Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমাদের মহাভারত – ৮

    ॥ ৮ ॥

    পাণ্ডবরা যে রাজ্যে ছদ্মবেশে অজ্ঞাতবাস করছিলেন, সেই রাজ্যের সেনাপতি ছিলেন কীচক। সবাই তাঁকে খুব বড় বীর যোদ্ধা মনে করত। তিনি তো মারা গিয়েছেন, এখন কোনও দেশ যদি এই রাজ্য আক্রমণ করে, তা হলে বৃদ্ধ বিরাট রাজা নিশ্চয়ই হেরে যাবেন। তাই কৌরবরা বহু সৈন্যসামন্ত নিয়ে মৎস্যরাজ্য জয় করার জন্য ধেয়ে এলেন।

    বিরাট রাজা যথাসাধ্য লড়াই করতে গেলেন, কিন্তু বেশিক্ষণ পারলেন না, ফিরে এলেন রাজধানীতে। কৌরবরা যেমন ইচ্ছে লুটপাট চালাতে লাগলেন। এদেশের রাজপুত্রের নাম উত্তর, তিনি খুব গর্ব করে বলতে লাগলেন, “আমি ইচ্ছে করলেই ভীষ্ম, কর্ণ, দ্রোণ, দুর্যোধন সবাইকে হারিয়ে দিতে পারি। কিন্তু আমার রথের কোনও সারথি নেই, একজন ভাল সারথি পেলে আমি দেখিয়ে দিতাম!”

    তা শুনে দ্রৌপদী জানালেন যে, বৃহন্নলা নামে যে-লোকটি নাচ-গান শেখান, তিনি ভাল রথ চালাতেও জানেন। রাজকুমার তখন তাঁকেই সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন যুদ্ধযাত্রায়।

    তারপর বৃহন্নলা তো খুব জোরে চালিয়ে দিলেন রথ। কিছু দূর গিয়ে দেখা গেল, বিরাট সমুদ্রের মতো অসংখ্য কৌরব সৈন্য, তার মধ্যে বড়-বড় বীরদের বিশাল-বিশাল রথ। তা দেখেই উত্তরের মুখ শুকিয়ে গেল। তিনি বললেন, “সারথি তুমি রথ ঘোরাও, আমি এদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারব না।”

    বৃহন্নলা বললেন, “সে কী রাজকুমার, তুমি খানিক আগেই রাজসভায় দাঁড়িয়ে কত আস্ফালন করছিলে, এখন ফিরে যেতে চাইছ? এটা তোমাকে মানায় না!”

    উত্তর বললেন, “ওরে বাবা রে, এদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গেলে আমি বাঁচব না। আগে তো নিজের প্রাণ! তুমি ফিরে চলো, ফিরে চলো”

    বৃহন্নলা বললেন, “ক্ষত্রিয়দের এ রকম ব্যবহার করতে নেই। যুদ্ধ শুরু করেই দ্যাখো না!”

    বৃহন্নলা কিছুতেই রথ ঘোরাতে রাজি হচ্ছেন না দেখে রাজকুমার লাফিয়ে নেমে দৌড়ে পালাতে লাগলেন। বৃহন্নলাও রথ ছেড়ে তাড়া করতে লাগলেন তাঁকে।

    অর্জুন তো বৃহন্নলা হয়ে মেয়েদের মতো সাজ করে আছেন। কাঁচুলি আর ঘাগরা পরা, চুলে লম্বা বেণী। সেরকম একজন রাজকুমারকে তাড়া করছেন দেখে শত্রুপক্ষের সৈন্যরা হাহা-হিহি করে হাসতে লাগল।

    একশো পা দৌড়ে গিয়ে অর্জুন রাজকুমারের চুলের মুঠি চেপে ধরলেন।

    রাজকুমার কাঁদো-কাঁদো হয়ে বললেন, “বৃহন্নলা, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি বাঁচতে চাই। আমি তোমাকে অনেক স্বর্ণমুদ্রা, মণিমাণিক্য, রথ আরও অনেক কিছু দেব, তুমি আমাকে রাজধানীতে ফেরত নিয়ে যাও।”

    অর্জুন তাঁকে টানতে-টানতে রথের কাছে নিয়ে এসে বললেন, “তুমি যখন পারবে না, তখন আমি নিজেই যুদ্ধ করব। তুমি এখন রথ চালাও।”

    রাজকুমার বাধ্য হয়ে সারথির আসনে বসে অর্জুনের নির্দেশ মতো রথটা নিয়ে এলেন একটা শমী গাছের কাছে। অর্জুন বললেন, “তুমি এই গাছের উপরে ওঠো, এক জায়গায় দেখবে পাতার আড়ালে অনেক অস্ত্রশস্ত্র লুকিয়ে রাখা আছে, সেগুলো নামিয়ে আনো।”

    রাজকুমার সেই বিরাট বোঝাটা নামিয়ে আনার পর অত দারুণ-দারুণ অস্ত্র দেখে বিস্ময়ে একেবারে হতবাক, “এই সব অস্ত্র কাদের?”

    অর্জুন বললেন, “পাণ্ডবদের।”

    রাজকুমার জানতে চাইলেন, “পাণ্ডবরা কোথায়?”

    অর্জুন তখন স্মিত হাস্যে নিজের পরিচয় দিলেন। তাঁর অন্য চার ভাই ও দ্রৌপদী যে কোন ছদ্মবেশে আছেন তাও জানালেন।

    মেয়েদের মতো সাজ, নাচ-গান শেখায়, তিনিই মহাবীর অর্জুন? প্রথমে তো বিশ্বাসই হতে চায় না। তারপর আরও একটুক্ষণ কথাবার্তা বলে বুঝতে পেরে তিনি অর্জুনকে অভিবাদন করে বললেন, “আপনার দেখা পেয়েছি, আমি ধন্য। না-জেনে আপনাকে খারাপ কথা বলেছি, সে জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।”

    অর্জুন যুদ্ধের সাজ-পোশাক পরে নিয়ে তাঁর গাণ্ডীব ধনুতে টংকার দিলেন। সেই বজ্রের মতো শব্দ শুনে কৌরবপক্ষের সবাই বুঝে গেলেন, ইনি তো অৰ্জুন ছাড়া আর কেউ হতে পারেন না।

    অনেকে ভয় পেলেও দুর্যোধন আনন্দের সঙ্গে বললেন, “বাঃ, তা হলে তো বেশ হল। চুক্তি ছিল যে পাণ্ডবরা বারো বছর বনবাস করবে, তারপর এক বছর অজ্ঞাতবাস। সেই অজ্ঞাতবাসের সময় না-ফুরোতেই ওরা ধরা পড়ে গেল। এবার ওদের আবার বারো বছরের জন্য বনবাসে যেতে হবে।”

    তখন ভীষ্ম গণনা করে দেখে বললেন, “না, পাণ্ডবরা ধরা পড়েনি, ওদের অজ্ঞাতবাস শেষ হয়ে গিয়েছে। অর্জুন তা দেখেশুনেই আত্মপ্রকাশ করেছে।”

    দুর্যোধন বললেন, “আসুক না অর্জুন। আমরা যুদ্ধ করে ওদের এখানেই শেষ করে দেব।”

    শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ।

    এক দিকে অর্জুন, অন্য দিকে ভীম প্রবল বিক্রমে আক্রমণ করলেন কৌরবদের। অনেক দিন এঁরা যদিও যুদ্ধ করেননি। কিন্তু অপমানের জ্বালায় এমন জ্বলছেন যে, তাঁদের তেজের সামনে কৌরবপক্ষের বড়-বড় যোদ্ধারাও দাঁড়াতে পারছেন না। সেই ভয়ংকর যুদ্ধ দেখে রাজকুমার উত্তর ভয়ে কাঁপতে লাগলেন।

    একসময় অর্জুন সম্মোহন নামে এমন একটা বাণ ছুড়লেন, যাতে ভীষ্ম ছাড়া অন্য সব কৌরবপক্ষের বীরেরা অজ্ঞান হয়ে গেলেন। তখন অর্জুন রাজকুমারকে বললেন, “তুমি ভীষ্মকে এড়িয়ে দ্রোণ, কৃপ, কর্ণ, অশ্বত্থামা আর দুর্যোধনের উপরের জামাগুলো খুলে নিয়ে এসো। ততক্ষণ আমি ভীষ্মকে সামলাচ্ছি।”

    উত্তর দৌড়ে গিয়ে সকলের জামাগুলো খুলে নিয়ে এলেন।

    একটু পরে জ্ঞান ফিরে পেয়ে দুর্যোধন দারুণ রেগে গিয়ে ভীষ্মের কাছে এসে বললেন, “পিতামহ, আপনি যেমন করে পারেন, অর্জুনকে আটকে রাখুন।”

    ভীষ্ম হেসে বললেন, “তুমি এখন এই কথা বলছ! তুমি যখন অজ্ঞান হয়ে ছিলে, তখন অর্জুন তো তোমাকে মেরে ফেলতেই পারত। সেরকম কিছুই করেনি। এখন শুধু-শুধু অর্জুনদের সঙ্গে যুদ্ধ করে কী লাভ? বরং এখন ফিরে চলো। ফিরে গিয়ে ধৃতরাষ্ট্রকে পাণ্ডবদের খবর জানাও।”

    কৌরবপক্ষের অন্য বীররাও ভীষ্মকে সমর্থন করলেন।

    কৌরবসৈন্যরা ফিরে যাচ্ছে দেখে এ রাজ্যের সৈন্যরা উল্লাসে জয়ধ্বনি করতে লাগল।

    অর্জুন রাজকুমারকে বললেন, “তুমি রাজধানীতে গিয়ে আগেই তোমার বাবার কাছে আমাদের পরিচয় দিও না। আস্তে-আস্তে জানাতে হবে। তুমি খবর পাঠাও যে তুমি নিজেই এই যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছ!”

    দূতের মুখে এই সংবাদ শুনে বিরাট রাজার আনন্দের অবধি রইল না। সবাইকে ডেকে-ডেকে ছেলের বীরত্বের কথা শোনাতে লাগলেন। সবাইকে আদেশ দিলেন রাজধানী আলো দিয়ে সুন্দর করে সাজাতে। রাজকুমার কখন ফিরবেন সেই অপেক্ষায় অধীর হয়ে তিনি কঙ্কের সঙ্গে পাশা খেলতে বসলেন। আর বারবার বলতে লাগলেন, “শুনেছ আমার ছেলের কথা। সে কত বড় বীর! কৌরবদের সবাই ভয় পায়, কৌরবদেরও সে তাড়িয়ে দিয়েছে।”

    কঙ্কবেশী যুধিষ্ঠির তো সবই বুঝলেন। তিনি একবার বলে ফেললেন, “বৃহন্নলা যার রথের সারথি, সে তো জিতবেই!”

    তা শুনে বিরাট রাজা খুব রেগে গিয়ে বললেন, “তুমি তো অতি বাজে লোক! তুমি আমার ছেলের বীরত্বের কথা গ্রাহ্য না করে বৃহন্নলার প্রশংসা করছ? মুখ সামলে থাকো।”

    একটু পরে বিরাট রাজা আবার তাঁর ছেলের নামে গর্ব করতেই যুধিষ্ঠির আবার বলে ফেললেন, “ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণের সঙ্গে বৃহন্নলা ছাড়া কেউ এই যুদ্ধ করতে পারে?”

    এবার বিরাট রাজা আরও রেগে গিয়ে বললেন, “কী, তোমার যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা? এখনও বৃহন্নলার প্রশংসা!”

    তিনি হাতের একটা পাশা ছুড়ে মারলেন যুধিষ্ঠিরের মুখে। তাঁর নাক দিয়ে ঝরঝর করে রক্ত পড়তে লাগল। আড়াল থেকে দ্রৌপদী তা দেখেই একটা পাত্র নিয়ে দৌড়ে এসে যুধিষ্ঠিরের নাকের কাছে ধরলেন।

    ওদিকে অর্জুন সেই শমী গাছটার কাছে গিয়ে অস্ত্রগুলো লুকিয়ে রাখলেন। তারপর যুদ্ধের পোশাক খুলে আবার পরে নিলেন বৃহন্নলার বেশ। তারপর রাজকুমারকে রথে বসিয়ে নিজে সারথি হয়ে ফিরে এলেন রাজধানীতে। কৌরবদের পোশাকগুলো রাজবাড়ির মেয়েদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে দেখা করতে গেলেন রাজার সঙ্গে।

    দ্বারপাল যখন এসে খবর দিল যে, ওই দু’জন আসছেন দেখা করতে, তখন যুধিষ্ঠির তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, “বৃহন্নলাকে এখন দেখা করতে বারণ করো! তার আসার দরকার নেই!”

    যুধিষ্ঠিরকে আহত অবস্থায় দেখলে অর্জুন নিশ্চয়ই রেগে গিয়ে বিরাট রাজার পুরো রাজ্যটা ধ্বংস করে দিতেন, রাজকুমার উত্তর সেখানে এসে বাবাকে প্রণাম করার পর যুধিষ্ঠিরের দিকে তাকিয়ে তাঁর রক্তাক্ত মুখ দেখে আঁতকে উঠে বললেন, “এ কী? এঁর এই অবস্থা হল কী করে?”

    বিরাট রাজা বললেন, “এ লোকটার এত স্পর্ধা, তোমার বদলে বৃহন্নলার প্রশংসা করছিল। একে শাস্তি দেওয়া উচিত।”

    রাজকুমার বললেন, “সর্বনাশ! বাবা, উনি ইচ্ছে করলে আমাদের সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারেন। শিগগির এঁর কাছে ক্ষমা চাও।”

    রাজা বিরাট ঘাবড়ে গিয়ে যুধিষ্ঠিরের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে যুধিষ্ঠির বললেন, “আমার রাগ নেই, আমি আপনাকে আগেই ক্ষমা করেছি।”

    এর দু’-তিন দিনের মধ্যেই পাণ্ডবদের পরিচয় সব জায়গায় জানাজানি হয়ে গেল। সারা রাজ্য জুড়ে চলল উৎসব। পাণ্ডবরা ছদ্মবেশ ছেড়ে রাজপোশাক পরে বসলেন রাজসভায়।

    সেখানেই রাজ্যের রাজকন্যা উত্তরার সঙ্গে অর্জুনের ছেলে অভিমন্যুর বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। কৃষ্ণ, বলরাম, আরও অনেকে সুভদ্রা ও অভিমন্যুকে নিয়ে এলেন। দ্রৌপদীর বাপের বাড়ি থেকেও এলেন আত্মীয়-স্বজনরা, খুব ধুমধাম করে হল বিয়ের অনুষ্ঠান।

    এত বছর দুঃখ-কষ্ট ভোগ করার পর এখন পাণ্ডবদের সুখের দিন। পাণ্ডবরা সব শর্ত মেনেছেন। বারো বছর বনবাস আর এক বছর অজ্ঞাতবাসে ঠিকঠাক কাটিয়েছেন। যুধিষ্ঠির পাশা খেলায় যে রাজ্য হারিয়েছিলেন, তা তো এখন ফিরে পাওয়ার কথা। কিন্তু গুপ্তচরদের মুখে, আরও নানা সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, দুর্যোধন নাকি কিছুতেই রাজ্য ফিরিয়ে দিতে রাজি নন। ভীষ্ম, দ্রোণ, বিদুর এমনকী, বাবার কথাও শুনছেন না দুর্যোধন। এরই মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন রাজার কাছে দূত পাঠিয়ে তাঁদের সমর্থন চাইছেন।

    শান্তিপ্রিয় যুধিষ্ঠির যুদ্ধ চান না। মহাবীর অর্জুনও যুদ্ধের পক্ষপাতী নন। কিন্তু প্রচুর সৈন্যসামন্ত নিয়ে কৌরবরা যদি হঠাৎ আক্রমণ করে বসে, সেজন্যও তো তৈরি থাকা দরকার। পাণ্ডবরাও দূত পাঠালেন অনেক রাজ্যে। তখন দেখা গেল, সারা ভারতের বেশ কিছু রাজা কৌরবপক্ষে যোগ দিতে চান, আর অনেক রাজা সমর্থন করেন পাণ্ডবদের। দেশটাই দু’ ভাগে ভাগ হয়ে গেল।

    কৃষ্ণ যাবেন কোন পক্ষে?

    কৃষ্ণ পাণ্ডবদের মামাতো ভাই। আবার কৃষ্ণের এক ছেলে শাম্ব দুর্যোধনের মেয়েকে বিয়ে করেছে। দু’ পক্ষেই তাঁর আত্মীয় আর কুটুম্ব।

    অর্জুন একা চলে গেলেন দ্বারকায়। দুর্যোধনও একই উদ্দেশ্যে একটু আগেই পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। কৃষ্ণ তখন ঘুমোচ্ছেন। দুর্যোধন রাজার মতো বসে রইলেন কৃষ্ণের মাথার কাছে উচ্চ আসনে। আর অর্জুন বসলেন কৃষ্ণের পায়ের কাছে।

    কৃষ্ণ চোখ মেলে দু’জনকে দেখার পর জিজ্ঞেস করলেন, “কী ব্যাপার? তোমরা দু’জনেই এখানে উপস্থিত কী জন্য?”

    দুর্যোধন হেসে বললেন, “কারণটা তুমি ঠিকই বুঝতে পারছ। আমি চাই, তুমি আমাদের পক্ষে যোগ দাও। জানি, আমার আর অর্জুনের সঙ্গে তোমার সমান সম্পর্ক, কিন্তু আমি আগে এসেছি। যে আগে আসে, তার অনুরোধই তো আগে রাখতে হয়।”

    কৃষ্ণ বললেন, “দুর্যোধন, তুমি যা বললে, তা ঠিক। তুমিই আগে এসেছ। কিন্তু আমি চোখ মেলে অর্জুনকেই আগে দেখেছি। আমি দু’জনকেই সাহায্য করতে চাই। এক পক্ষে থাকবে আমার প্রায় দশ কোটি নারায়ণী সেনা। তারা সাংঘাতিক যোদ্ধা। অন্য পক্ষে শুধু একা আমি, কিন্তু আমি যুদ্ধ করব না, শুধু পরামর্শ দিতে পারি। অর্জুন তোমার চেয়ে বয়সে ছোট, সেই জন্য তাকেই আগে বেছে নিতে দাও।”

    অর্জুন সঙ্গে-সঙ্গে বললেন, “আমি শুধু তোমাকেই চাই।”

    দুর্যোধন দশ কোটি সৈন্য পেয়ে খুব খুশি। কৃষ্ণ তো যুদ্ধ করবেনই না। বলেছেন।

    এর পর বলরামের কাছে যাওয়া হল। তিনি বললেন, তিনি কোনও পক্ষেই যোগ দিতে চান না।

    যুদ্ধ কি তা হলে সত্যিই লাগবে? কোনও রকমেই আটকানো যায় না? শেষ চেষ্টা হিসেবে কৃষ্ণকে কৌরবসভায় পাঠাবার প্রস্তাব হল।

    যুধিষ্ঠির এখনও যুদ্ধ চান না। এমনকী, পুরো রাজ্যের বদলে দুর্যোধন যদি তাঁদের পাঁচখানা মাত্র গ্রাম দিতে রাজি থাকেন, তাও তিনি মেনে নেবেন। অর্জুনও যুদ্ধ না হওয়াটাই ভাল মনে করেন। এমনকী, ভীমও বলে ফেললেন যে, কৌরব ও পাণ্ডবরা তো একই বংশ, যুদ্ধে দু’ পক্ষেরই বিনাশ হবে। তার চেয়ে শান্তির সপক্ষে সন্ধি করাই তো ভাল!

    দ্রৌপদী কাঁদতে-কাঁদতে কৃষ্ণকে বললেন, “মধুসূদন, তুমি তো সবই জানো। ধিক অর্জুনের বীরত্ব আর ভীমসেনের শক্তি। তাঁরা কী প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, ভুলে গিয়েছেন? কৌরবসভায় আমার কী অপমান হয়েছিল, দুঃশাসন আমার চুল টেনেছিল, আমি তখন তোমাকে স্মরণ করেছিলাম। আমার স্বামীরা এখন প্রতিশোধ নেবার বদলে ধর্মের কথা বলছেন।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleওল্ড র‍্যামন – জ্যাক শেফার
    Next Article সর্বংসহ কালীগুণীন – সৌমিক দে

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনামণির অশ্রু

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Our Picks

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }