Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টুকরো স্মৃতি

    আমাদের কোলকাতা বাস দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়নি। আমার বয়স আট বছর হয়েছে কি হয়নি, পিতামহ বাবাকে পারিবারিক জমিদারি দেখাশুনার ভার দিলেন। বাবা ছিলেন কনিষ্ঠ পুত্র, তদুপরি কবি। তবুও তিনি কেন তাঁর কাঁধে এ দায়িত্ব অর্পণ করলেন, বোঝা শক্ত। সিদ্ধান্তটি অনেকেরই পছন্দ হয়নি। দায়িত্বটির সঙ্গে নগদ প্রাপ্তির যোগ ছিল, সেটাও অনেকের ঈর্ষার উদ্রেক ঘটিয়ে থাকতে পারে। আগে পরিবারের অন্য সকলের মত বাবাও মাসে দুইশ’ টাকা ভাতা পেতেন, নতুন দায়িত্ব লাভের ফলে ভাতার পরিমাণ আরও একশ’ টাকা বাড়ল। তখনকার দিনের হিসেবে এ টাকা কতই না বেশি ছিল[১] আর এখনকার আমলে কতই না অকিঞ্চিৎকর! আমাদের জমিদারির সদর দপ্তর ছিল শিলাইদহ। একসময় বাবা আমাদেরকেও সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন। শিলাইদহ যাবার আগে জোড়াসাঁকোর আরও কিছু বিচ্ছিন্ন টুকরো-টাকরা স্মৃতি মনে পড়ে। সে সকল স্মৃতি যত না বাবাকে ঘিরে, তার চেয়ে বেশি মায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    আমরা যে ঘরগুলোতে থাকতাম, তার বাইরে বাবার আলাদা পড়ার ঘর ছিল। তিনি সেখানে লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন অথবা সাহিত্যজগতের বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতেন। সপ্তাহে একবার তিনি আমাকে ও আমার দিদিকে ডেকে পাঠাতেন। সেদিন ঘড়িতে দম দেয়া হতো। বাবা তাঁর বিয়েতে একটা সোনার পকেট ঘড়ি উপহার পেয়েছিলেন। ঘড়িটির দুদিকে ডালা ছিল, একটা বোতাম টিপলে ডালা খুলে যেত। তিনি সবসময় এ ঘড়িটাই ব্যবহার করতেন। এর পর দম দেয়া হতো চামড়ার বাক্সে রাখা আরেকটি দামি ঘড়িতে, যাকে বলে ক্যারেজ ক্লক। এ ফাঁকে ঘড়িটির ইতিহাসও একটু বলে নিই। দ্বারকানাথ ঠাকুর যখন বিলাত যান, সে যুগের বিখ্যাত ঘড়ি নির্মাতা ম্যাককাবেকে ওটা বানিয়ে দেয়ার ফরমায়েশ করেন। ঘড়িটি তৈরি করতে কয়েক বছর লেগেছিল। তৈরি শেষ হবার আগেই দ্বারকানাথ মারা যান। ঘড়ি তৈরি হলে দেখা গেল ক্রেতার খোঁজ নেই। নির্মাতা কোম্পানি পরবর্তী এক বছরে বহু কষ্ট করে দ্বারকানাথের ওয়ারিশ তথা মহর্ষির ঠিকানা সংগ্রহ করেন এবং ঘড়িটি সুদূর লন্ডন থেকে কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। দ্বারকানাথ ঘড়িটির সম্পূর্ণ মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করেছিলেন। তিনি কাউকেই এর কথা বলে যাননি। ম্যাকক্যাব কোম্পানি যদি না জানাত, তাহলে ঘড়িটির কথা কেউ জানতেও পারত না। কোম্পানিটি যে কতটা সৎ—ঘটনাটি তারই প্রমাণ বহন করে। মহর্ষি পরে বাবাকে ঘড়িটি উপহার দেন। এজন্য বাবা এটির বিশেষ যত্ন নিতেন, নিজেই এর দম দিতেন। আমাদের দুজন ছাড়া আর কাউকে ওটা ধরতে দিতেন না। ঘড়িটিতে ঘটা করে দম দেয়া হতো এবং এ সময় উপস্থিত থাকতে পারতাম বলে বেশ অহংকার হতো।

    অনেক তরুণ কবি ও খ্যাতি-প্রত্যাশী সাহিত্যিক বাবার কাছে ঘন ঘন আসতেন। এদের একজন ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ। তিনি বিলেত থেকে ফিরে সবে কোলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেছেন। তখনও রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েননি। রাজনীতি নয়, সেসময় কবিতা লেখার দিকেই তাঁর বেশি ঝোঁক ছিল।[২] মামলা পাবার অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কোর্টে কাটিয়ে সরাসরি আমাদের বাড়িতে চলে আসতেন। একবারে দুটো করে সিঁড়ি ভাঙতেন, আর উপরে উঠতে উঠতেই চেঁচিয়ে বলতেন, “কাকিমা, তাড়াতাড়ি ঝোল-মাংস আর লুচি দেন। পেটে আগুন জ্বলছে।” তিনি বেশ খেতে পারতেন, মা তাঁকে খাওয়াতে পছন্দ করতেন। তাঁর পকেটে সব সময় নোটবুক থাকত, সেখান থেকে নতুন কবিতা পড়ে শোনাতেন। বাবা তাঁকে প্রেরণা দিতেন, কখনও লেখাগুলোর একটু-আধটু সংশোধন করতেন, আবার কখনও তাঁর উৎসাহে একেবারেই জল ঢেলে দিতেন।

    মা ছিলেন স্নেহপরায়ণ ও মিষ্টি স্বভাবের। পরিবারের সবাই তাঁকে পছন্দ করত। তারা সুখ-দুঃখের কথা বলার জন্য মায়ের কাছে আসত। তিনি যেমন তাদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেন তেমনি বিপদের সময় পরামর্শ দিতেন। সবার ওপর তাঁর ছিল সমান স্নেহ, এক বলুদাদা[৩] ছাড়া। এ চাচাত ভাইটির প্রতি তাঁর বিশেষ মমতা ছিল। তিনি মাকে তার লেখা পড়ে শোনাতেন, পড়ে শোনাতেন সংস্কৃত ও ইংরেজি ধ্রুপদী সাহিত্যকর্ম থেকেও। মা-র কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না বললেই চলে। কিন্তু শুনতে শুনতেই প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মহৎ রচনাগুলোর সঙ্গে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন, আর সংস্কৃত ও ইংরেজি ভাষা সম্পর্কে তাঁর খানিকটা জ্ঞানও জন্মেছিল।

    বলুদাদাকে বাবাও পছন্দ করতেন। তাঁর মধ্যে শৈল্পিক ও সাহিত্যিক লক্ষণাবলি দেখতে পেয়ে বাবা তাঁর যত্ন নিয়েছিলেন এবং ছোটবেলা থেকেই তাঁকে শেখাতে শুরু করেছিলেন। সাহিত্যের দিকে ঝোঁক ছিল আরেক দাদা, জ্যাঠাতো ভাই সুধীন্দ্রনাথেরও।[৪] দুজনের প্রতিভা যেন বিকাশের সুযোগ পায় বাবার সেদিকে খেয়াল ছিল। বালক নামক কিশোরদের পত্রিকাটিতে নিয়মিত লেখার জন্য তিনি তাঁদেরকে উৎসাহিত করতেন। পত্রিকাটির আয়ু ছিল মাত্ৰ দুবছর। কিন্তু এর মান ছিল খুব ভালো। আজকের দিনেও এটাকে কিশোর

    সাংবাদিকতার একটি পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শিক্ষানবিসি সম্পন্ন করার জন্য তাদেরকে সাধনা পত্রিকার সম্পাদনার কাজেও লাগানো হয়। এটি ছিল বাবার প্রতিষ্ঠা করা অতি উঁচুমানের সাহিত্যপত্রিকা।[৫] বড় জ্যাঠা দ্বিজেন্দ্রনাথের ভারতী পত্রিকাতেও তারা লিখতেন।[৬]

    বলেন্দ্রনাথকে আমি বলুদাদা বলে ডাকতাম। কোনো প্রবন্ধ লেখা শেষ হলে তিনি তা বাবাকে দেখাতেন। প্রায় সময়ই বাবা সেগুলো পুনরায় লিখতে বলতেন। বিষয়বস্তুটিকে কীভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে সে বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতেন। পুনর্লিখন সম্পন্ন হলে, বাবা তাঁর সঙ্গে প্রত্যেকটা বাক্য ধরে ধরে আলোচনা করতেন। প্রয়োজনে বাক্যের গঠন শুদ্ধ করতেন এবং অধিকতর উপযোগী শব্দ বসিয়ে দিতেন। অন্তত চার-পাঁচবার লেখা ব্যতীত কোনো প্রবন্ধই মুদ্রণের জন্য ছাড়পত্র পেত না। রচনাশৈলী শুদ্ধ করার এ নিবিড় প্রশিক্ষণ বলুদাদা বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিয়েছিলেন। এতে কাজও হয়েছিল বেশ। তিনি যেকোনো বিষয়কে প্রাঞ্জল অথচ যৌক্তিকভাবে উপস্থাপনের কৌশল আয়ত্ত করতে পেরেছিলেন। তাঁর প্রবন্ধে একটিও বাক্য পাওয়া যেত না যা বাহুল্য, একটিও শব্দ পাওয়া যেত না যার চেয়ে আরও যুৎসই প্রতিশব্দ ব্যবহার করা যেত। বলুদাদা অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার শুরুর দিকের বলি। মায়ের সঙ্গে একত্রে ভ্রমণকালে দাঙ্গাকারীরা তাঁদের গাড়িটিতে হামলা করে। নিজের মাকে রক্ষা করতে গিয়ে তিনি মাথায় আঘাত পান। এ আঘাতজনিত জটিলতা থেকে পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়।[৭] তিনি কেবল একটি কি দুটি কবিতার বই আর একটি প্রবন্ধ সংকলন রচনা করতে পেরেছিলেন। সংখ্যায় অল্প হলেও তাঁর রচনাবলি বাংলা সাহিত্যে বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে।[৮]

    আমাদের বাড়িটির বিশাল ছাদ ছিল। এটি এতই বড় যে এর মধ্যে দুটি টেনিস কোর্ট এঁটে যেতে পারে। এটি অনেকটা সামাজিকতার কেন্দ্র হিসেবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। বাচ্চারা এখানে খেলাধুলা করত, দিনভর তাদের হৈচৈ শোনা যেত। সন্ধ্যার দিকে বয়স্করা, বিশেষ করে মহিলারা আসতেন। মাঝখানে কিছুটা জায়গা একটু উঁচু করে প্ল্যাটফর্মের মত তৈরি করা হয়েছিল। তাঁরা সেখানে মাদুর আর চাদর বিছিয়ে আড্ডা দিতে বসতেন। চা-পানের চল তখনও শুরু হয়নি। মায়ের ভাণ্ডারে হরেক রকমের মিষ্টি থাকত। তিনি সবাইকে মিষ্টি আর ঠাণ্ডা সরবত খেতে দিতেন। বাতি জ্বালানোর জন্য নির্দিষ্ট লোক ছিল। সন্ধ্যার আঁধার নেমে এলে সে ঘরে ঘরে তেলের লণ্ঠন জ্বালিয়ে রেখে যেত। ততক্ষণে পুরুষরাও ছাদের আড্ডায় যোগ দিত। আসর তখন জমজমাট হয়ে যেত। অন্য কিছু হোক আর না হোক, গানের আসর হতোই। গান ছাড়া ঠাকুরবাড়ি অকল্পনীয়। প্রায় সব সময়ই কোনো-না-কোনো ঘর থেকে গানের আওয়াজ ভেসে আসত। এ বাড়ির প্রায় সকলেই ভালো শিল্পী ছিলেন। কেবল তা-ই নয়, গান ছিল তাদের প্রাণ, গান ছিল তাঁদের জীবন। সংগীত চর্চার জন্য ছাদটি ছিল আদর্শ। গ্রীষ্মকালে দখিনা বাতাসে যেমন গা জুড়াত, তেমনি চাঁদের মায়াবী আলোয় গোটা পরিবেশ যেন অপার্থিব হয়ে উঠত। প্রেম, ভক্তি, বিরহ ও বেদনার—সব ধরনের গানই গাওয়া হতো এখানে। সুকণ্ঠী গায়ক ছিল অনেক, কিন্তু বাবা বিশেষভাবে পছন্দ করতেন আমাদের জ্যাঠাতো বোন অভিদিদির[৯] গান। তার গলায় যেন বসন্তের পাখি গেয়ে উঠত। সে অল্প বয়সে মারা গিয়েছিল। তার মত এত মিষ্টি কণ্ঠ আর কখনও ঐ বাড়িকে আনন্দে ভরিয়ে তোলেনি। পরিবারের বাইরের গায়কদের মধ্যে, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের বোন অমলা দাশের গানও বাবা পছন্দ করতেন। মা তাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। দত্তক নেয়ার মত সে পরিবারের একজন হিসেবেই বেড়ে উঠছিল।[১০] আমরা তাকে ডাকতাম অমলাদি। এ সময় বাবা এমন কিছু গান রচনা করেছিলেন যেগুলো বিশেষভাবে তাঁর কণ্ঠেই ভালো লাগত। একটি গান ছিল-

    চিরসখা, ছেড়ো না মোরে ছেড়ো না।
    সংসারগহনে নির্ভয়নির্ভর, নির্জনসজনে সঙ্গে রহো ॥
    অধনের হও ধন, অনাথের নাথ হও হে, অবলের বল।
    জরভারাতুরে নবীন করো ও হে সুধাসাগর ॥[১১]

    ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে লেখা এসব গান শুনতে পেলে আজও আমার মন ছাদের সে সন্ধ্যাগুলোতে চলে যায়। চোখের সামনে ভেসে ওঠে অমলাদির ছবি, দেখতে পাই অবিস্মরণীয় কণ্ঠে তন্ময় হয়ে তিনি গান গাইছেন। অমলাদি সুন্দরী ছিলেন না। অস্বাভাবিক রকমের লম্বা আর হৃষ্টপুষ্টতার কারণে তাঁকে দেখে সমীহ জাগত। তবে সুরেলা গলার সুমিষ্ট গান শুনলে তার পুরুষালি চেহারার কথা আর কারও মনে থাকত না।

    *

    ১. এর গুরুত্ব বোঝা যাবে যদি আমরা মনে রাখি যে তখন চালের দাম ছিল মোটামুটি তিন টাকা মণ।

    ২. পরবর্তীকালে রাজনীতি করে বিখ্যাত হন, দেশবন্ধু উপাধি লাভ করেন। তাঁর একাধিক কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছিল। তবে দেশবন্ধুর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের হৃদ্যতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দুই বিখ্যাত ব্যক্তি পরস্পর থেকে ক্রমে দূরে সরে যান। কথিত আছে যে, তাঁর সাগরসঙ্গীত কাব্য বের হলে রবীন্দ্রনাথ এ বিষয়ে মৌনতা অবলম্বন করেন। পরবর্তীকালে চিত্তরঞ্জন দাশ সম্পাদিত নারায়ণ পত্রিকা রবীন্দ্রবিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, এমনকি দেশবন্ধু ভাড়াটে লেখক দিয়ে রবীন্দ্রবিরোধী লেখা ছাপাতেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। অবশ্য রবীন্দ্রনাথ কখনও প্রকাশ্যে তাঁর সমালোচনা করেননি। বরং দেশবন্ধুর মৃত্যুর পর ‘এনেছিলে সাথে করে/মৃত্যুহীন প্রাণ/মরণে তাহাই তুমি/করে গেলে দান’ নামক কবিতা লিখে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    ৩. বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

    ৪. দেবেন্দ্রনাথের বড় ছেলে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ পুত্র। জন্ম-১৮৬৯, মৃত্যু-১৯২৯।

    ৫. সাধনার প্রকাশ ঘটে ১৮৯১ সালে। শুরুতে সম্পাদক হিসেবে সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম ছাপা হতো। বছর তিনেক পর থেকে সম্পাদক হিসেবে রবীন্দ্রনাথের নাম ছাপা শুরু হয়।

    ৬. সম্পাদক হিসেবে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম থাকলেও এ পত্রিকার মূল ব্যক্তি ছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ও কাদম্বরী দেবী তাঁকে সহায়তা করতেন।

    ৭. রথীন্দ্রনাথ বর্ণিত এ তথ্যটি নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে। অন্য কারও লেখায় এর সমর্থন পাওয়া যায় না। এমনকি এ গ্রন্থেরই বাংলা রূপ পিতৃস্মৃতি গ্রন্থে রথীন্দ্রনাথ নিজেও তা উল্লেখ করেননি, কেবল এটুকু লিখেছেন যে তিনি অল্পবয়সে মারা যান। কারও কারও মতে, বলেন্দ্রনাথ যক্ষ্মায় মারা যান। তাঁর মা প্রফুল্লময়ী দেবীর বর্ণনা অনুসারে ভ্রমণকালে কাশীতে একটি পুকুরে গোসলের সময় তাঁর কানে পানি ঢোকে। সেই থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ব্রাহ্মসমাজের সম্মেলন নিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। কুষ্টিয়ায় স্থাপিত ব্যবসায়ে লোকসান হলে তা সামলাতে গিয়ে তাঁর শরীর ভেঙে পড়ে। পরবর্তীতে কোলকাতায় মারা যান। রবীন্দ্রনাথও একটি লেখায় উল্লেখ করেছেন যে রোগাক্রান্ত হয়েই তিনি মারা গেছেন। বলেন্দ্রনাথের মৃত্যু হয় ১৮৯৯ সালের ১৯ আগস্ট, ২৯ বছর বয়সে।

    ৮. তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থের নাম চিত্র ও কাব্য। এটি মূলত সাহিত্য সমালোচনা। কবিতার বই দুটির নাম মাধবিকা ও শ্রাবণী। তবে এগুলোর বাইরেও তাঁর লেখা বিশেষত ব্রহ্মসংগীত রয়েছে।

    ৯. হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা অভিজ্ঞা ঠাকুর। জন্ম-১৮৭৪, মৃত্যু সম্ভবত ১৮৯৫। ব্রাহ্মসমাজের গায়ক রাধিকামোহন গোস্বামীর কাছে তালিম নেন। জন্মাবধি রোগা ছিলেন। বিয়ের রাতেই তাঁর যক্ষ্মা ধরা পড়ে। জানা যায় যে রোগীর অবস্থা শেষ পর্যায়ে। রবীন্দ্রনাথ ইন্দিরা দেবীকে প্রেরিত এক চিঠিতে লিখেন, ‘তোর আজকের চিঠিতে এক জায়গায় অভির গানের একটু উল্লেখ আছে—পড়ে মনটা কেমন হঠাৎ হু হু করে উঠল… অভির মিষ্টি গান শুনবার জন্য আমার এমনি ইচ্ছে করে উঠল যে…।’

    ১০. তিনি ছিলেন মৃণালিনী দেবীর ঘনিষ্ঠ সখী, বয়সে যদিও তিন বছরের ছোট। তাঁর স্কুলের বেতনও ঠাকুরবাড়ি থেকে দেয়া হতো।

    ১১. রবীন্দ্রসংগীতে অমলা দাশের ভূমিকা বোঝার জন্য এটুকু বললেই যথেষ্ট হবে যে, প্রথমদিকে নারী শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীত রেকর্ড করতেন না। রেকর্ডে প্রথম দিকের মহিলা গাইয়ে যেমন মানদাসুন্দরী, পূর্ণকুমারী দাসী, আশ্চর্যকুমারী প্রমুখ ছিলেন মূলত বাইজি। বিখ্যাত বাইজি গহরজানও রবীন্দ্রনাথের দুটি গান রেকর্ড করেছেন। তবে তাঁরা রবীন্দ্রনাথের সুরের ধার ধারতেন না, তাঁর লেখা গান নিজেদের সুরে গাইতেন! সুর তো ঠিক থাকার প্রশ্নই নেই, এমনকি কথাও বদলে দিতেন তাঁরা। এরকম একটি প্রেক্ষাপটে অমলা দাশই হলেন গৃহস্থ ঘরের প্রথম মেয়ে, যাকে দিয়ে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গান রেকর্ড করিয়েছেন। রেকর্ডে শিল্পী হিসেবে কিন্তু তাঁর পুরো নাম থাকত না, লেখা থাকত মিস দাশ (এমেচার)। রবি ঠাকুরের ‘যদি এ আমার হৃদয়দুয়ার’, ‘হৃদয়বাসনা পূর্ণ হল’, ‘ধায় যেন মোর সকল ভালোবাসা’, ‘একি আকুলতা ভুবনে’সহ এখানে উল্লেখকৃত ‘চিরসখা, ছেড়ো না মোরে’ গানটিও তাঁর কণ্ঠে রেকর্ডে বের হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }