Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার ডেঞ্জারাস মামী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প163 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. প্রতিশোধ

    ১১. প্রতিশোধ

    রাত্রে বিছানায় শুয়ে শুয়ে আমার মনে হলো আমি যদি জহিরকে খুন করে ফেলতে পারতাম তাহলে একটু শান্তি পেতাম। কিন্তু ইচ্ছা করলেই তো আর একটা মানুষকে খুন করে ফেলা যায় না তাই খুন করার কাছাকাছি কী করা যায় আমি সেটা চিন্তা করতে লাগলাম।

    বড়োদের কাছে শুনেছি তারা যখন ছোটো ছিল তখন নাকি রূপকথা নামে একধরনের বই পড়ত। সেই বইয়ে রাক্ষস, দৈত্য, দানব এইসব থাকত এবং তাদের প্রাণ লুকানো থাকত একটা ভোমরার মাঝে। সেই ভোমরার একটা ঠ্যাং ছিঁড়ে ফেললে রাক্ষস কিংবা দৈত্য দানবের ঠ্যাং ছিঁড়ে যেত। মুণ্ডু ছিঁড়ে ফেললে রাক্ষসের মুণ্ডু ছিঁড়ে রাক্ষস মারা পড়ত! (কী আজব!) কিন্তু আজকে মনে হলো জহিরের সেই রকম প্রাণ লুকিয়ে আছে তার মাথার চুলের মাঝে। সে যেভাবে প্রত্যেক মিনিটে তার চুলের যত্ন করে, হাত দিয়ে আদর করে তার অর্থ এই চুলকে যদি আমি উপড়ে ফেলতে পারি তাহলে তাকে খুন করার কাছাকাছি একটা কাজ হবে। কাজেই আমাকে তার চুলকে মাথা থেকে খিমচে খিমচে তুলতে হবে। কাজটা কীভাবে করা যায় আমি সেটা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে লাগলাম। কোনো ভালো কিংবা মহান চিন্তায় আমি বেশীদূর এগুতে পারি না, কিন্তু এরকম চিন্তায় আমি যথেষ্ট ভালো।

    একটু পরে মামী শুতে এলেন। বিছানায় উঠে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “টুলু ঘুমিয়ে গেছিস?” মামীর গলা বেশ নরম।

    আমাদেরকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করার পর থেকে মামীর সাথে আমার কথাবার্তা বেশী হয় নাই। দুজনের কেউই কথা বলছি না। এই প্রথম মামী কথা বললেন। আমি বললাম, “না।”

    “আজকে তোদের একটু বেশী বলা হয়ে গেছে।” কথাটা প্রশ্ন হতেও পারে নাও হতে পারে তাই আমি কোনো উত্তর দিলাম না।

    মামী বললেন, “ঠিক কী হয়েছিল তুই বলতে চাইছিলি। এখন বলতে চাস?”

    আমি বললাম, “নাহ্।”

    “কেন? বল, শুনি।”

    আমি ঠান্ডা গলায় বললাম, “না মামী। তুমি ঠিকই বলেছিলে একটা অঘটন ঘটে যাওয়ার পর সেটা কেন ঘটেছে শুনে কোনো লাভ নাই। অঘটনটা না ঘটলে লাভ আছে।”

    “তাহলে তুই বলবি না?”

    “নাহ্ মামী। তুমি না শুনলে।”

    মামী নরম গলায় বললেন, “তুই আমার ওপর রাগ করেছিস?”

    আমি বললাম, “না মামী। রাগ করি নাই। কিন্তু এটা আমি নিজেই শেষ করতে চাই।”

    “কোনটা?”

    “এইতো যেটা হয়েছে।”

    “তার মানে এখনো শেষ হয় নাই?”

    “উঁহু। আমার কাজটা বাকী আছে।”

    “ঠিক আছে।” মামী একটা নিঃশ্বাস ফেলে পাশ ফিরে শুয়ে গেলেন।

    .

    পরদিন ভোরে যাদের সাথেই দেখা হলো সবাই আমাকে আর মিতিকে হাই ফাইভ দিতে লাগল, বলতে লাগল, “তোমরা একটা কোরাল রিফ আবিষ্কার করেছ! কী অসাধারণ! ফ্যান্টাসটিক!” তারপরেই অবশ্য বলতে লাগল, “কিন্তু তোমাদের নিয়ে যা দুশ্চিন্তা হচ্ছিল। বঙ্গোপসাগরে দুজন বাচ্চা হারিয়ে গেছে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! চিন্তা করতে পারো?” ইত্যাদি ইত্যাদি। পুরো বেইজ্জতি ব্যাপার।

    যখন কেউ আশেপাশে নাই তখন জহির আমাদের কাছে এসেছে, মুখে এমন একটা ভাব যেন সে কিছুই জানে না। মুখটা বাঁকা করে বলল, “তোরা নাকি কী একটা জিনিস আবিষ্কার করেছিস?”

    আমি তার কথার উত্তর দিলাম না। আমার বিখ্যাত বিষাক্ত দৃষ্টি দিয়ে তার দিকে তাকালাম। জহির সেটা না দেখার ভান করে বলল, “মনে রাখিস, আসল ক্রেডিট কিন্তু আমার।”

    আমি কোনো কথা না বলে মিতিকে নিয়ে সরে গেলাম। তার সাথে কথা বলা মানেই তাকে লাই দেওয়া। যেহেতু তার প্রাণ ভোমরা ছেচে ফেলার প্ল্যান করছি তাই এখন তার সাথে কথা বলে সময় নষ্ট করে লাভ নাই।

    মিতি সারাদিন বসে বসে ছবি আঁকল। ছবির বিষয়বস্তু কোরাল রিফ, তার মাঝে রং বেরঙয়ের মাছ। মাঝে মাঝে মাছের সাথে আমি আর সে। এই মেয়েটা অসাধারণ ছবি আঁকে।

    আমি বসে বসে চোখ বন্ধ করে কীভাবে জহিরকে সাইজ করা যায় সেটা চিন্তা করে বের করার চেষ্টা করতে লাগলাম। চুলের ওপর আক্রমণ করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে চিউয়িংগাম। ভালো করে চিবিয়ে নরম করে কারো চুলের ওপর লাগিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যায়। আমি অনেকবার অনেকের মাথায় চেষ্টা করেছি, প্রত্যেকবার নির্ভুলভাবে কাজ করেছে। প্রথম দিকে ছোটো একটা জায়গায় থাকে, কিন্তু যতই পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয় সেটা ততই ছড়িয়ে যেতে থাকে। সবশেষে মাথার এক খাবলা চুল কেটে সেটা পরিষ্কার করতে হয়।

    কিন্তু এই অসাধারণ টেকনিকটা এখানে কাজ করানো যাবে না। আমার কাছে চিউয়িংগাম নাই (মামী দুই চোখে এটা দেখতে পারেন না, কী কারণ কে জানে!) এই জাহাজে কোনোখানে চিউয়িংগাম পাওয়া যাবে না। চিউয়িংগামের বদলে কী ব্যবহার করা যায় যখন সেটা চিন্তা করছি তখন হঠাৎ করে বাবুর্চি চাচার ইঁদুর ধরার আঠার কথা মনে পড়ল। এই আঠার মাঝে যদি ইঁদুরের মতো মহা ধুরন্ধর প্রাণী আটকা পড়ে তাহলে চুল থেকে সরানো নিশ্চয়ই অসম্ভব ব্যাপার হবে। এটা চিউয়িংগাম থেকে অনেক ভালো কারণ চিউয়িংগাম হয় ছোটো, অল্প জায়গায় লাগানো যায়। ইঁদুর ধরার আঠা দরকার হলে সারা মাথায় লাগানো যাবে। চিউয়িংগাম আঠা না, এটা মুখে দিয়ে চাবায়, ইঁদুর ধরার আঠা সরাসরি আঠা, এর কাজই কোনোকিছু আটকে ফেলা।

    এত ভালো একটা আইডিয়া মাথায় আসার জন্য আমি খুশী হয়ে উঠলাম। নিচে কিচেনে গিয়ে বাবুর্চি চাচার কাছে গিয়ে কোনো একটা গল্প বলে খানিকটা আঠা নিয়ে আসলেই হবে। তবে আসল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জহিরের চুলে ভালো মতন সেটা লেপে দেওয়া। এমনভাবে কাজটা করতে হবে যেন সে ভুলেও আমাকে সন্দেহ না করে। কীভাবে সেটা করা যায় আমি তখন সেটা নিয়ে চিন্তা করতে লাগলাম। অনেকগুলো আইডিয়া মাথায় এলো কিন্তু কোনোটাই সেরকম কাজের মনে হলো না। তখন বিদ্যুৎ ঝলকের মতো আমার হাওয়াই মিঠাই রঙের ক্যাপটার কথা মনে পড়ল। আমি যতবার এটা মাথায় পরেছি ততবার জহির সেটা আমার মাথা থেকে খুলে নিয়ে নিজের মাথায় পরেছে। তারপর কায়দা করে সেলফি তুলেছে।

    এই ক্যাপটার ভেতরে যদি আমি ইঁদুর ধরার আঠাটা লাগিয়ে রাখি তাহলেই কাজ হয়ে যাবে। ক্যাপটা এমন জায়গায় রাখব যেন সে দেখতে পায়, তাহলেই এসে এটা তুলে মাথায় পরে ফেলবে। মাথায় পরার সময় যদি ভেতরে তাকিয়ে পরীক্ষা করে তাহলে বিপদ কিন্তু তার চান্স খুবই কম।

    টুপিটা মাথায় পরার পর সে যখন আবিষ্কার করবে ভয়ংকর আঠায় সেটা তার মাথায় আটকে গেছে তখন কেন আমি টুপির ভেতরে আঠা লাগিয়েছি সেটার একটা গল্প বানাতে হবে। কী গল্প হতে পারে সেটাও আমি ঠিক করে রাখলাম।

    এখন আমার প্রথম কাজ হচ্ছে নিচের কিচেনে গিয়ে বাবুর্চি চাচার কাছ থেকে ইঁদুর ধরার আঠা নিয়ে আসা। আমি সাথে সাথে নিচে রওনা দিলাম।

    বাবুর্চি চাচা কিছুতেই আমার হাতে ইঁদুরের আঠা দিতে রাজী হলো না, চোখ কপালে তুলে বলল, “সব্বোনাশ! এইটা বাচ্চা পুলাপান ধরার কথা না।”

    আমি একটা লম্বা গল্প ফাঁদলাম, ঘরের মাঝে উঁদুর, আমার বই কেটে ফেলছে, ইত্যাদি ইত্যাদি। বাবুর্চি চাচা বলল, “কত নম্বর কেবিন বলো? আমি রাত্রে বিছানার নিচে রেখে আসব।”

    আমি রাজী হলাম না ঘ্যানঘ্যান করতে লাগলাম। হাজার রকম কিরা কসম কেটে বললাম খুবই সাবধান থাকব ইত্যাদি ইত্যাদি, শেষ পর্যন্ত একটা ছোটো কাঠের টুকরার ওপর একটু আঠা লাগিয়ে দিল। আমি আবার কিছুক্ষণ ঘ্যানঘ্যান করে পরিমাণটা বাড়িয়ে নিলাম। ব্যস কাজ হয়ে গেছে।

    মিতিকে ষড়যন্ত্রে নিব কিনা চিন্তা করলাম। সে শান্তশিষ্ট চুপচাপ নরম একটা মেয়ে, তাকে এরকম বদমাইশি কাজকর্মে নেওয়া ঠিক হবে না, কিন্তু সে যদি কিছু না জানে তাহলে বিপদ হতে পারে। না বুঝে মিতি নিজেই হয়ত আমার ক্যাপটা মাথায় দিয়ে বসে থাকবে, তখন একটা মহা কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।

    কাজেই মিতিকে আমার পুরো প্ল্যানটা বলতে হলো। ইঁদুর ধরার আঠা দেখিয়ে বললাম, “এটা দেখেছ?”

    মিতি আমার হাতে এই বিপজ্জনক জিনিস দেখে যথেষ্ট অবাক হলো। মাথা নেড়ে ভুরু কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে জানতে চাইল এটা দিয়ে আমি কী করব।

    আমি বললাম, “জহিরকে টাইট করব।” তারপর হাত দিয়ে গলায় পোচ দেওয়ার ভঙ্গী করলাম।

    মিতি অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমি তখন এদিক সেদিক তাকিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিলাম জহির আশেপাশে নাই। তারপর আমার হাওয়াই মিঠাই ক্যাপের ভেতরে উঁদুর ধরার আঠাটা লাগাতে লাগলাম। মিতি প্রথমে চমকে উঠল তারপর হঠাৎ করে বুঝে গেল আমি কী করতে চাইছি। তার মুখে প্রথমে ভয়, তারপর অবিশ্বাস এবং সবশেষে হাসি ফুটে উঠল। আমার দিকে তাকিয়ে সে চোখ বড়ো বড়ো করে মাথা নাড়তে লাগল।

    আঠা লাগানোর পর আমি ক্যাপটা ডেক চেয়ারের পাশে রাখা ছোটো টেবিলটার ওপরে সোজা করে রাখলাম। পাশে মিতির একটা বই রাখলাম। আঠা লাগানো শেষ হওয়ার পর যে কাঠের টুকরাটা রয়েছে সেটাও টেবিলের এক কোনায় রেখে দিলাম।

    ফাঁদ পেতে রাখা হয়েছে এখন শিকারের জন্য অপেক্ষা করা।

    .

    কিছুক্ষণের মাঝেই আমাদের শিকার এসে হাজির হলো। আমি আর মিতি রেলিং ধরে দূরে তাকিয়ে আছি। চোখের কোনা দিয়ে দেখলাম জহির খুবই বেসুরোভাবে শিস দিতে দিতে আসছে। আমাদেরকে দেখল কিন্তু আমরা যেহেতু তার সাথে বেশী কথাবার্তা বলছি না সে হেঁটে একটু সরে গেল। এবং বুঝতে পারলাম সে টেবিলের কাছে এগিয়ে গেল এবং টুপিটা হাতে নিয়ে একটু নাড়াল তারপর মাথায় দিল! কাজ হয়ে গেছে!

    আমি কয়েক সেকেন্ড সময় দিলাম তারপর জহিরের দিকে তাকালাম। তারপর চোখে মুখে ভয়াবহ আতঙ্কের একটা ভঙ্গী করে তার দিকে তাকিয়ে বললাম, “সর্বনাশ! তুমি কী করেছ?”

    জহিরও একটু ভয় পেল, বলল, “কী করেছি?”

    আমি বললাম, “তুমি নড়বে না। ক্যাপটা ধরবে না। খবরদার।”

    জহির ভয়ে ভয়ে বলল, “কেন? কী হবে ধরলে?”

    “তুমি এই ডেক চেয়ারটায় বসো।”

    জহির ডেক চেয়ারটায় বসল। অবাক হয়ে আমার দিকে ভয় পেয়ে তাকিয়ে আছে। আমি কাছে গেলাম, তার মাথায় ক্যাপটা ধরলাম, তারপর বললাম, “এই ক্যাপটার মাঝে আঠা, তোমার মাথায় আঠা লেগে যাবে। তুমি নড়বে না। আমি সাবধানে খুলে দিই।”

    জহির নড়ল না। আমি ক্যাপটা খুলে নেওয়ার একটা বাড়াবাড়ি অভিনয় করলাম কিন্তু আসলে ক্যাপটা চাপ দিয়ে তার মাথার মাঝে আচ্ছা করে ডলে দিলাম। তারপর হতাশ একটা ভঙ্গী করে বললাম, “নাহ্! খুলতে পারছি না। লেগে গেছে।”

    জহির আর্তনাদ করে বলল, “খুলতে পারছিস না মানে?”

    সে তখন নিজেই ক্যাপটা খোলার চেষ্টা করল, কিন্তু আমি খোলার ভান করে এমন আচ্ছা মতন ডলে দিয়েছি যে জহির সত্যিই সত্যিই ক্যাপটা খুলতে পারল না, আউ আউ করে চিৎকার করতে লাগল। বুঝতে পারলাম চাঁদির কিছু চুল না ছিঁড়ে সে এটা খুলতে পারবে না।

    আমি সাহায্য করলাম এবং হ্যাঁচকা টান দিয়ে কিছু চুল ছিঁড়ে ক্যাপটা খুলে আনলাম, ক্যাপটা হাতে নিয়ে বললাম, “ইশ! আমার এত সুন্দর ক্যাপটার কী অবস্থা হয়েছে দেখো।”

    আমি খুব মন খারাপের ভঙ্গী করে আমার ক্যাপটার দিকে তাকিয়ে আহা উহ করতে লাগলাম, যেন আমার ক্যাপটা নষ্ট হয়েছে সেটাই আমার সবচেয়ে বড়ো মাথাব্যথা, জহিরের চুল নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নাই!

    জহির হাত দিয়ে তার চুল ধরার চেষ্টা করে কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল, “চুল, আমার চুল!”

    আমি বললাম, “হাত দিয়ে ছুঁয়ো না, তাহলে হাতে আঠা লেগে যাবে।” জহির চোখ পাকিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুই তোর টুপির মাঝে আঠা লাগিয়ে রেখেছিস কেন?”

    আমি আরও গরম হয়ে বললাম, “ইচ্ছা করে লাগিয়েছি নাকি? আমার এত সুন্দর ক্যাপটা আমি আঠা লাগিয়ে নষ্ট করব? আমার কি মাথা খারাপ হয়েছে?”

    “তাহলে তাহলে–?”

    আমি উদাস গলায় বললাম, “মিতির দোষ।”

    “মিতি? মিতি কী করেছে?”

    “আমি ইন্দুর ধরার আঠা এনেছিলাম আমার কেবিনের ইন্দুর ধরার জন্য। সেটা টুপি দিয়ে ঢেকে রেখেছি। মিতি না বুঝে ধপাস করে তার মোটা একটা বই ওপরে রেখে দিয়েছে। ব্যস টুপির ভেতরে আঠা দিয়ে মাখামাখি”

    করল তারপর পকেট থেকে তার স্মার্টফোন দিয়ে নিজের চুল দেখতে লাগল। তার মুখটা একেবারে কাঁদো কাঁদো হয়ে গেল। বলল, “এখন–এখন–এই আঠা কী করে পরিষ্কার করব?”

    আমি বিরক্ত হওয়ার ভান করলাম, “আমি কী জানি! জানলে তো আমার ক্যাপটাই পরিষ্কার করে ফেলতাম।”

    জহির তখন নিজের বুদ্ধি দিয়ে আঠা পরিষ্কার করার চেষ্টা করল। প্রথমে টিস্যু দিয়ে মোছার চেষ্টা করল, তার ফল হলো ভয়ানক। আঠা তো মোছা গেলই না বরং টিস্যু ছিঁড়ে ছিঁড়ে তার চুলের সাথে লেগে গেল। তখন জহিরের চেহারাটা হলো দেখার মতো। জহির হাত দিয়ে খিমচে খিমচে টিস্যুর টুকরাগুলো পরিষ্কার করার চেষ্টা করল, যে আঠা থেকে উঁদুর পর্যন্ত ছুটে বের হয়ে আসতে পারে না সেই আঠা থেকে নরম টিস্যু আলাদা করা তো সোজা কথা না। লাভের মাঝে লাভ হলো তার হাতের সব আঙুল আঠা দিয়ে মাখামাখি হয়ে গেল। হাতের আঙুল দিয়ে সবকিছু ধরতে হয় তাই প্রথমে তার স্মার্টফোন তারপরে তার বিখ্যাত ব্র্যান্ডের শার্ট সেই আঠায় আঠালো হয়ে গেল। জহির প্রথমে কাঁদো কাঁদো ছিল এখন মনে হলো সত্যি সত্যি তার চোখ থেকে পানি বের হতে শুরু করেছে।

    সহজ কোনো উপায়ে আঠা পরিষ্কার করতে না পেরে জহির শ্যাম্পু সাবান দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলার জন্য বাথরুমে ঢুকল। জাহাজের বাথরুমগুলো ছোটো, সমুদ্রের ওপরে পানির টানাটানি তাই সব কাজকর্ম অল্প পানি দিয়ে করার কথা তাই জহির খানিকক্ষণ চেষ্টা করে বের হয়ে এলো। আঠা পরিষ্কার হয়নি বরং সেটা এখন অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে, ঘাড় দিয়ে পিঠে গিয়েছে, কপাল এবং গাল এখন চটচটে হয়ে আছে। তোয়ালে দিয়ে মাথা মোছার সময় মনে হয় ভোয়ালে চুলে আটকে গিয়েছিল, কিছু চুল ছিঁড়ে সেটা ছোটাতে হয়েছে।

    জহির আরও নানাভাবে চেষ্টা করল। যখন জাহাজে ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে গেল তখন অন্যদের কাছ থেকে আরও নানা ধরনের আইডিয়া আসতে থাকে। কেরোসিন দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলা, অ্যালকোহল দিয়ে পরিষ্কার করা ইত্যাদি ইত্যাদি। জহিরের বড়ো ভাই যখন ব্যাপারটা জানতে পারলেন তখন জহিরের ঘাড় ধরে তাকে নিচে নিয়ে গেলেন এবং একজন খালাসি তার মাথাটা ন্যাড়া করে দিল।

    যে মানুষের চেহারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে তার চুল সে যখন ন্যাড়া হয়ে যায় তখন তাকে এত অদ্ভুত দেখায় যে সেটা বলার মতো নয়। আমি জানতাম মানুষের মাথা মোটামুটি গোল কিন্তু জহিরের ন্যাড়া মাথা দেখে আমি আবিষ্কার করলাম সেটা সত্যি নয়, তার মাথার এদিকে সেদিক রীতিমতো উঁচু নিচু এবং ঢেউ ঢেউ আছে। কী আজব!

    .

    রাত্রে শোয়ার সময় মামী আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমাদের কেবিনে ইঁদুর আছে, সেই ইঁদুর তোর বই কেটে ফেলছে সেজন্য ইঁদুর ধরার আঠার দরকার এই গল্পগুলো তুই আমাকে বিশ্বাস করতে বলিস?”

    আমি বললাম, “নাহ্।”

    “জহির ছেলেটাকে তুই এভাবে নাজেহাল করেছিস?”

    আমি চুপ করে রইলাম। মামী বললেন, “কাজটা বাড়াবাড়ি হলো না?”

    আমি মুখ শক্ত করে বললাম, “ওর জন্য আমি আর মিতি ছোটো বোটে সমুদ্রে ভেসে গিয়েছিলাম, বোটটা কোনোভাবে উলটে গেলে আমরা মরে যেতে পারতাম।”

    “সেজন্য ওকে শাস্তি দিয়েছিস?”

    আমি চুপ করে রইলাম। মামী জিজ্ঞেস করলেন, “শাস্তি শেষ হয়েছে?”

    আমি এবারও চুপ করে রইলাম। তাকে আরও একটা শাস্তি দেওয়ার বুদ্ধি মাথায় এসেছে। এটা আগে কখনো চেষ্টা করে দেখি নাই কিন্তু মনে হয় কাজ করবে। তার সিগারেটের একটু তামাক বের করে ম্যাচের কাঠির বারুদ রেখে আবার তামাকটুকু ভরে দেওয়া। সিগারেটের আগুন বারুদ পর্যন্ত পৌঁছালে ফট করে জ্বলে উঠে একটা অসাধারণ ঘটনা ঘটতে পারে।

    মামী আবার জিজ্ঞেস করলেন, “শাস্তি শেষ নাকি বাকী আছে?”

    আমি কিছু বলার আগে মামী বললেন, “যা হওয়ার হয়েছে। এখন পুরো ব্যাপারটা এখানেই শেষ। বুঝেছিস?”

    আমি মামীর দিকে তাকালাম বললাম, “ঠিক আছে।”

    মামী তার বিছানায় শুতে শুতে বললেন, “তুই এত ডেঞ্জারাস আমি। জানতাম না।”

    কথাটা গালি হিসেবে নেব নাকি প্রশংসা হিসেবে নেব বুঝতে পারলাম না। আমি মামীর দিকে তাকালাম। কেবিনের অল্প আলোতে মনে হলো মামীর মুখে খুবই হালকা একটা হাসি।

    আমিও মুখে একটা হাসি নিয়ে শুয়ে পড়লাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটি-রেক্সের সন্ধানে – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আহা টুনটুনি উহু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }