Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প425 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার যদি ইচ্ছা কর – ৩

    বটুকেশ্বর দেবনাথের কথাটাই আগে বলি। চার বন্ধুর মধ্যে একমাত্র সে-ই পেয়েছিল আর্টস্কুলের ছাড়পত্র। কেতাদুরস্ত আর্টিস্ট হয়েছিল বরিশালের ছেলে বটুকেশ্বর। পূর্বভারতের সবচেয়ে বড় তিনটি নদী– পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, আর মেঘনা যেখানে মিলিত হয়ে সমুদ্রে মিশেছে সেই বদ্বীপে বরিশাল নদীর পশ্চিমতীরে এই বরিশাল। নদীমাতৃক ভূখণ্ড যেমন উর্বর, ওখানকার মানুষগুলোও তেমনি দুর্বার। জোয়ারের সময় মেঘনার মুখে প্রবল বান আসে তখন প্রচণ্ড জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে সমুদ্রের দিক থেকে ভেসে আসে এক কামান গর্জনের মত গুরুগম্ভীর শব্দ। ইংরেজরা তার নাম দেয় বরিশাল গানস। তিন-চার শ বছর আগে থেকেই মগ জলদস্যুরা এদেশে মাঝে মাঝে লুণ্ঠন করে যেত। ব্রহ্মরাজ যখন আরাকান দেশ আক্রমণ করেন তখন অনেক মগ এই জেলায় পালিয়ে আসে। এখানেই তারা স্থায়ী বাস্তু বাঁধে। পুরুষানুক্রমে এই জেলাতেই থেকে যায়। ধর্মে এরা ছিল বৌদ্ধ। অনেকেই হিন্দুধর্ম গ্রহণ করে অবশ্য। বটুকেশ্বরের পদবী ছিল দেবনাথ; বোধকরি তার পূর্বপুরুষ এক কালে ছিল নাথ-পন্থী বৌদ্ধ। সে ইতিহাস বটুকেশ্বর জানত না; কিন্তু এটুকু জানত যে তার রক্তের মধ্যে আছে মেঘনার পথে ছুটে আসা বঙ্গোপসাগরের রোষ; ঐ বরিশাল গানস।

    বটুকের বাবা দীননাথ দেবনাথ ছিলেন ছাঁ-পোষা ভালমানুষ। বরিশাল স্টিমার ঘাটে গঞ্জের সবচেয়ে বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে তাঁর ছিল পাটোয়ারি গুদাম আর ব্যবসা। ছেঁচা বাঁশের বেড়া দেওয়া দেওয়াল আর টালির ছাদ। দীননাথ লেখাপড়া শেখেন নি বেশি, শিখেছেন শুভঙ্করীর হিসাব, যা তাঁর কাজে লাগে পাটোয়ারী ব্যবসায়ে। কিন্তু ছেলেকে তিনি লেখাপড়া শেখাতে চেয়েছিলেন। ওঁদের পাড়ার ছোট ছোট ছেলেগুলো সব বখাটে আর বদমায়েস। তাই শহর কলকাতাতে রেখেছিলেন বটুককে, তার মামা বাড়িতে। ওর মামা ইংরাজ কুঠিয়ালের মুচ্ছুদ্দি। করিৎকর্মা লোক। ভাগ্নেকে মানুষ করে তোলার ভরসা দিয়েছিলেন বলেই দীননাথ বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়িয়েছেন।

    কিন্তু লেখাপড়া শিখতে বসেও বটুক মনে শান্তি পায় না। ইংরাজি, অঙ্ক অথবা ইতিহাস-ভূগোলে সে মনোনিবেশ করতে পারে না। তার সখ সে ছবি আঁকবে। বরিশালের গ্রামে আসন্ন বর্ষার যে পট সে দেখেছে শিশুকালে, মেঘনার বুকে প্রকৃতির যে ভীমসূন্দর রূপ দেখেছে ভাদ্রের সাঁড়াসাড়ি বানে, সেটাকে সে রঙে আর রেখায় ধরতে চায়। ম্যাট্রিক পাস করে তাই সে বায়না ধরল আর্টস্কুলে ভর্তি হবে। এবার কিন্তু দীননাথ রাজী হতে পারেন না। ছবি আঁকা কেউ আবার পয়সা দিয়ে শেখে নাকি? ছবি এঁকে কোন্ চতুর্বর্গ লাভ হবে? ছেলেকে আর কলকাতায় ফিরতে দিলেন না। নিয়ে এলেন বরিশালের ব্রজমোহন কলেজে ভর্তি করে দিতে।

    বরিশাল ব্রজমোহন কলেজের অধ্যক্ষ তখন স্বনামধন্য রজনীকান্ত গুহ। সব কথা শুনে তিনি বলেন, দীননাথবাবু, আপনার পুত্রকে যদি আমার কলেজে ভর্তি করে দেন তাহলে তার দায়িত্ব আমি নিতে পারি, কিন্তু সে ক্ষেত্রে জলপানির টাকা কিন্তু বটুকেশ্বর পাবে না।

    -কেন? পাবে না কেন? প্রশ্ন করেছিলেন দীননাথ দেবনাথ।

    স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার ফরমান জারি করেছেন যে, বরিশালের ব্রজমোহন কলেজে ভর্তি হলে কোন ছাত্র সরকারী বৃত্তি পাবে না।

    ব্যামফিল্ড ফুলার কে? জিজ্ঞাসা করেছিলেন বরিশালের পাটোয়ারী দেবনাথ।

    ফুলারের নাম শোনেন নি? তিনি নবগঠিত পূর্ববঙ্গ আর আসামের ছোটলাট। ডন ম্যাগাজিনে দেখেন নি, তিনি প্রকাশ্যে বহু স্থানে বলে বেড়িয়েছেন, তার দুই স্ত্রী–হিন্দু স্ত্রী দুয়োরাণী আর মুসলমান বিবি হচ্ছেন সুয়োরানী। এখানকার বানরিপাড়ায় গুর্খা সৈন্যদের কাণ্ড শোনেন নি?

    দীননাথ তাঁর মাথাটা নেড়ে জানিয়েছিলেন তিনি কিছুই জানেন না।

    একটা দীর্ঘশ্বাস পড়েছিল রজনীকান্তের। এতবড় কাণ্ডটা ঘটে গেল সদর বরিশালের বুকের উপর, অথচ এখানকার একজন বর্ধিষ্ণু ব্যবসায়ী তার কোন খোঁজ রাখেন না। এ দেশকে জাগাবেন সুরেন্দ্রনাথ আর অশ্বিনীকুমার।

    বটুকেশ্বর উপস্থিত ছিল সেখানে। ভর্তি হয়ে এসেছিল। বললে–আমি জানি স্যার! বরিশালের বিদ্রোহ দমন করতে ফুলার এখানে গুর্খা সৈন্য মোতায়েন করেছিল। আমাদের মা-বোনেদের উপর তারা অকথ্য অত্যাচার করে–

    রজনীকান্ত বলেন–তুমি জান? তুমি কেমন করে জানলে?

    জানি স্যার! এও শুনেছি আমার বয়সী একদল ছেলে তাই ফুলারকে হত্যা করবে বলে প্রতিজ্ঞা করে। সুরেন্দ্রনাথই নাকি–

    –থাক বটুকেশ্বর! ওসব কথা প্রকাশ্যে আলোচনা করতে নেই।

    বটুকেশ্বর চুপ করে যায়। রজনীকান্ত তখন দীননাথকে বলেন–আপনি যদি জলপানির মায়াটা ত্যাগ করেন তাহলে আমি একে ভর্তি করে নিতে পারি।

    চকিতে ওঁর মনে হয়েছিল সুরেন্দ্রনাথ আর অশ্বিনীকুমার তো দিবাস্বপ্ন দেখছেন না। প্রৌঢ় ব্যবসায়ী দীননাথ খবর রাখে না এটাই তো একমাত্র সংবাদ নয়; তার নাবালক পুত্র সবই খবর রাখে এটাও তো সত্য!

    আগুন জ্বলছে। এ আগুন নিভবে না।

    বটুকেশ্বর ভর্তি হল ব্রজমোহন কলেজে।

    কিন্তু টিকতে পারে নি সেখানে; ফিরে এসেছিল কলকাতায়। কেন তা বলিঃ

    সরকার ঘোষণা করলেন ষোলোই অক্টোবর উনিশ-শ পাঁচে বাঙলা দেশকে কেটে দু খানা করা হবে। বাঙলা হিসাবে সেটা ত্রিশে আশ্বিন। অমনি দিকে দিকে এই দিনটিকে ক্ষোভ আর দুঃখের প্রতীক করে তোলার আয়োজন পূর্ণ করে তুললেন দেশের নেতৃবৃন্দ। রবীন্দ্রনাথ প্রস্তাব করলেন দুই বঙ্গের মিলনের প্রতীক হিসাবে এদিন অনুষ্ঠিত হবে রাখীবন্ধন উৎসব। রামেন্দ্রসুন্দর বললেন, ঐ সঙ্গে সারা দেশে হবে অরন্ধন। সুরেন্দ্রনাথ অখণ্ড বঙ্গভবন গড়ে তোলার প্রস্তাব করলেন। সমস্ত দেশে সে কী ভাবের জোয়ার! কোন বাঙালীর ঘরে সেদিন উনানে আগুন জ্বলে নি। ব্যবসাবাণিজ্য সব বন্ধ, রাস্তায় ঘোড়ার গাড়ি, পাল্কি অথবা গোরু-গাড়িও চলে নি। সেই প্রথম সারা দেশব্যাপী হরতাল।

    বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ভূমিকা ছিল বরিশালের। বড়লাট কার্জন গোটা বরিশাল জেলাকেই প্রোক্লেমড ডিস্ট্রিক্ট বা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী জেলা বলে চিহ্নিত করলেন। অশ্বিনীকুমারের স্বদেশ বান্ধব সমিতি বিলাতি জিনিসের বহ্ল্যুৎসবে মাতলো– দেশী জিনিস বিদেশী জিনিস যার দোকানে রাখা হত তাদের বয়কট করতে শেখালো। চারণকবি মুকুন্দদাস বরিশালের পথে পথে প্রাণ মাতানো গান গেয়ে বেড়ান। অশ্বিনীকুমারের সহযোগী মনোমোহন চক্রবর্তীর লেখা গানও মুকুন্দদাস গেয়েছেন–ছেড়ে দাও কাচের চুড়ি, বঙ্গনারী, কভু হাতে আর পর না! জাগ গো ভগিনী, ও জননী, মোহের ঘোরে আর থেক না।

    সেবার কংগ্রেসের একবিংশতিতম অধিবেশন বসল কাশীতে। সভাপতিত্ব করলেন গোপালকৃষ্ণ গোখলে। সভাপতির ভাষণে তিনি বললেন–বঙ্গের অঙ্গচ্ছেদের ফলে বঙ্গদেশের এই বিপুল জনজাগরণ আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করবে। ব্রিটিশ রাজত্বে এই প্রথম জাতি ও ধর্মের বৈষম্য ভুলে বাঙালী জাতি বাইরের কোন সাহায্যের অপেক্ষা না রেখে স্বাভাবিক প্রেরণার বশে অন্যায়ের প্রতিরোধে অগ্রসর হয়েছে। প্রধান লক্ষণীয় বিষয় এই যে, জনসেবার উচ্চ আদর্শ থেকে বাঙলা এ কাজ করেছে, আর সমগ্র ভারতবর্ষ এই আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্যে বাঙলা দেশের কাছে ঋণী। আজ বাঙলা যে কথা চিন্তা করছে, আগামীকাল সারা ভারতবর্ষ সে কথা চিন্তা করবে।

    বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের সম্মেলন সেবার হবে বরিশালে। প্রথম সম্মেলন হয়েছিল বহরমপুরের, বৈকুণ্ঠনাথ সেনের আগ্রহাতিশয্যে। তারপর, কৃষ্ণনগর, চুঁচুড়া, চট্টগ্রাম, নাটোর, বর্ধমান প্রভৃতি স্থানেও প্রাদেশিক সম্মেলন হয়েছে। এ বছর স্থির হয় এপ্রিলের চোদ্দই ও পনেরই অধিবেশন বসবে বরিশালে। স্বদেশী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যারিস্টার আবদুল রসুল হবেন সভাপতি। রসুলসাহেব মেম বিয়ে করেছিলেন; কিন্তু সেই বিদেশী মহিলাও মনে-প্রাণে সমর্থন করলেন স্বাধীনতা আন্দোলনকে। সে বৎসর বাখরগঞ্জ জেলায় ফসল ভাল হয় নি। দুর্ভিক্ষই হয়েছিল বলা চলে। তবু জেলার বিভিন্ন অংশে যখন প্রচারে বের হলেন বরিশালের নেতা অশ্বিনীকুমার দত্ত, সুরেন্দ্রনাথ সেন, সতীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, অথবা শরকুমার রায় তখন অভূতপূর্ব সাড়া জাগল সারা জেলায়। দলে দলে স্বেচ্ছাসেবক সমবেত হল জেলা সদর বরিশালে। ব্রজমোহন কলেজের ছেলেদেরই উৎসাহ বেশী। কলকাতা থেকে সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন দেশবরেণ্য নেতারা। ওরা দিবারাত্র পরিশ্রম করে প্রচার চালায়। এই স্বদেশী আন্দোলনে ওতপ্রোত ভাবে যোগ দিয়েছিল প্রথম বার্ষিক ফার্স্ট-আর্টসের ছাত্র বটুকেশ্বর দেবনাথ।

    সরকার থেকে ইতিপূর্বেই একটা সার্কুলার জারি করা হয়েছে–প্রকাশ্যে রাস্তার কেউ বন্দেমাতরম ধ্বনি দিতে পারবে না। অনেকে এ আদেশ মানতে স্বতঃই রাজী হল না। বন্দেমাতরম ধ্বনি দিতে গিয়ে অসংখ্য যুবক বেত্রদণ্ডে দণ্ডিত হল। সম্মেলনের অভ্যর্থনা সমিতির কর্মকর্তারা জেলা-শাসকের কাছে এই সর্তে আবদ্ধ হলেন যে, প্রতিনিধিদের অভ্যর্থনা করার সময় প্রকাশ্য স্থলে বন্দেমাতরম্ ধ্বনি করা হবে না। ফলে সম্মেলন শুরু হওয়ার আগেই একটা দলাদলির সৃষ্টি হল। চরমপন্থীরা কর্মকর্তাদের এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হল। যাইহোক সম্মেলনের আগের দিন সন্ধ্যায় কলকাতা, ঢাকা, চট্টগ্রাম প্রভৃতি অঞ্চল থেকে বহু প্রতিনিধি বরিশালের স্টিমার ঘাটে এসে উপস্থিত হলেন। সুরেন বাঁড়ুজ্জে, মতিলাল ঘোষ, ভূপেন্দ্রনাথ বসু, বিপিনচন্দ্র পাল, ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়, কালীপ্রসন্ন কাব্য বিশারদাঁ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বটুকেশ্বর স্টিমার ঘাটে দাঁড়িয়ে দেখল। চোখ ফেটে জল এল তার। এমন মহা মহা অতিথিরা এলেন তার মাতৃভূমিতে অথচ বন্দেমাতরম্ ধ্বনি দিয়ে তাদের বরণ করে নেওয়া গেল না। উপায় নেই। স্বয়ং অশ্বিনীকুমার বারণ করে রেখেছিলেন। অশ্বিনীকুমার ছিলেন ব্রজমোহন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। এ-ক্ষেত্রে কিন্তু অশ্বিনীকুমারের সঙ্গে বর্তমান অধ্যক্ষ রজনীকান্ত গুহ একমত হতে পারেন নি। তবু নেতৃত্বের নির্দেশ অগ্রাহ্য করেন নি তিনি। তাঁর ছাত্ররা তাই মুখ বুজে মেনে নিলেন ওঁদের আদেশ।

    স্টিমার থেকে নেমে এসে এ বিষয়ে প্রথম প্রশ্ন তুললেন কৃষ্ণকুমার মিত্রঃ ছেলেরা বন্দেমাতরম্ বলছে না কেন?

    রজনীকান্ত হেসে বললেন–ছেলেরা গোরা চাবুককে অগ্রাহ্য করতে শিখেছে, কিন্তু দলপতির আদেশকে অমান্য করতে শেখে নি বলে!

    কৃষ্ণকুমার, বিপিনচন্দ্র, ব্রহ্মবান্ধব প্রভৃতি এ ব্যাপারে সন্তুষ্ট হতে পারেন নি। কিন্তু অভ্যর্থনা-সমিতির নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তকে তারা অগ্রাহ্যও করতে পারলেন না। ব্রহ্মবান্ধব বললেন, এ সিদ্ধান্ত আমরা যে মনে-প্রাণে মেনে নিতে পারিনি তার একটা নীরব প্রতিবাদ রাখতে চাই রজনীবাবু। আমরা কজন অভ্যর্থনা সমিতির নির্ধারিত আবাসে উঠব না। আপনার কলেজে একটু স্থান হবে?

    রজনীকান্ত হাত দুটি জোড় করে বলেন, ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় মশায়ের স্থান হবে না এমন বাড়ি শুধু বরিশাল কেন গোটা বাঙলা দেশে নেই। আমার কলেজ ধন্য হয়ে যাবে আপনাদের পদধূলি পড়লে।

    তৎক্ষণাৎ তিনি ছাত্র-স্বেচ্ছাসেবকদের ডেকে ব্যবস্থা করতে বললেন। বটুকেশ্বরের দল তো হাতে স্বর্গ পেল। অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটির সভ্যদের সসম্মানে নিয়ে গিয়ে তুলল ওদের কলেজে।

    অল্প পরেই ওঁরা এলেন, বলেন–এ কী! সম্মেলন শুরু হবার আগেই শিবির দু ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে যে?

    কৃষ্ণকুমার বলেন–বন্দেমাতরম ধ্বনি যদি আপনারা ত্যাগ করতে মনস্থ করে থাকেন, তবে ঐ সঙ্গে আমাদেরও ত্যাগ করতে হবে।

    তা তো হতে পারে না। ফলে রফা হল–পরদিন সকাল সাতটায় দুই শিবির থেকে সকলে এসে সমবেত হবেন রাজাবাহাদুরের হাবেলীতে। সেখানে সর্বপ্রথমে বন্দেমাতরম্‌ ধ্বনি দিয়ে তারপর শোভাযাত্রা করে সভামণ্ডপে যাওয়া হবে।

    সে রাত্রে সে কী উন্মাদনা! সারা শহরটা সে রাত্রে ঘুমায় নি। প্রভাত হলেই রাজাবাহাদুরের হাবেলীতে বরিশালবাসী বন্দেমাতরম্ ধ্বনি দেবে। দেবে কার সঙ্গে? সুরেন বাঁড়ুজ্জে, রবীন্দ্রনাথ, বিপিন পাল, ব্রহ্মবান্ধবের সঙ্গে গলা মিলিয়ে। কিন্তু নাটকের সে তো শেষ নয়, সেই যে শুরু। জেলা-ম্যাজিস্ট্রেট এমার্সন আর পুলিস সুপার কেম্পকে না চেনে কে? বরিশালের কণ্ঠনালী ছিঁড়ে ফেলতে এই দুই ইংরাজ শাসকও সে রাত্রে রুদ্ধ আক্রোশে ফুঁসছিল–তা কি জানতে বাকি আছে কারও?

    চোদ্দই এপ্রিল, ১৯০৬। কোম্পানির বাগানে ধ্রুবানন্দের কাছে ধর্ণা দেওয়ার ঠিক এক বছর পরের দিনটি। সূর্যোদয়ের আগেই হাবেলী ময়দানে এসে হাজির হয়েছে বটুকেশ্বর। তার হাতে বন্দেমাতরম্ লেখা একগোছা ব্যাজ। এগুলি হাতে বাঁধবে অ্যান্টি-সাকুলার সমিতির সভ্যবৃন্দ। মাঠে এসে দেখে তার আগেও এসেছে অনেকে। পতাকা দণ্ডটা খাটানো হয়ে গেছে। মাননীয় অতিথিরা তখনও কেউ আসেন নি।

    –এই তো বটুকদা! কোথায় ছিলেন এতক্ষণ?

    –একি সুশীল! তুই কোত্থেকে?

    কাল রাতের স্টিমারে এসেছি। কত খুঁজেছি আপনাকে। একবার ব্রজমোহন কলেজে, একবার স্টিমার ঘাটে।

    রাত্রে কোথায় ছিলি?

    –কলেজেই।

    সুশীল সেন কলকাতা থেকে পালিয়ে এসেছে। এতবড় সম্মেলনটা দেখবার লোভ সামলাতে পারে নি। বটুক ওকে ডেকে নেয়। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়, বলে–এ হলো শ্রীসুশীলকুমার সেন। কলকাতার আর্যমিশনে পড়ে।

    সুশীল খুব মিশুকে ছেলে। বরিশালের ছেলেদের ভাষাটা একটু অন্যরকম। ও কিন্তু হাসি চেপে থাকে। কলকাতায় ওদের বাঙাল বলে খেপানো চলে। এখানে ওকথা বললে ঠেঙিয়ে মুখের জিওগ্রাফি পালটে দেবে।

    বটুক বলে–হ্যাঁরে, ওদের সব খবর কি? দ্বৈপায়ন, সূরয, গগনরা কেমন আছে?

    -সূরয তো আমার সেক্শানেই পড়ছে, গগ্যাদা পড়াশুনা ছেড়ে দেশে চলে গেছে। দীপুদা প্রেসিডেন্সিতে পড়ছে।

    –আর চন্দ্রভান?

    –সে বিবাগী হয়ে গেছে।

    বিবাগী হয়ে গেছে! মানে? বাজে কথা?

    না বটুকদা, সত্যিই। সে অনেক কাণ্ড

    কিন্তু অনেক কাণ্ড শুনবার সময় নেই তখন বটুকেশ্বরের। ভলান্টিয়ারদের ফল-ইন করা নির্দেশ এসে গেছে। পিক পিক করে বাঁশি বাজছে। বটুক ছুটে গিয়ে সামিল হয় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীতে।

    একটু পরেই এসে পড়লেন দেশবরেণ্য নেতারা। দু-দলেরই। এখন আর অবশ্য দু দল নন। সবাই এক দলের। এখানে কোন বক্তৃতা হবে না, কোন ভাষণ হবে না। আগে থেকেই তাই স্থির হয়ে আছে। শুধু বন্দেমাতরম্ ধ্বনি দিয়ে ওঁরা শোভাযাত্রা করে এগিয়ে যাবেন সভামণ্ডপে। এতক্ষণে সূরয উঠেছে। কাতারে কাতারে মানুষ জমায়েত হয়েছে রাজাবাহাদুরের হাবেলীতে। শুধু মানুষই নয়, অমানুষও। লাল-পাগড়ি মাথায় অসংখ্য দেশীয় পুলিস, গুর্খা আর বালুচি রেজিমেন্টের বন্দুকধারী, আর লালমুখো অশ্বারোহী সার্জেন্ট।

    কিন্তু পুলিস আর গোরার আবির্ভাবের কথা কি আর ওরা জানতো না? সব জেনে বুঝেই তো এসেছে ওরা। তাই আকাশ বিদীর্ণ করে সহস্র কণ্ঠে ওরা মাতৃবন্দনা ধ্বনি করল-বন্দেমাতরম্।

    বার বার তিনবার। না, পুলিস লাঠি নিয়ে তেড়ে এল না। আইন-অমান্য করা হল আনুষ্ঠানিকভাবে। তবু তেড়ে এল না। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমার্সন শহরে প্রাদেশিক সম্মেলন করার অনুমতি দিয়েছিলেন একটি মাত্র শর্তে–প্রকাশ্য স্থানে বন্দেমাতরম্ ধ্বনি দেওয়া হবে না। প্রকাশ্য স্থানেই সে শর্ত ভেঙে ফেলা হল।

    রওনা হল শোভাযাত্রা। প্রথম গাড়িতেই চলেছেন মূল সভাপতি ব্যারিস্টার আব্দুল রসুল সাহেব। তার পাশে বসেছেন তার ইউরোপীয় স্ত্রী। বাদবাকি সবাই পদব্রজে। সভাপতিকেই শুধু গাড়ি করে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছিল। অভ্যর্থনা সমিতির তরফ থেকে অন্যান্য দেশবরেণ্য নেতাদের জন্যও গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছিল; কিন্তু সুরেন্দ্রনাথ রাজী হন নি। বলেছিলেন, আমরা সেবক, আমরা নেতা নই। পায়ে হেঁটেই যাব আমরা।

    এঁরা বলেছিলেন, কিন্তু জোড়াসাঁকোর রবিবাবু অথবা টাকীর জমিদার যতীন্দ্রনাথ কি এতটা হেঁটে যেতে পারবেন? হাজার হোক ওঁরা হলেন—

    সুরেন্দ্রনাথ বলেন, যা বলেছেন তা আর দ্বিতীয়বার উচ্চারণ করবেন না! রবিবাবু কি যতীনবাবু যদি একথা শুনতে পান তবে রাগ করে এখনই ফিরে যাবেন। রসুল সাহেবকে আমরা গাড়ি করে নিয়ে যাচ্ছি এজন্য যে, তিনি আজ সভাপতি। ওঁর বদলে বরিশাল শহরের কোন গাড়োয়ান সভাপতি হলে তাকেই আমরা গাড়ি করে নিয়ে যেতাম; রসুল সাহেব হেঁটে যেতেন।

    শোভাযাত্রা এগিয়ে চলে। সভাপতির গাড়ির পিছনেই আছেন সুরেন্দ্রনাথ। অমৃতবাজারের সম্পাদক মতিলাল আর ভূপেন্দ্রনাথ বসু। তার পরের সারিতে বিপিনচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ আর ব্রহ্মবান্ধব। এমনি করে এক এক সারিতে তিনজন। পিছনে বন্দেমাতরম্ ব্যাজ পরিহিত স্বেচ্ছাসেবক দল। আর শোভাযাত্রার সবশেষে চলেছেন তিনজন–অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটির সভাপতি কৃষ্ণকুমার মিত্র, ব্রজমোহন কলেজের অধ্যক্ষ রজনীকান্ত গুহ, আর হাওড়া হিতৈষীর সম্পাদক গীতি কাব্যতীর্থ। দীর্ঘ শোভাযাত্রা, এ-মাথা থেকে ও-মাথা দেখা যায় না। শোভাযাত্রা হাবেলী থেকে রাস্তায় পড়ে–শোভাযাত্রার মাথা পথের বাঁকে হারিয়ে যায় । কিন্তু বন্দেমাতরম্ ব্যাজ পরা স্বেচ্ছাসেবকের দল যেই রাস্তায় পড়েছে অমনি একজন লালমুখো বললে–চার্জ!

    শুরু হল লাঠি চার্জ! এলোপাথাড়ি মার। বড় লাঠির প্রহার, ব্যাটন নয়। লাঠি চার্জের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত শোভাযাত্রায় কেউ বন্দেমাতরম ধ্বনি দেন নি। সেই হাবেলী মাঠে যা দেওয়া হয়েছিল তাই প্রথম, তাই শেষ। কিন্তু যষ্টি প্রহার শুরু হতেই সহস্র কণ্ঠে ওরা ধ্বনি দিয়ে ওঠে বন্দেমাতরম্।

    বটুকেশ্বরের পাশেই ছিল সুশীল। লাঠি চার্জ শুরু হতেই শোভাযাত্রার লাইন ভেঙে গিয়েছিল। বটুক হাত বাড়িয়ে চেপে ধরে সুশীলের কামিজ। বলে–এই হাঁদা! রাস্তা ছেড়ে রকে উঠে দাঁড়া। ওখানে থাকলে মাথা ফেটে যাবে। টানতে টানতে ওকে নিয়ে আসে রাস্তার ধারে। দু-পাশের বাড়ির দরজা জানালা দুড়দাড় করে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একটা পাকা বাড়ির রকে উঠে দাঁড়াল বটুক ঠেলে তুলল সুশীলকে। কিন্তু ও কী?

    পুলিসের লাঠি চার্জ শুরু হতেই মিছিলের সারি বাঁধা শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল। উঁচু রকের উপর দাঁড়িয়ে ও দেখতে পেল লাঠি পেটার বীভৎসতা। ঐ পড়ে গেলেন ফণীবাবু,-ফণীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেচারাম লাহিড়ীর কাঁধে নামল একটা লাঠি! আর সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা নবশক্তির মনোরঞ্জনবাবুর ছেলে চিত্তরঞ্জন গুহ ঠাকুরতার। লাঠির ঘায়ে অচৈতন্য হয়ে পড়ে গেলেন রাস্তার ধারের একটা পুকুরে। উদ্যত লাঠি মাথার উপরে দেখেও তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন নি। শুধু চিৎকার করে বলেছিলেন বন্দেমাতরম্।

    বটুক বললে-চিত্তদা কি ডুবে মারা যাবে নাকি?

    জবাব না পেয়ে পাশে ফিরে দেখে সুশীল তার পাশে নেই। সে ঐ রাস্তায় নেমে পড়েছে আবার। পুলিসের পায়ের ফাঁক দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে চলেছে রাস্তার পাশে–যেখানে পুকুরের জলটা লাল হয়ে উঠেছে চিত্তরঞ্জনের রক্তে। আর যেখানে তার দেহটা এইমাত্র ডুবে গেল।

    বটুক কি করবে স্থির করে উঠতে পারে না। কর্তব্যবুদ্ধি বলছে এখন তাকেও যেতে হবে রাস্তার ওপারে–ঐ যেখানে আহত মানুষটার দেহ ডুবে গেল পুকুরের জলে, কিন্তু শুভবুদ্ধি ওর পা-দুটি বেঁধে ফেলেছে এই নিরাপদ মালভূমিতে! ওর চোখের সামনেই আবার লাঠির ঘায়ে লুটিয়ে পড়লেন ব্রজেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী মশাই। দু হাতে মুখ ঢেকে বসে পড়ল বটুকেশ্বর।

    ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেললে সে।

    হাঙ্গামা মিটে গেলে বাড়ি ফিরে এল বটুকেশ্বর। একটা প্রচণ্ড আত্মগ্লানিতে ভরে গেছে তার অন্তঃকরণ। নাঃ! স্বদেশবান্ধব সমিতির সভ্য হওয়ার মত মনের জোর তার। নেই। দীননাথ ওকে বন্ধ করে রাখলেন ঘরের ভিতর। শিকল তুলে দিয়ে। কোন প্রতিবাদ করে নি বটুক। ও বুঝেছে, এ পথ ওর নয়। চমরমুহূর্তে আতঙ্কে ও দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। চিত্তরঞ্জন গুহ ঠাকুরতাকে ও দাদা ডাকে। তাঁর বাবা ব্ৰতীসমিতির মনোরঞ্জনকে জেঠামশাই বলে। ওঁরা তার আপনজন। তবু ঐ চিত্তরঞ্জনকে বাঁচাবার। জন্য মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে সে এগিয়ে যেতে পারে নি। অথচ সুশীল? ওর চেয়ে বয়সে অন্তত তিন-চার বছর ছোট হবে। চোদ্দ-পনের বছরের কিশোরমাত্র। সে চিত্তরঞ্জনদাকে চেনে না। তার চোখে সে দেখেছিল একজন বিপন্ন দেশবাসীকে! লজ্জায় অনুশোচনায় বটুক সমস্ত দিন পড়ে থাকল তার ঘরের মধ্যে। খবর পেল ক্রমে ক্রমে। চিত্তরঞ্জন ডুবে মারা যান নি। পুলিস সুপার একমাত্র সুরেন্দ্রনাথকেই গ্রেপ্তার করেছিলেন। আরও শুনল, পুলিস যখন সুরেন্দ্রনাথকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমার্সনের বাড়িতে নিয়ে গেল তখন তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন মহাত্মা অশ্বিনীকুমার, বিহারীলাল রায় আর ভারতীয় সম্পাদক। কালীপ্রসন্ন কাব্য বিশারদাঁ। ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি বিচারে বে-আইনী শোভাযাত্রা পরিচালনার দোষে সুরেন্দ্রনাথকে দুশ টাকা জরিমানা করলেন। সুরেন্দ্রনাথ একখানা চেয়ারে বসতে উদ্যত হয়েছিলেন বলে আদালত অবমাননার দায়ে তাঁর আরও দুশ টাকা জরিমানা হল। গ্রেপ্তারের সময় সুরেন্দ্রনাথ ভূপেন্দ্রনাথ বসুকে সম্মেলনের কাজ চালিয়ে। যেতে বলেছিলেন। সভা যথারীতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অশ্বিনীকুমার ও অমৃতবাজারের সম্পাদক ওজস্বিনী ভাষায় বক্তৃতা করেন। সভাপতি রসুল সাহেব বলেন, ধর্ম যাই হোক, আজ হিন্দু-মুসলমান-খ্রীস্টান সহযাত্রী।

    সুশীলের সঙ্গে বটুকেশ্বরের আর দেখা হয় নি। যেমন নিঃশব্দে সে এসেছিল তেমন নিঃশব্দেই সে চলে গেছে কলকাতায়। বটুককে আর কিছু করতে হল না। ওর বাবাই গিয়ে একদিন ওর নাম কাটিয়ে আনলেন ব্রজমোহন কলেজ থেকে। ছেলে ছবি আঁকা শিখতে চায়, তাই শিখুক। বরিশালে থাকলে শেষে কি বোমা-পিস্তলের দলে ভিড়বে। স্বদেশী করার চেয়ে ছবি আঁকা ভাল–অন্তত দীননাথ দেবনাথের পাটোয়ারী বুদ্ধি তাই বলে।

    এক বছর বরিশালে কাটিয়ে বটুকেশ্বর দেবনাথ ফিরে এল কলকাতায়। ভর্তি হল সরকারী আর্টস স্কুলে। উনিশ-শ ছয় সালে। রজনীকান্ত গুহর অগ্নিস্রাবী রাজনীতির প্রখর রৌদ্র থেকে অবনীন্দ্রনাথের স্নিগ্ধ শিল্পচ্ছায়ায়। মাত্র এক বছর হল জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির ছেলে অবনীন্দ্রনাথ সরকারী আর্টস স্কুলের সহকারী অধ্যক্ষরূপে কর্মভার বুঝে নিয়েছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }