Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প425 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার যদি ইচ্ছা কর – ৯

    ঢাকার বাস তুলে দিয়ে পাকাপাকিভাবে কলকাতাতেই এসে বসলাম। প্রথম মাসকতক নিজেকে নিয়েই এত ব্যস্ত ছিলাম যে বটুক অথবা গগনের কোন খোঁজখবর নিতে পারিনি। গগনের সঙ্গে অবশ্য সম্পর্ক রাখবার আদৌ কোন ইচ্ছে আমার ছিল না, কিন্তু বটুকের সাদর আমন্ত্রণ রাখতে যাবার ইচ্ছে ছিল–নানান ঝঞ্ঝাটে ঘটে ওঠেনি। ক্রমে ভুলেই গিয়েছিলাম সেকথা। মনে পড়ল হঠাৎ একদিন মাসিক বসুমতীর পাতা ওলটাতে বসে। প্রথম পাতাতে যে ছবিটি ছাপা হয়েছে তার চিত্রকর-শ্ৰীবটুকেশ্বর দেবনাথ। ছবির ক্যাপসান–পূজারিণী।  ফুলের সাজি ও নৈবেদ্যের থালা হাতে– একটি পূর্ণযৌবনা রমণী মন্দিরের ধাপ বেয়ে উপরে উঠছে। পশ্চাদপটে একটি পুকুর, নারকেল গাছ, রোমন্থনরত গাভি। মেয়েটির পরিধানে একটি ভিজে শাড়ি ছাড়া আর কিছু নেই। ফলে মন্দিরের বাতাবরণে একটা স্বর্গীয় ভাবের সঙ্গে আর্টিস্ট পার্থিব সৌন্দর্যকে সুন্দরভাবে মিলিয়ে দিতে পেরেছেন।

    সেদিনই দেখা করতে গেলাম হগমার্কেটে। দোকানের ঠিকানা বটুক আগেই দিয়ে রেখেছিল। ছোট্ট দোকান। ছবি সবই বটুকেশ্বর দেবনাথের আঁকা। প্রতিটি ছবির দাম লেখা আছে ছবির নিচে। বটুক আমাকে দেখে খুশি হল। দোকানের টুলটা টেনে বসালো আমাকে। পাশের দোকান থেকে কেক আর চা এনে খাওয়ালো। বললে, এতদিন পরে অধমকে মনে পড়ল?

    –পড়ত না। আজ মাসিক বসুমতীতে তোর ছবিখানা দেখে মনে হল আর্টিস্টকে কংগ্রাচুলেট করে আসা উচিত!

    -কেমন লেগেছে? সুন্দর নয়?

    –হ্যাঁ, চমৎকার হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাকগ্রাউণ্ডটা।

    –আরে দূর! আমি ছবিটার কথা বলছি না। বলছিলাম, সুলেখা সুন্দর নয়?

    তার মানে? ঐ তোর বউ সুলেখা নাকি?

    খুশিতে বটুকেশ্বরের চোখ দুটো মিটমিট করতে থাকে। ও বসেছিল কাউন্টারের ওপাশে একটা উঁচু টুলে। সেখানে বসে বসে পা নাচায় টুকটুক্ করে। বেঁটে মানুষটা টুলে বসে বেশ দোলনায় বসার আনন্দ লাভ করে। আমি বলি, –আরে সেকথা জানা থাকলে আরও ভাল করে মেয়েটাকে দেখতাম। আমি তো পূজারিণীকে দেখিনি, দেখেছি গোটা ছবিখানা।

    বটুক তুরুক করে নেমে পড়ে টুল থেকে। বলে, -দেখ না যত খুশি!

    র‍্যাকের নিচে থেকে টেনে বার করে অরিজিনালখানা। একটু দূরে বসিয়ে দেয় আলোর নিচে। নিজেও একটু দূরে সরে গিয়ে ঘাড় নেড়ে দেখতে থাকে।

    বলি, বিক্রি করবি? কত দাম ধরেছিস?

    না ভাই, এখানা নয়! সুলেখাকে কথা দেওয়া আছে।

    আমি হো হো করে হেসে উঠি। বলি, –কেন রে? ভিজে কাপড় পরে আছে বলে? ও ছবি তো এখন ঘরে ঘরে। অত কনসার্ভেটিভ হলে এ ছবি আঁকবারই বা কি দরকার, আর সেটা মাসিকপত্রে ছাপানোরই বা কি দরকার?

    যেন অত্যন্ত গোপন একটি খবর জানাচ্ছেবটুকেশ্বর মুখটা আমার কানের কাছে সরিয়ে এনে বললে, সুলেখাকে মডেল করে ছবিখানা এঁকেছি বটে, তবে মুখটা ইচ্ছে করেই বদলেছি। না বলে দিলে কেউ বুঝতে পারবে না এটা সুলেখার চেহারা। আসলে ফিগারটা সুলেখার, মুখটা কাল্পনিক!

    তবে আর ওটা বিক্রি করতে আপত্তি কিসের?

    –ওর পিছনে একটা সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু আছে বলে। ছবিটা এবার একজিবিশানে যাবে নট ফর সেল মার্কা নিয়ে।

    সুলেখার পোর্ট্রেট এঁকেছিস? কই, দেখি?

    –আলেখ্য কেন দীপু, গোটা মানুষটিকেই দেখে এস না বাবা। ও তো প্রায়ই বলে কই, তোমার সেই ডাক্তার বন্ধু আসবেন বলেছিলেন, তা এলেন না তো। একবার তোকে দিয়ে ওকে দেখাতেও চাই। মাঝে মাঝে ফিট হচ্ছে আজকাল। হজমের গণ্ডগোল আছে, কন্সটিপেশন! তাছাড়া এতদিনেও ওর ছেলেপুলে হল না।

    বটুকেশ্বর তার স্কেচবই বার করে দেখালো। ওর বউয়ের অনেক স্কেচ এঁকেছে, নানান গৃহকর্মে ব্যাপৃতা। রান্না করছে, তরকারি কুটছে, সেলাই করছে, বসে আছে বা শুয়ে আছে। পেনসিল, পেন-অ্যাণ্ড-ইঙ্ক, টেম্পারা এবং অয়েল। দু-চারখানা রঙিন ক্রেয়নে। বটুক ল্যাণ্ডস্কেপ আঁকে না, স্টিল লাইফও নয়, অধিকাংশ চিত্ৰই মানুষের, বরং বলা উচিত মেয়েমানুষের–আর সেই মেয়েমানুষ ওর মনের মানুষ। পাছে লোকে চিনে ফেলে বলে মুখটা শুধু বদলে দেয়। জিজ্ঞাসা করেছিলাম, পৌরাণিক বা মহাকাব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে কেন সে কাল্পনিক ছবি আঁকে না। বললে, -মুশকিল কি জানিস, পৌরাণিক ছবি আঁকতে গেলে কোন স্টাইলে আঁকব? সুলেখাকে মডেল করে সীতার অগ্নিপরীক্ষা একখানা এঁকেছিলাম। সেটা দেখে অবনদা বললেন-বটুক, তোমার সীতা অগ্নিপরীক্ষায় পার পাবেন কিনা জানি না, কিন্তু আমাকে এ কোন্ অগ্নিপরীক্ষায় ফেললে তুমি?

    –অবনদা মানে?

    –অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ছবিখানা জোড়াসাঁকোয় দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম।

    –কেন, অবনীন্দ্রনাথ ও কথা কেন বললেন?

    বটুক আমাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দেয়। অবনীন্দ্রনাথ, সুরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়, ক্ষিতীন্দ্র মজুমদার, নন্দলাল, অসিতকুমার ইত্যাদি পৌরাণিক বিষয়বস্তু নিয়ে অনেক ছবি এঁকেছেন ও আঁকছেন। তাদের একটা নতুন স্কুল হয়েছে। অবনীন্দ্রনাথের ভাষায় সেটা ভারতীয় চিত্রাদর্শ। অ্যানাটমি সেখানে বড় কথা নয়, বড় কথা ভাবের ব্যঞ্জনা। সাহিত্য পত্রিকায় এঁদের ক্রমাগত গালাগাল দিয়ে যাওয়া হচ্ছে বটে, কিন্তু দেশে-বিদেশে ক্রমে ক্রমে এই ধরনের ছবি সমাদর পাচ্ছে। অবনীন্দ্রনাথের বুদ্ধ ও সুজাতা, নির্বাসিত যক্ষ, যমুনাতটে রাধিকা, শিব-সীমন্তিনী; ক্ষিতীশ মজুমদারের রাসলীলা, শকুন্তলা, গঙ্গা; নন্দলালের– সতী, কৈকেয়ী, সাবিত্রী ও যম, গান্ধারী, কিংবা অসিতকুমারের রাসলীলা, অশোকবনে সীতা, শিব-পার্বতী সার্থক সৃষ্টি বলে স্বীকৃত হয়েছে। এসব ছবির কোথাও অ্যানাটমিকে পুরোপুরি মেনে চলা হয়নি। সুরেশ সমাজপতি তার সাহিত্যে এ জাতীয় ছবির কঠিন সমালোচনা করে চলেছেন। নন্দলালের মহাদেবের তাণ্ডবনৃত্যের সমালোচনায় লিখেছেন, মহাদেব কেন হাড়গিলার মত একপায়ে দাঁড়াইয়া আছেন, তাহা বুঝিলাম না। অবনীন্দ্রনাথের কাজরী চিত্রের প্রসঙ্গে লিখলেন, রমণীর প্যাকাটিবিনিন্দিত হাতের ত্রিভঙ্গিম ভঙ্গী। বটুকেশ্বর যে বছর ম্যাট্রিক পাস করে সেই বছরই অবনীন্দ্রনাথ সরকারী আর্ট স্কুলের সহ-অধ্যক্ষ হয়ে আসেন। আর্ট স্কুলে যখন পড়ছে তখন অবনীন্দ্রনাথের নূতন ভারতীয় ভাবাদর্শ সেখানে নবরূপ পরিগ্রহ করছিল। আর্ট স্কুলে তখন একটি পিকচার গ্যালারি ছিল। তাতে অতি সাধারণ স্তরের য়ুরোপীয় চিত্র ও ভাস্কর্যের নমুনা ছিল। আর্ট স্কুলের অধ্যক্ষই ই. বি. হ্যাঁভেল এটা সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করলেন, তাতে সায় দিলেন সহ-অধ্যক্ষ অবনীন্দ্রনাথ। ওঁরা সম্পূর্ণ নূতন ভারতীয় আদর্শে আর্ট স্কুলকে উদ্বুদ্ধ করতে চাইলেন। কলকাতার বিশিষ্ট নাগরিকদের পৃষ্ঠপোষকতায় এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে আর্ট স্কুলের ছাত্রদল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঐ সংগ্রহশালা অবনীন্দ্রনাথ অপসারিত করিয়েছিলেন। ওরিয়েন্টাল আর্টের আসন নিরঙ্কুশ হল আর্ট স্কুলে। সুরেশ সমাজপতির শ্লেষাত্মক আক্রমণ সত্ত্বেও নৃতন ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত শিল্পীর দল এগিয়ে চললেন তাঁদের পথে। দেশে-বিদেশে ক্রমে ক্রমে স্বীকৃতি পেলেন তারা। ইতিমধ্যে আর্ট স্কুলে একটি সংগ্রহশালা খোলা হয়েছে। লর্ড কারমাইকেলের আমলে এই সংগ্রহশালার পারচেস কমিটিতে যাঁরা সভ্য হয়ে এলেন তারা সকলেই ভারতীয় ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত–মিস্টার মোলার এবং মিস্টার রুবেনসন নামে দুজন সুইডিশ শিল্পরসিক, মিঃ নর্মান ব্রান্ট, এ ছাড়া গগনেন্দ্রনাথ ও অবনীন্দ্রনাথ। স্যার জন উডরফ ছিলেন কমিটির সভাপতি এবং আর্ট স্কুলের নূতন অধ্যক্ষ মিঃ পার্সিব্রাউন ছিলেন সেক্রেটারী। এই সংগ্রহশালাতে নূতন চিন্তাধারায় যাঁরা ব্ৰতী তাদের শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম স্থান পেতে শুরু করল। ওদিকে ইণ্ডিয়ান সোসাইটি অব ওরিয়েন্টাল আর্টও তখন জন্ম নিয়েছে। লর্ড কিচেনার তার পৃষ্ঠপোষক, স্যার জন উডরফ এবং বিচারপতি আশুতোষ চৌধুরীও ছিলেন। শিল্পী ও সি. গাঙ্গুলিও আছেন তার ভিতর; ফলে ওরিয়েন্টাল আর্টের জয়যাত্রায় বাধা পড়েনি।

    এই আবহাওয়াতেই বটুকেশ্বরের শিল্পকর্মে হাতেখড়ি। সে কিন্তু ভাবাদর্শ পুরোপুরি মেনে নিতে পারেনি। অবনীন্দ্রনাথ তার গুরু বটে কিন্তু মনে মনে সে গুরুত্বে বরণ করেছিল রবি বর্মাকে। পাশ্চাত্যখণ্ডের মিকেলাঞ্জেলো, রাফেল, তিশান, রেমব্রান্টও তার গুরু। ভারতীয় সমসাময়িক চিত্রকরদের মধ্যে একমাত্র যামিনী প্রকাশকে তার ভাল লাগতো। তাঁর ছবিতে মানুষের হাত-পা অস্বাভাবিক মনে হত না। ফলে, পৌরাণিক বিষয়বস্তু নিয়ে আঁকা তার প্রথম প্রচেষ্টা দেখে অবনীন্দ্রনাথ হাসতে হাসতে বলেছিলেন, –তুমি যে আমাকেই অগ্নিপরীক্ষায় ফেললে বটুক!

    আমি বলি, –তা পৌরাণিক বিষয়বস্তু না হোক ঐতিহাসিক বিষয় নিয়েও তো আঁকতে পারিস?

    –ওরে বাবা! সুরেশদার লক্ষ্মণসেনের পলায়ন নিয়ে যে কাণ্ডটা ঘটে গেল তারপর আর ঐতিহাসিক ছবি আঁকতে আছে? অত ইতিহাসজ্ঞান আমার নেই।

    তাই বটুক এঁকে যায় একটি নারীমূর্তির আলেখ্য। নানান ভঙ্গিতে। যার দেহসৌষ্ঠব তার অতি পরিচিত, আর লোকলজ্জার ভয়ে যার মুখোনি ওকে কল্পনা করতে হয়।

    আমাদের আলোচনা বেশ জমে উঠেছে, এমন সময় গগন পাল এসে হাজির। একমুখ দাড়ি, চুলগুলো উসকো-খুসকো। কাটে না আজকাল–পিছনদিকে বাবরির। আকার নিয়েছে। বেশ রোগা হয়ে গেছে গগ্যা। ভাল করে খেতে পায় না বোধহয়। গায়ে একটা ময়লা ঘেঁড়া হাফসার্ট। তার বোতামগুলো খোয়া গেছে। তাই রোমশ বুকের। অনেকটাই প্রকট। পায়ে তালপাতার চটি।

    –এই যে, ডাক্তারসাহেবও আছেন দেখছি!

    আমি জবাব দিই না। বটুক কিন্তু উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে, আয় আয়! বাঃ, কী যোগাযোগ! একই দিনে দুজন এসে হাজির। এ অকেশান সেলিব্রেট করতে হয়।

    আবার তিন কাপ চায়ের অর্ডার দিল বটুক।

    গগন একটা টিনের চেয়ার টেনে নিয়ে বসে। বলে, –মটুকু, গোটা দশেক টাকা দিবি?

    –আরে দাঁড়া ভাই। আগে বল্, নতুন কি আঁকলি?

    ঝাঁট দে ওসব ছেঁদো কথা!

    বটুক রুখে ওঠে, –ছেঁদো কথা মানে? তুই তো সব কিছুকে ঝাঁট দিচ্ছিস ঐ ছবির জন্যে। সেটাও তোর কাছে ছেঁদো কথা?

    গগন সেকথার জবাব দিল না। সে একদৃষ্টে তাকিয়ে দেখছিল আলোর নিচে রাখা পূজারিণীর দিকে। বললে, –মটকু, কেন বাওয়া রঙের শ্রাদ্ধ করছিস? একটা ক্যামেরা। কিনে ফেল। তাতে তবু তো বউকে চেনা যাবে।

    বটুকের উৎসাহ নিভে গেল হঠাৎ। আমতা আমতা করে বললে, দূর! ও বুঝি আমার বউ? ও তো পূজারিণী। একটা আইডিয়া।

    হো হো করে হেসে উঠল গগন। বললে, –তুই আমার কাছেও চাল মারবি? ও ছুকরির আপাদকণ্ঠ যে আমার চেনা আছে ব্রাদার। মুণ্ডুখানা হয় কল্পনা করেছিস, না হলে আঁকতে পারিসনি। তা ডাক্তারসাহেবকে ডাকতে হল কেন? নিমুনিয়া হয়েছে বলে?

    নিমুনিয়া? কার?

    কার আবার, তোর বউয়ের। ভিজে কাপড়ে তাকে সিটিং তো কম দিন দিতে হয়নি! তা একটা কথা আমাকে বুঝিয়ে দে তো মকু। ছুঁড়ি ভিজে তাঁতের শাড়ি পরে মন্দিরে যাচ্ছে কেন? শুকনো গরদ কি তসরের শাড়ি পরলে ক্ষতি কি ছিল?

    বটুক স্পষ্টতই আহত হয়েছিল। গম্ভীরভাবে বললে, শিল্পী বোধহয় কল্পনা করেছেন–ঐ পুকুরে স্নান সেরে মেয়েটি মন্দিরে যাচ্ছে, ভিজে কাপড় এখনও সে ছাড়েনি।

    বুঝলাম। কিন্তু সায়া-সেমিজ-জ্যাকেট খুলে বুঝি গাঁয়ের মেয়েরা নাইতে যায়?

    এবার বটুকের তরফে আমিই অগ্রসর হয়ে আসি। বলি, এতে রিয়ালিস্টিক ভাবই ফুটেছে। গ্রামের মেয়েরা দরিদ্র–সায়া-সেমিজ-জ্যাকেট তারা দিবারাত্র পরে না।

    –ও, রিয়ালিসম! কথাটা আমার খেয়াল ছিল না। তা তো ঠিকই। গাঁয়ের মেয়েদের অত পয়সা কোথায়? রুজ, আলতা, লিপস্টিক কিনতেই তো সব খরচ হয়ে যায়!

    –তার মানে?

    –তাই দেখছি কিনা! বটুকের বউ–আই মীন, ঐ পূজারিণীর কাপড় ভিজে একসা হয়েছে, অথচ প্রসাধনটা ধুয়ে যায়নি। মায় কপালে সিঁদুরের টিপটা পর্যন্ত স্নানের সময় ধেবড়ে যায়নি। রিয়ালিস্টিক ছবি কিনা!

    বটুক কোন প্রতিবাদ করে না। খবরের কাগজে মুড়ে ছবিখানা সরিয়ে রাখে।

    –দে, সিগ্রেট দে।

    বটুক নিঃশব্দে সিগারেটের প্যাকেটটা বাড়িয়ে দেয়। চা খেয়ে, সিগারেট ধ্বংস করে এবং আশ্চর্য-নগদ দশ টাকা ধার নিয়ে গগন উঠে পড়ে। যাবার সময় আমার দিকে ফিরে বলে, -ডাক্তারসাহেবের পসারের এখন কোন স্টেজ? শতমারী, না সহস্ৰমারী?

    আমি জবাব দিইনি। গগনও আমার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করে না। বটুকের প্যাকেট থেকে আর একটা সিগারেট নিয়ে ফুঁকতে ফুঁকতে চলে যায়।

    ও চলে যাবার পর বটুককে বলি, –গগ্যাকে এ পর্যন্ত কত টাকা ধার দিলি?

    এবারও বটুক জবাব দেয় না। টুকিটাকি নাড়তে থাকে। বেশ অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছে সে।

    -কি রে? জবাব দিলি নে যে বড়? কেন তুই ঐ লোফারটাকে প্রশ্রয় দিস?

    হঠাৎ মুখ তুলে তাকায় বটুক। বলে, দীপু! আমার একটা কথা বিশ্বাস করবি? আজ থেকে একশো বছর পরে যদি কেউ তোর-আমার নাম উচ্চারণ করে তবে তা করবে এইজন্য যে, আমরা গগন পালের বন্ধু ছিলাম!

    এর চেয়ে ও যদি আচমকা আমাকে একটা চড় মেরে বসত আমি কম অবাক হতাম!

    আমার চমকটা ভাঙার আগেই ও বললে, হতভাগাটা কিছুতেই ওর ছবি বেচবে না। কাউকে দেখাবে না

    –ওর ছবি এখন বাজারে ছাড়লে বিক্রি হবে?

    –বোধহয় না। গতবছর আর্ট এজিবিশানে আমি জোর করে ওর দুখানা ছবি পাঠিয়েছিলাম। সিলেকশান পায়নি। লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল। আর ও হতভাগা বললে, -মটুকু, এ আমি জানতাম রে! আমার ছবি সিলেকসান পাবে আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরে। তুই জিজ্ঞাসা করছিলি এ পর্যন্ত কত টাকা ওকে ধার দিয়েছি? তা শতখানেকের উপর হবে। জানি, শোধ ও দেবে না; কিন্তু তবু না দিয়ে পারি না। আর টাকার কথাই যদি বলিস–তাও শোধ হবে! আজ ব্যাঙ্কে ঐ শতখানেক টাকা রাখলে সুদসমেত সেটা যত টাকা হবে তার দশ-বিশগুণ বেশি টাকা পাবে আমার নাতি এই ছবিখানা বিক্রী করলে।

    দোকান ঘরের পিছন থেকে একখানা ক্যানভাস নিয়ে এল বটুক। ১৮x১২ মাপের ছবি। প্রথমটা মনে হল ক্রোম ইয়ালো, সিপিয়া আর কোবাল্টব্লুর বাটিতে ডুব দিয়ে তিনটে ইঁদুর ঐ ক্যানভাসটার উপর যৌথ নৃত্য করেছে। কিছুই বোঝা গেল না–ছবিটার বিষয়বস্তু কী। তারপর অনেকক্ষণ দেখতে দেখতে মনে হল–একটা খোলার চালের বস্তী। একটা চায়ের দোকান। একটা ছ্যাকড়া ঘোড়ার গাড়ি। পায়ের কাছে কাদা-মাখা ঘোলা জল, একটা ল্যাংটো বাচ্চা, আঁস্তাকুড়, আর এই সব কিছুর উপর দুটি খোলার চালের মাঝখানে আটকা পড়েছে একমুঠো নীল আকাশ। তাতে একটি মাত্র সূরযসাক্ষী নিঃসঙ্গ চিল। এমন ছবি আমি জীবনে দেখিনি একথা অনস্বীকার্য। এর আঙ্গিক, এর অঙ্কন-পদ্ধতি, এর ব্যঞ্জনা সবই নতুন। বলি, -এর মধ্যে সুন্দর কোন্টা?

    বটুক বললে, ছবিতে সব সময় সুন্দর কিছু যে থাকতেই হবে তার মানে কি? আর ব্যাপক অর্থে যদি বলিস, তবে ঐ বস্তী পরিবেশের বাস্তব কদর্যতার মধ্যেই ওর সৌন্দর্য।

    ব্যাপারটা কিছুই বোঝা গেল না। তাই প্রশ্ন করলাম অন্যদিক থেকে, –এই যদি সার্থক ছবি, তবে তুই এই স্টাইলে আঁকিস না কেন?

    –তার একমাত্র কারণ আমি বটুক দেবনাথ, গগন পাল নই!

    আমি বলি, কি জানি ভাই, আমার আর্ট সম্বন্ধে যেটুকু ধারণা আছে, তাতে এ ছবিকে কিছুতেই একটি সার্থক সৃষ্টি বলতে পারছি না। প্রথমত, ছবিটা অত্যন্ত তাড়াহুড়ো। করে আঁকা। আমার তো মনে হয় আধঘন্টার বেশি সময় লাগেনি। ফলে এটা সৌখীন মজদুরী। এর পিছনে দীর্ঘ সময়ের সাধনা নেই। দ্বিতীয়তঃ, এ বাচ্চা ছেলেটার গায়ের রঙ সবুজ কেন হল তার মাথা-মুণ্ডু বোঝা যাচ্ছে না। মহিষাসুর ছাড়া সবুজ রঙের মানুষের চেহারা কোথাও দেখিনি। তৃতীয়তঃ, সামনে এই কাদার মধ্যে ঘোলা জল যেটা জমে আছে সেটা কোন দুঃখে টকটকে লাল রঙের হল? চতুর্থতঃ, ঐ আঁস্তাকুড়টা বাদ দেওয়াই শোভন হত–বিশেষ করে ঐ মরা বেড়ালটাকে। ওটা ছবিটাকে বীভৎস করে। তুলেছে।

    বটুক একদৃষ্টে ছবিটা দেখছিল। অনেকক্ষণ কোন জবাব দিল না। তারপর ধীরে ধীরে বললে, আমি তোর সঙ্গে একমত দীপু। ঠিক ঐ ত্রুটিগুলিই আমি দেখিয়েছিলাম। ছবিখানা প্রথম দেখে। গগ্যা তার নিজের ছবির সমালোচনা করে না। কিন্তু সেদিন সে মুডে ছিল। দুটি বোতল শেষ করে ভাম হয়ে বসেছিল ওর ছাপরায়? জবাবে কি বললে জানিস?

    কি?

    বললে, বাবা মটুকু, এ ছবির অর্থ তুমি বুঝবে না চাঁদু। এটি নিয়ে যাও। যত্ন করে রেখে দিও। অনেক টাকা ধার দিয়েছ আমাকে, পঞ্চাশ বছর পরে এই ছবিখানা সে ধার শোধ দেবে। যাও!–আমি বলেছিলাম, ওসব বাজে কথা শুনছি না। ছেলেটা সবুজ, জলটা লাল কেন হল বল্ আগে!-ও বললে, ছবিটা দেখতে হবে আমার চোখ দিয়ে। বাস্তবে কি ছিল জানতে হলে তো তার ফটো তুলতাম। এ তো ফটো নয়–এ হচ্ছে শিল্পীর চোখে দেখা বরানগরের চটকল বস্তী! মাইণ্ড দ্যাট! শিল্পীর চোখে দেখা। শিল্পী ঐ খণ্ডমুহূর্তে দেখেছিলেন ঐ ল্যাংটো ছেলেটার মধ্যে ভবিষ্যৎ তারুণ্যের বিদ্রোহ। তাই তার রঙ সবুজ। সবুজ হচ্ছে তারুণ্যের প্রতীক। শিল্পীর চোখে ওটা বস্তীর কাদা-গোলা জল নয়–বস্তীমজদুরের পাঁজর নিংড়ানো রক্ত! শিল্পী বলতে চান–তবুও এখানে আকাশ বন্দী হয়নি। মরা বেড়ালের ছানাটাই এখানে শেষ কথা নয়, তবুও আছে আকাশ! এ ছবির মানে বুঝতে হলে শিল্পী যে যন্ত্রণা ভোগ করেছেন সেই যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে তাকে দেখতে হবে!সব কথা আমি বুঝতে পারিনি; তবু বলেছিলাম, –বেশ, তাহলে তোর নামটা লিখে দে। নিয়ে যাই। গগ্যা হেসে বলেছিল, –মটুকু কোথাকার! আমার স্বাক্ষর তো রয়েছে ছবিতে। দেখতে পাচ্ছিস না? ঐ একমুঠো আকাশের নিঃসঙ্গ চিলটাই আমার স্বাক্ষর।

    সেদিন আমার কাছে সবটাই পাগলের প্রলাপ মনে হয়েছিল।

    .

    বটুকের নিমন্ত্রণ রাখতে গিয়েছিলাম।

    ভবানীপুর অঞ্চলে যোগেশ মিত্র রোডে। দ্বিতল বাড়ি, তার একতলায় দুখানি ঘর ভাড়া নিয়ে বটুক বাস করে। দক্ষিণ-চাপা ঘর, বটুক অবশ্য তাতে দুঃখিত নয়দখিনা বাতাসের চেয়ে নর্থ-লাইটটাই নাকি তার বেশি প্রয়োজন। সরু গলির ভিতর। তা হোক, ট্রামের ঘড়ঘড়ানি নেই। মনের একাগ্রতা নষ্ট হয় না। বাইরের ঘরটাই ওর স্টুডিও। পাশে ওর শয়নকক্ষ। পিছনে একফালি বারান্দা। তার ও-প্রান্তে রান্নাঘর। উঠানের ওপাশে স্নানাগার–সেটা দ্বিতলবাসীর সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়।

    বটুক আমাকে আপ্যায়ন করে বসালো। ঘরে মস্ত একটা চৌকি, প্রায় ঘরজোড়া। তার উপর ফরাস। চৌকির উপর একটা কাঠের ডেক্সাে। বটুক ছবি আঁকে ভারতীয় পদ্ধতিতে চৌকিতে বসে, টুলে বসে নয়। রঙ, তুলি, রঙের বাটি একপাশে সাজানো। আর্টিস্টের স্টুডিও বলতে যে অগোছালো ছবিটা মনে ভেসে ওঠে এ-ঘরের সঙ্গে তার সাদৃশ্য নেই। দেওয়ালে অসংখ্য তৈলচিত্র। ওপাশে থাক দেওয়া আছে আরও অনেক ক্যানভাস। ডেকের উপর একটি ছবি খবরের কাগজে ঢাকা দেওয়া।

    আমি ঘুরে ঘুরে ছবিগুলি দেখলাম। প্রথম যুগে অনেক স্টিল-লাইফ ও নিসর্গচিত্রও সে এঁকেছে দেখছি। ইদানিং কালে সে শুরু করেছে নারীচিত্র আঁকতে। বোধহয় বিবাহের পর থেকে। তন্ময় হয়ে ছবিগুলি দেখছি, হঠাৎ পিছন থেকে শুনলাম নারীকণ্ঠে, নমস্কার!

    ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি শিল্পীর স্ত্রীকে। সুলেখা দেবী। বছর ত্রিশ-বত্রিশ বয়স হবে। বটুকের চেয়ে বছর পাঁচেকের ছোট। ওঁকে দেখেই বুঝতে পারি কেন বটুক য়ুরোপীয় পদ্ধতির দিকে ঝুঁকেছে। ভদ্রমহিলার দেহসৌষ্ঠব মোটেই বাঙালী মেয়ের মত নয়। লম্বায় বটুকের চেয়ে অন্তত চার আঙুলের বড়। অথচ সেজন্য শীর্ণকায়া মনে হয় না। তাকে। হয়তো সন্তান হয়নি বলেই দেহের বাঁধুনি এখনও অটুট। পীনোদ্ধত উরস ও গুরু নিতম্বের মাঝখানে মধ্যে-ক্ষামা কটিদেশ। রঙ কালো; কিন্তু এতটুকু কুঞ্চন নেই গাচর্মে। চোখ দুটি গভীর, চিবুকটা নিখুঁত এবং মাথার চুল অজস্র। মাথায় ঘোমটা ছিল, : কিন্তু খোঁপা ছিল না। ঘন কালো কোকড়ানো চুল পাতলা শাড়ির মধ্যে দিয়েও দেখা যাচ্ছে গুরু নিতম্বে আছড়ে পড়েছে।

    বটুক বললে, -কেমন হয়েছে বউ?

    সুলেখা দেবী লজ্জা পেলেন। স্বামীর দিকে ফিরে বলেন, কথা বলার কি ছিরি! চোদ্দ বছর হয়ে গেছে মশাই-এখন কি আমি নতুন বউ?

    বটুক তার কুতকুতে চোখ দুটো পিট পিট করে বলে, -চল্লিশ বছর পরেও তুমি নতুন বউ থাকবে! না কি বলিস দীপু?

    আমি হেসে বলি, –তা জানি না, তবে এটুকু বলতে পারি পূজারিণী ছবিতে তুমি যদি কল্পনার আশ্রয় না নিতে তবে ভাল করতে।

    একটু রাঙিয়ে ওঠেন সুলেখা দেবী। বলেন, বসুন, আমি ওদিকটা দেখি।

    উনি আহারের আয়োজন করতে গেলেন। আমরা দুই বন্ধু গল্প করতে বসি। জিজ্ঞাসা করলাম, তুই এখন কি আঁকছিস?

    বটুক মুখে জবাব দিল না। কাপড়ে মোড়া ক্যানভাসখানা খুলে চৌকির ও-প্রান্তে বসিয়ে দিল। বেশ বড় একখানা ক্যানভাস। ওর স্ত্রীর পোর্ট্রেট। মেয়েটি শুয়ে আছে খাটে-ঠিক শুয়ে নেই, অর্ধ-শয়ান। তার পিঠের নিচে একটা বালিশ, মাথার নিচে আর একটা। দুটি হাত মাথার উপর বেষ্টন করে আছে। পরিধানে একটা কল্কা পাড় বেনারসী শাড়ি। মাথার চুল খোলা বালিশের ওপর ছড়িয়ে রয়েছে। ছবিটা অসমাপ্ত।

    আমি বললাম, -এখানা খুব ভাল ছবি হবে। হয়তো পোর্ট্রেট সেকশানে প্রাইজ পাবে।

    বটুক তার ছোট ছোট চোখ দুটি তীক্ষ্ণ করে বললে, আচ্ছা দীপু, এ ছবিতে তোর চোখে কোন কিছু বিসদৃশ লাগল? কোন অসঙ্গতি?

    বিসদৃশ? কই, না তো! আমার বরং মনে হচ্ছে ঠিক এই পোজে আঁকা পোর্ট্রেট আরও কোথাও দেখেছি। কোন বিখ্যাত শিল্পীর ঠিক মনে আসছে না।

    হ্যাঁ, গইয়ার। ছবিটার নাম ডাচেস অফ আলভা। মাদ্রিদে আছে। কিন্তু আনন্যাচারাল কোন কিছু লাগছে না তো?

    আমি মাথা নেড়ে বললাম, কই, না!

    –অথচ এই ছবিখানা নিয়েই গগ্যার উপর ভীষণ চটে গেছে বউ। ইন ফ্যাক আজ তাকেও নিমন্ত্রণ করতে চেয়েছিলাম আমি। বউ রাজী হল না। ও তাকে দুচোক্ষে দেখতে পারে না।

    –তোর বউয়ের সঙ্গে গগ্যার আলাপ করিয়ে দিয়েছিস বুঝি?

    -হ্যাঁ। ওকে একবার টেনে এনেছিলাম এখানে। তা সেই প্রথম দিন থেকেই ওকে । একেবারে শনির দৃষ্টিতে দেখছে সুলেখা। বলেছে, খবরদার তোমার বন্ধুকে আর বাড়িতে আনবে না।

    আমি বলি, –গগ্যাটা যা ঠোঁটকাটা, কিছু বেঁফাস কথা বলে ফেলেছিল নিশ্চয়।

    –তা ফেলেছিল। গগ্যাকে ছবিটা দেখাতেই বললে, -এ আবার কি রে? এমন পাটভাঙা বেনারসী পরে কেউ শুতে আসে? তাতে আমি ঠাট্টা করে বলেছিলাম, ঐ আশ্লেষ-শয়নার ভঙ্গিতে যে আমন্ত্রণ আছে সে কি নিদ্রাদেবীর? ও তো প্রসাধন সেরে দয়িতের প্রতীক্ষা করছে। আর হতভাগা ফস করে বললে, তাহলে বেনারসী কেন বাবারিয়ালিসমের চূড়ান্তই কর না কেন? ন্যুডস্টাডি আঁক! তখন বউ ছিল পাশের। ঘরে। কথাটা তার কানে গেছে।

    আমি বলি, -গগনের অন্যায় হয়েছে।

    নয়? আর শুধু কি তাই! আমার সবগুলো ছবি দেখে বললে, -মটকু, তোর তো পয়সার অভাব নেই বাবা। তুই একটা ক্যামেরা কিনে ফে হতভাগাটাকে তুলি ধরতে শেখালাম আমি, আর সেই আমাকেই

    খেতে বসেছিলাম আমরা ভিতরের একফালি বারান্দায়। একজন পাঁচক ব্রাহ্মণ পরিবেশন করছিল। সুলেখা দেবী একটা হাতপাখা নিয়ে বসেছিলেন একটু দূরে। বলি, কই, মাংসের হাঁড়িকাবাব কই? শুনেছি আপনি খুব ভাল হাঁড়িকাবাব বানাতে পারেন

    আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বটুক বললে, দেখলে? আমি তখনই বলেছিলাম? তুমি বেশি পণ্ডিত্বেমি করলে?

    ব্যাপার কি? একটু পরেই ব্যাপারটা বোঝা গেল। বামুনের জাত যাতে মারা না যায়, তাই বটুক একটি পাঁচক ব্রাহ্মণকে একদিনের জন্য ঠিকা নিয়েছে। রান্নায় হাত দেয়নি সুলেখা।

    আমি বলি, –এটা উনিশ শো চব্বিশ সাল! আর আমি ডাক্তারমানুষ-অত জাতের পুতুপুতু নেই আমার। মাংসের হাঁড়িকাবাব কিন্তু আমার পাওনা থাকল সুলেখা দেবী!

    সুলেখী দেবী বলেন, বেশ তো, আসছে রবিবার আসুন।

    না, এবার আপনারা যাবেন আমার বাসায়। আমার স্ত্রীর সঙ্গে আপনার আলাপ হয়নি এখনও।

    আহারান্তে সুলেখা দেবীকে পরীক্ষা করলাম। মাঝে মাঝে ওর ফিট হয়। হজমেরও গণ্ডগোল আছে। জনান্তিকে বটুককে বলি, –ছেলেপুলে না হলে ওঁর এ ফিটের ব্যারাম সারবে না। মেয়ে-ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে।

    বটুক ভিতরের দিকে নজর দিয়ে দেখল; তারপর নিম্নস্বরে বলল, –ওর পেটে একবার সন্তান এসেছিল। বাঁচেনি।

    কতদিন আগে?

    অনেক আগে। প্রায় চোদ্দ বছর।

    একটু চমকে উঠি। চোদ্দ বছর হল বিয়ে হয়েছে ওদের। জিজ্ঞাসা করি, বিয়ের আগে থেকেই ওঁকে চিনতিস বুঝি?

    বটুক সচকিত হয়ে বলে, –পরে তোকে সব বলব।

    .

    সে কাহিনী আর শোনা হয়নি তখন।

    আরও মাস চার-পাঁচ পরে আবার ওদের সঙ্গে একদিন দেখা হয়ে গেল চৌরঙ্গীর উপর। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। হঠাৎ পিছন থেকে কে নাম ধরে ডাকছে শুনে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি শ্রীমান বটুকেশ্বর। তিন-পিসের একেবারে কায়দা দূরস্ত বিলাতি সুট, হাতে ঘড়ি, মাথায় বাউলার হ্যাট। ওয়েস্টকোটের পকেটে রূপালি চেনে পকেট ঘড়ি।

    কি হে ডাক্তারসাহেব? কোথায় চলেছ?

    এতক্ষণে নজর হল বটুকের পাশেই যে মহিলাটি আছেন তিনি সুলেখা দেবী। সাজগোেজ তিনিও কম করেননি। বেনারসী শাড়ির আঁচলটা গেঁথেছেন জড়োয়া ব্রোচে, গায়ে পুরো-হাতা জ্যাকেট, পায়ে খুরওয়ালা জুতো-যা বাঙালী মেয়েরা পায়ে দিয়ে পথ চলতে সাহস পায় না। নমস্কার করে বলি, কী খবর? ভাল আছেন?

    সুলেখী দেবী কিছু বলার আগেই বটুক বলে ওঠে, -এবারে একজিবিশান দেখেছিস? আয় না, একসঙ্গে দেখা যাক। সুলেখা এবার প্রাইজ পেয়েছে যে

    সুলেখা?–আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করি।

    –আই মীন সুলেখার সেই ছবিখানা। সেই পোর্ট্রেটখানা। চল দেখাই।

    আজ ওর আনন্দের দিন। তিন-চার বছর প্রদর্শনীতে ওর ছবি থাকছে, এই প্রথম সে প্রাইজ পেয়েছে। আমার অনেক কাজ ছিল হাতে। বিয়ের বাজার করতে বেরিয়েছি। কিন্তু সেকথা ওদের বললাম না। রাজী হয়ে গেলাম। বটুক আমাকে নিয়ে গেল প্রদর্শনীতে। ছাপানো প্রোগ্রাম বই সে-ই কিনল। আমাকে এক একখানা করে দেওয়ালে টাঙানো ছবি দেখিয়ে নানা জ্ঞানগর্ভ আর্টের তত্ত্ব বোঝাতে থাকে। সুলেখা দেবী সঙ্গে সঙ্গে আছেন। যতদূর মনে পড়ছে সেবার অসিতকুমারের সুরের আগুন, সমরেন্দ্র গুপ্তের নটরাজের মন্দিরে, যামিনীবাবুর গণেশজননী আর দেবীপ্রসাদের বুদ্ধের নির্বাণ প্রদর্শিত হয়েছিল। আর প্রতিযোগিতার বাইরে দেখানো হয়েছিল অবনীন্দ্রনাথের শাজাহানের মৃত্যু। গগনেন্দ্রনাথের একখানি ছবি ছিল; তার গঠন পদ্ধতিটা ঠিকমত বুঝলাম না। বটুক বলল, এটা একটা নতুন পদ্ধতি, এর নাম ভারতীয় শিল্পকলায় চতুষ্কোণবাদ।

    –এ নাম কে দিয়েছে?

    স্টেলা ক্রামরীশ বলেছেন, এ হল ইণ্ডিয়ান কিউস্টিক ছবি। কিউবিস জানিস তো? বছর আট-দশ আগে একবার বার্লিন থেকে ক্যানডিস্কি আর জার্মান কিউবিস্টদের ছবি এনে সোসাইটিতে দেখানো হয়েছিল। গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই চিত্রকরদের উদ্দেশ্য আর আদর্শের কথা বুঝে নিয়ে নিজস্ব ধ্যানধারণায় আর স্বকীয় পদ্ধতিতে এই নতুন চতুষ্কোণবাদের রূপ দিয়েছেন।

    এর পরে সে কিউবিস্মের গোড়ার কথায় এল। সেখান থেকে ডাডাইস ইম্প্রেশনিস সুররিয়ালিস কত নূতন নূতন তথ্য। সুলেখার কাছে বোরিং হয়ে যাচ্ছে। মনে করে একসময় বলিজানিস দীপু, এই ঘরে ঠিক ঐ জায়গাটায় বছর পাঁচেক আগে একটা মজার কাণ্ড হয়। আমি তার প্রত্যক্ষদর্শী। সেবার বার্ষিক প্রদর্শনীতে গগনেন্দ্রনাথ দিয়েছিলেন খানকতক কার্টুন ছবি। কার্টুন আঁকায় তিনি ওস্তাদ, তা তো জানিসই, একটা ছবি ছিল বিবাহ-বিশারদাঁ কুলীন বামুনদের আক্রমণ করে, একটা ছিল ইঙ্গবঙ্গ বাবুদের ব্যঙ্গ করে, আর একখানার ক্যাপশান ছিল পীস ডিক্লেয়ার্ড ইন দ্য পঞ্জাব। জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের উপর। নরকঙ্কাল আর নরমুণ্ডে আকীর্ণ জালিয়ানওয়ালাবাগের মাঠ। দু-একটি বুড়ো শকুন ঝিমোচ্ছে। আর মড়ার খুলির পাহাড়ে শান্তভাবে অর্ধশয়ান ইংরাজশাসক ওডায়ার! তা সেবার বড়দিনে কলকাতায় এসেছিলেন ভাইসরয় লর্ড চেমসফোর্ড। বড়লাটকে প্রদর্শনীতে নিয়ে আসার ব্যবস্থা হল। কেউ কেউ বললেন, পাঞ্জাবের উপর কার্টুনখানি সরিয়ে রাখলেই ভাল হয়। কিন্তু অবন-গগন তা মানবেন কেন? অগত্যা ছবিখানা থাকল যথাস্থানে। লর্ড চেমফোর্ড এলেন। প্রদর্শনীর বড়কর্তারা সঙ্গে সঙ্গে চলেছেন। ক্ষিতীনদা আছেন, স্যার আর. এন. আছেন, অতুল বসু ছিলেন, গগনেন্দ্রনাথ, ও. সি. গাঙ্গুলীরা ছিলেন–আর আমিও ছিলাম দলের সঙ্গে। স্টেলা। ক্রামরীশই প্রতিটি চিত্রের ইন্ট্রোডাকশান হিসাবে দু-চার কথা বলতে বলতে আসছিলেন। ব্যঙ্গচিত্রটির কাছে এসে তিনি নীরব হলেন। বড়লাট হয়তো খেয়াল করতেন না। ঐ নীরবতাই তার দৃষ্টিটা আকৃষ্ট করল দৃশ্যপটের দিকে। হঠাৎ যেন হোঁচট খেয়েছেন। বড়লাট। থমকে পিছিয়ে আসেন। ঘুরে দেখেন ক্রামরীশের দিকে। তিনি হেসে বলেন, –আই শ্যডন্ট, অফ কোর্স, ট্রাই টু অ্যানালাইস এ কার্টুন অ্যাণ্ড মার ইটস্ হিউমার! লাটবাহাদুর ঝুঁকে পড়ে দেখলেন চিত্রকরের স্বাক্ষর। আড়চোখে তাকিয়ে দেখলেন নির্ভীক চিত্রকরও দাঁড়িয়ে আছেন পাশে। মাথায় কাজ করা টুপি, গায়ে সিল্কের জোব্বা। উপযুক্ত খুড়োর উপযুক্ত ভাইপো। খুড়ো যদি অত বড় নাইটহুড ছাড়তে পারেন তবে ভাইপো একখানা ছোট্ট মতো কার্টুন ছাড়তে পারবেন না! সুলেখা দেবী বললেন, –চল, এবার ও-ঘরের ছবিগুলো দেখি।

    চল। ওটা হচ্ছে ইণ্ডিয়ান আর্ট সেকশান।

    কিন্তু সেদিকে অগ্রসর হতে গিয়েই বাধা পেলাম আমরা। মঁসিয়ে পল গগ্যা তার বিশাল বপু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দোরগোড়ায়। আমাদের দেখতে পেয়ে তার প্রকাণ্ড দেহটি বিনয়াবনত করে বলেন, কী সৌভাগ্য! একসঙ্গে ত্রিরত্ন! আর্টিস্ট, আর্ট সমঝদার আর আর্ট মডেল?

    ভু দুটি কুঁচকে ওঠে সুলেখা দেবীর। গগ্যার ঐ প্রকাণ্ড দেহটাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে সে এগিয়ে যায় সামনের দিকে। যেন গগ্যাকে সে দেখেনি। বটুক বলে, –দেখলি?

    -আমি তো দেখলাম, কিন্তু উনি বোধ হয় আমার মত ক্ষীণদেহী নগণ্য জীবকে দেখতে পেলেন না।

    না, আমি বলছি একজিবিশান দেখলি?

    –তাও দেখলাম। চল, আবার দেখি তোদের সঙ্গে।

    এই এক ফ্যাচাং জুটল। বটুক কিন্তু নির্বিকার। বেশ বুঝতে পারি বটুকের স্ত্রী বিরক্ত হয়েছেন। কিন্তু পথে-ঘাটে দেখা হলে বটুকই বা কি করবে? আমরা চারজনেই পাশের ঘরে ঢুকি। বটুক গগ্যাকে বলে, –এবার আমার একখানা ছবি প্রাইজ পেয়েছে।

    –প্রাইজ পেয়েছে? কই, কোনখানা?

    সুলেখার পোর্ট্রেটখানা।

    –ও তো কনসোলেশান প্রাইজ। ও, ঐটার কথা বলছিস! আমি ভেবেছি কোন ছবি প্লেস পেয়েছে বুঝি?

    সুলেখা দেবী ফস করে বলে বসেন, –আপনার ছবি কোন্ ঘরে আছে গগনবাবু?

    গগ্যা ঘুরে দাঁড়ায়। আপাদমস্তক সুলেখা দেবীকে দেখে নিয়ে বলে, –আমার ছবি এখানে নেই।

    সাবমিট করেছিলেন সিলেকশান পাননি, না কি সাবমিট করবারই সাহস হল না।

    গগ্যা ম্লান হেসে বলে, না, আমি কোন ছবি দাখিলই করিনি।

    –গতবার করেছিলেন, না? সিলেকশান পায়নি?

    –না, গতবারও আমি সাবমিট করিনি। করেছিল বটুক।

    —-আপনার বিনা সম্মতিতে?

    -না, সম্মতি ছিল; কিন্তু আমি জানতাম ওরা আমার ছবির মানে বুঝবে না–

    এবার সুলেখা দেবী তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গের হাসি হেসে বলেন, –ঐ ধারণাটাই বুঝি আপনার তরফে কনসোলেশান প্রাইজ?

    গগ্যা জবাব দিল না। এক নম্বর হার হল বোধ হয় তার।

    ছবি দেখতে দেখতে আমরা এসে উপস্থিত হই পোর্ট্রেট সেকশানে। অতুল বসুর একটি ছবি ফার্স্ট প্রাইজ পেয়েছে। দ্বিতীয় প্রাইজ পেয়েছেন দক্ষিণ ভারতের কে একজন চিত্রশিল্পী–নাম ভুলে গেছি। বটুক পেয়েছে কনসোলেশান প্রাইজ! ছবিটা বেশ ভালই উৎরেছে। আমি এটা অর্ধসমাপ্ত দেখেছিলাম মাস কয়েক আগে। গগ্যা ছবিটা দেখে হঠাৎ সুলেখা দেবীর দিকে ফিরে বললে, আজকের দিনে ঐ বেনারসীটা না পরে এলেই পারতেন। ঐ দেখুন সবাই আপনার দিকে তাকাচ্ছে!  এতক্ষণে লক্ষ্য হয়, চিত্রে বটুক যে বেনারসীখানা এঁকেছে সেখানাই পরে এসেছেন সুলেখা দেবী। কিন্তু এভাবে গগ্যার বলা উচিত হয়নি। সুলেখা দেবী কিন্তু ভ্রূক্ষেপ করলেন না, বেশ সপ্রতিভভাবে বললেন, আপনি নিজেকে আর্টিস্ট বলে পরিচয় দেন, অথচ রূপসজ্জার এই ফাণ্ডামেন্টাল কথাটাই জানেন না? সজ্জার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপরের দৃষ্টি নিজের দিকে আকর্ষণ করা। এই যে আপনি দাড়ি কামান না, চুলে তেল দেন না এর বেসিক মোটিভটা কি? ব্লেড কেনবার পয়সা নেই, দুপয়সার সরষের তেল কিনতে পারেন না বলে তো নয়! আপনি পাঁচজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। বলতে চান–ওগো তোমরা আমাকে চিনে নাও, আমি আর্টিস্ট! আমার ছবি একজিবিশানে সিলেকটেড না হলেও আমি বোহিমিয়ান আর্টিস্ট!

    শুধু গগ্যাই নয় আমিও অবাক হয়ে যাই। সুলেখা দেবী কি রীতিমত লেখাপড়া জানা মেয়ে?

    গগ্যার এবারও বাক্যস্ফুর্তি হল না। দু নম্বর হার হল তার।

    সুলেখা দেবী হঠাৎ আমার দিকে ফিরে বললেন, বড্ড স্টাফি লাগছে, চলুন বাইরে গিয়ে কোথাও বসি।

    হঠাৎ গগ্যার দিকে ফিরে বলেন, –আচ্ছা চলি, নমস্কার।

    অর্থাৎ- তুমি আমার লেজুড় ধরে সঙ্গে সঙ্গে এস না বাপু!

    গগ্যা নক-আউট!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }