Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. বিকাল বেলা একটা ছেলে

    ০৫.

    বিকাল বেলা একটা ছেলে মামার মাইক্রোবাসের কাছে হাজির হলো। ছেলেটার ফিটফাট পোশাক চোখে চশমা, চুল পরিপাটি করে আচড়ানো, পায়ে জুতো মোজা, পিঠে একটা ব্যাকপেক। জঙ্গলের ভিতরে খুঁজে খুঁজে সে মামার মাইক্রোবাসটা বের করে ফেলেছে। মামা মাইক্রোবাসটার ভিতরে কাজ করছে, আমি পিছনে পা ঝুলিয়ে বসে আছি। ছেলেটা আমার কাছে এসে হাসিমুখে দাঁড়াল, যেন সে আমার কত দিনের পরিচিত। সে কাকে চায় জিজ্ঞেস করতে গিয়ে আমি থেমে গিয়ে চিৎকার করলাম, “আরে হেড মাঝি!”

    মাহবুব মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ আমি।”

    “তোমাকে আমি চিনতে পারি নাই! চশমায় অন্যরকম লাগছে।” আসলে শুধু চশমা না সবকিছু মিলিয়ে অন্যরকম লাগছে! তাকে আর বলতে পারলাম না গ্রামের ছেলে হলেই লুঙ্গি পরে থাকবে, খালি গায়ে থাকবে এরকম একটা ধারণা হয়ে গিয়েছিল।

    “মাছ ধরতে গেলে বাড়িতে চশমা রেখে যাই।”

    মামা ভিতর থেকে বলল, “কে এসেছে, টোপন?”

    আমি বললাম, “ঐ যে মাহবুবের কথা বলেছিলাম, যে আমাকে নৌকা চালাতে শিখিয়েছে।”

    মামা বলল, “যে নিউটনের সূত্রের ভুল বের করেছে?

    মাহবুব লজ্জা পেয়ে বলল, “না না, নিউটনের ভুল না, মনে হয় আমার বুঝতে ভুল।”

    মামা তখন মাইক্রোবাসের ভেতর থেকে বের হয়ে এলো। মাহবুবের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমার পিঠে এতো বড় ব্যাকপেকে কী?”

    মাহবুব ব্যাকপেকটা ঘাড় থেকে খুলে বলল, “আমার মা আপনাদের জন্য একটু খাবার রান্না করে পাঠিয়েছেন।”

    মামা চোখ বড় বড় করে বলল, “খাবার রান্না করে পাঠিয়েছেন, সত্যি?”

    মাহবুব মাথা নাড়ল, বলল, “বেশি কিছু না। আজকে টোপন আর আমি যে মাছ ধরেছি তার একটু ঝোল। সবজি ডাল এইসব, সাথে একটু

    মাহবুব ব্যাকপেকের ভেতর থেকে প্লাস্টিকের কৌটা বের করতে করতে কথা শেষ না করে থেমে গেল।

    মামা জিজ্ঞেস করল, “সাথে একটু কী?”

    “আপনারা খাবেন কি না জানি না, আমি না করেছিলাম, মা তবুও দিয়ে দিল।”

    “কী না করেছিলে?”

    “একটু চেপা ভর্তা।”

    মামা আনন্দের মতো শব্দ করল, “চেপা ভর্তা! সত্যি?”

    “আপনারা খান?”

    “টোপনের কথা জানি না, সে তত ভদ্রলোকের বাচ্চা, আমি খাই। ঝাল দিয়ে লাল করে চেপা ভার্তা, আহা, বেহেশতি খাবার।”

    মাহবুব হাসল, “তাহলে তো ভালো।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “মামা, যে খাবারে পচা গন্ধ সেইটা বেহেশতি খাবার হয়ে কেমন করে? বেহেশত কী দুর্গন্ধের জায়গা?”

    মামা ধমক দিল, বলল, “যেটা বুঝিস না সেইটা নিয়ে কথা বলিস না।”

    তাই আমি আর কথা বললাম না। মাহবুব মাইক্রোবাসের ভিতরে উঁকি দিয়ে একেবারে হতবাক হয়ে গেল। মাথা নেড়ে বলল, “ইয়া মাবুদ! এতো যন্ত্রপাতি? আপনি কী নিয়ে গবেষণা করেন?”

    মামা উত্তর দেওয়ার আগেই আমি বললাম, “পরিবেশ দূষণ।”

    মাহবুব ভুরু কুচকালো, “পরিবেশ দূষণ?”

    “হ্যাঁ। বিভিন্ন জায়গার সেম্পল নিয়ে তারপর সেইগুলো পরীক্ষা করে দেখা হয় তার ভিতরে কী আছে।”

    “সেইজন্য এতো যন্ত্রপাতি লাগে?” সে তখনো ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে পারছে না।

    মামা মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ, অনেক সময় লাগে।”

    মিথ্যা কথা বলতে বেশি ভালো লাগে না, মামাও স্বস্তি পাচ্ছিল না তাই কথা ঘোরানোর জন্য বলল, “নিউটনের সূত্র নিয়ে তোমার সমস্যাটা কী?”

    মাহবুব একটু লাজুক মুখে বলল, “আমাদের ক্লাসে সেটা নাই আমি ক্লাস নাইনের বইয়ে দেখেছি। মনে হয় বুঝতে পারি নাই।”

    “কী বুঝতে পার নাই?”

    “সূত্রে লেখা আছে যে কোনো ভরে বল প্রয়োগ করলে তার ত্বরণ হয়। কিন্তু ভরটা যদি অনেক বড় হয়ে তাহলে কী আমি ধাক্কা দিলে ত্বরণ হবে? সেটা নড়বে? নড়বে না।”

    মামা হাসি হাসি মুখে বলল, “নড়বে না?”

    “না। আমি কী একটা ট্রাককে ধাক্কা দিয়ে নড়াতে পারি? কোনোদিন নড়াতে পারব না।

    মামা হাসল, “ঠিকই পারতে যদি কোনো ফ্রিকশান না থাকতো। ট্রাকটা যদি পুরোপুরি পিছলে একটা জায়গায় থাকতো তাহলে তুমি ঠিকই নড়াতে পারতে।”

    “সত্যি?”

    “হ্যাঁ। সত্যি।”

    তারপর মামা তার অভ্যাসমতো বকবক করা শুরু করে দিল। নিউটনের সূত্র বোঝায় তারপর হাত পা মাথা নেড়ে উদাহরণ দেয়। তারপর আরো কথা বলে। মাহবুব ছেলেটা এমনিতে চালাক চতুর কিন্তু সে মামার সামনে রীতিমতো বোকামি শুরু করল। শুধুমাত্র হু হা করে মাথা না নাড়িয়ে উল্টো প্রশ্ন করতে লাগল। মামাকে তখন পায় কে! আরো উত্তেজিত হয়ে আরো বেশি কথা বলতে লাগল।

    মামাকে কেমন করে থামানো যায় যখন সেটা চিন্তা করছি ঠিক তখন আমি মানুষের গলার আওয়াজ শুনতে পেলাম, মনে হলো তার মাঝে একটা মেয়ের গলার স্বরও আছে। আমি মাইক্রোবাস থেকে নেমে এদিক সেদিক তাকাচ্ছি তখন দেখলাম আজকে দুপুরে দেখা হওয়া টিসটাস মেয়ে আর ভোতা ছেলেটা এদিকে আসছে। তাদের পিছনে একজন বড় মানুষ, এই দুইজনের বা একজনের বাবা চাচা কেউ একজন হবে।

    আমাদেরকে দেখে মেয়েটা একটা আনন্দের মতো শব্দ করল এবং তখন মামা তার বিজ্ঞান নিয়ে বকর বকর থামিয়ে মাথা ঘুরিয়ে তাকাল।

    মেয়েটা বলল, “এই তো পেয়ে গেছি। বলেছিলাম না, একটা মাইক্রোবাসের ভিতর ল্যাবরেটরি!

    তারপর আমার আর মাহবুবের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বলল, “তোমরা? তোমাদেরকে চিনতে পারি নাই।”

    আমি মুখ শক্ত করে বললাম, “কেন চিনতে পার নাই?”

    “শার্ট পরে আছ তো সেইজন্য! আমি ভেবেছিলাম তোমরা সবসময় খালি গায়ে থাক!” তারপর হি হি করে হাসল। মেয়েটার মনে হয় হাসির রোগ আছে।

    তাদের সাথের বড় মানুষটা বলল, “সব সময় ঠাট্টা করবি না। ডোরিন।”

    মেয়েটার নাম ডোরিন। সে বড় মানুষটার দিকে তাকিয়ে বলল, “আব্বু, এই যে এরা দুইজন নৌকা করে আমাদের পৌঁছে দিয়েছিল।” তারপর আমাকে দেখিয়ে বলল, “এই যে ছেলেটা বলেছিল হাওড়ের মাঝখানে নিয়ে আমাদের ছিনতাই করবে। টনি সেটা বিশ্বাস করে যা ভয় পেয়েছিল!” মেয়েটা আবার হি হি করে হাসতে শুরু করে।

    ভোতা ছেলেটার নাম নিশ্চয়ই টনি, সে মুখটা আরো ভোতা করে বলল, “আমি ভয় পাই নাই।”

    “পেয়েছিলি। তোর মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল।”

    “বোঝা যাচ্ছিল না–”

    “এইখানে যে মাইক্রোবাসের ভিতরে ল্যাবরেটরি আছে তুই সেইটাও বিশ্বাস করিস নাই। এখন বিশ্বাস হয়েছে?”

    মেয়েটার আব্বু একটু এগিয়ে এসে বলল, “ওয়েল ডোরিন, টনিকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সেটা তো আমিও ঠিক বিশ্বাস করিনি! আসলেই তো এই মাইক্রোবাসের ভিতরে দেখি রীতিমতো হলিউডের সাইফাই ল্যাব।”

    মামা তখন এগিয়ে এসে ডোরিনের আব্বুর সাথে হ্যান্ডশেক করে বলল, “না না! সেরকম কিছু না। স্ট্যান্ডার্ড যন্ত্রপাতি। ছোট জায়গার মাঝে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে বলে এরকম লাগছে।”

    তখন ডোরিনের বাবা নিজের পরিচয় দিল, মামা তার পরিচয় দিল। তারপর বড় মানুষেরা নিজেদের ভিতরে যেভাবে কথা বলে সেভাবে কথা বলতে লাগল। কে কী করে, কোথায় থাকে, কোথায় লেখাপড়া করেছে। এইসব বেদরকারি কথা। কিন্তু এমনভাবে মুখ গম্ভীর করে কথা বলে যে মনে হয় এই কথাগুলো বুঝি খুবই দরকারী কথা। আমরা একটু অধৈর্য হয়ে যাচ্ছিলাম, একটু সরে গিয়ে নিজেরা কথা বলব কী না চিন্তা করছিলাম, তখন মামা আর মেয়েটার বাবা একটু থামল। মেয়েটা তখন মামার মাইক্রোবাসের ভিতরে উঁকি দিয়ে বলল, “এত যন্ত্রপাতি!” তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি এই সব যন্ত্রপাতি চিনো?”

    যদি আশেপাশে মামা না থাকতো তাহলে মুখ গম্ভীর করে বলতাম, ‘হ্যাঁ চিনি। তারপর কোন যন্ত্র কী কাজে লাগে সেটা বানিয়ে বানিয়ে বলতে শুরু করতাম। কিন্তু মামা কাছে দাঁড়িয়ে আছে আমি তো আর সেইটা করতে পারি না। কীভাবে উত্তর দেওয়া যায় চিন্তা করছি তখন মামা বলল, “হ্যাঁ টোপন সব চিনে। টোপন হচ্ছে আমার এসিস্টেন্ট, আমার অনেক যন্ত্র সে অপারেট করতে পারে।”

    ডোরিন নামের মেয়েটা চোখ কপালে তুলে বলল, “ও মাই গড! তার মানে তুমিও একজন সায়েন্টিস্ট?”

    আমি বললাম, “না, না, আমি সায়েন্টিস্ট না।”

    মামা বলল, “আসলে টোপন ছোটখাটো একটা সায়েন্টিস্ট, আমার কাজকর্মে একজন এসিস্টেন্ট দরকার সেইজন্য টোপনকে নিয়ে এসেছি। টোপন খুবই স্মার্ট ছেলে”

    আমি মামার দিকে তাকালাম, মামা কেন এভাবে বলছে বুঝতে পারলাম না। আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করছে কী না কে জানে! কিন্তু গলার স্বরে তো ঠাট্টা করার কোনো ভাব নেই।

    মামা গম্ভীর গলায় বলল, “আসার সময় একটা রোড একসিডেন্ট ভিক্টিম ফেমিলি পেয়েছিলাম, সবাইকে আমরা হাসপাতালে নিয়েছি, টোপন খুবই দায়িত্বশীল মানুষের কাজ করেছে।”

    ডোরিনের বাবা বলল, “হাউ নাইস!”

    মামা থামল না, বলতে থাকল, “আজ দুপুরে টোপনকে পাঠিয়েছি এলাকাটা সার্ভে করে আসতে, সে ফিরে এসেছে ভিজে কাপড়ে! তার মানে পানিতেও নেমেছে। নৌকা চালানো শিখে এসেছে। শুধু তাই না, এলাকার ছেলে পিলেদের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করে এসেছে। এমনই চমৎকার ফ্রেন্ডশিপ যে একজনের মা রান্না করে খাবার পাঠিয়েছেন। কমপ্লিট উইথ চেপা ভর্তা।”

    ডোরিনের বাবা বলল, “চেপা ভর্তা? হাউ ওয়ান্ডারফুল!”

    “তার মানে বুঝতে পারছেন? আজ রাতে আমাদের শুকনা রুটি আর ডিম সিদ্ধ খেতে হবে না! আমরা সত্যিকারের খাবার খাব। সব টোপনের সৌজন্যে।”

    ডোরিনের বাবা বলল, “সময় পেলে আমাদের রিসোর্টে চলে আসবেন। আমরা এক সাথে লাঞ্চ কিংবা ডিনার করতে পারি।” তারপর আমার আর মাহবুবের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমরা দুইজন অবশ্যই আসবে। ভিতরে চমৎকার একটা ফ্যামিলি পুল আছে, তোমরা পছন্দ করবে!”

    ডোরিন খুশিতে হাততালি দিল, টনি নামের ভোতা ছেলেটার মুখটা আরো একটু ভোলা হয়ে গেল! ডোরিন হাততালি দিতে দিতে বলল, “পুলের পাশে সন্ধ্যাবেলা বারবিকিউ করে, খুব মজার কাবাব তৈরি করে।”

    ডোরিনের বাবা বললেন, “হ্যাঁ, তোমরা এসো। আমার ছেলেমেয়েরা রিসোর্টের ভেতর একা একা অধৈর্য হয়ে উঠছে। তোমাদের সাথে একটু সময় কাটালে ভালো লাগবে।”

    ডোরিন হঠাৎ ঘুরে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “টোপন তুমি এখন কী সায়েন্স এক্সপেরিমেন্ট করবে?”

    আমি একটু থতমত খেয়ে বললাম, “সেটা তো এখনো জানি না। আমার মামা যেটা বলবে–”

    ডোরিন তখন মামার দিকে তাকাল, বলল, “সায়েন্টিস্ট আংকেল, টোপন এখন কী এক্সপেরিমন্টে করবে?”

    মামা খুবই সহজ গলায় বলল, “শুরু হবে সেম্পল কালেকশন দিয়ে। ভোরবেলা এই এলাকায় বের হয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে সেম্পল নিয়ে আসবে।”

    “কী রকম সেম্পল?”

    “অনেক রকম হতে পারে।” বালু, পানি, কখনো গাছ, গাছের পাতা, মাছ।”

    “আমরা কী টোপনের সাথে সাথে সেম্পল কালেক্ট করতে পারি?”

    “তোমরা?” মামা এবারে একটু অবাক হলো, তারপর বলল, “কাজটা মোটামুটি পরিশ্রমের, রোদে হেঁটে হেঁটে সেম্পল আনতে হবে। তোমরা শুধু শুধু কেন কষ্ট করতে চাচ্ছ?”

    “আমাদের পরিশ্রম করতে কোনো আপত্তি নাই।”

    টনি অনেকক্ষণ পর একটা কথা বলল, নাক দিয়ে ঘোঁৎ করে একটা শব্দ করে ভোতা মুখে বলল, “আমি রোদে হাঁটাহাঁটি করতে পারব না।”

    ডোরিন মুখ শক্ত করে বলল, “তুই আসতে না চাইলে আসিস না। আমি আসব।”

    মাহবুব বলল, “আমারও এখন স্কুল ছুটি। আমিও আসতে পারি।”

    মামা বলল, “ভেরি গুড। তোমাদের গার্জিয়ানদের যদি আপত্তি না থাকে তোমরা এসে টোপনকে সাহায্য করতে পার।” মামা তখন আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “ঠিক আছে টোপন? তোর কোনো আপত্তি নাই তো?”

    মামা এমন ভান করল যেন আমি খুবই গুরুত্বপূর্ণ মানুষ এবং আমি পারমিশন না দেওয়া পর্যন্ত কেউ আসতে পারবে না। আমি বললাম, “না, না, আমার কোনো আপত্তি নাই।”

    ডোরিন আবার আনন্দে হাততালি দিল। এই মেয়েটা খুব অল্পতেই আনন্দ পায়। তার ভাইটা ঠিক তার উল্টো। সবকিছুতেই তার সমস্যা।

    ডোরিন, টনি আর তার আব্বু আরো কিছুক্ষণ থাকল, তারপর কালকে কখন কোথায় কীভাবে আসবে সেটা ঠিক করে চলে গেল। মাহবুব আরো কিছুক্ষণ থাকল মামার সাথে। আরো কিছুক্ষণ কথা বলে গেল, সবই বিজ্ঞানের কথা। মামা সবাইকে চা বানিয়ে খাওয়ালো। কালো কুৎসিত চা, মুখে দিলে মনে হয় চা নয় বিষাক্ত আলকাতরা খাচ্ছি। সবাই অবশ্যি কোনো আপত্তি না করে মুখ বুজে খেয়ে নিল।

    সবাই চলে যাবার পর যখন অন্ধকার নেমেছে আমি তখন মামাকে জিজ্ঞেস করলাম, “আচ্ছা মামা! তোমাকে একটা প্রশ্ন করি?”

    “কর।”

    “তুমি আজকে সবার সামনে আমাকে নিয়ে বানিয়ে বানিয়ে এতো কথা কেন বলেছ?”

    “কোনটা বানিয়ে বলেছি?”

    “এই যে আমি হাফ সায়েন্টিস্ট। সব যন্ত্রপাতি চিনি, অপারেট করতে পারি এইসব।”

    “তুই যন্ত্রপাতি চালাতে পারিস না? নিশ্চয়ই পারিস।”

    “আমি কোন যন্ত্র অপারেট করতে পারি?”

    “কেন, দুপুরবেলা মাইক্রোওয়েভ ওভেন চালিয়ে ডিম সিদ্ধ করেছিস মনে নেই?” সেইটা কী একটা যন্ত্র না?”

    “যাও মামা, ঠাট্টা করো না।”

    “মোটেও ঠাট্টা করছি না। আমার সাথে থাকলে তুই সবকিছু শিখে যাবি। আজকে তোকে ডাটা নেয়া শিখিয়ে দেব। এক ধাক্কায় দুই হাফ সায়েন্টিস্ট হয়ে যাবি। যেটা পরে হবি সেটা একটু আগে বলে দিলাম।”

    “কেন?”

    “একটা তোর বয়সী মেয়ে এসেছে। এইরকম বয়সে মেয়েদের সামনে একটু নিজেকে জাহির করার ইচ্ছা করে না? তোর পক্ষ হয়ে আমি করে দিলাম।”

    আমি কী বলব বুঝতে পারলাম না। মামা মহা আজিব মানুষ।

    .

    রাত্রে আমরা মাহবুবের মায়ের রান্না করা খাবার খুব শখ করে খেলাম। মামা আমার থেকে বেশি শখ করে খেলো, চেপা ভর্তা জিনিসটা এতো শখ করে খাওয়া যায় কে জানত। মামা যে শুধু শখ করে খেলো তা নয় চেপার উপর একটা বিশাল বক্তৃতা দিল। এটা নাকি খাদ্য সংরক্ষণের একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক, নাম ফারমেন্টেশন টেকনিক। এই দেশের মানুষের আবিষ্কার, খাবারটা ব্যাক্টেরিয়া ধরতে পারবে না। কিন্তু রক্ষা পাবে! দেখে মনে হয় পচে ক্যাতক্যাতা হয়ে গেছে আসলে পচে নাই!

    খাওয়া শেষ করে মামা তার গামা রে স্পেকট্রোমিটার দিয়ে কেমন করে ডাটা নিতে হয় শিখিয়ে দিল। পুরো ব্যাপারটা যথেষ্ট জটিল কিন্তু মামা আমাকে যত্ন করে শেখালো। আমি শেখার চেষ্টা করলাম, কী করতে হয় সেগুলো ডাইরিতেও লিখে রাখলাম। মনে হলো সত্যি সত্যি এক ধাক্কাতে আমিও হাফ সায়েন্টিস্ট হয়ে গেছি। কী মজা!

    রাত্রে মাইক্রোবাসের মেঝেতে দুটি ক্যাম্প খাট পেতে সেখানে বিছানা করা হলো, খুবই আরামদায়ক বিছানা। সেখানে শুয়ে জঙ্গলে জন্তু জানোয়ার আর পশুপাখির ডাক শুনতে শুনতে আমি ঘুমিয়ে গেলাম। একটু যে ভয় ভয় করছিল না তা নয়, কিন্তু মামা আছে, তার পিস্তল আছে কাজেই ভয়টা আমাকে বেশি কাবু করতে পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }