Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হ্যাকার

    হ্যাকার

    বসার ঘরে দাদি বসে টেলিভিশন দেখছেন, কী কারণে তার পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা এবং সেটা নিয়ে ঝুমু খালার উৎসাহের সীমা নেই। কী একটা গাছের পাতা হেঁচে ঝুমু খালা দাদির পায়ে মাখিয়ে দিয়েছে সে কারণে দাদির শরীর থেকে ঝাঁঝালো একধরনের গন্ধ বের হচ্ছে। বসার ঘরে যে-ই ঢুকছে ঝুমু খালা তাকেই তার এই টোটকা ওষুধের গুণগান শুনিয়ে যাচ্ছে। বলছে, “এই যে খালার পায়ে ধানকুচি গাছের পাতা ঘেঁচে দিছি, এই ওষুধ হচ্ছে ধন্বন্তরী।”

    টুম্পা জিজ্ঞেস করল, “ধন্বন্তরী মানে কী?”

    ঝুমু খালা মাথা চুলকে বলল, “ধন্বন্তরী মানে হচ্ছে ওষুধের বাবা ওষুধ।”

    দাদি তখন একটু শুধরে দিলেন, বললেন, “ভালো ডাক্তার হচ্ছে। ধন্বন্তরী।”

    ঝুমু খালা মাথা নেড়ে বলল, “একশবার। ওষুধের বাবা ওষুধ হচ্ছে। ডাক্তার। ধন্বন্তরী ডাক্তার।”

    মুনিয়া বলল, “কিন্তু দাদির শরীর থেকে কেমন যেন শুঁটকি মাছের মতো গন্ধ বের হচ্ছে।”

    ঝুমু খালা বলল, “এই গন্ধ হচ্ছে চিকিৎসা। যত ভালো চিকিৎসা তত বেশি গন্ধ। খালারে জিজ্ঞেস করে দেখ তার পায়ের ব্যথা কমেছে কি না। জিজ্ঞেস করো।”

    টুম্পা জিজ্ঞেস করল, “দাদি, তোমার পায়ের ব্যথা কমেছে?”

    দাদি কী আর বলবেন, মাথা নাড়লেন, “মনে হয়ে কমছে।”

    ঝুমু খালা বলল, “কাগজ আনন, লিখে দেই। কাল সকালে খালা যদি এই ঠ্যাং দিয়ে লাথি মেরে একটা থান ইট গুঁড়া করতে না পারেন তাহলে আমার নাম ঝুমু না।”

    “তাহলে তোমার নাম কী ঝুমু খালা?”

    ঝুমু খালা আবার মাথা চুলকাল, “তাহলে আমার নাম–তাহলে আমার নাম–”

    ঝুমু খালার অবশ্যি নামটা বলতে হলো না, তার আগেই ছোটাচ্চু এসে ঢুকল। বাচ্চারা তাকে দেখে হতাশার মতো একটা শব্দ করল, বলল, “ছোটাচ্চু। হায় হায়!”

    ছোটাচ্চু বলল, “কী হয়েছে?”

    শান্ত জিজ্ঞেস করল, “তুমি আজকে কিছু আনো নাই?”

    “কী আনব?”

    “এই তো, কেক, না-হয় পিজা, না-হয় ফ্রাইড চিকেন–”

    টুম্পা যোগ করল, “না-হলে চকলেট না-হলে আইসক্রিম–”

    ছোটাচ্চু বলল, “তোদের হয়েছে কী? সারাক্ষণ খালি খাই খাই করিস? বাসায় কি তোদের খেতে দেয় না?”

    ঝুমু খালা ঝংকার দিয়ে বলল, “খেতে দেই না মানে? খাবার টেবিলে কেউ কিছু খায়? সবজি ভালো লাগে না, মাছে গন্ধ, ভর্তা ঝাল, মুরগি নরম, গোশত শক্ত, ডাল পাতলা–এরা কেউ কিছু খায়? খাবার জিনিস কিছু খায় না। খাওয়ার মধ্যে খালি আসইক্রিম আর কেক! তা যদি না-হয় তাহলে মনে হয় বাতাস খায়। বাতাস খেয়ে বেঁচে থাকে!”

    টুম্পা বলল, “ঝুমু খালা, আমরা এখন বাতাসও খেতে পারব না। বাতাসে শুঁটকি মাছের গন্ধ।”

    টুম্পার কথা শুনে সবাই হি হি করে হাসতে থাকে। ছোটাচ্চু এদিক সেদিক কে বলল, “ঠিকই তো বলছিস। ঘরে গন্ধ কীসের?”

    টুম্পা বলল, “ঝুমু খালার ধন্বন্তরী ওষুধ। দাদির পায়ে লাগিয়েছে। কালকে দাদি এই পা দিয়ে লাথি মেরে থান ইট গুঁড়া করবে! তাই না দাদি?”

    দাদি কিছু বলার আগেই ঝুমু খালা বলল, “একশবার। কাগজ আনো, লিখে দেই।”

    শান্ত আবার শব্দ করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “কিন্তু ছোটাচ্চু তোমার কাজটা ঠিক হচ্ছে না। খাওয়া-দাওয়া কিছু আনো না–”

    ছোটাচ্চু বলল, “শুধু খাই খাই করবি না। খাওয়ার বাইরেও একটা দুনিয়া আছে।”

    “কী আছে?”

    “এই দেখ।” বলে ছোটাচ্চু তার পকেট থেকে একটা কার্ড বের করল।

    সবাই কার্ডটা দেখার জন্যে এগিয়ে যায়। টুনি জিজ্ঞেস করল, “এটা কীসের কার্ড?”

    “পেইন্টিং এক্সিবিশান। আমার এক বন্ধু আছে, তার একক চিত্র প্রদর্শনী।”

    শান্ত বলল, “বুঝেছি। মডার্ন আর্ট। আগা-মাথা কিছু নাই। তাই না ছোটাচ্চু?”

    ছোটাচ্চু ধমক দিয়ে বলল, “বাজে কথা বলবি না। আগা-মাথা কেন থাকবে না?”

    শান্ত বলল, “আমি একবার গিয়েছিলাম, সব ছবি কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং, কোনো আগা-মাথা নাই। কিছু বুঝি নাই।”

    টুনি বলল, “শান্ত ভাইয়া, ছবি বোঝার চেষ্টা কোরো না, ভালো লাগলে দেখবে ভালো না লাগলে দেখবে না। ধরে নেবে তুমি এই লাইনের মানুষ না। সবাই সব লাইনের মানুষ হয় না।”

    শান্ত বলল, “সেইটা ঠিক বলেছিস। আমি এই লাইনের মানুষ না।”

    ছোটাচ্চু বলল, “তোরা কে কে আমার বন্ধুর আর্ট এক্সিবিশনে যেতে চাস?”

    টুনি বলল, “আমি।”

    টুনির দেখাদেখি টুম্পা বলল, “আমি।”

    সাথে সাথে মুনিয়া বলল, “আমি।”

    শান্ত বলল, “চা-নাস্তা খাওয়ালে আমিও যেতে পারি।”

    ছোটছু বলল, “ঠিক আছে কালকে বিকালে রেডি থাকিস, আমি নিয়ে যাব।”

    টুনি বলল, “ঠিক আছে।”

    .

    পরের দিন বিকালবেলা ছোটাচ্চুর দেখা নেই, বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে টুনি ছোটাচ্চুকে ফোন করল, ছোটাচ্চু তখন খুব ব্যস্ত হয়ে বলল, “কী সর্বনাশ! আমি কি বলেছিলাম তোদের নিয়ে আর্ট এক্সিবিশন দেখতে যাব?”

    টুনি ঠান্ডা গলায় বলল, “হ্যাঁ, ছোটাচ্চু। আমরা তোমার জন্যে সেজেগুঁজে অপেক্ষা করছি!”

    ছোটাচ্চু বলল, “বুঝলি টুনি, আমি একটা খুবই জরুরি কাজে আটকা পড়ে গেছি। একটা খুবই ইম্পরটান্ট কেস এসেছে, আমি না থাকলে হবেই না।”

    টুনি তার গলার স্বর একেবারে বরফের মতো ঠান্ডা করে বলল, “ছোটাচ্চু, তুমি আমাদেরকে বলেছ আমাদের নিয়ে যাবে, আমরা তোমার কথা বিশ্বাস করে অপেক্ষা করছি।”

    ছোটাচ্চু অপ্রস্তুত হয়ে বলল, “কিন্তু ইমার্জেন্সি তো ইমার্জেন্সি।”

    টুনি বলল, “মোটেও ইমার্জেন্সি না। সত্যি কথাটা বলো যে তুমি ভুলে গেছ।”

    “হ্যাঁ, মানে ইয়ে সেটাও একটু হয়েছে–” ছোটাচ্চু গলার স্বর হঠাৎ করে পাল্টে বলল, “তোরা একটা কাজ কর।”

    “কী কাজ?”

    “তোরা একটা সি.এন.জি. করে আমার অফিসে চলে আয়, আমি কাজ শেষ করে তোদেরকে নিয়ে এক্সিবিশানে চলে যাব।”

    টুনি বলল, “আমরা চলে আসব?”

    “হ্যাঁ চলে আয়।”

    টুনি বলল, “আচ্ছা দেখি।” তারপর টেলিফোনটা রেখে দিল।

    শান্ত বলল, “আমার আর কাজ নাই? আমি কাগের ঠ্যাং বগের ঠ্যাং দেখার জন্যে এখন আন্ডা-বাচ্চাদের নিয়ে সি.এন.জি. করে ছোটাচ্চুর অফিসে যাই? আমার এত ঠ্যাকা পড়ে নাই।”

    টুম্পা বলল, “কাগের ঠ্যাং না কাকের ঠ্যাং?”

    “একই কথা।”

    মুনিয়া বলল, “আসলেই কাকের ঠ্যাং?”

    শান্ত বলল, “হ্যাঁ। হ্যাঁ পুরো কাকের ঠ্যাং। ছোটাচ্চুকে একটু খুশি করার জন্যে যেতে রাজি হয়েছিলাম। আসলে কি যেতে চাই নাকি? কক্ষনো যেতে চাই না।”

    মুনিয়া জিজ্ঞেস করল, “যেতে চাও না?”

    শান্ত বলল, “খবরদার তোরাও যাবি না। গেলেই দেখবি বড় মোটা মোটা ফর্সা ফর্সা মানুষেরা পাঞ্জাবি পরে ঢং করে লম্বা লম্বা কথা বলছে! তোদের কোনো পাত্তাই দিবে না। উল্টো ধমক দেবে, বলবে, এই বাচ্চা এখানে কী করো? সরে যাও।”

    “সত্যি?”

    “একশ ভাগ সত্যি।”

    আর্ট এক্সিবিশানের এই ভয়ংকর বর্ণনা শুনে মুনিয়া পিছিয়ে গেল। মুনিয়াকে পিছিয়ে যেতে দেখে টুম্পাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলল, তখন বাকি থাকল শুধু টুনি। টুনির যে খুব যেতে ইচ্ছে করছিল তা নয় কিন্তু ছোটাচ্চুকে ঠিক লাইনে রাখার জন্যে টুনি ঠিক করল সে একাই যাবে। তাদের বাসার কাছের বাস স্ট্যান্ড থেকে একটা বাসে করে খুব সহজে ছোটাচ্চুর অফিসে যাওয়া যায়।

    কাজেই কিছুক্ষণের মাঝেই টুনি ছোটাচ্চুর অফিসে পৌঁছে গেল, এখানে সে আগে অনেকবার এসেছে। অফিসের সবাই তাকে চিনে। রঞ্জনা তাকে দেখে হাসি হাসি মুখে বলল, “আরে আমাদের বড় ডিটেকটিভ চলে এসেছে! আমাদেরকে কি ভুলে গেছ নাকি?”

    টুনি বলল, “না রঞ্জনাপু, তোমাদেরকে মোটেই ভুলিনি। ছোটাচ্চু আমাদের নিয়ে আসে না।”

    “তাই নাকি?”

    “হ্যাঁ। আজকে কি হয়েছে জানো? ছোটাচ্চু বলেছে আমাদের বাসা থেকে নিয়ে আসবে, তারপর ভুলে গেছে।”

    রঞ্জনা হি হি করে হেসে বলল, “আমাদের অফিসে সব সময় এটা হয়। এখানে সবাই সবসময় সবকিছু ভুলে যায়।”

    টুনি বলল, “ছোটাচ্চুর অফিসে কেউ আছে?” “হ্যাঁ, একটা ফ্যামিলি আছে। তুমি ভিতরে যাও, কোনো সমস্যা নেই।”

    টুনি তখন ছোটাচ্চুর অফিসের দরজা খুলে তার অফিসে উঁকি দিল। ছোটাচ্চু একটা সেক্রেটারিয়েট টেবিলের উল্টোপাশে গদি আঁটা একটা চেয়ারে খুব কায়দা করে বসে আছে, টেবিলের সামনে কমবয়সী একজন পুরুষ আর মহিলা, পাশের চেয়ারে ছয়-সাত বছরের একটা ছেলে, সে খুবই বিরক্ত মুখে বসে আছে।

    ছোটাচ্চু টুনিকে দেখে মুখে খুব একটা ভাব ফুটিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ও, টুনি এসেছিস?”

    ছোটাচ্চুর ভাব দেখে টুনির হাসি পেয়ে গেল কিন্তু টুনি হাসল না, সেও গম্ভীর হয়ে বলল, “হ্যাঁ, ছোটাচ্চু আমি এসেছি।”

    “আয়। অন্যেরা কই?”

    “আর কেউ আসেনি।”

    “আর কেউ আসিনি? কী আশ্চর্য! আর্টে কারো ইন্টারেস্ট নেই?”

    এটা এমন কিছু আশ্চর্য না কিন্তু ছোটাচ্চু ভান করল সে খুবই অবাক হয়েছে। গম্ভীর মুখে বলল, “ঠিক আছে টুনি, তুই একটু অপেক্ষা কর, আমি এই ফ্যামিলির সাথে একটু কথা বলে নেই।”

    টুনি মাথা নেড়ে বলল, “ঠিক আছে।”

    তারপর ছোটাচ্চুর অফিসের অন্য পাশে বসে একটা ম্যাগাজিন হাতে নিয়ে সেটা দেখার ভান করে কান খাড়া করে শোনার চেষ্টা করল তারা কী নিয়ে কথা বলছে। তার এরকম কথা শুনতে খুব মজা লাগে।

    ছোটাচ্চু বলল, “হ্যাঁ, আপনারা জানি কী বলছিলেন?”

    মহিলাটি বলল, “জি, আমি বলছিলাম যে আমাদের কাছে খুবই আজব মেসেজ আসতে শুরু করল।”

    ছোটাচ্চু জিজ্ঞেস করল, “আজব মানে কী রকম?”

    অনেকটা এ রকম, “ফেসবুক করা ছাড়া আর কোনো কাজ নাই? কিংবা ফেসবুকে সময় নষ্ট না করে একটা বই পড়ো। কিংবা, ফেসবুক না আসল বুক? আসল বুক আসল বুক। এই রকম ম্যাসেজ।”

    ছোটাচ্চু বলল, “ও, আচ্ছা, কোনোরকম ভয়-ভীতি দেখায় না?”

    “না। কিন্তু আমাদের যথেষ্ট বিরক্ত করেছে। তখন আমরা এই মানুষটাকে ব্লক করে দিলাম, ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে সরিয়ে দিলাম। এক-দুই দিন শান্তিতে ছিলাম তারপর আবার শুরু হলো। নতুন একটা ফ্রেন্ড কিন্তু বোঝা গেল একই মানুষ। আমাদের জ্বালাতন শুরু করল, মাঝে মাঝে একটু ভয়ও দেখায়, বলে, ফেসবুক বন্ধ না করলে তোমাদের উপর মহাবিপদ হবে, সাবধান।”

    ছোটাচ্চু বলল, “আপনারা কি আসলেই অনেক ফেসবুক করেন?”

    এবারে পুরুষ মানুষটা বলল, “তা একটু করি। অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকি। বাসায় আসার পর একটু রিলাক্সেশন।”

    ছোটাচ্চু বলল, “কী করেন ফেসবুকে?”

    “এই তো স্ট্যাটাস দেই, শেয়ার দেই। লাইক দেই। ছবি আপলোড করি। সেলফি আপলোড করি।”

    “দুজনেই?”

    “জি।”

    মহিলাটি বলল, “আমার ফ্রেন্ড বেশি ওর থেকে।”

    মানুষটা একটু রেগে গেল, বলল, “তুমি একজন মহিলা, মহিলার ফ্রেন্ড বেশি হবে না। তুমি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালেই সবাই এক্সেপ্ট করে।”

    “তুমি ঠিক করে রিকোয়েস্ট পাঠাও, না করেছে কে?”

    পুরুষ আর মহিলাটা ঝগড়া শুরু করে দিচ্ছিল, তখন ছোটাচ্চু তাদের থামিয়ে দিল, বলল, “আপনারা দিনে কত ঘণ্টা ফেসবুক করেন?”

    “সাত-আট ঘণ্টা হবে।”

    ছোটাচ্চু চোখ কপালে তুলে বলল, “সাত-আট ঘণ্টা?”

    “হ্যাঁ। ল্যাপটপ তো খোলা থাকে। একটু পরে পরে দেখি নতুন ছবিতে লাইক পড়েছে কি না। বুঝতেই পারেন নেশার মতো হয়ে গেছে।”

    ছোটাচ্চু বলল, “তাহলে তো সমস্যাটা আপনাদের। সবরকম কাজকর্ম বন্ধ করে যদি শুধু ফেসবুক করেন তাহলে কেমন করে হবে?”

    মহিলাটা বলল, “আমরা কী করি না করি সেটা আমাদের ব্যাপার, অন্যেরা সেখানে নাক গলাবে কেন? আমরা আপনার কাছে এসেছি অন্য ব্যাপারে। মানুষটা কে বের করে দেন। যতই চেষ্টা করি এই মানুষটাকে খসাতে পারছি না। ব্লক করে দিলে নতুন একাউন্ট থেকে জ্বালাতন শুরু করে।”

    ছোটাচ্চু বলল, “মেনে নেন। মানুষটা তো খারাপ কিছু করে না, আপনাদেরকে ফেসবুক না করার জন্যে উপদেশ দিচ্ছে, ভালো উপদেশ। খুব ভালো উপদেশ।”

    “কিন্তু মানুষটা কে সেটা বের করতে চাই। কীভাবে কীভাবে জানি আমাদের সব খবর জেনে যায়। আপনার এখানে আসার আগে আমাদের কি লিখেছে জানেন?”

    “কী?”

    “লিখেছে আমাকে ধরার জন্যে টিকটিকির কাছে যাচ্ছ? টিকটিকির বাবার সাধ্য নাই আমাকে ধরবে! হা হা হা।”

    “তাই লিখেছে? টিকটিকি?”

    “হ্যাঁ। কিন্তু আমাদের প্রশ্ন হলো, এই মানুষটা জানল কেমন করে?” ছোটাচ্চু মাথা চুলকাল, বলল, “ইন্টারেস্টিং! সব খবর জেনে যায়।”

    টুনি চোখের কোনা দিয়ে এই আজব পুরুষ এবং মহিলা দুজনকে দেখল। পাশে তাদের ছোট বাচ্চাটা বিরস মুখে বসে আছে, তাদের বাবা-মায়েরা কী নিয়ে কথা বলছে সেটা নিয়ে কোনো কৌতূহল নেই, মুখে রাজ্যের বিরক্তি। বাচ্চাটার জন্যে তার খুব মায়া লাগল, টুনি ভাবল তাকে এই জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে তার সাথে একটু কথাবার্তা বলা যাক।

    সোফা থেকে উঠে গিয়ে সে বাচ্চাটার কাছে গিয়ে বলল, “তুমি কী আমার সাথে আসবে?”

    বাচ্চাটা কোনো কথা না বলে উঠে দাঁড়াল। বোঝাই গেল সে এখান থেকে ওঠার জন্যে এক পায়ে খাড়া। বাবা-মায়ের কথাবার্তা তার স্নায়ুর বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে।

    ছোটাচ্চু মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, বাচ্চাটাকে নিয়ে কিছু একটা দেখা। বেচারা একেবারে বোর হয়ে যাচ্ছে।”

    টুনি মনে মনে বলল, “বোর নয়। বলো মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।”

    ছোটাচ্চুর ঘর থেকে বের হতে হতে টুনি ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করল, “তোমার নাম কী?”

    ছেলেটা বলল, “রাফী।” টুনি এবারে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কোন ক্লাসে পড়ো।”

    “তোমার স্কুলটা ভালো?”

    ছেলেটা হা-সূচকভাবে মাথা নাড়ল।

    “তোমার স্কুলের স্যার-ম্যাডামেরা বকা দেয়?”

    ছেলেটা না-সূচকভাবে মাথা নাড়ল। বোঝা যাচ্ছে যতটুকু সম্ভব কম কথা বলে কাজ চালিয়ে নিতে চায়।

    টুনি জিজ্ঞেস করল, “কিছু খাবে?”

    ছেলেটা না-সূচকভাবে মাথা নাড়ল। টুনি জিজ্ঞেস করল, “কোনো ড্রিংকস খাবে? কোক, পেপসি?”

    এবারে হা-সূচকভাবে মাথা নাড়া। টুনি রঞ্জনাপুর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, “রঞ্জনাপু, তোমাদের অফিসে কি কোক না হলে পেপসি আছে?”

    রঞ্জনা কম্পিউটারে কাজ করছিল, মনিটরের স্ক্রিন থেকে চোখ তুলে বলল, “থাকবে না কেন? অবশ্যই আছে। আমাদের ফ্রিজ বোঝাই জাংকফুডে। আমরা জাংকফুড ছাড়া কিছু খাই না। কিচেনের ফ্রিজ থেকে নিয়ে নাও।”

    টুনি ছেলেটাকে বলল, “চলো, তোমাকে কোল্ড ড্রিংকস দিই। ছেলেটা রঞ্জনার কম্পিউটার মনিটরের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল। টুনির কথা শুনল বলে মনে হলো না। টুনি তখন আবার ডাকল, “রাফী–”

    ছেলেটা মনে হলো কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে গেল, তারপর টুনির পিছু পিছু কিচেনের দিকে হেঁটে যেতে লাগল।

    টুনি এর আগে কোনো অফিস দেখেনি, তাই অফিস কী রকম হয় জানে না। ছোটাচ্চুর অফিসে একটা কিচেন আছে, সেই কিচেনে ফ্রিজ আর মাইক্রোওয়েভ আছে। টুনি ফ্রিজ খুলে একটা কোকের বোতল বের করে রাফীকে খানিকটা ঢেলে দিল, নিজে খানিকটা নিল। চুকচুক করে কোক খেতে খেতে টুনি আবার ছেলেটার সাথে কথা বলার চেষ্টা করল, জিজ্ঞেস করল, “তোমার আরো ভাই-বোন আছে?”

    ছেলেটা কথা না বলে খাওয়া চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করল। টুনির প্রশ্নের উত্তরে না-সূচকভাবে মাথা নাড়ল।

    “তুমি একা?”

    এবারে হা-সূচকভাবে মাথা নাড়া।

    “তার মানে তোমার আব্বু-আম্মুর পুরো আদরটা তুমি পাও?”

    “পাও না?”

    আবার না-সূচক।

    “কেন পাও না?”

    “আব্বু-আম্মু সারাক্ষণ ফেসবুক করে।” এই প্রথম ছেলেটি একটা পুরো বাক্য বলল। বাক্যটি যেভাবে উচ্চারণ করল বোঝা গেল আব্বু-আম্মুর এই কাজটি তার মোটেও পছন্দ নয়।

    টুনি কী বলবে বুঝতে পারল না, বলল, “ও!” তারপর চুপ করে গেল, ছেলেটার সাথে আর কথা বলার চেষ্টা করল না।

    কোক খাওয়া শেষ করে দুজনে কিচেন থেকে বের হয়ে আসে। রঞ্জনা তখনো ভুরু কুঁচকে কম্পিউটারের মনিটরটির দিকে তাকিয়ে আছে, মনে হচ্ছে কিছু একটা নিয়ে ঝামেলায় পড়েছে। রাফী নামের ছোট ছেলেটা সোজা রঞ্জনার দিকে হেঁটে গেল। রঞ্জনার পিছনে দাঁড়িয়ে সে কম্পিউটার মনিটরটির দিকে তাকিয়ে থাকে। একজন যখন কম্পিউটারে কাজ করে তখন যে পিছনে দাঁড়িয়ে তার মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় না মনে হয় সেটা এই বাচ্চাটা শিখেনি। সে কোনোরকম ভান না করে সোজাসুজি বেশ কৌতূহল নিয়ে মনিটরটির দিকে তাকিয়ে থাকে।

    টুনি দেখল মনিটরটির দিকে তাকিয়ে থেকে রঞ্জনা কেমন একটা যন্ত্রণার মতো শব্দ করল।

    টুনি জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে রঞ্জনাপু?”

    “আমি করতে পারছি না।”

    “কী করতে পারছ না?”

    “নেট থেকে ফাইলটা নামাতে পারছি না। ফরমে ভেঙে যাচ্ছে।”

    বিষয়টা কী টুনি বুঝতে পারল না তাই সে কিছু বলল না। কিন্তু রঞ্জনার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা রাফী নামের স্বল্পভাষী ছেলেটা বলল, “তোমার ওএস পুরানা। আপডেট না করলে পারবে না।”

    রঞ্জনা এবং টুনি দুইজন একসাথে ছেলেটার দিকে তাকাল, এইটুকুন ছেলে একেবারে বড় মানুষের মতো কথা বলছে! রঞ্জনা জিজ্ঞেস করল, “কী বললে তুমি?”

    “তোমার ওএস পুরানা।”

    “ওএস মানে কী?”

    “অপারেটিং সিস্টেম।”

    “তুমি কেমন করে জানো?”

    “আমি জানি।” বলে সে চুপ করে গেল।

    রঞ্জনা জিজ্ঞেস করল, “এখন কী করতে হবে?”

    “নতুন ওএস ডাউনলোড করো। তোমাদের নেট অবশ্যি স্লো। সময় লাগবে।”

    টুনি অবাক হয়ে ছেলেটার দিকে তাকাল, এইটুকুন ছেলে এত কিছু কেমন করে জানে! শুরুতে কোনো শব্দ উচ্চারণ না করে শুধু মাথা নেড়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। এখন টকটক করে কথা বলছে!

    রঞ্জনা বলল, “তার মানে এখন আমি কিছু করতে পারব না?”

    বাচ্চা ছেলেটা কিছুক্ষণ মুখ সুচালো করে কিছু একটা চিন্তা করল, তারপর বলল, “একটা প্লাগ ইন আছে, ডাউনলোড করে দেখতে পারো। নিজে নিজে ইনস্টল করতে পারবে না?”

    রঞ্জনা মাথা নাড়ল, বলল, “উঁহু। আমি খালি কম্পিউটারের সুইচ অন করতে পারি আর প্রোগ্রামের উপর কার্সর রেখে ক্লিক করতে পারি।”

    রাফী জিজ্ঞেস করল, “আমি করে দিব?”

    “তুমি?”

    “হ্যাঁ। করে দিব?”

    রঞ্জনা একটু ইতস্তত করে বলল, “ঠিক আছে। করে দাও।”

    “কাউকে বলবে না তো?”

    রঞ্জনা অবাক হয়ে বলল, “কী বলব না?”

    “এই যে আমি করে দিচ্ছি।”

    “তুমি যদি চাও তাহলে বলব না।”

    রঞ্জনা তার চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল, রাফী তখন সেই চেয়ারে বসল, তারপর ঝড়ের বেগে মাউস আর কি-বোর্ডে হাত নাড়তে শুরু করে দেয়। টুনি হাঁ করে সেদিকে তাকিয়ে রইল।

    .

    মিনিট দশেক পর রাফী যখন কাজ শেষ করে এনেছে তখন টুনি রাফীর কাছে গিয়ে তার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, “তোমার আব্বু আর আম্মুর ফেসবুকে তুমি ঐ মেসেজগুলো পাঠাও? তাই না।”

    রাফী এক সেকেন্ডের জন্যে কাজ থামিয়ে টুনির দিকে তাকাল। টুনি গলা নামিয়ে বলল, “কোনো ভয় নাই। কাউকে বলে দিব না।”

    “খোদার কসম?”

    “খোদার কসম।”

    রাফী এবার একগাল হাসল, বলল, “হ্যাঁ। ম্যাসেজ পাঠিয়ে কোনো লাভ হয় নাই। এখন কী করব জানো?”

    “কী?”

    “তাদের ল্যাপটপের ওএস ক্র্যাশ করিয়ে দেব। একটা ফাটাফাটি ম্যালওয়ার আছে–”

    .

    আরো মিনিট দশেক পর রাফীর আব্বু-আম্মু বের হয়ে এলো। রাফী তখন টুনির সাথে বসে কিচেনে তার দ্বিতীয় গ্লাস কোক খাচ্ছে।

    ছোটাচ্চু কিচেনে মাথা ঢুকিয়ে বলল, “টুনি, বাচ্চাটাকে ছেড়ে দে। বাসায় যাবে।”

    “ঠিক আছে ছোটাচ্চু।”

    “এখানে তো কোনো খেলনা নেই, বাচ্চাটাকে কেমন করে ব্যস্ত রাখলি?”

    “সমস্যা হয়নি। রঞ্জনা আপু অনেক সাহায্য করেছে।”

    “গুড।”

    রাফী তার আবু-আম্মুর পিছু পিছু অফিস থেকে বের হয়ে গেল। টুনি দেখল মুখটি খুবই বিরস। ভালো করে লক্ষ করলে অবশ্যি বিরস মুখের আড়ালে কৌতুকের চেহারাটাও বোঝা যায়।

    .

    ছোটাচ্চু টুনিকে নিয়ে তার বন্ধুর পেইন্টিং এক্সিবিশানে যাওয়ার সময় বলল, “বুঝলি টুনি, দেশে সাইবার ক্রাইম খুব বেড়ে গেছে।”

    টুনি ভুরু কুঁচকে বলল, “সাইবার ক্রাইম?”

    “হ্যাঁ। মানে কম্পিউটারের ক্রাইম। আমাদের কাছে রোজ এক-দুইজন ক্লায়েন্ট আসে। আজকে যে রকম এসেছিল।”

    টুনি কোনো কথা বলল না। ছোটাচ্চু একটা লম্বা নিশ্বাস ফেলে বলল, “আমরা এটা সামাল দিতে পারি না। সামাল দিতে হলে কম্পিউটার এক্সপার্ট দরকার। অনেক বেতন দিয়ে এক্সপার্ট নিতে হবে।”

    টুনি একবার ছোটাচ্চুর দিকে তাকিয়ে বলল, “আমার কাছে খুব ভালো একজন এক্সপার্ট আছে। তোমার দরকার লাগলে বোলো।”

    ছোটাচ্চু গরম হয়ে বলল, “সিরিয়াসলি একটা কথা বললাম আর তুই সেটা নিয়ে ইয়ারকি শুরু করলি! তোর কাছে এক্সপার্ট আছে মানে? কী বলিস?”

    টুনি তাড়াতাড়ি বলল, “না, ছোটাছু, কিছু না। কিছু বলি নাই। কিছু বলি নাই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতবুও টুনটুনি তবুও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ২ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }