Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবার অশুভ সঙ্কেত – অনীশ দাস অপু

    লেখক এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার অশুভ সঙ্কেত – ১২

    বারো

    শত শত, হাজারে হাজারে দল বেঁধে ওরা এল র‍্যালিতে যোগ দিতে। লন্ডনের পুব থেকে পশ্চিমে স্লোন স্কোয়ার পর্যন্ত জ্যাম বেঁধে গেল। অক্সফোর্ড স্ট্রীটের দক্ষিণ থেকে এমব্যাঙ্কমেন্ট এবং সবগুলোর কেন্দ্র বিন্দু, ট্রাফালগার স্কোয়ারে সব যেন স্থির হয়ে রইল। জনসভায় যোগ দিতে কত লোক এসেছে প্রেস এবং মিডিয়া দু’পক্ষই অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। যত দূর চোখ যায় শুধু মানুষের মাথা। স্কোয়ারের দিকে এগোচ্ছে সবাই, প্রতি মিনিটে বেড়ে চলেছে লোকসংখ্যা। ঘোড়ার পিঠে এবং রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে পুলিশ নীরবে দেখছে তাদেরকে।

    বক্তৃতা শুরু হবার কথা দুপুর তিনটায়। কিন্তু দেড়টার সময়ই পিমলিবোতে পল বুহেরের লিমোজিন জ্যামে আটকা পড়ে গেল। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল পিঁপড়ের মত পিলপিল করে লোকজন তাদের গন্তব্যে চলেছে। বেশিরভাগের পরনে কঙ্কালের ছবি আঁকা আলখেল্লা, অনেকে কাফনও পরে আছে।

    বুহের কনসোলের একটা বোতাম টিপল।

    ‘কি ব্যাপার?’

    ভেসে এল ড্রাইভারের কণ্ঠ, ‘জ্যাম, স্যার। পুলিশ বলছে এখান থেকে আর গাড়ি যাবে না।’

    ‘ধ্যাত্তেরি, বেজায় বিরক্ত হলো বুহের। বেশি রাগ লাগছে ছেলেটার ওপর। ওর জন্যেই এই র‍্যালিতে আসা। মাঝে মাঝে কি যে বাই চাপে ছেলেটার মাথায়। অথচ ব্যাপারটা তাকে মানায় না। খুব কম ব্যাপারেই সে কৌতূহল প্রকাশ করে।

    ‘চলুন, নেমে পড়ি,’ বলল ছেলেটা।

    ‘কিন্তু অনেকটা পথ হাঁটতে হবে,’ আপত্তি জানাল বুহের।

    ছেলেটা কিছু না বলে দরজা খুলে নেমে পড়ল। তার পিছু পিছু কুকুরটাও। অগত্যা বুহেরকেও উঠতে হলো। নামার আগে ড্রাইভারকে বলল কোথায় গাড়ি পার্ক করতে হবে। ওখানে থাকবে ওরা।

    ভিড়ের সাথে তাল মিলিয়ে হাঁটতে শুরু করল ওরা। একটা জার্মান শেফার্ড ওদের আগে আগে যাচ্ছিল, হঠাৎ ঘুরে দাঁড়াল, ছেলেটা আর কুকুরটাকে দেখে বিস্ফারিত হয়ে উঠল চাউনি, দ্রুত ফুটপাথে উঠে পড়ল সে, কান দুটো সেঁটে গেছে মাথার সাথে।

    খুব গরম পড়েছে। ঘামছে জনতা। ঘামের গন্ধে নাক কোঁচকাল ছেলেটা কুকুরটার মাথায় আলতো হাত রাখল। বুহের ওদের ঠিক পেছনে। বারবার ঘড়ি দেখছে সে। হোয়াইট হল-এ মীটিং শুরু হবার কথা এখন। তার কর্মচারীরা ঘণ্টাখানেকের মধ্যে রিপোর্ট পাঠিয়ে দেবে হেডকোয়ার্টারে। তার অফিসে থাকা দরকার ছিল। এ সব গোঁয়ার্তুমির কোন মানে হয় না। মুখ অন্ধকার করে সে ছেলেটার পেছন পেছন হাঁটতে লাগল। ভিক্টোরিয়া পার হয়ে, মল ধরে ট্রাফালগার স্কোয়ারের কাছাকাছি এসে পড়ল ওরা। লাউড স্পিকারের কর্কশ আওয়াজ আর জনতার চেঁচামেচি শোনা গেল পরিষ্কার। মাথার ওপর পুলিশের হেলিকপ্টার উড়ছে। রোটর ব্লেডের গর্জনে জনতার চিৎকার চাপা পড়ে যাচ্ছে মাঝে মাঝে।

    স্কোয়ারে পৌছে দেখল জনতা গাদাগাদি করে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটা তার কুকুর সঙ্গীকে নিয়ে ভিড় ঠেলে এগুতে লাগল। অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করল। তবে কুকুরটাকে দেখে কেউ কেউ আড়ষ্ট হয়ে গেল। এক লোক রাস্তা ছাড়ছিল না বলে কুকুরটা বিরাট মাথা দিয়ে তাকে ঢুস দিল। রেগেমেগে কিছু বলার জন্যে নিচে তাকিয়েছে লোকটা, তাকে লক্ষ্য করে দাঁত মুখ খিঁচাল কুকুর। সভয়ে একপাশে সরে গেল লোকটা। নেলসন্স কলামের নিচে এসে দাঁড়াল তিনজনের দলটা। পাথরের একটা সিংহাসনের পাশে ঠেলেঠুলে জায়গা করে নিল। তাকাল দশ গজ দূরের প্ল্যাটফর্মের দিকে। মাটি থেকে অন্তত বিশ ফুট উঁচুতে তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ। প্ল্যাটফর্মের দু’পাশে, পনেরো ফুট উচ্চতায় দুটি ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন, ক্লোজ- আপে ধরে রেখেছে এক তরুণ, জনপ্রিয় রাজনীতিবিদের মুখ। রাজনীতিবিদটি এ আন্দোলনের অন্যতম এক প্রতিষ্ঠাতার দৌহিত্র। তার কণ্ঠ স্পিকারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে গোটা স্কোয়ারে।

    ‘বন, প্যারিস, হেগ, রোম, দিল্লী, ঢাকা সহ আরও অনেক শহরে এই আন্দোলন একই সাথে সূচিত হতে চলেছে।’

    জনতা সায় দিল তার কথায় গর্জে উঠে

    ‘আর পাঁচ ঘণ্টা পর ওয়াশিংটনের উদ্দেশে একটি মার্চ শুরু হবে। কাল পালা দূর প্রাচ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার। মস্কো, প্রাগ, বুদাপেস্ট এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে আমাদের অন্যান্য বন্ধুরা আমাদের প্রচেষ্টার কথা জানতে পারবে এবং উৎসাহিত হয়ে উঠবে তাদের সংগ্রামে শক্তি সঞ্চয়ের জন্যে…

    হাই তুলল বুহের।

    ‘এবার,’ বলল তরুণ রাজনীতিবিদ, ‘আসছেন জ্যাক বিকহ্যাম।’

    জনতার উল্লসিত চিৎকারে কানে তালা লেগে গেল। কানে হাত চাপা দিল বুহের, তাকাল ছেলেটার দিকে। সে নেলসন্স কলামের সিঁড়ির ওপর উঠে বসেছে। চারদিকে চোখ বোলাচ্ছে, কাউকে খুঁজছে বোধহয়। চঞ্চল দৃষ্টি স্থির হলো সাদা চুলো, লম্বা, রোগা এক লোকের ওপর। হেঁটে যাচ্ছেন প্ল্যাটফর্মে, তাঁকে নিয়ে আসছে সোনালি রঙের একটা ল্যাব্রাডর। মাইক্রোফোনের সামনে গিয়ে দাঁড়াল কুকুরটা, যেন সুতোয় বেঁধে টেনে আনা হয়েছে তাকে। তারপর তাকাল বুড়ো লোকটির দিকে। নাক দিয়ে ধাক্কা মারল হাতে; বুড়োকে বুঝিয়ে দিল মাইকের অবস্থান। তিনি দু’হাত তুললেন জনতার উদ্দেশে, তাঁর বাম হাতে বাঁধা কুকুরটার বেল্ট।

    ভিড়ের ওপর নজর বোলাল বুহের। হাততালি দিচ্ছে জনতা, চিৎকার চেঁচামেচি করছে। কেউ কেউ শিসও দিল। ডেমিয়েন থর্নের কথা মনে পড়ল বুহেরের। নিজের শিষ্যদের ওপর এরকম প্রভাব ছিল তার। তবে পার্থক্য একটাই- তার শিষ্যরা ছিল এদের চেয়ে সৎ। এই লোকগুলো জ্যাক বিকহ্যামের জন্যে জীবন দিতে পারবে? তারচে’ও বড় কথা তারা তাদের নেতার জন্যে মানুষ খুন করতে পারবে? বুহেরের সন্দেহ হলো পারবে না।

    পর্দায় বুড়ো লোকটার চেহারা ফুটে উঠল। চোখে গাঢ় রঙের চশমা। মানুষটা অন্ধ। ল্যাব্রাডরটা তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী। জ্যাক বিকহ্যামকে বলা হয় বারট্রান্ড রাসেলের যোগ্য উত্তরসুরি। তিনি একজন দার্শনিক, একজন মানবতাবাদী, রাজনীতিবিদদের চেয়ে তাঁর জ্ঞান প্রখর, অসাধারণ বাগ্মীতার কারণে বুদ্ধিজীবী এবং শ্রমিক শ্রেণীকে একই ছাতের তলায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে তাঁর পক্ষে।

    আবার ছেলেটার দিকে ফিরল বুহের। সে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে জ্যাক বিকহ্যামের দিকে। পাথুরে স্তম্ভের ওপর বসে কুকুরটাও সম্মোহিতের মত চেয়ে রয়েছে প্ল্যাটফর্মের দিকে।

    জ্যাক বিকহ্যাম হাত নামালেন। সাথে সাথে থেমে গেল জনতার চেঁচামেচি, যেন হঠাৎ সুইচ অফ করে দেয়া হয়েছে। গলা খাঁকারি দিলেন তিনি, বজ্রের মত শোনাল শব্দটা। ল্যাব্রাডর কান খাড়া করে তাকাল প্রভুর দিকে, যেন সব ঠিক আছে কি না দেখছে।

    ‘বন্ধুগণ,’ বৃদ্ধের কণ্ঠ গভীর এবং জোরাল। শুনেছি আজকের মত জন সমাবেশ এই শহরে আগে কোনদিন হয়নি।

    জনতা আবার চিৎকার করে তাঁকে সায় দিতে যাচ্ছিল, এক হাত তুলে তাদেরকে থামালেন বিকহ্যাম।

    ‘এক, মহান ব্যক্তি, সাংবাদিক মেন্ডাল জনসন, যিনি আমাদের আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, আমাদের মত একটি প্রতিষ্ঠানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বলেছিলেন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, অক্সফ্যাম বলে কোন কিছুর যেন অস্তিত্ব না থাকে।’ বিরতি দিলেন তিনি। তারপর শুরু করলেন, ‘আমিও তাঁর কথার প্রতিধ্বনি তুলে বলতে চাই, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আন্দোলনের যেন আর প্রয়োজন না হয়, ঈশ্বর।’

    সাগরের ঢেউ’র মত গর্জন উঠল এবার, থামতেই চায় না। বিকহ্যাম ডান থেকে বামে একবার মাথা ঘোরালেন, যেন জনতার প্রতিক্রিয়া দেখতে চাইছেন।

    আবার একটা হাত তুললেন তিনি। আবার নীরব হয়ে গেল জনতা।

    ‘আজ বিকেলে, অনুমান করি প্রায় এক মাইল লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়েছে আপনাদের আগমনে। আপনারা এসেছেন এমন একটি সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে যেটি গত পঞ্চাশ বছর ধরে গোটা বিশ্বে হুমকির সৃষ্টি করে চলেছে। ঠাণ্ডা লড়াইয়ের দিন কাগজে-কলমে শেষ হলেও পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা কিন্তু থেমে নেই। অর্ধেক পৃথিবী আজও যুদ্ধের উন্মাদনায় অস্থির। কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদরা, আমাদের সামরিক শাসকরা তা দেখেও না দেখার ভান করছেন। আমরা রাজনীতির নামে অস্ত্র প্রতিযোগিতা, সন্ত্রাস এবং ভণ্ডামি চাই না। আমরা চাই সারল্য, জবাবদিহিতা। দলগত রাজনীতির এখন কোন প্রয়োজন নেই। এখন প্রয়োজন নিজেদেরকে, বিশ্ব মানবতাকে বাঁচানোর প্রশ্নে একত্র হওয়া। আমরা চাই অস্ত্র মুক্ত, হানাহানি মুক্ত একটি বিশ্ব।

    পুরো এক মিনিট হাততালি চলল। বুহের তার বাম পাশে দাঁড়ানো পুলিশদের জনতার সাথে তাল মিলিয়ে হাততালি দিতে দেখে অবাক হলো।

    ‘একটা পতিত জমির জন্যে রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কের কি মানে আছে?’ জিজ্ঞেস করলেন বিকহ্যাম।

    ‘কোন মানে নেই,’ গর্জে উঠল জনতা।

    ‘যে গ্রহ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তার জন্যে বিকল্প সমাজ ব্যবস্থার কথা বলার কতটুকু দরকার আছে?’

    আবার গর্জে উঠল জনতা: কোন দরকার নেই।

    বুড়ো মানুষটি দুই হাত ওপরে তুললেন, গলার বেল্টে টান পড়ায় উঠে দাঁড়াল কুকুরটা।

    ‘আপনারা অনেকেই জানেন,’ বললেন বিকহ্যাম, ‘আমি ধর্মভীরু নই। তবু টিমোথিকে বলা পলের দ্বিতীয় চিঠি থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃতি করে শোনাচ্ছি,’ আবার গলা খাঁকারি দিলেন তিনি। কুকুরটা তাকাল ভিড়ের দিকে, একটা থাবা দিয়ে প্ল্যাটফর্মে আঁচড় কাটছে।

    বুহের লক্ষ করল ছেলেটা এবার ল্যাব্রাডরটার দিকে নজর ফিরিয়েছে, চোখের পলক পড়ছে না।

    ‘কেয়ামতের দিন,’ শুরু করলেন বিকহ্যাম, ‘ভয়ঙ্কর এক সময় উপস্থিত হইবে। মানুষ হইয়া উঠিবে অহঙ্কারী, অর্থ লোলুপ, ঈশ্বর-নিন্দুক, অকৃতজ্ঞ, পিতা-মাতার অবাধ্য, অপবিত্র, আত্মসংযমহীন, অসচ্চরিত্র, দয়া-মায়াহীন, শাস্তি ভঙ্গকারী, ক্রোধোন্মত্ত, বিশ্বাসঘাতক, সমস্ত ভালর নিন্দাকারী।’

    ল্যাব্রাডর এবার পেছনের পায়ে ভর করে দাঁড়াল, সামনের থাবা দুটো আড়াআড়ি রাখল মুখের ওপর, নাক উঁচু করে বাতাসে কিসের যেন গন্ধ শুঁকল। বুহেরের মনে হলো ওটা সরাসরি ছেলেটার দিকে তাকাল।

    ‘আমি আপনাদের আহ্বান করছি যাদের মনে বিশ্বাস আছে তারা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করুন,’ বললেন বিকহ্যাম। ‘আর যাদের বিশ্বাস নেই তারা নিজেদের বিবেক ও বুদ্ধিমত্তার ওপর ভরসা রাখুন।’

    পলকহীন চোখে ল্যাব্রাডরের দিকে চেয়ে আছে ছেলেটা। প্ল্যাটফর্মে আঁচড় কাটছে ওটা, মুখ বেয়ে লালা পড়ছে। পর্দায় দেখতে পাচ্ছে ওটাকে জনতা।

    ‘আমার থীম,’ বলে চললেন বৃদ্ধ, ‘নতুন কিছু নয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে…’

    লাফ দিল ল্যাব্রাডর, প্রভুর মুখে কামড় বসাল। হোঁচট খেয়ে পেছন দিকে হেলে গেলেন তিনি, মাইক্রোফোনের তার বেঁধে গেল পায়ে, তাঁর পতন-চিৎকার অ্যামপ্লিফায়ারে প্রতিধ্বনি তুলল স্কোয়ারে। কেউ এক চুল নড়ছে না। প্ল্যাটফর্মের পাশে দাঁড়ানো ভলান্টিয়াররা যে যার জায়গায় জমে গেল, নড়তে ভুলে গেছে।

    পিছিয়ে এল কুকুরটা, বিকহ্যাম টলমল পায়ে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করছেন, কুকুর-বাঁধা রশি বা বেল্টটা এখনও তাঁর কব্জিতে বাঁধা।

    ‘ওহ্, মাই গড,’ ফুঁপিয়ে উঠলেন তিনি, গোঙানির শব্দ ছড়িয়ে পড়ল জনারণ্যে। এক হাতে মুখ চাপা দিলেন বিকহ্যাম। কাছের লোকজন পরিষ্কার দেখতে পেল তাঁর আঙুলের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্ত। টেলিভিশন পরিচালক চট করে ক্লোজ-আপে ধরল মুখটা, জনতা বিকহ্যামের রক্তাক্ত চেহারা পর্দায় দেখে শিউরে উঠল। চশমাটা ঝুলে আছে এক কানের ওপর, চোখের শূন্য কোটর রক্তাক্ত হাতে চেপে ধরে আছেন তিনি। ভলান্টিয়াররা এবার ছুটল তাঁর দিকে; কুকুরটা ঘুরে দেখল তাদেরকে, তারপর ফিরল ভিড়ের দিকে, এগোল প্ল্যাটফর্মের শেষ মাথায়, বুড়ো মানুষটাকে পেছনে টানতে টানতে।

    কুকুরটার মতলব বুঝতে পেরে চিৎকার দিল এক মহিলা। ঠিক সেই সময় শূন্যে লাফ দিল ল্যাব্রাডর জ্যাক বিকহ্যামকে নিয়ে। বাতাস খামচালেন বৃদ্ধ বৃথা অবলম্বনের আশায়। ডিগবাজি খেয়ে পড়ে যাচ্ছেন, ক্যামেরা অনুসরণ করল তাঁকে, মাইক্রোফোনে ধরা পড়ল তাঁর অন্তিম চিৎকার, সাউন্ড সিস্টেম নিখুঁতভাবে কাজ করল, বিশ ফুট নিচে কুকুরটা ছিটকে পড়ল; তার হাড় ভাঙার আওয়াজ সেই সাথে জ্যাক বিকহ্যামের খুলি ফেটে যাবার শব্দও স্পষ্ট শোনা গেল। তাঁর মরণ আর্তনাদ শুনে গায়ের রোম খাড়া হয়ে গেল সবার।

    ছুটে আসা ভলান্টিয়ারদের চিৎকারও শোনা গেল মাইক্রোফোনে। বিস্ময়ে স্তম্ভিত জনতার বিড়বিড়ানিও পরিষ্কার তুলে ধরল মাইক্রোফোন। ওটার তার প্ল্যাটফর্মের মাথায় ঝুলে আছে।

    সবার আগে প্রতিক্রিয়া ঘটল ছেলেটার মধ্যে। ঘুরল সে, তাকাল ত্রিশ গজ দূরে চেস্টনাট পুলিশ-ঘোড়ার দিকে। ওদিকে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে মোট দশজন অশ্বারোহী পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল হোয়াইট হল-এ যাবার রাস্তা পরিষ্কার রাখতে। মাথা ঘোরাল ঘোড়া, আরোহী তার আকস্মিক চাঞ্চল্যে অবাক হলো। বলগা ধরে টান দিল সে। কিন্তু ঘোড়াটা চোখ বড় বড় করে তাকিয়েই থাকল ছেলেটার দিকে। ওটার নাকের পাটা ফুলে উঠেছে, ঠোঁট কাঁপছে, বেরিয়ে পড়ল দাঁত, মৃদু গোঙানি বেরিয়ে এল গলা দিয়ে। শব্দ শুনে অন্য ঘোড়াগুলো ফিরল তার দিকে। তারপর দৃষ্টি অনুসরণ করে নেলসন’স কলামে দাঁড়ানো ছেলেটার দিকে তাকাল এক সাথে।

    প্রকাণ্ড ঘোড়াটা এক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে রইল স্থির হয়ে, শুধু চোখ জোড়া বিস্ফোরিত হলো আতঙ্কে, তারপর পেছনের পায়ে ভর দিয়ে খাড়া হলো, ঝাঁকি খেল মাথা, পরক্ষণে সবেগে সামনের দিকে ছুটল দলের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে। ঝাঁকির চোটে তিন পুলিশ পড়ে গেল ঘোড়ার পিঠ থেকে, অন্যরা কোনমতে ঝুলে রইল বলগা ধরে। বলগায় টান মেরেও ঘোড়াগুলোকে থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলো তারা। ব্যানার হাতে এক তরুণ দম্পতি হঠাৎ খেপে ওঠা ঘোড়াদের শিকার হলো প্রথমে। বিশালদেহী চেস্টনাটের খুরের নিচে পড়ে নিমিষে রক্তাক্ত হয়ে গেল তারা। তাদের আর্তনাদ শোনা গেল অ্যামপ্লিফায়ারে।

    আরোহীবিহীন ঘোড়াগুলো ভিড়ের মাঝে আরও সেঁধিয়ে গেল। বাকিগুলো ভয়ে এবং মৃত্যুর গন্ধ পেয়ে আক্ষরিক অর্থেই উন্মাদ হয়ে উঠল। কলামের সাথে সেঁটে গেল বুহের একটা ঘোড়াকে তার দিকে ছুটে আসতে দেখে। ওটার পায়ের নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে পুরুষ আর নারীরা। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল ঘোড়াটা, ঘুরল, এক লাফে পার হলো একটা ব্যারিয়ার, ছুটল এক দল তরুণকে লক্ষ্য করে। চারটে খুরের আওয়াজ যেন বুলেটের শব্দ তুলল কংক্রিটের রাস্তায়।

    ঘোড়াগুলোর হামলায় দিশেহারা লোকজন দিগ্বিদিক শূন্য হয়ে ছোটাছুটি করছে। ধাক্কাধাক্কিতে অনেকেই ছিটকে পড়ছে রাস্তার ওপর, তাদেরকে পায়ে মাড়িয়ে অন্যরা ছুটছে। চিৎকার-চেঁচামেচি-কান্নায় নরক হয়ে উঠল জায়গাটা। বুহের দেখল একটা ঘোড়া তার আরোহীকে পিঠ ঝাঁকিয়ে দড়াম করে ফেলে দিল। কাঁধে কার যেন হাতের কঠিন চাপ অনুভব করে ঘুরল সে। ছেলেটা। তার কাঁধে হাত রেখে নারকীয় দৃশ্যটা দেখছে। জ্বলজ্বল করছে চোখ, জিভ বোলাচ্ছে ঠোঁটে।

    ক্যামেরা আগের মতই কাজ করে চলেছে। বিশাল পর্দায় রাস্তার নারকীয় দৃশ্য পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। এক মহিলা তার বাচ্চাকে নিয়ে উঠে দাঁড়াতে চেষ্টা করছে, দেখল বুহের। বাচ্চাটাকে দু’হাতে শূন্যে তুলে ধরল সে। ঠিক তখন একটা ঘোড়া ছুটে এসে বাচ্চা এবং তার মাকে শক্ত খুরের আঘাতে ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে চলে গেল। বুহের শুনল ছেলেটা চাপা উল্লাসে বিড়বিড় করছে, বিশুদ্ধ নৈরাজ্য নেমে এসেছে পৃথিবীর বুকে।

    শিউরে উঠল বুহের, পাথরের সিংহের গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল।

    লোকজনের চিৎকার আর আর্তনাদ ক্রমে চড়া হয়ে উঠল, তারপর হঠাৎ করেই থেমে গেল। যেন কেউ পর্দায় ফ্রিজ করে দিয়েছে দৃশ্যটা, নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেছে। স্কোয়ারের দক্ষিণ-পুব কোণে, হোয়াইট হলের সেফটি ব্যারিয়ার ভেঙে সবাই ওদিকে সরে গেছে, পেছনে ফেলে রেখে গেছে আহতদের। স্কোয়ার প্রায় ফাঁকা। শুধু নিহতদের লাশ আর আহতরা পড়ে আছে রাস্তায়। তারা যন্ত্রণায় গোঙাচ্ছে, কাঁদছে।

    কলাম বা খিলানের নিচ থেকে বেরিয়ে এল পল বুহের। তার সামনে, কয়েক গজ দূরে একটা ঘোড়া মরে পড়ে আছে, নিচে তার আরোহীর বিধ্বস্ত লাশ।

    পাথরের সিংহগুলোর একটার বেদির নিচে স্তূপ হয়ে আছে আরও কতগুলো লাশ। ছুটন্ত মানুষের পায়ের নিচে পড়ে ভর্তা হয়ে গেছে তারা। ইতিমধ্যে এসে . পড়েছে অ্যাম্বুলেন্স। তারা লাশ সরাচ্ছে, গাড়িতে তুলছে আহতদের। সাংবাদিকরা ছবি তুলছেন।

    কঙ্কালের জামা পরা এক তরুণকে দেখা গেল নিশ্চল পড়ে আছে। বুকের পাঁজর ভেঙে বেরিয়ে গেছে তার। আরেকটা ঘোড়া একাকী ঘুরে বেড়াচ্ছিল লাশের দঙ্গলের মাঝে। আহতরা ঘোড়াটাকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। ভয়ের চোটে কান্না থেমে গেল অনেকের।

    ছেলেটা খিলান থেকে লাফিয়ে নামল। বুহেরের হাত ধরে জিজ্ঞেস করল, ‘আমাদের গাড়ি কোথায় থাকবে?’

    মাথা নাড়ল বুহের। মনে করতে পারছে না।

    ছেলেটা এক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে রইল একগাদা লাশের পাশে, কুকুরটা তার সাথেই আছে, নাক উঁচু করে বাতাস টানল, তারপর ঘুরে দেখল বুহেরকে।

    ‘বেচারা শান্তি রক্ষাকারীদের আত্মা শান্তি পাক,’ মুচকি হাসল ছেলেটা। তারপর বুহেরের হাত ধরে ভিড়ের মাঝ থেকে পথ করে হাঁটা শুরু করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনেকড়েমানবী – অনীশ দাস অপু
    Next Article হরর 13 – বিশ্বখ্যাত ১৩ লেখকের ১৩টি সেরা হরর গল্প

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }