Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবার অশুভ সঙ্কেত – অনীশ দাস অপু

    লেখক এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার অশুভ সঙ্কেত – ৪

    চার

    রোমে, নিজের হোটেল রুমে, ঘুম ভেঙে গেল ফ্রেডরিক আর্থারের টেলিফোনের আওয়াজে। বুকের ওপর থেকে আস্তে ধাক্কা মেরে স্ত্রীকে সরিয়ে দিল সে, হাত বাড়াল রিসিভারের দিকে। ফ্রেডরিকের সেক্রেটারি। হাই তুলতে তুলতে জানতে চাইল রাষ্ট্রদূত তার আলোচ্য বিষয়সূচিতে হঠাৎ কোন পরিবর্তন ঘটেছে কিনা। ঘটেনি শুনে বলল, ‘তাহলে কফির সাথে কাগজপত্রগুলো পাঠিয়ে দাও। আমি আধঘণ্টার মধ্যে আসছি।’

    রিসিভার রেখে, গড়ান দিয়ে বিছানা থেকে নেমে পড়ল ফ্রেডরিক আর্থার। শীলা অঘোরে ঘুমাচ্ছে। কাল রাতে বুনো হয়ে উঠেছিল মেয়েটা। ব্যাপারটা আর্থারের কাছে উপভোগ্য মনে হলেও মিলন পর্বটা আরও আনন্দদায়ক হয়ে উঠত যদি শীলার আবেগ প্রকাশের ভঙ্গীটা আরেকটু সংযত এবং অনুরাগপূর্ণ হত। শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে শিউরে উঠল আর্থার। ঠাণ্ডা জলের ছোঁয়ায় নয়, কাল রাতে ভালবাসাবাসির ফলে পিঠ আর বুকে জন্ম নেয়া আঁচড় আর কামড়গুলো সাবান লেগে জ্বালা করে ওঠার কারণে। রোম রোমান্টিক শহর, সন্দেহ নেই। কিন্তু এই রোমান্টিকতা শীলাকে যেন আরও যৌনবুভুক্ষু করে তুলেছে।

    গোসল সেরে কাপড় পরল আর্থার। তারপর কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে চোখ বোলাতে লাগল তেল আবিব থেকে আসা লেটেস্ট ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টে। পশ্চিম তীর আর গাজায় সেনাবাহিনীর মুভমেন্ট সম্পর্কে সেই গৎ বাঁধা খবর যা ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছে আর্থার। ওদিকে পরিবর্তন খুব কমই হয়েছে। সেই একই বুলি বারবার, জায়গাটাও এক। এমনকি বোমা বর্ষণের ঘটনাতেও কোন বৈচিত্র নেই। সাম্প্রতিক পরিবর্তন বলতে হেবরনে হামলার ঘটনার পরে বিশ্ব-রাজনীতিতে টেনশনটা একটু বেড়েছে। আর লিবিয়ানদের হাতে বোমা আসার খবরে আশঙ্কা এবং ভয়টাও একটু বেশি কাজ করছে, এটুকুই যা।

    ফ্রেডরিক আর্থার মনে মনে খুশি। কারণ এবারের রোম সফরে তাকে শুধু দর্শকের ভূমিকাই পালন করতে হবে। দুটো দিন শুধু দেখো, কথা শোনো এবং যোগাযোগ রক্ষা করে চলো-ব্যস, ফুরিয়ে গেল কাজ। প্রেস তাকে নিয়ে বেশি মাতামাতি শুরু করে দিয়েছে। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানার জন্যে মুখিয়ে আছে স্বাই। স্রেফ ‘নো কমেন্ট’ বলে তাদেরকে পাশ কাটিয়েছে আর্থার। তাকে নিয়ে কার কি পরিকল্পনা রয়েছে জানে না আর্থার, তবে নিজের জন্যে পরিকল্পনা করে রেখেছে সে আগেই।

    কফি শেষ করে স্ত্রীকে চুমু খেল আর্থার, তারপর বেরিয়ে পড়ল। নিজেকে খুব তাজা লাগছে, নতুন একটি দিন শুরু করার জন্যে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    .

    মীটিংটা হলো পিএলও আর নেসেটের মধ্যে। বরাবর যা হয়ে আসছে, এবারও তাই হলো। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। পিএলও-র তরুণ সদস্যদের কাছে ‘সমঝোতা’ শব্দটাই নাকি অশ্লীল মনে হয়। আর বোমা বর্ষণের পর থেকে নেসেটের আচরণও বদলে গেছে অনেক। বহিরাগত কোন পক্ষের পরামর্শ বা চাপকে তারা থোড়াই কেয়ার করছে।

    ডিবেট রুমে দু’পক্ষের বক্তব্য শুনল আর্থার ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে। যে যাই বলছে, তাতে শেষতক কোন সমাধান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ একটা পরামর্শ দিলে ওটা নিয়ে আলোচনা শুরু হবার আগেই আরেকজন এমনভাবে আপত্তি তুলছে যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার কোন অবকাশই থাকছে না।

    মীটিং শেষ হলো ওভাবেই-অগোছাল এবং কোন সমাধান ছাড়াই। চিন্তিত মুখে মীটিং থেকে বেরুল আর্থার, তাই শুনতে পেল না একজন তার নাম ধরে ডাকছে। হঠাৎ আস্তিনে টান পড়তে ঝট্ করে ঘুরে দাঁড়াল সে। বেঁটেখাটো, মোটাসোটা এক লোক, হাতে মখমলের পাউচ।

    ‘সিনর আর্থার, আমার নাম পাভোত্তি, হোটেল সিকিউরিটি।’

    মাথা ঝাঁকাল আর্থার।

    ‘আপনাকে বিরক্ত করার জন্যে দুঃখিত, স্যার। এক লোক বসে আছে আমাদের অফিসে। আপনার সাথে দেখা না করে নাকি যাবেই না।’

    ‘ওকে আমার—’

    ‘লোকটা বলছে সে নাকি সন্ন্যাসী,’ বলল পাভোত্তি। পাউচটা আর্থারের হাতে তুলে দিল সে। ‘এ জিনিসটি আপনাকে দিতে বলেছে সন্ন্যাসী।’

    বটুয়াটার মুখ দড়ি দিয়ে বাঁধা। খুলতেই বেরিয়ে এল ক্ষুরধার এক ড্যাগার। দম বন্ধ করে ভয়ঙ্কর অস্ত্রটির দিকে তাকিয়ে রইল আর্থার। ফলাটা তিনকোনা, হাতলটা ক্রুশ আকারের, যীশুর মূর্তি খোদাই করা।

    ‘সদর দরজায় দাঁড়িয়ে সে হোটেল সিকিউরিটির খোঁজ করছিল,’ ব্যাখ্যা দিল পাভোত্তি। ‘আমার এক লোককে দেখে বলল আপনার সাথে দেখা করতে চায়। তারপর আমার লোকের হাতে ড্যাগারটা তুলে দেয় সে। ড্যাগার সম্পর্কে কি যেন বলতে চাইছে সে আপনাকে। আপনাকে আমরা বিরক্ত করতে চাইনি। কিন্তু-’

    ফলাটায় আঙুল ছুঁইয়ে ধার পরীক্ষা করতে গেল আর্থার। গুঙিয়ে উঠল। কেটে গেছে আঙুল, এক ফোটা রক্ত বেরুল। ‘ওকে ওপরে পাঠিয়ে দাও, কেমন? আর ড্যাগারটা তোমার কাছেই থাকুক।’ বলল সে ধারাল ছুরিটা পাভোত্তির হাতে দিয়ে। তারপর রওনা হয়ে গেল লিফটের দিকে।

    নিজের স্যুইটে ফেরার পথে বারবার হাত ঘষল আর্থার। রক্ত লেগে চটচটে হয়ে গেছে। শিউরে উঠল সে। ছেলেবেলা থেকে ছুরি-কাঁচিতে দারুণ ভয় আর্থারের। ইস্পাতের ছুরি চামড়া ভেদ করে মাংসের গভীরে ঢুকে গেছে, এমন দৃশ্য কল্পনা করলেও ওর বমি এসে যায়। এমন যন্ত্রণা নিশ্চয়ই সহ্যের অতীত। যীশুকে যেভাবে ক্রুশ বিদ্ধ করা হয়েছে…আবার শিউরে উঠল আর্থার। যীশু বা ধর্ম-কর্ম পালনের প্রতি খুব একটা আগ্রহ নেই আর্থারের। তার কাছে ধর্ম মানে স্রেফ একটা সাপ্তাহিক প্রার্থনা সভা। এ নিয়ে কখনও গভীরভাবে চিন্তাও করেনি। আর দু’হাজার সালে ধর্ম নিয়ে মাতামাতিটাকে তার কাছে মনে হয় নিতান্তই অযৌক্তিক।

    ঘরে নেই __ চিরকুট রেখে গেছে। ডিনারের সময় ফিরবে। টেবিলে কিছু টেলেক্স মেসেজও আছে। ওগুলো মাত্র পড়া শুরু করেছে আর্থার, নক্ হলো দরজায়। দরজা খুলল সে। বাদামী আলখেল্লা আর স্যান্ডেল পায়ে এক তরুণ সন্ন্যাসীকে নিয়ে এসেছে পাভোত্তি। লোকটির চেহারায় শিশুসুলভ সারল্য, বেশ সুদর্শন। তবে তাকে খুব আড়ষ্ট এবং উদ্বিগ্ন লাগল। বুড়ো মানুষের হতাশা আর ক্লান্তি ফুটে আছে চোখে।

    এক পাশে সরে লোকটিকে ভেতরে ঢোকার সুযোগ করে দিল আর্থার, হাত তুলল পাভোত্তির দিকে তাকিয়ে। নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত লোকটা অস্বস্তিভরে কাঁধ ঝাঁকিয়ে পিছিয়ে গেল।

    ‘ভয় নেই,’ তাকে আশ্বস্ত করল আর্থার। ‘কোন সমস্যা হবে না।’

    হাসার চেষ্টা করল সন্ন্যাসী। ‘আমি ব্রাদার ডেভিড,’ স্পষ্ট উচ্চারণে ইংরেজীতে বলল সে। ‘সুবিয়াকো থেকে এসেছি।’

    ‘আমার হাতে সময় কিন্তু খুব কম,’ একটা চেয়ার দেখিয়ে বলল আর্থার।

    ‘আমি বেশি সময় নেবও না,’ বলল সন্ন্যাসী। ‘আমি যা বলতে এসেছি তা আপনার বিশ্বাস হবে কিনা জানি না। তবে আমার কথা আপনাকে বিশ্বাস করতেও বলছি না।’ একটু বিরতি দিল সে। ‘কতদিনের জন্যে রোমে এসেছেন মি. আর্থার?’

    ‘কাল চলে যাচ্ছি।’

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল সন্ন্যাসী। ‘কালকের যাত্রাটা বাতিল করুন। আমার সাথে এক জায়গায় চলুন। আমাকে ফাদার ডি কার্লো নামে এক সন্ন্যাসী পাঠিয়েছেন। ওঁর নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই?’ শেষ প্রশ্নে রীতিমত আবেদন ফুটে উঠল তার কণ্ঠে।

    ‘না। আমি মানে ঠিক-

    ‘বাইরে যাবার মত অবস্থা নেই ডি কার্লোর। বুড়োমানুষ তার ওপর ভগ্নস্বাস্থ্য। ওঁকে আপনার সাহায্য করতেই হবে। কারণ গোটা মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এর ওপরে। কথাটা কি খুব বেশি ইয়ে হয়ে গেল—মানে, কি যেন শব্দটা?’

    ‘নাটকীয়?’

    ‘জ্বী। জ্বী। তবে সব কথা খুলে বললে হয়তো আমাকে পাগল ঠাউরে বসবেন। আপনার কাছে অনুরোধ একটাই-একটা চিঠি নিয়ে এসেছি। ওটা পড়ন। পড়ার সময় মনে হতে পারে পাগলী এক বুড়ির আবোল-তাবোল লেখা পড়ছি, আসলে তা নয়।’ একটু থেমে সে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি কি ধর্ম-কর্ম করেন, মি. আর্থার?’

    ‘শুধু রোববারে গির্জায় যাই,’ জবাব দিল আর্থার। অবাক হয়ে ভাবল কথাটা ক্ষমাপ্রার্থনার সুরে কেন বলল সে। ‘আপনি প্রটেস্টান্ট?’

    ‘জ্বী।’

    ‘একটা কোট করছি শুনুন,’ প্রার্থনার ভঙ্গিতে হাত তুলল সন্ন্যাসী। ‘যখন দেখিবে সৈন্যবাহিনী পরিবেষ্টিত করিয়া ফেলিয়াছে জেরুজালেমকে, নিশ্চিত জানিবে ঊষর সময় সমাগত… ইহা হইবে প্রতিশোধ গ্রহণ করিবার দিন, যাহা লিখিত আছে তাহা পূরণ হইতে পারে।’ সেইন্ট লিউক থেকে বললাম।’

    ঘড়ি দেখল আর্থার। ‘দুঃখিত, আমাকে একটু…’ অনেক হয়েছে। এসব সন্ন্যাসী হলো বসতে পেলে শুতে চাইবার মত। একে প্রশ্রয় দেয়াই ঠিক হয়নি।

    উঠে দাঁড়াল আর্থার, তার সাথে ব্রাদার ডেভিডও। আমার কথাগুলো হয়তো আপনার কাছে পাগলের প্রলাপ মনে হচ্ছে,’ বলল সে। ‘ফাদার ডি কার্লো আঠারো বছর আগে ইংল্যান্ডে এসেছিলেন। যীশুর দ্বিতীয় আগমনকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন তিনি। শয়তান পুত্রের শারীরিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছিলেন।’

    ক্লান্ত ভঙ্গিতে হাসল আর্থার, সন্ন্যাসী হাত ধরে পা বাড়াল দরজার দিকে।

    ‘কিন্তু যীশুর শত্রুর শক্তি এখনও বেঁচে আছে, মি. আর্থার। শুধু ড্যাগারগুলো দিয়ে তাকে ধ্বংস করা যাবে।’

    দরজা খুলল আর্থার।

    ‘অনুগ্রহ করে চিঠিটি একবার পড়বেন। আমি কাল আপনাকে ফোন করব।’

    ‘পাভোত্তি,’ হাঁক ছাড়ল রাষ্ট্রদূত। দৌড়ে এল সিকিউরিটি, খপ করে চেপে ধরল সন্ন্যাসীর আলখেল্লা, হিড়হিড় করে টেনে বের করল ঘর থেকে।

    ‘বিদায়, ব্রাদার ডেভিড,’ বলল আর্থার।

    ‘শয়তানের বংশধর এখনও বেঁচে আছে, মি. আর্থার। তাকে হত্যা করতেই হবে।’

    গম্ভীর চেহারা নিয়ে দরজা বন্ধ করল আর্থার। দূর থেকে ভেসে এল সন্ন্যাসীর গলা।

    ‘ঈশ্বরের নামে আপনার অবিশ্বাস বিসর্জন দিন…’

    ঘণ্টাখানেক পর, কয়েকটা ফোন সেরে চেয়ারে গা এলিয়ে দিল রাষ্ট্রদূত। হাত বাড়িয়ে খামটা নিল। হাই তুলতে তুলতে ভেতর থেকে বের করল ছ’টা ফটোকপি। কাগজগুলোর সাথে একটা চিরকুটও আছে। তাতে লেখা:

    ‘এই মহিলা যা বলেছে সব সত্যি। ঈশ্বর আমাদের সাহায্য করুন। অনুগ্রহ করে চলে আসুন।’

    নিচে দস্তখত: ফাদার ডি কার্লো, সুবিয়াকো।

    প্রথম পাতার লেখাটা শুরু হয়েছে এভাবে:

    ‘ক্ষমা করুন, ফাদার, যে পাপ আমি করেছি…’ প্রথম পাতাটা পড়ে ফেলল আর্থার, অবিশ্বাসে ডানে-বামে মাথা নাড়ছে। হাত বাড়াল স্কচের বোতলের দিকে।

    ‘জেসাস ক্রাইস্ট অলমাইটি,’ বিড়বিড় করল সে, তারপর হাসতে শুরু করল।

    .

    ফ্রেডরিক আর্থারকে সস্ত্রীক দাওয়াত দিয়েছেন বাঙালী সাংবাদিক জামশেদুর রহমান। ফ্লিট স্ট্রীটের সবচে’ খ্যাতনামা ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টদের একজন তিনি। পত্রিকাটির প্রায় জন্ম লগ্ন থেকে এর সাথে আছেন। অত্যন্ত প্রভাবশালী মানুষ। রাজনৈতিক অঙ্গনের রথী-মহারথীরা তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অফ দা রেকর্ডে অনেক কথাই হয় তাঁদের সাথে জামশেদুর রহমানের। রাজনীতিবিদদের সম্মান বাঁচিয়ে এমন দক্ষতার সাথে তিনি গোপন কথাগুলো বলে দেন যে রথী-মহারথীরা তাঁর ওপর কখনোই রাগ বা অভিমান করার সুযোগ পান না। এ ব্যাপারটা তাঁর কলিগদের ঈর্ষান্বিত করে তোলে। এ গুণটি আছে বলে জামশেদুর রহমান চোখ কপালে ওঠার মত একটি অঙ্কের বেতন পেয়ে থাকেন। শৌখিন স্বভাবের এই বৃদ্ধ মানুষটিকে আজ পর্যন্ত কেউ বাটনহোলে তাজা গোলাপ ছাড়া দেখেনি।

    হোটেলের রেস্টুরেন্টে আর্থার ডিনার সারল জামশেদুর রহমানের সাথে। খাবারটা সুস্বাদু। সাথে কালো পোশাকে তার মোহনীয় স্ত্রী। সময়টা ভালই কাটছে ফ্রেডরিক আর্থারের। তবে কথা বলার চেয়ে শ্রোতার ভূমিকা পালন করতেই বেশি পছন্দ শীলার। বাঙালী সাংবাদিক আর স্বামীর খেলাধুলা, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক উপভোগ করছে সে।

    শ্যাম্পেনের গ্লাসে চুমুক দিয়ে চেয়ারে হেলান দিলেন জামশেদুর রহমান। এতক্ষণে সময় হয়েছে প্রশ্নটা করার। ‘শুনলাম এক পাদ্রি নাকি আজ আপনার সাথে দেখা করেছে,’ হালকা গলায় বললেন তিনি।

    মাথা দোলাল আর্থার। জামশেদ ব্যাপারটা জানেন বলে অবাক হলো না সে। এই লোকটি কিভাবে যেন সব খবর আগেভাগে পেয়ে যান।

    ‘কোন্ এক মনাস্টেরি থেকে এসেছে,’ বলল সে। ‘জ্বালিয়ে মেরেছে।’

    ড্যাগারের কথা খুলে বলল আর্থার। টের পেল বগলের নিচ দিয়ে ঠাণ্ডা ধারায় ঘাম গড়িয়ে পড়ছে।

    ‘এই পাগলা সন্ন্যাসীটা চায় কি?’ জিজ্ঞেস করলেন জামশেদুর রহমান।

    কাঁধ ঝাঁকাল আর্থার। ‘বিস্তারিত বর্ণনা করে আড্ডার মেজাজটা নষ্ট করতে চাই না। বলছে শয়তানের বংশধর বেঁচে আছে, ইংল্যান্ডে নাকি বাস করছে।’

    ‘মাই গড়’ হা হা করে হেসে উঠলেন জামশেদ।

    ‘এক বুড়ি মনাস্টেরিতে চিঠি লিখেছে…থাক্, বাদ দিন তো এসব।’

    ‘আরে, বলুন না,’ বললেন জামশেদ। ‘গল্পটা হয়তো ন্যাশনাল এনকুইরারে চালিয়ে দিতে পারব।’

    ‘আমার এসব শুনতে ভাল লাগছে না,’ এতক্ষণে মুখ খুলল শীলা। ‘আর কোন প্রসঙ্গ নেই?’

    এরপর ওরা অন্য প্রসঙ্গে চলে গেলেন।

    ঘণ্টাখানেক পর, বিছানায় উঠে শীলা আর্থার জানতে চাইল স্বামীর কাছে, ‘ডিনারে কোন্ বুড়ির গল্প বলছিলে তুমি?’

    ‘ও কিছু না, অশ্লীল ব্যাপার।’ হাই তুলল আর্থার। ঘুম পাচ্ছে। ‘তবু আমি শুনতে চাই,’ জেদ ধরল শীলা। ‘বলো আমাকে।

    শীলার সাথে তর্ক করতে ইচ্ছে করল না। অনিচ্ছাসত্ত্বেও সে বলল, ‘বুড়ি লিখেছে আমার এক পূর্বসুরি, ডেমিয়েন থর্নের সাথে বিবিসি’র এক মেয়ের দৈহিক সম্পর্ক হয়েছিল।’

    ‘তারপর?’

    ‘কয়েক মাস পর হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় থর্ন। সম্ভবত অতিরিক্ত খাটাখাটনির কারণে। মেয়েটা সন্তানের জন্ম দেয়-’ হাসল আর্থার। ‘-তবে জরায়ু থেকে বাচ্চা বের হয়নি।’

    আর্থার ভেবেছিল কথাটা শুনে শীলা হয় হাসবে না হলে মুখ কোঁচকাবে। কিন্তু কিছুই করল না সে। চুপ করে থাকল। একটু পর ফিসফিসিয়ে বলল, ‘ডেমিয়েন থর্নের মত সুদর্শন পুরুষ জীবনে দেখিনি আমি।

    চোখ ট্যারা করে আর্থার চাইল স্ত্রীর দিকে, ‘তার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হয়েছে? জানতাম না তো!’

    ‘আমি ওকে ছবিতে দেখেছি। স্কুলে পড়ার সময় ডেমিয়েন থর্নকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম।’

    আবার নীরব হয়ে গেল দু’জনে। আর্থারের দিকে পিঠ ফিরিয়ে শুলো শীলা।

    ‘মেয়েটার নাম কি?’

    ‘কেট,’ বলল আর্থার। ‘কেট কি যেন।’

    ‘কেট,’ ফিসফিস করল শীলা। ‘ক্যাথলিন, ক্যাথি, ক্যাটেরিন। আমাকে কেট বলে ডাকবে।’ স্বামীর দিকে ফিরল সে, জড়িয়ে ধরল তাকে। ‘আমার নাম কি বলো?’

    ‘কেট।’ বলল আর্থার।

    এরপর প্রেম করল ওরা। উদ্দাম ঝড় শুরু হয়ে গেল বিছানায়। এক পর্যায়ে উন্মাদিনী শীলা অসম্ভব সব কাণ্ড করতে বলল ওকে নিয়ে, ফ্যাসফেঁসে গলায় আর্থারকে বারবার ডাকল ‘ডেমিয়েন’ বলে; আর্থার ওর কাঁধের ওপর দিয়ে জানালার দিকে তাকাল। শীলা স্বামীর চোখে চোখ রাখল। আর্থারের মনে হলো এটা আসলে আলোর কারসাজি: তারার আলো পড়েছে শীলার চোখে, হলুদ, ম্লান দুটি বিন্দুর মত লাগল চোখ জোড়া।

    পরদিন সকালে হোটেলে এল আলখেল্লা পরা এক তরুণ। চেহারায় উদ্বেগ। তার দিকে প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল হোটেল-ক্লার্ক।

    ‘আমার নাম ব্রাদার ডেভিড… শুরু করল সে।

    ‘ও, আচ্ছা,’ বলল ক্লার্ক। আপনার জন্যে একটা প্যাকেজ আছে।’ কাউন্টারের নিচে হাত বাড়িয়ে একটা কাউচ আর একটা খাম বের করল সে। খামের মুখ টেপ দিয়ে আটকানো। ওটা খুলল সন্ন্যাসী, একবার চোখ বোলাল, তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    ‘আমি কি একবার মি. আর্থারের সাথে কথা বলতে পারি, প্লীজ। স্যুইট নং চৌত্রিশ…’

    ‘উনি চলে গেছেন, স্যার।’

    ‘কোন মেসেজ রেখে গেছেন আমার জন্যে?’

    ‘জ্বী, না, স্যার। শুধু আপনার হাতের জিনিস দুটো দিয়ে গেছেন।’

    চোখ বুজল সন্ন্যাসী, কান্না থামানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে। কি করে প্রীস্টকে বলবে সে ব্যর্থ হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনেকড়েমানবী – অনীশ দাস অপু
    Next Article হরর 13 – বিশ্বখ্যাত ১৩ লেখকের ১৩টি সেরা হরর গল্প

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }