Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শিলাইদহের অতিথিরা

    শিলাইদহে প্রায়ই মেহমান আসতেন। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, যিনি ডিএল রায় হিসেবে অধিক পরিচিত, কুষ্টিয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। অবসর পেলেই তিনি আমাদের এখানে আসতেন। একবারের কথা মনে পড়ে। অনেকেই হয়ত জানেন না যে কবি ও নাট্যকার ডিএল রায় জীবন শুরু করেছিলেন প্রশিক্ষিত কৃষিবিদ হিসেবে। সরকার একবার আগ্রহভরে চারজন ছাত্রকে বৃত্তি দিয়ে ইংল্যান্ডের সিরেনস্টার কলেজে কৃষিবিজ্ঞান পড়তে পাঠায়। চারজনের একজন ছিলেন ডিএল রায়। তাঁরা যখন পড়াশুনা শেষ করে ফিরে আসলেন, কৃষি বিভাগ তখনও গড়ে ওঠেনি। ফলে সরকার বুঝতে পারছিল না তাঁদেরকে কোথায় কাজে লাগানো যায়। অবশেষে তাঁদেরকে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। শিলাইদহে আসতে শুরু করার আগেই তাঁর কয়েক বছর ডেপুটিগিরি করা হয়ে গেছে। ততদিনে প্রশাসনিক কাজকর্মের ভারে তাঁর কৃষি বিষয়ক জ্ঞানের ওপর ধুলো জমেছে। কিন্তু তিনি যখন দেখলেন যে বাবা বিশাল এক বাগান তৈরি করছেন তখন তাঁর পুরনো জ্ঞান মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। তিনি জমির এক অংশে গোলআলুর চাষ করতে বললেন। বাংলার লোকেরা তখনও গোলআলুর কথা প্রায় জানতই না। বাবা এজন্য একটি জমি তৈরি করলেন এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানতে চাইলেন। কেবল যে পরামর্শই পাওয়া গেল তা নয়, সঙ্গে আনুর বীজও এল। চাষি ছিল খুব অভিজ্ঞ। সে শুরু থেকেই বলল যে এ পরামর্শে কাজ হবে না। কিন্তু বিশেষজ্ঞের মতামত পেলে কে আর গ্রাম্য চাষির কথা শোনে! ডিএল রায়ের পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে বাবা অতি যত্নে আলুর চাষ করলেন। শেষ পর্যন্ত চাষির কথাই ঠিক হল। ফসল উঠলে দেখা গেল, যে পরিমাণ বীজ লাগানো হয়েছিল ফলনও হয়েছে ওটুকুনই! এর পর থেকে বাবা আর কখনোই তাঁর নিকট থেকে কৃষি বিষয়ক পরামর্শ নিতেন না।

    জগদীশচন্দ্র বসুও নিয়মিত আসতেন। বিশেষ করে শীতকালে। সে সময় আমরা বাড়ি ছেড়ে দিয়ে পদ্মার বুকে হাউজবোটে বাস করতে চলে যেতাম। শুকনো মৌসুমে পদ্মা শুকিয়ে সরু হয়ে যায়, মাইলের পর মাইল চর পড়ে। বালি ছিল পরিষ্কার, চোখ ধাঁধিয়ে যাবার মত সাদা। ঢেউ খেলানো বালিয়াড়িতে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ সামনে পড়ত কাচের মত স্বচ্ছ পানির হ্রদ বা আঁকাবাঁকা শাখানদী ভর্তি হাজারো হাঁসের জলকেলি। আর ছিল ছোট ছোট কাশবন, যেখানে শেয়াল আর শূকর আস্তানা গাড়ত। নির্জন দেখে একটি বালুর চর ঠিক করা হতো। সেখানে নৌকার বহর নিয়ে আমরা হাজির হতাম। হাউজবোট, দেশি নৌকা, সবুজ নৌকা, সব ধরনের নৌযান ব্যবহার করা হতো আমাদের পরিবার, চাকর-বাকর আর বেশ কিছুদিন থাকার মত মালামাল ঐ চরে বয়ে নিয়ে যেতে। নদীর তীরে চাকর-বাকরদের জন্য সার ধরে বাঁশের কুঁড়ে বানানো হতো! আমাদের ভালো লাগত গোসলখানা। সেটা এমনভাবে তৈরি করা হতো যেন হঠাৎ গিয়ে নদীর মধ্যে পড়েছে। শীতের কয়েক মাস আমরা এখানেই ক্যাম্প করে থাকতাম। গরমের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি আর কালবোশেখির মৌসুম শুরু হলে পুনরায় শিলাইদহের বাটিতে ফিরে আসতাম।

    জগদীশচন্দ্র বসু আমাদের সঙ্গে নদীতে সপ্তাহান্তের ছুটি কাটাতে ভালোবাসতেন। তিনি পৃথিবীর অনেক দেশ ঘুরেছেন। তিনি বলতেন যে পদ্মার চরের সঙ্গে আর কোনো স্বাস্থ্যনিবাস বা আনন্দনিবাসের তুলনা হয় না। কচ্ছপের পায়ের ছাপ ধরে ধরে কীভাবে লুকানো ডিম বের করতে হয় তা তিনি আমাকে শিখিয়েছিলেন। কচ্ছপ ডিম পেড়ে অনেক চেষ্টাচরিত্র করে বালি দিয়ে ঢেকে রাখে। তারা এটা করে শেয়ালের হাত থেকে ডিমগুলোকে বাঁচাতে। কিন্তু এ অসহায় প্রাণীগুলো পায়ের ছাপ লুকাতে পারে না। বালিতে স্পষ্ট তাদের পায়ের চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। রেলপথের মত সমান্তরাল লাইনে চলতে থাকা পায়ের ছাপ ধরে ধরে তাদের ডিমের হদিস বের করা ছিল আনন্দের অভিজ্ঞতা। কখনও এমন হতো যে একটি কাছিমের পথের উপর দিয়ে অন্য কোনো কাছিম হেঁটে গিয়েছে। তখন প্রকৃত পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হতো। কঠিন বলেই মজাও হতো বেশি। জগদীশ বসু নাস্তায় কচ্ছপের ডিম খেতেন। আমি তার জন্য প্রতিদিন এক ব্যাগ ভর্তি ডিম কুড়িয়ে নিয়ে আসতাম। তিনি আরও খুশি হতেন জ্যান্ত কচ্ছপ ধরে আনতে পারলে। কচ্ছপের নরম মাংস তাঁর খুবই প্রিয় ছিল। কচ্ছপ ধরাও সহজ। কেবল উল্টে দিলেই হল। তখন আর এরা নড়তে চড়তে পারে না। জগদীশচন্দ্র বসুর আরও একটি শখ ছিল। তিনি আমাদেরকে দিয়ে বালিতে গর্ত খোঁড়াতেন। তারপর মাথায় ভেজা তোয়ালে জড়িয়ে তিনিসহ আমরা সেসকল গর্তে শুয়ে থাকতাম। রোদে যখন চামড়া পুড়ে যায় যায়, তখন সকলে নদীর ঠান্ডা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়তাম।

    জগদীশচন্দ্রের ঝুলি মজার মজার গল্পে ভরা ছিল। তিনি বহু দেশ ঘুরেছেন, বহু লোকের সঙ্গে মিশেছেন। তাদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চমকদার গল্প করতে পারতেন। তাঁর রসবোধ যেমন চমৎকার ছিল, তেমনি ছিল খুব তুচ্ছ জিনিসকেও রসালো করে বর্ণনার ক্ষমতা। ফলে লম্বা সময় ধরে তাঁর কথা শুনেও শ্রোতাদের ক্লান্তি আসত না। তিনি হাসাতে যেমন পারতেন, তেমনি হাসতেও পারতেন। ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় হাসতে পারাটাও একটা গুণ, যা খুব বেশি লোকের নেই। তিনি চলে গেলে আমার খারাপ লাগত। মনে জেগে উঠত তাঁর মতই বড় মাপের বৈজ্ঞানিক হবার বাসনা।

    জগদীশচন্দ্র তখন জীব ও জড়ের ওপর বিভিন্ন ধরনের উদ্দীপকের প্রভাব নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। তিনি মনে করতেন তাঁর আবিষ্কারের ফলে জীবনের প্রকৃতি নিয়ে সমসাময়িক বিজ্ঞানীদের ধারণাই পাল্টে যাবে। এ বিষয়ে সিস্টার নিবেদিতা তাঁকে খুব উৎসাহ দিতেন। বাবারও বেশ আগ্রহ ছিল। জগদীশচন্দ্র যখন বুঝতে পারলেন যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ যোগাড় হয়েছে তখন তাঁর গবেষণা সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জানাতে ও পরীক্ষা করে দেখাতে ইংল্যান্ড যেতে মনস্থ করলেন। বাবা ত্রিপুরার মহারাজাকে অনুরোধ করলেন খরচ বহন করতে। মহারাজা কেবল যাতায়াত খরচই দিলেন না, উপরন্তু তাঁর গবেষণাগারের জন্য যন্ত্রপাতি কেনার টাকাও দিলেন।

    একজন বিজ্ঞানী আর অন্যজন সাহিত্যিক। জগদীশচন্দ্র বসু আর বাবার মধ্যে বন্ধন ছিল বন্ধুত্বেরও বেশি। দুজন সব সময়ই ভাবনা বিনিময় করতেন। একজন হয়ত জানাতেন নতুন কোনো গল্প লিখতে যাচ্ছেন, অন্যজন জানাতেন গবেষণাগারের পরীক্ষায় নতুন কী কী ফল পেয়েছেন। তাঁরা একে অন্যের সমালোচনাকে সাদরে গ্রহণ করতেন এবং পারস্পরিক আলোচনা থেকে অনুপ্রাণিত হতেন। শিলাইদহে এসেই জগদীশ বসু বাবাকে আগের সপ্তাহে লেখা গল্প পড়ে শোনাতে অনুরোধ করতেন এবং পরের সপ্তাহের জন্য নতুন গল্প লেখার প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিতেন। কেবল সাধনা বা ভারতী পত্রিকায় লেখা দেয়ার তাড়না থেকেই বাবার এতগুলো গল্প সৃষ্টি হয়নি। তাঁর বৈজ্ঞানিক বন্ধুর নিরন্তর তাগাদাও এ বিষয়ে যথেষ্ট অবদান রেখেছে। অনেক সময় বাবা যথেষ্ট সময় ও পেতেন না। গল্পগুচ্ছের কয়েকটি গল্পে তাড়াহুড়ো করে লেখার সুস্পষ্ট ছাপ রয়েছে।[১]

    জগদীশ বসু এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ছাড়া আরও অতিথি আসতেন। তবে এ দুজনের মত নিয়মিত নয়। তাঁদের একজন ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্র। তিনি রাজশাহীর একজন আইনজীবী ছিলেন। কিন্তু তাঁর মূল আগ্রহ ছিল ইতিহাস, বিশেষত বাংলার ইতিহাস নিয়ে গবেষণায়। তিনি অনেক দুর্লভ ছবি ও পুরাতাত্ত্বিক নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন। বাংলার ইতিহাস বুঝতে এগুলো অনেক সাহায্য করেছিল। তিনি বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি নামে একটি সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর সংগৃহীত নিদর্শনসমূহকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে বরেন্দ্র মিউজিয়াম গড়ে ওঠে। অবশ্য তাঁর পাণ্ডিত্য ও পেশা উভয়কে ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছিল রেশম চাষের নেশা। তিনি যখনই শিলাইদহে আসতেন সঙ্গে করে রেশম পোকার ডিম নিয়ে আসতেন এবং কীভাবে পোকার লালন-পালন করতে হয় ও রেশম সুতা বুনতে হয় তা শেখাতেন। লরেন্স সাহেবকেও তাঁর এ নেশায় ধরেছিল। মাত্র এক বছরে তিনি এ পরিমাণ রেশম উৎপাদন করেছিলেন যে অক্ষয় মৈত্র তাঁকে যোগ্য শিষ্য হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। মৈত্র মশায়ের মধ্যে পণ্ডিতির ভাব ছিল না, অথচ তিনি অনেক বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মত কথা বলতে পারতেন। তিনি যে কদিন থাকতেন বাবা নানান বিষয়ে আলাপ করে আনন্দ পেতেন।

    অমলাদি আমাদের সঙ্গে এলেই বাবার গানের কথা মনে হতো। প্ৰায় সারাদিনই তিনি গুনগুন করে সুর বাঁধতেন আর অমলাদি পাশে বসে সে সুরে গলা সাধতেন। ভারতীয় সংগীত শেখার পদ্ধতি হল শুনে শুনে, ইউরোপীয়দের মত নোটেশন দেখে দেখে শেখা নয়। আমরা অধীর আগ্রহে সন্ধ্যা নামার অপেক্ষা করতাম। তাড়াতাড়ি রাতের খাবার শেষ করে সবাই খোলা নৌকায় চেপে বসতাম। মাঝিরা নৌকাটিকে মাঝনদীতে নিয়ে গিয়ে নোঙর ফেলত। বাবা ও অমলাদি কোনো বিরতি না দিয়ে পালাক্রমে মাঝরাত অবধি গান গাইতেন। আমি প্রায়ই আসর শেষ হবার আগেই মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়তাম। জনমানবশূন্য নদীর বুকে তখন নিঝুম রাতের স্তব্ধতা। এরই মাঝে নৌকার পাশ দিয়ে বুদ্বুদ তুলে সবেগে বয়ে যেত স্রোতের কুণ্ডলী। হাওয়ায় দোলায়িত জলের উপর প্রতিফলিত হতো রুপালি চাঁদ। কদাচিৎ দূরে আবছায়ামত দেখা যেত জেলে নৌকা নদীর ভাটিতে মিলিয়ে যাচ্ছে। নদীর কলতান, মৃদু হাওয়ার ঝিরিঝিরি আর পাশ দিয়ে যাওয়া নৌকার বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ ধ্বনির সঙ্গে একাকার হয়ে যেত ‘বেলা গেল তোমার পথ চেয়ে’ বা ‘সন্ধ্যার মেঘমালা’র মত গানগুলো। যতদূর চোখ যায় চারপাশ আলো করে ফুটেছে ধবল পূর্ণিমা। গানের আসরের জন্য এর চেয়ে রোমান্টিক আয়োজন আর কী হতে পারে!

    নাটোরের মহারাজা জগদীন্দ্রনাথ[২] এলে আমাদের ক্যাম্প যেন জীবন্ত হয়ে উঠত। সংগীতজ্ঞ ও লেখক হিসেবে তাঁর গুণের কথা সবাই জানে। আমরা পছন্দ করতাম তাঁর মিশুকতা আর রসবোধ। অন্যরা কিছু করলে, তাঁর বাস্তবিক মূল্য যা-ই থাকুক না কেন তিনি দরাজ গলায় তার প্রশংসা করতেন। বাবা যখন মহারাজার সঙ্গে সময় কাটাতেন, মা ব্যস্ত থাকতেন খাবার-দাবার তৈরির কাজে। অমলাদি তাঁকে সহায়তা করতেন। পূর্ববঙ্গের রান্নায় তিনি বিশেষ পটু ছিলেন। মহারাজা খাওয়া-দাওয়ার সমঝদার ছিলেন। তাঁকে সন্তুষ্ট করতে মা ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা যেমন তাঁকে পছন্দ করতাম, তিনিও সপ্তাহান্তে আমাদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসতেন।

    *

    ১. রবীন্দ্রনাথ তাঁর দুটি কাব্য কথা (১৯০১) ও খেয়া (১৯০৬) জগদীশ বসুকে উৎসর্গ করেন।

    ২. নাটোরের মহারাজ গোবিন্দচন্দ্র অপুত্রক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ব্রজসুন্দরী জগদীন্দ্রনাথকে দত্তক গ্রহণ করেন। তিনি শ্রুতিস্মৃতি, নূরজাহান, দারার অদৃষ্ট ও সন্ধ্যাতারা নামক গ্রন্থ রচনা করেন। সাধনা পত্রিকায় লিখতেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ১৮৯৭ সালে প্রকাশিত পঞ্চভূত গ্রন্থটি ‘মহারাজ শ্রীজগদীন্দ্রনাথ রায় বাহাদুর সুহৃদকরকমলেষু’ লিখে তাঁকে উৎসর্গ করেন। ১৯২৬ সালে তিনি মারা যান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }