে যা অন্যায় বলে মনে হবে তেমন দাবি বা অনুরোধ আমি ফিরিয়ে দেবো, ফাইল তাঁর কাছে যথানিয়মে যাবে, তিনি রাজনৈতিক বিবেচনা প্রয়োগে করে যদি কোথাও দাবি মঞ্জুর করা সঙ্গত মনে করেন, কিংবা আংশিকভাবেও মেনে নেওয়া মনস্থ করেন, আমার দিক থেকে অসুবিধা হবে না। অথচ প্রায় নয় বছর অতিক্রমান্তে একটি ব্যাপারে মতভেদ প্রবল আকার ধারণ করলো। প্রায় দুই যুগ গড়িয়ে গেছে, আমি বহুদিন সরকারের বাইরে, জ্যোতিবাবুও চব্বিশ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিশেবে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনান্তে অবসর গ্রহণ করেছেন, এখন সমস্যাটি নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্যে মনে হয় আর বাধা নেই। কংগ্রেস আমলে রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে নৈরাজ্য চলছিল, পাঠচর্চার ক্ষেত্রে নৈরাজ্য, পরীক্ষার ক্ষেত্রে নৈরাজ্য, প্রশাসনিক নৈরাজ্য। বামফ্রন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এরকম অনেকগুলি কলেজের পুরনো পরিচালক সমিতি ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়। সর্বক্ষেত্রে প্রশাসকদের শিক্ষাগত মান যে যথোপযুক্ত ছিল, তা নয়। তবে প্রশাসকরা পড়াশুনোর সঙ্গে প্রত্যক্ষ যুক্ত নন, সুতরাং তাঁদের যোগ্যতা তেমন মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠেনি। মুশকিল দেখা দিল যখন এই প্রশাসকদের মধ্য থেকেই কয়েকজনকে, বা তাঁদের সুপারিশে অন্য কাউকে, কলেজ অধ্যক্ষ হিশেবে মনোনীত করা শুরু হলো। অন্য একটি ব্যাপারও ঘটলো: প্রধানত বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতনক্রমের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত। বিভিন্ন বেসরকারি কলেজে এমন সব অধ্যক্ষ বাছাই করা হয়েছে, যাঁদের বিদ্যাচর্চার পরিমাপ, শিক্ষাগত মান, শিক্ষক হিশেবে অভিজ্ঞতা, সব-কিছুই সরকারি কলেজে নিযুক্ত শিক্ষক-অধ্যক্ষদের তুলনায় অনেকাংশে নিষ্প্রভ। কিন্তু বামফ্রন্ট সরকার তো দানছত্র খুলে বসেছেন, শিক্ষক-অধ্যক্ষদের পুরোপুরি ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের অধিকার দিয়েছেন, অধ্যাপক-অধ্যক্ষরাও তো জনগণের অংশ। হঠাৎ আঠারো কি কুড়ি জনের এক অধ্যক্ষ সেল তৈরি হলো। আমাদের-দাবি-মানতে-হবে ধুয়ো তুলে তাঁরা আমার ঘরে হানা দিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর ঘরেও; দাবি অবিলম্বে মানা না হলে রাস্তায় নেমে প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ভয় দেখালেন। সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ ও প্রবীণ অধ্যাপকদের বেতনক্রমে বরাবরই একটু অসামঞ্জস্য ছিল: অধ্যক্ষরা সামান্য বেশি মাইনে পেতেন, বরিষ্ঠ অধ্যাপকরা, তার কম: সুপণ্ডিত, শিক্ষক হিশেবে সুদক্ষ, এমন অনেক অধ্যাপক অধ্যক্ষ হতে চাইতেন না, প্রশাসনিক ঝুটঝামেলার বাইরে থাকা পছন্দ করতেন। মনে-মনে ভেবে রেখেছিলাম, অধ্যক্ষের দায়িত্ব বহন করতে তাঁরা রাজি হোন না-হোন, এবংবিধ জ্ঞানী প্রবীণ অধ্যাপকদের বেতনক্রম অধ্যক্ষদের বেতনক্রমের সঙ্গে একীকরণ পবিত্র সামাজিক কর্তব্য। বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের কাছ থেকে চাপ আসে আসুক, সরকারি কলেজের প্রবীণ অধাপকদের বেতনক্রম বাড়ানোই আমার অগ্ৰ দায়িত্ব, অপেক্ষারত বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের সমস্যা নিয়ে পরে মাথা ঘামানো যাবে।

    অন্যমনস্ক মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী অর্থ বিভাগের সঙ্গে যথেষ্ট আলোচনা না-করে বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন, কোনও দিক থেকে রাজনৈতিক উপরোধ এসেছিল কিনা আমার জানা নেই। অপেক্ষাকৃত অযোগ্য মানুষদের অধ্যক্ষ করে দেওয়া হয়েছে, তাতে আমার হাত ছিল না, কিন্তু আমার বিবেচনায় উন্নততর বেতনক্রম পেতে তাঁদের সামান্য অপেক্ষা করতে হবে। আগের কাজ আগে; বরিষ্ঠ অধ্যাপকদের মাইনে-ভাতা বিষয়ে প্রথমে সিদ্ধান্ত নেবো, তারপর এই অধ্যক্ষদের ব্যাপারটি দেখবো; যেখানে তারকনাথ সেন-গোপীনাথ ভট্টাচার্য-সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত-সুশোভন সরকার-ভবতোষ দত্তের মতো অধ্যাপকরা বেতনের ক্ষেত্রে অধ্যক্ষদের সমপর্যায়ভুক্ত হননি, সেখানে শিক্ষা, মেধা ও বিদ্যার নিরিখে বহুগুণ নিকৃষ্টদের প্রতি দায়বদ্ধতা পূর্বাহ্নে পূরণ করতে হবে, এমন প্রস্তাবের শরিক হতে অসম্মত থাকবো, তা যত চাপই আসুক না কেন।

    ইতিমধ্যে অন্যান্য ঘটনাবলী, পার্টির রাজ্য সম্মেলন, কয়েক সপ্তাহ বাদে কলকাতাতে পার্টির সর্বভারতীয় সম্মেলন। রাজ্য সম্মেলনে জ্যোতিবাবুর দো-আঁশলা শিল্পনীতির প্রস্তাব গৃহীত হলো। বি. টি. আর-এর আবেদন শোনবার পর স্বল্প এক-বাক্যের বক্তৃতায় তার সমর্থন জানাতে হলো আমাকে, তবে পার্টির নিচের তলায় প্রবল বিক্ষোভ, কমরেডরা এসে প্রতিদিন তাঁদের অসন্তোষ জানিয়ে যাচ্ছেন। সর্বভারতীয় কংগ্রেসে মূল অর্থনৈতিক প্রস্তাব পেশ করার সম্মান পার্টি থেকে আমাকে জ্ঞাপন করা হলো। তা হলেও আমি যন্ত্রণার তীব্রতায় দীর্ণ। কেন্দ্রের সঙ্গে কলহ নতুন মাত্রা নিচ্ছে, পরিকল্পনা খাতে আমাদের প্রাপ্য অর্থ আটকে দেওয়া হয়েছে, অর্থ দফতরের উপর দাবিদাওয়ার চাপ অথচ সমানে বাড়ছে। এই ডামাডোলের মধ্যে বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের বেতনক্রম আরও বাড়ানোর চাপ, যা আমার বিবেক কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়ে ফেলেছেন; তাঁর প্রতিশ্রুতির সম্মানার্থে অবশেষে অর্থ দপ্তরের তরফ থেকে প্রস্তাব রাখা হলো, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের যোগ্যতা-ও অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক বেতনক্রমের বিষয়টি আপাতত মুলতুবি রেখে, যাঁরা ইতিমধ্যে অধ্যক্ষ হিশেবে কাজ করছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত সম্মান-দক্ষিণা দেওয়া হোক, যাতে তাঁরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের সম-পরিমাণ দক্ষিণা পেতে শুরু করতে পারেন। সেই প্রস্তাবও অগ্রাহ্য হলো।

    আমার সঙ্গে মতানৈক্যের নিরসন ঘটাতে পার্টি থেকে এক সন্ধ্যায় বৈঠক ডাকা হলো, ওই সন্ধ্যায় ওই সময়ে আমি অন্যত্র যেতে বহুদিন থেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সুতরাং আমার অসুবিধা পার্টিকে জানালাম। পরদিন প্রভাতী সংবাদ, আমার বক্তব্য পাকাপাকি খারিজ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে তাঁর স্বাক্ষরসহ দুপুর নাগাদ বিজ্ঞপ্তি বেরোলো, সৌজন্যবশত আমাকে তার কপি পাঠানো হলো, মুখ্যমন্ত্রী নিজের অধিকার প্রয়োগ করে বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের বেতনক্রম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের বেতনক্রমের সঙ্গে এক করে দিলেন।

    সরকারি নিয়মে আছে, কোনও ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থবিভাগের মতদ্বৈধতা দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট বিষয়টি মন্ত্রিসভার কাছে অন্তিম সিদ্ধান্তের জন্য পেশ করতে হবে। কলহপ্রবণ হলে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা নোট পাঠাতাম, মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক পর্যন্ত তাঁর সিদ্ধান্ত-সহ বিজ্ঞপ্তিটি ঝুলিয়ে রাখা হোক। তবে তা তো ছেলেমানুষি হতো। যেখানে বিবেকের দায়, আমি অন্য কারও সঙ্গে কোনওদিনই পরামর্শ করিনি, সেদিনও করলাম না, যা নিয়ে পরে অনেক অনুযোগ শুনতে হয়েছে, আমার দায়িত্বহীনতাবোধকে দুয়ো দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার দিক থেকে কোনও অনুশোচনা নেই।

    স্বীকার করতেই হয়, অনেক দিন ধরেই মনে দ্বিধা-প্রশ্ন-সমস্যার সংকট জড়ো হচ্ছিল। আমরা তো বামপন্থী, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যপরায়ণতার দৃষ্টান্ত দেখাবো সারা দেশকে, সেরকমই তো আমাদের অঙ্গীকার। দক্ষতার প্রশ্ন এড়িয়ে বশ্যতাকে বাড়তি প্রসাদ বিতরণ করলে সেই দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়। প্রায় প্রতিদিন প্রতিটি ক্ষেত্রে অথচ অদ্ভুত-কিম্ভূত নানা দাবি-দাওয়ার পরাক্রম, যার ধাক্কা অর্থ দফতরেরই শুধু যেন সামলাবার দায়, যে-দায় মেটাতে গিয়ে রাজ্য সরকারের নাভিশ্বাস। কেন্দ্রের সঙ্গে লড়াই করে রাজস্বসূত্র বাড়াতে হবে, কিন্তু সেই যুদ্ধে ফল পেতে সময় লাগবে, ইতিমধ্যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া প্রধান কর্তব্য। বেতন-ভাতা তো দায় মেনে পর্যাপ্ত বাড়ানো হয়েছে, যেখানে-যেখানে প্রয়োজন আরো বাড়ানো হবে। কিন্তু স্রেফ কিছু পেটোয়া মানুষকে খুশি রাখতে গিয়ে যদি দেউলিয়া হতে হয়, তা হলে তো আখেরে দলের মুখেই চুন-কালি পড়বে। এটাও বিবেকের প্রশ্ন, নীতির প্রশ্ন। বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের জন্য দানছত্র খোলার ব্যাপারে আমার অনমনীয়তা উপলক্ষ্য মাত্র, আমি চাইছিলাম দলকে ঈষৎ ধাক্কা দিতে, এভাবে চলতে পারে না, এভাবে চললে পরিণামে সর্বনাশ হবে। বোঝাতে অসমর্থ হলাম।

    মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের চিঠি পাঠালাম, বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে সেখান থেকে পদত্যাগের; যেহেতু দলের কানুন অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে পার্টির পূর্বানুমতি প্রয়োজন, দলের রাজ্য সম্পাদককে অন্য দুটি চিঠির অনুলিপির সঙ্গে পার্টি ছাড়বার কথা জানিয়ে চিঠি। ভাবলাম, পার্টি যখন ছেড়েই দিচ্ছি, মন্ত্রিসভা ও বিধানসভা থেকে পদত্যাগের জন্য আগে থেকে দলের অনুমতি নেওয়ার আর দরকার নেই। মনে ভয়ও ছিল, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের অনুমতি চাইলে, কে জানে, হয়তো নামঞ্জুর হবে, সেই ঝুঁকি নিতে রাজি ছিলাম না। সামান্য একটু দুষ্টুমিও করলাম: পদত্যাগের খবরটি কলকাতাস্থ এক সংবাদপত্রের সম্পাদক, যিনি ব্যক্তিগত সুহৃদ, তাঁকে জানিয়ে দিলাম, একবার খবরটি বাইরে চাউর হয়ে গেলে ফিরে যাওয়ার জন্য আর পীড়াপিড়ি হবে না, এমন ভেবে। অবশ্য আরও দুটি কাগজও সেই রাত্তিরেই খবরটি পেয়ে গিয়েছিল, কোনও অজ্ঞাত সূত্র থেকে। পার্টিতে যে চিঠি দিলাম তাতে পদত্যাগের কারণ হিশেবে শারীরিক অসুস্থতার উল্লেখ ছিল। জ্যোতিবাবুকেও তাই-ই লিখলাম, তবে এটা যোগ করলাম যে তাঁর মতামতের সঙ্গে ক্রমশ দুস্তর ব্যবধান তৈরি হচ্ছে, আমার সরে পড়াই ভালো। উল্লেখ করতে ভুললাম যে তাঁর কাছ থেকে যত বিবেচনা ও সহৃদয়তা লাভ করেছি, তা তুলনাহীন।

    অসুস্থতার প্রসঙ্গটি ঠিক বাজে ওজর ছিল না। ক’মাস ধরেই আমার দু’পাটি মাড়িতে ফুসকুড়ির মতো দেখা দিচ্ছিল। দন্তচিকিৎসক গোপাল বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবিত, অনেক বই ঘেঁটে সন্দেহ প্রকাশ করলেন হয়তো বা কোনও জটিল ধরনের কর্কট রোগ। একটু-একটু করে ফুসকুড়িগুলি শরীরময় ছড়িয়ে যেতে লাগলো; কোনও-কোনওটি প্রায় পিংপং বলের মতো মস্ত আকারের, ফুলে ওঠে, মিলিয়ে যায়। রাইটার্স বিল্ডিং ছাড়বার পর এখানে-ওখানে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দেখালাম, তাঁরা নিশ্চিন্ত করলেন তেমন কিছু নয় পরে কলকাতায় জনৈক চিকিৎসক পা মচকে যাওয়ার জন্য কী একটা সুঁচ ফোড়ালেন, তা থেকে, কী আশ্চর্য, ফুসকুড়িগুলি চিরতরে মিলিয়ে গেল। গোপাল বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, কৌতুক করে কিনা জানি না, সমস্যাটির সূত্রপাত মানসিক পীড়নহেতু। রাইটার্স বিল্ডিং ছাড়লাম, মানসিক উদ্বেগের অবসান ঘটলো, ব্যাধিটিও বিদায় নিল।

    ফের বলি, পেটোয়া অধ্যক্ষরা ধরে পড়েছেন, উপযুক্ত যোগ্যতা-গুণাবলী থাকুক না-থাকুক, তাঁদের দাবি পূরণ করতে হবে, এটা তো কোনও আলাদা সমস্যা নয়, মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশ্ন, দক্ষতা বনাম বশ্যতার প্রচলিত দ্বন্দ্ব। কংগ্রেস আমলে কমিউনিস্টদের সরকারি কাজে ও অন্যত্র আদৌ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হতো না, তিরিশ বছর ধরে যোগ্য বামপন্থীরা ধারবাহিকভাবে অন্যায়ের শিকার হয়ে এসেছেন, এখন আমরা ক্ষমতায় ঢুকেছি, অতীতে কৃত অন্যায় খানিকটা সংশোধন তো অবশ্যই করতে হবে, আমরা তো যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বদ্ধপরিকর। মুশকিল দেখা দেয় যখন চাপ সৃষ্টি হয় যাঁরা যোগ্যতাহীন, তাঁদেরও সুযোগ পাইয়ে দিতে হবে, যোগ্য ব্যক্তিরা যদি থাকেন কোনও পদের প্রার্থী রূপে, তা হলেও। কংগ্রেস আমলে যে-অবিচার হয়েছে তার জবাব হিশেবে আমাদের পাল্টা অবিচার করতে হবে, আমার কাছে এই প্রস্তাব কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হচ্ছিল না। অথচ রোগ ক্রমশ সংক্রামক। একটু-আগে-উল্লিখিত রাষ্ট্রমন্ত্রীটির শত অপরাধ যে-নিরিখে মাফ করা হচ্ছিল, সেই একই নিরিখে প্রচুর অতি-অযোগ্যকে এখানে-ওখানে ঢোকানোর উৎসাহে অন্ত নেই, শিক্ষায়, পরিবহনে, স্বাস্থ্য বিভাগে, সংস্কৃতি দপ্তরে, আরও নানা জায়গায়। সবচেয়ে অসুখী বোধ করছিলাম শিক্ষাক্ষেত্রে প্রায় পুকুরচুরির মতো ব্যাপার ঘটছিল বলে: শিক্ষক নিয়োগে প্রতিভাবান, মেধাবী, পরীক্ষায়-চমৎকার-ফল-দেখানো প্রার্থীদের দূরে সরিয়ে পার্টির-প্রতি-বিশ্বস্ত মানুষজনকে ঢুকিয়ে দেওয়া, নির্বাচকমণ্ডলীতে পছন্দমতো লোক মনোনয়ন করে তাঁদের দিয়ে পছন্দের প্রার্থী বাছাই। কখনও-কখনও নির্বাচকমণ্ডলীর রায় পছন্দ না-হলে নিয়োগের ব্যাপারটি মাসের পর মাস ঝুলিয়ে রাখা, পুরনো নির্বাচকমণ্ডলীর মেয়াদ শেষ হলে নতুন করে নির্বাচনবৃন্দ বাছাই, তাঁদের সাহায্যে পছন্দের মানুষকে এবার কাজ পাইয়ে দেওয়া। কংগ্রেস আমলে যে-জিনিশ আকছার হতো বলে আমাদেরও তা অনুসরণ করতে হবে, কিছুতেই মানতে পারছিলাম না। এই গোছর অপকর্মে যে পার্টির বা আন্দোলনের আখেরে কোনও লাভ হয় না, বরং ক্ষতি, সে বিষয়েও আমি নিশ্চিত ছিলাম।

    বেশ কয়েক বছর বাদে শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসে দুপুরে বোলপুর থেকে কলকাতা ফিরছি। গুসকরা স্টেশনে বছর সতেরোর একটি অজাতশ্মশ্রু, নিরীহ চেহারার ছেলে পাশে এসে বসলো। গুসকরা কলেজে পড়ে, বর্ধমানে কোনও কাজে যাচ্ছে, না কি বর্ধমানে কলেজে পড়ে, কী একটি কারণে গুসকরা এসেছিল, এখন আর মনে আনতে পারি না। বাচ্চা ছেলে, একটু আলাপ করলাম। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান অধ্যয়নরত, পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহ। ছেলেটি আমাকে চেনে না, নামও শোনেনি কোনওদিন। জিজ্ঞাসা করলাম, কলেজে কেমন পড়ানো হয় পদার্থবিজ্ঞান। ম্লান মুখে, পৃথিবীর সঞ্চিত বিষণ্ণতা নিয়ে সে জানালো, এতদিন অমুকদা পড়াতেন, ওঁর প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রি, বোঝান-ও চমৎকার, কিন্তু উনি তো পার্টির সদস্য নন, পাকা চাকরি পাবেন না, পাকা কাজে যিনি আসছেন তাঁকেও তারা চেনে—তমুকদা—কিছু পড়াতে পারেন না, ছাত্রও ভাল ছিলেন না। কাহিনীটি আমি জ্যোতিবাবুকে বলেছিলাম, উনিও শুনে আতঙ্কিত। তবে ততদিনে ঘুণ অনেকদূর ছড়িয়ে গেছে। নেতারা তো বহুদিন ধরে বলে আসছিলেন, পার্টিতে প্রচুর বাজে লোক ঢুকেছে, অবিলম্বে তাড়াতে হবে, কিন্তু, বছরের পর বছর গড়ায়, যে কে সেই। শিক্ষাক্ষেত্রে যেমনধারা নব ঐতিহ্য সৃষ্টি হয়ে গেছে, প্রায় অন্য সর্বত্রও তাই: যারা বিশ্বস্ত, পেটোয়া, তাদের বাছতে হবে, ষাচ্ছেতাই বা অপদার্থ হলেও যায় আসে না। কে আর ভাববেন কোনও একটি শিক্ষক পদে ভুল নির্বাচন হলে পুরো বিভাগটি বা বিদ্যালয়টি ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা; অপকৃষ্টরা অপকৃষ্টদেরই হাতছানি দেয়, উৎকৃষ্টরা টিকতে পারে না সেই পরিবেশে। গত কুড়ি বছরের ইতিহাস থেকে এন্তার উদাহরণ দেওয়া সম্ভব।

    অস্বস্তিবোধের গভীরতর কারণও ছিল—এবং আছে। আজ থেকে পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে উজ্জ্বল ঝকঝকে মেধাসম্পন্ন অধ্যাপকেরা প্রায় সকলেই কমিউনিস্ট পার্টির কাছাকাছি ছিলেন, তাঁদের আদর্শের প্রেরণাতেই বামপন্থী ছাত্র আন্দোলন সেই পর্বে এত জোর ধরেছিল। তুলনায় হালের ছাত্র-যুব আন্দোলনে বামপন্থী ঝোঁক অনেকটাই স্তিমিত। মানছি, এই অবক্ষয়ের বিবিধ অন্য কারণ আছে, তা হলেও বলবো, মাস্টারমশাইরা ভোঁতা হলে ছাত্র-ছাত্রীরাও খানিকটা ভোঁতা না হয়ে পারে না। কলেজে-কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন নির্বাচনে জয়যুক্ত হচ্ছে তা কিছু প্রমাণ করে না; ছাত্র আন্দোলন এখন বহুলাংশে উজ্জ্বলতারহিত। দক্ষতা বনাম বশ্যতার টানাপোড়েনে বশ্যতা ক্রমশ জয়ী হয়েছে, দক্ষতা পিছু হটেছে।

    আদর্শের শুদ্ধতা যে-রক্ষা পেয়েছে তা-ও নয়। অনেক ক্ষেত্রেই নীতির অবৈকল্যের সঙ্গে বশ্যতার আদা-কাঁচকলা সম্পর্ক। যদি খোশামুদি করলে ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছুনো যায় এই ডামাডোলের বাজারে, সুযোগসন্ধানীদের সক্রিয় হয়ে উঠতে বাধা নেই। কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে যাঁরা ঘোর বামবিরোধী ছিলেন, তাঁদের অনেককেই এখন দেখি ঘোর মার্কসবাদী বনে গেছেন। বোঝানো হয়, তাঁদের ‘হৃদয় পরিবর্তন’ হয়েছে; সরলতর ব্যাখ্যা, তাঁরা সরেস খোশামোদচূড়ামণি তথা সুবিধাবাদবিশারদ।

    আসলে জমিদারি মানসিকতার সঙ্গে খোশামোদ সংস্কৃতির অঙ্গাঙ্গী সম্পর্ক। একটি কাহিনী বিবৃত করি। সরকার-ঘেঁষা এক কলেজ শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের জনৈক চাঁই, মস্ত ক্ষমতাবান, অহমিকায় মাটিতে পা পড়ে না। কোনো সন্ধ্যায় বই মেলায় গেছি, চোখে পড়লো ভদ্রলোকটিও গেছেন, স্টলে-স্টলে বিহার করে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের বিপণিতে এঁর পদধূলি পড়েছে, প্রকাশক-পুস্তকবিক্রেতারা কৃতার্থ তথা সন্ত্রস্ত: ইনি প্রভাব খাটিয়ে সরকার থেকে বই কেনার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন, সুতরাং এঁকে উপচার সাজিয়ে দিতে হয়। বিভিন্ন স্টলে ইনি বুড়ি ছুঁয়ে যাচ্ছেন, ঢুকছেন, বেরোচ্ছেন। প্রতিটি স্টলে ভদ্রলোককে ডাঁই-করা বই উপহার দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মাননীয় ইনি তো নিজে বয়ে বেড়াবেন না; সঙ্গে এক অনুচর, অল্পবয়সী কোনও শিক্ষক, হাতে বিরাট ঝোলা, মহৎ ব্যক্তির হাত থেকে সসম্রমে উপহার-পাওয়া বইগুলি নিয়ে ঝোলাতে পুরছেন। পঞ্চাশের দশকে ব্যাংককে যে চমৎকার মজার দৃশ্য দেখেছিলাম, মনে পড়ে গেল। থাইল্যান্ড গোঁড়া বৌদ্ধ দেশ, মস্ত বড়োললাকের বাড়ির ছেলেদেরও অন্তত একবার গেরুয়া বসন ধারণ করে রাস্তায় নেমে পদব্রজে ভিক্ষা করতে হয়; তবে এই অভিজাত ভিক্ষুদের সঙ্গে ভৃত্যদল থাকে, ভিক্ষালব্ধ অন্ন তারা ঝোলাতে বয়ে নেয়।

    সর্বক্ষেত্রে এবংবিধ ব্যাপার ঘটতে থাকলে সামগ্রিক প্রশাসনেও তার অপছায়া দীর্ঘতর হয়। আশা পোষণ করেছিলাম, আমার পদত্যাগ নিয়ে পার্টিতে কিছু আলোচনা-বিতর্ক হবে: অন্তত কেউ-কেউ প্রশ্ন তুলবেন, বা আমার ক্ষোভের কারণ জানতে চাইবেন। সেরকম কিছুই হলো না। অনেকে আমাকে তখন জানিয়েছিলেন, দল থেকে পদত্যাগ করেই মারাত্মক ভুল করেছি; যদি দলে থেকে লড়াইটা চালিয়ে যেতাম, খানিক শুভফল প্রত্যাশা করা যেত। সেরকম আচরণ আমার রুচিতে বাধছিল। দলে থেকে ঝগড়াঝাঁটি করতে গেলে দলাদলি না করে গত্যন্তর থাকতো না, এবং দলাদলি অবধারিতভাবে খানিকটা গোপনীয়তার আকার নিত, যা পার্টির নিয়মবহির্ভূত। পদত্যাগের কয়েক মাস পর হাসপাতালে একদিন অসুস্থ কৃষ্ণপদ ঘোষকে দেখতে গিয়েছিলাম। তিনিও ততদিনে মন্ত্রী নেই, মনে হলো মানসিক অবসাদে ভুগছেন। প্রশ্ন করলেন, পার্টি কেন ছেড়ে দিলাম; অকপটে বললাম ঘোট পাকানো অপছন্দ করি বলে। তখন এ-ও মনে হয়েছিল, যদি প্রমোদবাবু থাকতেন, তা হলে তাঁকে সব খুলে বললে বোধ হয় একটি সুরাহা করতেন, জ্যোতিবাবুকে যা বলা যায় না তাঁকে বলা যেত, হয়তো আমাকে ছেড়ে আসতে হতো না।

    যেদিন রাইটার্স বিল্ডিং ছাড়লাম, সেদিন সন্ধ্যাবেলা পার্টির নেতৃস্থানীয় দু’জন বাড়িতে দেখা করতে এলেন, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানালেন, সবিনয়ে নিজের বক্তব্য ব্যাখ্যা করে ক্ষমা চাইলাম। এটাও যোগ করলাম, অবস্থার গতিকে যদিও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি, দলের প্রতি কখনও নেমকহারামি করবো না, আমার মুখ থেকে কেউই পার্টি সম্বন্ধে একটি অপ্রিয় বাক্যও বের করতে পারবে না। আমার বিশ্বাস, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। এখন যা লিখছি, তা পরিস্থিতির গুণগত পরিবর্তন ঘটেছে বলে, এবং ঘটেছে বলেই, আমার ধারণা, উপরের বক্তব্যগুলি এখন আর পার্টির বিরক্তি উৎপাদন করবে না। ষোলো-সতেরো বছর আগে দক্ষ, স্বচ্ছ প্রশাসনের স্বার্থে যা-যা বলতে শুরু করেছিলাম, এখন তো মোটামুটি সবাই-ই পার্টির মধ্যেও সে সব কথাবার্তা বলছেন।

    তবু খানিকটা তিক্ততার রেশ। আমার পদত্যাগের দু’ সপ্তাহের মধ্যে সম্মানীয় বন্ধু অরুণ ঘোষকে রাজ্য যোজনা বোর্ডের সহ-সভাপতির পদ থেকে সরে যেতে হলো; পার্টির পেয়ারের একজন-দু’জন তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ শুরু করলেন যে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। আরও ব্যথিত হলাম যখন দলের তরফ থেকে সাংবাদিকদের বলা হলো, উনি তো যাবেনই, উনি ‘অশোক মিত্রের লোকে’। সামন্ত্ৰতান্ত্রিক মানসিকতার এর চেয়ে যথাযথ উদাহরণ কিছু হতে পারে না। জমিদারপ্রতিমরা ভাবতেই পারেন না দুই ব্যক্তির, যে-কোনও দুই ব্যক্তির, পারস্পরিক সম্পর্ক প্রভু-ভৃত্যের ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একেবারে মূলে প্রোথিত বলেই এখন বামপন্থী মন্ত্রীদের মুখেও অহরহ শুনতে পাই, ‘আমার সরকার’, ‘আমার দপ্তর’, ‘আমার পুলিশ’, ‘আমার অফিসার’।

    ধরে নিচ্ছি অরুণ ঘোষ সম্পর্কে পার্টির বীতরাগ দূর হয়েছে। একবিংশ শতকের গোড়ায় তাঁর প্রয়াণের পর দল থেকে স্মরণ সভা ও স্মারক বক্তৃতার ব্যবস্থা চমকিত করেছিল, যদিও ঘুরে-ফিরে বার-বার জীবনানন্দের পংক্তিটিও মনে আসছিল: ‘মানুষটা মরে গেলে যদি তাকে ওষুধের শিশি / কেউ দেয়, বিনি দামে, তাতে কার লাভ’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুধীন দাশগুপ্ত – সম্পাদনা: অশোক দাশগুপ্ত
    Next Article আঙ্কল টমস কেবিন – হ্যারিয়েট বিচার স্টো

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }