Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বদেশি আন্দোলন

    এন্ট্রান্স পাস করার পর আমি যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাই। ঐ পরীক্ষার শেষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রওনা হবার মাঝখানের অবকাশে মধ্য গ্রীষ্মের আরেক প্রবল উন্মাদনা আমাকে আচ্ছন্ন করেছিল। দেশপ্রেমের যে জোয়ার সারাদেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল, তা আমাকেও দারুণভাবে স্পর্শ করে। বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়েছিল আর ১৯০৫-০৬ সালে তুঙ্গে উঠেছিল। অবশ্য ঠাকুর পরিবারের লোকদের কাছে এটা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। দেশপ্রেম বলতে যা বোঝায়, ঠিক সেরকম একটি পরিবেশেই আমরা মানুষ হয়েছি। বাবার জীবনস্মৃতি যারা পড়েছেন, তাঁদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে এমনকি তাঁর বাল্যকালেও তিনি সকল ক্ষেত্রে স্বদেশিয়ানা প্রচারের সাহসী প্রচেষ্টা লক্ষ করেছিলেন। এর একটি বড় উদাহরণ আমার জ্যাঠামশাই জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি ছিলেন মূলত শিল্প-সাহিত্য-সংগীত জগতের লোক। সেই তিনিও স্বদেশি উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি জাহাজ কোম্পানি খুলে বসেন। তিনি কয়েকটি বাষ্প-চালিত জাহাজ কেনেন এবং পূর্ববঙ্গের নদ-নদীতে চালাতে শুরু করেন। অবশ্য একটি ইংরেজ কোম্পানি কিছুটা অবৈধ পদ্ধতি অবলম্বন করে তাঁকে নৌপরিবহন ব্যবসায়ের পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য করে। এ দেশপ্রেমমূলক উদ্দীপনার জন্য তাঁকে চড়া মূল্য দিতে হয়। কেননা, তিনি অনেক টাকা ঋণ নিয়ে এ ব্যবসায় খুলেছিলেন। বহু বছর ধরে তাঁকে এ ঋণের ঘানি টানতে হয়েছিল।

    এ সকল প্রচেষ্টা কেবল স্বদেশি চেতনার বহিরঙ্গ ছিল। সে সময় উপরতলার ভদ্রলোকেরা ইংরেজি আচার-ব্যবহারে কেতাদুরস্ত হলেও, ঠাকুর পরিবার তাঁদের জীবনযাপন প্রণালী, পোশাক পরার ধরন, এমনকি চিন্তা-চেতনায়ও দেশীয় পরিচয় পুরোপুরি বজায় রেখেছিল। আমরা ছিলাম মনেপ্রাণে ভারতীয়। কাজেই দেশবাসী যখন স্বদেশিয়ানার স্লোগান তুলল, সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তাতে সাড়া দিলাম।

    স্বদেশি আন্দোলন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন। কোনো রাজনৈতিক সংগঠন এটা চাপিয়ে দেয়নি। বলা যেতে পারে যে রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যপন্থা অবলম্বন ও ব্যর্থতার প্রতিবাদস্বরূপ এ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। জনগণ অস্থির হয়ে উঠেছিল। তারা কাঁধ থেকে বিদেশি শাসনের জোয়াল ফেলে দিতে চাচ্ছিল। কংগ্রেস যেন বিভিন্ন প্রস্তাব পাস করেই তাদের দায় সারছিল। তাদের এ নেতিবাচক ও অকার্যকর রাজনীতি জনসাধারণকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। চারদিকে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার প্রবল উত্তেজনা। আবেগের এমন ঢেউ বাংলায় আগে আর কখনও দেখা যায়নি। শান্তিনিকেতনেও এর আঁচ লাগল। বাদ গেলাম না আমি এবং আমার বন্ধু সন্তোষ মজুমদারও। ভাইপো দিনেন্দ্রনাথ এবং অজিত চক্রবর্তী রোজ সকালে একটি দল নিয়ে নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে দেশপ্রেমের গান গেয়ে বেড়াত আর আন্দোলনের জন্য চাঁদা তুলত। প্রতিদিনই আমরা তাতে যোগ দিতাম। বিলেতি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানাতে আমরা মাঝে মাঝে শহরেও যেতাম।

    ১৯০৫ সালের যুদ্ধে জাপান সোভিয়েত ইউনিয়নকে হারিয়ে দেয়। এ ঘটনাও স্বদেশি আন্দোলনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ দুদেশের চুক্তি স্বাক্ষরের দিন আমরা শান্তিনিকেতনের ফুটবল মাঠের মাঝখানে বিরাট আকারের আগুন জ্বালালাম এবং সারারাত গান গেয়ে এশিয়ার জাগরণ উদযাপন করলাম। বাবা জাপান থেকে একজন যুযুৎসু বিশেষজ্ঞকে নিয়ে এসেছিলেন। বৃটিশদের সঙ্গে লড়াই করার জন্য আমরা তাঁর নিকট থেকে প্রশিক্ষণ নিলাম! ভাবখানা এমন যে জুডোর চেতনা ও কৌশলই জাপানিদেরকে যুদ্ধে জিতিয়ে দিয়েছিল।

    কিছুদিন না যেতেই আন্দোলনটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে গেল। একদিকে থাকলেন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী, আর অন্যদিকে রইলেন চরমপন্থিরা, প্রায়শ যাদেরকে সন্ত্রাসবাদী বলা হয়, যারা সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বৃটিশদের তাড়াতে চাইছিলেন।

    স্বদেশি আন্দোলনের চরিত্রটা ঠিকভাবে বুঝতে হলে এতে একশ্রেণির বুদ্ধিজীবীর ভূমিকাকে অবহেলা করলে চলবে না। নিঃসন্দেহে তাঁরাই এর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যদিও তাঁদের অনেকেই পাদপ্রদীপের আলোয় আসতে চাননি। তৎকালীন যুবসমাজের ওপর তাঁরা কতটা প্রভাব বিস্তার করেছিলেন এবং কেমন করে তাদের ভিতর দেশপ্রেমের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন আজও অনেকে তার সম্যক গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে না। আজকে পুরনো স্মৃতি ঘাঁটতে গিয়ে দেখি যে নামগুলো আমার মনে সবচেয়ে বেশি জ্বলজ্বল করছে সেগুলো কোনো বাঙালির নাম নয়, এমনকি নয় কোনো ভারতীয়রও। তাঁরা দুজন বিদেশি—কাউন্ট কাকুজো ওকাকুরা আর সিস্টার নিবেদিতা।

    কাউন্ট ওকাকুরা তেমন কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই কোলকাতা এসেছিলেন, অনেকটা অচেনা আগন্তুক হিসেবে। তিনি কী করে আমাদের পরিবারের সংস্পর্শে এসেছিলেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু তিনি আমার জ্যাঠাত ভাই সুরেন্দ্রনাথকে অত্যন্ত পছন্দ করলেন এবং তাঁর বাড়িতে বাস করতে শুরু করলেন। সেখানে থাকতে থাকতেই তিনি সমাজের নেতৃস্থানীয়দের সঙ্গে পরিচয় করে নিলেন। তিনি যখন তাঁর বিখ্যাত বই আইডিয়াল অব দ্য ইস্ট লেখেন তা আমাদের কাছে রীতিমত ঐশী বাণীর মত মনে হল। এর শুরুর বাক্যটাই আমাদের মনের গভীর সুপ্তিকে ভাঙিয়ে দিয়েছিল। তা ছিল এরকম, “এশিয়া এক। হিমালয় কেবল দুটি শক্তিশালী সভ্যতাকে আলাদা করেছে—একদিকে চিনের কনফুসিয়ান কমিউনিজম এবং অন্যদিকে ভারতের বৈদিক ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য।” কেবল আমাদের পরিবারের লোকদের সঙ্গেই নয় বরং জগদীশচন্দ্র বসু, সিস্টার নিবেদিতা, বিপিন চন্দ্র পাল প্রমুখ এবং চরমপন্থি দলের কোনো কোনো নেতার সঙ্গেও তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে উঠল। বাংলার জাগরণে বৃটিশ সংস্পর্শের প্রভাব নিয়ে অনেক কিছুই লেখা হয়েছে কিন্তু খুব কম লোকই বুঝতে পেরেছে এই জাপানি জ্ঞানীর আশ্চর্যজনক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি এ প্রদেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে কী গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল! তিনি এসেছিলেন এক ক্রান্তিলগ্নে, যখন পশ্চিমা শাসনের প্রতি প্রতিবাদ সবে শুরু হয়েছে। তাঁর কথা ও লেখার মধ্য দিয়ে তিনি আমাদেরকে নিজ সভ্যতার ওপর হারানো আস্থা ফিরে পেতে এবং বিশ্ব সভ্যতায় এশিয়ার যে তখনও অনেক কিছু দেবার আছে সে বিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করেন। এটা এক নীরব বিপ্লব সংঘটিত করে যা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে সুস্থ জাতীয়তাবোধের জন্ম দেয়। ক্রমে এই জাতীয়তাবাদ ভারতের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে।

    স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্য সিস্টার নিবেদিতা ছিলেন জাতিতে আইরিশ। কেউ নতুন ধর্মান্তরিত হলে তার যেমন উদ্যম থাকে, তাঁরও তেমনি ছিল। বলা যেতে পারে যেকোনো ভারতীয়ের তুলনায় বেশিই ছিল। গুরুর প্রভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর আইরিশ রক্ত সক্রিয় হয়ে উঠল। তাঁর বহুমুখী ব্যক্তিত্ব একদিকে যেমন তাঁর আত্মিক ও সাংস্কৃতিক পরিচিতির পুনর্নির্মাণ করতে বাধ্য করল,

    তেমনি অনুপ্রাণিত করল ভারতের স্বাধীনতার স্বপক্ষে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াতে। স্বামী বিবেকানন্দ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি যে কেবল বিখ্যাত ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে আসতে পারলেন তা-ই নয়, বহু সংখ্যক যুবকের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ঘটল। তাঁদের সংবেদনশীল হৃদয়ে তিনি দেশপ্রেমের আগুন জ্বালিয়ে দিতে এবং নতুন কিছু করার তাড়না সঞ্চারিত করতে সক্ষম হলেন।

    ১৯০৫ সালে আমি আর সন্তোষ মজুমদার গিরিডিতে ছুটি কাটাচ্ছিলাম। আমরা এ আন্দোলনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেলাম। আমাদের কাছাকাছি থাকতেন সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মনোরঞ্জন গুহ ঠাকুরতা, আর ছিলেন ভি. রায়—জগতের যেকোনো মঙ্গলকর কিছুর জন্য যার উৎসাহের কোনো কমতি ছিল না। রোজ সকালে আমরা কয়েকজন শহরের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে দেশাত্মবোধক গান গাইতাম। আরও বেশিসংখ্যক লোক সংগঠিত হয়ে প্রত্যেক সন্ধ্যায় দোকানে দোকানে প্রচারণা চালাতে যেতাম যেন তারা বিদেশি পণ্য বিক্রয় না করে। কোনো দোকানে বিদেশি কাপড় পাওয়া গেলে তা জব্দ করা হতো। সবশেষে এভাবে সংগৃহীত ম্যাঞ্চেস্টারে তৈরি কাপড় আগুন দিয়ে পোড়ানো হতো। একদিন আমাদেরকে খবর দেয়া হল ব্যারিস্টার পি. মিত্রের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি কোলকাতা থেকে এসেছিলেন এবং নিকটবর্তী ডাকবাংলোয় উঠেছিলেন। তিনি আমাদেরকে অনুশীলন সমিতির কথা বললেন, বিশেষত বৃটিশদের তাড়াতে এবং দেশমাতৃকাকে বিদেশি শাসনের নিগড় থেকে উদ্ধার করতে সশস্ত্র দলটি কীভাবে গোপন প্রস্তুতি নিচ্ছে তা জানালেন। এরকম দেশদ্রোহমূলক কথাবার্তা তিনি এত প্রকাশ্যে আলোচনা করছেন দেখে আমরা খুব রোমাঞ্চিত হলাম। তিনি আমাদেরকে এতটা বিশ্বাস করছেন ভেবেও আমাদের খুব ভালো লাগল। আমরা তাঁকে কথা দিলাম যে কোলকাতায় ফেরামাত্রই অনুশীলন সমিতিতে যোগ দেব।

    সে ছিল এক কাল। এমন কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা কোনো জাতির জীবনে খুব কমই আসে। সময়ের দাবির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে নানা ধরনের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য অগণিত যুবকের দল ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আমার মনে আছে বিপিন চন্দ্র পাল, সখারাম গণেশ দেওস্কর, রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী, হেম চন্দ্র মল্লিক, সতীশ চন্দ্র মুখার্জিসহ অন্যরা প্রায়ই মধ্যরাতে হাজির হতেন এবং কিছু বুনো কর্মসূচি নিয়ে বাবা ও গগনেন্দ্রনাথের সঙ্গে গোপন বৈঠক করতেন।

    বাবা যদিও তাঁর বক্তৃতা ও লেখা, বিশেষ করে দেশপ্রেমের গানের মধ্য দিয়ে এ আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছেন, তাঁর মূল চিন্তা ছিল কীভাবে এই গণজাগরণকে গঠনমূলক কাজে নিয়োজিত করা যায়। এই সময়ে কোলকাতার মিনার্ভা থিয়েটারে সুধীসমাজের এক বিশাল জমায়েতের সামনে তিনি ‘স্বদেশি সমাজ’ নামক প্রবন্ধ পড়লেন। তিনি এ প্রবন্ধের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের পুনরুজ্জীবন ও স্বনির্ভরতার মাধ্যমে গ্রামবাংলা পুনর্গঠনের রূপরেখা তুলে ধরেন।

    নভেম্বরের এক ঠান্ডা কিন্তু ঝলমলে সকালে আমরা ছোট ছোট শালগাছের ঝোপের মধ্য দিয়ে হাঁটছিলাম। ঘাস তখনও ভেজা। শিশিরবিন্দুগুলো সূর্যের তির্যক আলোয় হীরের মত জ্বলজ্বল করছে। বাবার মন ভালো ছিল। তিনি গুনগুন করে একটি গানের সুর ভাঁজছিলেন। হঠাৎ তিনি আমাদের দেশে প্রকৃত শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। তাঁর বন্ধু অক্ষয় চৌধুরীর জামাতা যতীন বসু আমাদের সঙ্গে ছিলেন। বাবা বলতে থাকলেন যে আমাদের যুবকদের যে ধরনের শিক্ষা প্রয়োজন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তা দিতে পারছে না। বাংলোতে ফিরে এসেও এ বিষয়ে আলাপ চলতে থাকল। এক সময় বাবা যেন নিজেকেই জিজ্ঞেস করলেন: আমাদের কি একটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থাকা উচিত নয়? এ চিন্তা জাগতেই তিনি অস্থির হয়ে গেলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে সে সন্ধ্যায়ই কোলকাতা রওয়ানা দিলেন। সেখানেও ভালোই সাড়া পাওয়া গেল। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জাতীয় শিক্ষা কাউন্সিল গঠিত হল। এ কাউন্সিলের অধীনে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হবে বাবা তাঁর পাঠ্যক্রম তৈরি এবং অন্যান্য কিছু কাজের ভার নিলেন। এইভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হল। অবশ্য কাউন্সিলের একটি কি দুটি মিটিংয়ের পরই তাঁর স্বপ্নভঙ্গ হল। তিনি দেখলেন যে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দিকেই কাউন্সিলের সদস্যগণের আগ্রহ বেশি। এছাড়া কারিগরি শিক্ষার দিকেও তাদের ঝোঁক রয়েছে। বাবার উদ্দেশ্য ছিল বৃটিশরা শিক্ষার যে নিয়ম ও বিধি চালু করেছে তার বাইরে বেরিয়ে এসে ভারতীয় ঘরানার শিক্ষাদান পদ্ধতিকে যুগোপযোগী করে চালু করতে। কাউন্সিল যা করতে চাচ্ছে তাতে এ উদ্দেশ্য সাধন হবে না বুঝতে পেরে তিনি পরে আর কোনো সভায় যোগ দেননি।

    বাংলা ভাগের প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হল বাবা তাতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করলেন। মনে হল স্বেচ্ছায় গৃহীত বিচ্ছিন্নতা পরিত্যাগ করে তিনি বুঝি রাতারাতি জাতীয়তাবাদের সেরা প্রচারকে পরিণত হলেন। কবিতা, গান আর মর্মভেদী বক্তৃতায় কার্জনের ‘ভাগ কর ও শাসন কর’ নীতিকে তীব্রভাবে আক্রমণ করলেন। পাশাপাশি জনসাধারণের প্রতি আত্মসম্মান ও আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে একতাবদ্ধ হতে আহ্বান জানালেন। চিরাচরিত রাখিবন্ধন উৎসবেও তিনি নতুন মাত্রা যোগ করলেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় ঐদিন সবার হাতে রঙিন সুতো বেঁধে দেয়া হল, যা বাংলার চিরঐক্যের অমর প্রতীক হয়ে দেখা দিল। রাখিবন্ধনের দিন কোলকাতায় এক বিশাল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হল। তিনি তার নেতৃত্ব দিলেন এবং রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে গাইলেন—

    বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান…

    এবং

    বাংলার মাটি, বাংলার জল…।

    এদিন দেশপ্রেমের অভূতপূর্ব আবেগ সঞ্চারিত হয়েছিল। বিকেলে বাগবাজারের পশুপতি বসুর বাড়ির প্রশস্ত আঙিনায় এক বিরাট জনসভা হল। জাতীয় আন্দোলনকে চালিয়ে নেওয়া এবং একটি গণমিলনায়তন নির্মাণের জন্য তহবিল গঠন করতে বাবা এ সভায় সবার প্রতি আবেদন জানালেন। তৎক্ষণাৎ পঞ্চাশ হাজার টাকা সংগৃহীত হয়ে গেল।

    অবশ্য শীঘ্রই বাবা বুঝে গেলেন যে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ স্বদেশি আন্দোলনকে যেদিকে নিয়ে যেতে চাইছেন তিনি তা সমর্থন করতে পারবেন না। ১৯০৫-০৬ সালের স্বদেশি থেকে ১৯২১ সালের অসহযোগ পর্যন্ত যত রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছে তাতে বাবার যেটুকুই সংস্রব ছিল তাতে তিনি সবসময়ই গঠনমূলক কর্মসূচির কথা বলেছেন। লোকেরা অনেক সময়ই অবাক হয়ে ভাবে, বাবা কেন স্বদেশি আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ, এমনকি নেতৃত্ব দিলেন আবার হঠাৎ কেন এর কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন!

    আমার মনে হয় এর কারণ তাঁর প্রতিভা ছিল মূলত সৃষ্টিশীল কাজের উপযোগী। বর্জনের সংস্কৃতিকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। ১৯২১ সালের মার্চে সিএফ এন্ড্রুজকে লেখা এক পত্রে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার নিমরূপ স্মৃতিচারণ করেন[১]:

    ‘আজ মনে পড়ছে স্বদেশি আন্দোলনের সময় আমাদের ‘বিচিত্রা’ ভবনের দোতলায় আমার সঙ্গে একদল যুবকের দেখা করার ঘটনাটা। তারা জানাল যে আমি বললেই তারা স্কুল-কলেজ ছেড়ে বেরিয়ে পড়বে। আমি তাদের কথা একেবারেই মানতে পারলাম না। তারা রাগ করে চলে গেল। দেশের প্রতি আমার কোনো দরদ আছে কি না তা নিয়েও তারা ঘোরতর সন্দেহ পোষণ করল। তারা জানে না যে জনজোয়ারের এ উচ্ছ্বাসেরও বহু বছর আগে, যখন আমার নিজের বলতে পাঁচশত টাকাও ছিল না, তখনই ‘স্বদেশি ভাণ্ডার’ খোলার জন্য এক হাজার টাকা দিয়েছিলাম।[২] বললে জুটেছে পরিহাস আর পুঁজি খোয়ানো।

    ঐ যুবকদেরকে বিদ্যালয় পরিত্যাগ না করতে বলার কারণ হল নিষ্ফল বিশৃঙ্খলা আমাকে কখনও টানে না, এমনকি তা সাময়িকের জন্য হলেও। জীবন্ত বাস্তবতাকে এড়িয়ে সংক্ষিপ্ত পথে কার্যসিন্ধির প্রবণতাকে আমি ভয় পাই। এ যুবকরা তো আর কোনো ছায়ামূর্তি নয়।[৩] তারা বাস্তবে বাস করছে, এ কথা তাদের কাছে যেমন সত্য, তেমনি সত্য অন্যদের কাছেপ। যে বর্জননীতি ওদের জীবনকে বাস্তবতার ভিটে থেকে উচ্ছেদ করবে, তাকে আমি হালকাভাবে নিতে পারিনি। কোনোরূপ বিকল্প ব্যবস্থা না করে পেশাগত জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার প্রলোভন দিয়ে ওদের প্রতি যে অবিচার ও ক্ষতি করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই তাদের জন্য কল্যাণকর হতে পারে না।’

    একই কারণে তিনি ভারতে তৎকালে চলমান অসহযোগ আন্দোলনে নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়াতে পারেননি। তাঁর নিকট অসহযোগ আন্দোলনের অর্থ ছিল ‘রাজনৈতিক সংযম।’ ঐ একই চিঠিতে তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “আমাদের ছাত্ররা কিসের তরে তাঁদের ত্যাগের নৈবেদ্য অর্পণ করছে? পূর্ণতর শিক্ষার দিকে নয়, বরং অশিক্ষার পায়ে।”

    এরও আগে, ১৯২০ সালে এ বিষয়ে আরও জোরালো ও খোলাখুলিভাবে তিনি লিখেছিলেন:

    দেখতে পাচ্ছি আমার দেশবাসী অসহযোগ নিয়ে কীরকম ভয়ানকভাবে উদ্দীপ্ত। এটিও শেষ পর্যন্ত বাংলায় স্বদেশি আন্দোলনের পরিণামই ভোগ করবে। এরকম আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভারত জুড়ে আলাদা আলাদা দেশসেবামূলক সংগঠন তৈরি করতে পারলে ভালো হতো।

    মহাত্মা গান্ধী এতে সত্যিকারের নেতৃত্ব দিন। তিনি যেন ইতিবাচক সেবার ডাক দিতে পারেন, ত্যাগের ডাক দিতে পারেন, যার লক্ষ্য হবে প্রেমময় এবং সৃজনশীল। আমি তাঁর পদতলে বসে আদেশ পালনে রাজি আছি যদি প্ৰেম ও সেবার মাধ্যমে আমার দেশবাসীর সেবা করতে বলেন। কিন্তু ক্রোধের আগুন জ্বালানো এবং তা ঘর থেকে ঘরে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আমার পৌরুষ ব্যয় করতে রাজি নই।

    তাঁর অবস্থান সম্ভবত সবচেয়ে পরিষ্কার করে বুঝিয়েছেন ১৯২১ সালের জানুয়ারিতে নিউইয়র্ক থেকে সিএফ এন্ড্রুজকে লেখা নিচের এই চিঠিটিতে[৪] :

    স্বদেশি, স্বরাজ—এ শব্দ দুটি আমাদের দেশের লোকদেরকে প্রচণ্ডভাবে উদ্দীপ্ত করে। এ দুটি শব্দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়ার মত এমন আগুন রয়েছে যা আর কিছুতে নেই। এ উত্তাপ এবং আন্দোলন আমাকেও স্পর্শ করে। তবে, হয়ত আমার কবিস্বভাবের কারণেই, স্বদেশি বা স্বরাজ্য আন্দোলনকে আমি জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বলে মেনে নিতে পারিনি। এগুলোর যতটুকু গুরুত্ব রয়েছে, এরা তার থেকে অনেক বেশি মূল্য দাবি করে। তাই কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জিত হবার পর, আমি যে সকল লোককে সঙ্গে নিয়ে এ লক্ষ্যে কাজ করেছি, তাদের থেকে দূরে সরে না এসে পারিনি। দেশপ্ৰেম বা কেবল নীতির কাছে পরিপূর্ণ মানবসত্তা বলি হয়ে যাচ্ছে দেখলে আমার মন কেঁদে ওঠে।

    আমার কাছে মনুষ্যত্ব বিপুল, বিরাট ও বহুমুখী।

    বাবা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে ভারতের জাতীয় চরিত্রে সৃষ্টিশীলতা রয়েছে। তাঁর এ ধারণাই ক্রমে আরও পরিণত হয়ে পাশ্চাত্য ও প্রতীচ্যের লোকদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতার বৃহত্তর স্বপ্নের রূপ নেয়। তিনি বলতেন যে বিশ্বভারতীর আদর্শ এটাই। শান্তিনিকেতন এবং শ্রীনিকেতনে তিনি যেসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন, ১৯২১ সালের ইউরোপ সফরশেষে ফিরে এসে সেগুলোর নানাবিধ কাজে আরও বেশি আত্মনিয়োগ করেন। এসকল প্রতিষ্ঠান একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক চরিত্রের ছিল, তেমনি ছিল গান্ধীর ভাষায় ‘খাঁটি দেশি।

    এভাবে, স্বদেশি বা স্বরাজপন্থিদের সঙ্গে পথ ভাগ হয়ে যাবার অনিবার্য ব্যাপারটি ঘটল। বাবা নীরবে-নিঃশব্দে রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে সরিয়ে নিলেন। কেবল খেয়া কাব্যের কয়েকটি কবিতায় তাঁর সে সময়কার মনোভাবের আঁচড় লেগে থাকল। রাজনীতি থেকে দূরে গেলেও তাঁর কর্মযজ্ঞ কিন্তু থেমে থাকেনি। জাতি গঠনমূলক কাজের তাড়না থেকেই তিনি পরবর্তীতে শ্রীনিকেতন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির ভাবনা এ সময় থেকেই শুরু হয়। তিনি নিজ জমিদারিতে এ বিষয়ক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। প্রজাদেরকে উন্নয়নমূলক কাজে সংগঠিত করার জন্য পরিকল্পনা করেন এবং তা কাজে পরিণত করতে কয়েকজন কর্মচারীকে গ্রামে পাঠিয়ে দেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, পল্লীর উন্নতিসাধন করতে হলে সেখানকার মূল সম্পদ কৃষির উন্নতি করতে হবে। এ পর্যায়ে তিনি ঠিক করলেন যে সন্তোষ এবং আমাকে কৃষি ও পশুপালন শিখতে বিদেশে পাঠাবেন, যেন ফিরে এসে এ কাজে তাঁকে সহায়তা করতে পারি।.

    *

    ১. রবীন্দ্রনাথ এ চিঠিটি লেখেন ৫ মার্চ ১৯২১ তারিখে, যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো থেকে।

    ২. অম্বিকাচরণ উকিলের উদ্যোগে স্বদেশি পণ্যের প্রচার ও প্রসারের জন্য ১৮৯৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কোলকাতার হ্যারিসন রোতে ‘স্বদেশি ভাণ্ডার’ নামের যৌথ-ব্যবসায় স্থাপিত হয়। এর সঙ্গে ঠাকুর পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

    ৩. মূল চিঠিটি প্রায় আড়াই পাতার, ১০টি অনুচ্ছেদে লিখিত। রথীন্দ্রনাথ এর থেকে ৬ নং অনুচ্ছেদ পুরোটা আর ৭ নং অনুচ্ছেদ আংশিক, ‘ছায়ামূর্তি নয়’ পর্যন্ত উদ্ধৃত করেছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত পড়ে রবীন্দ্রনাথের বক্তব্য পুরো পরিষ্কার নাও হতে পারে, এ আশংকায় পরের তিনটি বাক্য মূল চিঠি থেকে অনুবাদ করে সংযুক্ত করেছি। মূল চিঠির সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে দেখি রথীন্দ্রনাথের বইয়ে চিঠিটির একটি লাইন ‘These students were no mere phantoms to ine’ পশ্চিম বঙ্গের সাহিত্য একাদেমি কর্তৃক প্রকাশিত শিশিরকুমার দাস সম্পাদিত The English Writings of Rabindranath Tagore, vol. 3’তে (সংস্করণ ১৯৮৬, পৃষ্ঠা ২৮৬) বাক্যটি ছাপা হয়েছে These students were no mere plantoms to the মজার ব্যাপার হলো, আমাদের দেশের একটি প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত রবীন্দ্র রচনাবলির ২১তম খণ্ড Rabindra Ocuvre’-এও (প্রথম সংস্করণ সেপ্টেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ২৭৪), phantoms নয়, plantoins-ই ছেপেছে। কিন্তু ইংরেজি ভাষায় plantoins বলে কোনো শব্দ আছে বলে আমাদের জানা নেই। সিএফ এন্ড্রুজ এর মূল ‘Letter to a Friend’ এর সঙ্গে মিলিয়ে দেখার সুযোগ পাইনি, তবে ঐ বইয়ের বিশ্বভারতী কর্তৃক প্রকাশিত মলিনা রায়ের অনুবাদ ‘রবীন্দ্রনাথ-এন্ড্রুজ পত্রাবলী’তে চিঠিটির অনুবাদ থেকে মনে হয় শব্দটি plantoins হবে না, বরং রথীন্দ্রনাথ উল্লেখকৃত phantoms হবে।

    ৪. ১৪ জানুয়ারি, ১৯২১, নিউইয়র্ক থেকে লিখিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }