Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প156 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুল ছুটি

    বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুল ছুটি হয়ে গেলে আমি রাশেদকে বললাম, আমাদের পাড়ায় যাবি?

    কি আছে তোদের পাড়ায়?

    আমরা আছি।

    আমরা কারা?

    আমি, ফজলু, দীলিপি। আশরাফও আছে।

    ফজলু মনে করিয়ে দিল, কাদেরও আছে।

    আমি হি হি কবে হেসে বললাম, কাদের আর কোন দিন তোর ধারে-কাছে আসবে না!

    রাশেদ মাথা নেড়ে বলল, তা ঠিক।

    আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, যাবি আমাদের সাথে?

    তোরা কি করিস?

    খেলি।

    কি খেলিস?

    ডাকাতি ডাকাতি খেলি। একটা কারখানা আছে, সেটাতেও খেলি।।

    কারখানা? কিসের কারখানা?

    আমি গম্ভীর হয়ে বললাম, এখনো ঠিক করি নাই গাড়ির কারখানা না হয় ওষুধের কারখানা। এখন অবিশ্যি খালি বিস্কুটের।

    রাশেদ চোখ বড় বড় করে বলল, তোরা বিস্ত্ৰকূট বানাতে পারিস? কি দিয়ে বানাস? মিছিমিছ বিস্ত্ৰকূট?

    না না, সত্যি বিস্কুট।।

    দিলীপ ঠোঁট উল্টিয়ে বলল, বিস্ত্ৰকূট না কচু! আটার মাঝে চিনি মিশিয়ে চুলার মাঝে গরম করলেই যেন বিস্কৃঢ় হয়।

    আমি বললাম, একবারেই সব হবে নাকি? আস্তে আস্তে হবে।

    দিলীপ আবার মুখ বাকী করে বলল, মিষ্টি রুটির মত খেতে, হ্যাক থুঃ!

    ফজলু একাই সবগুলি বিস্ত্ৰকূট খেয়ে ফেলেছিল, দিলীপের কথা শুনে গরম হয়ে বলল, হ্যাক থুঃ মানে? খেয়ে দেখেছিস?

    রুটির মত নরমা লুতা লুতা। ময়লা কাল—

    আমি বাধা দিয়ে বললাম, খাবার সোড়া দিতে হবে পরের বার। খাবার সোডা দিলে মুচমুচে হয়।

    ফজলু বলল, আটা না দিয়ে ময়দা দিতে হবে। তাহলে দেখতে ভাল হবে।

    দিলীপ তখনো মুখ কুঁচকে রেখেছে, মাথা ঝাকিয়ে বলল, কেরোসিনের গন্ধ —

    ফজলু মহা বিরক্ত হয়ে বলল, তুই চুপ কর দেখি। সব কাজে শুধু সমালোচনা।

    দিলীপের এত সমালোচনার পরও রাশেদকে বিস্কুটের কারখানায় খুব উৎসাহী দেখা গেল। বলল, ভাল করে যদি সত্যি সত্যি বিস্ত্ৰকূট বানাতে পারিস অনেক কাজ দেবে। তাই না?

    কি কাজ দেবে?

    দেশের সব গরিব বাচ্চাদের সকালে নাস্তা খাওয়ানোর জন্যে দেয়া যাবে।

    আমাদের তখন মনে পড়ল, রাশেদ রাজনৈতিক মানুষ। সে সব সময়ই দেশের সব মানুষের কথা ভাবে। আমরাও গম্ভীর হয়ে মাথা নাড়লাম, তা ঠিক।

    ফজলু পর্যন্ত বাড়াবাড়ি রকমের গম্ভীর হয়ে বলল, তাহলে আগে ওষুধের কারখানা তৈরি করতে হবে। দেশের মানুষের দরকার ওষুধ। বিস্কট না খেলে কি হয়? কিন্তু অসুখ হলে ওষুধ খেতেই হয়।

    দিলীপ আবার ঠোঁট উল্টে বলল, তোরা ওষুধ বানাবি? তোরা?

    কেন, অসুবিধা কি?

    কিসের ওষুধ?

    জ্বর, সর্দি আর কাশি। সাথে মাথাব্যথা।

    ফজলু যোগ করল, এবং পেটের অসুখ।

    কেমন করে বানাবি?

    আমি গম্ভীর হয়ে বললাম, কেন, শফিক ভাইকে জিজ্ঞেস করব। শফিক ভাই বলে দেবে।

    দিলীপ চুপ করে গেল। শফিক ভাই পারেন না। এমন কোন কাজ নেই। চুপ না করে উপায় কি? শফিক ভাই আমাদের পাড়ায় থাকেন। কলেজে পড়েন, আই. এস. সি, না যেন বি. এস. সি ঠিক মনে থাকে না। যখনই আমাদের কিছু দরকার হয় আমরা শফিক ভাইয়ের কাছে যাই। শফিক ভাই সব কিছুর একটা ব্যবস্থা করে দেন। আমাদের পাড়ায় আমরা যখন নাটক করলাম, শফিক ভাই আমাদের মুখোশ তৈরি করে দিয়েছিলেন (ইশঃ সে যে কি দারুণ একটা নাটক হয়েছিল!)। যখন আমরা সাকাসের দল খুলেছিলাম তখন শফিক ভাই আমাদের বিড়ালটাকে রং করে বাঘ তৈরি করে দিয়েছিলেন (একেবারে খাটি বাঘ, শুধু যদি মিয়াও করে না ডাকত!)। আমরা যখন ল্যাবরেটরী তৈরি করেছিলাম তখন শফিক ভাই লিটমাস পেপার আর চুম্বক এনে দিয়েছিলেন (কত যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমরা করেছিলাম!)।

    দিলীপ বলল, চল যাই শফিক ভাইয়ের কাছে।

    চল।

    আমার হেঁটে হেঁটে শফিক ভাইয়ের বাসার দিকে রওনা দিলাম।

     

    শফিক ভাই তাদের বাসার দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে অরু আপার সাথে গলপি করছিলেন। অরু আপা এখানকার মেয়েদের কলেজে পড়েন, আই এ, না কি বি. এ. আমার মনে থাকে না। অরু, আপা শফিক ভাইদের পাশের বাসায় থাকেন। আগেও দেখেছি দুজনে খুব গল্প করতে পছন্দ করেন। আমাদের দেখে অরু অপি চোখ বড় বড় করে বললেন, ও মা! আমাদের হারু পার্টি দেখি এখানে।

    আমরা না শোনার ভান করে হেঁটে গেলাম। গতবার আমরা যখন ফুটবলের টিম খুলেছিলাম, অরু আপা রাত জেগে আমাদের টিমের জন্যে জার্সি তৈরি করে দিয়েছিলেন। সব জায়গায় গোল খেয়ে আমাদের হারু পার্টি নাম হয়ে গিয়েছিল বলে আজকাল আর ফুটবল খেলি না। অরু আপা আমাদের দেখলেই সেটা মনে করিয়ে দেন। আবার ডাকলেন পিছন থেকে, গোল খাওয়ায় ওয়ালৰ্ড রেকর্ড হতে আর কত দেরি?

    আমি গম্ভীর হয়ে বললাম, ইয়ারকি মেরো না। অরু, আপা।

    ইয়ারকি মারলাম। কখন? এত কষ্ট করে জার্সি তৈরি করে দিলাম, সেটা পরে খেলতে গিয়ে শুধু গোল খেয়ে এসেছিস। কোনদিন কি একটা গোল দিয়েছিস কোথাও? দিয়েছিস?

    শফিক ভাই আমাদের বাচালেন, বললেন, কেন জ্বালােচ্ছ ওদের অরু? গোল দেয় নাই তো দেবে, পরের খেলায় দেবে। অন্য টিম যদি এত ফাউল করে খেলে এদের দোষ কি?

    আমরা জোরে জোরে মাথা নাড়লাম। শফিক ভাই আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, কি খবর তোমাদের? কই যাও?

    আপনার কাছে এসেছিলাম।

    ফজলু যোগ করল, একটা বিশেষ কাজে।

    দিলীপ অরু, আপার দিকে আড়াচোখে তাকিয়ে বলল, একটা বিশেষ গোপন কাজে।

    অরু, আপা চোখ পাকিয়ে বললেন, তার মানে তোরা আমার সামনে কলবি না?

    আমরা মাথা নাড়লাম, না।

    শফিক ভাই বললেন, আস তাহলে আমার ঘরে।

    আমরা শফিক ভাইয়ের পিছু পিছু তাদের বাসায় যাচ্ছিলাম। অরু আপা পিছন থেকে বললেন, এর পরের বার যদি হারু পার্টির জার্সির জন্যে আমার কাছে আসিস, মাথা ভেঙে দেব।

    কাজটা ভাল হল না। কিন্তু কি আর করা যাবে!

     

    শফিক ভাই তার চাচার বাসায় থাকেন। ঠিক আপনি চাচা নয়, দূর সম্পর্কের চাচা। বাসার বাইরের দিকে একটা ছোট ঘর শফিক ভাই ঠিকঠাক করে নিয়েছেন। আমরা তার ঘরে গিয়ে দেশের উন্নতির জন্যে একটা ওষুধের কারখানা খোলার কথাটা খুলে বললাম। শফিক ভাই খুব গম্ভীর হয়ে শুনলেন। আমি বাজি ধরে বলতে পারি অরু আপা থাকলে এতক্ষণে এটা নিয়ে হাসি—তামাশা করে একটা কাণ্ড করতেন।

    ফজলু বলল, শফিক ভাই ওষুধ কেমন করে বানাতে হয় আপনাকে বলে দিতে হবে।

    একশ বার। শফিক ভাই মাথা নেড়ে বললেন, কিন্তু আমি তো আগে কখনো ওষুধ তৈরি করিনি। আগে কিছু বইপত্র নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে।

    তাহলে করেন।

    করব। করে যখন বের করব তখন তোমাদের বলব। কি রকম ওষুধ বানাতে চাও? হোমিওপ্যাথিক না এলোপ্যাথিক?

    আমি মাথা চুলকালাম, কোনটা ভাল?

    ফজলু বলল, হোমিওপ্যাথিকটা খেতে ভাল।

    দিলীপ বলল, কিন্তু এলোপ্যাথিক বেশি কাজের।

    তাহলে এলোপ্যাথিকই হোক।

    শফিক ভাই জিজ্ঞেস করলেন, টেবলেট না ক্যাপসুল?

    আমরা একে অন্যের মুখের দিকে তাকালাম। দিলীপ জিজ্ঞেস করল, কোনটা সোজা?

    মনে হয় টেবলেট।

    তাহলে টেবলেট দিয়েই শুরু করি।

    ঠিক আছে।

    শফিক ভাইয়ের সাথে খুটিনাটি জিনিস নিয়ে আরো খানিকক্ষণ কথা বলে আমরা যখন চলে আসছিলাম, হঠাৎ শফিক ভাই বললেন, দেশের অবস্থা খুব খারাপ সেটা জান?

    আমরা কিছু বলার আগেই রাশেদ বলল, জানি।

    কি জান?

    ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দিয়েছে। পশ্চিম পাকিস্তান বাঙালীদের ক্ষমতায় যেতে দেবে না।

    শফিক ভাই একটু অবাক হয়ে রাশেদের দিকে তাকালেন, আমরাও তোকালাম। রাশেদ একেবারে বড় মানুষের মত কথা বলছে। শফিক ভাই বললেন, তুমি কেমন করে জানি বাঙালীদের ক্ষমতায় যেতে দেবে না?

    পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের শোষণ করে বেঁচে থাকে। আমরা ক্ষমতায় গেলে আর শোষণ করতে পারবে না।

    শফিক ভাই এবারে মনে হল আরো অবাক হলেন। বললেন, তোমাকে তো আগে দেখিনি।

    আমি বললাম, নতুন এসেছে আমাদের ক্লাসে।

    কি নাম তোমার?

    রাশেদ হাসান।

    আমি বললাম, তার আগের নাম ছিল লাড্ডু।

    লাড্ডু।

    রাশেদ একটু হেসে বলল, এখন আমার নাম রাশেদ।

    রাশেদ, তুমি তো কেশ খবরাখবর রাখ দেখি।

    আমি বললাম, হ্যাঁ, রাশেদ সব সময় তার বাবার সাথে রাজনৈতিক আলোচনা করে।

    শফিক ভাই আবার জিজ্ঞেস করলেন, শেখ মুজিবকে যদি ক্ষমতা না দেয় তাহলে কি হবে বলে তোমার মনে হয়?

    ফজলু হি হি করে হেসে বলল, গৃহযুদ্ধ আবার কি? ঘরের মাঝে যুদ্ধ? বাবার সাথে মায়ের?

    দূর বোকা— শফিক ভাই বললেন, একটা দেশের নিজেদের ভিতরে যখন যুদ্ধ হয় তাকে বলে গৃহযুদ্ধ। পূর্ব পাকিস্তান যদি পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে সেটা হবে গৃহযুদ্ধ।

    দিলীপ ভয়ে ভয়ে বলল, সত্যি হবে গৃহযুদ্ধ?

    শফিক ভাই আস্তে আস্তে বললেন, আমার মনে হয় হবে। আমার মনে হয়, পশ্চিম পাকিস্তান কখনো শেখ মুজিবকে ক্ষমতা দেবে না— যদিও শেখ মুজিব বেশি সিটি পেয়েছেন তবু তাকে ক্ষমতা দেবে না— কারণ তাহলে আর ক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না। কিন্তু বাঙালীরা আর কখনো সেটা চুপ করে মেনে নেবে না। কিছুতেই নেবে। না।

    কি করবে?

    আন্দোলন করবে। আসলে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। অসহযোগ আন্দোলন। দোয়া করা যেন আন্দোলনে কাজ হয়। যেন এমনিতেই ক্ষমতা দিয়ে দেয়।

    রাশেদ মাথা নাড়ল, বলল, দেবে না। কিছুতেই দেবে না।

    আমরা শফিক ভাইয়ের ঘর থেকে বের হয়ে এলাম খুব গম্ভীর হয়ে। দেশের সামনে এত বড় একটা বিপদ, তার মাঝে তো আর হাসােহাসি করতে পারি না। আমরা হেঁটে হেঁটে আমাদের বাসার কাছে চলে এলাম। বাসার সামনে দেয়ালে চুন বালি খসে পড়েছে। দেয়ালের ফোকড়ে পা দিয়ে উপরে উঠে পা বুলিয়ে বসে থাকলাম গম্ভীর হয়ে। বসে বসে আমরা দেশের কথা ভাবছিলাম, তখন দেখি আশরাফ তার ক্রিকেট বল আর ব্যাট নিয়ে এসেছে। আশে-পাশের বাসা থেকে আরো ছেলেপিলেরা বের হয়ে এল। আমরা তখন মাঠে ক্রিকেট খেলতে শুরু করলাম, দেশের বিপদের কথা ভুলে গেলাম একটু পরেই।

    বিকেল পড়ে এলে রাশেদ বলল সে এখন যাবে। ক্রিকেট খেলায় রাশেদ একেবারে যাচ্ছেতাই। না পাৱে বোলিং, না পারে ব্যাটিং। শুধু তাই না, ফিল্ডিংয়ের সময়ও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি ভাবে সেই জানে, হাতের কাছ দিয়ে বল গড়িয়ে যায়, ধরতে মনে থাকে না।

    আমি রাশেদকে জিজ্ঞেস করলাম, তোর বাসা কোথায়?

    অনেক দূর। ব্রীজের কাছে।

    তাহলে চলে যা। বাসায় যেতে যেতে অন্ধকার হয়ে যাবে।

    বাসায় যেতে দেরি আছে আমার।

    কোথায় যাবি?

    মশাল মিছিল আছে রাত্ৰিবোলা।

    তুই মশাল মিছিলে যাবি?

    হ্যাঁ। ছোট বলে হাতে মশাল দিতে চায় না। আগে গিয়ে অনেক সাধাসাধি করতে হবে।

    ফজলু চোখ ছোট ছোট করে বলল, ইশ! আমি যদি তোর সাথে যেতে পারতাম!

    রাশেদ বলল, চল যদি যেতে চাস।

    ফজলু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। দিলীপ বলল, ফজলু যাবে মশাল মিছিলে? তাহলেই হয়েছে! কাকা তোকে পিটিয়ে লম্বা করে দেবে না?

    ফজলু বিষগ্ন মুখে মাথা নাড়ল। আশরাফ গম্ভীর গলায় বলল, বড় না হওয়া পর্যন্ত মিছিলে যোগ দেয়া ঠিক না। রাজনৈতিক দল ভুলপথে নিয়ে যাবে।

    রাশেদ আবার বড় মানুষের মত বলল, পথে তো নামতে হবে। আগে, না হলে জানবি কেমন করে কোনটা ভুলপথ কোনটা ঠিক পথ?

     

    রাশেদ যাবার আগে তার স্কুলের বই-খাতা আমাকে দিয়ে গেল কালকে স্কুলে নিয়ে যাবার জন্যে। আশরাফ তার ব্যাট আর বল নিয়ে বাসায় গেল, দিলীপ আর ফজলুও চলে গেল তাদের বাসায়, অন্যেরা আগেই চলে গিয়েছে। আমি খানিকক্ষণ একা একা মাঠে বসে থেকে বাসার দিকে রওনা দিলাম। শফিক ভাইয়ের ঘর অন্ধকার, তার মানে বাসায় নেই। কে জানে রাশেদের মত মশাল মিছিলে গিয়েছে কি না। অরু, আপাদের বাসায় দেখি বারান্দায় অরু, আপা আর তার আম্মা দাঁড়িয়ে গল্প করছেন। আমাকে দেখে অরু আপা গলা উচিয়ে বললেন, এই ইবু, এখন বই-খাতা নিয়ে কোথায় যাস?

    আমার বই-খাতা না।

    কারা?

    রাশেদের। মশাল মিছিলে গেল, তাই আমাকে দিয়েছে।

    এইটুকুন পিচ্চি মশাল মিছিলে গেল? হ্যাঁ, বলে কি?

    হ্যাঁ।

    বাসায় গেলে তার বাবা বানাবে না?

    না। রাশেদ আর তার বাবা খুব বন্ধু!

    মজা তো দেখি! এরকম বাধা হলে খারাপ হয় না, কি বলিস?

    রাশেদ বলেছে, তার বাবা নাকি একটু পাগল কিসিমের।

    একটু কি বলছিস? মনে তো হয় পুরোটাই, না হলে এইটুকু পিচ্চিকে রাত্রিবেলা মশাল মিছিলে পাঠায়?

    আমি চলে যাচ্ছিলাম, অরু আপা আবার ডাকলেন, এই ইবু, আয়, লজেন্স খাবি?

    লজেন্সের কথা শুনে আমি একটু নরম হয়ে গেলাম। অরু আপা মানুষটা খারাপ না। কিন্তু মাথায় মনে হয় একটু ছিট আছে। আমি বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতেই আমার হাতে কয়েকটা লজেন্স ধরিয়ে দিয়ে বললেন, খেয়ে দ্যাখ, অনেক মজা।

    অরু আপার আম্মা বললেন, তোমার আম্মা ভাল আছেন, ইবু?

    জ্বী খালাম্মা।

    আসতে বল একদিন। আমি ঘর থেকে বের হবার সময় পাই না।

    বলব খালাম্মা।

    অরু আপা বললেন, এই ইবু তোকে একটা জিনিস জিজ্ঞেস করি, ঠিক জবাব দিবি?

    আমি ঘামতে শুরু করলাম, এই বুঝি আবার অরু আপার পাগলামি শুরু হল। ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কি?

    আমাকে তোর পছন্দ হয়?

    আমি ঢোক গিলে বললাম, হয়।

    আমাকে বিয়ে করবি?

    যাও। খালি ঠাট্টা।

    ঠাট্টা কখন করলাম, সত্যি সত্যি জিজ্ঞেস করছি। কারবি? আমি তোর জন্যে ভাত রান্না করে দেব। তুই যখন বুড়ো হবি তোর মাথা থেকে পাকা চুল তুলে দেব। করবি?

    যাও!

    অরু আপার আম্মা বললেন, কেন জ্বালাচ্ছিস ছেলেটাকে?

    কে বলল জ্বালাচ্ছি! তোমার জামাই, মা দেখা পছন্দ হয় কি না। তুমি মাছের মাথা

    রান্না করে খাওয়াবে। ইবু, তুই মাছের মাথা খাস তো?

    যাও অরু আপা, তোমার খালি ঠাট্টা।

    দেখিম, আমি তোৰ অনেক যত্ন করব। প্রত্যেকদিন লজেন্দ নিয়ে আসব। করবি বিয়ে?

    অরু আপার আম্মা হাসি চেপে বললেন, কেন জ্বালাচ্ছিস ইবুকে! ছেড়ে দে, এখন সন্ধে হয়ে যাচ্ছে।

    খালাম্মা ভিতরে চলে যাবার পর অরু, আপা মনে হল আরো মজা পেয়ে গেলেন। আমার মুখের কাছে মাথা নামিয়ে বললেন, দেখ না— আমার দিকে তাকিয়ে দ্যাখ। আমার চেহারা কি খারাপ?

    খারাপ কেন হবে?

    তাহলে রাজি হচ্ছিস না কেন?

    তুমি আমাকে বিয়ে করবে না। কচু!

    কেন করব না?

    তুমি কত বড় আমি কত ছোট! তাছাড়া–

    তাছাড়া কি?

    তাছাড়া তুমি কাকে বিয়ে করবে সেটা আমি জানি।

    কাকে?

    শফিক ভাইকে।

    অরু আপা চমকে উঠে এদিকে সেদিকে তাকালেন তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে বললেন, কাউকে যদি বলেছিস একেবারে মাথা ভেঙে ফেলব।

    ঠিক আছে বলব না। কিন্তু ঠিক বলেছি কি না?

    চুপ! চুপ দুষ্ট পাজী ছেলে।

    আমি দাঁত বের করে হাসলাম। এতদিনে অরু, আপাকে শায়েস্তা করার মত একটা জিনিস পাওয়া গেছে।

    রাত্রিবেলা আমাদের বাসার খুব কাছে দিয়ে মশাল মিছিল গেল। হাজার হাজার মানুষ, মশাল হাতে তাদের কেমন জানি রহস্যময় দেখায়। আমি রাশেদকে অনেক খুঁজলাম। কিন্তু পেলাম না, এত ভিড়ের মাঝে পাওয়ার কথাও না।

    মিছিলটি চলে যাবার পরও শ্লোগানগুলি আমার কানো বাজতে লাগল। অনেকগুলি শ্লোগান দিয়েছে, তার মাঝে একটা খুব সুন্দর ছিল, ‘আমার দেশ তোমার দেশংলাদেশ বাংলাদেশ!’ খারাপ হয় না ব্যাপারটা। পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যদি আমাদের দেশটার নাম বাংলাদেশ হয়ে যায়! কি সুন্দর নাম, বাংলাদেশ! একেবারে নিজের একটা দেশ।

    রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখলাম, বাংলাদেশ হয়ে গেছে, আর আমরা সবাই আনন্দে চিৎকার করতে করতে যাচ্ছি।— চিৎকার করতে করতে যাচ্ছি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আরো টুনটুনি ও আরো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }