Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার ডেঞ্জারাস মামী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প163 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. আসল বিভীষিকা

    ২. আসল বিভীষিকা

    আমি সবার কথা বলেছি শুধু বাসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটার কথা এখনও বলা হয় নাই। আগে আম্মু নিজেই বাসার কাজকর্ম করে ফেলতেন, আপু আম্মুকে সব কাজে সাহায্য করত। দুজনে কুটকুট করে কাজ করত, মাঝে মাঝে হি হি করে হাসত। দেখে মনে হতো বাসার কাজকর্ম করা যেন কত মজার। মাঝে মাঝে আব্বু বলতেন, “আমি তোমাদের সাহায্য করি, বাসনগুলো ধুয়ে দিই—”

    তখন আম্মু আর আপু একসাথে চিৎকার করে উঠত, “না, না তোমাকে সাহায্য করতে হবে না”।

    তাদের এরকম চিৎকার করে আপত্তি করার অবশ্য কারণ আছে, আব্বু জানেন না যে থালা বাটিতে সাবান লাগালে সেটা পিছলে হয়ে যায়। ঠিকভাবে

    ধরলে হাত ফসকে সেটা নিচে পড়ে টুকরা টুকরা হয়ে যায়। বোয়া ধোয়ির ব্যাপারে আব্বু আরও অনেক কিছু জানেন না, তাই আব্বু বাসন ধুলে পরে আরেকবার সেগুলোকে ধুতে হয়।

    আমি জানি ভদ্রতা করে আমার বলা উচিত যে আমি একটু সাহায্য করি কিন্তু আমি সেটা কখনো বলি নাই! যদি আম্মু কিংবা আপু রাজী হয়ে যায় আর সত্যি সত্যি আমাকে কাজ করতে হয় সেটা কেলেঙ্কারী হয়ে যাবে।

    আগে একজন মহিলা মাঝে মাঝে এসে বাসায় বড়ো বড়ো কাজগুলো করে ফেলত। আজকাল আর সেই মহিলা আসে না কারণ গ্রাম থেকে একজন এসেছে এবং সে আমাদের বাসায় থাকে। খুবই কম বয়স— মনে হয় আপুর বয়সী কিন্তু কেন জানি আমরা তাকে ঝর্ণা খালা ডাকি। ভাসা ভাসা শুনেছি ঝর্ণা খালার একজনের সাথে বিয়ে হয়েছিল, সেই মানুষটা একদিন ঝর্ণা খালাকে ছেড়ে ছুঁড়ে চলে গেছে।

    ছোট হলেও ঝর্ণা খালা খুব কাজের মানুষ, আস্তে আস্তে বাসার প্রায় সব কাজ করা শুরু করে দিয়েছে। যদি শুধু বাসার কাজকর্ম করত তাহলে আমার কিছু বলার ছিল না। কিন্তু কিছুদিন হলো মনে হচ্ছে আমার আরামের জীবনটাকেও কন্ট্রোল করা শুরু করেছে। সেটা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি।

    যেমন ধরা যাক করলা ভাজির ব্যাপারটা জিনিসটা আমার দুই চোখের বিষ। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি সারা পৃথিবীতে একজন বাচ্চাও পাওয়া যাবে না যে করলা ভাজি পছন্দ করে। কিন্তু এই কথাটা কিছুতেই ঝর্ণা খালাকে বোঝানো যাবে না, খেতে বসলেই ঝর্ণা খালা ঝপ করে প্লেটে এক খাবলা করলা ভাজি দিয়ে দেবে।

    এখানেই শেষ হলে একটা কথা ছিল কিন্তু আরও বিপজ্জনক কাজ শুরু হয়েছে। পৃথিবীর সব স্বাভাবিক মানুষের ঘুমাতে দেরী হয়ে যায় তাই সকালে উঠতেও দেরী হয়। ঘুমাতে দেরী না হলেও দেরী করে ঘুমানো হচ্ছে জীবনের বিলাসিতা। তাই সারাজীবন স্কুলে যাওয়ার শেষ মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে দৌড়াদৌড়ি করে রেডি হয়েছি। কোনোমতে একটু নাস্তা করে ছোটাছুটি করে স্কুলে গেছি। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি সারা পৃথিবীর সব বাচ্চা এভাবে স্কুলে যায়। কিন্তু হঠাৎ করে ঝর্ণা খালার মনে হলো আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। ঝর্ণা খালা তাই অনেক আগে ডাকাডাকি করে ঘুম থেকে তুলে দেয়। জীবনের ওপর বিতৃষ্ণা চলে আসার মতো অবস্থা। তখনও অবশ্য জানতাম না যে আমার জীবনে সত্যিকারের একটা বিভীষিকা অপেক্ষা করছে।

    সেটা শুরু হয়েছে এভাবে-একদিন আম্মুর সাথে ঝর্ণা খালার গ্রামের বাড়ী নিয়ে কথা হচ্ছে তখন হঠাৎ করে আম্মু জানতে পারলেন ঝর্ণা খালার ছয় বছরের একটা ছোটো মেয়ে আছে। সেই মেয়ে গ্রামের বাড়ীতে তার নানীর সাথে থাকে। আম্মু চোখ কপালে তুলে বললেন, “তোমার একটা ছোটো মেয়ে আছে সে তোমাকে ছাড়া একা একা নানীর সাথে থাকে?”

    ঝর্ণা খালা মাথা নাড়ল। আম্মু একটু রেগে বললেন, “তুমি এটা আমাকে আগে বলো নাই কেন?”

    ঝর্ণা খালা মাথা নিচু করে বলল, “এই চাকরিটা খুব দরকার ছিল, যদি জানেন আমার একটা ছোটো মেয়ে আছে তাহলে যদি চাকরিটা না দেন সেজন্য বলি নাই।”

    আম্মু অবিশ্বাসের ভঙ্গীতে মাথা নেড়ে বললেন,”তাই বলে নিজের মেয়েকে একা একা তার নানীর কাছে ফেলে রাখবে? ছয় বছরের একটা মেয়ে তার মা ছাড়া বড়ো হবে?”

    ঝর্ণা খালা হাসির মতো একটা ভঙ্গী করে বলল, “আমাদের মতো গরীব মানুষদের অনেক কিছু করতে হয় আপা।”

    আম্মু মুখ শক্ত করে বললেন, “হয় তুমি গ্রামে গিয়ে তোমার মেয়ের সাথে থাকবে না হয় তোমার মেয়ে এখানে এসে তোমার সাথে থাকবে।”

    ঝর্ণা খালা কেমন যেন আঁতকে উঠল, বলল, “আমার মেয়ে এখানে এসে থাকবে?”

    “হ্যাঁ। সমস্যা কী?”

    “আপা, আমার মেয়ে খুবই দুষ্টু। নানী আদর দিয়ে দিয়ে মাথা নষ্ট করেছে।”

    আম্মু বললেন, “পাঁচ ছয় বছরের একটা মেয়ে দুষ্টু হবে না তো বুড়া মানুষ দুষ্টু হবে? আর আমার নিজের দুষ্টু ছেলে-মেয়ে নাই মনে করেছ?”

    আমার নামটা উচ্চারণ করেন নাই কিন্তু দুষ্টু বাচ্চা বলতে আমাকে বুঝিয়েছেন। সবসময় তাই বোঝানো হয়।

    ঝর্ণা খালা তবু আরেকবার চেষ্টা করল, বলল, “আপা আমার মেয়ে তার নানীর সাথে ভালোই আছে। তাকে এখানে আনা মনে হয় ঠিক হবে না।”

    আম্মু হাত দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে বললেন, “তোমার দুলাভাইয়ের সাথে কথা বলে সব ঠিক করব।” কে দুলাভাই কে খালু কে ফুপা এই সম্পর্কগুলো আমার কাছে খুব জটিল মনে হয়–তবে এখানে দুলাভাই মানে আব্বু সেটা আমি বুঝতে পারলাম। আব্বুর সাথে কথা বলার অবশ্য কোনো দরকার নাই, এই বাসাতে আম্মু যেটা ঠিক করেন সেটাই ফাইনাল।

    কাজেই একদিন ঝর্ণা খালার মেয়ে চলে এলো। শুকনা পাতলা একটা মেয়ে। পিলুর সমান। বড়ো বড়ো চোখ, মাথাভরা চুল, নাম চম্পা। বাসায় এসে কৌতূহলী চোখে এদিক সেদিক তাকাতে লাগল, দেখে মোটেও দুষ্টু মেয়ে বলে মনে হলো না।

    তবে দুদিন পর সবার আগে আমি টের পেলাম ঝর্ণা খালার কথা শুনে এই মেয়েটিকে গ্রামে তার নানীর কাছে রেখে আসাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। হতো।

    আমি ব্যাপারটা টের পেলাম তার সাথে কথা বলতে গিয়ে। প্রথম দুই দিন চুপচাপ থেকে তৃতীয় দিন সে বাসার ভেতরে ঘুর ঘুর করতে শুরু করল। আমি একদিন বসে বসে খুবই বিঘুঁটে কয়টা অঙ্ক নিয়ে ঠেলাঠেলি করছি তখন সে আমার টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে গভীর মনোযোগ দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমি তখন মুখটা হাসি হাসি করে মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম, “কী খবর চম্পা?”

    মেয়েটা মুখ শক্ত করে বলল, “আমার নাম চম্পা না।”

    আমি একটু অবাক হয়ে বললাম, “তাহলে তোমার নাম কী?”

    “শম্পা।”

    “কিন্তু তোমার মা যে বলেছে তোমার নাম চম্পা?”

    মেয়েটা ঠোঁট উলটে বলল, “মা কী জানে? মা গেরাইম্যা।”

    আমি একটু চমকে উঠলাম, “তোমার মা গেরাইম্যা?”

    মেয়েটা মাথা নাড়ল।

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তার মানে তোমার মা তোমার নামটাও ঠিক করে জানে না?”

    “নাহ! আগে চম্পা ছিল। এখন শম্পা।”

    “চম্পাকে কে শম্পা বানিয়েছে?”

    মেয়েটা বলল, “আমি। আবার কে?”

    আমি ঢোঁক গিলে বললাম, “তুমি তোমার নামটা বদলে ফেলেছ?”

    মেয়েটা মাথা নাড়ল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কেন?”

    “চম্পা নামটা গেরাইম্যা।”

    “আর শম্পা?”

    “শম্পা হাই-ফাই।”

    আমি আবার চমকে উঠলাম। এইটুকুন মেয়ে হাই-ফাই জানে? জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি কেমন করে জানো?”

    “টিভিতে দেখেছি।”

    আমি বুঝতে পারলাম গ্রামে নানীর সাথে ছিল বলে সে যে খুব খারাপ ছিল মনে হয় না। বললাম, “আমার কিন্তু চম্পা নামটাই ভালো লাগে।”

    “তার মানে তুমিও গেরাইম্যা।”

    আমি এবারে রীতিমতো আঁতকে উঠলাম, বললাম, “আমি যদি তোমাকে চম্পা ডাকি তাহলে কী হবে?”

    চম্পা কিংবা শম্পা খুবই শান্ত গলায় বলল, “তাহলে আমি তোমার চোখ গেলে দিব।”

    আমার জীবনে এর আগে কেউ আমাকে চোখ গেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। নাই। আমার আর কথা বলার সাহস হলো না। অবাক হয়ে এই ভয়ংকর মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইলাম।

    .

    আস্তে আস্তে মেয়েটার আরও গুণাবলী বের হতে শুরু করল। কোনো একটা কারণে এই মেয়েটা হয় আমাকে বেশী পছন্দ করে না হয় বেশী অপছন্দ করে। তাই বেশীর ভাগ সময় আমার কাছে আসতে শুরু করল। একদিন আমি বসে একটা ফালতু জ্ঞানের বই পড়ার চেষ্টা করছি তখন সে এসে আমার কাছে হাজির হলো। আমাকে বলল, “টুলু মামা, তোমাকে একটা জিনিস জিজ্ঞেস করি?।”

    আমি বললাম, “আমি মোটেও তোমার মামা না। আমাকে মামা ডাকবে না।”

    চম্পা (কিংবা শম্পা) বলল, “মামা না হলেও তারে মামা ডাকা যায়। সবাই জানে।”

    সবাই জানলেও এটা আমি জানতাম না, তাই জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি কেমন করে জানো?”

    “আমি দেখেছি। আমাদের গ্রামের টেম্পু ড্রাইভারকে সবাই মামা ডাকে। বাপও মামা ডাকে, ছেলেও মামা ডাকে।”

    আমি চোখ কপালে তুলে বললাম, “টেম্পু ড্রাইভারকে মামা ডাকে বলে তুমি আমাকে মামা ডাকবে?”

    “হ্যাঁ।”

    আমি মুখ শক্ত করে বললাম, “আমি চাই না তুমি আমাকে মামা ডাকো।”

    আলাপের এই জায়গায় অন্য যেকোনো বাচ্চা হলে জিজ্ঞেস করত, “তাহলে আমি কী ডাকব?” কিন্তু এই মেয়েটা সেটা জিজ্ঞেস করল না, বাঁকা হাসি হেসে বলল, “কিন্তু আমি তোমাকে টুলু মামাই ডাকব, ডাকবই ডাকব।”

    এই ব্যাপারটা নিয়ে আরও আলাপ আলোচনা করলে মেয়েটা আবার চোখ গেলে দিতে চাইবে, কিংবা কে জানে এবারে হয়ত চেষ্টা করেও দেখতে পারে তাই আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করলাম না। ভয়ে ভয়ে বললাম, “তুমি আমাকে কী জিজ্ঞেস করতে চাইছিলে?”

    “আমার কাছে তিনটা নারকেল আছে। সেই নারকেলগুলো বাইশটা গ্রামে ভাগ করে দিতে হবে, কিন্তু কোনো নারকেল ভাঙা যাবে না, আস্ত দিতে হবে। কেমন করে দিব?”

    নারকেল ভাঙা যায় কিনা সেটা নিয়ে আলোচনা করে লাভ নাই। আমি তার চেষ্টা করলাম না। এই রকম প্রশ্নগুলোর মাঝে একটা প্যাঁচ থাকে, সেই প্যাঁচটা আগে থেকে না জানলে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া যায় না। আমি তাই চেষ্টাও করলাম না, বললাম, “জানি না।”

    চম্পা কিংবা শম্পা চোখ কপালে তুলে বলল, “জানো না? এই সোজা প্রশ্নের উত্তর জানো না?”

    আমি মেনে নিলাম, আলোচনা শেষ করে দেওয়ার জন্য বললাম, “না, জানি না।”

    “একটা দিবে কুড়িগ্রামে, একটা তোমার গ্রামে আরেকটা আমার গ্রামে। বুঝেছ?”

    “বুঝেছি।”

    মেয়েটা হতাশভাবে মাথা নাড়ল, বলল, “তোমার মাথায় বুদ্ধি কম।”

    আমি চুপ করে রইলাম। মেয়েটা মাথা নেড়ে বলল, “মনে হয়, তোমার মাথায় বুদ্ধি নাই। এই বাসার ভেতরে মনে হয় তুমি সবচেয়ে বেকুব।”

    একটা বাচ্চা মেয়ে আমাকে বেকুব বলবে, সেটা মোটেও ঠিক না তাই আমি চোখমুখ শক্ত করে ধমক দিয়ে বললাম, “খবরদার। এভাবে কখনো কথা বলবে না।”

    তারপর যা একটা কাণ্ড হলো তার জন্য আমি মোটেও রেডি ছিলাম না। মেয়েটা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করল। সে এত বড়ো করে মুখ হা করল যে আমি তার আলজিভটা পর্যন্ত দেখতে পেলাম–তির তির করে নড়ছে। বাসার সবাই “কী হয়েছে? কী হয়েছে?” বলে দৌড়ে এলো।

    চম্পা আঙুল দিয়ে আমাকে দেখিয়ে বলল, “টুলু মামা আমারে গালি দিছে। আমি আর এই বাসায় থাকমু না। আমি নানীর কাছে যামু। এ্যাঁ এ্যাঁ এ্যাঁ।”

    আমি লজ্জার মাঝে পড়ে গেলাম, আসলে কী হয়েছে বলতেও পারি না। একটা ধমক দিয়েছি সত্যি কিন্তু কেন দিয়েছি সেটাতো জানা দরকার, আর যেটুকু ধমক দিয়েছি সেই ধমকে কি এরকম করে কাঁদতে হবে?

    সবাই ধরে নিল, আমি খুবই নিষ্ঠুর প্রকৃতির ছেলে তাই এইটুকুন দুধের বাচ্চাকে গালিগালাজ করতে পারি নিশ্চয়ই পুরো দোষ আমার। শুধু ঝর্ণা খালা আমার পক্ষ নিয়ে বলল, “না, না টুলু কিছু করে নাই। এই পাজী মেয়েকে নানী আদর দিয়ে নষ্ট করেছে, এখন আহ্লাদি বেশী হয়ে গেছে। কথায় কথায় কান্দে।”

    কিন্তু ঝর্ণা খালার কথা কেউ বিশ্বাস করল না, সবাই ধরে নিল আমিই নৃশংস নিষ্ঠুর অপরাধী। আমাকেই বকুনী শুনতে হলো।

    আমি বুঝতে পারলাম আমার জীবনের বিভীষিকার লিস্ট পুরো করার জন্য এই মেয়ে এসেছে। সে যে একা আমার জীবন বিষাক্ত করবে তা না, মনে হয় পিলুকেও ট্রেনিং দিবে। দুজন এক বয়সী, লক্ষ করছি দুজন গুজুর গুজুর ফুসুর ফুসুর করছে। পিলু ভ্যাবলা টাইপ, দাবা খেলা ছাড়া আর কিছু জানে না, সে চম্পাকে দাবা খেলার ট্রেনিং দিচ্ছে মনে হয় না, উলটোটাই হবে। চম্পা পিলুকে ট্রেনিং দিবে, ভয়াবহ সব ট্রেনিং। তারপর দুজন মিলে আমার পুরো জীবন বিষাক্ত করে দিবে।

    যাই হোক আমি এখন খুব সাবধান থাকি। চম্পার সাথে কথাবার্তা বলি না, তার কথা না শোনার ভান করি, তাকে দেখেও না দেখার ভান করি। খুব যে লাভ হয় তা না।

    সেদিন এসে চম্পা আমার টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে রইল। আমি না দেখার ভান করছিলাম কিন্তু টের পাচ্ছিলাম খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আমাকে দেখছে। বেশ খানিকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “তোমার চেহারাটা ভালো না।”

    আমি চমকে উঠলাম, বললাম, “কী বলেছ?”

    চম্পা আবার বলল, “তোমার চেহারাটা ভালো না।”

    কিছু বলব না বলব না ভেবেও জিজ্ঞেস করে ফেললাম, “কেন?”

    “তোমার থুতনি নাই।”

    আমি চোখ বড়ো বড়ো করে চম্পার দিকে তাকালাম। আমার থুতনিটা একটু ছোটো সেটা সত্যি কিন্তু একেবারে নাই সেটা তো হতে পারে না।

    চম্পা বলল, “শুধু থুতনি ছোটো না, তোমার কান বড়ো। কুলার মতন।”

    আমার মনে হলো চম্পার গলা টিপে ধরি। কিন্তু আসলেই তো আর সেটা করতে পারি না তাই মুখটাকে পাথরের মতো শক্ত আর চোখ দুটিকে বরফের মতো শীতল করে সরু চোখে চম্পার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মিনিটখানেক এভাবে তাকিয়ে থাকার পর কাজ হলো, চম্পা ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “তোমার মনে হয় বউ পাইতে সমস্যা হবে।”

    তারপর আমাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে চলে গেল। আমি চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে একটা সত্যিকারের দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। আমার বয়স তেরো হয়েছে, বুঝতে পারছি হরমোন কিক করতে শুরু করেছে। নিজের চেহারা নিয়ে আগে কোনোদিন মাথা ঘামাই নাই, আজকাল আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মাঝে মাঝেই নিজের চেহারাটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি। চম্পার কথা শুনে খুবই মেজাজ খারাপ হয়েছে কিন্তু সে তো আর ভুল বলে নাই। আসলেই তো আমার চেহারাটা বেশী সুবিধার না। আপুর চেহারা রাজকন্যার মতো, পিলুর চেহারার সাথে একটা বোকা বোকা ভাব আছে কিন্তু চেহারাটা তো ভালো। আব্বুর চেহারা সিনেমার নায়কের মতো (আম্মু মনে হয় আব্বুর চেহারা দেখেই তাকে বিয়ে করে ফেলেছিলেন), আম্মু একেবারে টিশটাশ মহিলা, দেখে মনে হয় আপুর বড় বোন। শুধু আমার চেহারাটা পাউরুটির মতো। চম্পা সত্যিই বলেছে আমার থুতনিটা ছোটো, কান দুটি বড়ো। খোদা যখন আমাকে তৈরি করেছিল তখন মনে হয় কান দুটি আগে তৈরি করে মাটি বেশী ব্যবহার করে ফেলছে, তাই থুতনিতে মাটি কম পড়েছে সেজন্য কান দুটি বড় আর থুতনি ছোটো। কান দুটি শুধু যে বড়ো তা না, কেমন যেন ছড়িয়ে থাকে, দেখে মনে হয় দরজা খোলা গাড়ী। থুতনিটা ছোটো চেহারার মাঝে কেমন জানি সিরিয়াল কিলারের ভাব চলে এসেছে। আমি সময় পেলেই থুতনিটা টেনে টেনে বড় করার চেষ্টা করি। কোনো লাভ হচ্ছে বলে মনে হয় না।

    বড়ো হওয়ার পর লম্বা চুল দিয়ে কান দুটি ঢেকে ফেলা যাবে। ছোটো থুতনিটা ঢাকার জন্য দাড়ি রাখতে হবে। লম্বা চুল আর দাড়ি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তো ভালোই দেখায় কিন্তু আমার যেরকম ফাটা কপাল আমাকে তো আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো দেখাবে না। আমাকে নিশ্চয়ই দেখাবে রাসপুটিনের মতো। ভয়ংকর। এই হচ্ছে আমার কপাল, বড় হয়ে রাসপুটিন হওয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটি-রেক্সের সন্ধানে – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আহা টুনটুনি উহু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }