Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার এখন সময় নেই – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিষাদ জানে না

    বলেছিল আসতে পরে৷ যে কোনোদিন৷ সত্যিই আসবে কে জানত৷ দেবাদিত্যর ডাকাডাকিতে রান্নাঘর থেকে দৌড়ে এসে আমি একেবারে হাঁ৷ এ কী দেখছি! ঠিক দেখছি তো৷ আমারই ঘরে, আমারই সোফায় বসে শৈবাল৷ হ্যাঁ, শৈবালই৷ অবিকল সেই আগের মতো বসার ভঙ্গি৷ পায়ের ওপর পা, হাত ছড়ানো সোফার হাতলে, মুখে সেই চিরন্তন টুথপেস্টের বিজ্ঞাপন— কী রে, খুব চমকে গেলি তো? বলেছিলুম চলে আসব…

    চমকে গেছিই তো৷ বিশ্বাস হচ্ছে না, কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না৷

    —ওভাবে দেখছিস কী? আমি রে আমিই৷ তোর সেই গ্রেট হিরো শৈবালদা৷ তোর একমাত্র নায়ক৷

    কথার ছিরি দ্যাখো! দেবাদিত্য রয়েছে না সামনে৷ তাড়াতাড়ি সামলে নেবার চেষ্টা করলাম, থাক৷ হয়েছে৷

    দেবাদিত্য অবশ্য নির্বিকার৷ শৈবালের কাঁধ-ঝাঁকানো দেখে উল্টে মজা পাচ্ছে যেন৷

    —আরে কী কাণ্ড! এত বড়ো খবরটা তো জানতাম না৷

    —সেকী রে! বেমালুম চেপে গেছিস বরের কাছে?

    —ইস! হাসতে গিয়ে গলাটা কেমন কেঁপে গেল, কী আমার উত্তমকুমার ছিলেন রে…

    —যাহ৷ তাহলে তো তোকে সুচিত্রা সেন হতে হয়৷ তুই মোটেই অতটা সুন্দরী নোস৷

    শৈবালের সঙ্গে দেবাদিত্যও হাসছে হ্যা-হ্যা করে৷ মুখটা কেমন বোকা-বোকা হয়ে গেল৷ ওদের মতো হাসতে পারছি না কিছুতেই৷ ফুসফুস দুটো এখনও চমকের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেনি৷ কেন এসেছ শৈবাল? নিশ্চয়ই বাড়ি বয়ে শুধু আমার পিছনে লাগতে আসেনি৷ তাহলে? বিয়েবাড়িতে সেদিন বলেছিল বটে৷ হাল্কাভাবেই৷ কেমন ঘরসংসার করছিস গিয়ে একবার দেখে আসতে হবে৷

    —সত্যিই? কবে আসবে বলো?

    —ঠিকানা দিয়ে রাখ৷ যে কোনোদিন চলে যাব৷

    শৈবাল এখনও একই রকম৷ চার বছর পরেও৷ হাসিখুশি৷ ঝলমলে৷ জড়তাহীন৷ কী সহজে ভাব জমিয়ে ফেলেছে দেবাদিত্যর সঙ্গে৷ সেই বিয়েবাড়ি থেকেই৷ দেবাদিত্যও দিব্যি অসংশয়৷ ছোটো সোফাটায় ছড়িয়ে বসে উপভোগ করছে শৈবালের কথাগুলো৷

    —আপনার বউটা বোধ হয় আর সেরকম বোকা নেই, বুঝলেন? খেপালেও খেপছে না!

    —একদম ভুল রিডিং৷ এখনও কথায় কথায় চোখ দিয়ে টপটপ…

    —ইজ ইট? স্যাড— ভেরি স্যাড! আমি ভেবেছিলুম…

    শৈবাল ভাবে? আমার কথা? মিথ্যে বলছে৷ প্রতিবাদ জানানোর দরকার৷ মাঝখান থেকে বলে উঠলাম, অনেক হয়েছে আমাকে নিয়ে গবেষণা, এখন কী খাবে বলো? চা? কফি? সরবত?

    —চা-ফা তো হবেই৷ তার আগে একটু জল খাওয়া দেখি৷

    —শুধু জল কেন? একটু সরবত করে দি?

    —দিবি? দে! বেত না আসা পর্যন্ত কানমলাই চলুক৷

    সঙ্গে সঙ্গে ঘর ছেড়ে, শোবার ঘর পেরিয়ে, সোজা একেবারে ডাইনিং স্পেসে৷ ফ্রিজের ডালা খুলে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম কিছুক্ষণ৷ কেমন একটা নিশ্বাসের কষ্ট হচ্ছে৷ গলা শুকিয়ে মরুভূমি৷ ঠাণ্ডা জলের বোতল খুলে ঢকঢক ঢাললাম গলায়৷ কেন এমন হচ্ছে? এতদিন পরও? ভেতরে ভেতরে বিশ্রী এক অস্থিরতা৷ তুলতুলির বিয়ের দিনও ঠিক এরকমই হয়েছিল৷ সবে তখন উপহার তুলে দিচ্ছি তুলতুলির হাতে, মালা কোত্থেকে এসে টানল হাত ধরে৷ আচমকা৷

    —এত দেরি করে এলি যে?

    —দেরি কোথায়? ও অফিস থেকে ফিরলে তবে তো আসব!

    —হয়েছে৷ হয়েছে৷ আমার সঙ্গে একটু আয় তো এখন৷

    —কোথায়?

    —আয় না৷ ছোড়দাভাই তোকে কখন থেকে খুঁজছে৷

    ছোড়দাভাই শব্দটাতে এখনও এত জাদু আছে কে ভেবেছিল! চার বছর পরেও! শিরদাঁড়ায় শক খেলাম যেন৷ মস্তিষ্ক পলকে অবশ৷ গলা থেকে আপনাআপনি শব্দ ছিটকে এল, কবে এসেছে শৈবালদা?

    —কাল৷ হঠাৎই? আমরা তো ভেবেছিলাম তুলতুলির বিয়েতেও বোধ হয় আসতে পারল না৷ আমার বিয়েতে তো পারেনি জানিসই৷

    জানি৷ অনেক দূরে উড়ে গেলে ফেরা কঠিন৷ সকাল-সন্ধেটাই সে দেশে বদলে যায়৷ ভাবতে ভাবতে একটু বুঝি দূরমনস্ক হয়েছি, মালা আবার টানল আমাকে, চল৷ আমার কাছে অনেকবার তোর খোঁজ করেছে৷ বলতে বলতে চোখ ঘোরাচ্ছে, রহস্যটা কী রে? ছোটদাভাই-এর সঙ্গে তোর কোনো ব্যাপার-স্যাপার ছিল নাকি? গভীর… গোপন…?

    —থাকলে তুই জানতে পারতিস না?

    এ ছাড়া আর কী-ই বা বলতে পারতাম মালাকে৷ গোপনীয়তা কিছু থাকলেও সে যে শুধু আমার সম্পূর্ণ নিজস্ব৷ কাউকে বলা যায় না৷ ভালোবাসায় হেরে যাওয়ার মতো লজ্জা আর কিছুতে নেই৷ নিজেকে প্রকাশ করতে না পারার যন্ত্রণা বোধ হয় আরও কষ্টের৷ সে কষ্ট আমি জানি৷ তবু চেষ্টা একবার করেছিলাম৷ বেহায়ার মতো৷ শৈবালের নিউইয়র্কে যাবার তারিখ তখন একেবারে কাছে৷ ঠিক দু-দিন পরে৷

    —তুমি তাহলে সত্যিই চলে যাচ্ছ শৈবালদা?

    —কেন? এখনও তোর সন্দেহ আছে নাকি?

    —তা নয়, চলে যাবে?

    —ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপটা যখন পাইয়েই দিল, দেখাই যাক না… ঘুরে আসি…

    —একা একা ওখানে খুব মন খারাপ লাগবে তোমার, দেখো! মরিয়া হয়ে বলে ফেললাম, এই সবাই মিলে এখানে হইচই… এত নাটক-টাটক করা…

    খুব অল্প সময়ের জন্য হলেও শৈবাল সেই প্রথম যেন উদাস হয়েছিল একটু৷ সময় স্থির হয়ে গিয়েছিল মুহূর্তের জন্য৷ ব্যাস, সেই টুকুনি৷ তারপরই দুনিয়া-ওড়ানো হাসি৷ স্বভাবমতন৷

    —যাওয়াটা তাহলে ক্যানসেলই করে দিই, কি বল৷

    —আমি কি সে কথা বলেছি নাকি? নিশ্বাস চেপে বলে ফেলেছিলাম, গ্রুপ তো ভেঙে যেতেই বসেছে৷ আমাকেও হয়তো চলে যেতে হবে শিগগিরই…

    —কোথায় যাবি? প্রশ্ন করেই মনে পড়ে গেছে শৈবালের৷ সঙ্গে সঙ্গে হই-হই করে উঠেছে, রাঁচি!

    মালা বলেছিল, বটে৷

    —কতদূর এগোল রে ব্যাপারটা? দিন ঠিক হয়ে গেলে আমাকে খবর দিবি কিন্তু৷ তোর বিয়েতে আসতে না পারি, শুভেচ্ছা তো পাঠাতে পারব৷

    এরপর আর কত নির্লজ্জ হওয়া যায়৷ প্রাণপণে শুধু নিজেকে ধরে রাখার চেষ্টা করছি, কিছুতেই যেন কেঁদে না ফেলি৷

    সেই কান্নাটা কি এখনও রয়েছে বুকের ভেতরে৷ গলার কাছে তবে এত বাষ্প জমছে কেন! ঢোঁক গিলতে কষ্ট হচ্ছে৷ গ্লাসে জল ঢেলেও স্কোয়াশ দিতে ভুলে গেছি৷

    বাইরের ঘর থেকে ডেকে সাড়া না পেয়ে দেবাদিত্য যে এসে দাঁড়িয়েছে, সে হুঁশও নেই, আমার, কী হল? সরবত করতে এত দেরি?

    দেবাদিত্যর মুখে বিস্ময়৷ নাকি সন্দেহ? তাড়াতাড়ি গুছিয়ে নিলাম নিজেকে, দ্যাখো না কী বিশ্রি ব্যাপার৷ কৌটো খুলে দেখি চিনি নেই৷ কী করি বলো তো?

    বিশ্বাস করল কিনা বোঝা গেল না৷ ভুরু কুঁচকে তাকাল৷ —এনে দেব?

    —থাক৷ ওর হাত চেপে ধরতে যাচ্ছিলাম প্রায়৷ ভাগ্যিস ধরিনি৷ বাড়াবাড়ি হয়ে যেত৷ অভিনয় নিখুঁত করার চেষ্টা করলাম৷ রান্নাঘর থেকে দৌড়ে বাটি নিয়ে এলাম একটা, তুমি বরং শৈবালদার সঙ্গে ততক্ষণ কথা চালিয়ে যাও, প্লিজ৷ আমি চট করে পেছনের দরজা দিয়ে কল্পনাদির কাছ থেকে…

    চিনির বাটি হাতে টেবিলের কাছে ফিরে এসেও হাঁপাচ্ছি৷ বুক ঢিপঢিপ করছে৷ আরেকটু হলেই ধরা পড়ে যেতাম৷ কী ভাবত আমাকে ঘরের মানুষটা? ছি ছি! এখন আর এ ধরনের যুক্তিহীন আবেগের কোনো মানেই হয় না৷ আমার সংসার সুখী৷ নিরুদ্বেগ৷ সুন্দর৷ কোথাও ফাঁকি নেই এখানে৷ দেবাদিত্যর সঙ্গে সম্পর্কেও না৷ আরেকজনও এসে যাচ্ছে শিগগিরই৷ মাসতিনেক আগে তার আসার সূচনা হয়ে গেছে আমার শরীরে৷ আমি তাকে প্রতি পলে অনুভব করি৷

    সরবত নিয়ে যাবার সময় শোবার ঘরের আয়নায় চোখ পড়ে গেল৷ ট্রে নামিয়ে আটপৌরে আঁচল সাজিয়ে নিলাম কাঁধে? চুলে আলতো চিরুনি বোলালাম৷ একটুও অগোছালো যেন না লাগে৷ মুখে যেন ভাবান্তর না ফোটে৷

    শৈবাল যথারীতি জমিয়ে গল্প করে চলেছে দেবাদিত্যর সঙ্গে৷ —দিন সাতেক আছি আর৷ ফিফটিনথ ফিরছি৷ যাবার আগে বম্বেতে একটা ইন্টারভিউ আছে…

    —ওদেশে তাহলে সেটল করছেন না?

    —নাহ৷ তেমন একটা চান্স পেলেই…

    —হ্যাঁ৷ এবার এখানে এসে একটা বিয়ে-থা করে ফ্যালো৷ পর্দা সরিয়ে নিপুণ হাসি ঝুলিয়ে নিলাম ঠোঁটে, আমরা বেশ পাত পেড়ে নেমন্তন্ন খাব৷

    —তোর বিয়ের খাওয়াটা খাওয়া আগে৷

    —এনি ডে৷ এসো৷ কবে খাবে বলো?

    —মাথা খারাপ৷ এক গ্লাস সরবত খাওয়াতেই যা করলি… পাক্কা আধঘণ্টা… খেতে ডেকে হয়তো…

    —না… মানে… আসলে কী হয়েছে, জানেন তো? দেবাদিত্য সহসা ত্রাণকর্তার ভূমিকায়৷ বউ-এর দোষ ঢেকে দিতে চাইছে— সরবত বানাতে গিয়ে দেখে চিনি নেই৷

    —সো হোয়াট? তোর আঙুলটা একবার ডুবিয়ে দিলেই পারতিস৷…

    —উফ৷ শৈবালদা তুমি না… বিশুদ্ধ ভাঁজ আনলাম ভুরুতে, —নাও, খেয়ে নাও৷

    —দরকার নেই৷ তোর কর্তা প্লেন জলে আমার চেষ্টা মিটিয়ে দিয়েছে৷

    তার মানে আমি যখন চিনি আনতে গেছি, দেবাদিত্য আবার গিয়েছিল ভেতরে৷ জল আনতে৷ হূৎপিণ্ডটা লাফিয়ে উঠল বেয়াড়াভাবে৷ রান্নাঘরে গিয়ে চিনির কৌটো খুলে দেখেনি তো! দেখলেও আর কিছু করার নেই৷ অস্বস্তি চাপা দেবার জন্য কথা ঘোরাতে চাইলাম, তারপর আর কী খবর বলো? মালা শ্বশুরবাড়ি ফিরে গেছে?

    —এই তো কালই গেল৷ তুলতুলিরাও৷

    সবরত শেষ করে সিগারেট ধরিয়েছে শৈবাল৷ প্যাকেট বাড়াল দেবাদিত্যর দিকে৷ আগুন দেওয়া-নেওয়ার পালা চলছে৷ ঘরের চারদিকে চোখ বুলিয়ে নিলাম৷ এখনও ঝাঁড়পোঁছ হয়নি৷ টিউবলাইটের কোণে পাতলা ঝুল৷ বই-এর র্যাকে ধুলো৷ পর্দাগুলোও নোংরা হয়েছে৷ বেশ এলোমেলো সব কিছু৷ শৈবাল সত্যি আসবে জানলে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা যেত৷ পরিবেশের অবিন্যস্ততা নিজেকেও বড়ো আলুথালু করে দেয়৷

    দেবাদিত্য আর শৈবাল আবার গল্প শুরু করেছে৷ আমেরিকা থেকে রাজনীতি ঘুরে ভারতে এল৷ বুশ থেকে ভি পি সিং৷ আবার ঘুরে পোল্যান্ড, জার্মানি, রাশিয়ায়৷ সেখান থেকে ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরবে৷ ওদের বিশ্ব-পরিক্রমায় মাঝে মাঝে ফুট কাটছি আমিও৷ পেট্রোলিয়াম সমস্যা নিয়ে বেশ খানিক মতামতও জানিয়ে দিলাম৷ মূল্যবৃদ্ধি লোডশেডিং নিয়ে বিরক্তিও৷ ক্রমে শান্ত হয়ে আসছে ভেতরটা৷ মোটেই আর ঝটপট করছে না৷ এক সময় দেবাদিত্যই দেশবিদেশ থেকে ঘরের মাটিতে চলে এল দুম করে, এই, তুমি যে বসে বসে গল্প করে যাচ্ছ৷ ভদ্রলোককে কিছু খাওয়াবে-টাওয়াবে না?

    —শৈবালদা, আজ দুপুরে এখানেই খেয়ে যাবে৷ না হয় দুপুরের খাওয়া সন্ধের মুখে…

    —ওরে বাবাহ! কথা পুরো শেষ হবার আগেই শৈবাল মাথা ঝাঁকাচ্ছে সজোরে, বউদি আজ দুপুরে হেভি অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছে৷ ওটা মিস করে এখানে রিস্ক নিতে একদম রাজি নই আমি!

    ব্যাস, হয়ে গেল৷ বলার ধরনই এমন যেন পৃথিবীর শেষ রায় দেবার অধিকার শুধু ওরই৷ তার ওপর কোনো অ্যাপিল চলবে না৷ দেবাদিত্য তবু গৃহকর্তার সৌজন্য দেখিয়ে চলেছে, ঠিক আছে৷ কিছু অন্তত তো খাবেন৷ প্রথম দিন এসেছেন…

    —সুদে বাড়ুক না৷ পরে একদিন উশুল করা যাবে৷

    —তা কী করে হয়? আপনি বরং ওর সঙ্গে কথা-টথা বলুন, আমি এক্ষুনি…

    দেবাদিত্য উঠে পড়েছে৷ কী কাণ্ড৷ সত্যি সত্যি বেরোবে নাকি? আমাকে একা ফেলে? একটু আগের সহজ হয়ে আসা ভাব পলকে উধাও৷ শরীর শিরশির করছে৷ জেনে বুঝে বেরিয়ে যেতে চাইছে নাকি! মনে হয় না৷ এতক্ষণ তবে সাদা মনে আড্ডা মারল কী করে? কী জানি! বলা যায় না! ছেলেরা মনের সন্দেহ সহজে প্রকাশ করে না৷ দেবাদিত্য তো বড্ড চাপা!

    দেবাদিত্যর পাশাপাশি উঠে দাঁড়িয়েছি, দোকানে যাওয়ার দরকার কী? বাড়িতে যা আছে… শৈবালদা, ওমলেট খাবে? কিমা দিয়ে করে দিতে পারি৷ কথা দিচ্ছি পাঁচ মিনিটে দেব৷

    —দাঁড়া৷ দাঁড়া৷ তোরা হঠাৎ এত ব্যস্ত হয়ে পড়লি কেন? এক কাজ কর, ভালো করে চা বানিয়ে ফেল তো দেখি!

    —পাগল নাকি? শুধু চা? ওসব হবে না৷ দেবাদিত্য খাওয়াবেই, একে শ্বশুরবাড়ির লোক, তার ওপর বউ-এর হিরো৷ নিজের মুণ্ডুটা তো বাঁচাতে হবে— বসুন, বসুন৷

    বলতে বলতে শোবার ঘরের দিকে পা বাড়াল৷ মানিব্যাগ নেবে৷

    দেবাদিত্য বেরিয়ে যাবার পর ভীষণভাবে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছি৷ কোনোভাবেই দুর্বল হয়ে পড়তে চাই না৷

    —শুনলাম তুমি রিসার্চটাও শেষ করোনি? ওখানে চাকরিতে ঢুকে পড়েছ?

    —আর কতদিন ইউনিভার্সিটির ঘাড় ভাঙব রে? রোজগারপাতি করতে হবে না?

    —বোকো না, তোমার আবার রোজগারপাতির ভাবনা৷ বেশি গার্লফ্রেন্ড টার্লফ্রেন্ড জুটিয়ে ফেলেছ তাই বলো৷

    —সেটাই বা পারলাম কই! কী যে হল… সবটাই কেমন…

    শৈবাল নতুন সিগারেট ধরিয়ে হেলান দিল সোফায়৷ হঠাৎ যেন সামান্য অন্যমনস্ক৷ ঠোঁট চেপে সিলিং-এর দিকে তাকিয়ে কী যে ভাবছে! আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে যেন৷ সমূলে নাড়া খেলাম৷ পরিষ্কার টের পাচ্ছি একটা কিছু ঘটতে চলেছে৷ এক্ষুনি পালিয়ে যাওয়া দরকার, শৈবালের সামনে থেকে৷

    —শৈবালদা, এক সেকেন্ড, আমি চায়ের জলটা বসিয়ে দিয়েই আসছি৷

    ভেতরে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছি, পেছনে এক সম্পূর্ণ অপরিচিত স্বর, দাঁড়া৷

    খোলা দরজার দিক থেকে ফাল্গুনি বাতাস আসছে৷ ঘরের সব পর্দা দুলে উঠল৷ দোলনার মতো৷ বাইরের আলোর ঝলকানি ঘরে ঢুকে মৃদু জ্যোতি৷ শৈবাল হঠাৎ একেবারে অন্যরকম৷

    —এদিকে আয়৷ এখানে এসে বোস৷

    এমন হওয়ার তো কথা ছিল না৷ ওই স্থির তাকিয়ে থাকা মুখ একদম অপরিচিত৷

    —কী হল, আয়! তোর সঙ্গে আমার একটা খুব জরুরি কথা আছে৷

    ভরাট পুরুষকণ্ঠ নয়, সাপুড়ের বাঁশি ডাকছে সাপিনীকে৷ পায়ের তলায় ছড়িয়ে যাচ্ছে স্পন্দন৷ সব ওলটপালট হয়ে গেল৷ মন্ত্রমুগ্ধের মতো এগিয়ে চলেছি৷ এগোনো না পিছানো৷ চতুর্দিক আবছা হয়ে এল৷ বিশ্বসংসার, দেবাদিত্য, সব— সবাই৷

    —একটা কথা জিজ্ঞেস করব, সত্যি কথা বলবি?

    —কী কথা?

    নিজের গলাটা আর আমার আয়ত্তে নেই৷ কেঁপে গেল৷

    —আমার জানা খুব দরকার৷ চার বছর ধরে কথাটা আমাকে উন্মাদের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে৷ তোকে সত্যি কথা বলতেই হবে, বল বলবি?

    এবার চোখও বিবশ৷ পলক ফেলতে ভুলে গেছে৷

    —তুই কি আমাকে কোনোদিন কিছু বলতে চেয়েছিলি? ঠিক করে বল তো…

    শরীরের সমস্ত রোমকূপ যেন খুলে গেল৷ লক্ষ সরোদ বেজে উঠল শিরা উপশিরায়৷ আজ শৈবাল এতদিন পরে.. সেই শৈবাল…

    দীর্ঘ সুঠাম শরীর উৎসুক ঝুঁকে আছে৷ নিষ্পলক দৃষ্টি আমারই চোখে স্থির৷ চেতনা ক্রমে অবশ হয়ে আসছে৷ সম্বিত ফিরতে পৃথিবীর বয়স বেড়ে গেল কয়েক হাজার বছর৷ অথবা কয়েক মুহূর্ত মাত্র৷ ধীরে ধীরে মাথা নাড়লাম৷ প্রবল ভূমিকম্পের পর মাটি শান্ত হচ্ছে৷

    —না তো শৈবালদা৷ সেভাবে তো কোনোদিন কিছু বলতে চাইনি তোমায়৷ না তো! কেন তোমার মনে হয়েছে একথা?

    সমুদ্রের মতো গাঢ় চোখে মেঘের ছায়া পড়েই মিলিয়ে গেল৷ আবার সেখানে ঝলমলে উচ্ছল ঢেউ৷ স্খলিত মুহূর্তটাকে কী অবলীলায় সেই ঢেউ-এ ভাসিয়ে দিল শৈবাল৷ বুঝলই না সমস্ত কথারই নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে৷ সেই সময় চলে গেলে সে কথার মৃত্যু হয়৷ হরিণী বসে থাকে না নিষাদের প্রতীক্ষায়৷ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে শৈবাল আবার হাসছে শব্দ করে৷

    —এত কাঁপছিস কেন রে বোকা? ঠাট্টাও বুঝিস না?

    আমার চার বছর আগের প্রতি রাত্রের সব স্বপ্নই কী ঠাট্টা এখন!

    দেবাদিত্য কেন ফিরছে না? এক্ষুনি ফিরে আসুক৷ এই মুহূর্তে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুকুমার রায় রচনাবলী ২য় খণ্ড
    Next Article আয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }