Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাংলাদেশে শিল্প আন্দোলন ও বিচিত্রা ক্লাব

    বহু বছর যে পশ্চিমা ধ্যান-ধারণা ও রীতিনীতিতে অভ্যস্ত হয়েছে তার জন্য শিল্পী ভ্রাতৃত্রয়ের মাঝখানে এসে পড়ে তাঁদের কাজের ধরন দেখা আর চিন্তা-চেতনার সঙ্গে পরিচিত হওয়া নতুন অভিজ্ঞতা বৈকি। তাঁদের ছবি তোলার স্টুডিও কোনটি? রংতুলিই বা কোথায়? দক্ষিণমুখী টানা বারান্দায় তিনটা ইজিচেয়ারে বসে তিন ভাই গগনেন্দ্র, সমরেন্দ্র আর অবনীন্দ্র ছবি আঁকতেন, জমিদারি চালাতেন, অতিথি আপ্যায়ন করতেন আবার প্রাচ্যের অনাড়ম্বর ও সরল ধরনে বিচার-আচারও করতেন। অবনীন্দ্র আর্ট স্কুল থেকে অবসর নিয়েছিলেন। এখানেই ছাত্ররা আসত আর তাদের নানান জিজ্ঞাসা নিয়ে আলাপ করত, কখনও কখনও পিছনে দাঁড়িয়ে তাঁদের কাজ করা দেখত। সর্বসাম্প্রতিক ধারার স্কেচ ও চিত্র দেখার জন্য প্রাচ্যের শিল্পকর্মের সুহৃদ এবং সমালোচকও এখানে আসতেন। আরও আসত ব্যবসায়ীরা; পুরনো দিনের মিনিয়েচার, পাণ্ডুলিপি আর নানা ধরনের শিল্পকর্ম নিয়ে। তাদের আগমন অবশ্য বিক্রয়ের জন্য নয়, বরং বিশেষজ্ঞ মতামত নেয়ার জন্য। এর বাইরে ছোট চাকরিপ্রার্থী থেকে শুরু করে বড় কর্মকর্তা, নানান ধরনের অতিথিদের ভিড় তো লেগেই থাকত। আর ছিল আড্ডাবাজরা, যাদের কাজই ছিল শহরের সর্বশেষ মুখরোচক বিষয়ে গল্প করা।

    এ সকল সামাজিক কর্তব্যের কোনোটিই তাদের একাগ্রতায় চিড় ধরাতে বা মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। তিন ভাইয়ের মধ্যে সমরেন্দ্র শিল্পী হিসেবে কম ছিলেন না, কিন্তু অধিকতর প্রতিভাধর অন্য দুভাইয়ের সঙ্গে কখনও পাল্লা দেয়ার চেষ্টা করেননি। গগনেন্দ্র ও অবনীন্দ্র সে বারান্দায় লম্বা নলের হুকা নিয়ে ছবি আঁকতে বসতেন। পাশে থাকত এক পাত্র পানি, যার মাঝখানে একটি গোলাপ ভাসত। আর থাকত ছবি আঁকার সাধারণ কিছু সরঞ্জাম। যে সকল চিত্র পরবর্তীতে বিখ্যাত হয়েছে, সেগুলো এমন পরিবেশেই আঁকা হতো। তাঁদের চিত্রাংকন পদ্ধতি দেখে আমি খুব মজা পেতাম।

    গগনেন্দ্র ছিলেন পরিবারের কর্তা। পারিবারিক ও সামাজিক নানা দায়িত্ব নিয়ে তাঁকে ব্যস্ত থাকতে হতো। অবসর কাটাতেন অভিনয় করে আর ছবি তুলে। তিনি ছিলেন জাত অভিনেতা। ঠাকুর পরিবারে কোনো নতুন নাটক হলে তাঁর জন্য বাঁধাধরা চরিত্র থাকত। তিনি ছবি আঁকা শুরু করেন বেশ দেরিতে— ছোটভাই অবনীন্দ্র ততদিনে শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছেন। ঠিক কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ছবি আঁকা শুরু করেন তা বলা মুশকিল। সম্ভবত কাকুজো ওকাকুরা এবং অন্য কয়েকজন জাপানি শিল্পী তাঁকে অনুপ্রাণিত করে থাকবেন। আমি দেশে ফেরার পর দেখেছি যে ১৯১০ সালের দিকেও চিত্রাংকনকে তিনি সিরিয়াসলি নেননি। এটি তখনও কেবল শখের পর্যায়ে। বোধহয় তখনও তাঁর ছন্দ খুঁজে পাননি। সে সময় বাবার জীবনস্মৃতি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। বইটির জন্য কয়েকটি ছবি এঁকে দিতে আমি তাঁকে অনুরোধ করি। তখন থেকে তাঁর আঁকা ছবিগুলো গুরুত্ব পেতে শুরু করে।

    মোটামুটি এ সময়েই ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব ওরিয়েন্টাল আর্ট জন্মলাভ করে। জাস্টিস উড্রোফ, এন. ব্লাউন্ট, ও.সি. গাঙ্গুলি এবং অন্যান্য শিল্পপ্রেমিকের সঙ্গে গগনেন্দ্র ও অবনীন্দ্রের যোগাযোগ ছিল। তাদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ সংগঠন গড়ে ওঠে। বার্ষিক প্রদর্শনীতে বেশির ভাগই এ দুই ভাইয়ের ছবি থাকত, সঙ্গে থাকত তাদের প্রিয় ছাত্র নন্দলাল বসু, সুরেন গাঙ্গুলি, অসিত হালদার, শৈলেন দে, ক্ষিতীন মজুমদার প্রমুখের ছবি। প্রদর্শনীর আয়োজন করা হতো শীতকালে। কোলকাতা তখনও ভারতের রাজধানী। শীত মৌসুমে কেবল বাংলার অন্যান্য এলাকা থেকে নয়, সারা ভারতের লোকজনই এখানে ভিড় জমাত। এ সময় চিত্র প্রদর্শনী তাই কেবল এ শহরের নয়, বরং সারাদেশের জন্যই একটি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে পরিগণিত হতো। এর আয়োজনের পিছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করতেন গগনেন্দ্র। ব্যক্তি হিসেবে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার কারণে অভিজাত সম্প্রদায় ও সাধারণ মানুষ সবাই প্রদর্শনী দেখতে আসত। আরও দুয়েকজনের নাম না বললেই নয়। যেমন—লর্ড কারমাইকেল এবং কিছুদিন পরে লর্ড রোনাল্ডসে (ইনি পরে মার্কুই অব জেটল্যান্ড উপাধি পেয়েছিলেন)। তাঁরা ভারতীয় শিল্পকর্মের পৃষ্ঠপোষকতা না করলে ওরিয়েন্টাল আর্ট সোসাইটি সফল হতে পারত না। সোসাইটিকে তাঁরা তাঁদের নাম ব্যবহার করতে তো দিয়েছিলেনই, উপরন্তু সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ বরাদ্দ পেতেও সাহায্য করেছিলেন।

    গগনেন্দ্র এবং অবনীন্দ্রের প্রতিভা কেবল ছবি আঁকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অনেক বিষয়েই তাঁদের অবদান রয়েছে। উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া যে দালানটিতে তাঁরা বাস করতেন, তা ছিল সনাতন ভিক্টোরিয়ান ধাঁচে বানানো। আগের প্রজন্মের লোকজন পুরনো রীতিতেই সেটি সাজিয়েছিলেন। শিল্পী ভ্রাতৃদ্বয় পুরো বিল্ডিংটাকে নতুন রূপ দিলেন এবং নতুনভাবে সাজালেন। দুভাই ডিজাইন তৈরি করে দিতেন। দক্ষিণ ভারত থেকে আসা অত্যন্ত সুদক্ষ এক কাঠমিস্ত্রী সেগুলো বানাতেন। তাঁদের দেখানো ঘরশয্যার রীতি পরে কোলকাতার ফ্যাশনে পরিণত হয়। তাঁদের প্রতিভার সর্বোচ্চ স্ফুরণ ঘটেছিল ড্রয়িংরুমের বেলায়। আধা প্রাচ্য আর আধা পাশ্চাত্যের মিশ্রণ ঘটিয়ে তাঁরা এ কক্ষটি সাজান। বেছে বেছে সবচেয়ে পছন্দসই ভারতীয় ছবি ও শিল্পকর্ম দিয়ে সাজানো বসার ঘরটি দেখতে এসে বিদেশি অতিথিরাও মোহিত হয়ে যেতেন।

    এ ঘরে কাটানো অনেক সন্ধ্যার স্মৃতি মনে ভিড় করছে। মৃদু আলোয় বড় বড় ডিভানে বসে কয়েকজন শিল্পরসিক ধ্যান করার মত মগ্নতা নিয়ে বীণা বাজানো শুনছেন, এ ছিল তখনকার নিত্য দৃশ্য। আমিও এক কোণে চুপচাপ বসে বিদেশি অতিথিসহ অন্যদেরকে দেখতাম। এখানে খ্যাতিমান পরিব্রাজক ও দার্শনিক কাউন্ট কাইজারলিং, শিল্পীদের বন্ধু এবং নিজেও শিল্পী রোটেনস্টাইন, অনন্যা পাভলোভা, বিখ্যাত দ্রষ্টা কাকুজো ওকাকুরা, শিল্প-সংগ্রাহক গলোবিউ, আনন্দময়ী কার্পেলে বোনদ্বয় এবং শিল্পপ্রেমিক লর্ড কারমাইকেলকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল।

    লর্ড কারমাইকেলের কথায় মনে পড়ল এ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে গড়ে ওঠা গগনেন্দ্রর সখ্যের কথা। তিনি কয়েক বছর বাংলার গভর্নর তথা ছোটলাট ছিলেন। মেয়াদের শেষদিকে বেশ কিছু ভুল কাজ করার ফলে তাঁর জনপ্রিয়তা কমে যায়। কিন্তু গগনেন্দ্রর মত যারা তাঁকে কাছ থেকে দেখেছেন তাঁরা তাঁকে শ্রদ্ধা না করে পারেননি। এদেশীয় শিল্পকর্মকে তিনি প্রকৃতই বুঝতেন এবং গুরুত্ব দিতেন। বাংলার কারুশিল্পের পুনরুজ্জীবনের জন্য তিনি চেষ্টাও করেছিলেন। মুর্শিদাবাদের রেশম শিল্পের পুনরুত্থানে মূল অবদান তাঁর। তাঁর পরামর্শেই বেঙ্গল হোম ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়। এর জন্য সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ বরাদ্দও করেন। গগনেন্দ্রনাথকে এর সেক্রেটারি নিযুক্ত করা হয়। অনুকূল পরিবেশের অভাবে প্রায় হারিয়ে যেতে বসা বাংলার কারুশিল্পের প্রতি মানুষের আগ্রহ জাগানোর জন্য তিনি অনেক চেষ্টা করেন। এজন্য একটি বিক্রয়কেন্দ্র খোলা হয়। এখানে বিক্রীত পণ্যের পরিমাণ দেখে মনে হয় যে গগনেন্দ্রর চেষ্টা সফল হয়েছিল।

    গ্রীষ্মকালে গগনেন্দ্র ঘনঘন দার্জিলিং যেতেন। সেখানে তিনি হিমালয়ের অনেক ছবি আঁকেন। তুষারাবৃত পর্বতমালা তাঁকে টানত। কাঞ্চনজঙ্ঘার আকাশরেখাগুলোতে তিনি একটি উল্টানো মুখের আদল কল্পনা করে নিয়েছিলেন। তাঁর আঁকা এ সকল রাজকীয় শৃঙ্গের চিত্রে এ বৈশিষ্ট্য ধরা পড়ে। পাহাড়ে থাকতে তিনি গাউনের মত দেখতে এক ধরনের তিব্বতি ঢিলে জামা পরতেন। এটি পরবর্তীতে শিল্পী ভ্রাতৃদ্বয়ের এবং বাবার ট্রেডমার্ক পোশাক হয়ে দাঁড়ায়। ঠাকুর পরিবারে পোশাক নিয়ে ভালোই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে।

    আমি বরাবরই ব্যবহারিক দিক নিয়ে বেশি চিন্তা করি। কিছুদিনের মধ্যেই শিল্পের পরিবেশ আত্মস্থ হল। ভাবলাম বিভিন্নমুখী প্রতিভার স্রোতকে এক সুতোয় বাঁধা দরকার। এ চিন্তা থেকেই বিচিত্রা ক্লাবের সূত্রপাত। অনেক কোলকাতাবাসীর হয়ত আজও সেটা মনে আছে। এ কাজে চাচাত ভাইয়েরা অকৃপণভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। প্রথম সভাটি অনুষ্ঠিত হয় লাল বাড়িতে। সভাপতি ব্রজেন্দ্রনাথ শীল। অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি এ সভায় উপস্থিত ছিলেন। চাচাত ভাই সুরেন্দ্রনাথ ক্লাবের নিয়ম-কানুন তৈরি করেছিলেন, যদি আদৌ তাকে নিয়ম-কানুন বলা যায়। কেননা, এ ক্লাবের যে সদস্যপদ, চাঁদা বা আর কোনো বিষয়ে বাঁধা-ধরা কোনো নিয়মই ছিল না। নন্দলাল বসু ক্লাবের সিলমোহরের নকশা করে দিয়েছিলেন। অনেকটা কুঁড়েঘরের আদলে বিচিত্রা শব্দটি খোদাই করা ছিল। সভার শেষে বাবা তাঁর অপ্রকাশিত রচনা থেকে পড়ে শোনান। মিটিংটি হয় দোতলায়, আর নিচে আয়োজন করা হয় জাঁকালো নৈশভোজের। চাইনিজ মন্দিরের মত লাল আর সোনালি রঙে নৈশভোজের স্থান সাজানো হয়।

    ঊনবিংশ শতকের নব্বই-এর দশকে কাউন্ট ওকাকুরা বারবার এদেশে এসেছিলেন। একবার তিনি জাপান থেকে দুজন চিত্রকরকে নিয়ে আসেন। তাঁরা গগনেন্দ্রর আতিথ্য গ্রহণ করেন। তাঁরা সিল্কের ক্যানভাস বিছিয়ে মাটিতে বসে তুলির নিপুণ আঁচড়ে অদ্ভুত দক্ষতায় ছবি আঁকতেন। ঠাকুর পরিবারের সবাই মুগ্ধ হয়ে তাঁদের জড়তাহীন হাতের কাজ দেখতেন। এদের একজনের নাম তাইকান। তিনি বিজুইতসেন স্কুল অব পেইন্টার্স-এর নেতা হিসেবে সমধিক পরিচিত। গগনেন্দ্রর প্রথম দিককার ছবি থেকে বোঝা যায় যে, তিনি জাপানি শিল্পরীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। জাপানি শিল্পের প্রতি এই টানের ফলেই বহু বছর পরে বিচিত্রা ক্লাবের উদ্যোগে জাপান থেকে কাম্পো আরাই নামে আরেকজন চিত্রকরকে নিয়ে আসা হয়। তিনি ক্লাবের ছত্রচ্ছায়ায় ছবি আঁকা শেখাতেন।

    বিচিত্রা ক্লাবের কর্মকাণ্ডও সত্যি সত্যি বিচিত্রমুখী ছিল। কখনও এটা কাজ করেছে ছবি আঁকার স্কুল হিসেবে, কখনও পাঠাগার হিসেবে, কখনওবা শিল্পী-সাহিত্যিকদের মিলনমেলা হিসেবে। দিনের বেলা দেখা যেত এর এক স্থানে নন্দলাল বসু, অসিত কুমার হালদার আর সুরেন্দ্রনাথ করের মত চিত্রকরগণ ছবি আঁকছেন, অন্য কোনোখানে মূর্তি গড়ছেন এনকে দেবল, আর কোথাও-বা মুকুল দে খোদাইকর্ম করছেন। কয়েকজন শিক্ষানবিশ তাঁদের কাজ দেখত। আমার স্ত্রী প্রতিমাও ছিল এ দলের একজন। সন্ধ্যায় প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠত এর লাইব্রেরি। সপ্তাহে একদিন এটি আবার শিল্পী, লেখক আর সংগীতজ্ঞদের সামাজিক মেলামেশার কেন্দ্র হয়ে উঠত। এছাড়া নাটকের অভিনয় আর গানের অনুষ্ঠান তো লেগেই ছিল।

    খুব শীঘ্রই এর কর্মকাণ্ডের পরিধি আরও বাড়ানো হল। সারা প্রদেশ থেকে দেশীয় শিল্পকর্ম সংগ্রহের চেষ্টা চলল। একজন যুবককে নিযুক্ত করা হল গ্রামে গ্রামে ঘুরে নানা ডিজাইনের আলপনা, সূচিকর্ম, মাটির কাজ আর ঝুড়ির নমুনা সংগ্রহ করতে। অবনীন্দ্র অনেক শিশুতোষ ব্ৰত-পার্বণের ছড়া জানতেন। এগুলোর সঙ্গে আলপনার ডিজাইন মিলিয়ে পরে বই আকারে প্রকাশ করা হয়।

    এ সময় গগনেন্দ্রনাথ ক্যারিকেচার আঁকতে শুরু করেন। এদেশে এটা ছিল নতুন ধরনের কাজ। তাঁর ভাণ্ডারে যে বিপুল হাস্যরস আর ব্যঙ্গ সঞ্চিত ছিল, ক্যারিকেচারের মাধ্যমে সেগুলো তিনি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতেন। এগুলোর কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে রাতারাতি তাঁর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। ক্যারিকেচারগুলো পুনঃপ্রকাশের জন্য নানা জায়গা থেকে অনুরোধ আসতে থাকে। এই পটভূমিতে বিচিত্রা ক্লাব প্রকাশনার কাজে হাত দেয়। একটি পুরনো লিথো প্রেস কেনা হয় ও একজন বৃদ্ধ মুসলিম মুদ্রাকরকে মুদ্রণের ভার দেয়া হয়। সকালে গগনেন্দ্র ক্যারিকেচার আঁকতেন, বিকেলে মুদ্রাকর সেটাকে পাথরের স্ল্যাবে রূপান্তরিত করতেন। তারপর তার তত্ত্বাবধানে ছাপানোর কাজ শুরু হতো। এভাবে ক্যারিকেচারগুলোর দুই খণ্ড প্রকাশ করা সম্ভব হয়। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এগুলো বিক্রি হয়ে যায়।

    ক্রমে বিশ্বভারতীর কাজে আমাদের মনোযোগ বেড়ে গেলে বিচিত্রা ক্লাবের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। অসিত কুমার হালদার, নন্দলাল বসু, সুরেন্দ্রনাথ কর প্রমুখ শিল্পীকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে আসা হয়। উদ্দেশ্য এখানে একটি ছবি আঁকার স্কুল প্রতিষ্ঠা করা। সে স্কুলটি বর্তমানে কলাভবন নামে পরিচিত। যে কয় বছর বিচিত্রা ক্লাব সজীব ছিল, এটি কোলকাতার সামাজিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, ও শৈল্পিক কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে। বাংলার সাংস্কৃতিক জীবনেও এ ক্লাবটির অবদান অনেক। তিনজন মহান ব্যক্তির কারণে বিচিত্রা ক্লাবের পক্ষে এ গৌরব অর্জন সম্ভব হয়েছিল। তারা হলেন আমার বাবা, গগনেন্দ্র আর অবনীন্দ্র। অল্প কয়জন প্রতিভাবান লোকের সম্মিলিত প্রয়াস কীভাবে সৃষ্টিশীল কাজে গতিশীলতা বয়ে আনতে পারে, এ ক্লাবটি তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমি মূলত চিত্রাঙ্কন বিষয়ে এ ক্লাবের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছি। কিন্তু সাহিত্যক্ষেত্রেও এর অবদান কোনো অংশেই কম ছিল না। এর সাপ্তাহিক আসরগুলোতে তৎকালীন বাংলার প্রায় সকল সাহিত্যিকই উপস্থিত হতেন। বাবা, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রমথ চৌধুরী এবং অন্য লেখকগণ এখানে তাদের লেখা পাঠ করে শোনাতেন। চলিত ভাষাকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রচার করা এবং বাংলাকে সংস্কৃতের প্রভাবমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সবুজ পত্র আন্দোলন যাত্রা শুরু করে। বলা যেতে পারে যে সবুজ পত্র এই বিচিত্রা ক্লাবেই জন্ম নিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }