Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে

    ১০.

    ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে মামাকে একটু চিন্তিত দেখতে পেলাম। কী হয়েছে জিজ্ঞেস করার পরও মামা পরিষ্কার করে উত্তর দিল না। তখন জিজ্ঞেস করলাম, “রাত্রে বাইরে গিয়েছিলে কেন মামা?”

    প্রথমে ঠিক বলতে চাইল না তারপর বলল, “বাইরে মানুষের পায়ের শব্দ শুনে দেখতে গিয়েছিলাম।”

    “কাউকে দেখেছ?”

    ‘না।”

    “তোমার ভয় করে নাই?”

    “না। ভয় করবে কেন?

    “আমার কাছে লাইসেন্স করা পিস্তল আছে। তুই আছিস সেজন্য একটু চিন্তা হয়।”

    “আমার জন্য কোনো চিন্তা করো না মামা।”

    মামা আমার দিকে তাকাল, কোনো কথা বলল না। আমি একবার ভাবলাম মামাকে সবকিছু বলে দিই কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বললাম না। ইউরেনিয়াম খনির খানিকটা মাটি নিয়ে এসে চারজন মিলে বলব। মাহবুব ডোরিন আর টনি কথা বলার সময় খুব করে থাকতে চাইছে।

    আমি একটু পরে বের হয়ে গেলাম। বের হওয়ার আগে মামার কাছ থেকে চেয়ে গাইগার কাউন্টারটা নিলাম। সেটাকে আজকে হাতে না ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে ব্যাকপেকে ভরে নিয়েছি। রাতে মানুষের পায়ের শব্দ শোনা গেছে তাই আমি মাইক্রোবাসটার চারপাশে ঘুরে দেখলাম। একটা গাছের নিচে কয়েকটা সিগারেটের গোড়া পেলাম, বিদেশি সিগারেট। কেউ রাতে এখানে দাঁড়িয়ে সিগারেট খেয়েছে। সিনেমায় দেখেছি ডিটেকটিভরা সিগারেটের গোড়া আঙুলের ছাপ বের করার জন্য ব্যবহার করে। আমিও গোড়াগুলো কাগজে মুড়ে নিয়ে নিলাম। হেঁটে হেঁটে নদীর তীরে গিয়ে দেখি এর মাঝে মাহবুব পৌঁছে গেছে। জিজ্ঞেস করলাম, “নৌকাটা এনেছ?”

    “হ্যাঁ।”

    “কোথায়?”

    ‘নদীর অন্য মাথায় রেখে এসেছি, তাহলে বেশি দূর নৌকা বাইতে হবে না।”

    “ভালো বুদ্ধি।”

    আমি আর মাহবুব নদীর তীরে ইতস্তত হাঁটতে হাঁটতে কথা বলতে লাগলাম। মামা যখন পুরো ব্যাপারটা জানবে তখন মামা কী করবে সেটা নিয়ে কথা হলো। বিদেশিগুলো আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে কিনা সেটা নিয়েও কথা হলো।

    ডোরিন আর টনির আসতে বেশ দেরী হলো। স্পিডবোটটা আগের মতো তাদেরকে নদীটার গোড়ায় নামিয়ে দিয়েছে। আমি দেখলাম তাদের দুজনের মুখ একটু গম্ভীর। কী হয়েছে জিজ্ঞেস করার আগেই ডোরিন বলল, মনি কাঞ্চন থেকে তাদের জানিয়েছে যে তাদের রিসোর্টে নাকি আজকের পর আর বুকিং নেই। আগে কখনো এরকম হয়নি তারা যতদিন ইচ্ছা থেকেছে। আমরা একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকালাম, আমরা তাদের গোপন ল্যাবরেটরিতে ঢুকে গেছি নিশ্চয়ই সেজন্য বদমাইশগুলো ডোরিনদের বুকিং ক্যান্সেল করে দিয়েছে।

    টনি মুখ শক্ত করে বলল, “যাওয়ার আগে মনি কাঞ্চনে আগুন দিয়ে যাব।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “গুড আইডিয়া তাহলে এটা আর মনি কাঞ্চন না থেকে ছাই ভস্ম হয়ে যাবে।”

    ডোরিন হি হি করে হাসল, বলল, “রিসোর্ট ছাই ভস্ম নামটা খারাপ না।”

    মাহবুব বলল, “দেরি হয়ে যাচ্ছে। চল যাই।”

    ডোরিন বলল, “দাঁড়াও দাঁড়াও। রওনা দেওয়ার আগে আমরা একটা সেলফি তুলে নিই।”

    “সেলফি তুলবে? ক্যামেরা আছে?”

    “আম্মুকে বলে তার মোবাইলটা নিয়ে এসেছি। ফিরে যাওয়ার সময় ফোন করার জন্য।”

    আমরা নদীর তীরে চারজন দাঁড়ালাম। ডোরিন আমাদের চারজনের একটা সেলফি তুলল। প্রথমে স্বাভাবিক ভঙ্গী, তারপর দাঁত বের করে সবশেষে দুই আঙুল তুলে বিজয়ের ভি সাইন দেখিয়ে। বিজয়টা ঠিক কোথায় সেটা অবশ্য পরিষ্কার বোঝা গেল না।

    নদীর তীর ধরে অনেকক্ষণ হেঁটে আমরা শেষ পর্যন্ত মাহবুবের নৌকাটা পেলাম। মাহবুব পানিতে নেমে নৌকাটাকে ঠেলে যতদূর সম্ভব তীরের কাছে নিয়ে এলো। আমরা জুতা খুলে পানিতে হেঁটে নৌকায় উঠে গেলাম।

    মাহবুব লগি দিয়ে ঠেলে নৌকাটাকে সামনে নিতে থাকে। আমিও আরেকটা লগি দিয়ে মাহবুবকে সাহায্য করার চেষ্টা করলাম কিন্তু তাতে মাহবুবের কতোটুকু সাহায্য হলো ঠিক বুঝতে পারলাম না। একটু পর। নৌকাটা নদীর একটু গভীরে যাওয়ার পর মাহবুব লগি রেখে বৈঠা তুলে নিল। সে হাল ধরল, আমরা তিনজন বৈঠা বাইতে লাগলাম, দেখতে দেখতে আমাদের নৌকা গুলির মতো ছুটতে লাগল। আমরা হেইয়া হো হেইয়া হো করে চিৎকার করতে করতে বৈঠা বাইছি। তার মাঝে ডোরিন একটু পর পর তার আম্মুর মোবাইলে ছবি তুলতে লাগল।

    মাহবুব একসময় হাত তুলে আমাদের থামাল। বলল, আমরা ইউরেনিয়াম খনির কাছাকাছি চলে এসেছি। আসলেই এটা ইউরেনিয়াম খনি কিনা আমরা জানি না কিন্তু সবাই জায়গাটাকে ইউরেনিয়াম খনি বলছি।

    আমরা সবাই মাথা ঘুরিয়ে দেখলাম হাতের বামপাশে একটা বড় জায়গা কাটা তার দিয়ে ঘেরাও করা। এক পাশে বড় একটা সাইনবোর্ডে লেখা :

    থ্রি স্টার সিমেন্ট ফ্যাক্টরির জন্য নির্ধারিত স্থান
    প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত

    আমি আমার ব্যাকপেক থেকে গাইগার কাউন্টারটা বের করে সেটা জায়গাটার দিকে মুখ করে ধরে অন করলাম গাইগার কাউন্টারের কটকট শব্দ তুলনামূলকভাবে বেশি কিন্তু খুব বেশি তা নয়।

    মাহবুব বলল, “আমরা এখানে নামব না। এখানে কয়েকটা গার্ড ঘোরাঘুরি করছে। আরো ভেতরে যাই।”

    আমি বললাম, “ঠিক আছে।”

    তারপর আবার সবাই মিলে বৈঠা বাইতে শুরু করলাম।

    কিছুক্ষণের মাঝে একটা নির্জন জায়গায় পৌঁছালাম। এখানে নদীর তীরে বেশ কিছু ঝোঁপঝাড় আছে। কাঁটাতারের বেড়াটা নেই। আমরা নৌকা থামিয়ে নেমে যেতে পারব। আমি আবার গাইগার কাউন্টার বের করে পরীক্ষা করলাম। কটকট শব্দটা যথেষ্ট বেশি। সেটা হাতে নিয়ে আমি প্রথমে নৌকা থেকে নামলাম। আমার পিছু পিছু ডোরিন আর টনি এবং সবার শেষে মাহবুব নৌকা থেকে নেমে এলো।

    আমি বললাম, “যদি গার্ড চলে আসে আমরা ভান করব যে আমরা জানতাম না এখানে ঢোকা নিষেধ। যদি আমাদের মাটি তুলতে না দেয় তাহলে সবাই জুতার ভেতরে মাটি ভরে নিয়ে যাবো।”

    টনি অবাক হয়ে বলল, “জুতার ভিতরে?”

    “হ্যাঁ, পায়ের আঙুল দিয়ে মাটি খুঁড়ে যতটুকু পার জুতার মাঝে ভরবে।”

    আমরা তখন খুবই স্বাভাবিক ভঙ্গী করে ঝোঁপঝাড়ের ভেতর দিয়ে যেতে থাকি এবং হঠাৎ আবিষ্কার করলাম আমার গাইগার কাউন্টারটা আগের মতো অনেক বেশি কট কট শব্দ করতে শুরু করেছে। জায়গাটা সত্যিই রেডিও একটিভ মাটি দিয়ে বোঝাই।

    আমি আশে পাশে তাকিয়ে ব্যাকপেকটা নামিয়ে হাতের খুরপিটা দিয়ে মাটি খুঁড়ে ব্যাগে ভরতে থাকলাম। ডোরিন টনি আর মাহবুব আমাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে রইল যেন কেউ আমাকে দেখতে না পায়।

    আমি যখন মাটি তুলে আমার ব্যাকপেকটা প্রায় ভরে ফেলেছি তখন হঠাৎ দেখলাম একজন গার্ড একটা বন্দুক হাতে হাত নাড়তে নাড়তে চিৎকার করতে করতে ছুটে আসছে।

    ডোরিন সাথে সাথে তার ক্যামেরাটা বের করে সেলফি তোলার ভান করতে লাগল। আমি দ্রুত কয়েকটা আগাছা ধরনের গাছ টেনে তুলে ব্যাকপেকে ভরে ফেললাম। মাটি কেন নিয়েছি জানতে চাইলে বলব মাটি নয়, গাছের চারা নিচ্ছি। এবং গাছের চারার সাথে একটু মাটি না থাকলে গাছের চারা বাঁচে না।

    গার্ডটা হাঁপাতে হাঁপাতে আমাদের কাছে এসে তার বন্দুকটা রীতিমতো আমাদের দিকে তাক করে ধমক দিয়ে বলল, “তোমরা কে? এখানে কী করতে এসেছ?”

    ডোরিন মধুর একটা ভঙ্গী করে হাসার চেষ্টা করে বলল, “কেন? আমরা বেড়াতে এসেছি! কী সুন্দর এই জায়গাটা।”

    গার্ড গলার স্বর আরো উঁচু করে বলল, “এটা কী বেড়ানোর জায়গা? দেখো নাই এখানে প্রবেশ নিষেধ?”

    “প্রবেশ নিষেধ? ডোরিন যেন রীতিমতো আকাশ থেকে পড়ল। আমাদের দিকে অবাক হয়ে তাকালো, রীতিমতো অনবদ্য অভিনয়, বলল, শুনেছ? এখানে নাকি প্রবেশ নিষেধ?”

    আমি ব্যাকপেকটা ঘাড়ে নিয়ে বললাম, “কোথাও তো লেখা নাই প্রবেশ নিষেধ। বুঝব কেমন করে?”

    মানুষটা হাত নেড়ে বলল, “এতো বড় সাইন বোর্ড, দেখ নাই?”

    “সাইনবোর্ডে প্রবেশ নিষেধ লেখা নাই।”

    “আছে।”

    “নাই। লেখা আছে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।”

    “একই কথা।”

    মাহবুব বলল, “এক কথা না। প্রবেশ অধিকার সংরক্ষিত মানে কেউ কেউ আসতে পারবে।”

    ডোরিন আবার মধুর ভঙ্গীতে হাসার ভঙ্গী করে বলল, “মনে করেন আমরা হচ্ছি সেই কেউ কেউ।”

    গার্ড মানুষটা কী করবে বুঝতে না পেরে ফোঁস ফোঁস করতে লাগল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমার ব্যাগে কী ঢুকাচ্ছিলে?”

    “কিছু ঢুকাচ্ছিলাম না।”

    “আমি দেখেছি তুমি কী যেন ঢুকাচ্ছ।”

    আমি আবার ব্যাগের দিকে তাকালাম, তারপর হঠাৎ মনে পড়ার ভঙ্গী করে বললাম, “ও আচ্ছা! এগুলো! কয়েকটা গাছের চারা নিয়েছি। এগুলো হচ্ছে রাজাকার গাছের চারা।”

    “কিসের চারা?”

    “রাজাকার গাছ। সেভেন্টি ওয়ানে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, কোনো কাজে লাগে না শুধু কাটা। সেইজন্য বলে রাজাকার গাছ।”

    “কী করবে এই গাছ দিয়ে?”

    “স্কুলে দেখাব। সায়েন্স প্রজেক্ট।”

    আলাপটা কোনদিকে যাবে বোঝা যাচ্ছিল না তাই ডোরিন তার মতো করে শেষ করার চেষ্টা করল, বলল, “আংকেল, আপনার সাথে একটা পিক তুলতে পারি?” ছবিকে কখন পিক বলতে হয় ডোরিন সেটা খুব ভালো করে জানে।

    মানুষটা থতমত খেয়ে বলল, “আমার সাথে? পিক?”

    “হ্যাঁ। আপনি বন্দুকটা এইম করে ধরবেন।”

    “এইটা বন্দুক না। এইটাকে বলে রাইফেল।”

    “ও আচ্ছা! আপনি রাইফেলটা এইম করে ধরবেন, আমরা দুই পাশে দাঁড়াব।”

    গার্ড মানুষটা ছবি তোলার কথা শুনে মনে হয় একটু নরম হয়ে গেল। বলল, “ঠিক আছে। তুলতে চাইলে তুলো। তারপর তাড়াতাড়ি চলে যাও। বড় স্যার দেখলে অনেক ঝামেলা হতে পারে।”

    কাজেই বড় স্যার দেখার আগেই আমরা কয়েকটা ছবি তুলে নৌকায় ফিরে এলাম। নৌকাটা মাঝ নদীতে নেওয়ার পর আমি গাইগার কাউন্টারটা ব্যাকপেক বোঝাই মাটির কাছে আনার সাথে সাথে সেটা বিকট স্বরে কট কট শব্দ করতে থাকে। আমি দাঁত বের করে বললাম, “মামা আজকে কী অবাক হবে আর কী খুশি হবে চিন্তা করতে পার?”

    সবাই স্বীকার করল তারা সেটা চিন্তা করতে পারে না।

    দূর থেকে মামার মাইক্রোবাসটা দেখেই আমার বুকটা কেমন জানি ছাৎ করে উঠল। ঠিক কেন বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল আমি নিজেও জানি না। ড্রাইভিং সীটের একটা দরজা খোলা ছিল এছাড়া আর কিছুই অস্বাভাবিক ছিল না।

    আমি মাইক্রোবাসটার কাছে গিয়ে মামাকে ডাকলাম, “মামা।”

    কেউ আমার কথার উত্তর দিল না। আমি আবার ডাকলাম এবারেও কেউ আমার কথার উত্তর দিল না। আমার কাছে মাইক্রোবাসের একটা চাবি তাকে, আমি সেটা বের করে মাইক্রোবাসের পিছনের দরজা খুলে ভিতরে উঁকি দিলাম। ভিতরে সবকিছু এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে কিন্তু মামার কোনো চিহ্ন নাই। মামার এক পাটি জুতা শুধু পড়ে আছে। এক পাটি জুতার মতো ভয়ংকর আর কিছু হতে পারে না। এক পাটি জুতা দেখলেই বুকটা কেমন জানি ধ্বক করে উঠে। কিছু একটা অস্বাভাবিক না হলে কখনোই এক পাটি জুতা পড়ে থাকে না।

    আমি আবার গলা উঁচিয়ে ডাকলাম, “মামা। মামা।”

    কেউ উত্তর দিল না, উত্তর দেবে আমি সেটা আশাও করি নাই, ভয়ে আমার বুকটা হিম হয়ে গেল।

    মাহবুব জিজ্ঞেস করল, “কোথায়? তোমার মামা কোথায়?”

    আমি শুকনো গলায় বললাম, “মনে হয় ওই বদমাইশগুলো ধরে নিয়ে গেছে।”

    ডোরিন অবাক হয়ে বলল, “ধরে নিয়ে গেছে? কিডন্যাপ?”

    “মনে হয়। রাত্রি বেলা এরা মাইক্রোবাসটার চারপাশে হাঁটাহাঁটি করছিল।”

    “সর্বনাশ! এখন কী হবে?”

    টনি জিজ্ঞেস করল, “ধরে কোথায় নিয়ে গেছে?”

    “নিশ্চয়ই মনি কাঞ্চনের নিচতলায়। গোপন ল্যাবরেটরিতে।”

    “কিন্তু সেইটা তো আর গোপন না, আমরা তো সেইটার কথা জেনে গেছি।”

    আমি ঠিক করে চিন্তা করতে পারছিলাম না। অনেক কষ্টে মাথা ঠান্ডা করে বললাম, “আমাদের এখন সেই গোপন ল্যাবরেটরিতে গিয়ে খুঁজতে হবে। মামাকে খুঁজে বের করতে হবে।”

    ডোরিন মাথা নাড়ল, বলল, “না না। আমাদের খুঁজতে হবে কেন? পুলিশ গিয়ে খুঁজবে। আমরা এক্ষুণি আমার আব্বুর কাছে গিয়ে সব কিছু বলব। আব্বু তখন পুলিশকে ফোন করে দিবে। পুলিশ এসে খুঁজবে।”

    মাহবুব মাথা নাড়ল। বলল, “হ্যাঁ আমাদের ছোটদের কথা কেউ শুনবে না। একজন বড় মানুষকে কথা বলতে হবে।”

    ডোরিন বলল, “আমি এক্ষুণি যাচ্ছি। চল সবাই।”

    আমি বললাম, “আমি এখানে থাকি। যদি মামা হঠাৎ চলে আসে।”

    মাহবুব বলল, “টোপনের একা থাকা ঠিক হবে না, আমি টোপনের সাথে থাকি।”

    ডোরিন বলল, “ঠিক আছে। তাহলে আমি আর টনি যাচ্ছি। তুমি কোনো চিন্তা করো না টোপন। টনি আর আমরা যাই।”

    আমি বললাম, “শুধু একটা জিনিস।”

    “কী”

    “ইউরেনিয়ামের খনির কথাটা সোজাসুজি বলে দিও না।”

    “তাহলে কী বলব।”

    “জানি না। আমার মাথা কাজ করছে না, চিন্তা করে কিছু একটা বলে দিও।”

    “ঠিক আছে।”

    “আরেকটা ব্যাপার।”

    ‘কী?”

    “আমরা যে মনি কাঞ্চনের পিছনে গোপন সিঁড়িটা পেয়েছি সেটার কথাও বলো না। এটা আমাদের কাছে গোপন থাকুক। যদি কাজে লাগে।”

    “ঠিক আছে।”

    “যাও তাহলে। ডোরিন তোমার আব্বুকে ভালো করে বুঝিও।”

    “বোঝাব। টোপন, তুমি চিন্তা করো না।”

    ডোরিন আর টনি চলে যাবার পর আমি আর মাহবুব একা একা কিছুক্ষণ বসে থাকলাম। তারপর মাইক্রোবাসের চারপাশটা ভালো করে খুঁজে দেখলাম। মনে হয় মাটিতে একটু ধস্তাধস্তির চিহ্ন আছে। কাল রাতে যে রকম সিগারেটের গোড়া পেয়েছিলাম, আজকেও সেরকম কয়েকটা সিগারেটের গোড়া দেখলাম, একটু দূরে মনে হলো গাড়ির টায়ারের দাগও আছে।

    আমরা আবার মাইক্রোবাসে ফিরে এলাম। ভেতরে যেগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সেগুলো একটু গুছিয়ে রাখলাম। তখন মনে হলো শুধু শুধু বসে না থেকে আমরা যে মাটিটা এনেছি সেটা গামা রে স্পেকট্রোমিটারে বসিয়ে পরীক্ষা করতে শুরু করি। মামা যখন শিখিয়ে দিয়েছিল তখন পুরো ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করেছিলাম। আমার ডাইরিতেও লিখে রেখেছিলাম। নিজে নিজে এটা করব কখনো ভাবিনি, তাহলে আরেকটু ভালো করে শিখে নিতাম।

    আমি আমার ব্যাকপেক বোঝাই মাটিটা গামা রে স্পেকট্রোমিটারে সোডিয়াম আয়োডাইড ক্রিস্টালের চারপাশের খালি জায়গাটাতে ঢেলে দিলাম। ডাইরিতে লেখা আছে এর পরে ডিসপ্লেটা অন করতে হবে। আমি ডিসপ্লে অন করতেই চ্যানেল নম্বর আর কাউন্টস দেখা যেতে লাগল। আমি এগুলো শুধু তোতা পাখির মতো মুখস্ত করে রেখেছি কোনটার কী অর্থ কিন্তু জানি না। এরপর ফটো মাল্টিপ্লায়ারের হাই ভোল্টেজ আস্তে আস্তে বাড়াতে লাগলাম সাথে সাথে কাউন্ট দেখা যেতে লাগল। আমি আস্তে আস্তে ভোল্টেজ বাড়িয়ে যতটুকু করা দরকার ততটুকু করে দিলাম এবং অবাক হয়ে দেখলাম কুটকুট করে কাউন্ট বাড়তে থাকে এবং বেশ কয়েকটা পিক বের হয়ে আসছে। মামা যখন আমাকে শিখিয়েছিল তখন অনেকক্ষণ কাউন্ট নেওয়ার পর একটুখানি করে কাউন্ট জমা হতো। এখন কতো তাড়াতাড়ি হচ্ছে।

    মাহবুব আমার পাশে বসে আমি কী করছি খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছিল। আমাকে জিজ্ঞেস করল, “এগুলো কী?”

    “আমি জানি না।”

    “তাহলে তুমি কী করছ?”।

    “সেটাও জানি না। আমি গাড়ির দেওয়ালে স্কচ টেপ দিয়ে লাগানো একটা কাগজকে দেখিয়ে বললাম, “এই কাগজটাতে ইউরেনিয়াম খনি থেকে কী রকম স্পেকট্রাম হওয়ার কথা সেটা দেখানো আছে। আমাদের সিগন্যালটা যদি এরকম হয় তাহলে বুঝতে হবে এখানেও ইউরেনিয়াম আছে।”

    মাহবুব কাগজে প্রিন্ট করা সিগন্যাল আর আমাদের ডিসপ্লের সিগন্যালটা মিলিয়ে দেখল তারপর মাথা নেড়ে বলল, “মিল আছে।”

    “ক্যালিব্রেশান করা হয় নাই। ক্যালিব্রেশান করলে আরো মিল হবে।”

    “ক্যালিব্রেশান মানে কী?”

    আমি মাথা নেড়ে বললাম, “জানি না।”

    মাহবুব অবাক হয়ে বলল, “জান না তাহলে বলছ কেমন করে?”

    “সেইটাও জানি না।”

    মাহবুব আর কিছু বলল না। আমি বললাম, “এখন কয়েক ঘন্টা ডাটা নিলে স্পেকট্রামটা সুন্দর হবে।”

    কাজেই আমরা কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে থাকলাম।

    ধীরে ধীরে দুপুর হয়ে গেল, এখনো মামার কোনো দেখা নেই। ডোরিন তার আব্বুকে ঠিকমতো বুঝিয়েছে কিনা কে জানে। তার আব্বু কী পুলিশকে ডাকিয়েছে? পুলিশ কী এসে নিচে ল্যাবরেটরিতে গিয়েছে? মামা কী সেখানে আছে? যদি মামাকে খুঁজে পাওয়া না যায় তাহলে কী হবে? বাসায় ফোন করে আব্বু আম্মুকে জানাতে হবে। কী জানাব? আব্বু আম্মুকে কী বলব আমি?”

    দুপুর বেলার দিকে মাহবুব বলল, “আমাদের এখন কিছু খাওয়া দরকার।”

    আমি বললাম, “ঠিকই বলেছ। খিদে লেগেছে। মানুষের শরীর খুবই আশ্চর্য, এতো বিপদের মাঝেও খিদে পেয়ে যাচ্ছে। আমি খুঁজে খুঁজে কয়েকটা নুডলসের প্যাকেট বের করলাম। একটা বাটির মাঝে পানি ঢেলে সেখানে নুডলসগুলো ভেঙে দিলাম, দুটি ডিমও ভেঙে সেখানে দিলাম, তারপর সবকিছু মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ঢুকিয়ে সেটা পাঁচ মিনিটের জন্য চালিয়ে দিলাম। পাঁচ মিনিট পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন খুলে দেখলাম নুডলসগুলো এখনো সিদ্ধ হয়নি। তখন সেগুলো আরও পাঁচ মিনিটের জন্য দিয়ে দিলাম। এভাবে বেশ কয়েকবার চালানোর পর মনে হলো নুডলসগুলো সিদ্ধ হয়েছে। তবে দেখতে খুবই ভয়ংকর।

    তখন আমি আর মাহবুব দুইটা চা চামচ নিয়ে নুডলসগুলো খেতে শুরু। করলাম। পুরো জিনিসটা দেখতে যত ভয়ংকর হয়েছে খেতে কিন্তু তত খারাপ হয়নি। কিংবা কে জানে হয়তো বেশি খিদে লাগলে সবকিছুই খেতে ভালো লাগে। খাওয়া শেষ করার পর আমরা বাটি এবং চামচ ধুয়ে রেখে দিয়ে আবার অপেক্ষা করতে থাকি।

    গামা রে স্পেকট্রোমিটারে সিগন্যালগুলো আস্তে আস্তে বেড়েছে। বেশ পরিষ্কার কয়েকটা পিক দেখা যাচ্ছে। মামা দেখলেই এই পিকগুলো চিনে ফেলতো। আমি কিছুই চিনলাম না। শুধু বুঝতে পারলাম সিগন্যালটা দেখতে গাড়ির দেওয়ালের কাগজের প্রিন্টটার মতো। সেটাই অনেক বড় ব্যাপার।

    বাইরে যখন প্রায় অন্ধকার নেমে এসেছে তখন আমি কাউন্ট বন্ধ করে স্পেকট্রোমিটার একটা প্রিন্ট নিয়ে নিলাম। খুবই সুন্দর প্রিন্ট। মামা আমার কাজ দেখলে খুশি হতো। কিন্তু মামা নেই। আমি প্রিন্টটা আমার ডাইরিতে স্কচটেপ দিয়ে লাগিয়ে নিলাম। কোথায় আছে কে জানে। বেঁচে আছে কিনা সেটাই বা কে জানে। চিন্তা করেই আমার শরীর খারাপ লাগতে থাকে। মনে হলো হাউ মাউ করে কাঁদি।

    ঠিক এরকম সময় আমি একটা গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেলাম। একটু পরে গাড়ির হেড লাইটের আলোতে জায়গাটা আলোকিত হয়ে উঠল।

    আমি আর মাহবুব মাইক্রোবাস থেকে নেমে বাইরে এসে দাঁড়ালাম। একটু পরে দেখলাম একটা গাড়ি এসে থামল আর গাড়ি থেকে বেশ কয়েকজন মানুষ নামল। কাছে আসার পর চিনতে পারলাম মানুষগুলো পুলিশ। পিছনে আমরা ডোরিনের আলুকে দেখতে পেলাম। আমি ছুটে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “আমার মামাকে পাওয়া গেছে?

    ডোরিনের আব্বু মাথা নাড়ল, বলল, “না।”

    “ভালো করে খুঁজে দেখেছে?”

    “কোথায় ভালো করে খুঁজে দেখবে?”

    “কেন? ডোরিন বলেনি? মনি কাঞ্চনের নিচে একটা গোপন ল্যাবরেটরি আছে, সেখানে?”

    “গোপন কেন হবে? এটা মনি কাঞ্চনের বেসমেন্ট। খাবার স্টোরেজের জায়গা, কোয়ালিটি কন্ট্রোলের ল্যাব।”

    আমি প্রতিবাদ করে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলাম কিন্তু ঠিক তখন পুলিশদের একজন যে মনে হয় তাদের ভেতরকার অফিসার বলল, “আমরা দেখেছি। কোনো মানুষকে কেউ আটকে রাখে নাই। কে আটকে রাখবে? “এখানে তো সন্ত্রাসী থাকে না, সম্মানী মানুষজন থাকে। বিদেশ থেকে এসেছে সব বড় বড় ইঞ্জিনিয়ার।”

    আমি প্রতিবাদ করে বললাম, “কিন্তু কিন্তু”।

    পুলিশ অফিসারটা আমাকে কথা বলতে দিল না, বলল, “কোনো সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়া সার্চ করেছি এখন বিপদে না পড়ে যাই। আমরা করতে চাচ্ছিলাম না, কিন্তু স্যারের মেয়ে আর ছেলে এতো চেঁচামেচি শুরু করল যে আমাদের সার্চ করতেই হলো। খুবই লজ্জা পেয়েছি আমরা।”

    আমার প্রায় চোখে পানি এসে যাচ্ছিল, ভাঙা গলায় বললাম, “মামা আমার মামা তাহলে কোথায়?”

    “কোনো এক জায়গায় গিয়েছেন আবার চলে আসবেন।” পুলিশ অফিসার হঠাৎ গলার স্বর পাল্টে বলল, “তোমার মামা আসার পর আমাদের তার সাথে কথা বলতে হবে। আমাদের কাছে রিপোর্ট এসেছে এখানে নাকি ইয়াবা তৈরির গোপন ফ্যাক্টরি আছে”

    আমি অবাক হয়ে মানুষটা দিকে তাকিয়ে রইলাম। কী বলছে এই মানুষটা? আমার মামা ইয়াবা তৈরি করছে? হঠাৎ করে আমি বুঝতে পারলাম এই পুলিশগুলোকে আসলে বিদেশি মানুষগুলো টাকা দিয়ে কিনে ফেলেছে। এরা আমার মামাকে খুঁজে বের করবে না। উল্টো দরকার হলে ‘ মামাকে ক্রসফায়ার করে ফেলবে। মামার ল্যাবরেটরিতে ইয়াবা প্যাকেট ফেলে রেখে মামাকে বিপদে ফেলে দেবে। মামাকে আমার খুঁজে বের করতে হবে।

    পুলিশ অফিসার বলল, “যাই হোক, আমরা এসেছি তোমার মামার গাড়িটা নিয়ে যাবার জন্য। আজ রাতের মতো এটাকে মনি কাঞ্চনের পার্কিং লটে রাখব। কাল লোকাল থানায় নিয়ে যেতে হবে সার্চ করার জন্য।”

    ডোরিনের আব্বু আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি আজ রাতটা আমাদের সাথে থাকো। তোমার বাসায় ফোন করে দেব, কাল ভোরে তোমার আব্বু আম্মু এসে তোমাকে নিয়ে যাবেন।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “না। আমি আমার মাইক্রোবাসেই থাকব। আমার মামা এসে আমাকে না পেলে চিন্তা করবে। মাইক্রোবাসে আমি থাকি। এখানে থাকার সব ব্যবস্থা আছে।”

    পুলিশ অফিসার বলল, “একা একা কীভাবে থাকবে?”

    মাহবুব পাশে দাঁড়িয়ে সব কথা শুনছিল, সে হঠাৎ করে বলল, “আমি থাকব টোপেনের সাথে।”

    পুলিশ অফিসার ভুরু কুঁচকে বলল, “তুমি কে? তোমার বাড়ি কোথায়?”

    “আমার বাড়ি এখানেই।”

    “তুমি এখানে থাকলে তোমার বাসায় চিন্তা করবে না।”

    “আমি বাসায় ফোন করে বলে দেব। তাহলে চিন্তা করবে না।”

    পুলিশ অফিসার কাঁধ ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, “ঠিক আছে। তোমার ইচ্ছা। কিন্তু আমরা এই গাড়িটা এই জঙ্গল থেকে সরিয়ে নিচ্ছি। আজ রাতের মতো এটা থাকবে মনি কাঞ্চনের পার্কিং লটে।

    আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, “ঠিক আছে।”

    পুলিশের একজন ড্রাইভার যখন মামার মাইক্রোবাসটা ড্রাইভ করে মনি কাঞ্চনে নিয়ে যেতে থাকে তখন আমি মনে মনে ঠিক করে ফেলেছি আমি কী করব। আমার সাইন্টিস্ট মামাকে আর কেউ খুঁজে বের করবে না। আমাকেই খুঁজে বের করতে হবে।

    আমিই মামাকে খুঁজে বের করব। যেভাবে হোক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }