Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবার অশুভ সঙ্কেত – অনীশ দাস অপু

    লেখক এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার অশুভ সঙ্কেত – ৬

    ছয়

    শ্যারন ফেয়ারচাইল্ডের ড্যাগার বিষয়ক লেখাটি ছাপা হলো পত্রিকায়। এর দিন কয়েক পরে, শিকাগোর এক বাড়িতে, লেখাটা পড়ার সময় কফির কাপ হাত থেকে পড়ে গেল এক বুড়োর।

    দ্রুত পড়া শেষ করল সে, তারপর তার প্রীস্টকে ফোন করল। নিজের স্টাডিরুমে ঢুকল বুড়ো, বইপত্র নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করে দিল। কিছুক্ষণ পর উত্তেজিত বৃদ্ধ লন্ডনে, ফ্লিট স্ট্রীটের নাম্বারে ফোন করল।

    ‘আমার নাম নিকোলাস ওয়াল্টার,’ বলল সে। শিকাগো থেকে বলছি। আপনাদের এক সাংবাদিক, শ্যারন ফেয়ারচাইল্ডের সাথে একটু কথা বলতে চাই।’

    ‘দুঃখিত,’ ভেসে এল একটি পুরুষ কণ্ঠ। ‘মিস ফেয়ারচাইল্ড এক হপ্তা ধরে নিখোঁজ। তাকে খুঁজছেন কেন জানতে পারি?’

    নিকোলাস ওয়াল্টার কথা বলছে, দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হলো। উঁকি দিলেন ছোটখাট, রোগা একজন মানুষ। পরনে ধূসর কোট। ওয়াল্টার লোকটিকে ইশারা করলেন ভেতরে আসতে। ফোনের আলাপ সেরে ঘুরল সে, হাত মেলাল প্রীস্টের সাথে। পত্রিকাটি দিয়ে ইঙ্গিত করল শ্যারনের লেখাটি পড়তে।

    প্রীস্ট ধীরে ধীরে পড়লেন। ‘ব্যাপারটা অদ্ভুত, না?’ মন্তব্য করলেন তিনি পড়া শেষে।

    ‘খুব,’ বলল ওয়াল্টার।

    এরপর দু’জনে মিলে কিছুক্ষণ স্মৃতিচারণ চলল। ওয়াল্টার বলল কিভাবে এক নিলামে সে ড্যাগারগুলো পেয়েছিল আর প্রীস্ট সেগুলো নিয়ে ইটালিতে, সুবিয়াকোর এক মনাস্টেরিতে গিয়েছিলেন।

    ‘ব্যাপারটা যদি আগে জানতাম,’ বললেন প্রীস্ট। ‘তাহলে যেখানের জিনিস সেখানে ফেলে রাখলেই ভাল হত।’

    ‘ভেবে দেখুন,’ বলল ওয়াল্টার। ‘ইটালিয়ান লোকটা কিন্তু একবারও বলেনি সে ওগুলো দিয়ে কি করতে যাচ্ছে।’

    ‘কেউ বলেনি।’ এদিক-ওদিক

    মাথা নাড়ছে নিকোলাস ওয়াল্টার অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে। পত্রিকায় কয়েকজন লোকের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। ওদের মৃত্যুর জন্যে নিজেকে দায়ী মনে হচ্ছে ওয়াল্টারের।

    ‘ডি কার্লো বেঁচে আছে কিনা জানেন?’

    কাঁধ ঝাঁকালেন প্রীস্ট। ‘জানি না। তবে মনাস্টেরিতে ফোন করে দেখতে পারেন।’

    ‘যদি বেঁচে থাকে, যাবেন আমার সাথে ওকে দেখতে?’

    ‘কেন? তাতে লাভ কি?

    ‘আমার কৌতূহলের নিরসন হবে।’

    মাথা নাড়লেন প্রীস্ট। ‘আমার অত কৌতূহল নেই। তাছাড়া, আমার অনেক কাজ পড়ে আছে।’

    ‘তবে আমি যাব,’ বলল ওয়াল্টার। ‘আমার হাতে অঢেল সময়। আর রোমের মত জায়গায় ছুটি কাটানোর জন্যে এটা হলো সবচে’ উপযুক্ত সময়।’

    নিকোলাস ওয়াল্টার তার ষাট বছরের জীবনে নিজের শহর ছেড়ে খুব কমই বাইরে গেছে। সারাটা জীবন সে কাটিয়ে দিয়েছে বইপত্রের মাঝে, প্রাচীন ইতিহাস আর বাইবেল পড়ে। বাইবেলের বিষয়ে তাকে একজন বিশেষজ্ঞ বলা যায়। সে পণ্ডিত মানুষ, সন্দেহ নেই। তবে আধুনিক জগৎ সম্পর্কে তার ধারণা সামান্যই।

    প্লেন ভ্রমণটা উপভোগ করল নিকোলাস ওয়াল্টার। নিজেকে বেশ সজীব আর তরুণ লাগছে। মদ পান না করার বহুদিনের অভ্যাস সে ভেঙে ফেলল স্টুয়ার্ডেসের কাছ থেকে ককটেলের গ্লাস নিয়ে।

    রোমে পৌঁছে সময় নষ্ট করল না ওয়াল্টার। এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি ভাড়া করে সোজা পুবে, সুবিয়াকোর উদ্দেশে ছুটল। শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করার অনেক সময় পাবে সে। আগে ফাদার ডি কার্লোর সাথে দেখা করা দরকার। ম্যাপে রাস্তা দেখে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ডি কার্লোর মঠে পৌঁছে গেল ওয়াল্টার।

    ওটাকে মঠ না বলে মঠের ধ্বংসাবশেষ বললেই মানায়। পাহাড়ের ওপর, কালো পাথরে তৈরি জরাজীর্ণ একটা দালান। সন্ধ্যা নেমেছে। অথচ দালানের কোথাও আলো জ্বলছে না। জানালা-টানালাও চোখে পড়ল না। গা-টা হঠাৎ শিরশির করে উঠল ওয়াল্টারের।

    গাড়ি থামাল সে, বন্ধ করল ইঞ্জিন। চারপাশ আশ্চর্য নীরব। খোয়া ওঠা রাস্তা ধরে ভারী ওক কাঠের দরজাটার দিকে এগোল ওয়াল্টার, নীরব প্রার্থনার ভঙ্গিতে ঠোঁট নড়ছে। যে লোক তার জীবন কাটিয়েছে লাইব্রেরীর চৌহদ্দিতে, সে আজ শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাসকে দেখছে চোখের সামনে। নিজেকে খুব ক্ষুদ্র আর গুরুত্বহীন মনে হতে লাগল ওয়াল্টারের।

    পাথরের ভাঙা সিঁড়ি বেয়ে উঠে এল সে, কানে ভেসে এল নীচু গলার প্রার্থনা সঙ্গীত। লোহার ভারী কড়া ধরে নাড়া দিল। শব্দটা প্রতিধ্বনি তুলল দালানে, তবে প্রার্থনাকারীদের মনোযোগ নষ্ট হলো না তাতে। এক মিনিট চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকার পর খুলে গেল দরজা। এক সন্ন্যাসী, আলখেল্লায় মুখটা প্রায় ঢাকা, নীরবে তাকিয়ে রইল তার দিকে। নিজের পরিচয় দিল ওয়াল্টার, সন্ন্যাসী সরে দাঁড়াল ওকে ভেতরে আসতে দেয়ার জন্যে।

    ‘আপনি এসেছেন, আমরা খুশি হয়েছি,’ পরিষ্কার ইংরেজীতে বলল সন্ন্যাসী। ‘আশা করি আপনাদের বিরক্ত করছি না।’

    ‘ফাদার ডি কার্লো আপনাকে দেখলে খুশি হবেন। আজকাল কেউ আসে না তাঁকে দেখতে।’

    ‘কেমন আছেন উনি?’

    ‘তাঁর অন্তর বড়ই বিক্ষিপ্ত।’

    ওয়াল্টার সন্ন্যাসীর পিছু পিছু একটা প্যাসেজ ধরে এগোল, তারপর ঢুকল একটা সরু করিডরে। জায়গাটা স্যাঁতসেঁতে, বাতাসে নোনা গন্ধ। আবার শিউরে উঠল ওয়াল্টার।

    একটা দরজার সামনে দাঁড়াল সন্ন্যাসী, টোকা দিল, তারপর ধাক্কা দিয়ে খুলে ফেলল। ছোট একটা ঘরে ঢুকল ওয়াল্টার, দেখল সরু একটি চৌকিতে শুয়ে আছেন এক বৃদ্ধ। ফাদার ডুলান বলেছিলেন ডি কার্লো লম্বা-চওড়া মানুষ, প্রকাণ্ড মুখ, চওড়া চোয়াল, ঈগলের মত নাক। বয়সের কারণে ডি কার্লোর চেহারায় পরিবর্তন আসাটা স্বাভাবিক। কিন্তু এ কি দশা হয়েছে মানুষটার? খুলির চারপাশে কুঁচকে আছে চামড়া, নড়া-চড়া অত্যন্ত ধীর। বিছানা থেকে উঠে বসার সময় যন্ত্রণার ছাপ ফুটল চেহারায়।

    ‘আমি জানতাম না আপনি অসুস্থ-’ ইতস্তত করে বলল ওয়াল্টার।

    ‘আমি ভালই আছি,’ জবাব দিলেন ডি কার্লো। ‘পৃথিবীটাই বরং অসুস্থ হয়ে পড়েছে।’

    ‘তা ঠিক,’ সায় দেয়ার ভঙ্গিতে বলল ওয়াল্টার, তরুণ-সন্ন্যাসীর দিকে তাকিয়ে হাসল। সে একটা চেয়ার নিয়ে এসেছে। চেয়ারের এক কোনায় বসল ওয়াল্টার, পকেটে হাত ঢোকাল শ্যারন ফেয়ারচাইল্ডের লেখাটা বের করার জন্যে।

    ‘আমার চিঠি পেয়েছেন?’

    মাথা দোলালেন প্রীস্ট। ‘ড্যাগারগুলো যখন পেলেন, জানতেন ওগুলোর গুরুত্বের কথা?’

    ‘শুধু জানতাম ওগুলো প্রাচীন নগরী মেগিড্ডোতে পাওয়া ছুরির মত দেখতে। মেগিড্ডোর ড্যাগারের ছবি দেখেছি।’

    ‘ওগুলো মেগিড্ডোর ছুরিই। জেরুজালেমের কাছে, মাটির নিচের একটা শহর ছিল ওটা। এক সময় বলা হত আরমাগেড্ডন।’

    ‘শয়তানের আত্মা তাড়ানোর কাজে ছুরিগুলো ব্যবহার করা হত বলে শুনেছি, ‘ বলল ওয়াল্টার।

    হাসলেন ডি কার্লো। না। ওগুলোর কার্যকারিতা আরও বেশি।’

    ওয়াল্টার পত্রিকাটি বাড়িয়ে দিল ফাদারের দিকে। ‘আমি ছুরিগুলোর কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। এ লেখাটা পড়ার পর আবার মনে পড়ে গেল।

    ডি কার্লো ভুরু কুঁচকে তাকালেন লেখাটার দিকে, তারপর পড়তে লাগলেন। তাঁর চোখ ভরে গেল পানিতে। জামার আস্তিন দিয়ে চোখ মুছে তাকালেন ওয়াল্টারের দিকে।

    ‘আমি এখন যে কথাগুলো বলব আপনি চুপচাপ শুনে যাবেন। আর কথার মধ্যে কোন প্রশ্ন করবেন না।’

    রাজি হলো ওয়াল্টার। নড়েচড়ে বসল। প্রীস্ট ধীরে ধীরে তাঁর গল্প বলে গেলেন।

    বললেন সেই ঘরের কথা, যেখানে শিক্ষানবিস হিসেবে স্পিলেট্টো নামের এক প্রীস্টের মৃত্যুর সময় স্বীকারোক্তিতে তিনি হাজির ছিলেন। ওই প্রীস্ট ছিলেন শয়তানের শিষ্য, এক পৈশাচিক জন্মগ্রহণে তিনি সাহায্য করেছিলেন। শয়তানের সাথে শেয়ালের মিলনে জন্ম নিয়েছিল এক প্রাণী।

    ওয়াল্টার চোখ পিটপিট করল তবে কোন মন্তব্য করল না।

    প্রাণীটাকে মানব শিশুর মত চেহারা দেয়া হয়। মার্কিন সিনেটর রবার্ট থর্ন এবং তার স্ত্রী ক্যাথেরিনের সদ্যেজাত সন্তানকে মেরে তার জায়গায় ওই প্রাণীটাকে বিকল্প হিসেবে হাজির করা হয়। স্পিলেট্টো রবার্টকে বুঝিয়েছিলেন তাঁর বাচ্চা মরে গেছে, আর ঈশ্বরের ইচ্ছায় এতিম একটি শিশুকে তিনি পেতে যাচ্ছেন নিজের সন্তানের মত। ক্যাথেরিন থর্নের এর আগে কয়েকবার গর্ভপাতের ঘটনা ঘটেছে। মা হবার ওটাই ছিল তার শেষ সুযোগ। রবার্ট থর্ন রাজি হয়। বিকল্প শিশুটিকে নিজেদের সন্তান বলে স্ত্রীকে জানায় রবার্ট। শিশুটির নাম রাখে ডেমিয়েন।

    ‘শিশুটি ছিল ধ্বংসের প্রতীক,’ বললেন ডি কার্লো।

    ‘রবার্ট থর্ন শেষ মুহূর্তে সত্য উপলব্ধি করতে পারেন। তিনি মেগিড্ডো চলে যান। তাঁকে সাতটি ড্যাগার দেয়া হয়। কিন্তু শয়তান পুত্রকে হত্যা করার আগে নিজেই খুন হয়ে যান।

    চোখ ঘষল ওয়াল্টার, ডি কার্লো সন্ন্যাসীকে ইঙ্গিত করলেন ওকে এক গ্লাস পানি দিতে। তারপর আবার গল্প শুরু হলো। বললেন ডেমিয়েন থর্ন কিভাবে থর্ন কর্পোরেশনের প্রধান ব্যক্তিতে পরিণত হলো। থর্ন কর্পোরেশন এমন এক কোম্পানি যারা বিশ্বের বেশিরভাগ জনগণকে খাদ্য যুগিয়ে চলছে। বললেন কিভাবে ডেমিয়েনের শিষ্য তৈরি হতে লাগল, সেই সাথে বেড়ে চলল তার শক্তি এবং প্রভাব…

    ‘তারপর, আমার প্রার্থনার জবাব পেলাম,’ বলে চললেন ডি কার্লো। ‘আপনি ড্যাগারগুলোর খোঁজ পেলেন। আপনার প্রীস্ট ওগুলো আমার কাছে নিয়ে এলেন। এ ছিল ঈশ্বরের ইচ্ছে। ঈশ্বরের অনুষঙ্গ হিসেবে আপনি কাজ করেছেন।

    পানি পান করছিল ওয়াল্টার, বিষম খেল। তবে কিছু বলল না।

    ‘আমার ছয় ভাইকে নিয়ে ইংল্যান্ডে গেলাম ডেমিয়েন থর্নকে ধ্বংস করতে।’ কটের নিচ দিয়ে একটা ড্যাগার বের করলেন তিনি। নিজের অজান্তে চেয়ারের সাথে সেঁটে গেল ওয়াল্টার। ঝলমল করছে ইস্পাত, ড্যাগারের বাঁটে অসম্ভব সুন্দর শিল্পকর্ম। এটা সেই ড্যাগার। এই পাগল সন্ন্যাসী যা বলছে তাহলে কি তা সব সত্যি? ভাবল সে।

    ‘আপনি একজন প্রীস্ট হয়ে মানুষ খুন করতে যাচ্ছিলেন?’ অবিশ্বাস ওয়াল্টারের কণ্ঠে।

    ‘সে মানুষ, ছিল না,’ স্বাভাবিক গলায় বললেন ডি কার্লো। সে ছিল অ্যান্টিক্রাইস্ট-যীশুর শত্রু।’

    মুচকি হাসল ওয়াল্টার। ডি কার্লো ওর মুখের সামনে ড্যাগারটা তুলে ধরলেন। ‘জানি, ব্যাপারটা মেনে নিতে আপনার মন সায় দিচ্ছে না,’ বললেন তিনি। ‘যদিও আপনি একজন ধর্ম বিশ্বাসী মানুষ। রবার্ট থর্নও মেনে নিতে পারছিলেন না। তবে শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে বাধ্য হন তিনি। কেট রেনল্ডস নামে একটি মেয়েও ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে চায়নি। পরে সে-ই এই ড্যাগার ডেমিয়েন থর্নের পিঠে ঢুকিয়ে দেয়।’ ড্যাগারটা ফেলে দিলেন ওয়াল্টারের কোলে। সে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে রইল যীশুর মুখের দিকে।

    ‘ভেবেছিলাম আমরা সফল হয়েছি, তাকে ধ্বংস করতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল ভুল।’ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন ডি কার্লো, শুয়ে পড়লেন কটে।

    ওয়াল্টার ফলায় আঙুল ছোঁয়াল। ইচ্ছে করছে চলে যায়। কিন্তু উঠে দাঁড়াবার শক্তি পাচ্ছে না।

    ‘বুক অভ রেভেলেশনের কথা তো জানেনই,’ বললেন প্রীস্ট।

    মাথা ঝাঁকাল ওয়াল্টার।

    ‘ওখানে এক জায়গায় আছে,’ বললেন ডি কার্লো। ‘ “এবং ওটা তাহাকে দেয়া হইল সন্ন্যাসীদের সহিত যুদ্ধ করিবার জন্যে, জেতার জন্যে। এবং শক্তি দেয়া হইল তাকে, তাহার সকল আত্মীয়স্বজন, এবং জিভ এবং জাতিকে।” বিরতি দিলেন প্রীস্ট। “শক্তি দেওয়া হইল তাকে।’” পুনরাবৃত্তি করলেন তিনি। ‘আর পৃথিবীতে থর্ন কর্পোরেশনের চেয়ে শক্তিশালী আর কেউ নেই।’

    ওয়াল্টার বলল, ‘বাইবেলকে আপনি যেভাবে খুশি ব্যাখ্যা করতে পারেন।’

    ‘অ্যান্টিক্রাইস্টের শিষ্যরাও নিজেদের মত ব্যাখ্যা দিয়েছে,’ বললেন ডি কার্লো। ‘ট্যাসোন নামে এক লোক ছিল। পৈশাচিক জন্মে সে সাহায্য করেছিল। পরে অনুতপ্ত হয়ে সে রবার্ট থর্নের কাছে যায়। বলে শয়তানকে ধ্বংস করার সময় উপস্থিত।’ বিরতি দিলেন তিনি। তারপর আবার শুরু করলেন, ‘বাইবেলের ব্যাখ্যা সম্পর্কে নিশ্চয়ই অবগত আছেন আপনি। জানেন, শেষের সেদিনে যীশু আবার জন্ম নেবেন এবং মুখোমুখি হবেন অ্যান্টিক্রাইস্টের। আর আরমাগেড্ডনের লড়াই হবে ইসরাইলে।’

    জবাবে মাথা দোলাল ওয়াল্টার।

    ‘তিনি আবার জেগে উঠেছেন। আমি তাঁকে দেখেছি।’

    ওয়াল্টার কপাল চেপে ধরল হাত দিয়ে। উঠে পড়বে কিনা ভাবছে, কিন্তু বসে রইল মন্ত্রমুগ্ধের মত। ‘থর্ন তার শিষ্যদের নির্দেশ দিয়েছিল যীশুর পুনর্জন্মের দিন যে সব পুরুষ শিশু জন্মগ্রহণ করবে তাদের সবাইকে মেরে ফেলতে। শতশত শিশু হত্যা করা হয়। কিন্তু শিশু যীশুর কোন ক্ষতি হয়নি।’

    চোখ ঘষছে ওয়াল্টার, প্রীস্ট ওর গায়ে হাত রাখলেন। ‘বুঝতে পারছি,’ বললেন তিনি। ‘এ ব্যাপারগুলো হজম করা কঠিন, বিশেষ করে আপনার মত মানুষের জন্যে যাঁর সারাদিন কেটে যায় লাইব্রেরীতে। তবু অনুরোধ, আমার কথা শুনে যান।’

    বিছানার পাশে একটা শেলফ, ওখান থেকে দুটো খাম বের করলেন ডি কার্লো, একটা দিলেন ওয়াল্টারের হাতে।

    ‘এই চিঠিখানা আগে পড়ন। অসুস্থ অবস্থায় এক সাহসী মহিলা লিখেছে ওটা। পড়ন এবং কথাগুলো বিশ্বাস করুন।’

    প্রেরকের ঠিকানা উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের। ওয়াল্টার চিঠির শেষ পাতা উল্টে সই দেখল। নামটা অচেনা।

    ‘পড়ুন,’ নির্দেশের মত শোনাল ডি কার্লোর কণ্ঠ।

    পড়তে শুরু করল নিকোলাস ওয়াল্টার:

    আগামী হপ্তায়, ফাদার, আমাকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হবে পেটের একটা অপারেশনের জন্যে। আমাকে বলা হয়েছে সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ এবং যন্ত্রণাদায়ক হবে। তবে কথাটা বিশ্বাস করিনি আমি। মনে হয় না আমি আর বাঁচব। আমাকে তো আপনি চেনেনই, ফাদার। ভয়ঙ্কর ঘটনাটাও একমাত্র আপনিই জানেন। তাই আপনাকে বিশ্বাস করে লিখছি।

    আপনি ইংল্যান্ড ত্যাগ করার কয়েক হপ্তা পর যন্ত্রণাটা শুরু হয়ে যায়। প্রথমে ব্যাপারটাকে পাত্তা দিইনি। তারপর লক্ষ করলাম পেটটা ফুলতে শুরু করেছে। আমার ডাক্তার আমাকে এক স্পেশালিস্টের কাছে পাঠালেন। তিনি ফোলাটা বাড়ার সাথে নিয়মিত নানা পরীক্ষা করে যেতে লাগলেন। ‘ক্যান্সার’ শব্দটা তিনি উচ্চারণ করেননি T এখনও শব্দটা আমাদের কাছে অচ্ছুৎ কিনা। তিনি শুধু মাঝে মাঝে ‘ফোলা’ নিয়ে কথা বলতেন আর এক্স-রে রিপোর্ট দেখাতেন।

    তবে ‘ফোলা’টা যে টিউমার নয় সে আমি জানি। আর এক্স-রেগুলো যে অন্য লোকের তাতেও আমার সন্দেহ নেই। ফাদার, কি বলব, হারামজাদা ফোলাটা আমাকে লাথি মারে। এটা যদি দুঃস্বপ্ন হয় তাহলে বলব আমি জীবন্ত দুঃস্বপ্ন দেখে চলেছি।

    আমি জানি না ক্লিনিক থেকে বেরুতে পারব কিনা। যদি না পারি তাই আগেভাগে চিঠিটা লিখে রাখলাম। ধরে নিন এটা আমার স্বীকারোক্তির বিকল্প। তবে আমার মৃত্যুর আগে এ লেখা পড়তে পারবেন না।

    আমি কুসংস্কারাচ্ছন্ন নই, তাই ডেমিয়েন সম্পর্কে আপনার তথাকথিত প্রমাণ আমাকে বিচলিত করতে পারেনি। ব্যাপারটা এখনও মেনে নিতে পারিনি আমি। ডেমিয়েন আমার কাছে আমার সন্তানের হত্যাকারী ছাড়া কিছু নয়। ও আমার ছেলে পিটারকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে তাই ওকেও আমি খুন করেছি। পিটারের পিঠে বেঁধা ছুরিটা হ্যাঁচকা টানে বের করার সেই অশ্লীল শব্দটা এখনও আমার কানে বাজে। দেখতে পাই ডেমিয়েনের শিরদাঁড়ায় ছুরি ঢুকিয়ে দেয়ার সেই দৃশ্যও।

    ডেমিয়েন আপনার কাছে অ্যান্টিক্রাইস্ট। আমার কাছে আকর্ষণীয় একজন পুরুষ, যার শরীরে ছিল এক অদ্ভুত জন্মদাগ-এর বেশি কিছু নয়।

    যাহোক, মাঝে মাঝে রাতের বেলা যখন ওসব কথা মনে পড়ে যায় সেই সময় আমার শরীরের ভেতরে এই শয়তানটা আমাকে…থাক, এ নিয়ে আর কথা বাড়াব না। আমাকে আর ক’দিনের মধ্যে ক্লিনিকে যেতে হবে। আমার জন্যে প্রার্থনা করবেন, ফাদার। আপনার প্রার্থনায় আমার কোন ক্ষতি হবে না বলেই আমার বিশ্বাস।’

    পড়া শেষ করল ওয়াল্টার। মাথা নেড়ে বলল, ‘বেচারী। ক্যান্সারের প্রতিষেধক কি কোনদিন তৈরি হবে না?’

    ‘ওটা ক্যান্সার ছিল না।’

    ওয়াল্টার বিস্মিত দৃষ্টিতে তাকাল প্রীস্টের দিকে।

    ‘মেয়েটা ছিল ডেমিয়েন থর্নের শেষ শিকার। আমার ধারণা, সে ডেমিয়েনের সন্তানের জন্ম দিয়েছে।’ দ্বিতীয় চিঠিটা ওয়াল্টারকে দিলেন ডি কার্লো।

    কোন কথা না বলে চিঠি পড়তে লাগল ওয়াল্টার: ‘ক্ষমা করুন, ফাদার, যে পাপ আমি করেছি…’

    পড়া শেষ হলে ডি কার্লোর দিকে আবার তাকাল সে। চেহারা থেকে সমস্ত রং মুছে গেছে।

    ‘এ অবিশ্বাস্য,’ বলল ওয়াল্টার।

    ‘মহিলা মিথ্যা বলবে কেন?’ জিজ্ঞেস করলেন ডি কার্লো।

    ‘এ পাগলের প্রলাপ।

    ‘ভুল। মহিলা এক বর্ণ মিথ্যা কথা লেখেনি।’

    ওয়াল্টার কিছু বলতে যাচ্ছিল, হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলেন ডি কার্লো। ‘সেই ভয়ঙ্কর রাতে আমি আর কেট রেনল্ডস তার সন্তানকে কবর দিই। ডেমিয়েনের লাশ ফেলে চলে আসি। ড্যাগারটা নিয়ে এসেছিলাম সাথে। স্বপ্ন দেখেছিলাম নতুন প্রভাতের। কিন্তু ভুল স্বপ্ন দেখেছিলাম। শয়তানের শিষ্যরা ডেমিয়েনের লাশ খুঁজে বের করে। রটিয়ে দেয় হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে সে। ওদের নিজেদের ডাক্তারের এ ব্যাপারে সায় ছিল। শিকাগোতে, ওদের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয় লাশ।’

    ‘জানি,’ বলল ওয়াল্টার। ‘টিভিতে দেখেছি।’

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবার বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলেন ডি কার্লো। ‘আমরা শুধু অ্যান্টিক্রাইস্টের শরীরটাই ধ্বংস করতে পেরেছি। তার আত্মা বা শক্তির কোন ক্ষতি হয়নি, তার ছেলে হয়ে উঠেছে আরেক ডেমিয়েন।’ চোখ বুজলেন তিনি, ফিসফিসে শোনাল কণ্ঠ। ‘আমি ব্যর্থ হয়েছি, আমার ভাইদের মৃত্যু বিফলে গেছে। গত মাসে এই চিঠি পাবার পর নতুন করে ব্যাপারটা উপলব্ধি করে ভীষণ হতাশ হয়ে উঠি। বুঝতে পারি আমাদের গলদ কোথায় ছিল। অজ্ঞতাই আমাদের ডুবিয়েছে।’

    ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল ওয়াল্টার, হাঁটু কাঁপছে, মাথা ঘুরছে। মনে হচ্ছে হঠাৎই যেন খুব বুড়িয়ে গেছে সে।

    চোখ মেললেন ডি কার্লো। ‘আপনাকে যা বললাম সব লিখে রেখেছি। আমার নোট আর চিঠিগুলো নিয়ে যান। লন্ডনে গিয়ে আমেরিকান অ্যামব্যাসাডরের সাথে দেখা করুন। উনি আপনাকে সাহায্য করবেন।’

    ‘কেন?’ জিজ্ঞেস করল ওয়াল্টার। ‘তিনি সাহায্য করবেন কেন?’

    ‘তিনি সৎ মানুষ। তাঁর ক্ষমতা এবং প্রভাব আছে। উনি যা করতে পারবেন আপনার পক্ষে তা সম্ভব না-ও হতে পারে। তাছাড়া রাষ্ট্রদূতের বয়স কম। আমরা তো বুড়িয়ে গেছি। ইচ্ছে থাকলেও আর…’ হাসলেন ডি কার্লো, হঠাৎ উঠে বসলেন, টেনে নিলেন বাইবেল।

    ‘আমাকে কথা দিন,’ বললেন তিনি।

    ওয়াল্টার কথা বলার জন্যে মুখ খুলল, কিন্তু কোন শব্দ বেরুল না। ডি কার্লো ওয় হাতটা ধরে বাইবেলের ওপর রাখলেন।

    ‘ঈশ্বরের দোহাই, আমাকে কথা দিন।’

    মাথা দোলাল ওয়াল্টার। ‘কথা দিলাম।‘

    ‘তাহলে আসুন প্রার্থনা করি।’

    দু’জনে হাঁটু গেড়ে বসে প্রার্থনা করলেন। ল্যাটিন ভাষায় প্রার্থনা করলেন ডি কার্লো। তারপর সিধে হলেন। ওয়াল্টারের কাঁধে হাত রেখে বললেন, ‘অ্যামবাসাডরের পিছু ছাড়বেন না। উনি প্রস্তুত হলে ড্যাগারটা পাঠিয়ে দেব।’ হাসি ফুটল তাঁর মুখে। ‘পুনর্জন্ম নেয়া যীশু আপনাকে পথ দেখাবেন। তাঁকে বিশ্বাস করুন, তাঁর কাছে প্রার্থনা করুন। পৃথিবীতে আবার আগমন ঘটেছে তাঁর। আমি জানি। আমি তাঁকে দেখেছি।’

    ওয়াল্টার নোট আর চিঠি নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। ওর শরীর কাঁপছে। মঠ থেকে দূরে সরে আসার পর কাঁপুনিটা থেমে গেল আর সেই সাথে মনের ভেতর জেগে উঠল রাজ্যের সন্দেহ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনেকড়েমানবী – অনীশ দাস অপু
    Next Article হরর 13 – বিশ্বখ্যাত ১৩ লেখকের ১৩টি সেরা হরর গল্প

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }