Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার ছেলেবেলা – বুদ্ধদেব বসু

    বুদ্ধদেব বসু এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমার ছেলেবেলা – ১০

    ১০

    দিদিমার সঙ্গে বেড়াতে এসেছি চট্টগ্রামে, তাঁর দেবর সেখানে টেলিগ্রাফ-মাষ্টার— আমাদের এস্কর্ট এসেছেন দিদিমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা সত্যেন্দ্র, ইতিহাসে অনার্স নিয়ে টাটকা বি. এ. পাশ করেছেন তিনি। চট্টগ্রামে আমি প্রথম দেখলাম পাহাড় বা অন্তত পাহাড়ের কাছাকাছি কোনো আকৃতি, কোনো উচ্চভূমি— আর মনে পড়ে চারদিকে সবুজের আভা, সময়টা বর্ষা ছিলো, দিন মেঘলা। কিন্তু যে-কারণে সেই ক্ষণদৃষ্ট শহর আমার পক্ষে স্মরণীয় হয়ে আছে তার কারণ একজন মানুষ— একটি মেয়ে— আমাদের গৃহস্বামীর কিশোরী কন্যা, ছানা। তার সঙ্গে সত্যেন্দ্রর দেখা হওয়ামাত্র দু-জনের মধ্যে কী-যেন একটা ঘটে গেলো, আমি সেটা অনুভব করলাম— চোখে দেখলাম বললেও অত্যুক্তি হয় না।

    দিদিমা এসেছিলেন দু-এক সপ্তাহ কাটিয়ে যাবেন বলে, কিন্তু তিন দিন পরেই নোয়াখালি থেকে টেলিগ্রাম এলো এক আত্মীয়ার হাত ভেঙে যাওয়ার খবর নিয়ে— অবিলম্বে ফিরে যেতে হলো আমাদের। কিন্তু মনের কোনো-কোনো বিশেষ অবস্থায় তিন দিন খুব অল্প সময় নয়— সেটুকুর মধ্যেই সত্যেন্দ্র ছানা অনেক-কিছু বিনিময় করলেন, আমি রইলাম সাক্ষী। দু-জনে দু-জনের দিকে তাকান অথবা তাকান না, মেয়েটি পান হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকে থমকে দাঁড়ায়, লাল হয়ে ওঠে, চলে যাবার সময় আঁচলে একটা ঢেউ খেলে তার— তার শাড়ির নীল রঙের পাড়টিকে আমি লক্ষ করি, যেন বাইরের সবুজের মধ্যে তা মিশে যাচ্ছে; আমার চোখে পড়ে তার সুন্দর চোখ— তরল ও গভীর ও শান্ত— কিন্তু মাঝে-মাঝে চঞ্চল এক-একটি চাউনি ছুটে আসে, সত্যেন্দ্ৰ যখন কাছাকাছি কোথাও আছেন হয়তো— ছুটে আসতে-আসতে মধ্যপথে মিলিয়ে যায়। যাবার আগে সত্যেন্দ্র মেয়েটির হাতে এনে দিলেন একখানা লাল রঙের সিল্ক-বাঁধাই বই, মলাটের উপর সোনালি অক্ষরে লেখা ‘সাবিত্রী-সত্যবান’– আমি বুঝে নিলাম এই উপহারের মধ্যে একটি ইশারা আছে : ‘সত্যবান’ থেকে ‘সত্যেন্দ্ৰ’ এক পা মাত্র দূরে।

    ট্রেন চলছে, আমি বাইরের দিকে তাকিয়ে আছি, চুপচাপ। আমি চাটগাঁর কথা ভাবছি না, ছানার কথা ভাবছি না— তাকে ছেড়ে আসার জন্য কষ্ট পাচ্ছি তাও নয়। না— কষ্ট নয়, এক আশ্চর্য সুখ— সুখ নয়, এক নতুন, নামহীন অনুভূতি। আমি শুনছি এক সুর, এক গান— ঝরে পড়ছে আকাশ থেকে সুর, আকাশ জুড়ে কারা যেন গান গাইছে— ভেসে আসছে আমার কানে সারাক্ষণ, ট্রেনের চাকার শব্দ ছাপিয়ে, বাইরের সব দৃশ্য মুছে দিয়ে— সারাক্ষণ। চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালি পর্যন্ত সারাটা পথ আমার যেন মোহের মধ্যে কেটে গেলো। সে-ই আমার প্রথম প্রেমে পড়া।

    ১১

    কাচারি-ময়দানের মোড় থেকে একটি রাস্তা সোজা দক্ষিণ দিকে চলে গিয়েছে—দু-দিকে মস্ত উঁচু ঝাউগাছের সারি ডালে-ডাল মেলানো, সারাদিন ছায়া কাঁপছে শিরশির, ইংরেজ আমলের চকচকে নতুন টাকার মতো বা লম্বা সোনালি বর্শার মতো রোদ্দুরের সঙ্গে চিকরি-কাটা ছায়ার খেলা চলছে। এই রাস্তারই কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে আছে ডরিক ছাঁদের স্তম্ভ-শোভিত টাউন-হল, আর তার মুখোমুখি পরিচ্ছন্ন পোস্টাপিশটি— দুটোই আমার বিশেষ প্রিয় স্থান।

    সেই অল্প বয়সেই ডাকবিভাগের সঙ্গে আমার নিবিড় লেনদেন শুরু হয়েছিলো। যেহেতু পারিবারিক চিঠিপত্র আমাকে দিয়েই লেখানো হয়, তাই আত্মীয়রাও বেশির ভাগ চিঠি আমারই নামে পাঠান; মাসে-মাসে আসে অনেকগুলো ছোটো-বড়ো পত্রিকা, দাদামশাই আমাকে কলকাতা থেকে ভি. পি. ডাকে বই আনিয়ে দেন মাঝে-মাঝে, আমি তাঁর সঙ্গে পার্সেল ছাড়াতে গিয়ে ডাকঘরের অন্দরমহলে প্রবেশ করি। সেই থেকে আমি এমন ধারণাও পোষণ করেছিলাম যে সেখানে সব ভালো-ভালো বই কিনতে পাওয়া যায়, আর এই ভুল ভেঙে যাবার পরেও আমার পোস্টাপিশ-প্রীতি ক্ষুণ্ণ হয়নি, বরং আরো বেড়েই গিয়েছিলো, কেননা ততদিনে আমি দিগ্বিদিকে লেখা পাঠাতে শুরু করেছি— অনবরত ফেরৎ আসছে সেগুলো, আর বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ার মতো এক-আধটা কখনো ছাপা হচ্ছে না তাও নয়। সকাল থেকেই ডাকের আশায় আমি আনচান, কিন্তু একবার আমাদের এমন এক হরকরা জুটলো যার নাম ‘সাধু’ হলেও কর্তব্যপালনে তেমন নিষ্ঠা নেই। আধ-বুড়ো অলস প্রকৃতির মানুষ— পোস্টাপিশ থেকে ব্যাগ ভর্তি করে নিয়ে সে তার বাড়ি গিয়ে বিশ্রাম করে অনেকক্ষণ, তামাক টানে, হয়তো একটু ঝিমিয়েও নেয়, অবশেষে কাজে বেরিয়ে পথ চলে মৃদুমন্দ তালে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে গালগল্প করে মাঝে-মঝে, বেলা এগারোটার আগে আমাদের দোরে তার পায়ের ধুলো পড়ে না। আমি এক-একদিন সটান তার ঘরের মধ্যে গিয়ে হানা দিই : ‘সাধুচরণ, আমাদের কোনো চিঠি আছে?’ সে হুঁকোয় দুটো টান দিয়ে আধ-বোজা চোখে জবাব দেয়, ‘বাড়ি যান, কত্তা, আমি এই এখনই আইতেছি—’ অর্থাৎ চিঠি খোঁজার জন্যও গা-টুকু এখন নাড়তে রাজি নয়। অগত্যা আমি ডাকঘরের জানলায় হাজিরা দিতে শুরু করলাম— নিয়ম করে রোজ সকালে সাতটা নাগাদ— সরকারি তকমা-আঁটা চাপরাশিদের মধ্যে মিশে গিয়ে আমার কিছুক্ষণ সময় কাটে চমৎকার। এখানে আমার খুশির উপাদান অনেক— চুনকাম-করা নির্মল দেয়াল, টকটকে লাল পাতের উপরে উজ্জ্বল শাদা অক্ষরে আঁকা নোটিসগুলো— যার উপর আমার জিভ ছোঁওয়াতে ইচ্ছে করে; দেয়ালে-আঁটা হাঁ-করে-থাকা ডাকবাক্স–যার তলায় চিঠি যাবার জন্য অগুনতি সুরঙ্গ আছে বলে এই সেদিনও আমার ধারণা ছিলো— আর ভিতরে কত ক্রিয়াকর্ম, চিঠিতে ছাপ দেবার দুমদুম শব্দ, সর্টারবাবুর হাতের দক্ষতা, গালার গন্ধ, তুঁত-মেশানো ময়দার আঠার গন্ধ, রাশি-রাশি কাগজপত্রের কেমন একটা থমথমে ভোঁতা জমাট গন্ধ, আর ক্যাম্বিসের বস্তা থেকে উগরে-বেরোনো চিঠির স্তূপ— নানা রঙের নানা ছাঁদের এনভেলাপ, ছোটো-বড়ো নানা রকম পার্সেল, আর কেমন মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে সেগুলির সিজিলমিছিল হয়ে যায়— এই সবই আশ্চর্য বলে মনে হয় আমার, পুরো ব্যাপারটাই রহস্যময়। আমাকে প্রায় একদিনও খালি হাতে ফিরতে হয় না, কিন্তু চিঠি পাওয়া যেমন সুখের, আমার পক্ষে সেই অপেক্ষার সময়টুকুও তেমনি।

     

     

    এই সূত্রেই একটি মুসলমান যুবকের সঙ্গে আমার একবার বন্ধুতা হয়— পোস্টাপিশে নিচু দরের চাকুরে সে, লেখাপড়া বেশি শেখেনি, কিন্তু অন্তঃকরণ ভারি সরল ও স্নেহশীল। একদিন তার সঙ্গে হেঁটে-হেঁটে আমি তার গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত চলে গিয়েছিলাম— চারদিকে গাছপালার ভিড়, হালকা গোলাপি আভা ছড়িয়ে সূর্য অস্ত যাচ্ছে— সে কিছু খেতে দিয়েছিলো আমাকে, বোধহয় তালশাঁস বা ডাবের শাঁস বা কালোজাম— জিনিশটা ঠিক কী তা বলতে পারছি না, শুধু তার আতিথ্যের ভঙ্গিটা আমার মনে আছে।

    ১২

    ইতিমধ্যে আরো একবার বাসা-বদল করেছি আমরা, ডেলনি-হাউস ছেড়ে উঠে এসেছি শহরের মধ্যে দশাচল একটা বাড়িতে, আমাদের সসন্তান আত্মীয়ারা যে যার গৃহে ফিরে গেছেন। এ-রকম সময়ে আমি কিছুদিন সরস্বতী ঠাকরুনকে নিয়ে মেতেছিলাম— সেটাও বোধহয় দাদামশায়েরই মস্তিষ্ক-ঢেউ।

    শীতের শেষে আমি আমার বিবিধ চাকুরে আত্মীয়দের নামে-নামে পোস্টকার্ড পাঠাই; উত্তরে আসে এক-টাকা দু-টাকা মনি-অর্ডার। এটা আমার সরস্বতী পুজোর জন্য চাঁদা। অনেক আগে থেকেই আমি উত্তেজিত, প্রতিমার ফরমাশ আমিই দিয়ে এসেছি, মাঝে-মাঝে গিয়ে দেখেও আসি কতদূর এগোলো— আর তারপর সেই শুভদিনের প্রত্যুষে দাদামশাই আমাকে রাত থাকতে ডেকে দেন, এক পেয়ালা চা খাইয়ে দেন দিদিমা (তাতে নাকি উপোশের গুণ নষ্ট হয় না।) —তারপর দুপুর পর্যন্ত আনন্দ অবিরাম। শীতে কাঁপতে-কাঁপতে স্নান— বোধহয় হলুদ আর নিমপাতা-বাটা গায়ে মেখে— প্রতিমা নিয়ে আসা, আমার নতুন পাওয়া সমবয়সী কয়েকটি বন্ধুর উৎসাহ, পুজোর খুঁটিনাটি আয়োজন যা আমাদের বাড়ির বৃদ্ধা বিধবাটি করে দেন— সবই আমার মনে হয় বিশেষ-কিছু, প্রতি মুহূর্তে আমি অনুভব করি আজকের দিনটি অন্য কোনো দিনের মতো নয়। আমি সাজিয়ে রেখেছি প্রতিমার পায়ের কাছে স্তূপীকৃত গাঁদাফুল আর খইয়ের মোয়ার ফাঁকে-ফাঁকে— আমার সব পড়ার বই, লেখার খাতা, দোয়াত কলম পেন্সিল; পুরুঠাকুর এসেছেন, আমি তাঁর মুখে-মুখে অন্যদের সঙ্গে সমস্বরে আওড়াচ্ছি—’টং টং সরস্বতী নির্মলবর্ণে/রত্নে বিভূষিতা কুণ্ডল কর্ণে’— তখন অবশ্য আমি জানি না যে পুরুটি এত অশিক্ষিত যে ‘ত্বম্’ শব্দকে টংকারে পরিণত করে নিয়েছেন; বুঝি না যে এই তথাকথিত পুরোহিত ও তথাকথিত মন্ত্রের লেখক সরস্বতীর ধারে-কাছে ঘেঁষার যোগ্য নন;- আমার মনের সুখবোধ তাই ভরপুর থেকে যায়। অঞ্জলিদান, মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম, খইয়ের মোয়া খেয়ে উপবাসভঙ্গ— এই সব অনুষ্ঠানের শেষে মধ্যাহ্নভোজন পরিবেশিত হয় : শুধু হলুদ দিয়ে রাঁধা নতুন ইলিশের পাৎলা ঝোল রসনা থেকে হৃদয় পর্যন্ত পুলকের সঞ্চার করে— মনে হয় যেন অপূর্ব এক আস্বাদ, কেননা তখনকার দিনে হেমন্তে শীতে ইলিশভক্ষণ নিষিদ্ধ ছিলো— বোধহয় বাজারেও বেশি উঠতো না— বাৎসরিক ইলিশ-উৎসবের তারিখও ছিলো শ্রীপঞ্চমী।

     

     

    কিন্তু আমি আমার সরস্বতী পুজোকে সেখানেই শেষ হতে দিই না। প্রতিমাটিকে বিসর্জন না-দিয়ে তুলে রাখি বারান্দায় তাকের উপর, সেখানেই আমার নিত্যকর্ম নিয়ে ব্যাপৃত থাকি কোনো-কোনো দিন। আমার মনের ভাবটি অবশ্য এই যে মূর্ত বাগ্দেবীর পায়ের তলায় বসে লেখাপড়া করলে আমি আরো দ্রুত বিদ্বান হতে পারবো।

    এই সময়কার অন্য একটি ঘটনা না-বললে আমার ছেলেবেলার কথা সম্পূর্ণ হবে না। সুকুমার রায়ের মৃত্যু হয়েছে, ‘সন্দেশ’ আর বেরোচ্ছে না। ততদিনে আমি যদি ও ‘প্রবাসী’, ‘ভারতবর্ষ’ ইত্যাদি নিয়ে মাতোয়ারা, তবু ‘সন্দেশের ফাঁক ভরানো সহজ হতো না আমার পক্ষে, যদি না ‘মৌচাক’ আসতো নতুন মধুর গন্ধে ভরপুর। ‘ঝরছে রে মৌচাকের মধু, /গন্ধ পাওয়া যায় হাওয়ায়’— এই দিয়ে প্রথম সংখ্যাটির আরম্ভ, তার পরেই গুনগুন ভোমরার মতো একটা গদ্য লেখা : ‘রিদয় নামে ছেলেটা নামেই হৃদয়, দয়ামায়া তার একটুও ছিলো না, আর তারপর আরো অনেক গল্প কবিতা পেরিয়ে শেষ পাতায় একটি ধাঁধা—’তিনটি হরফে নাম, শক্ত জবাব, / চিনতো তাদের শুধু বাদশা নবাব’— জবাব শক্ত নয়, কিন্তু পদ্য ভালো :- সব মিলিয়ে নানান রসে সুস্বাদু। মাস-পয়লায় আমি তেমনি আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকি ‘মৌচাকে’র জন্য, যেমন থাকতাম ‘সন্দেশে’র আশায়— কিন্তু আমারই দোষে ‘মৌচাকে’র সঙ্গে আমার সম্পর্কটি বিশুদ্ধ আনন্দের হলো না।

     

     

    ‘সন্দেশে’র আমি ছিলাম নিছক ভোক্তা, তার কারিগরদের লিস্টিতে ঢুকবো এমন কল্পনা কখনোই করিনি, কিন্তু— যেহেতু ততদিনে আমি নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখে ফেলেছি, আমার বয়সও একটু বেড়েছে—তাই ‘মৌচাকে’ লেখা ছাপাবার এক অদম্য ইচ্ছে আমাকে পেয়ে বসলো। আমি ছুঁড়ছি তীরের পর তীর— অনবরত— কিন্তু সবগুলোই সম্পাদকের দপ্তরে ঠোক্কর খেয়ে অবিলম্বে আমারই গায়ে এসে বিঁধছে। অবশেষে একদিন লম্বা একখানা চিঠি লিখে পাঠালাম সম্পাদকমশাইকে— তিনি ‘পক্ষপাতদোষে দুষ্ট’, ‘দলের লোকের বাইরে’ লেখা নেন না, এমনি নানারকম অভিযোগ করে, যা চিরকাল দুর্বলের মুখে শোনা গিয়েছে। বলতে দোষ নেই, চিঠিখানা আমি ঠিক নিজের বুদ্ধিতে লিখিনি, লিখেছিলাম আমার বিষয়ে স্নেহান্ধ দাদামশাইয়ের নির্দেশমতো, যদিও— সন্দেহ নেই—আমারই বিক্ষোভ দেখে তিনি মাত্রাজ্ঞান হারিয়েছিলেন। ‘মৌচাকে’র পরের সংখ্যার সম্পাদকীয়তে সেই চিঠির তীব্র নিন্দা বেরোলো, প্রায় আস্ত একটা পৃষ্ঠা জুড়ে, পত্রলেখকের নামটি অবশ্য উহ্য রেখে। আমি মাথা পেতে নিলাম সেই শাস্তি, কাজটা খুব অন্যায় হয়েছিলো তা বুঝে নিতে আমার দেরি হলো না। তেমনি রইলাম ‘মৌচাকে’র দ্বারা মুগ্ধ হয়ে—যতদিন না, আমার যৌবনের শুরুতে, সেই শিশু-পত্রিকাটি আমার জীবন থেকে খসে পড়লো— কিছুকালের মতো।

     

     

    এই কাহিনীর একটি সুখের উপসংহার আছে। আমার সাহিত্যিক জীবনে যে-কটি মানুষকে আমি সত্যিকার শুভানুধ্যায়ী বন্ধু হিশেবে পেয়েছি, তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন সুধীরচন্দ্র সরকার— সেই সম্পাদকমশাই, যিনি আমার ছেলেবেলার অশিষ্টতাকে সুযোগ্যভাবে শাসন করেছিলেন। আমার কুড়ি বছর বয়স থেকে তাঁর মৃত্যুকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে আমার প্রীতির সম্বন্ধ অটুট ছিলো।

    ১৩

    ডরিক-স্তম্ভযুক্ত টাউন-হটি ছিলো নোয়াখালির সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, প্রমোদভবন দক্ষিণের ঘরে বিলিয়ার্ডস, তাসের টেবিল, অন্য দিকে লাইব্রেরি। মাঝের মস্ত হলঘরটির দেয়াল ঘেঁষে, বুক সমান উঁচু ডেস্কের উপর পড়ে থাকে সাপ্তাহিক বা অর্ধসাপ্তাহিক ‘হিতবাদী’, ‘বঙ্গবাসী’ ইত্যাদি— এক-একটার কাগজ এত বড়ো মাপের যে পত্রিকাটি বিছিয়ে একজন সাবালক মানুষ শুয়ে থাকতে পারে। অনেকগুলো দৃশ্যপট-সমেত একটি পাকা স্টেজও আছে, হলঘরটি অডিটোরিয়ামের কাজ করে, মেয়েদের বসার ব্যবস্থা দেড় তলায়। স্থানীয় কয়েকটি যুবক কলকাতায় কলেজে পড়েন, ছুটির সময়ে বাড়ি এসে নাটক নিয়ে মেতে ওঠেন তাঁরা, চাকুরেদের মধ্যেও কেউ-কেউ উৎসাহী। শহরের সব ভদ্রলোক ও অনেক ভদ্রমহিলার পক্ষে এই নাট্যাভিনয়গুলি এক প্রধান অনুষ্ঠান—আর আমার পক্ষে, প্রায় অলৌকিক এক ঘটনা।

    কনসার্ট চলছে তখনও, পর্দা ওঠেনি, আমি মুগ্ধ চোখে ড্রপসীনটির দিকে তাকিয়ে আছি। উঁচু-নিচু পাহাড়ের সারি, ধাপে-ধাপে ঘন-সবুজ গাছ—তারই তলায় বেঁকে গিয়েছে রেল-লাইন, লম্বা একটি ট্রেন চলেছে। পাশে নদী, নদীতে এক দোতলা স্টিমার, জলের মধ্যে আবির-গোলা রং ছড়িয়ে সূর্য উঠছে অথবা অস্ত যাচ্ছে। চিৎপুরের কোনো-এক পটুয়ার আঁকা এই স্থূল দৃশ্যটিকে স্বপ্নের মতো মনে হয় আমার, যেন ঐ স্থানটি একটি ভূস্বর্গ, ঐ ট্রেনে বা স্টিমারে যারা যাত্রী তাদের মতো সুখী মানুষ আর নেই। আর পর্দা ওঠার পরমুহূর্ত থেকে আরো বিচিত্র এক সম্ভোগে আমি ডুবে যাই— গ্যাসের বাতির উগ্র শাদা আলোয় দেখা মানুষগুলো—আমি চিনি তাঁদের অনেককে, নাম জানি, কথাও বলেছি কারো কারো সঙ্গে— কিন্তু এখন তাঁরা রূপান্তরিত; তাঁদের পাগড়ি, তাঁদের নাগরা, তাঁদের লম্বা পোশাকে রাংতা-জরির ঝলমলানি, তাঁদের গর্জন আর আস্ফালন আর চোখের ঘূর্ণন নিয়ে তাঁরা কেউ রাজপুত বীর, আর কেউ বা মোগল সেনাপতি। তাঁরা যখন তলোয়ার চালিয়ে ঝন্‌ঝন্ শব্দে যুদ্ধে মাতেন, আমার বুকের মধ্যে কাঁপুনি শুরু হয়; দুই নির্বাসিত ভাই বিজয়-বসন্ত যখন করুণ সুরে বিলাপ করতে-করতে উইং দিয়ে বেরিয়ে যায়, আমার প্রাণ কেঁদে ওঠে তাদের জন্য। তথ্য হিশেবে আমি জানি যে মঞ্চের দু-পাশে আছে সাজঘর—আমি নিজেও গিয়েছি সেখানে, তবু আমি মানতে পারি না যে দুঃখী ভাই দুটি এতক্ষণে এক ঘোর অরণ্যে গিয়ে পড়েনি, যে মঞ্চ থেকে বেরোবার ঐ গলি-পথটি চলে যায়নি দূরে-দূরান্তে দেশান্তরে। জানি, এইমাত্র-নিহত ঐ বীর যোদ্ধাটির সঙ্গে কালই আমার দেখা হতে পারে রাস্তায়, তবু, তাঁর রক্তাক্ত দেহটির দিকে তাকিয়ে তাঁকে জীবিত বলে আমি কিছুতেই ভাবতে পারি না। এমনি, আমার মনের মধ্যে আবেগের ঢেউ তুলে-তুলে এগিয়ে চলে নাটক; রাত বাড়ে, ঘুমে ঢুলে পড়ে আমার মাথা, আমি চোখ টান করে তাকিয়ে থাকি; পরে কয়েকদিন ধরে দৃশ্যগুলির মিছিল চলে আমার মাথার মধ্যে।

     

     

    শুধু একটি জিনিশ আমার ভালো লাগে না। স্টেজে কোনো স্ত্রী-চরিত্র এলেই বিরক্তি বোধ করি— কেন, তা কিছুদিন পরে বুঝেছিলাম। বলা বাহুল্য, পুরুষেরাই দাড়ি-গোঁফ কামিয়ে মেয়ে সাজতেন, আর বোধহয় শিশুকাল থেকেই নারীর নারীত্ব বিষয়ে আমার অনুভূতি একটু তীক্ষ্ণ ছিলো।

    ১৪

    আমাদের নোয়াখালিবাসের শেষ পর্যায়ে আমার সময়টা তেমন ভালো কাটেনি। আমি আত্মসচেতন হয়ে উঠছি, নিজের অনেক প্রকৃতি-দত্ত ত্রুটি আবিষ্কার করে ক্ষুণ্ণ হয়ে আছি মনে-মনে। সমবয়সী অন্য ছেলেদের তুলনায় আমি বেঁটে, আমি রোগা এবং দুর্বল ফুটবল দূরে থাক, ব্যাডমিন্টনেও আমার অল্পেই দম ফুরিয়ে যায়। আমার স্বাস্থ্য ভালো নয়—ঘুরে-ঘুরে ভুগি জ্বরে, সর্দিতে, দাঁতব্যথায়, আমাকে গিলতে হয় বিস্বাদ বার্লি, আর তীব্র তেতো কবরেজি পাঁচন— পর-পর দুটো শীত ঋতু ভরে চর্মরোগে কুৎসিত কষ্ট পেলাম। তার উপর আমি তোৎলা; হঠাৎ কোনো অচেনা লোকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে আমার যন্ত্রণা দুঃসহ হয়ে ওঠে, কোনো তর্ক উঠলে আমার চোখা-চোখা যুক্তিগুলোকে কণ্ঠনালী থেকে টেনে বের করার ব্যর্থ চেষ্টায় আমি হাঁপাতে থাকি। কিন্তু, প্রায় একই সময়ে, আমি এও বুঝেছি যে আমার হাতে এ- সব বঞ্চনার একটি উত্তর এসে গিয়েছে— একটি ক্ষতিপূরণের উপায়, হয়তো বা এমন কোনো ক্ষমতা যা সকলের থাকে না। ততদিনে আমি এক-ঝুড়ি-ভর্তি কবিতা আর গল্প-প্রবন্ধ লিখে ফেলেছি; ‘বিকাশ” অথবা ‘পতাকা নামে একটি হাতে লেখা মাসিকপত্রের আমি সম্পাদক, প্রধান লেখক ও লিপিকার; ঢাকার শিশুপাঠ্য পত্রিকা ‘তোষিণী’তে আমার লেখা বেরিয়েছে, আর বর্জইস অক্ষরে কলকাতার ‘অর্চনা’য়, এমনকি শ্বেত-পীত মলাটধারী সম্ভ্রান্ত চেহারার ‘নারায়ণে’ও। আমার কবিখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে সারা নোয়াখালি শহরে, এবং অন্য একটি কারণেও বয়স্করা আমাকে সমাদর করছেন। আমি হঠাৎ একজন অভিনেতা হয়ে উঠেছি, এমনকি গড়ে তুলেছি আমার সমবয়সী বা আমার চাইতে অল্প-বড়ো কয়েকটি ছেলেকে জুটিয়ে একটা নিজস্ব নাটুকে দল; কোনো রাজপুরুষের বিদায় অথবা অভ্যর্থনা-সভায় এবং অন্যান্য উপলক্ষেও অভিনয় বা আবৃত্তির জন্য ডাক পড়ে আমাদের— জোড়াতালি-দেয়া তক্তাপোশ-পাতা, স্টেজ থেকে সাক্ষাৎ টাউনহল্-মঞ্চে প্রোমোশন পেয়েছি আমরা। আশ্চর্যের বিষয়, মঞ্চে নামলে আমার তোলামির চিহ্নমাত্র থাকে না— আমাকে সাহায্য করে আমার উৎসাহ, শ্রোতাদের প্রীতি, আর সবচেয়ে বেশি কবিতার ছন্দ। আমাদের রেপেরতোয়ারে এমন-কোনো পালা নেই যা পদ্যে লেখা নয়—’মেঘনাদবধ কাব্য’ আর নবীন সেনের ‘কুরুক্ষেত্র’ থেকে সংকলিত কোনো-কোনো দৃশ্য আমাদের বিশেষ প্রিয়— স্থানীয় এলিটবৃন্দও সেগুলির তারিফ করে থাকেন। দূরস্থ আত্মীয়দের কাছেও প্রশংসা পাই— বিশেষত কোনো বিয়ের সময়, যখন আমি তাঁদের ফরমাশ মাফিক পরিণয়-পদ্য বানিয়ে ফেলি বিদ্যুৎবেগে — রঙিন ফুলের পাড়-বসানো পাৎলা ফুরফুরে জাপানি কাগজে লাল অথবা সোনালি অথবা বেগনি রঙে ছাপা হয়ে বিয়ের আসরে বিলোনো হয় সেগুলো। আত্মীয়েরা, নোয়াখালির বিশিষ্ট নাগরিকেরা, সকলেই একটু বিশেষ চোখে দ্যাখেন আমাকে, যে-সব বই উপহার দেন তার মধ্যে থাকে এক- ভল্যুমে সমগ্র শেক্সপিয়র, এমনকি বাল্মীকি-রামায়ণ পর্যন্ত। এমন নয় আমার জীবনের কাছে খুশি হবার মতো আমি কিছুই পাচ্ছি না।

    কিন্তু আমার এই ছোটো ছোটো সাফল্যগুলোয় আমার ঠিক মন উঠছে না। আমি যা, আমি তার চেয়ে বড়ো, ভালো, যোগ্য হতে চাই— কবে, কতদিনে, কেমন করে তা হতে পারবো আমি ভেবে পাই না। অতৃপ্তি আমাকে পীড়ন করে মাঝে-মাঝে— নিজের বিষয়ে, এবং আমি যেখানে এবং যে-ভাবে আছি সে-সব নিয়েও অতৃপ্তি। আমি পড়ছি জ্বল ভের্ন, ‘সুইস ফ্যামিলি রবিন্সন’, ভিক্তর উগোর উপন্যাস — আমার মন ঘুরে বেড়ায় দূর দেশে, নীলতর অন্য সব আকাশের তলায়— পর্বতে, অরণ্যে, সমুদ্রে, – ভাসে গন্দোলায় চাঁদের আলোয় সন্ধেবেলা, অশ্বপৃষ্ঠ থেকে নামে কোনো নতুন শহরে ক্যাথিড্রেল-পাড়ায় সরাইখানায়। কিন্তু স্বপ্ন— শুধু স্বপ্ন এগুলো—যেখানে আছি সেখানে বাঁশবনে সন্ধ্যা নামে ঝামরে, মশাদের কোরাস বাজে উঁচু পর্দায়, সবুজ পুকুরে কচুরিপানা আরো এগিয়ে আসে, আর পাশের বাড়িতে এক পুলিশ-ইন্সপেক্টর তাঁর ভাইপোকে হান্টার দিয়ে পেটাতে থাকেন— প্রায় নিয়ম করে। ছেলেটা ষণ্ডাগোছের, আমি তাকে একটুও ভালোবাসি না, কিন্তু তার আর্তনাদ যেন গাঢ়তর এক কালিমা ছড়িয়ে দেয় হাওয়ায়, আমি উঠে গিয়ে লণ্ঠনের আলোয় আবার কোনো বই খুলে বসি— হয়তো সেই বইটার নাম ‘চয়নিকা’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি চঞ্চল হে – বুদ্ধদেব বসু
    Next Article রাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু

    Related Articles

    বুদ্ধদেব বসু

    বোদলেয়ার: তাঁর কবিতা – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছায়া কালো কালো – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    পিরানদেল্লোর গল্প – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    রাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }