Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার ডেঞ্জারাস মামী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প163 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. জাহাজ

    ৬. জাহাজ

    আমরা ট্রেন থেকে নামলাম অনেক ভোরে। আমাদের কেবিনটা ছিল দুজনের, নিচে একজন, ওপরে বাংকে আরেকজন। ওপর থেকে গড়িয়ে নিচে না পড়ে যাই সেজন্য মামী আমাকে নিচে শুতে বলেছিলেন কিন্তু আমি রাজী হই নাই। কেবিনটা খুবই সুন্দর একেবারে বিদেশী ট্রেনের মতো, আমি অবশ্য বিদেশে কখনো যাই নাই, তাদের ট্রেনও কখনো দেখি নাই, খালি সিনেমায় দেখেছি। শোয়ার জায়গাটাও খুব আরামের, ভেবেছিলাম বুঝি খুব ভালো ঘুম হবে। কিন্তু ভালো ঘুম হয় নাই, একটু পরে পরে ঘুম ভেঙেছে। সারাক্ষণই মনে হয়েছে লোকজন কথা বলে ডিস্টার্ব করছে।

    সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি আর মামী দুজনে দুটি ব্যাকপেক নিয়ে নেমেছি। আমি কায়দা করে মাথায় একটা ক্যাপ লাগিয়েছি, হাওয়াই মিঠাই রঙের ক্যাপ, মামীর পরনে শাড়ী পায়ে বুট জুতো লোকজন মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তাকায়, মামী একেবারে ড্যাম কেয়ার।

    মামীর সাথে আমি দুই এক পা এগুতেই একটা ছেলে দৌড়ে এলো, মামীকে দেখে খুশী হয়ে গেল, বলল, “ম্যাডাম, এসে গেছেন? রাতে কোনো অসুবিধা হয় নাই তো?”

    মামী বললেন, “না, কোনো অসুবিধা হয় নাই।”

    “ব্যাগটা আমাকে দেবেন?”

    মামী মাথা নাড়লেন, “তোমার ব্যস্ত হতে হবে না, এই ব্যাকপেক আমি নিতে পারব।”

    ছেলেটা তখন আমার দিকে তাকাল, বলল, “এই বুঝি আপনার ভাগ্নে? আমি শুনেছিলাম আপনার ভাগ্নী আসবে।”

    “ভাগ্নীরই আসার কথা ছিল, লাস্ট মোমেন্টে অ্যাকসিডেন্টে পা ভেঙে গেছে।”

    ছেলেটা চোখ বড়ো বড়ো করে বলল, “আহা! কী সর্বনাশ! এখন ভালো আছে তো?”

    “আমার ভাগ্নী একজন বাঘের বাচ্চা। সে ভালো থাকবে।”

    ছেলেটা আমার দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে গেল। নিশ্চয়ই বলতে চাইছিল, “আর এ বুঝি শেয়ালের বাচ্চা!”

    আমরা হাঁটতে থাকলাম, ছেলেটা বলল, “ওয়েটিং রুমে থামবেন? একটু ফ্রেশ হবেন?”

    “আমরা যথেষ্ট ফ্রেশ। জাহাজে চলে যাই। সেখানে গিয়ে ফ্রেশ হওয়া যাবে।”

    “ঠিক আছে।” বলে ছেলেটা আমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে লাগল। মামী মনে হয় আগে এখানে অনেকবার এসেছেন তাই পথ না দেখালেও কোনো সমস্যা ছিল না। একটু সামনেই নদীর ঘাট। সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেলাম, সেখানে অনেকগুলো ট্রলার। ছেলেটা লাফিয়ে একটা ট্রলারে উঠে বলল, “ম্যাডাম, এই যে এই ট্রলার।”

    শাড়ী পরা অন্য যে কোনো মহিলা হলে তাকে হাতে ধরে ট্রলারে তুলতে হতো। মামীকে কারো সাহায্য করতে হলো না। মামী আমাকেও ধরে তোলার চেষ্টা করলেন না। আমি নিজেই উঠলাম।

    মামী তার ব্যাকপেক নিচে রেখে ট্রলারের ছাদে উঠে পা দুলিয়ে বসলেন। মাঝির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “মাঝি ভাই আপনার নাম কী?”

    “মুসলিম।”

    “মুসলিম ভাই, কতক্ষণ লাগবে যেতে?”

    “ভাটায় টান দিয়েছে, আধা ঘণ্টার বেশী লাগবে না।”

    “গুড! তাহলে রওনা দিয়ে দিই।”

    “আর কেউ যাবে না?”

    “যাবে। তারা পরে আসবে। আমরা চলে যাই।”

    ছেলেটা ট্রলার থেকে নেমে গেল। নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে বলল, “ভালোয় ভালোয় ফিরে আসেন ম্যাডাম, তখন কিন্তু একদিন থাকতে হবে।”

    “থাকব। নিশ্চয়ই থাকব।”

    মামীর দেখাদেখি আমিও ব্যাকপেক নিচে রেখে মামীর পাশে বসলাম। এত সকাল তারপরেও চারপাশে কত রকম নৌকা কত রকম ট্রলার চলছে। নদীর ঘাটে কত মানুষ কত কিছু টানাটানি করছে।

    ট্রলারটা একটু ঘুরিয়ে নেওয়ার পর আমাদের মাঝি মুসলিম ভাই ট্রলারের ইঞ্জিনটা চালু করে দিল। সাথে সাথে কী বিকট ভট ভট শব্দ। এখন মনে হয় আর কথাবার্তা বলা যাবে না, বলতে চাইলে চিৎকার করে বলতে হবে। কী মুশকিল!

    মজার ব্যাপার একটু পরে এই বিকট ভট ভট শব্দেও আমার অভ্যাস হয়ে গেল, আমি পরিষ্কার শুনলাম মামী একটা নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, “নৌকাগুলো কী সুন্দর দেখেছিস?”

    আমি তখন নদীর মাঝে নৌকাগুলো দেখলাম। আমার কেন জানি ধারণা ছিল সিনেমার মাঝে যেরকম সাদা রাজহাঁসের মতো বিদেশী নৌকাগুলো দেখি, সাঁই সাঁই করে যেতে থাকে সেগুলো হচ্ছে সুন্দর। আমাদের নৌকা হচ্ছে কালো, কেমন যেন গেরাইম্যা।

    মামী বললেন, “সারা পৃথিবীর মাঝে আমরা সবচেয়ে সুন্দর আর সবচেয়ে ভালো নৌকা তৈরি করতে পারি। একসময় আমরা সারা পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো জাহাজ তৈরি করতাম। আমাদের তৈরি জাহাজে আমাদের নাবিকেরা সারা পৃথিবীতে ব্যবসা বাণিজ্য করত, আমরা ছিলাম সারা পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে উন্নত—”

    মামী থেমে গেলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তারপর?”

    “তারপর ব্রিটিশরা এসে এই দেশকে কলোনী বানিয়ে ফেলল। আমাদের যা কিছু আছে সবকিছু একটা একটা করে ধ্বংস করল। পৃথিবীতে ব্রিটিশ থেকে খারাপ কোনো জাতি নাই–” বলে মামী ব্রিটিশদের একটা খুবই খারাপ গালি দিলেন। আমি আগে কোনো মহিলাকে এরকম খারাপ গালি দিতে শুনি নাই!

    মামীর মুখটা কেমন যেন শক্ত হয়ে গেল, বললেন, “আজকাল ইউরোপ আমেরিকা বড়ো বড়ো কথা বলে, আমাদের উপদেশ দেয় অথচ তারা বড়ো হয়েছে আমাদের সম্পদ দিয়ে। চিন্তা করতে পারিস? বাংলাদেশ থেকেই কত ট্রিলিয়ন ডলার নিয়েছে জানিস?”

    মামী আমার দিকে তাকালেন, এর আগে কেউ আমার সাথে এরকম সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথাও বলে নাই। আমি কী বলব বুঝতে পারলাম না, একটু বেকুবের মতো মাথা নাড়লাম।

    মামী মুখটা আরও শক্ত করে বললেন, “চার্চিল বেটার জন্য কত লক্ষ লোক না খেয়ে মারা গেছে জানিস? একদিন না দুইদিন না টানা দুইশ বছর আমাদের অত্যাচার করেছে।”

    শুধু একজন কথা বললে আরেকজন শুনলে সেটা আলাপ হয় না, আলাপ করতে হলে দুজনকেই কথা বলতে হয়, আমি তাই বললাম, “এই দেশের মানুষ এতদিন সহ্য করল কেন?”

    মামী আমার দিকে তাকালেন, মনে হয় একটু অবাকও হলেন। আমার কাছে এই কথা মনে হয় আশা করেন নাই। বললেন, “তুই ঠিকই বলেছিস। দোষ আমাদেরও আছে, আমরা কেন এতদিন কলোনী হয়ে থাকলাম? মেরুদণ্ডে জোর ছিল না?”

    মামী চুপ করে কী যেন ভাবতে লাগলেন, আমি আর বিরক্ত করলাম না।

    ট্রলারটা প্রথমে একটা নদীর ভেতর দিয়ে গেল, তারপর মনে হলো একটা বড়ো মোহনায় এসে পড়ল, সেখানে বড়ো বড়ো ঢেউ। দূরে সমুদ্র দেখা যাচ্ছে, সেখানে ছোটো বড়ো জাহাজ নোঙর করা। তাদের কোনো একটা মনে হয় আমাদের জাহাজ। আমি বুকের ভেতর একধরনের উত্তেজনা আর আনন্দের কাঁপুনী টের পেলাম।

    মামী হঠাৎ করে আমার দিকে তাকালেন, জিজ্ঞেস করলেন, “সাঁতার জানিস?”

    আমি মাথা নাড়লাম, “জানি।”

    মামী জিজ্ঞেস করলেন, “সুইমিংপুলের লুতুপুতু সাঁতার নাকি খাল বিল পুকুরের আসল সাঁতার?”

    এই প্রথম আমার একটু গর্ব হলো, বললাম, “খাল বিল পুকুরের আসল সাঁতার।”

    গরমের সময় নানাবাড়ী গিয়ে আমি আর আপু পুকুরে অনেক সাঁতার কেটেছি। আপু কলাগাছের ভেলা বানাত। বাড়ির সামনে খালে একটা ছোটো নৌকাও ছিল সেটাও চালিয়েছি।

    মামী বললেন, “গুড। বড়ো নদী আর সমুদ্রে পানিতে পড়ে গেলে কেউ সাঁতরে নদী সমুদ্র পার হয়ে যাবে তা না। কিন্তু যারা সাঁতার জানে তারা পানিটাকে সম্মান করতে শিখে আবার ভালোবাসতে শিখে। পানির ভয়টা কেটে যায় কিন্তু উলটা পালটা রিস্ক নেয় না।”

    “আর না জানলে?”

    “পানিকে অসম্ভব ভয় পায়। আবার না বুঝে অনেক কিছু করে ফেলে। নিজে বিপদে পড়ে, অন্যদেরও বিপদে ফেলে।”

    আমি আর মামী এখন ট্রলারের ছাদে দাঁড়িয়ে চারিদিক দেখছিলাম, আমি বললাম, “মামী এই জাহাজে উঠার আগে আমার কিছু জানতে হবে?”

    “নাহ! জানার কী আছে! জাহাজের ওপর থেকে সমুদ্র দেখবি।”

    “কোনো বিপদ?”

    “বিপদ?” মামী অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালেন, তারপর হেসে ফেললেন, “হ্যাঁ, একটা বিপদ হতে পারে।”

    “কী বিপদ?”

    “সি সিকনেস। জাহাজের দুলুনীতে শরীর খারাপ হয়ে যাওয়া। মাথা ঘুরে বমি করে পুরা দশদিন কেবিনে শুয়ে থাকবি। আছে তোর মোশান সিকনেস? গাড়ীতে কোথাও গেলে শরীর খারাপ লাগে? বমি করিস?”

    “নাহ! আম্মুর মাঝে মাঝে হয়। আমার হয় না।”

    “না হলেই ভালো।”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “যদি হয়, তাহলে কী করতে হয় মামী?”

    মামী বললেন, “গুড কোশ্চেন। জেনে রাখা ভালো। এক: কাছাকাছি কিছুর দিকে না তাকিয়ে দূরে তাকাবি, দিগন্তের দিকে। দুই: শুকনো ক্র্যাকার আর কোল্ড ড্রিংকস খাবি। তিন: চোখে মুখে বাতাস লাগাবি। চার চেষ্টা করবি এটা ভুলে থাকতে। অন্য কিছুতে মনোযোগ দিবি কিন্তু বই পড়ার চেষ্টা করিস না।”

    আমি মাথা নাড়লাম, ভালো সময়েই আমি বই পড়ার চেষ্টা করি না, মাথা ঘোরানোর সময় কোন দুঃখে বই পড়ব?

    মামী তারপর মাথা ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালেন, একটু হাসি হাসি মুখে বললেন, “পাঁচ নম্বরটা আমি জানি না আসলে কাজ করে কিনা, তবে লোকে বলে এটার কথা। এটা হচ্ছে টোটকা।”

    “টোটকা?”

    “হ্যাঁ। একু প্রেশার। পি সিক্সে চাপ দিয়ে ধরে রাখবি।”

    আমি মামীর দিকে তাকালাম, অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “পি সিক্স? সেটা কী?”

    মামী দেখালেন হাতের তালুর একটু নিচে কবজির কাছাকাছি জায়গাটা। ডাক্তারেরা যেখানে হাত দিয়ে টিপে ধরে পালস দেখে।

    আমি অবাক হয়ে বললাম, “এখানে চাপ দিলে বমি বন্ধ হয়ে যায়?”

    “লোকে বলে, সত্যি মিথ্যা জানি না।”

    “এরকম কোনো জায়গা আছে যেখানে চাপ দিলে অঙ্ক করা যায়?”

    মামী হেসে আমার মাথার পেছনে একটা চাটি মারলেন। বললেন, “নিশ্চয়ই আছে! খুঁজে বের কর।”

    আমি মনে মনে সি সিকনেসের জন্য মামীর পাঁচটা পয়েন্ট মনে রাখার চেষ্টা করতে লাগলাম। জাহাজে উঠে সবার সামনে কারো ওপরে বমি করে দিয়ে বেইজ্জতি হতে চাই না।

    .

    শেষ পর্যন্ত আমাদের ট্রলারটা একটা জাহাজের কাছে এসে থামল। কী সুন্দর জাহাজ, দেখলেই টাস্কি লেগে যায়। জাহাজের পাশে লেখা এম ভি ফেনিল। নামটাও মনে হয় কবিতা থেকে নিয়েছে। জাহাজের ওপর থেকে একজন একটা মইয়ের মতো নামিয়ে দিল, এখানে পা দিয়ে উঠতে হবে। উপরে জাহাজের রেলিং ধরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে ছিল, তাদের একজন বলল, “ওয়েলকাম নীরা!”

    একজন কমবয়সী ছেলেকেও দেখলাম, কলেজে পড়ার বয়স। ছেলেটার চেহারার মাঝে কেমন জানি সাজুগুজু ভাব, এই বয়সের ছেলেদের মাঝে যেটা সবসময় দেখা যায়। সবচেয়ে আজব তার চুলের স্টাইল, কানের কাছে চুল চেঁছে রেখেছে কিন্তু উপরে জঙ্গলের মতো। আমি তাকিয়ে থাকতে থাকতেই সে কয়েকবার হাত দিয়ে তার চুলটা ঠিক করল। শুধু তাই না হাতের স্মার্টফোন দিয়ে ক্লিক করে নিজের সেলফি তুলে ফেলল। কী আজব!

    আমি আর মামী সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গেলাম।

    উপরে যারা ছিল তারা আমাদের ঘিরে দাঁড়াল, একজন বয়স্ক মানুষ বলল, “নীরা, ইউ আর লুকিং গ্রেট। এই বুঝি তোমার ভাগ্নে? তোমার ভাগ্নীর পায়ের অবস্থা কেমন?”

    তার মানে এরা আপুর খবর পেয়ে গেছে। মামী বললেন, “ভালো। আমার ভাগ্নী খুব তেজী মেয়ে, পা ভেঙে তাকে থামিয়ে রাখা যাবে না।”

    “ভেরি গুড। আর এই ভাগ্নে? সে কী রকম?”

    মামী হাসলেন, বললেন, “এবার টেস্ট হবে। দেখি কী রকম।” তারপর আমার দিকে তাকালেন, বললেন, “কী বলিস টুলু?”

    আমি কী বলব বুঝতে না পেরে বোকার মতো একটু হাসলাম। বয়স্ক ভদ্রলোক আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুমি কি সমুদ্র ভ্রমণের জন্য রেডি?”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “জি, রেডি।”

    “ভেরি গুড।” তারপর একটি মুচকি হেসে বললেন, “তোমার এই গোলাপী রঙের টুপিটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। মনে হয় দুই মাইল দূর থেকেও দেখা যাবে!”

    মানুষটা ঠাট্টা করছে কিন্তু ঠাট্টাটা খারাপ না, মজা করে বলেছে। মানুষটাকে আমার পছন্দ হলো। আমি বললাম, “আমার এই টুপিটার রং আসলে হাওয়াই মিঠাই রং।”।

    মানুষটার বুঝতে একটু দেরী হলো, হঠাৎ করে বুঝতে পারলেন তারপর হা হা করে হাসতে লাগলেন।

    মামী জিজ্ঞেস করলেন, “এবারে আমার কোন কেবিন?”

    “মনে হয় লাকী সেভেন।”

    মামী বললেন, “কেবিনে জিনিসপত্র রেখে আসি।”

    “যাও। রাত্রে ঘুমাতে পেরেছ কিনা জানি না, একটু রেস্ট নিয়ে নাও।”

    আমি মামীর পেছনে পেছনে আমাদের লাকী সেভেন কেবিনে রওনা দিলাম। হাঁটতে হাঁটতে গলা নামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “মামী, এই বুড়ো মানুষটা কে?”

    মামী অবাক হয়ে বললেন, “বুড়ো মানুষ? বুড়ো মানুষ কোথায় দেখলি?”

    “ঐ যে যার সাথে কথা বললে।”

    “উনি বুড়ো মানুষ হবেন কেন? চুল পাকা শুরু হলেই বুড়ো মানুষ হয়?”

    আমি একটু অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, “না, মানে, ঐ তো–

    “উনি আমাদের টিম লিভার। ডক্টর সারোয়ার। অনেক বড়ো সায়েন্টিস্ট।”

    মামী সাত নম্বর কেবিনের সামনে দাঁড়ালেন, নেমপ্লেটে মামীর নাম লেখা। দরজায় চাবি লাগানো, মামী চাবি ঘুরিয়ে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন। ছোটো একটা কেবিন, দুই পাশে দুটি বিছানা, দুটি জানালা, একটা বড়ো আয়না একেবারে বিদেশী কায়দা। আমি অবশ্য জীবনে বিদেশী জাহাজ দেখি নাই, সিনেমাতেও দেখি নাই, কিন্তু তবু মনে হলো এরকমই নিশ্চয় হবে।

    মামী ঘাড় থেকে তার ব্যাকপেক খুলতে খুলতে জিজ্ঞেস করলেন, “তুই কোন বেড নিবি? ডান দিকেরটা না বাম দিকেরটা?”

    দুটি একেবারেই একরকম কিন্তু মামী যেহেতু জিজ্ঞেস করেছেন তখন কিছু একটা বলা উচিত। আমি যেহেতু ডান কাত হয়ে ঘুমাই তাহলে ডান দিকের বেডটা মনে হয় ভালো হবে, ঘুমানোর সময় কেবিনের দেওয়াল দেখতে হবে না। বললাম, “ডান দিকেরটা।”

    মামী বললেন, “গুড।” তারপর তার বেডের ওপর ব্যাকপেকটা রেখে সেখান থেকে তার জিনিসপত্র বের করতে শুরু করলেন।

    মামীর দেখাদেখি আমিও আমার বেডে আমার ব্যাকপেক রাখলাম, তখন আমি টের পেলাম যে আমি মনে হয় বাম কাত হয়ে ঘুমাই। কোন দিক বাম আর কোন দিক ডান সেটা মনে থাকে না, সেটাই হচ্ছে মুশকিল।

    যাই হোক এটা বড়ো কোনো সমস্যা না। আমি চিত হয়েও ঘুমাই, উপুড় হয়েও ঘুমাই। কাজেই এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনো দরকার নাই।

    আমার জাহাজটা দেখার ইচ্ছা করছিল, তাই মামীকে জিজ্ঞেস করলাম, “মামী, আমি কি জাহাজটা ঘুরে দেখতে পারি?

    মামী বললেন, “যা।”

    “কোনোকিছু করা কি নিষেধ আছে?”

    মামী বললেন, “রেলিং থেকে লাফ দিয়ে সমুদ্রে পড়ে যাসনে তাহলেই হবে।”

    আমি হাসলাম, বললাম, “না সমুদ্র পড়ে যাব না।”

    “আর জাহাজে অনেক যন্ত্রপাতি–কারো অনুমতি না নিয়ে কোনোকিছু টিপাটিপি করিস না।”

    “করব না। আর কিছু?”

    “জাহাজে বাথরুম যেহেতু কম থাকে তাই বাথরুমে গেলে ঝটপট কাজ সেরে বের হয়ে আসবি।”

    এই কাজটা আমার জন্য কঠিন তবুও বললাম, “ঠিক আছে।”

    “নিচে ডাইনিং রুমের পাশে চা কফি কোল্ড ড্রিংকস নানা রকম স্ন্যাকের ব্যবস্থা আছে। খেতে ইচ্ছে করলে খাবি।”

    “পয়সা দিতে হবে না?”

    “না।”

    “যত ইচ্ছা খাব? ফ্রী?”

    মামী আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন, বললেন, “হ্যাঁ যত ইচ্ছা খাবি। ফ্রী।”

    ‘কী আজব।’ যত ইচ্ছা খাওয়া যায়–সব ফ্রী আমি জন্মেও এরকম জায়গার কথা শুনি নাই।

    আমি যখন বের হয়ে যাচ্ছিলাম, মামী বললেন, “তোদের বয়সী আরও কিছু বাচ্চা-কাচ্চা থাকতে পারে। খুঁজে দেখ। এবারে আমার দেখাদেখি অনেকে ছেলেমেয়ে ভাতিজা ভাগ্নী এনেছে।”

    আমি মুখে খুশী খুশী একটা ভাব করলাম, আসলে ব্যাপারটা খুশীর কিনা বুঝতে পারলাম না। আমার বয়সী ছেলেমেয়েরা সাধারণত আমাকে দুই চোখে দেখতে পারে না। আমি নিজেও আমার বয়সী অপরিচিত ছেলেমেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারি না। এসব কাজে আপু হচ্ছে এক্সপার্ট, চোখের পলকে বন্ধুত্ব করে ফেলে।

    আমি যখন বের হচ্ছি মামী বললেন, “একটা বাচ্চা মেয়ে এসেছে খবর পেয়েছি। মেয়েটা স্পেশাল।”

    “স্পেশাল?”

    “হ্যাঁ।”

    আমি অবাক হয়ে বললাম, “কী রকম স্পেশাল?”

    “তুই নিজেই দেখবি?”

    আমি দুশ্চিন্তার মাঝে পড়ে গেলাম। মেয়ে হলেই তারা স্পেশাল, ব্যবহার ভালো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সুন্দর করে কথা বলে, লেখাপড়ায় ভালো, গান জানে, কবিতা আবৃত্তি করতে পারে–আর তার ওপর যদি স্পেশাল হয় তাহলে তো বিপদ। এসেছিলাম সমুদ্রে বেড়াতে এখন যদি স্পেশাল মানুষদের পেছনে পেছনে ঘুরতে হয় তাহলে তো মুশকিল।

    আমি কেবিন থেকে বের হয়ে সামনের দিকে হাঁটতে থাকি। একটু সামনে অনেক বড়ো ডেক, সেখানে অনেকগুলো চেয়ার। দেখলেই মনে হয় গা এলিয়ে বসে থাকি, সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকি। আমি একটা চেয়ারের দিকে এগিয়ে গেলাম ঠিক তখন হঠাৎ করে লক্ষ করলাম এক পাশে একটা চেয়ারে একটা মেয়ে মোটা বই নিয়ে বসে আছে। মনে হল আমার পায়ের শব্দ শুনে মাথা তুলে আমার দিকে তাকিয়েছে। মেয়েটা আমার বয়সী কিংবা হয়ত একটু ছোটো হবে। চেহারার মাঝে একটু অবাক অবাক ভাব, মনে হয় কিছু একটা দেখে অবাক হয়ে তাকিয়েছে। হাতের মোটা বইটা দেখে বুঝতে পারলাম এই মেয়েটা নিশ্চয়ই মামীর স্পেশাল মেয়ে। যদি জানতাম এখানে বসে আছে। তাহলে সামনে না এসে পেছন থেকেই সরে যেতাম। এখন যেহেতু চোখাচোখি হয়ে গেছে আমার গিয়ে একটু ভদ্রতার কথা বলতে হবে। কী যন্ত্রণা!

    আমি আমার মুখে আমার স্পেশাল বেকুবী হাসিটা দেওয়ার চেষ্টা করে এগিয়ে গেলাম, বললাম, “ও আচ্ছা তুমি? হা ইয়ে মানে আমি আমার মামীর সাথে হা তুমি মানে ইয়ে—”

    আমি তখন থেমে গেলাম। যদি কথা বলার চেষ্টা করি তাহলে নিজেকে আরও গাধা প্রমাণ করব তার থেকে বোকা বোকা চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকাই ভালো।

    মেয়েটা কোনো কথা বলল না। তারপর খুবই অদ্ভুত একটা কাজ করল। হাত দিয়ে তার কান দেখাল তারপর মুখে হাত দিল তারপর হাত নেড়ে বোঝাল এগুলো নাই–আমার বুঝতে একটুও সমস্যা হলো না যে মেয়েটা বলছে সে কানে শুনতে পায় না আর কথা বলতে পারে না।

    আমি মুখ হা করে দাঁড়িয়ে রইলাম। যে ছেলেমেয়ে কানে শুনে আর মুখে কথা বলতে পারে, আমি তাদের সাথেই সুবিধা করতে পারি না, এই মেয়ের সাথে আমি কী করব? আমি কি হাত নেড়ে কিছু বলব? হাত নেড়ে কীভাবে কথা বলে? আমি কীভাবে জিজ্ঞেস করব তোমার নাম কী? কোন ক্লাসে পড়ো।

    মেয়েটা কিছুক্ষণ চোখে মুখে একটা প্রশ্ন নিয়ে তাকিয়ে রইল। তারপর তার বুকে আটকে রাখা একটা ছোটো নোট বই আর কলম বের করল। তারপর নোট বইয়ের ছোটো পৃষ্ঠাতে কুট কুট করে খুব তাড়াতাড়ি কী যেন লিখে ফেলে আমার দিকে নোট বইটা এগিয়ে দিল।

    আমি দেখলাম নোট বইয়ে লেখা, ‘আমার নাম মিতি। আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি।’

    আমি অবাক হয়ে তাকালাম, যে প্রশ্নটা করার কথা চিন্তা করছিলাম ঠিক সেই প্রশ্নটার উত্তর লিখে দিয়েছে, প্রশ্ন করার আগেই। এখন আমার নিশ্চয়ই এই নোট বইয়ে আমার নাম লেখা উচিত। কোন ক্লাসে পড়ি সেটাও লেখা উচিত। কিন্তু এই ছোটো নোট বইয়ে মানুষ লিখে কেমন করে? মেয়েটার হাতের লেখা কী সুন্দর, এটাকেই নিশ্চয়ই মুক্তার মতো হাতের লেখা বলে। আমার হাতের লেখা এত জঘন্য যে আমার তো কিছু লিখতেই লজ্জা করবে। লিখলেও বানান ভুল করে ফেলব। কী বিপদ। তাই আমি কিছু লেখার চেষ্টা না করে নোট বইটা ফেরত দিয়ে আমার স্পেশাল বেকুবী হাসিটা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। তারপর কী করব বুঝতে না পেরে মাথা নেড়ে সেখান থেকে সরে হেঁটে হেঁটে চলে গেলাম। যাওয়ার সময় দেখলাম মেয়েটা আবার তার মোটা বইটা পড়তে শুরু করেছে।

    সামনে একটা সিঁড়ি পেয়ে তাড়াতাড়ি সেটা দিয়ে নেমে গেলাম। এখান থেকে যত তাড়াতাড়ি সরে যাওয়া যায় ততই ভালো।

    নিচের তলায় একটু হাঁটাহাঁটি করে আমি শেষ পর্যন্ত ডাইনিং রুমটা পেয়ে গেলাম। এক পাশে নীরা মামীর সেই বিখ্যাত ফ্রী স্ন্যাক। আমি অবাক হয়ে দেখলাম সব রকম খাবার আছে। সকালে নাস্তা করা হয়নি, কিছু নাস্তা করা দরকার। কিন্তু সেটা মামীর সাথে এসে করা যাবে আপাতত কিছু একটা নিয়ে যাই। আমি একটা চিপসের প্যাকেট নিয়ে সেটা খুলে ভেতর থেকে একটা চিপস বের করে মুখে দিয়েছি তখন শুনলাম কে যেন পেছন থেকে বলল, “এই ছ্যামড়া!”

    আমি চমকে পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম একটু আগে দেখা সেই ছেলেটা যার মাথার দুই পাশে চুল ছোটো ছোটো করে রাখা এবং ওপরে জঙ্গলের মতো চুল! যে একটা শার্ট পরেছে যেটার বুকের দুই তিনটা বোতাম খোলা।

    আমি বুঝে গেলাম এই চিড়িয়া হচ্ছে মূর্তিমান অভিশাপ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটি-রেক্সের সন্ধানে – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আহা টুনটুনি উহু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }