Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. আমি আর মাহবুব

    ১১.

    আমি আর মাহবুব চুপচাপ মামার মাইক্রোবাসটাতে বসে আছি। ডোরিন আর টনি এসেছিল, অনেকক্ষণ আমাদের সাথে কথা বলে একটু আগে তাদের রুমে ফিরে গেছে। খাবারের প্যাকেট নিয়ে এসেছিল আমরা চারজন বসে সেগুলো খেয়েছি। খুবই মজার খাবার দাবার, মনমেজাজ ভালো থাকলে খাবারগুলো মজা করে খেতাম, কিন্তু এখন শুধু খাওয়ার জন্য খেয়েছি। মজাটা টের পাই নাই, পেটটা শুধু ভরেছে।

    ডোরিন আর টনি চলে যাবার পর আমি তার মাহবুব আরো কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইলাম। দেখলাম আস্তে আস্তে রিসোর্টটার লাইটগুলো একটা একটা করে নিভতে শুরু করেছে। যখন পুরো রিসোর্টটা মোটামুটি অন্ধকার হয়ে গেল তখন আমি আর মাহবুব আমাদের মাইক্রোবাস থেকে বের হলাম।

    আমার ব্যাকপেকটা ঝেড়ে পরিষ্কার করেছি। সেখানে কয়েকটা জিনিস নিয়েছি, একটা টর্চলাইট, একটা চাকু, আমার ডাইরিটা (সেখানে যে পুলিশের এস পিকে আমরা গাড়ি একসিডেন্টের পরে উদ্ধার করেছিলাম তার ভিজিটিং কার্ডটা স্কচ টেপ দিয়ে লাগানো আছে)। তারপর খুব সাবধানে মামার গোপন বাক্সটা খুলে সেখানে থেকে মামার পিস্তলটা নিয়েছি। পিস্তলের ভিতরে একটা ম্যাগাজিন ভর্তি গুলি আর একটা বাড়তি ম্যাগাজিন। পিস্তলটা একটা তোয়ালে দিয়ে পেরিয়ে নিয়েছি। তারপর দুইজন খুব সাবধানে মাইক্রোবাস থেকে নেমে পা টিপে টিপে মনি কাঞ্চনের দেয়াল শেষে ঝোঁপ বাড়ের ভিতর দিয়ে প্রায় গুঁড়ি মেরে হেঁটে যেতে লাগলাম। মনি কাঞ্চনের পিছনে গিয়ে ঝোঁপ ঝাড়ের ভিতর দিয়ে আমরা খুব সাবধানে সেই গোপন সিঁড়িটার কাছে পৌঁছালাম। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে ঢাকনাটা বের করে আমরা সেটা টেনে তুলে ভিতরে ঢুকে গেলাম।

    আমি আর মাহবুব তারপর সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলাম। আমি ব্যাকপেকটা খুলে মামার পিস্তলটা বের করে কোমরে গুঁজে নিলাম। সিনেমার সিক্রেট এজেন্টরা এইভাবে পিস্তল নেয়, কিন্তু এখন আমার আসলে সেই সব মাথায় নাই। ভয়ের চোটে রীতিমতো বাথরুম পেয়ে গেছে কিন্তু সেই কথাটা তো আর মাহবুবকে বলা যায় না। আমি ফিসফিস করে বললাম, “প্রথমে আমি ঢুকব, যদি আমি ধরা পড়ে যাই তাহলে তুমি আর ভিতরে ঢুকবে না।”

    মাহবুব বলল, “প্রথমে আমিও ঢুকতে পারি।”

    “না। প্রথমে আমি।” যদি ধরা পড়ে যাই তুমি বের হয়ে আমার ডাইরিটার শেষ পৃষ্ঠায় একটা ভিজিটিং কার্ড আছে। সেই কার্ডের মানুষটাকে ফোন করে সবকিছু বলবে।”

    মাহবুব ফিসফিস করে বলল, “মানুষটা কে?”

    “একজন পুলিশ অফিসার। তার পুরো ফ্যামিলিকে আমরা একসিডেন্ট থেকে বাঁচিয়েছিলাম।”

    “ঠিক আছে।”

    “তবে একটা কথা।”

    “কি কথা?”

    “তুমি ডাইরিটার কিছু পড়তে পারবে না। একটা শব্দও না। ঠিক আছে?”

    “ঠিক আছে।”

    “বল খোদার কসম।”

    মাহবুব মনে হয় একটু অবাক হলো, তারপর বলল, “খোদার কসম।”

    “ঠিক আছে। আমি তাহলে গেলাম।”

    মাহবুব বলল, “যাও।”

    আমি তখন খুব সাবধানে দরজাটা ফাঁক করে ভিতরে উঁকি দিলাম। আশেপাশে কেউ নেই। আমি তখন সাবধানে ভিতের ঢুকে মাত্র এক পা সামনে এগিয়েছে তখন হঠাৎ করে কোথা থেকে জানি বিশাল পাহাড়ের মতো একটা মানুষ হুংকার দিয়ে বলল, “হু ইজ দ্যাট?”

    আমি চমকে উঠলাম। এতো বড় একটা মানুষকে আমি দেখতে পেলাম না কেন? তখন অবশ্য এতো কিছু চিন্তা করার সময় নাই, আমি জানটা হাতে নিয়ে একটা দৌড় দিলাম।

    পাহাড়ের মতো মানুষটা একটা লাফ দিয়ে আমাকে ধরার চেষ্টা করল, একটুর জন্য তার হাত ফসকে গেল। কোথায় যাচ্ছি কোনদিকে যাচ্ছি আমি কিছুই জানি না শুধু নিজের জান বাঁচানোর জন্য ছুটে যাচ্ছি, কিন্তু বেশি দূর যেতে পারলাম না। পাহাড়ের মতো মানুষটা আরেকটা লাফ দিয়ে আমাকে ধরে ফেলল। তার লোহার মতো আঙুল মনে হলো আমার শরীরের মাংস কেটে ভিতরে ঢুকে হাড় পর্যন্ত গুড়ো করে ফেলল।

    মানুষটা আমাকে একটা ময়লা ত্যানার মতো ধরে উপরে তুলে আছাড় দিয়ে নিচে নামালোলা। আমি কোনোমতে আমার কোমরে গুঁজে রাখা পিস্তলটা ধরে রাখলাম যেন বের হয়ে না যায় কিংবা মানুষটা দেখে না ফেলে।

    মানুষটা আমার দিকে তাকিয়ে দাঁত কিড়মিড় করে বলল, “ইউ লিটল রাসকেল।”

    চোখগুলো ভাটার মতো জ্বলছে মুখে বিকট গন্ধ মনে হচ্ছে এক্ষুণি আমার ঘাড় মটকে খেয়ে ফেলবে।

    আমার হাতে সময় বেশি নাই, আমি বাঁচার শেষ চেষ্টা করলাম, ব্যাটা ছেলেদের যে জায়গায় মারলে সবচেয়ে বেশি ব্যথা লাগে আমি আমার ডান পা দিয়ে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে সেখানে মারলাম। মানুষটা কোক করে করে একটা শব্দ করল তার বড় বড় চোখ দুটো মনি হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে পুরো চোখটা কেমন যেন সাদা হয়ে গেল, দাঁতগুলো বের হয়ে তাকে একটা ডাইনোসরের মতো দেখতে লাগল। (আমি ডাইনোসর কখনো দেখি নাই। কিন্তু দেখতে নিশ্চয়ই এরকম হবে।)

    আমার লাথি খেয়ে মানুষটা আমাকে ছেড়ে দিয়ে তার দুই হাত দিয়ে ব্যথা পাওয়া জায়গাটা চেপে ধরে একটা গগন বিদারী চিৎকার দিল। আমি তখন আবার আমার জান নিয়ে ছুটে পালালাম। সামনে একটা ঘর, ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে গেল। ভিতরে ঢুকে দেখি বের হওয়ার কোনো জায়গা নেই, তাই যত তাড়াতাড়ি ঢুকেছিলাম তার থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে এলাম। দৌড়াতে দৌড়াতে পিছনে তাকিয়ে দেখলাম পাহাড়ের মতো মানুষটা উঠে দাঁড়িয়ে আবার আমার পিছনে পিছনে ছুটে আসছে।

    আমি দৌড়ে আরেকটা ঘরে ঢুকে যত তাড়াতাড়ি পারি ছিটকানি লাগিয়ে দিয়ে পালানোর একটা রাস্তা খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু বের হওয়ার কোনো রাস্তা নেই। কী করব যখন চিন্তা করছি ততক্ষণে মানুষটা এসে দরজা ধাক্কা দিতে শুরু করছে। তার প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরো দরজা ভেঙে যাবার অবস্থা হলো। মানুষটা মনে হয় একটু দূরে গিয়ে ছুটে এসে দরজা ধাক্কা দিচ্ছে। এর পরের বার ধাক্কা দেওয়ার সাথে সাথে আমি ছিটকানিটা খুলে ফেলে একটু সরে দাঁড়ালাম। মানুষটা এবারে যখন ছুটে এসে দরজা ধাক্কা দিল সাথে সাথে সে ভিতরে হুড়মুড় করে আছাড় খেয়ে পড়ে আবার একটা গগন বিদারী চিৎকার দিল। সেই ফাঁকে আমি লাফ দিয়ে বের হয়ে আবার জান নিয়ে দৌড়াতে লাগলাম।

    মানুষটার চিৎকার এবং হইচই শুনে অনেক মানুষ বের হয়ে এসেছে। তারা এখনো বুঝতে পারছে না কী হচ্ছে। অবাক হয়ে এদিক সেদিক তাকাচ্ছে আমি তার মাঝে ছুটে যেতে লাগলাম। অন্য একজন মানুষ আমাকে ধরার চেষ্টা করল, ধরতে পারল না। আমি তার হাত থেকে ছাড়া পেয়ে একটা ঘরে ঢুকে ছিটকানি লাগিয়ে দিলাম। ঘরটা একটা ল্যাবরেটরি, ভিতরে নানা ধরনের যন্ত্রপাতি। আমি টেবিল থেকে ধাক্কা দিয়ে মূল্যবান যন্ত্রপাতি নিচে ফেলে দিয়ে হাতে নেওয়ার মতো একটা কিন্তু খুঁজতে লাগলাম। শেষ পর্যন্ত একটা চকচকে সিলিন্ডার পেয়ে গেলাম। সেটা দুই হাতে ধরে আমি গায়ের জোরে কিছু যন্ত্রপাতি গুড়ো করে দিলাম। কেন দিলাম কে জানে। মনে হয় কোনো কারণে আমার অনেক রাগ উঠে গেছে।

    তারপর ঘরের বাতি নিভিয়ে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে রইলাম ভেতরে কেউ ঢুকলেই তাকে মেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। ইতস্তত ছোটাছুটি করার কারণে কোনদিকে কী আছে আর বুঝতে পারছি না, চেষ্টা করতে হবে যেদিক দিয়ে ঢুকেছি সেদিক দিয়ে বের হয়ে যেতে।

    বাইরে কিছু মানুষের উত্তেজিত কথাবার্তা শুনতে পেলাম। এবারে মানুষগুলো আর ধাক্কা দিয়ে দরজা ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করছে না। তারা চাবি এনে চাবি দিয়ে দরজার তালা খোলার চেষ্টা করছে। অন্ধকারে ভালো দেখা যায় না, তার মাঝে হঠাৎ করে তালা খুলে ভিতরে কয়েকজন মানুষ ঢুকে গেল। আমি অন্ধকারে তাদের ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যেতে চেষ্টা করলাম, পারলাম না। মানুষগুলো আমাকে জাপটে ধরে ফেলল, আমি তার ভেতরেই হাতের সিলিন্ডার ঘুরিয়ে কয়েকজনের নাক মুখ মোটামুটি থ্যাতলে দিলাম।

    শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে ধরে ফেলল, ঘরের লাইট জ্বালিয়ে তারা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। আমি দেখলাম আমার সিলিন্ডারের আঘাতে একজনের নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে আরেকজনের বাম চোখটা প্রায় বুজে এসেছে।

    মানুষগুলো সবই বিদেশি। হড়হড় করে কিছু একটা বলছে, কী বলছে কিছুই বুঝতে পারছি না। তখন দেখলাম একজন বাঙালি মানুষ দৌড়াতে দৌড়াতে আসছে। কাছে এসে সে আমাকে দেখে তোতলাতে তোতলাতে বললম, “তু-তু-তুমি? আবার?”

    আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম, “হ্যাঁ। আমি আবার।”

    “কেন?”

    আমি বললাম, “বুঝেন নাই কেন? আমার মামা কোথায়?”

    মানুষটা বলল, “তোমার মামা এখানে নাই।” যদি সত্যি আমার মামা এখানে না থাকতো কিংবা মামার কথা না জানতো তাহলে মানুষটা অবাক হয়ে বলতো, মামা? কোন মামা? কার মামা? কিন্তু মানুষটা আমার মামার কথা খুব ভালো করে জানে।

    আমি বললাম, “মিথ্যা কথা বলেন কেন? আমার মামাকে ধরে এনেছেন কেন?”

    “আমরা তোমার মামাকে ধরে আনব কেন?” মানুষটা তার কথাগুলো খুব জোর দিয়ে বলার চেষ্টা করল কিন্তু কথাটার মাঝে বেশি জোর বোঝা গেল না। বোঝাই গেল সে মিথ্যা কথা বলছে।

    আমি বললাম, “আমি বলব কেন আপনারা আমাকে ধরে এনেছেন? বলব?”

    মানুষটা মিনমিন করে বলল, “বল।”

    “তার কারণ হচ্ছে আপনারা যে থ্রি স্টার সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বানাচ্ছেন সেটা ভূয়া। পুরোপুরি ভূয়া।”

    “ভূয়া?”

    “হ্যাঁ। আসলে এটা হচ্ছে একটা ইউরেনিয়ামের খনি।”

    এবারে সবগুলো মানুষের চোয়াল এক সাথে ঝুলে পড়ল। আমার একেবারে মনে হলো কটাশ করে একটা শব্দ হলো। আমি এতোক্ষণ বাংলায় যে কথাগুলো বলছিলাম তার কিছুই বিদেশিগুলো বুঝে নাই কিন্তু তারা থ্রি স্টার সিমেন্ট ফ্যাক্টরি আর ইউরেনিয়াম এই দুটা কথা বুঝতে পারছে এবং এক সাথে সবাই ইলেকট্রিক শক খাওয়ার মতো চমকে উঠেছে।

    আমি দেখলাম সবগুলো মানুষের চোয়াল একবার বন্ধ হচ্ছে আরেকবার খুলছে, কিছুক্ষণ কেউ কোনো কথা বলল না। তারপর যে বিদেশিটার চোখ প্রায় বুজে গিয়েছে সে আমতা আমতা করে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করল, “হাউ ডু ইউ নো?”

    আমি মুখের মাঝে খুবই উঁচু ধরনের ভাব ফুটিয়ে বললাম, “গামা রে স্পেকট্রোস্কোপি।”

    মানুষটার চোয়াল আবার ঝুলে পড়ল। বলল, “গা-গা-গা–” পুরো গামা রে স্পেকট্রোস্কাপি বলতে পারল না। আমি মুখে আরো বেশি ভাব ফুটিয়ে বললাম, “সোডিয়াম আয়োডাইড ক্রিস্টাল উইথ ফটোমাল্টিপ্লায়ার।”

    মানুষটার চোয়াল এবারে বন্ধ হয়ে গেল। আমি সিনেমার ভিলেনদের মতো মুখে একটা বাঁকা হাসি ফুটিয়ে ইংরেজিতে বলার চেষ্টা করলাম, “ইউ ওয়ান্ট দিস সিক্রেট সো ইউ হাইজ্যাক মাই সাইন্টিস মামা।” তোমরা এটা গোপন রাখতে চাও সেইজন্য মামাকে হাইজ্যাক করে এনেছ। ইংরেজিটা পুরোপুরি মনে হয় ঠিক হয় নাই কিন্তু মানুষগুলো আমার কথাগুলো ঠিকই বুঝতে পারল। তাদের লাল মুখ কালো না হয়ে কেমন যেন বেগুনি হয়ে গেল।

    এরা নিজেরা নিজেরা কিছুক্ষণ কথা বলল, তারপর বাঙালি মানুষটাকে কিছু একটা বলে মুখ ভোলা করে দাঁড়িয়ে রইল।

    বাঙালি মানুষটাকে কেমন যেন নার্ভাস মনে হলো। সে আমার হাত ধরে বলল, “আস।” তার ঠিক পিছনে লাল মুখের একটা মানুষ বুকের উপর দুই হাত ভাঁজ করে দাঁড়িয়ে রইল। ভঙ্গীটা খুবই স্পষ্ট, আমি যদি একটু খানি উল্টাপাল্টা কিছু করি তাহলে সে আমার মাথাটা টেনে ধর থেকে আলাদা করে ফেলবে।

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কোথায়?”

    “সব কথা তোমাকে বলতে হবে কেন?”

    “কারণ আপনি তো বিদেশি না–আপনি এই দেশের।”

    “তাতে কী হয়েছে?”

    “বিদেশিদের পা চাটতে হয় না। খুব লজ্জার ব্যাপার।”

    আমার কথা শুনে মানুষটা কেমন যেন লাল হয়ে উঠে। লজ্জায় না রাগে বুঝতে পারলাম না।

    আমি ইচ্ছা করলেই ঝটকা মেরে নিজের হাত ছুটিয়ে নিতে পারি। পাহাড়ের মতো মানুষটার অসুবিধার জায়গায় যেভাবে কষে একটা লাথি দিয়েছিলাম ঠিক সেভাবে এই মানুষটাকেও অচল করে দিতে পারি। ঠিক কী কারণ জানি না হঠাৎ করে আমার সব ভয় ডর চলে গেছে, আমার মনে হতে থাকে যে এই মুহূর্তে কিছু করার দরকার নাই। দেখি কী করে। আমি এখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারি। মনে হয় পেটের কাছে প্যান্টের ভিতর মামার পিস্তলটা খুঁজে রেখেছি সেইজন্য। শুধু তাই না পকেটে বুলেট ভরা একটা ম্যাগাজিনও আছে। সাথে পিস্তল আর বুলেট থাকলে মনে হয় ভয়। লাগে না।

    বাঙালি মানুষটা আমাকে টেনে নিতে থাকে, পিছন পিছন লাল মুখের মানুষটা থপ থপ করে পা ফেলে ফেলে আসতে থাকে। হেঁটে হেঁটে একটা ঘুরে ঢুকে সেখানে একটা আলমারির সামনে মানুষটা দাঁড়িয়ে গেল। তখন লাল মুখের মানুষটা ধাক্কা দিয়ে আলমারিটা সরাতেই পিছনে একটা দরজা দেখা গেল। বাঙালি মানুষটা দরজা খুলে আমাকে নিয়ে ভিতরে ঢুকল। ঘরের ভিতর দেওয়ালে হেলান দিয়ে একজন মানুষ বসে আছে, মানুষটির চেহারা না দেখেই আমি বুঝতে পারলাম, এটি আমার মামা।

    আমি চিৎকার করে উঠলাম, “মামা!”

    মামা ঘুরে আমার দিকে তাকালো, আমি তখন বুঝতে পারলাম, মামার হাত দুটো পিছনে বাঁধা শুধু তাই না আমি বুঝতে পারলাম মামাকে এই জানোয়ারগুলো মেরেছে। হঠাৎ করে আমার ভিতরে অসহ্য রাগ পাক খেয়ে উঠল, মনে হলো আমি বুঝি সবার চোখ খাবলে তুলে নিতে পারব।

    মামা দুর্বল গলায় বলল, “তোকেও ধরে এনেছে!”

    “হ্যাঁ মামা।”

    “কী আশ্চর্য। তুই না একটা বাচ্চা ছেলে। দশ বছর বয়স।”

    “বারো।”

    “একই কথা।”

    বাঙালি মানুষটা আমার গলায় ধাক্কা দিয়ে সামনে ঠেলে দিল। লাল মুখের মানুষটা তখন আমাকে খপ করে ধরে আমার হাত দুটো পিছনে নিয়ে বেঁধে ফেলে। তারপর আমাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দিয়ে বলল, “গো টু হেল। জাহান্নামে যাও।”

    আমি মেঝেতে পড়ে থেকে সেই অবস্থায় চি চি করে বললাম, “ইউ গো টু হেল।” তুমি জাহান্নামে যাও।

    মানুষটা আমার দিকে এগিয়ে এলো, রাগে তার মুখটা থম থম করছে। বুট পরে থাকা পা দিয়ে মানুষটা আমার পাঁজরে একটা লাথি দিল এবং আমি সেই লাথি খেয়ে প্রায় দশ হাত দূরে ছিটকে পড়লাম। আমার প্রথম মনে হলো আমি মরে গেছি। নিঃশ্বাস আটকে ছিল, অনেক কষ্টে বুক থেকে বের করে মনে হলো এখনো মরিনি কিন্তু আর দুই মিনিটের মাঝে মরে যাব। দুই মিনিট পরে মনে হলো এবারের মতো বেঁচে যেতে পারি। তখন চোখ খুলে তাকালাম। দেখলাম ঘরটা খালি, শুধু মামা আমার উপর ঝুঁকে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

    আমি চোখ খোলার পর মামা আমার দিকে তাকিয়ে দুর্বলভাবে হাসার চেষ্টা করল, বলল, “অনেক ব্যথা লেগেছে?”

    আমি বললাম, “মোটামুটি।”

    “জোরে জোরে কয়েকটা নিঃশ্বাস নে। তারপর উল্টো দিক দিয়ে একশো থেকে এক পর্যন্ত গুণে আয়।”

    আমি হাসার মতো ভঙ্গী করে বললাম, “আমি এক থেকে একশ পর্যন্ত সোজা দিকেই কখনো গুণি নাই!”

    মামা একটু নড়েচড়ে পিছনে সরে দেয়াল হেলান দিয়ে বসল। বলল, “তোকে আমার সাথে আনাটা ঠিক হয় নাই। অনেক বড় গাধামো হয়েছে।”

    “না মামা, গাধামো কেন হবে?”

    “হয়েছে। এরা খারাপ মানুষ। খুব খারাপ। দেখলি না তোর মতো বাচ্চা ছেলেকে কীভাবে মারল। অনেক ব্যথা লেগেছিল?”

    “হ্যাঁ মামা। এখন ঠিক হয়ে যাচ্ছে।”

    “ভয় পাস না, ঠিক হয়ে যাবে।”

    মামাকে এখনো বলিনি যে আমি তার পিস্তলটা নিয়ে এসেছি। সেটা ব্যবহার করতে চাইলে তো আগে হাতের বাঁধন খুলতে হবে। সেটা আমার না, মামার দায়িত্ব। আমি মামাকে ডাকলাম, “মামা।”

    “কী টোপন?”

    “আমি তোমার জন্য একটা গিফট এনেছি।”

    “কী গিফট? একটা নেইল কাটার?”

    “না মামা। তোমার পিস্তলটা।”

    মামা দেওয়ালে হেলান দিয়ে আধশোয়া হয়ে বসে ছিল, আমার কথা শুনে হাত বাধা অবস্থায় প্রায় লাফ দিয়ে উঠে বসে গেল। প্রায় চিৎকার করে বলল, “কী বললি? পিস্তল? আমার পিস্তল?”

    “হ্যাঁ মামা।” আমার প্যান্টে গুঁজে রেখেছি। পকেটে এক্সট্রা ম্যাগাজিন।”

    “কিন্তু সেইটা ছিল সেফটি বক্সে। পাসওয়ার্ড দেওয়া সেফটি বক্সে।”

    “হ্যাঁ মামা।”

    “তুই তুই তুই আমার পাসওয়ার্ড জানিস?”

    “না জানার কী আছে? তুমি যেভাবে পাসওয়ার্ড ঢোকাও সেইটা জানতে না চাইলেও আমি জেনে যাই।”

    মামা খিকখিক করে হাসতে হাসতে বলল, “তুই আসলেই একটা মিচকি শয়তান।”

    “কিন্তু মামা, তুমি পিস্তলটা ব্যবহার করবে কেমন করে? হাতগুলো যে বাঁধা।”

    “হাতের বাঁধা খোলা কোনো ব্যাপারই না। কিন্তু তার আগে তোকে একটা জোক বলতে হবে।”

    আমি চোখ কপালে তুলে বললাম, “এখন তুমি জোক বলবে? আগে হাতের বাঁধা খুলে ফেলি।”

    “এইটা কী কঠিন? তুই গড়িয়ে গড়িয়ে আমার কাছে আয়। আমার পিছনে তোর হাতগুলো দে, আমি তোর হাত খুলে দেই। তারপর তুই আমারটা খুলে দিবি।”

    “এতো সোজা!”

    “হ্যাঁ, এত সোজা। শুধু এর মাঝে কেউ চলে না আসলেই হলো।”

    আমি তখন গড়িয়ে গড়িয়ে মামার কাছে চলে এসে মামার হাতের কাছে আমার হাতগুলো রাখলাম। মামা আমার হাতের বাঁধন খুলতে খুলতে বলল, “এবারে জোকটা শোন। এই মাথা মোটা মানুষগুলোর কাজ কর্ম দেখে আমার জোকটা মনে পড়ল। একবার একটা মানুষের বাসায় চোর এসেছে। মানুষটা চোরটাকে ধরে ফেলে তার খাটের সাথে বেঁধে গেছে থানায়, পুলিশ ডেকে আনতে। পুলিশ জিজ্ঞেস করল চোরটাকে ঠিক করে বেঁধেছ তো? মানুষটা বলল, হ্যাঁ খুব ভালো করে খাটের সাথে চোরের পা টা বেঁধে রেখেছি। পুলিশ চোখ কপালে তুলে বলল, শুধু পা? হাত বাঁধা নাই? মানুষটা, বলল, না হাতটাতো বাঁধি নাই। পুলিশ বলল তাহলে চোরটা এতক্ষণে তার হাত দিয়ে পায়ের বাঁধা খুলে পালিয়ে গেছে। মানুষটা কিছুক্ষণ চিন্তা করল তারপর বলল, মনে হয় পালায় নাই। চোরটা আমার মতো পাকিস্তানী! আমার মাথায় যখন এই বুদ্ধিটা আসে নাই, চোরের মাথায়ও আসবে না, সে নিশ্চয় পা বাঁধা নিয়ে বসে আছে–” মামা তার জোক শেষ করে হা হা করে হাসতে লাগল। নিজের জোক শুনে কাউকে আমি কখনো এভাবে হাসতে দেখি নাই।

    আমিও হাসলাম। মামা হাসি থামিয়ে বলল, এই বিদেশি গুলির বুদ্ধি পাকিস্তানীদের মতো! যখন দুইজন মানুষের হাত বেঁধে একটা ঘরে রাখা হয় তখন তাদের একজন যে আরেকজনের বাঁধা খুলে ফেলতে পারে সেইটা তাদের মাথায় আসে নাই!”

    মামা ততক্ষণে আমার হাত খুলে দিয়েছে, আমি হাত দুইটা একটু নাড়লাম তারপর মামার হাতের বাঁধনটা খুলে দিতে দিতে বললাম, “মামা, পাকিস্তানিরা কী আসলেই এত বোকা?”

    “এরা একাত্তর সালে আমাদের অনেক জ্বালিয়েছে তাই পৃথিবীর যত খারাপ গল্প, বোকামীর গল্প, গাধামির গল্প সব তাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    আমি পিস্তলটা নিয়ে আসার কারণে মামার মেজাজটা অনেক ভালো। মামা মনের খুশিতে বকবক করতে থাকে। বিদেশিটার লাথির কারণে বুকের মাঝে এখনো টন টন করছে তারপরেও আমার মেজাজটাও অনেক ভালো। আমিও মামার বকবকানী শুনতে লাগলাম।

    শেষ পর্যন্ত মামার হাতের বাঁধনটা খুলে ফেলতে পারলাম। মামা তার হাত দুইটা কিছুক্ষণ ডলে ডলে রক্ত চলাচল করালো তারপর দাঁতের ফাঁক দিয়ে একটা ইংরেজি গালি দিল। মামাকে আগে কখনো কাউকে গালি দিতে শুনি নাই, তবে এখন মামা গালি দিতেই পারে। আমাকেই যখন এতো খারাপভাবে মেরেছে তখন মামাকে না জানি কত খারাপভাবে মেরেছে। আমি পিস্তলটা মামার কাছে দিলাম। মামা পিস্তলটাকে চুমু দিয়ে ছোট বাচ্চার মতো আদর করল। পিস্তলকে যে আদর করা যায় আমি সেটাও জানতাম না।

    আমি মামাকে জিজ্ঞেস করলাম, “মামা, আমরা এখন কী করব?”

    বাইরে তো অনেকগুলো মানুষ এখনই বের হওয়া ঠিক হবে না। খানিকক্ষণ অপেক্ষা করি, দুই চারজন আসুক, সেগুলোকে বেঁধে ফেলি তারপর বাইরে যাব।”

    “কেমন করে বাঁধবে?”

    “কেন? যে নাইলনের দড়ি দিয়ে আমাদের বেঁধেছে সেইটা দিয়ে।”

    “কিন্তু আগে ধরতে হবে না?”

    “ধরব। আমার হাতে একটা পিস্তল, আমার হাতের টিপ মারাত্মক। শুটিংয়ে গোল্ড মেডেল পেয়েছি!”

    “আসলেই গুলি করবে?”

    “মনে হয় করতে হবে না। ভয় দেখিয়েই কাজ করে ফেলা যাবে।”

    “কেউ কী আসবে?”

    “আসবে। আসবে। নিশ্চয়ই আসবে।” মামা তারপর ঘরের দেওয়ালে হেলান দিয়ে গুনগুন করে একটা রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইতে লাগল, “যদি তার ডাক শুনে কেউ না আসে…”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }