Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প425 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার যদি ইচ্ছা কর – ৮

    ০৮.

    কলকাতায় পৌঁছে টাওয়ার হোটেলে দেখা করতে গেলাম গগ্যার সঙ্গে। হোটেলে কিন্তু তার দেখা পেলাম না। হোটেলের ম্যানেজার একটি ঠিকানা দিলেন আমার হাতে। বললেন, গগন পাল এই ঠিকানাতে আছে। তার নামে কোন চিঠি এলে এ ঠিকানাতে পাঠিয়ে দিতে বলেছে।

    যেন নিতান্ত কথার ছলে কথা বলছি, বললাম, -ও তো প্রথমে এখানেই সস্ত্রীক এসে উঠেছিল, তাই নয়?

    না। ও এখানে ওঠেনি। গগনকে আমি অনেকদিন ধরে চিনি। একদিন এসে এই ঠিকানা দিয়ে বলে গেল চিঠিপত্র এলে এই ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে। এখানে ওঠেনি।

    অগত্যা ঠিকানা খুঁজে কলকাতার একেবারে উত্তর প্রান্তে এসে হাজির হলাম। বরাহনগরের একটি চটকলের বস্তীতে। একটি বেলা গেল ঘর খুঁজে বার । করতে। অবশেষে সন্ধান পাওয়া গেল। খোলার চালের বস্তী। চতুর্দিকে নোংরা আর কাদা। অধিকাংশই হিন্দুস্থানী মজদূর। তারই একটা খোপে নাকি বাস করে গগন পাল। ঘরটা দেখিয়ে দিল একজন ভাজিওয়ালা। বলে, নয়া আদমি তো? ইয়া পাট্টা জোয়ান? বাঙ্গালিবাবু? হাঁ হাঁ, পালমোশা! যাইয়ে না সিধা। সতের নম্বর কামরা।

    বলি, –শেঠজি, বাঙ্গালিবাবু কি একা আছে, না ওর বিবিও আছে?

    শেঠজি সম্বোধনে ভাজিওয়ালা কিছু খুশি হল। বললে, রামজি জানে বাবুমোশা। অগর বিবি না লিয়ে এসে থাকে তবে এতোদিনে জুটে গেছে লিসচয়! ঐসান পাট্টা জোয়ান কি সাত রাত একা একা থাকবে?

    –কেকরাকে বাত করতে হো ভিখ? প্রশ্ন করে পানওয়ালা।

    –ঐ বাঙ্গালিবাবু রে! পালমোশা।

    –নেহি নেহি, বিবি-উবি কুছ নেহি আছে যাইয়ে না সিধা।

    এবার ভরসা করে এগিয়ে যায়। পাশাপাশি খুপরি। খোলার চাল, বাঁশের খুঁটি, হেঁচা বাঁশের দেওয়াল আর মাটির মেঝে। বারোঘরের এক উঠান। সতের নম্বরের দরজা খোলাই ছিল। একটা ছোট চারপাইতে চিৎ হয়ে পড়ে ছিল গগন। খালি গা, পরনে একখানি লুঙ্গি। খোঁচা খোঁচা দাড়ি-গোঁফ গজিয়েছে। আমাকে দেখে উঠে বসে। হঠাৎ দপ্ করে জ্বলে ওঠে তার চোখ দুটো। তারপর কি ভেবে হেসে ফেলে। গামছা দিয়ে বগলদুটো মুছে নিয়ে বলে, দূত অবধ্য! বল, শুনি।

    আমি চুপচাপ বসে পড়ি ওর খাটিয়ার একপ্রান্তে। পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বার করে একটা ধরাই। ওকে দিই না; কিন্তু প্যাকেটটা পকেটেও ভরি না। রাখি ওর নাগালের মধ্যে। গগ্যা নেয় না তা থেকে। পুনরায় বলে, –শুরু কর। আমি প্রস্তুত।

    একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে আমি বলি, আমি তো বলতে আসিনি গগন। আমি শুনতে এসেছি।

    –এই কথা? কিন্তু আমার যা বক্তব্য তা তো চিঠি লিখে জানিয়ে দিয়েছি। সে চিঠি কি পায়নি তোমার বন্ধুপত্নী?

    বন্ধুপত্নী? তার মানে বন্ধু এবং পত্নী দুটো সম্পর্কই স্বীকার কর তুমি?

    –তুই ভীষণ চটে আছিস মনে হচ্ছে?

    আমি নীরবে ধূমপান করে চলি।

    –এই দীপু! সেদিন তুই চা খাওয়াতে চেয়েছিলি। আমি খাইনি। আজ খাওয়াবি মাইরি এক কাপ? পকেটে একটা পয়সা নেই।

    বত্রিশটা টাকা সাত দিনে ফুঁকে দেবার মত নবাবিয়ানার আয়োজন তো দেখছি না।

    —ও বাবা; তুই যে পাই-পয়সার হিসাব রাখিস দেখছি! হ্যাঁ, সব খরচ হয়ে গেছে। অনেক সাজসরঞ্জাম কিনতে হল কিনা।

    -কিসের সাজসরঞ্জাম?

    থাক বাবা; চা খেতে চাই না আমি।

    পকেট থেকে একটা দোয়ানি বার করে ওর হাতে দিই। ও বলে, –পয়সা আমি নিয়ে কি করব? দোকানিকে দিবি। আয়, চা-টা খেয়ে আসি বরং।

    দুজনে উঠে এলাম ঘর ছেড়ে। গগন গায়ে গেঞ্জিটা চড়ালো না। পায়েও দিল না কিছু। দরজাটা হাট করে খোলা রইল। ভ্রূক্ষেপ নেই ওর। দোকান রাস্তার ওপরেই। দুহাত বাই দুহাত দোকান! উপরে পান-বিড়ির আয়োজন, নিচে তোলা-উনুনে জল ফুটছে. মাটির ভাঁড়ে করে দু ভড় চা দিল দোকানি। চায়ের সঙ্গে তার সাদৃশ্য শুধু মাত্র উত্তাপে। তারিয়ে তারিয়ে ভাড়টা নিঃশেষ করে গগ্যা বললে, চল ঘরে গিয়ে বসি।

    আবার মুখোমুখি বসলাম দুজন। দুই বাল্যবন্ধু। বর্তমানে প্রতিপক্ষ। আমি বলি, — আমার সময় কম গগ্যা। ভণিতা ছেড়ে সোজা কথায় আসা যাক। এভাবে পালিয়ে এসেছিস কেন?

    –পালিয়ে মোটেই আসিনি। ঠিকানা জানিয়েই এসেছি। না হলে তুই এ বস্তীতে আমাকে কিছুতেই খুঁজে পেতিস না।

    না হয় পালিয়ে নয়, চলে এসেছিস। তাই বা এসেছিস কেন? তোর বউ ছেলে মেয়ে খাবে কি?

    –এতদিন যা খেয়ে এসেছে। ওরা আমার উপার্জনে খেত না।

    –শান্তি দেবীর বিরুদ্ধে তোর আসল অভিযোগটা কি?

    অভিযোগ? কিছুমাত্র না।

    কিন্তু এভাবে স্ত্রীকে ত্যাগ করলে পাঁচজনে তোকে গালমন্দ দেবে না?

    –গালমন্দ দেওয়া পাঁচজনের স্বভাব। ও আমি ভ্রূক্ষেপ করি না।

    স্বভাব কেন? অন্যায় করছে দেখলে সবাই বলবে। তোর বাপান্ত করবে।

    করুক। ওরা বাপান্ত করার আগেই বাপ আমার অন্ত লাভ করেছেন।

    –তোর লজ্জা হচ্ছে না?

    কিছুমাত্র না।

    তুই মানুষ না, জানোয়ার! একটা পাষণ্ড! একটা চামার!

    মেনে নিলাম।

    আমার দম ফুরিয়ে গেল। একতরফা ঝগড়া চলে না। গগন অহেতুক ঝগড়া বাধাতো। অথচ এখন নির্বিবাদে সব গাল হজম করে নিল। এবার কি বলব? কিন্তু এত সহজে হার মানা চলে না। আবার নবোদ্যমে শুরু করি, –এইমাত্র বললি, তোর কাছে একটা পয়সা নেই, তুই খাবি কি?

    -রোজগার করব।

    কোনও বিকার নেই ওর। জবাবগুলো ওর ঠোঁটের আগায়। মনে মনে ও বোধহয় এসব প্রশ্নোত্তরের মহড়া করে রেখেছে। আবার বলি, -জানিস, আমরা আইনত তোকে বাধ্য করতে পারি বউয়ের কাছে ফিরে যেতে? তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব তুই অস্বীকার করতে পারিস না!

    -ভুল করছিস দীপু। আইনের মাধ্যমে আমাকে বউয়ের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার ক্ষমতা তোদের নেই। আইনত তোরা হয়তো আমাকে জেল খাটাতে পারিস। তাও ঠিক পারিস কিনা জানি না। সেটা আদালতে ফয়সালা করা চলে।

    হ্যাঁ জানি। এটা হতভাগ্য ভারতবর্ষ! তাই এক স্ত্রী বর্তমান থাকতে আর একটা বিয়ে করায় আইনত কোন বাধা নেই; কিন্তু নিতান্ত অমানুষ না হলে কেউ সেটা করে?

    মাথা ঝাঁকিয়ে গগ্যা এতক্ষণে বিরক্তি প্রকাশ করে। বলে, ঝাঁট দে ওসব ছেঁদো কথা! থিওরেটিক্যাল কথাবার্তা আপাতত বাদ দে। দুটো বিয়ে তো আমি করিনি।

    -করিসনি; কিন্তু করবি তো?’

    –কি করব? আর একটা বিয়ে? ঝাঁট দে ওসব ছেঁদো কথা!

    বিয়ে করবি না তো কি রক্ষিতা করে রাখবি?

    কাকে?

    যাকে নিয়ে পালিয়ে এসেছিস?

    গগ্যা অনেকক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। তারপর এতক্ষণে আমার প্যাকেট থেকে সিগারেট নিয়ে ধরায়। বলে, কী আবোল-তাবোল বকছিস দীপু?

    –তুই অস্বীকার করতে চাস জি. এস. নামে একটা মেয়েকে তুই নিয়ে আসিসনি?

    —জি. এস.? তার মানে? এসব কার কল্পনা? শান্তি না তার ফুলদা?

    -কল্পনা কারও নয় গগ্যা। আমি নিজের চোখে দেখেছি। তোর দোকানঘর থেকে বের হয়েছে রাশি রাশি ছবি। আর তাতে লেখা টু পল, ফ্রম জি. এস.।

    কোথাও কিছু নেই প্রচণ্ড স্বরে হাসতে গিয়ে কেশে উঠল গগ্যা। সিগারেটের ধোঁয়া ছিল তার মুখে। কাশতে কাশতে চোখে জল এসে গেল বেচারির। তারপর মুখ চোখ মুছে স্থির হয়ে বসে বলে-বেচারি শান্তি! প্রেম আর ভালবাসা ছাড়া আর কিছু জানে না। এ ঐসব ম্যাগাজিন পড়ার ফল। ঐ প্রগতি-মগতি।

    তুই বলতে চাস এর মধ্যে দ্বিতীয় একটি মেয়ে নেই?

    ঝাঁট দে! আমি ঢাকা থেকে খোলা মনে একা এসেছি। এখানে একাই আছি।

    ছবিগুলো তাহলে কে এঁকেছে?

    –আমি।

    –তুই? তুই তো ছবি আঁকতে জানিস না। তাছাড়া ছবিগুলো তো তোকেই উৎসর্গ করা। তাহলে জি. এস. কে?

    –ছবিগুলো গগ্যা দি আর্টিস্টকে দিয়েছে গগ্যা দি শপ কীপার!

    মাথামুণ্ডু কিছুই বোঝা যায় না। বলি, তুই এখানে কি করতে চাস?

    ছবি আঁকতে চাই।

    ছবি আঁকতে চাস? তুই গগন পাল? আর্য মিশনের সেই গগ্যা?

    এতক্ষণে সোজা হয়ে উঠে বসে। আমার চোখে চোখ রেখে যেন প্রতিধ্বনি করে, — ঠিক তাই ছবি আঁকতে চায়, গগন পাল? আর্য মিশনের সেই ফেল করা ছেলে, গগ্যা! কেন, আপত্তি আছে?

    -না, আপত্তি করলেই বা শুনছে কে? কিন্তু দোকানদারী করতে করতেও তো ছবি আঁকা যায়?

    –সেসব সৌখীন মজদুরী। আমি সর্বতোভাবে ইবি আঁকায় আত্মনিয়োগ করতে চাই।

    –অর্থাৎ প্রফেসনাল আর্টিস্ট ও জিনিসটা বিলাতে আছে, এদেশে নেই। আর তাছাড়া ছবি এঁকে তুই নাম করতে পারবি তার স্থিরতা কোথায়?

    -কে চাইছে নাম করতে? আমি যশের কাঙাল নই। আমি স্রেফ ছবি এঁকে যেতে চাই। সে ছবি কেউ দেখল কি দেখল না, সুখ্যাতি না কুখ্যাতি করল এ নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই।

    আমি ধমক দিয়ে উঠি, –পাগলামিরও একটা মাত্রা থাকে গগ্যা। এ কী বলছিস তুই? পাঁচজনে দেখবে বলেই তো মানুষ ছবি আঁকে? না কি?

    অন্তত আমি সেজন্য আঁকব না!

    তবে কি জন্য আঁকবি?

    –না এঁকে আমার নিস্তার নেই-তাই আঁকব।

    –এ একটা কথা হল? মনে কর প্রশান্ত মহাসাগরের এক নির্জন দ্বীপে তোকে। নির্বাসন দেওয়া হল; সেখানে সভ্য মানুষ নেই। সেখানে কেউ তোর ছবি দেখবে না। তা সত্ত্বেও তুই সেখানে একা একা বসে ছবি আঁকতে পারিস?

    গগন জবাব দিল না। জানলা দিয়ে আগুন-ঝরা বৈশাখী আকাশের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল। দূর আকাশে পাক খাচ্ছে সূরযসাক্ষী একটা নিঃসঙ্গ চিল।

    -কই, জবাব দিলি নে যে বড়?

    একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ল গগ্যার। যেন স্বপ্নের ঘোরে বললে, তাহলে আমি আর কিছুই চাইব না রে দীপু! নারকেল গাছ ছাওয়া একটা নির্মল নিস্তরঙ্গ অ্যাটল ..দু-চারটে পাতায়-ছাওয়া কুঁড়েঘর…দু-চারজন উলঙ্গ আদিম আদিবাসী, যাদের ভাষা আমি বুঝি না, প্রখর সূর্যালোক, সবুজ বন…নীল আকাশ আর ধূসর সমুদ্র! উফ্!

    আবেশে চোখ বুজল গগ্যা।

    হেসে বলি, –ওসব রোমান্টিসিস কাব্যেই ভাল লাগে গগ্যা। বাস্তবে ও কল্পনাবিলাসের কোন অর্থ হয় না। ছবি আঁকতে চাস, তা ঢাকায় বসে আঁক না?

    যেন বাস্তবেই ফিরে এল সে। বললে, ওখানে হবে না। ঝট দে!

    -কেন হবে না? গগন, কিছু মনে করিস নে ভাই। ছবির বিষয়ে আমি কিছু কিছু বুঝি। দেবনারায়ণবাবুর ড্রইং ক্লাসে তোর চেয়ে আমি অথবা বটুক বরাবর বেশি নম্বর। পেতাম। তোর দ্বারা ওসব হবে না।

    -মটুকুও তাই বলে; কিন্তু আমার উপায় নেই। আমাকে আঁকতে হবে। ছবি না এঁকে আমার নিস্তার নেই।

    –মটুকু? মানে বটুক? বটুক কোথায় জানিস?

    –জানি। হগসাহেবের বাজারে সে দোকান দিয়েছে। ভাল রোজগার করছে।

    কিসের দোকান?

    –ছবির।

    ওকে আবার বলি, -গগ্যা, বটুকের ভাল রোজগার হচ্ছে বলে তোরও যে হবে এমন কোন কথা নেই। বটুক পাক্কা চার বছর আর্ট স্কুলে শিখেছে। সে পাস করা আর্টিস্ট। সে গোড়া থেকেই ঐ লাইনে লেগে ছিল। তোর বয়স চল্লিশ। এ বয়সে কি ছবি আঁকা শেখা যায়? না তা থেকে রোজগার করা যায়?

    একগুঁয়ে গোঁয়ারটা জবাবে ঐ একই কথা বললে, –তা জানি না; কিন্তু ছবি আমাকে আঁকতেই হবে। ছবি না এঁকে আমার নিস্তার নেই। অগত্যা উঠে পড়ি। বলি, চলি তাহলে?

    যাবি? তা যা।

    –ও, ভাল কথা। শান্তি দেবী তোর সেতারটা আমাকে দিয়েছেন তোকে দিতে। সেটা আমার বাড়িতে আছে, তুই নিয়ে আসবি? না হলে আবার কষ্ট করে আমাকে

    না না। তুই আবার কেন কষ্ট করবি? চল, এখনই চল, নিয়ে আসি।

    কোন বিকার নেই। এই সেতার ফেরত দেওয়ার ভিতর যে তীব্র অভিমান আছে– এর ভিতর যে একটি কাব্য আছে এটা ওর যেন খেয়ালই হল না। সেতার সে বাজাতে ভালবাসে। সেতারটা সে ফেলে এসেছিল। এখন সেটা হাতে পাওয়া যাবে এতেই ও খুশি। পাথরে মাথা খুঁড়ছি জেনেও বললাম, -সেতারটার জন্য খুব অভাব বোধ করছিলি। নিশ্চয়। তোর বউ মনে করে।

    গগন একটা হাফ সার্টের মধ্যে মাথা গলাচ্ছিল। জুতোটা পায়ে দিয়েছে এবার। ঐ অবস্থাতেই আমাকে বাধা দিয়ে ও বললে, –আরে ঝাঁট দে! সেতারের কথা এতদিন। মনেই ছিল না আমার। তুই বললি অমনি মনে পড়ল।

    –তাহলে এখনই ছুটছিস কেন?

    না হলে আজ রাতে খাব কি? বললাম না, পকেট একেবারে গড়ের মাঠ! ওটা সেকেণ্ড হ্যাঁণ্ডে আজই বেচে কিছু নগদ টাকা রোজগার করতে হবে। সিপিয়া আর আলট্রামেরিন রঙের টিউব দুটোও ফুরিয়েছে ও দুটোও কিনে আনব। কি হল, দাঁড়িয়ে পড়লি কেন? চল?

    কেন যে হঠাৎ পথের উপর দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম তা আর ওকে বলিনি।

    কিন্তু মোড়ের মাথাতেই দেখা হয়ে গেল অপ্রত্যাশিতভাবে আর একজন বন্ধুর সঙ্গে। বটুকেশ্বর দেবনাথ। উৎসাহের আতিশয্যে একেবারে জড়িয়ে ধরল আমাকে।

    উঃ! কতদিন পর দেখা! চল চল ঘরে গিয়ে বসি। নে, সিগ্রেট খা।

    অগত্যা আবার ফিরে গিয়ে বসি গগ্যার ছাপরায়। বটুকেশ্বর একনাগাড়ে কিছুটা বকবক করে চলে। হগমার্কেটে দোকান দিয়েছে সে। নানান জাতের ছবি আঁকে। গত তিন-চার বছর ধরে সরকারী চিত্রশালার বার্ষিক প্রদর্শনীতে তার ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রাইজ এখনও পায়নি, তবে গত বছর তার প্রদর্শিত তিনখানি ছবিই বিক্রি হয়েছে। বেশ ভাল দামে। একটি একশোয় এবং বাকি দুটি পঞ্চাশে। এবার সে একখানা বড় ছবি আঁকছে। পাঁচ বাই তিন। অয়েল কালার। বিষয়বস্তুটা কী, তা সে বলবে না; আমাকে দেখে বলতে হবে। আমার খোঁজ-খবরও নিল। ঢাকা ছেড়ে কলকাতা আসছি শুনে খুব খুশি হল; বললে, তোর পাকাপাকিভাবে কলকাতা আগমনে আমি পার্টি দেব। পোলাও আর মাংস। ওঃ! হাঁড়ি কাবাব যা বানায় সুলেখা! সিমপ্লি সুপার্ব!

    সুলেখা? তোর বউ? বিয়ে করেছিস?

    চোখ দুটি ছোট ছোট করে বটুক তাকায়, বলে, –তুই কী, ভেবেছিলি বটুকের কোনদিন বে হবে না? কেন? এই খানদানি বদনখানির জন্যে?

    বটুকেশ্বর দেবনাথের উচ্চতা পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি। গগ্যার বুকের কাছে তার মাথা। মাথাটা দেহের তুলনায় বড়, এবং সেই মাথা ভরা টাক! কন্দর্পকান্তি নয় বটুক–এটা সেও জানে, আমরাও জানি। কিন্তু তার সাজ-পোশাকের বাহার আছে। কোট-প্যান্ট-টুপি চড়িয়েই সে এসেছে এই বরাহনগরের বস্তীতে। পায়ে তার চঞ্চকে গ্লেসড কিড জুতো

    -খাস চিনেবাড়ির।

    অপ্রীতিকর প্রসঙ্গটা এড়িয়ে বলি, –ছেলেমেয়ে কি?

    -ছেলেপুলে হয়নি।

    এখনও হয়নি? কতদিন বিয়ে করেছিস?

    —ওঃ! সে অনেক দিন! তের-চোদ্দ বছর হয়ে গেছে।

    অর্থাৎ সন্তান হওয়ার আশাও আর নেই। ঐ চিত্রগুলিই ওর সন্তান।

    বটুক মনিব্যাগ খুলে একটা দশ টাকার নোট বাড়িয়ে ধরে গগ্যার দিকে, –নে ধর!

    গগ্যা ছোঁ মেরে নোটটা নিয়ে আমার দিকে ফিরে বলে, –সেতারটা কাল পরশু গিয়ে নিয়ে আসব।

    বটুক বলে, স্টিল লাইফটা শেষ করেছিস?

    প্রশ্নটা গগ্যাকে। সে হাফ সার্টটা খুলে একটা পেরেকে ঝুলিয়ে রাখছিল। বিনা বাক্যব্যয়ে খাটিয়ার নিচে থেকে টেনে বার করল কাগজে জড়ানো ক্যানভাস। বটুক সেটা ঘরের এক কোণে রেখে সমঝদারের মত একটু দূরে গিয়ে দাঁড়ালো। ডাইনে-বাঁয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে বললে, কিশু হয়নি। বললাম, ড্রইংটা আরও চালিয়ে যা। তা নয়, তুলি। ধরব। ওরে বাবা, এ এত সহজ নয়! বুঝলি? ড্রইংটা মসো না হলে কিছুই হবে না। গেলাসটা সিমেট্রিকাল হয়নি। সেন্ট্রাল লাইনের ডাইনে সরে গেছে। খাটিয়ার পায়াগুলো ভার্টিকাল নয়। দে, তুলি দে

    ছবিটা ঘরের ভিতরেই এঁকেছে গগ্যা। খাটিয়ার একটা অংশ, একটা কলসি, একটা তালপাখা, একটা গেলাস। তেলরঙে আঁকা ক্যানভাস। রঙ ধ্যাবড়া ধ্যাবড়া করে লেগেছে। কাঁচা হাতের আঁকা। ঠিকই বলেছে বটুক। গেলাসটা ঠিকমত আঁকা হয়নি। খাটিয়ার পায়াও বেঁকে গেছে।

    খাটিয়ার নিচে থেকে প্যালেট আর তুলিটা নিয়ে বটুক এগিয়ে যেতেই ছবিখানা ছোঁ মেরে তুলে নিল গগ্যা। বললে, আমার ছবিতে মেরামত করতে হবে না তোকে। আর কিছু শেখাতেও হবে না। কিভাবে লিনসিড অয়েলে রঙ গুলতে হয় এটুকুই শিখতে চেয়েছিলাম তোর কাছে

    –ওঃ! বাদবাকি তুই নিজেই শিখে নিবি? একলব্য হয়েছিস?

    গগ্যা হাসল। বললে, –তাই হতে চাই রে মটুকু।

    ফেরার পথে অনেকটা পথ বটুকের সঙ্গে এলাম। ও ভবানীপুরের দিকে একটা ফ্ল্যাট ভাড়া করেছে। দুটি তো মাত্র প্রাণী। দুখানি ঘর। কল ও স্নানাগার অপর একজন ভাড়াটের সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। তাও মাসে বারো টাকা ভাড়া। বটুকের ইচ্ছে ছিল সেদিনই আমাকে ওর বাড়িতে নিয়ে যায়। আমি রাজী হতে পারি না। পরে একদিন যাব বলে পাশ কাটালাম। বলি, বটুক, তুই গগ্যাকে টাকা দিলি কেন? ধার?

    ধার বলেই দিলাম। তবে শোধ পাবার আশা না রেখে। কি করব? একেবারে ধরে পড়েছিল।

    –ওর সব কথা তুই জানিস? গগ্যা তার সতের বছরের বিয়ে করা বউকে ফেলে চলে এসেছে।

    বটুক বললে, জানি! তাতেই তো শ্রদ্ধা হল ওর ওপর। ওর বুকের পাটা আছে।

    আমি বললাম, বুকের পাটা যে আছে, সেটা ওর দিকে তাকালেই বোঝা যায়।  বাঙালি ছেলের অমন চওড়া বুক আমি খুব কমই দেখেছি, কিন্তু সেটাই কি সব বটুক? বুকের পাটাটাই দেখলি তুই? কিন্তু ঐ বুকের ভিতর স্নেহ-ভালবাসা-মমতা কি একতিলও থাকতে নেই?

    পথ চলছিলাম দুজনে। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে বটুক। বলে, দেখ দীপু, ওভাবে ওকে বিচার করিস না। ও হল আর্টিস্ট! ওর জাত আলাদা! তোর আমার মত সহজভাবে ওকে বিচার করা চলে না!

    এবার আমিও দাঁড়িয়ে পড়ি। বলি, কী বলছিস তুই? গগ্যা আর্টিস্ট? ওর লাইন জ্ঞানই তো হয়নি এখনও। খাটিয়ার পায়াগুলো কিভাবে এঁকেছে দেখেছিলি?

    -হ্যাঁ, ওর হাতটা এখনও আর্টিস্টের নয়; কিন্তু চোখ আর্টিস্টের। কতবড় দিল থাকলে তবে অমন গোছানো সংসার, নিশ্চিত রোজগারকে এভাবে ফেলেছেড়ে মানুষ ছবি আঁকবার উন্মাদনায় বস্তীতে এসে উঠতে পারে ভেবে দেখেছিস!

    আমি বলি, কিন্তু বস্তীতে ওঠার কি প্রয়োজন ছিল ওর?

    –সে তুমি বুঝবে না ডাক্তারসাহেব!

    –কিন্তু তোকে তো ঘর সংসার ছেড়ে রাস্তাতে এসে বাস করতে হচ্ছে না?

    –যে অর্থে গগ্যা আর্টিস্ট সে অর্থে আমি আর্টিস্ট নই–এ থেকে সেটাই প্রমাণ হয়। ব্যাপারটা তোকে বুঝিয়ে বলতে পারব না দীপু। আমি নিজেও বুঝিনি ঠিকমত। কিন্তু ওর চোখে আমি আগুন দেখেছি, সেখানে ভুল হয়নি আমার।

    একটু থেমে আবার বলে কোম্পানির বাগানের সেই সন্ন্যাসীর কথা মনে আছে। দীপু? গগ্যাকে তিনি বলেছিলেন–তেরা বনৎ বনৎ বনি যাই! বিগড়ি বনৎ বনি যাই। মনে পড়ে?

    কথাটার মানে কি রে?

    -ওটা তুলসীদাসজীর একটা দোঁহার অপভ্রংশ। অর্থাৎ তোমার চেষ্টা করতে করতে হয়ে যাবে, ভুল করতে করতে ঠিক হয়ে যাবে!

    বিশ বছর আগেকার ভবিষ্যদ্বাণী। আমার একটুও মনে ছিল না সেকথা। বটুক কিন্তু ভোলেনি। ঐ প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল আর একটি বন্ধুর কথা। প্রশ্ন করি

    –হ্যাঁরে, চন্দ্রভানের খবর রাখিস?

    –হ্যাঁ। চন্দ্রভান মারা গেছে।

    মারা গেছে? ঈস্! কবে? কেমন করে?

    চন্দ্রভান মরে জন্মেছে ভিন্সেন্ট ভান গর্গ! ধ্রুবানন্দের ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলেছে। যবন কাহকা! চন্দ্রভান খ্রীষ্টান হয়ে গেছে।

    আমি বলি, কিন্তু তোর সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী তো ফলেনি! তুই পাসও করেছিস। নামকরা আর্টিস্টও হয়েছিস। একশো টাকা দিয়ে তোর ছবি কিনছে লোকে–

    বটুক কি একটা কথা বলতে গেল। বলল না কিন্তু শেষ পর্যন্ত। ম্লান হেসে বললে, কি জানি! হ্যাঁ, তা তো বটেই; আমি আর্টিস্ট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছি। দেবী বীণাপাণির প্রসাদ পেয়েছি আমি! না, ধ্রুবানন্দ অগ্নিহোত্রীর ভবিষ্যদ্বাণী অন্তত আমার ক্ষেত্রে ফলেনি!

    বটুক কী কথা বলতে গিয়ে মাঝপথে থেমে গিয়েছিল, সেদিন তা বুঝিনি। সেটা বুঝতে পেয়েছিলাম অনেক অনেকদিন পরে।

    সাতদিনের মাথায় ফিরে এলাম ঢাকায়। ইতিমধ্যে গগ্যা এসেছিল একদিন সেতারটা নিতে। আমার সঙ্গে দেখা হয়নি। আমি বাড়িতেই ছিলাম। চাকরের হাতে যন্ত্রটা পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। গগ্যা চাকরটাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, আমি আছি কিনা। আছি শুনেও সে কিন্তু দেখা করতে চায়নি। সেতারটা নিয়ে ফিরে গিয়েছিল।

    আমি কিন্তু বটুকের সঙ্গে একমত হতে পারিনি। তার যুক্তির কোনও অর্থ হয় না। মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের দায় তাকে মেটাতে হবে। আর্টিস্ট হতে চাই বললে তার সাত-খুন মাপ হয় না। ঢাকাতে পৌঁছেই পরদিন গিয়ে দেখা করলাম শান্তি দেবীর সঙ্গে। দুপুরবেলাতেই গিয়েছিলাম, যাতে ছেলেমেয়েরা স্কুলে থাকে। সৌভাগ্যক্রমে ওঁর ফুলদাও বাড়ি ছিলেন না। এ কয়দিনে আরও যেন ভেঙে পড়েছেন শান্তি দেবী। চোখের কোলে কালি পড়েছে। মুখটা শুকিয়ে গেছে।

    –আসুন ডাক্তারবাবু, কবে এলেন?

    কালই এসেছি। শুনুন, গগ্যার সঙ্গে দেখা হয়েছে।

    ক্লান্ত বিষণ্ণ দুটি দৃষ্টি মেলে বসে থাকেন শান্তি দেবী। যেন আমার বক্তব্যের প্রতি তার কোন আগ্রহ নেই। একটু অবাক হতে হল আমাকে। এতটা অনীহার কারণ কি? যাইহোক, যা দেখেছি, যা বুঝেছিযা যা কথাবার্তা হয়েছে আনুপূর্বিক বলে গেলাম। দীর্ঘ সময় শান্তি দেবী কোন কথা বলেননি। ক্রমে ক্রমে তার উদাস দৃষ্টিতে স্বাভাবিকতা ফিরে এল। ওঁর চোখের তারায় ধীরে ধীরে ফুটে উঠল আগ্রহের রেশ। সব কথা শেষ হতে বললেন, ছবি আঁকতে চায়? আর কিছু না?

    না। আর কিছু নয়। বারে বারেই সে বললে ঐ কথা। সে বুঝেছে, ছবি না এঁকে তার নিস্তার নেই। আর এখানে বসে বসে তার ছবি আঁকা হবে না।

    হঠাৎ উঠে পড়েন উনি। বলেন, ডাক্তারবাবু, আপনাকে একটু কষ্ট দেব। আমাকে যা বললেন, সেই কথাগুলি আবার আপনাকে বলতে হবে বাবলুকে। কিছুই বাদ দেবেন না। সব কথা খুলে বলবেন।

    –বেশ। বাবলু ফিরে আসুক স্কুল থেকে।

    না। ও স্কুলে যায়নি আজ। পাশের ঘরে ঘুমোচ্ছে। আসুন, দেখুন।

    পাশের ঘরের পর্দা সরিয়ে উনি দেখালেন। এ কী? বাবলু শুয়ে আছে চৌকির উপর; কিন্তু মাথায় একটা ব্যাণ্ডেজ বাঁধা।

    -কি ব্যাপার? মাথা ফাটলো কেমন করে?

    –স্কুলে মারামারি করে এসেছে। ফুলদার কল্যাণে সারা ঢাকা শহরে রটে গেছে আপনার বন্ধুর কাহিনী। স্কুলে কে বুঝি তাই নিয়ে বাবলুকে কি বলেছে, বাপের অপমান ছেলে সহ্য করেনি। মাথা ফাটিয়ে বাড়ি এসেছে। আপনি ওকে সব কথা খুলে বলুন। ওর জানা দরকার–ওর বাপ ব্যভিচারী নয়! আবার মনে হল, অদ্ভুত মেয়ে এই শান্তি দেবী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }