Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. মানুষটার আজব কাজকর্ম

    ০৭.

    আমার কাছ থেকে সবকিছু শোনার পর প্রথমে একুশ দাড়ির মানুষটার আজব কাজকর্ম নিয়ে সবাই একটু হাসাহাসি করলাম, তারপর মাহবুব প্রথমে আমাদেরকে নিয়ে কাছাকাছি একটা বাজারে রওনা দিল। জায়গাটা বেশ দূরে কিন্তু দেখা গেল হাঁটতে কারো আপত্তি নাই। আশে পাশে মানুষ নেই তাই আমরা লাফাতে লাফাতে কিংবা গান গাইতে গাইতে যেতে পারব কেউ কিছু বলতে আসবে না। হাতের গাইগার কাউন্টারটি কী সেটা একটু ব্যাখ্যা করতে হলো। আমি বানিয়ে বানিয়ে বললাম এটা বাতাসের মাঝে কার্বন ডাই অক্সাইড কতোটুকু সেটা মাপার যন্ত্র। তবে নামটা শুনে তারা আমার সাথে একমত হলো যে গাইগার বেচারার বাবা মায়ের তার জন্য আরেকটু ভালো নাম দেওয়া উচিত ছিল। টনি অবশ্য বলার চেষ্টা করল যে গাইগার নিশ্চয়ই পারিবারিক নাম, তার বাবা মায়ের নামও নিশ্চয়ই গাইগার। আমরা সেটা শুনেও না শোনার ভান করলাম, একটা মজার বিষয়কে কেউ কাঠখোট্টা সত্যি তথ্য দিয়ে পানসে করে দিতে কেউ চায় না।

    আমরা যখন হাঁটছি তখন আমি টনির দিকে তাকালাম, তার মুখটা যথেষ্ট ভোলা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি না আসতে চাইছিলে না, তাহলে আসলে কেন?”

    টনি বলল, “আমি আসলেই আসতে চাই নাই। শুয়ে শুয়ে টিভি দেখব ভেবেছিলাম। কিন্তু

    “কিন্তু কী?”

    “হঠাৎ করে কাদের মামা চলে এসেছে।”

    ‘কাদের মামাটা কে?”

    “আমার একজন মামা। খালি প্রশ্ন করে! খুবই যন্ত্রণা।”

    আমি অবাক হয়ে বললাম, “খালি প্রশ্ন করে? কী প্রশ্ন?”

    টনি তার ভোতা মুখটা আরো ভোতা করে বলল, “দেখা হতেই প্রশ্ন করল একটা বিল্ডিংয়ের তিন তলায় একজন দাঁড়িয়ে আছে। সে যদি মাটি থেকে তিরিশ ফুট উঁচুতে থাকে তাহলে যে সাত তলা আছে সে কত উপরে আছে।”

    “তুমি কী বলেছ?”

    “কী বলেছি মানে?” টনি একটু বিরক্ত হয়ে বলল “যেটা উত্তর সেটা বলেছি।”

    এবারে মাহবুব জিজ্ঞেস করল, “উত্তরটা কী?”

    টনি বলল, “কেন? সত্ত্বর ফুট।”

    আমি বললাম, “হয় নাই।”

    টনি অবাক হয়ে বলল, “হয় নাই?”

    “না।”

    “তাহলে ঠিক উত্তর কতো?”

    “জানি না।”

    টনি একটু অবাক হয়ে বলল, “জান না? তাহলে বুঝলে কেমন করে যে আমার উত্তরটা হয় নাই?”

    ‘যদি উত্তরটা এতো সহজ হতো তাহলে তোমার মামা জিজ্ঞেস করতো না। এর মাঝে নিশ্চয়ই প্যাঁচ আছে।”

    ডোরিন মাথা নাড়ল, বলল, “আছে। প্যাঁচ আছে।”

    মাহবুবও মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ। প্যাঁচ আছে।”

    আমি বললাম, “বড় মানুষেরা সব সময় ছোটদের প্যাঁচের মাঝে রাখে।”

    টনি অবাক হয়ে বলল, “কিন্তু এতো সোজা একটা প্রশ্নের মাঝে প্যাঁচ থাকবে কেমন করে?”

    আমি বললাম, “সোজা জিনিসের মাঝেই প্যাঁচ বেশি থাকে।”

    কাজেই প্রশ্নটার মাঝে প্যাঁচটা কোনখানে সেটা চিন্তা করতে করতে আমরা হাঁটতে লাগলাম। মাহবুব সবার আগে প্যাঁচটা ধরতে পারল। আনন্দে চিৎকার করে বলল, ‘নব্বই ফুট, নব্বই ফুট!”

    আমরা অবাক হয়ে বললাম, “নব্বই ফুট?”

    “হ্যাঁ। সাত তলায় যে আছে সে নব্বই ফুট উপরে আছে। তারপর আমাদের বুঝিয়ে দিল সেটা কেমন করে বের করেছে। আমরা সবাই মাথা নাড়লাম, বুঝলাম মাহবুব সত্যিই প্যাঁচটা বুঝতে পেরেছে।

    টনি একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “মামাকে এর উত্তরটা বলে লাভ নাই। মামা তখন আরেকটা জিজ্ঞেস করবে। তারপর আরেকটা তারপর আরেকটা। যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারি তাহলে হতাশ ভাব দেখিয়ে মাথা নাড়ে। খুবই যন্ত্রণা।”

    আমরা সবাই স্বীকার করে নিলাম, বড় মানুষদের এই রকম ব্যবহারের জন্য ছোটদের জীবনে কোনো আনন্দ নাই। আমি বললাম, তুমি একটা কাজ করো না কেন?”

    “কী কাজ?”

    “তোমার মামা একটা প্রশ্ন করলে তুমি আরেকটা প্রশ্ন করবে।”

    “আমি আরেকটা প্রশ্ন করব?”

    “হ্যাঁ। বড় মানুষদের টাইট করার মতো প্রশ্ন আছে।”

    “আছে নাকি?”

    “হ্যাঁ। যেমন তুমি জিজ্ঞেস করতে পার আপনি কী প্রত্যেকদিন আপনার কান ধরে টানেন?”

    টনিকে কেমন জানি বিভ্রান্ত দেখা গেল। বলল, “এটা জিজ্ঞেস করলে কী হবে?”

    তোমার মামা বলবে, ‘না। তখন তুমি বলবে ও আচ্ছা, তার মানে আপনি প্রত্যেকদিন টানেন না, শুধু মাঝে মাঝে কান ধরে টানেন। তারপর জোরে জোরে হা হা করে হাসবে।”

    আমার বুদ্ধি শুনে সবাই এখনই জোরে জোরে হা হা করে হাসল। আমরা তখন আরো অনেকগুলো এরকম পিছলে ধরনের প্রশ্ন টনিকে শিখিয়ে দিলাম একটা নাপিতের দাড়ি কাটা নিয়ে প্রশ্ন, একটা কেক ভাগ করা নিয়ে প্রশ্ন, একটা শেয়ালের ঘুমানো নিয়ে প্রশ্ন, একটা ভালুকের গায়ের রং নিয়ে প্রশ্ন। তখন খুব ধীরে ধীরে টনির ভোতা মুখটা একটু সহজ হলো।

    কথা বলতে বলতে আর হাঁটতে হাঁটতে আমরা একটা বাজারে হাজির হলাম। খুবই ছোট বাজার মাত্র তিন চারটা দোকান। একটা চায়ের দোকানের সামনে দুইটা বেঞ্চ সেখানে কয়েকজন মানুষ বসে চা খাচ্ছে তারা খুবই সন্দেহের চোখে আমাদের দিকে তাকালো। এটা হচ্ছে বড় মানুষদের সমস্যা। তারা কোনো কাজকর্ম না করে দুপুর বেলা বসে বসে চা খাচ্ছে। আমরা ইচ্ছা করলেই খুবই সন্দেহের ভঙ্গীতে মানুষগুলোর দিকে তাকাতে পারতাম। আমরা তো তাকাচ্ছি না তারা কেন তাকাচ্ছে?

    যাই হোক মাহবুব আমাদের একটা দোকানে নিয়ে গেল, তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি এইখান থেকে জিনিসপত্র কিনতে পারবে।”

    ডোরিন জিজ্ঞেস করল, “কী কিনবে?”

    আমি বললাম, “ডেইলি সাপ্লাই।”

    “তার মাঝে কী আছে?”

    “আমি কেমন করে বলব?”

    ডোরিন অবাক হয়ে বলল, “তাহলে কে বলবে?”

    “আমি তোমাদেরকে নিয়ে এসেছি কেন? তোমরা বল ডেইলি সাপ্লাইয়ে কী কী থাকে?”

    তারা সবাই একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাল। তারপর ডোরিন বলল, “ডেইলি তোমরা কী কর?”

    “সবাই যেটা করে আমরাও সেইটা করি।”

    আবার সবাই একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাল। মাহবুব বলল, “বুঝেছি। টোপন কিছুই জানে না। সারাদিনে যা যা লাগে সেগুলো কিনে দেই।”

    “ঠিক আছে।” ডোরিন বলল, “একেবারে সকাল থেকে শুরু করে। ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার জন্য টুথপেস্ট, টুথব্রাশ। কুলি করার জন্য গ্লাস আর পানি। মুখ ধোওয়ার জন্য সাবান, মুখ মোছার জন্য তোয়ালে। ঘুমের কাপড় বদলে পরার জন্য শার্ট প্যান্ট জুতা মোজা। তারপর ব্রেকফাস্ট করার জন্য”

    আমি হাত তুলে বললাম, “থামো থামো ঠাট্টা না করে আসলে যা যা দরকার সেগুলো কিনে দাও। খাবার দাবার হলেই হবে।”

    “শুধু খাবার দাবার?”

    ‘হ্যাঁ।”

    ডোরিন মুখ সূচালো করে বলল, “তাহলে তো সোজা। ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করি। ব্রেকফাস্ট লাগবে রুটি, মাখন, জেলি, ডিম, কলা এবং চা না হয় কফি।”

    দোকানদার জোরে জোরে মাথা নেড়ে বলল, “কলা ছাড়া আর কিছু নাই।”

    আমরা দোকানে ঝুলে থাকা রোগা রোগা কয়েকটা কলা দেখতে পেলাম। মাহবুব জিজ্ঞেস করল, “ডিম? ডিমও নাই?”

    দোকানদার মাথা চুলকালো, বলল, “ডিম কয়েকটা জোগাড় করা যেতে পারে।”

    ডোরিন বলল, “লাঞ্চে দরকার কোনো এক ধরনের সুপ, নুডলস এবং ভেজিটেবল। নুডলসে চিকেনের টুকরো দেওয়া যেতে পারে।”

    আমি একটা নিঃশ্বাস ফেলে বললাম, “তোমরা বুঝতে পারছ না। বেশি ভালো খাবার দাবারের দরকার নাই, শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য যেটা না হলেই না সেটা ছাড়া আর কিছু লাগবে না। যদি খুব ভালো করে বাজার করে নেই তাহলে অন্য সমস্যা হতে পারে।”

    “অন্য কি সমস্যা?”

    “তাহলে মামা সব সময় আমাকে পাঠাবে বাজার করতে।”

    সবাই প্রথমে হাসল তারপর মাথা নাড়ল। বড়দের নিয়ে কী কী সমস্যা হতে পারে আমরা সবাই সেটা জানি। টনি চিন্তিত মুখে জিজ্ঞেস করল, কিন্তু তুমি যদি খুব খারাপ বাজার করে নিয়ে যাও তাহলে সমস্যা হবে না?”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “নাহ্! তাহলে কোনো সমস্যা নাই।”

    “কেন?”

    “কারণ বাজার যদি খুব খারাপ হয় আমি সব দোষ দিব তোমাদের। বলব তোমরা জোর করে আমাকে এগুলো কিনিয়েছ। আমি কিনতে চাই নাই।” বলে আমি দাঁত বের করে হাসলাম।

    আমার কথা শুনে তিনজন প্রথমে চোখ পাকাল তারপর তিনজনই আমার মতো দাঁত বের করে হাসল। ডোরিন বলল, “তুমি আসলে একটা মিচকে শয়তান।”

    আমি মাথা নেড়ে স্বীকার করে। নিলাম, “হ্যাঁ। আমি আসলেই একটা মিচকে শয়তান।”

    সবাই মিলে আলাপ আলোচনা করে আমাকে ডেইলি সাপ্লাই কিনে দিল। আমি সেগুলো আমার ব্যাকপেকে ভরে নিলাম। ফিরে যাবার আগে মাহবুব বলল, “চল চা খাই।”

    সাথে সাথে সবাই রাজী হয়ে গেল। চায়ের দোকানটার বাইরে রাখা বেঞ্চটা একটু খালি হয়েছে আমরা সেখানে বসে চায়ের অর্ডার দিলাম। যে ছেলেটা চা তৈরী করছে সে প্রায় আমাদের বয়সী। অনেক যত্ন করে সে আমাদের জন্য চা তৈরি করে দিল। চায়ে চুমুক দিয়েই ডোরিন বলল, এতো মজার চা সে জীবনেও খায় নাই।

    টনি যতক্ষণ মুখ ভোলা করেছিল ততক্ষণ ডোরিনের একটা কথাও সে মেনে নেয় নাই কিন্তু তার কাদের মামাকে পিছলে প্রশ্ন করে টাইট করার বুদ্ধি দেওয়ার পর থেকে সে একটু সহজ হয়েছে। এখন মাঝে মাঝেই সে আমাদের কথাবার্তায় যোগ দিচ্ছে। ডোরিনের সাথে সাথে সেও স্বীকার করে নিল যে এই চা’টা অসাধারণ। তাদের মনি কাঞ্চনের চা এর তুলনায় বাসন ধোয়া পানি ছাড়া আর কিছু না!

    চা খেয়ে আমরা রওনা দিলাম। মামা আমাকে তিনটা কাজ দিয়েছিল। একটা ছিল গাইগার কাউন্টার দিয়ে এই এলাকাটা ম্যাপিং করা, একুশ দাড়ি উৎপাত করার পরও সেটা অনেকখানি করেছি। আরেকটা ছিল ডেইলি সাপ্লাই কিনে আনা সেটাও কিনে ফেলেছি। এখন বাকী আছে মাটির সেম্পল নিয়ে আসা। যেহেতু আমরা চারজন আছি তাই চার জায়গায় সেম্পল নিতে পারব। আমি মামার জিপিএসটা বের করে মামা যেভাবে শিখিয়ে দিয়েছে সেভাবে লেটিচ্যুড লঙ্গিচ্যুড বের করে আমার নোট বইয়ে লিখে নিলাম। তারপর মাটি খুঁড়ে প্রায় দুই কেজি মাটি পলিথিনের ব্যাগে ভরে নিলাম।

    দুই কেজি মাটি মোটেও বেশি না কিন্তু হাঁটা শুরু করার পর মাটির ওজন আস্তে আস্তে বাড়তে লাগল। আমাদের কাছে শুধু মাটি না; ডেইলি সাপ্লাই আছে, গাইগার কাউন্টারটাও আছে। কাজেই সব মিলিয়ে মোটামুটি পরিশ্রম হতে লাগল এবং আমরা মাঝে মাঝেই বসে বিশ্রাম নিতে লাগলাম।

    আমি বললাম, “একটা রিকশা থাকলে খারাপ হতো না।”

    মাহবুব বলল, “রিকশা চালানোর জন্য রাস্তা দরকার হয়। এখানে রাস্তা নাই, রিকশা চালাবে কোথায়?”

    আমরা নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটছিলাম, তখন ডোরিন বলল, “ঠিক আছে রিকশার বদলে নৌকা হলেও খারাপ হতো না।”

    ঠিক তখন দেখলাম দূর থেকে একটা নৌকা আসছে। মাহবুব বলল, “দেখি এই নৌকাটাকে রাজি করাতে পারি কিনা।”

    নৌকাটা কাছে আসতেই মাহবুব গলা উঁচিয়ে বলল, “মামা, যাত্রী নেবেন?”

    “কই যাবা?”

    “ঐ তো সামনে। হাওড়ের মুখে।”

    “নাও ওঠো।”

    মানুষটা নৌকাটাকে তীরের কাছে নিয়ে এলো, তখন আমরা সাবধানে উঠে গেলাম। এই নৌকাটা মাহবুবের নৌকার মতো ছোট নৌকা না তাই উঠতে কোনো ঝামেলা হলো না।

    নৌকায় আরো দুইজন মানুষ বসেছিল তারা একটুখানি কৌতূহল নিয়ে আমাদের দিকে তাকালো। মাঝি জিজ্ঞেস করল, “তোমাদের বাড়ি কোনখানে?”

    মাহবুব আমাদের হয়ে কথা বলল, “আমার বাড়ি এইখানে কাজী বাড়ি। এরা বাইরের। দুইজন মনি কাঞ্চন থাকে। আরেকজন তার মামার সাথে গাড়িতে থাকে।”

    মনি কাঞ্চন নিয়ে মাঝির খুব কৌতূহল। সে নানা ধরনের প্রশ্ন করল। অনেকগুলো প্রশ্ন বিদেশি সাহেবদের নিয়ে। এইখানে এতো বিদেশি সাহেব কেন আসে, তারা কী করে। তারা কী খায়। মদ খায় নাকি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা প্রশ্ন। ডোরিন আর টনি যেটুকু পারল সেটুকু উত্তর দিল।

    নৌকায় বসে থাকা দুজন মানুষের একজন আমাকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি গাড়িতে থাকো?”

    আমি মাথা নাড়লাম।

    “কেন? গাড়িতে কেন থাকো?”

    আমি কিছু বলার আগে মাহবুব উত্তর দিল, “ওর মামা সায়েন্টিস্ট। গাড়িতে অনেক বড় ল্যাবরেটরি। গবেষণা করে সেইজন্য গাড়িতে থাকে।”

    মানুষটা ঠিক বুঝল কি না কে জানে। আমার হাতের গাইগার কাউন্টারটা দেখে জিজ্ঞেস করল, “তোমার হাতে ঐটা কী যন্ত্র?”

    আমি বললাম, “এইটার নাম গাইগার কাউন্টার।”

    “এইটা দিয়ে কী করে?”

    আবার আমি উত্তর দেবার আগে মাহবুব উত্তর দিল। “বাতাসের দূষিত পদার্থ মাপে।”

    মানুষটার যথেষ্ট কৌতূহল, সে হাত বাড়িয়ে বলল, “দেখি যন্ত্রটা।”

    আমি কী আর করি, তার হাতে গাইগার কাউন্টারটা দিলাম। সে এটা হাতে নিয়ে দেখল, তার টুকরির উপর রেখে মাথা ঘুরিয়ে পরীক্ষা করল তখন হঠাৎ আমি লক্ষ করলাম গাইনার কাউন্টারটার কট কট শব্দটা একটু বেড়ে গেছে। একটু ঘন ঘন শব্দ করছে। আমি ছাড়া আর কেউ ব্যাপারটা লক্ষ করল না।

    মানুষটা একটু পরে আমার হাতে গাইগার কাউন্টারটা ফিরিয়ে দিল এবং আমি লক্ষ করলাম তখন কট কট শব্দটা আবার কমে গেল। কী আশ্চর্য!

    কিন্তু আসলেই সত্যি সত্যি হচ্ছে নাকি এটা আমার মনের ভুল কে জানে। ব্যাপারটা আমার একটু পরীক্ষা করা দরকার। তাই আমি মানুষটাকে বললাম, এই যন্ত্রটা টানতে টানতে আমার হাত ব্যথা হয়ে গেছে। আপনার টুকরির উপর যন্ত্রটা একটু রাখি?”

    মানুষটা বলল, “রাখ।”

    আমি আবার টুকরির উপর রাখলাম এবং স্পষ্ট শুনতে পেলাম কট কট শব্দটা বেড়ে গেছে। কী রহস্যময় ব্যাপার।

    আমি কয়েক মিনিট অপেক্ষা করলাম, তারপর জিজ্ঞেস করলাম, “আপনার টুকরির ভিতর কী?”

    মানুষটা হাসার ভঙ্গী করল, “কিছু না। হাওড়ের পাড় গিয়েছিলাম সেইখানে একটা যষ্ঠিমধু গাছের চারা পেয়েছি। নিয়া যাচ্ছি বাড়িতে লাগব।”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “যষ্ঠি মধু গাছের চারা দেখতে কেমন?”

    মানুষটা তার টুকরির ঢাকনা খুলল, আমি দেখলাম ভিতরে লতানো একটা গাছের চারা। গাছের নিচে খানিকটা মাটি। মনে হয় এই মাটিটা রেডিও একটিভ। একটু পরীক্ষা করে দেখতে পারলে হতো।

    আমি আমার পিছলে বুদ্ধি ব্যবহার করার চেষ্টা করলাম, বললাম, “আমার গাছ খুব ভালো লাগে। এই গাছটা একটু দেখি?”

    মানুষটা মনে হয় একটু অবাক হলো, কিন্তু স্বাভাবিক গলায় বলল, “দেখো।”

    আমি এবারে হাত বাড়িয়ে তলায় লাগানো মাটিসহ গাছের চারাটাকে তুলে নিয়ে এসে চোখের সামনে ধরে দেখার ভান করলাম তারপর একেবারে গাইগার কাউন্টারের টিউবটার কাছে নিয়ে গেলাম। কটকট শব্দটা সত্যি সত্যি অনেক বেড়ে গেল। আমি আবার সরিয়ে নিলাম, শব্দটা সাথে সাথে কমে গেল। এবারে আর কোনো সন্দেহ নেই।

    আমি যষ্ঠি মধু গাছটা আবার সাবধানে টুকরির মাঝে রেখে বললাম, ‘আপনি আমাকে ঠিক করে বলবেন এই চারাটা কোথায় পেয়েছেন?”

    “কেন?”

    “আমি যষ্ঠি মধু গাছের চারা অনেক দিন থেকে খুঁজছি কিন্তু পাচ্ছি না। ঐ জায়গায় দেখতাম আরো আছে কিনা।”

    মানুষটা না সূচকভাবে মাথা নেড়ে বলল, “তোমারে যেতে দিবে না।”

    “যেতে দিবে না?”

    “না।”

    “কে যেতে দিবে না।”

    “কোম্পানির দারোয়ান।”

    “কিসের কোম্পানি?”

    ‘মনে হয় সিমেন্ট কোম্পানি। কাউকে যেতে দেয় না। দারোয়ানরা বন্দুক নিয়ে পাহাড়া দেয়।”

    আমি বেশ অবাক হলাম। যে সিমেন্ট কোম্পানি এখনো তৈরি হয়নি সেটা বন্দুক দিয়ে পাহাড়া দিতে হয়? তারপরও বললাম, “জায়গাটা একটু চিনিয়ে দেবেন? বলে দেখব যেতে দেয় কি না।”

    মানুষটা তখন জায়গাটা চিনিয়ে দিল, আমি ঠিক চিনতে পারলাম না, মাহবুব সহজেই চিনতে পারল। জায়গাটাতে গিয়ে আমার মাটি পরীক্ষা করতে হবে। হাওড়ের কাছাকাছি এসে আমরা নৌকা থেকে নেমে গেলাম। সবাই মিলে আমরা মামার মাইক্রোবাসের দিকে হাঁটতে থাকি। মাহবুব, ডোরিন আর টনি নিজেদের ভিতরে কথা বলছে। আমি একটু অন্যমনস্ক হয়ে থাকলাম। যষ্ঠি মধু গাছের গোড়ার মাটি থেকে গাইগার কাউন্টারে অনেক বেশি সিগন্যাল দেয়, তার মানে এই মাটিতে রেডিওএকটিভিটি আছে। কী আশ্চর্য। মামা যখন জানবে তখন কী অবাক হয়ে যাবে। আমি মাহবুব, ডোরিন আর টনিকে সত্যি কথাটা বলতে পারছি না তাই মনটা খুঁত খুঁত করতে লাগল। সবকিছু জানলে তারা কতো উত্তেজিত হতে পারতো। মামাকে জিজ্ঞেস করতে হবে এই তিনজনকে আসল কথাটা বলা যায় কি না। এরা যেহেতু কাজকর্মে সাহায্য করছে তাদের নিশ্চয়ই সত্যি কথাটা জানার অধিকার আছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }