Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতালি সফর

    মুসোলিনির আমন্ত্রণক্রমে ১৯২৬ সালে আমরা ইতালি যাই। এ সফর ভারত ও অন্যান্য দেশে অনেক ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করেছিল।[১] বাবা ঠিক করেছিলেন যে প্রফেসর মহলানবিশ ও তাঁর স্ত্রী বাবার সঙ্গী হবেন। একেবারে শেষ মুহূর্তে তিনি চাইলেন যে আমার স্ত্রী, কন্যা নন্দিতা আর আমিও যেন সঙ্গে যাই। কাজেই বেশ বড় একটা দলই তৈরি হল। শান্তিনিকেতনের ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে ফরমিকি এক বছর কাজ করে গিয়েছিলেন। কাজেই তাঁকে আমরা খুব ভালো করে চিনতাম। তিনি মিশুকে ছিলেন এবং নেপলস-এ নেমে তাঁকে দেখে আমরা নিশ্চিন্ত বোধ করলাম। ভাবলাম বাঁচা গেল। সরকারিভাবে আয়োজিত সফরে যেসব হ্যাপা থাকে এবারে নিশ্চয়ই সেগুলো থাকবে না। কিন্তু একটি ঘটনা থেকেই ইঙ্গিত পেলাম যে সেটি হবার নয়। আমাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য লিওনার্দ কে. এলমহার্স্ট ইংল্যান্ড থেকে এসেছিলেন। আর্জেন্টিনা সফরের সময় তিনি বাবার সঙ্গে ছিলেন। সেখানে এই যুবকটি বাবার মন জয় করে নিয়েছিলেন। একদিন বাবা ঠাট্টা করে বললেন যে এলমহার্স্টের উচিত মুসোলিনির দলে যোগ দেয়া, কারণ একমাত্র একজন ইংরেজই তাঁকে শোধরাতে পারবে।

    আমাদেরকে নেপলস থেকে রোম নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এলমহার্স্ট তাঁর জিনিসপত্র আনতে আর টিকিট কাটতে গেলেন। এই ফাঁকে ফরমিকি তড়িঘড়ি করে আমাদেরকে ট্রেনে তুলে ফেললেন। বাঁশি ফুঁ না দিয়ে বা কোনোরকম সঙ্কেত না দিয়ে ট্রেনটি চলতে শুরু করল। এলমহার্স্ট তখনও ফেরেননি। ট্রেনের গতি যখন বেশ বেড়ে গিয়েছে তিনি তখন দৌড়ে এসে লাফ দিয়ে কোনো রকমে ট্রেনে ঢুকতে পারলেন। এ ঘটনা থেকেই বোঝা গিয়েছিল যে তাঁর উপস্থিতিকে কর্তৃপক্ষ সহজভাবে নেবে না। এলমহার্স্ট নিজেও সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। ফলে কয়েকদিন পরেই তিনি চলে যান। বলার অপেক্ষা রাখে না যে বাবা ইতালির যেখানেই গিয়েছিলেন সেখানেই অসাধারণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। সে সময়কার পত্রিকায় চোখ বুলালেই তা জানা যাবে। তবে কিছু কিছু ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এখনও কেউ তেমনভাবে জানে না। সেগুলোর কথা বলা যেতে পারে।

    বাবা তখন রোমে। কয়েকজন সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর সম্মানে প্রদত্ত বক্তৃতাসমূহের উত্তরেও কিছু কিছু কথা বলেছেন। মহলানবিশ আর আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছিল যে বাবার বক্তব্য পত্রিকায় ঠিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে না। আমাদের বন্ধু আঁদ্রে কার্পেলে ইতোমধ্যে এক সুইডিশ ভদ্রলোককে বিয়ে করেছিলেন। তিনিও স্বামীসহ রোমে এসেছিলেন। কিছুটা বাবার সঙ্গে দেখা করা আর কিছুটা তাঁর বরকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য। আঁদ্রে ইতালিয়ান ভাষা জানতেন। তিনি পত্রিকা পড়ে বললেন যে আমরা ঠিকই সন্দেহ করেছি। আমরা ইতালিয়ান শেখার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তার ওপর নির্ভর না করে বাবার বক্তব্য অনুবাদ করে দেয়ার জন্য একজন অস্ট্রিয়ান মহিলাকে রাখা হল। তিনি ইংরেজি ও ইতালিয়ান উভয় ভাষা জানতেন। কিন্তু তাঁর অনুবাদ খাঁটি ছিল না। পরে জেনেছিলাম যে তিনি একজন সুপরিচিত আন্তর্জাতিক গুপ্তচর, মুসোলিনি সরকার তাঁকে মাইনে দিত।

    কাকতালীয়ভাবে রোম বাবার বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের মিলনক্ষেত্র হয়ে দাঁড়াল। লিওনার্দ এলমহার্স্ট, আঁদ্রে কার্পেলে আর তাঁর স্বামী দাল হগমান তো এসেছিলেনই; আমাদের অবাক ও আনন্দিত করে আরও এলেন মিসেস ভন মুডি। পাশাপাশি এদের অনেক বন্ধু-বান্ধবও আমরা যেখানে ছিলাম, অর্থাৎ গ্র্যান্ড হোটেলে ভিড় জমালেন। পরিচিতজনদের পেয়ে বাবা অত্যন্ত খুশি হলেন। রোমে আমাদের এই গ্রীষ্মকালীন সফরে কখনোই সঙ্গীর কোনো অভাব হয়নি। মিসেস মুডি বললেন যে ইতালির দার্শনিক বেনেদেত্তো ক্রোচের সঙ্গে মোলাকাত না করে বাবার রোম ছাড়া উচিত হবে না। বাবাও তা চাইছিলেন, কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব বুঝতে পারছিলেন না। তাঁর সঙ্গে বাবার পূর্ব পরিচয় ছিল না, আর তিনি কোথায় থাকেন সেটাও আমরা জানতাম না। প্রফেসর ফরমিকি এ ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখালেন না। মিসেস মুডি ইতালিয়ান সেনাবাহিনীর এক তরুণ কর্মকর্তাকে নিয়ে এলেন। ক্রোচের সঙ্গে তাঁর ভালো জানাশোনা ছিল। তিনি তাঁকে গোপনে নিয়ে আসার প্রস্তাব করলেন। বললেন, কেউ ব্যাপারটা জানতে পারবে না।

    এই সেনা কর্মকর্তাটির আনুগত্য ছিল রাজার দিকে এবং সে অন্তত একবারের জন্য হলেও মুসোলিনির চোখে ঘুষি মারার ইচ্ছা পোষণ করত। বাবা তাকে তাড়াহুড়ো করতে মানা করলেন। বললেন যে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে তিনি নিজেই খোদ ‘দুচি’ অর্থাৎ নেতাকেই বলবেন। মুসোলিনির সঙ্গে দেখা হলে বাবা সে অনুরোধই করলেন। তিনি সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে ফরমিকিকে তৎক্ষণাৎ আদেশ দিলেন। অনুমতি পাওয়ার পর এবার প্রশ্ন দাঁড়াল কীভাবে মুসোলিনির চরদের এড়িয়ে বাবা ও ক্রোচে মুক্তভাবে কথাবার্তা বলবেন। সেই সেনা কর্মকর্তাটি আবারও সাহায্যের প্রস্তাব করলেন। তিনি নেপোলি চলে গেলেন এবং পরের দিন ভোর পাঁচটায় ক্রোচেকে বাবার কাছে নিয়ে এলেন। তখনও কেউ ঘুম থেকেই জাগেনি। তাঁরা দুজন বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে কথা বলতে পারলেন। ফরমিকি যখন এলেন তখন তাঁরা নাস্তা করছেন। আমি করিডোরে পাহারা দিচ্ছিলাম। তাঁকে জানালাম যে বাবা ভিতরে ক্রোচের সঙ্গে ব্যস্ত আছেন, তখন তাঁর দাঁত কিড়মিড়ানি দেখে কে! পারলে বুঝি মাথার চুলও ছিঁড়তে লেগে যান।

    আমি ঠিক জানি না এ দুই মহাপুরুষ কী নিয়ে এত দীর্ঘ সময় কথা বলেছিলেন! আমি, আমরা কেউই উপস্থিত ছিলাম না। কিন্তু বাবা যে অত্যন্ত প্রীত হয়েছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় এর পরপরই ডিউক স্কত্তিকে লেখা তাঁর এ চিঠিটা থেকে:

    একটু সমস্যা হলেও শেষ পর্যন্ত আপনাদের মহান দার্শনিক ক্রোচের একনজর সাক্ষাৎ লাভে সক্ষম হয়েছি। মুক্তচিন্তার বীরদের সঙ্গে আলাপ করতে পারাটা সবসময়ই আমাকে আনন্দ দেয়। ইউরোপে এলেই আমরা চিন্তার স্বাধীনতা আর সৃজনশীলতা থেকে প্রেরণা পেতে চাই, আপনাদের ক্রীড়াবিদীয় দক্ষতার ঝলকানিতে হতচকিত হতে এখানে আসি না। এই বস্তুটি মনে হয় সম্প্রতি আপনারা ধার করেছেন আমেরিকা থেকে, যে মহাদেশটি বিশ্বাস করে যে মোটা হওয়া মানেই বড় হওয়া, এবং সে কারণেই আদর্শবাদ আর সত্যের অবাধ প্রকাশকে ভয় করে।

    আগের বছর, ১৯২৫ সালে, আমরা যখন প্রথমবার ইতালি আসি, ডিউক স্কত্তিই আমাদেরকে মিলানে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ইতালির একটি প্রাচীন ও মহান পরিবারের সদস্য স্কত্তি ছিলেন সত্যিকারের অভিজাত এবং সুপণ্ডিত। তাঁর উদ্যোগেই মিলানে ‘‘সার্কেলো ফিললজিকো মিলানিজ’ স্থাপিত হয়েছিল। সকলেই তাঁকে ভালোবাসত ও সম্মান করত। কিন্তু মিলানের লোকদের ওপর তাঁর এই প্রভাবকে মুসোলিনি ভালোভাবে নেননি। যদিও এ শহর থেকেই ফ্যাসিবাদী বিপ্লবের শুরু এবং এখান থেকেই মুসোলিনি দলবল নিয়ে দক্ষিণের দিকে মার্চ করেছিলেন, উত্তরের লোকেরা কখনোই তাঁর খুব অনুরক্ত হয়নি। শীঘ্রই আমরা জানতে পারলাম যে আমরা যে হোটেলে থাকি সেই হোটেল ক্যাভার-এ মুসোলিনি তাঁর সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপপত্নীকে পাঠিয়েছেন। বাবা ও স্কত্তির মেলামেশার ওপর নজর রাখার জন্য মুসোলিনি এটা করেছিলেন। সে সফরে ডিউক এবং অন্য যে ইতালীয়র সঙ্গেই আমরা মিশেছি সবাই সেখানকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। কিন্তু এবার, ১৯২৬ সালে এসে কিন্তু দেখলাম অবস্থা বদলে গেছে।

    ফ্যাসিস্টরা উত্তরের ওপর তাদের মুঠি পাকাপোক্ত করেছে, লোকেরা সন্ত্রস্ত এবং মনের ভাব বাইরে প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। ডিউক নিজেও বদলে গেছেন। একবার এসে কেবল ভদ্রতাসূচক দেখা করে গেলেন। আমরা বুঝতে পারছিলাম এ রকম নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তাঁর মত একজন মানুষের জন্য কতটা বেদনাদায়ক। বাবা যেন তাঁকে ভুল না বোঝেন সেজন্য তিনি তাঁর এক নিকটাত্মীয়া, রাজার বোনকে গোপনে তুরিনে বাবার কাছে পাঠান। কেবল তাঁর আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য কিংবা ফ্যাসিস্টদের অধীনে তাঁদের পরিবার কিরূপ নিগৃহীত হচ্ছে সেটা জানাতেই তিনি তাঁকে পাঠাননি, বরং বাবার কাছে কিছু কাগজপত্র দিতে পাঠিয়েছিলেন। যেসব বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিস্ট মতাদর্শের কাছে তাঁদের আত্মা বিকিয়ে দেননি তাঁদের উপর কী বর্বর নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার কিছু প্রমাণ ঐসব কাগজে লিপিবদ্ধ ছিল। বাবার সফর নিয়ে ফ্যাসিস্টরা যে মিথ্যা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিল সেটাও আমাদের ভালো লাগেনি। আমরা মুসোলিনির পাণ্ডাদের অত্যাচার সম্পর্কে কানাঘুষা শুনেছিলাম। ডিউকের পাঠানো কাগজপত্রে প্রমাণ পাওয়া গেল যে, আপাতদৃষ্টিতে প্রতীয়মান হওয়া সুখ আর সমৃদ্ধির পুরোটাই সত্যি নয়। আড়ালে অন্যসব ব্যাপারও আছে। কিন্তু বাবা যে মুসোলিনির শাসনের ভক্ত নন তা প্রকাশ করতে পারছিলেন না। অন্তত যতদিন ইতালিতে ছিলেন ততদিন তো নয়ই। কাজেই তিনি সুইজারল্যান্ডে যাবার জন্য ব্যগ্র হয়ে গেলেন। সেখানে একটি মুক্ত পরিবেশ পাওয়া যাবে, যেখানে তিনি মনের কথা খুলে বলতে পারবেন। ততদিনে লেক জেনেভার তীরে ভিলেনুয়েভ নামক রিসর্টে রম্যাঁ রল্যাঁ স্থায়ীভাবে আস্তানা গেড়েছেন। আমরা সেখানে যাওয়া স্থির করলাম। কিন্তু ভেনিস ও তুরিন সফর তখনও বাকি ছিল। এ দুই শহরের লোকেরা খুব করে ধরেছিল যেন বাবা তাদের ওখানে যান। চিঠি, টেলিগ্রাম আর প্রতিনিধির মাধ্যমে নিমন্ত্রণের পর নিমন্ত্রণ পাঠানো হচ্ছিল। ভেনিসের আলাদা একটা আবেদন ছিল, আর তুরিন তো সুইজারল্যান্ড যাবার পথেই পড়বে। শেষ পর্যন্ত আমরা ওই দুই শহরে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম।

    প্রথমে গেলাম ভেনিস। শহরের নগরাধিপতি এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ বাবাকে যেভাবে মধ্যযুগীয় কায়দায় অভ্যর্থনা জানালেন তাতে আমরা মুগ্ধ ও প্রীত হলাম। ভেনিস তখনও তার পুরনো কায়দা ও কেতা ধরে রেখেছে। প্রাচীন নগরী ডুজেস-এ মধ্যযুগে কোনো রাজন্য এলে যে ধরনের অভ্যর্থনা দেয়া হতো, আমাদেরকে সেভাবেই স্বাগত জানানো হলো। হোটেলে যাবার পথে একটু ধাক্কা খেলাম। রঙিন কাপড়চোপড় পরিহিত এ সকল অভিজাত ব্যক্তি মোটরচালিত নৌকার বহরে চড়ে হোটেলের পথে আমাদের সঙ্গী হয়েছিলেন। তাদের আধুনিকত্ব প্রকাশ করার জন্যই বুঝিবা নৌকাগুলো তারস্বরে সাইরেন বাজাচ্ছিল। বাবা যখন বিভিন্ন প্রতিনিধিকে সাক্ষাৎ দিতেন আর অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতেন, আমরা তুলনামূলক কম বয়স্করা চুপি চুপি বেরিয়ে পড়তাম শহর দেখতে। গন্ডোলা নামক বিশেষ ধরনের নৌকায় চড়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে জালের মত বিস্তৃত খালে ঘোরাঘুরি করতে করতে শহরজীবন দেখতাম। কখনও কখনও চোখে পড়ত প্রাচীন কোনো নিদর্শন।

    আমরা গ্র্যান্ড ক্যানেলে কখনও যাইনি, কারণ পর্যটকদের ভিড়ে এর আসল চরিত্র হারিয়ে গিয়েছিল। আমার স্ত্রীর কাছে আমাদের অভিজ্ঞতা, বিশেষত সরকারি লোকদের অযাচিত সঙ্গ এড়িয়ে ঘোরাঘুরি করতে পারার কথা শুনে বাবা দুঃখ করলেন। বললেন যে অবিবেচক স্বার্থপরের মত আমরা তাঁকে এ আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেছি। তাঁর বকা শুনে পরদিন খুব সকালে একটা গন্ডোলা ভাড়া করে ফেললাম, আর কেউ জানতে পারার আগেই বাবাকে নিয়ে চুপি চুপি খালে খালে ঘুরতে বেরিয়ে গেলাম। বিদেশ সফরে গেলে বাবার কোনো গোপনীয়তা থাকত না। সত্যি বলতে কি ভারতেও তিনি তা খুব একটা পেতেন না। আমরা যখন গ্র্যান্ড হোটেলে ফিরলাম তখন সেখানে রীতিমত তোলপাড় চলছে। সকল কর্মচারীকে জমায়েত করে ম্যানেজার কৈফিয়ত তলব করছেন যে কবি কীভাবে ও কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেলেন! আমাদের খোঁজে নানা জায়গায় ফোন করা হচ্ছিল। পুলিশকেও বলা হয়েছিল প্যাট্রল পার্টি বের করে আমাদের সন্ধান করতে। সবচেয়ে আমুদে ছিল প্রফেসর ফরমিকির ব্যবহার। তিনি যেভাবে হোটেলের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে দৌড়াদৌড়ি আর হতাশার ভঙ্গি করছিলেন তা বুঝি কেবল একজন ইতালিয়ানের পক্ষেই সম্ভব। দেখা গেল নাস্তার টেবিলে সুস্বাদু গরম ওমলেট খেতে খেতেও তাঁর গজরানি চলছে।

    *

    ১. অভিযোগ আছে যে রবীন্দ্রনাথ ইতালির একনায়ক মুসোলিনির প্রশংসা করেছিলেন। অনেকেই এটাকে নেতিবাচকভাবে নিয়েছেন। ভুল বোঝাবুঝি বলতে রথীন্দ্রনাথ হয়ত সেদিকেই ইঙ্গিত করেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }