Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমাদের মহাভারত – ১১

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়  আমাদের মহাভারত – ১১

    ॥ ১১ ॥

    পরদিন একই সময়ে, একই জায়গায় মুখোমুখি দাঁড়ালেন দু’ পক্ষ। এই সব যুদ্ধে কোন দল শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে, যুদ্ধ কতদিন চলবে, এই চিন্তা, এই দুশ্চিন্তা সব সময় যোদ্ধাদের মন জুড়ে থাকে। দু’ পক্ষেই বড়-বড় বীর আছেন, তাই শেষ পর্যন্ত কোন দল যে জিতে যাবে, তা এখন বলা খুবই শক্ত।

    পাণ্ডবপক্ষে রাজা যুধিষ্ঠির সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করেন কর্ণকে নিয়ে। এখনও যুধিষ্ঠির কর্ণের সঙ্গে তাঁদের কী সম্পর্ক, তা জানেন না। তিনি মনে করেন, অর্জুনের চেয়ে কর্ণই যুদ্ধবিদ্যায় বেশি দক্ষ। সে যদি হঠাৎ অর্জুনকে হারিয়ে দেয়, তা হলে তো পাণ্ডবদের জয়ী হওয়ার কোনও সম্ভাবনাও থাকবে না। কর্ণ এখনও যুদ্ধে যোগ দেননি বটে, কিন্তু যে-কোনও সময় কর্ণ তো এই যুদ্ধক্ষেত্রে এসে পড়তেও পারেন। তখন কী হবে?

    কৌরবপক্ষেও প্রধান দুশ্চিন্তা অর্জুনকে নিয়ে। অর্জুন যে কত বড় যোদ্ধা, তা দুর্যোধনও জানেন। কিন্তু তাঁর দলেও ভীষ্ম, দ্রোণের মতন যোদ্ধা আছেন, যাঁদের হারাবার সাধ্য এ পৃথিবীতে কারও নেই। এঁরা যদি মিলিত ভাবে অর্জুনকে আক্রমণ করেন, তা হলে অর্জুন কী করে বুঝবেন? তাঁকে পিছু হঠতে হবে।

    তাই বুক ভরতি অভিমান নিয়ে দুর্যোধন কিছু আগে ভীষ্মের কাছে গিয়ে বলেছেন, “পিতামহ, আপনি কর্ণকে অপমান করলেন বলে, সে আর যুদ্ধ করতেও এল না। এতে আমাদের দলের কত ক্ষতি হয়ে গেল! আমি আশা করেছিলাম, আপনি একাই ওদের শেষ করে দিতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখছি, পাণ্ডবভাইদের মধ্যে কেউ যদি আপনার সামনে চলে আসে, তখন আপনি কেমন যেন নরম হয়ে যান। ওদের সঙ্গে মন দিয়ে যুদ্ধ করতে চান না। অন্যদিকে সরে যান! তা হলে কি এটাই বুঝব যে, আপনি আমাদের পক্ষে লড়াই করলেও, আপনি ওদেরই জিতিয়ে দিতে চান?”

    ভীষ্ম বললেন, “তুমি যা অভিযোগ জানালে তার কিছুটা সত্যি তো বটেই। পাণ্ডবভাইদের কাছাকাছি দেখলেও তাদের হত্যা করার জন্য আমার হাত ওঠে না। আমার কাছে তোমরা যেমন, পাণ্ডবরাও তো সেই রকমই স্নেহের। ওদের আমি মারি কী করে? তবে, তোমাদের কাছে আমি যে শপথ করেছিলাম, আজ থেকে তা নির্ঘাত পালন করব। প্রত্যেক দিন আমি ওদের পক্ষের অন্তত দশ হাজার সৈন্যকে শেষ করে দেব। না, আমি তোমাদের পক্ষের পরাজয় চাই না মোটেই। আমি তো বলেছিই, যে-দলে কৃষ্ণ, অর্জুন, ভীমের মতন বীররা রয়েছে, তাদের পরাজিত করা প্রায় অসম্ভব। তোমরা যদি এখনই যুদ্ধ থামিয়ে দিতে চাও, পাণ্ডবদের সঙ্গে সন্ধি করো, তা হলেই এই বংশ টিকে থাকবে।”

    দুর্যোধন বললেন, “যুদ্ধ থামাবার তো প্রশ্নই ওঠে না। সন্ধি করতে আমি মোটেই চাই না। আমি আশা করেছিলাম, আপনার দাপটে পাণ্ডবপক্ষ পিছু হঠতে শুরু করবে।”

    ভীষ্ম বললেন, “আমি যদি রোজ দশ হাজার সৈন্যকে শেষ করে দিতে পারি, তা হলে কয়েক দিনের মধ্যে ওদের পক্ষের সৈন্য আর থাকবে না। দেখো, এই পদাতিক সৈন্যরাই যুদ্ধের গতি-টতি পালটে দিতে পারে। চলো, দেখা যাক এর পরে কী হয়।”

    ভীষ্ম আবার বললেন, “শোনো, এই কথাটা মনে রেখো, শিখণ্ডী নামে ওই দিকের দলের একজন যোদ্ধা আছে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারব না। সে আমার দিকে অস্ত্র ছুড়লেও আমি হাত গুটিয়ে বসে থাকব। তখন তোমরা যদি পারো, আমাকে ঘিরে রেখো।”

    পাণ্ডবপক্ষে এত বড়-বড় সব বীর আছেন, তাদের সবার বিরুদ্ধেই ভীষ্ম লড়ে যেতে পারেন, শুধু শিখণ্ডী নামের একজন মাঝারি ধরনের যোদ্ধার সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারবেন না কেন?

    কে এই শিখণ্ডী?

    আমরা জানি যে, আগেকার রাজা বিচিত্রবীর্যের বিয়ের সময় বেশ গোলমাল হয়েছিল। ভীষ্ম তো আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন যে, তিনি কখনও সিংহাসনে বসবেন না। বিয়েও করবেন না। এই বংশেরই একজনকে সিংহাসনে বসিয়ে ভীষ্মই দেশটাকে চালান।

    বিচিত্রবীর্য ছিলেন দুর্বল ধরনের মানুষ। নিজে-নিজে যে বিয়ে করবেন, সে সাহসও তাঁর নেই। ভীষ্ম তখন বুঝলেন, তাঁকেই একটা কিছু ব্যবস্থা করতে হবে। এর মধ্যে তিনি খবর পেলেন যে, কাশীর রাজা তাঁর তিন মেয়ের জন্য স্বয়ংবর সভার ব্যবস্থা করছেন। সেখানে বিচিত্রবীর্যকে পাঠানো যেতে পারে। কিন্তু বিচিত্রবীর্যের দুর্বল চেহারা দেখে যদি কোনও মেয়েই তাঁর গলায় মালা না দেয়? তাতে তো এই বংশের উপরেই কলঙ্কের দাগ পড়বে। তখনই ভীষ্ম এমন একটা কাণ্ড করলেন, যার ফলাফল অনেক দূর পর্যন্ত গড়িয়ে গেল।

    ভীষ্ম নিজেই গেলেন সেই স্বয়ংবর সভায়, বিচিত্রবীর্যকেও সঙ্গে নিলেন না। প্রথমে ভীষ্মকে দেখে সকলেই বেশ অবাক। ভীষ্ম যে বিয়ে করবেন না, তা তো সারা দেশের মানুষই জানে, ভীষ্ম সেই তিনটি মেয়েকেই তুলে নিলেন তাঁর নিজের রথে।

    ভণ্ডুল হয়ে গেল স্বয়ংবর সভা।

    অন্য রাজারা এতে অপমান বোধ করলেন। কয়েকজন রে রে করে তেড়ে গেলেন ভীষ্মের রথের দিকে। ভীষ্ম যে কত বড় যোদ্ধা, তা ওই আক্রমণকারীরা অনেকেই জানেন। তবু ভীষ্মের সঙ্গে লড়াই করতেই হয়, নইলে মান থাকে না।

    এক-এক করে রাজারা সরে যেতে লাগলেন। ভীষ্ম ওই তিন রাজকন্যাকে নিয়ে এলেন হস্তিনাপুরে। তখনকার দিনে রাজারা, এমনকী অনেক সাধারণ মানুষও যত ইচ্ছে তত মেয়েকেই বিয়ে করতে পারত। ভীষ্ম ঠিক করলেন, এই তিনটি মেয়েকেই একসঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা করে দেবেন বিচিত্রবীর্যের সঙ্গে। বিবাহ-বাসর সাজানো হচ্ছে দারুণ ভাবে। এরই মধ্যে অম্বা নামের বড় মেয়েটি ভীষ্মের কাছে এসে লাজুক ভাবে বলল, সে রাজা শাল্বকে মনে-মনে নিজের স্বামী বলে ঠিক করে রেখেছে। শাল্বও তা জানেন। এখন কি অন্য কাউকে বিয়ে করা ঠিক হবে?

    এ-কথা শুনে ভীষ্ম অবাক তো হলেনই, খুব বিরক্ত বোধ করলেন। তিনি অম্বাকে বললেন, “এ-কথা তুমি আগে আমাকে বললে না কেন? তা হলে আগেই তোমাকে পাঠিয়ে দিতাম শাল্বর কাছে। এখন তুমি সেখানেই যাও।” কয়েকজন বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ আর একজন ধাত্রীকে সঙ্গে দিয়ে অম্বাকে তিনি পাঠিয়ে দিলেন রাজা শাল্বর কাছে।

    অম্বাকে দেখে শাল্ব বললেন, “হ্যাঁ, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চয়েছিলাম, তা ঠিকই। কিন্তু এর মধ্যে ভীষ্ম তোমাকে হরণ করে নিয়ে গেলেন। তুমি ওঁদের কাছে ছিলে কয়েকটা দিন। এই অবস্থায় আমি যদি তোমাকে বিয়ে করি, সবাই আমাকে ছি ছি করবে। তুমি ভীষ্মের কাছে ফিরে যাও।”

    সেখানে অম্বার কোনও স্থান নেই। সে পাণ্ডবদের কাছে ফিরে যেতে বাধ্য হল।

    সব কথা শুনে ভীষ্ম বললেন, “এখন তো আর আমি বিচিত্রবীর্যর সঙ্গে তোমার বিয়ে দিতে পারি না। রাজবাড়িতে তোমাকে আশ্রয় দেওয়াও ঠিক হবে না।”

    একটা অসহায় মেয়েকে এদিক ওদিকে ঠেলে দিয়ে যে কত অপমান করা হচ্ছে, তা কেউ বুঝল না। কয়েকজন ঋষি অম্বাকে বললেন, “তুমি বরং তোমার বাপের বাড়ি ফিরে যাও।”

    এবার রাগে ফুঁসে উঠে অম্বা বলল, “না, আমি বাপের বাড়িতে যাব না। আমার বাবাই তো আমাকে ভীষ্মের হাতে তুলে দিয়েছেন তারপর রাজা শাল্ব, এমনকী ভগবানও আমার উপর সুবিচার করেননি। তবে ভীষ্মের দোষই সবচেয়ে বেশি। আমি ভীষ্মের শাস্তি চাই।”

    সেখানে কিছু মুনি-ঋষিও বুঝলেন যে, ভীষ্মের এই হঠকারিতাই অম্বার এই অবস্থার জন্য দায়ী!

    কিন্তু ভীষ্মকে কে শাস্তি দেবে? সারা দেশে ভীষ্মের সমকক্ষ আর তো কোনও যোদ্ধা নেই। একমাত্র আছেন ঋষি পরশুরাম। একসময় তিনি রাগের বশে দেশ থেকে সমস্ত ক্ষত্রিয়দের শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। এখন অবশ্য তিনি আর যুদ্ধ-টুদ্ধ করতে চান না। বাছাই করা কিছু-কিছু শিষ্যকে যুদ্ধবিদ্যা শেখান।

    খবর পাঠানো হল পরশুরামের কাছে। তিনি তাড়াতাড়িই এসে গেলেন কয়েকজন শিষ্যকে নিয়ে। তখনও কয়েকজন শিষ্য অম্বাকে বললেন, “বৎস, তুমি ঠিক করে বলো, তুমি কি শুধু ভীষ্মকেই মেরে ফেলতে চাও? কিংবা গুরু পরশুরাম শাল্বকে ডেকে পাঠিয়ে আদেশ করলেই তিনি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি হবেন।”

    অম্বা বলল, “এখন আমি আর শাল্বকে বিয়ে করতে চাই না। আমি ভীষ্মেরই শাস্তি চাই।”

    তখন শুরু হল ভীষ্ম আর পরশুরামের যুদ্ধ। ভীষ্মও একসময় পরশুরামের শিষ্য ছিলেন। তাই ভীষ্ম যুদ্ধ করতে-করতে পরশুরামকে জিজ্ঞেস করলেন, “গুরুদেব, আপনি কী কারণে আমাকে যুদ্ধক্ষেত্রে ডেকে আনলেন, সেটাই তো এখনও বুঝিনি। আমি কী দোষ করেছি?”

    পরশুরাম বললেন, “তুমিই তো এই মেয়েটির দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী। এখন একটাই মাত্র উপায় আছে, তুমি নিজে একে বিয়ে করো।”

    ভীষ্ম বললেন, “তা আমার পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়।”

    চলতে লাগল যুদ্ধ।

    এ এমন এক সমানে-সমানে যুদ্ধ, যা দেখতে এলেন বহু মানুষ, রাজা এবং দেবতারা। ভীষ্মের মা গঙ্গাদেবীকেও দেখা গেল পাতলা মেঘের আড়ালে।

    এঁদের দু’জনের কাছে এমন কয়েকটা অস্ত্র আছে, যা প্রয়োগ করলে যার সঙ্গে যুদ্ধ হচ্ছে, সে তো মরবেই, আরও বহু মানুষেরও চরম ক্ষতি হবে।

    দেবতারা বারবার ভীষ্ম আর পরশুরামকে সেই অস্ত্র প্রয়োগ না করতে অনুরোধ জানাতে লাগলেন। একসময় বোঝা গেল যে দু’জনের কেউই জিতবেন না, হারবেনও না। তখন অনেক মুনি-ঋষি, দেবতা আর গঙ্গাদেবী ভীষ্মকে এই যুদ্ধ থামিয়ে দিতে অনুরোধ করলেন।

    পরশুরামও বুঝলেন ব্যাপারটা। ভীষ্ম তাঁর শিষ্য ছিলেন। তাঁর এমন বীরত্ব দেখে তিনি মুগ্ধ। তিনি ভীষ্মকে বললেন, “এ দেশে তোমার তুল্য আর কেউ নেই। আমাদের এই মিছিমিছি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কোনও মানে আছে? বরং চলো, এবার আমরা বাড়ি যাই।”

    তিনি অম্বাকেও ডেকে বললেন, “তুমি দেখলে তো ভীষ্মকে শাস্তি দেওয়া প্রায় অসম্ভব। তুমি বরং ভীষ্মের কাছেই চলে যাও। তাঁর শরণ নাও। এ ছাড়া আমি তো আর কোনও উপায় দেখছি না।”

    অম্বা বলল, “আমি কিছুতেই ভীষ্মের কাছে আশ্রয় নিতে যাব না। আপনি যথাসাধ্য চেষ্টা করলেন, তা তো দেখলাম। এবার আমিই যুদ্ধক্ষেত্রে ভীষ্মকে হত্যা করব।”

    কিন্তু অম্বা আর কতটুকু যুদ্ধবিদ্যা শিখেছে? সে ভীষ্মের মুখোমুখি হবে কী করে? তখন সে শুরু করল কঠোর তপস্যা। কোনও নারীকে এত কঠোর তপস্যা করতে আগে কেউ দেখেনি এখানে।

    অবশেষে একদিন স্বয়ং মহাদেব এসে উপস্থিত হলেন। এবং সোজাসুজি জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি আমার কাছে কী বর চাও?”

    অম্বা উত্তর দিল, “আমাকে বর দিন, যাতে আমি ভীষ্মকে হত্যা করতে পারি।”

    মহাদেব বললেন, “তুমি এ জন্মে পারবে না। পরের জন্মে…”

    এখানে মহাদেব এমন একটা কথা বললেন, যেটার মানে ঠিকঠাক বোঝা যায় না।

    তিনি বললেন, “এ জন্মে তো পারবে না। পরের জন্মে তুমি দ্রুপদ রাজার মেয়ে হয়ে জন্মাবে, তারপর তুমি একসময় পুরুষ হয়ে যাবে। তখন তুমি পারবে ভীষ্মের মুখোমুখি হতে।”

    এ আবার কী ধরনের বর? একজন মেয়ে হয়ে জন্মাবে, আবার সে কিছু দিন পরে পুরুষ হয়ে যাবে, এ রকম কখনও হয় নাকি?

    কিন্তু মহাদেব আর কিছুই বলতে চাইলেন না।

    তিনি ফিরে যাওয়ার পর অম্বা ভাবল, যদি এ জন্মে আর কিছু করার না থাকে, তা হলে শুধু-শুধু বেঁচে থেকে সময় নষ্ট করার কোনও মানেই হয় না। তখন সে বনের মধ্যে এক জায়গায় আগুন জ্বেলে স্বেচ্ছায় তার মধ্যে ঢুকে গিয়ে মৃত্যু বরণ করল।

    যথা সময়ে সে দ্রুপদ রাজার রানির গর্ভে জন্মাল একটি মেয়ে হয়ে। রানি খুব আশা করেছিলেন যে তাঁর এই সন্তানটি ছেলেই হবে। কিন্তু তা তো হল না। তাই তিনি প্রথম থেকেই ওই মেয়েটিকে পুরুষের মতন সাজিয়ে রাখেন, আর চতুর্দিকে রটে গেল যে রানির একটা ছেলেই হয়েছে।

    এ সব অনেক দিন আগেকার কথা। অম্বার কথা কেউ তখন জানেই না। এই জন্মেই তার নাম রাখা হল শিখণ্ডী। রাজপুত্র হিসেবে তাকে একসময় না একসময় তো বিয়ে করতেই হবে। তখনও রানি শিখণ্ডীর আসল পরিচয় জানালেন না। এক রাজকন্যার সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেল শিখণ্ডীর।

    কয়েক মাসের মধ্যেই সেই রাজকন্যা তার বাবাকে জানাল, “বাবা, তুমি এ কার সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়েছ? এ তো আমারই মতন একজন মেয়ে। মেয়েতে-মেয়েতে বিয়ে হয় নাকি?”

    শিখণ্ডীর আসল পরিচয় জানাজানি হতেই চতুর্দিকে হুলস্থুল পড়ে গেল। ক্ষত্রিয়দের মধ্যে কেউ কখনও এ রকম মিথ্যে বলে না। বহু লোক ছি ছি করতে লাগল দ্রুপদের নামে। কয়েকজন রাজা দ্রুপদকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য যুদ্ধের আয়োজন শুরু করে দিল।

    এরই মধ্যে শিখণ্ডী বেঁচে গেল এক অলৌকিক উপায়ে। মনের দুঃখে শিখণ্ডী একা-একা ঘুরে বেড়াত। একদিন সে বনের মধ্যে একটা সুন্দর বাড়ি দেখতে পেল। সেখানে আপাতত কেউ নেই। এক যক্ষ সেই বাড়ির মালিক। যক্ষরা ঠিক দেবতা নয়, আবার সাধারণ মানুষও নয়, মাঝামাঝি।

    আড়াল থেকে সেই যক্ষ জিজ্ঞেস করল, “তুমি কে? এখানে কী চাও?

    শিখণ্ডী জানে যে, এই যক্ষরা অনেক সময় মানুষদের খুব সাহায্যও করে। তাই শিখণ্ডী নিজের পরিচয় জানিয়ে কাতর গলায় বলল, “আমি খুব বিপদে পড়েছি। তাই আপনার কাছে একটা প্রার্থনা জানাতে চাই। আপনি আমাকে আপনার পুরুষ পরিচয়টাই কিছুদিনের জন্য ধার দেবেন? তা হলেই আমি বাঁচতে পারি।”

    যক্ষরা ইচ্ছে করলে অনেক কথাই জানতে পারে। এই যক্ষও নিশ্চয়ই শুনেছিল যে, শিখণ্ডী মেয়ে না পুরুষ এই নিয়ে দারুণ একটা শোরগোল হচ্ছে।

    যক্ষ বলল, “ঠিক আছে। আমি তোমাকে আমার পুরুষ পরিচয়টা ধার দিতে পারি। কিন্তু তোমাকে কথা দিতে হবে যে, তোমার উদ্দেশ্য সফল হলে আমার কাছে এসে সেই পুরুষ পরিচয়টা ফেরত দেবে। তুমি যতদিন পুরুষ থাকবে, ততদিন আমাকেও তো নারী হিসেবে থাকতে হবে।”

    শিখণ্ডী বলল, “আমি শপথ করছি, আপনাকে এই পরিচয় অবশ্যই ফিরিয়ে দিয়ে যাব।”

    তার একটু পরেই শিখণ্ডী পুরোপুরি পুরুষ হয়ে গেল। তার শরীরে নারীত্বের কোনও চিহ্নই রইল না।

    ফিরে এসে শিখণ্ডী সব কথা জানাল বাবা-মাকে। তাঁদের আর আনন্দের সীমা রইল না। এর মধ্যেই রাজা দ্রুপদকে কত রকম অপমান যে সহ্য করতে হয়েছে মিথ্যে কথা বলার জন্য। এবার তিনি সগর্বে বলে দিলেন, “মোটেই আমি মিথ্যে কথা বলিনি। শিখণ্ডী আমার ছেলে, মেয়ে তো নয়। যার ইচ্ছে, দেখে যেতে পারে।”

    এখন শিখণ্ডী সত্যিই একজন পুরুষ। এবং সে অস্ত্রবিদ্যাও শিখতে লাগল। এই কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সে পাণ্ডবপক্ষে যোগ দিয়ে লড়তে লাগল প্রাণপণে।

    কিন্তু যখনই সে ভীষ্মর কাছাকাছি আসে, তখনই তিনি অস্ত্রত্যাগ করে হাত গুটিয়ে বসে থাকেন। কেন ভীষ্ম এই রকম আচরণ করছেন, তা বুঝতে পারল না কেউ।

    এই সময়ই বোঝা গেল, মহাদেব অম্বাকে যে অদ্ভুত ধরনের বর দিয়েছিলেন, তার সঠিক মর্ম পরিষ্কার হয়ে গেল। শিখণ্ডী যদি প্রথম থেকেই নারী হত, তা হলে সে যুদ্ধক্ষেত্রে আসতেই পারত না। ভীষ্মর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগই পেত না। আর সে যদি প্রথম থেকেই পুরুষ হত, তা হলে ভীষ্ম একটুক্ষণের মধ্যে তাকে মেরে ফেলতে পারতেন।

    ভীষ্মর মতন বীরপুরুষরা কখনও কোনও মহিলার সঙ্গে যুদ্ধ করেন না। কিন্তু শিখণ্ডী তো এখন একজন মাঝারি ধরনের যোদ্ধা। তার সঙ্গে কেন লড়বেন না ভীষ্ম? তিনি এই শিখণ্ডীর আগের জন্মের সব কথা জানেন। এই শিখণ্ডীই তো সেই অম্বা, তাই ওকে দেখলেই ভীষ্মের মনে অম্বার মুখটাই ভেসে ওঠে। এর সঙ্গে তিনি লড়বেন কী করে?

    সেই জন্য একটু সুযোগ পেলেই শিখন্ডী ভীষ্মর কাছাকাছি এসে নানারকম অস্ত্র ছুড়তে থাকে। ভীষ্ম তা আটকানোরও চেষ্টা করেন না। তখন কৌরবপক্ষের বড়-বড় বীররা শিখণ্ডীর কাছে এসে ভীষ্মকে আড়াল করে যুদ্ধ করতে থাকে। একসময় শিখণ্ডী পিছু হঠতে বাধ্য হয়।

    এবার আমরা ফিরে আসি আজকের যুদ্ধের কথায়। ভীষ্ম মন দিয়ে যুদ্ধ করছেন না বলে দুর্যোধন তাঁকে অনুযোগ করেছিলেন। তাই ভীষ্ম যেন আজ খেপে উঠলেন। ভুলে গেলেন তাঁর বয়সের কথা। তিনি কথা দিয়েছেন যে, প্রতিদিন তিনি অন্তত দশ হাজার সৈন্য বিনাশ করবেন। কিন্তু শুধু তির-ধনুক দিয়ে দশ হাজার মানুষের প্রাণ হরণ করা কি সোজা কথা? সেই জন্যই ভীষ্ম এত দ্রুত তির চালাতে লাগলেন, যাতে পাণ্ডবপক্ষের সৈন্যরা টপাটপ মরে যেতে লাগল। অনেকে ভয়ে পালাল, অন্ধকার হয়ে এল আকাশ।

    পাণ্ডবপক্ষের বীররা সেই দৃশ্য দেখে হতবাক। তাঁদের প্রত্যেকেরই মনে হল, এই বৃদ্ধকে সরিয়ে দিতে না পারলে এই যুদ্ধ জয়ের কোনও আশা নেই। কিন্তু ওঁকে সরাবার সাধ্য আছে কার? একমাত্র অর্জুনই ভীষ্মের মুখোমুখি দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু তিনি তাঁর পিতামহের শরীরে আঘাত করতে চান না। দূরে চলে যান। পাণ্ডবপক্ষের বীর যোদ্ধারা দূরে দাঁড়িয়ে ভীষ্মর এই পরাক্রমের দৃশ্য দ্যাখেন আর অসহায় ভাবে নিজেদের দিকে চেয়ে থাকেন।

    এরই মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের হঠাৎ মাথা গরম হয়ে গেল। তিনি ভীষ্মর এই প্রতাপ সহ্য করতে পারছিলেন না। পাণ্ডব বীররা কেউই ভীষ্মকে থামাবার চেষ্টা করছেন না। কৃষ্ণ তো অর্জুনকে বলেই দিয়েছেন, যুদ্ধ হচ্ছে যুদ্ধ। এতে ভাই, বন্ধু, আত্মীয়স্বজন এই সব পরিচয়ের আর কোনও মূল্য থাকে না। তবু অর্জুন দ্বিধা করছেন।

    কৃষ্ণ ঠিক করলেন, তিনিই ভীষ্মকে বিনাশ করবেন। রথ থেকে লাফিয়ে নেমে এলেন কৃষ্ণ। ছুটলেন ভীষ্মর রথের দিকে।

    কৃষ্ণের একটা সাংঘাতিক অস্ত্র আছে, তার নাম সুদর্শন চক্র। সেটা কাছে রাখতে হয় না। মনে-মনে তাকে ডাকলেই সে চলে আসে।

    কৃষ্ণকে ওই ভাবে ছুটতে দেখে পাণ্ডবরা হকচকিয়ে গেলেন। তারপর অর্জুনও ছুটতে লাগলেন কৃষ্ণকে ধরার জন্য।

    কাছে এসে তিনি কৃষ্ণের হাত চেপে ধরে বললেন, “এ কী করছ তুমি? কোথায় যাচ্ছ?”

    কৃষ্ণ বললেন, “তোমরা তো কেউ তোমাদের পিতামহকে মারবে না। তাই আমিই সে কাজটা সেরে দিচ্ছি। আজ আর ভীষ্মর নিস্তার নেই।”

    অর্জুন বললেন, “না, না, এ কাজ তুমি করতেই পারো না।”

    কৃষ্ণ বললেন, “কেন পারব না? উনি তো আমার পিতামহ নন। ওঁর সম্পর্কে আমার কোনও দুর্বলতাও নেই। তুমি কী ভাবছ? আমি ভীষ্মর সমকক্ষ নই?

    অর্জুন বললেন, “না কৃষ্ণ, আমি জানি যে, তুমি ইচ্ছে করলে সব কিছু ধ্বংস করে দিতে পারো। কিন্তু দুর্যোধনের কাছে কথা দিয়েছিলে যে, এই যুদ্ধে তুমি আমাদের দিকে থেকে শুধু পরামর্শ দিতে পারো। বড়জোর রথের সারথিও হতে পারে। কিন্তু কোনও অস্ত্র ধারণ করতে পারবে না। এখন যদি তুমি নিজেই নিজের কথা না রাখো, তা হলে লোকে তোমায় খুবই অপবাদ দেবে, আমাদেরও ছাড়বে না। না কৃষ্ণ, এ কাজ তোমাকে মানায় না। আমরা যদি এই যুদ্ধে জয়ী হতে নাও পারি, তবু আমরা কোনও অধর্ম করব না।”

    আরও একটুক্ষণ এই সব নিয়ে কথাবার্তার পর কৃষ্ণের মেজাজ শান্ত হল। তিনি বুঝলেন যে, এই কাজটা করা তাঁর পক্ষে ঠিক হচ্ছিল না।

    এর পর একদিন অন্য রকম যুদ্ধ হল। এর আগে শিখণ্ডীকে ভীষ্মের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করা হত। আজ শিখণ্ডীকেই ডেকে আনা হল সামনে। তার আড়ালে কয়েকজন বীর। এখন সকলে জেনে গিয়েছে যে, শিখণ্ডীকে দেখলেই ভীষ্ম অস্ত্রত্যাগ করেন। তাই শিখণ্ডী একেবারে সামনে গিয়ে ভীষ্মর উপর যা ইচ্ছে বাণ মারতে লাগল। তার আড়াল থেকে অন্য বীররাও তির বর্ষণ করতে লাগল অজস্র। ক্রমে এমন অবস্থা হল, শজারুর যেমন সারা শরীরেই বড়-বড় কাঁটা থাকে, ভীষ্মর শরীরেও সেই রকম এত বেশি বাণ বিদ্ধ হয়ে রইল যে, আর একটুও জায়গা খালি রইল না।

    এই অবস্থায় ভীষ্ম গড়িয়ে পড়ে গেলেন মাটিতে। না, ঠিক মাটিতেও, না, সারা শরীরের এত তির তাঁকে শুইয়ে রাখল কিছুটা উঁচুতে। একেই বলে ভীষ্মের শরশয্যা। এ রকম অবস্থায় আর কাউকেই কখনও দেখা যায়নি।

    ভীষ্মের এই পতনের কথা শুনে বহু মানুষ হাহাকার করে উঠল। যুদ্ধ থামিয়ে সকলেই ছুটে এল ভীষ্মের কাছে। ভীষ্ম বললেন, “সকলকেই একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে যেতে হয়, আমিও যাচ্ছি। তবে আমার ইচ্ছামৃত্যুর বর আছে। আমি ইচ্ছে না করলে আমাকে সরাবার সাধ্য কারও নেই। আমি বেশ একটা ভাল দিনক্ষণ দেখে দু’ চক্ষু বুজব। অর্থাৎ আমি এই অবস্থাতেও থাকব কিছুদিন।”

    তারপর তিনি বললেন, “আমার খুব তেষ্টা পেয়েছে। কেউ আমাকে একটু জল খাওয়াতে পারো?”

    সঙ্গে-সঙ্গে অনেকে ছুটে গিয়ে নানারকম পাত্রে নানারকম সুগন্ধী পানীয় নিয়ে এল। ভীষ্ম তার কোনওটাই ছুঁয়ে দেখলেন না। তিনি তাকালেন অর্জুনের দিকে। অর্জুন তাঁর মনের ভাব বুঝতে পেরে একটা বিশেষ তিরে বিদ্ধ করলেন সেখানকার মাটি। অমনি সেখান থেকে উঠে এল একটা নির্মল জলের ফোয়ারা। তা গিয়ে পড়ল ভীষ্মর মুখে। তিনি তৃপ্তির সঙ্গে পান করলেন। তারপর সকলকে বললেন, “তোমরা যাও। যার-যার কর্তব্য পালন করো।”

    অর্থাৎ ভীষ্ম এই যুদ্ধে নিহত হলেন না বটে, তবে যোদ্ধা হিসেবেও তাঁর আর যোগ্যতা রইল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleওল্ড র‍্যামন – জ্যাক শেফার
    Next Article সর্বংসহ কালীগুণীন – সৌমিক দে

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনামণির অশ্রু

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Our Picks

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }