Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমাদের মহাভারত – ৫

    ॥ ৫ ॥

    এখন পাণ্ডবদের একটা নিজস্ব রাজ্য হয়েছে। শত্রু কেউ নেই। তাঁরা নতুন রাজধানী নানা ভাবে সাজাচ্ছেন।

    একদিন ময় এসে দেখা করলেন অর্জুনদের সঙ্গে। অর্জুনের পাশে বসে আছেন কৃষ্ণ। ময় তাঁদের প্রণাম জানিয়ে বললেন, “হে অর্জুন, খাণ্ডববন ধ্বংস করার সময় আপনি আমার প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। সেই উপকারের বিনিময়ে আমিও আপনাদের কিছু উপকার করতে চাই।”

    অর্জুন হেসে বললেন, “উপকারের বদলে কারও কাছ থেকে উপকার নিতে নেই। আপনাকে কিছুই করতে হবে না। আপনি যা বললেন তাই-ই যথেষ্ট।”

    ময় তবু বারবার একই অনুরোধ করতে লাগলেন। তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন, সুতরাং তার বিনিময়ে কিছু না দিতে পারলে তাঁর শান্তি হচ্ছে না।

    অর্জুন বললেন, “আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছি বলেই যে আপনার কাছ থেকে কিছু নিতে হবে, তা আমি মোটেই চাই না। তবু যদি আপনি কিছু দিতে চান, তা হলে কৃষ্ণকে খুশি করার জন্য কিছু করুন। তাতেই আমার তৃপ্তি হবে।”

    কৃষ্ণ ময়ের কথা শুনে বললেন, “ঠিক আছে, তুমি যদি কিছু দিতেই চাও, তা হলে যুধিষ্ঠিরের রাজসভাটা এমন ভাবে সাজিয়ে দাও, যেমন আগে কোথাও হয়নি।”

    দেবতাদের প্রধান স্থপতি যেমন বিশ্বকর্মা, দৈত্যদেরও প্রধান স্থপতি এই ময়। লোকে তাঁকে বলে ময় দানব। তাঁর স্বভাব বেশ শান্ত আর খুবই গুণী।

    কৃষ্ণের কথা শুনে ময় চলে গেলেন নিজের দেশে। কিছুদিন পর ফিরে এলেন প্রচুর জিনিসপত্র নিয়ে। তারপর সাজাতে লাগলেন রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থের রাজসভা। কত রকম মণিমাণিক্য ও স্ফটিক দিয়ে গড়া হল সেই রাজসভা আর তার সঙ্গে পুকুর ও বাগান। উদ্‌বোধনের দিন সেই রাজসভা দেখে সকলেরই চোখ কপালে উঠে যাওয়ার মতো অবস্থা। এ রকম আগে কেউ কখনও দেখেনি। অতি উজ্জ্বল, অতি মনোহর। মাঝখানের সরোবরটি দেখে অনেকের চোখ ধাঁধিয়ে যায়। তার সামনের চাতাল ও সিঁড়ি স্ফটিকের তৈরি, মনে হয়, সেখানেই বুঝি জল আছে। আর সরোবরের জল এতই স্বচ্ছ যে, জল বলে মনেই হয় না। কোনও-কোনও রাজা তার উপর দিয়েই হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করলেন। একদিন দেবর্ষি নারদ এলেন যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে দেখা করতে। ইনি স্বর্গেও থাকেন, আবার পৃথিবীতেও ঘুরে বেড়ান। এই রাজসভা দেখে তিনিও খুবই মুগ্ধ। তিনি আরও অনেক বিখ্যাত রাজসভা দেখেছেন। যেমন, ইন্দ্রের রাজসভা। দেবতাদের রাজার সভা, সে তো দারুণ হবে নিশ্চয়ই। তারপর যমের সভা, কুবেরের সভা, এমনকী স্বয়ং ব্রহ্মার নিজস্ব সভা, এগুলো খুবই বিখ্যাত বটে, যুধিষ্ঠিরের সভারও তুলনা নেই৷

    নারদ আরও একটি খবর জানালেন। তিনি বললেন, “মহারাজ ইন্দ্রের সভায় তোমার পিতা পাণ্ডুর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। তিনি তাঁর একটা অনুরোধ তোমাদের জানাতে বলেছেন। তিনি বললেন, ‘যুধিষ্ঠিরের ভাইরা দাদার খুব অনুগত, সেই ভাইদের নিয়ে যুধিষ্ঠির ইচ্ছে করলে এখন সারা পৃথিবী জয় করতে পারে। যুধিষ্ঠির এখন রাজসূয় যজ্ঞ করছে না কেন? সেই যজ্ঞ করলে আমি খুব তৃপ্তি পাব।’”

    নারদ তো এই কথাটা যুধিষ্ঠিরের কানে তুলে দিয়ে চলে গেলেন, কিন্তু রাজসূয় যজ্ঞ করা কী চাট্টিখানি কথা! অতি বিশাল ব্যাপার। রাজসভায় ঋষিদের ও অন্য ভাইদের এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সবাই মহাউৎসাহে বলতে লাগলেন, “হ্যাঁ, হোক-হোক, রাজসূয় যজ্ঞ হোক।”

    একটি রাজ্যের অধিপতিকে বলে রাজা। যিনি অনেক রাজ্য জয় করেন তিনি সম্রাট। আর রাজসূয় যজ্ঞ করতে গেলে পৃথিবীর সব রাজাকে জয় করতে হয়। তা কি সম্ভব!

    পরামর্শ করার জন্য যুধিষ্ঠির কৃষ্ণের কাছে খবর পাঠালেন। কৃষ্ণ এসে সব শুনে প্রথমেই অন্যদের মতো সায় দিলেন না। সুবিধে-অসুবিধে বিবেচনা করতে লাগলেন। পৃথিবীর কোন রাজার কতটা শক্তি তা তিনি সবই জানেন। সেই সব রাজার পরিচয় দিতে-দিতে কৃষ্ণ বললেন, “ভীম আর অর্জুন এঁদের সবাইকে জয় করতে পারেন, শুধু একজনকে ছাড়া। তাঁর নাম জরাসন্ধ। এই জরাসন্ধকে জয় করার ক্ষমতা পাণ্ডবদেরও নেই। এমনকী, স্বয়ং কৃষ্ণ এবং যাদবরাও এই জরাসন্ধকে আটকাতে না পেরে এখন রৈবতক পাহাড়ের উপর একটা দুর্গ বানিয়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন।”

    তা হলে কী উপায়? একজন রাজাও বাকি থাকলে তো রাজসূয় যজ্ঞ হয় না! কৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে বললেন, “আপনার অবশ্যই রাজসূয় যজ্ঞ করা উচিত। আমি ভীম আর অর্জুনকে নিয়ে ছদ্মবেশে বেরোচ্ছি। তারপর দেখা যাক কী হয়।”

    এই জরাসন্ধ সম্পর্কে একটা গল্প প্রচলিত আছে। মোটেই সত্যি নয়, তবে গল্পটা বেশ মজার।

    মগধের রাজা ছিলেন বৃহদ্রথ। তাঁর দুই রানির কোনও ছেলে ছিল না। তাই মনে খুব দুঃখ। একদিন শুনলেন, চণ্ডকৌশিক নামে এক নামী ঋষি তাঁর রাজ্যে এসে বসে তপস্যা করছেন। অমনি রাজা তাঁর বউদের সঙ্গে নিয়ে ঋষির পায়ে পড়ে কান্নাকাটি করতে লাগলেন। রাজার দুঃখের কথা শুনে ঋষি একটুক্ষণ চোখ বুজে রইলেন, একটু পরেই একটা পাকা আম তাঁর কোলে এসে পড়ল। ঋষি একটুক্ষণ সেই আমটি ধরে রাখলেন, তারপর রাজাকে দিয়ে বললেন, “এটা নিয়ে যান, আপনার মনোবাসনা পূর্ণ হবে।”

    ফিরে এসে রাজা তাঁর দুই রানিকে আমটি দিলেন, তাঁরাও সেটি সমান দু’ভাগে ভাগ করে খেয়ে নিলেন। যথা সময়ে দুই রানিই সন্তানের জন্ম দিলেন। আধখানা ছেলে, এক-একজনের একটা কান, একটা হাত, একটা পা। তারপর কী আর করা যাবে, সেই দুই খণ্ড রাজকুমারের দেহ ফেলে দিয়ে আসা হল আঁস্তাকুড়ে।

    রাত্তিরবেলা জরা নামের এক রাক্ষসী মাংসের লোভে রাজধানীতে ঘুরে বেড়ায়। সে ওই দু’ টুকরো বাচ্চাকে দেখে হাতে তুলে নিল, তারপর খেলাচ্ছলে জুড়ে দিল টুকরো দু’টো। অমনি বাচ্চাটা জীবন্ত হয়ে হাত-পা ছুড়তে লাগল। রাক্ষসীর একবার ইচ্ছে হল শিশুটিকে খেয়ে ফেলতে। তারপরেই তার মায়া হল, “আহা কী সুন্দর ছেলে, রাজাকেই ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।”

    সে তখন এক সুন্দরী তরুণীর রূপ ধরে বাচ্চাটিকে নিয়ে রাজসভায় গিয়ে বলল, “রাজা, এই নিন আপনার সন্তান।”

    তখন রাজপুরীতে আবার আনন্দের ধুম পড়ে গেল।

    গল্পটা বড়ই আজগুবি আমরা জানি। আধখানা আম থেকে কখনও আধখানা ছেলে জন্মাতে পারে না। আর জরা রাক্ষসী দু’টো টুকরো জোড়া দিতেই বাচ্চাটা বেঁচে উঠল। এই জোড়া দেওয়ার কথাটা আগে রাজবাড়িতে কারও মনে পড়েনি। যাই হোক গল্প তো গল্পই।

    জরা রাক্ষসী প্রাণ বাঁচিয়েছিল বলে ছেলেটির নাম রাখা হয়েছিল জরাসন্ধ। ক্রমে-ক্রমে সে হয়ে উঠল এক প্রবল শক্তিমান বীর যোদ্ধা। তাঁর দাপটে সবাই ভয় পায়। একের পর এক রাজ্য জয় করে জরাসন্ধ সেই রাজাদের ধরে এনে নিজের কারাগারে বন্দি করে রাখেন। দেবতার পুজোয় তাঁদের এক-এক করে বলি দেওয়ার ভয় দেখান।

    জরাসন্ধকে জয় না করতে পারলে রাজসূয় যজ্ঞ হবে না। আর সম্মুখ যুদ্ধেও জরাসন্ধকে জয় করা সম্ভব নয়, কৌশল করে তাঁকে হারাতে হবে। কৃষ্ণের কথা শুনে ভীম আর অর্জুন ব্রাহ্মণ সেজে যাত্রা করলেন মগধের দিকে। অনেক নদী-পর্বত পেরিয়ে যেতে হল তাঁদের।

    সেখানে পৌঁছে কৃষ্ণের নির্দেশে তাঁরা যা কাণ্ড শুরু করলেন, তা মোটেই ব্রাহ্মণদের মানায় না। এটা ভাঙছেন, সেটা ভাঙছেন, হুংকার দিয়ে সবাইকে ভয় দেখাচ্ছেন। মগধের মানুষ সরে গিয়ে তাঁদের পথ করে দিল।

    এইভাবেই দৌড়তে-দৌড়তে রাজবাড়ির পিছনের দরজা ভেঙে তিন জন উপস্থিত হলেন জরাসন্ধের পুজোর ঘরে।

    ব্রাহ্মণবেশে সেই তিন জনকে দেখে জরাসন্ধ পরম ভক্তিভরে তাঁদের পাদ্যঅর্ঘ্য দিয়ে পুজো করলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, “আপনারা কে?”

    কৃষ্ণ শিখিয়ে দিয়েছিলেন বলে ভীম আর অর্জুন কোনও কথা বললেন না। কৃষ্ণ বললেন, “এঁরা ব্রত করেছেন, এখন কথা বলবেন না।”

    জরাসন্ধ বললেন, “আপনাদের গলায় মালা, গায়ে চন্দন চিহ্ন। আপনাদের কাপড়ের রং লাল, বাহুতে যে দাগ রয়েছে, তাতে মনে হয়, আপনাদের ধনুর্বাণ চালনার অভ্যেস আছে। আপনারা কি সত্যিই ব্রাহ্মণ? আপনারা পিছনের দরজা দিয়েই বা ঢুকলেন কেন?”

    কৃষ্ণ বললেন, “স্নান উৎসবের সময় ক্ষত্রিয় আর বৈশ্যরাও এ রকম সাজ নিতে পারে। আর শত্রুগৃহে যে-কোনও ভাবে ঢোকা যায়।”

    জরাসন্ধ অবাক হয়ে বললেন, “শত্রু! আমি আপনাদের শত্রু হলাম কী করে?”

    কৃষ্ণ বললেন, “তুমি অনেক রাজাকে বন্দি করে এনে কারাগারে রেখেছ, তাদের বলি দিতে চাও। এই অন্যায়ের জন্য তোমাকে শাস্তি দিতে এসেছি।”

    জরাসন্ধ বললেন, “অন্যায়? আমি তো প্রত্যেকটি রাজাকে যুদ্ধে হারিয়ে বন্দি করে এনেছি। পরাজিত রাজাদের নিয়ে তো যা খুশি করা যায়।”

    কৃষ্ণ বললেন, “অত কথার দরকার কী? তুমি আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করো। তিন জনের মধ্যে কার সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাও?”

    একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জরাসন্ধ ভীমকেই পছন্দ করলেন।

    তারপর শুরু হল বাহুযুদ্ধ।

    ভীমের পরাক্রম কে না জানে। আর জরাসন্ধও অতুলনীয় যোদ্ধা। লড়াই হতে লাগল সমানে-সমানে। একসময় দু’জনের গা থেকে যেন আগুনের স্ফুলিঙ্গ বেরোতে লাগল। দু’জনের গর্জনে কেঁপে উঠল সব দিক।

    কার্তিক মাসের পয়লা তারিখে আরম্ভ হল সেই যুদ্ধ, চলল টানা তেরো দিন। এর মধ্যে কেউ কিছু খাওয়ারও সময় পায়নি। অবিশ্বাস্য লাগে শুনতে, তাই না? চোদ্দো দিনের দিন জরাসন্ধ ক্লান্ত হয়ে একটু বিশ্রাম নিতে চাইলেন। সামনা সামনি যুদ্ধে এক জন বিশ্রাম নিতে চাইলে অন্যজনেরও থেমে যাওয়াই নিয়ম। কিন্তু কৃষ্ণ ভীমকে বললেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে।

    ক্লান্ত জরাসন্ধকে অকস্মাৎ তুলে নিয়ে ভীম বোঁ বোঁ করে ঘোরাতে লাগলেন প্রায় একশো বার। জরাসন্ধর তখন আর বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ভীম তাঁকে মাটিতে ফেলে পিঠে হাঁটু দিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে, তাঁর দু’টো পা ধরে টানতেই তাঁর শরীর দু’ ভাগ হয়ে গেল। তাতেই জরাসন্ধ শেষ। তখন ভীমের ভয়ংকর চিৎকারে মনে হল বুঝি হিমালয় কিংবা পৃথিবী বিদীর্ণ হচ্ছে।

    কারাগার থেকে বন্দি রাজাদের মুক্তি দিতে তাঁরা দু’ হাত তুলে বন্দনা করতে লাগলেন কৃষ্ণ আর পাণ্ডবদের। বিজয়গর্বে সেই তিন জন ফিরে এলেন যুধিষ্ঠিরের কাছে।

    ব্যস, এর পর আর রাজসূয় যজ্ঞে কোনও বাধা রইল না। তবু পৃথিবীর অন্য সব রাজাদেরও তো বশ্যতা স্বীকার করাতে হবে। যুধিষ্ঠিরের শ্রেষ্ঠত্ব কেউ না মানতে চাইলে যুদ্ধ করতে হবে তাঁর সঙ্গে। তাই অর্জুন, ভীম, সহদেব আর নকুল এই চার ভাই চারদিকে যাত্রা করলেন দিগ্বিজয়ে।

    কয়েক জায়গায় ছোটখাটো যুদ্ধ হল বটে, কিন্তু পাণ্ডবদের পরাক্রম কেউ সহ্য করতে পারলেন না। ভীম যুদ্ধ করতে-করতে একসময় পৌঁছে গেলেন আমাদের এই বঙ্গদেশে। কিন্তু তখন বঙ্গদেশ ছোট-ছোট রাজ্যে বিভক্ত। কোনও রাজারই সাধ্য হল না ভীমকে প্রতিহত করার।

    চার ভাই-ই ফিরে এলেন প্রচুর ধনরত্ন আর ঘোড়া আর হাতি নিয়ে। এ সবই পরাজিত রাজাদের উপহার। যজ্ঞ করলেও তো প্রচুর খরচ হবে।

    যজ্ঞের আয়োজন মানে কী? সে এক এলাহি ব্যাপার। নানান দেশ থেকে বিখ্যাত সব ঋষি, পণ্ডিত আর রাজাদের আমন্ত্রণ জানাতে হবে। হস্তিনাপুর থেকেও আসবেন ধৃতরাষ্ট্র, ভীম, বিদুর, দুর্যোধন ও আরও অনেকে। এঁদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা-আলাদা থাকার ব্যবস্থা, পছন্দমতো খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। পান থেকে একটু চুন খসলেই নিন্দে হয়ে যাবে। তৈরি হতে লাগল শত-শত নতুন বাড়ি। নতুন রান্নাঘর, আর জোগাড় হল নানা রাজ্যের রান্নার লোক। কোনও ব্যবস্থার ত্রুটি নেই।

    তা হলে কি রাজসূয় যজ্ঞ সহজে মিটে গেল? মোটেই না। মোটেই না। একটু-আধটু রক্তপাত হবে না?

    সেই পুণ্যদিনে শত-শত রাজা ও বিশিষ্ট মানুষেরা সমবেত হয়েছেন যজ্ঞস্থলে। এ যেন আকাশের নক্ষত্রমণ্ডলীর মতো উজ্জ্বল। যজ্ঞ শুরুর আগে, একজন কাউকে প্রধান হিসেবে অর্ঘ্য দিতে হয়। কাকে অর্ঘ্য দেওয়া হবে? ভীষ্মের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে যুধিষ্ঠির ঘোষণা করলেন, “এই যজ্ঞের প্রধান হিসেবে অর্ঘ্য দেওয়া হবে কৃষ্ণকে।”

    এতে অনেকে অবাক হলেও মুখে কিছু বললেন না। কিন্তু চেদি রাজ্যের রাজা শিশুপাল দারুণ রেগে গিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বললেন, “হে যুধিষ্ঠির, তুমি এটা কী করলে? এ কি ছেলেমানুষি নাকি? এই সভায় এত সব জ্ঞানী, গুণী, প্রাজ্ঞ পুরুষ থাকতে তুমি কৃষ্ণকে পুজো দিলে? কৃষ্ণ কে? সে তো রাজাই নয়। ভীষ্ম যদি তোমাকে এই পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তা হলে বুঝতে হবে, অনেক বয়স হয়েছে তো, তাই ভীষ্মের মতিভ্রম হয়েছে। আরে ভীষ্ম নিজেই তো পুজো পাওয়ার যোগ্য। কিংবা স্বয়ং ঋষি বেদব্যাস এখানে রয়েছেন, কিংবা অস্ত্রগুরু দ্রোণ বা কৃপ। আরও অনেক রাজা এবং মহাবীর কর্ণ, যিনি সমস্ত রাজাদের জয় করেছেন। এঁদের বদলে কৃষ্ণ? তুমি কি আমাদের এখানে ডেকে এনে অপমান করতে চাও?”

    কৃষ্ণ মাথা নিচু করে চুপ করে বসে রইলেন।

    শিশুপাল কিন্তু থামলেন না। আরও কড়া-কড়া ভাষায় ভীম আর কৃষ্ণের নিন্দে করে যেতে লাগলেন। তা সহ্য করা কঠিন। একবার সহদেব আর একবার ভীম উঠে শিশুপালের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করতেই ভীষ্ম তাঁদের থামালেন।

    খুব ঘাবড়ে গেলেন যুধিষ্ঠির। তা হলে কি সব কিছু ভন্ডুল হয়ে যাবে? অন্য রাজারাও তো কেউ শিশুপালকে থামাবার চেষ্টা করছেন না। কৃষ্ণই বা নীরব কেন?

    ভীষ্ম তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, “কুকুর কখনও সিংহের সামনে গিয়ে স্পর্ধা দেখাতে পারে? দ্যাখোই না এর পর কী হয়? কৃষ্ণের উপর ভরসা রাখো।”

    একটু পরে যা অবস্থা দাঁড়াল, তাতে মনে হচ্ছে সত্যিই হয়তো এত বড় যজ্ঞের আয়োজন ভন্ডুল হয়ে যাবে। অনেকক্ষণ ধরে গালমন্দ করেও কৃষ্ণকে উত্তেজিত করা যাচ্ছে না দেখে শিশুপাল এখানে যুদ্ধ করতে চাইলেন কৃষ্ণের সঙ্গে। আরও বেশ কয়েকজন রাজাও দাঁড়ালেন তাঁর পাশে, সবাই অস্ত্রশস্ত্রে সেজেগুজে প্রস্তুত হল। এই বুঝি যজ্ঞস্থল হয়ে যায় রণক্ষেত্র।

    এবার শিশুপাল হেঁকে বললেন, “ওহে জনার্দন (কৃষ্ণের আর-এক নাম), আমি তোমাকে যুদ্ধে আহ্বান করছি। আজ তোমাকে আমি যমালয়ে পাঠাব।”

    এবার কৃষ্ণ উঠে দাঁড়িয়ে গম্ভীর ভাবে সব রাজাদের উদ্দেশ করে বললেন, “আপনারা শুনলেন এই দুর্মতি এতক্ষণ ধরে আমার নামে কত মন্দ কথা বলল? এই শিশুপাল আমার এক পিসির ছেলে। অল্পবয়স থেকেই সে অনেক কুকর্ম করেছে। আমার সঙ্গে শত্রুতা করারও চেষ্টা করেছে। আমাদের রাজ্যে গিয়েও উৎপাত করেছে কয়েক বার। পিসি আমাকে অনুরোধ করেছেন, আমি যেন ওর একশো অপরাধ ক্ষমা করি। আজ সেই একশোতম অপরাধটি ঘটে গেল। ও আমার সঙ্গে যদি যুদ্ধ করতে চায়, তা হলে ওর সেই যুদ্ধসাধ মিটিয়ে দেওয়া যাক।”

    এই কথা বলার সঙ্গে-সঙ্গেই কৃষ্ণ তাঁর চক্র দিয়ে শিশুপালের মাথাটি কেটে দিলেন। যে লোক লড়াই করার জন্য এত তর্জন-গর্জন করছিলেন, তিনি কৃষ্ণের একটি চক্রও সামলাতে পারলেন না।

    সমস্ত রাজা একেবারে হতবাক। অনেকেই কৃষ্ণের এই তেজস্বী রূপ আগে দেখেননি। কেউ-কেউ অবশ্য কৃষ্ণকে পছন্দ করেন না। কিন্তু মুখে আর কিছু বলার সাহস পেলেন না।

    এর পর যজ্ঞ পরিচালনায় কোনও বিঘ্ন ঘটল না।

    এই পুরো উৎসবে সবচেয়ে অসুখী মানুষটি কে? অবশ্যই রাজা দুর্যোধন! এখানে এত জাঁকজমক, কত দেশ থেকে রাজারা এসে বারবার জয়ধ্বনি দিয়েছেন যুধিষ্ঠিরের নামে। দুর্যোধনকে কেউ একবারও পাত্তাও দেননি। আর কী দারুণ রাজসভা বানিয়েছেন পাণ্ডবরা! হস্তিনাপুরের পুরনো রাজসভা এর তুলনায় একেবারে ম্লান।

    ঘুরে-ঘুরে সবকিছু দেখতে গিয়ে নাকালও হলেন দুর্যোধন। সম্পূর্ণ স্ফটিকের তৈরি প্রাঙ্গণ দেখে তাঁর মনে হল জলাশয়। তিনি পোশাক সামলাতে গেলেন। আবার সত্যিকারের সরোবরের কাছে গিয়ে ভাবলেন, এটাও নিশ্চয়ই স্ফটিকের তৈরি! তার উপর হাঁটতে গিয়ে তিনি সব পোশাক ভিজিয়ে ফেললেন। পিছন থেকে হাসাহাসি করতে লাগলেন পাণ্ডবরা।

    পাণ্ডবদের উপর হিংসায় তাঁর শরীর জ্বলছে, তার উপর এই অপমান! তিনি ফিরে এলেন হস্তিনাপুরে।

    দুর্যোধনদের এক মামা আছেন, তাঁর নাম শকুনি। যেমন বুদ্ধি, তেমনই বাকপটু। তিনি দুর্যোধনকে বিমর্ষ অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে তোমার?”

    দুর্যোধন মাথা নামিয়ে বললেন, “মামা, পাণ্ডবদের এত গৌরব আমার কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না। তাদের এখন অতুল ঐশ্বর্য আর দারুণ প্রতাপ। তারা যা খুশি করতে পারে, আর আমরা যেন কিছুই না। এই অবস্থা দেখে আমি আর বাঁচতে চাই না। আমি আগুনে পুড়ে কিংবা বিষ খেয়ে কিংবা জলে ডুবে প্রাণত্যাগ করব।”

    শকুনি বললেন, “দুর্যোধন, তুমি শুধু-শুধু মাথা গরম করছ কেন? তুমি আগেও কয়েক বার নানাভাবে যুধিষ্ঠিরদের বিনাশ করতে চেয়েছিল, পারোনি। এখন তুমি তাদের এই রাজ্যের খানিকটা অংশ দিতে বাধ্য হয়েছ। তারা সাজিয়ে-গুজিয়ে নিয়ে নিজেদের অনেক উন্নতি করেছে, এতে তোমার ঈর্ষার কী কারণ থাকতে পারে? তোমারও তো রাজত্ব আছে, তোমার অনেক সুহৃদ আছেন। তুমি এবার আরও রাজ্য জয় করে তোমার ধনদৌলত বাড়াতে পারো।”

    দুর্যোধন বললেন, “পাণ্ডবদের আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। ওদের শেষ করতে না পারলে আমার শান্তি হবে না। কালই আমি যুদ্ধযাত্রা করে ওদের রাজ-রাজধানী ধবংস করে দিতে চাই।”

    শকুনি বললেন, “এরকম ছেলেমানুষি কোরো না। তোমার পক্ষেও অনেক বড়-বড় বীর আছেন বটে, কিন্তু ভীম, অর্জুন, কৃষ্ণ, দ্রুপদ রাজার ছেলেরা, ওদের পরাজিত করা কিছুতেই সম্ভব নয়। ভীম-অর্জুন দৈব অস্ত্র পেয়েছে শুনেছি। ওদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গেলে তুমিই বরং বিপদে পড়বে। এই ইচ্ছা ছাড়ো।”

    দুর্যোধন বললেন, “তা হলে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া উপায় নেই। আমি পাণ্ডবদের কাছে কিছুতেই মাথা নিচু করতে পারব না।”

    এবার শকুনি বললেন, “যুধিষ্ঠিরের সর্বনাশ করার একটাই উপায় আছে।”

    অমনি উৎসাহিত হয়ে দুর্যোধন বললেন, “উপায় আছে? বলুন কী উপায়?”

    শকুনি বললেন, “যুধিষ্ঠিরের অনেক গুণ থাকলেও একটি অতি সাংঘাতিক দোষ আছে। ওর খুব পাশার জুয়া খেলার নেশা। কেউ ওকে ডাকলে না বলে না। তা হলে ডাকো যুধিষ্ঠিরকে। তোমার হয়ে আমি খেলব। আর পাশাখেলায় আমিই তো দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ। একবার যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে খেলতে বসলে আমি ওর ধনসম্পদ সব কিছু গ্রাস করে নেব।”

    কিন্তু তক্ষুনি তো পাশা খেলার ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। আগে ধৃতরাষ্ট্রের মত নিতে হবে। দুর্যোধন বাবাকে এই প্রস্তাব জানাতেই, ধৃতরাষ্ট্র বুঝে গেলেন এর উদ্দেশ্য কী! তিনি বললেন, “পুত্র, যুধিষ্ঠিররাও তো তোমার ভাই। তাদের উপর এত হিংসা করছ কেন? তারা তাদের মতো থাক না। তুমিও তো রাজা, তোমারও ক্ষমতা কিংবা ধনসম্পদ কম নয়। ইচ্ছে করলে তুমি অন্য একটা যজ্ঞ করতে পারো। তাতেও অনেক ধুমধাম হবে। ওসব পাশা খেলাটেলার চিন্তা বাদ দাও।”

    কিন্তু দুর্যোধন তা শুনে নিবৃত্ত হলেন না। পাণ্ডবদের এত খ্যাতি, প্রতিপত্তি তাঁর কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না। যে-কোনও উপায়ে ওঁদের শেষ করতেই হবে, নইলে তিনি আত্মহত্যা করবেন।

    ধৃতরাষ্ট্রের হৃদয় অনেকটা গ্রীষ্মকালের নদীর মতো। উপরের জল গরম, তলার দিকে ঠান্ডা, একেবারে দু’রকম। এক-এক সময় তিনি বেশ বুঝতে পারেন যে, তাঁর ছেলে কী-কী অন্যায় করছে, পাণ্ডবদের প্রতি কত অবিচার হচ্ছে, কৌরব বংশের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। তখন তিনি ছেলেকে বকুনি দেন, তার অন্যায় আবদারে প্রশ্রয় দেন না। আবার এক-এক সময় তিনি পুত্রস্নেহে অন্ধ হয়ে দুর্যোধনের অন্যায় আবদারেও রাজি হয়ে যান।

    দুর্যোধন অনেকক্ষণ কাকুতি-মিনতি করতেই ধৃতরাষ্ট্র একসময় বললেন, “আচ্ছা, তা হলে সব ব্যবস্থা করো।”

    যুধিষ্ঠিরের পাশা খেলার নেশা, কিন্তু খেলাটা তিনি ভাল জানেন না। তাঁর আবার একটা নীতি আছে, কেউ এই খেলায় তাঁকে আহ্বান জানালে তিনি কিছুতেই তা প্রত্যাখ্যান করবেন না।

    কৌরব পক্ষের আমন্ত্রণ পেয়ে রাজা যুধিষ্ঠির তাঁর চার ভাই ও অন্যান্য দলবল নিয়ে চলে এলেন হস্তিনাপুরে।

    এই খেলা উপলক্ষে নতুন একটা মণ্ডপ বানিয়ে খুব সুন্দর ভাবে সেটা সাজানো হয়েছে। দুই পক্ষ বসবেন মুখোমুখি, তার চারপাশ ঘিরে বসবেন দর্শকরা।

    যুধিষ্ঠির আসন গ্রহণ করার পর দুর্যোধন বললেন, তাঁর বদলে খেলবেন তাঁর মামা শকুনি, তিনি সব বাজি ধরবেন।

    যুধিষ্ঠির এতেও রাজি হয়ে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleওল্ড র‍্যামন – জ্যাক শেফার
    Next Article সর্বংসহ কালীগুণীন – সৌমিক দে

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনামণির অশ্রু

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Our Picks

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }