Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. লাঞ্চ খেয়েই মামা চলে গেল

    ০৯.

    লাঞ্চ খেয়েই মামা চলে গেল। আমি আর মাহবুব রয়ে গেলাম মনি কাঞ্চনে। এখানে অনেক কিছু করার ব্যবস্থা আছে, ডোরিন আর টনি সেগুলো আমাদের দেখাবে। প্রথমে দেখালো ব্যায়াম করার জায়গা। সেখানে পাহাড়ের মতো বড় বড় সাদা চামড়ার মানুষ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দৌড়াচ্ছে, দেখে খুবই আজব লাগে যে একজন প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে কিন্তু নিজের জায়গা থেকে নড়ছে না। তারপর নিয়ে গেল বিলিয়ার্ড খেলার রুমে। আমি আগে শুধু সিনেমায় দেখেছি মানুষজন বিলিয়ার্ড খেলছে এবং তখন ডাকাতেরা গুলি করে সব লুটপাট করে নিচ্ছে। একটা টেবিল খালি ছিল ডোরিন আর টনি সেটা দখল করে নিয়ে বিলিয়ার্ড বলগুলি সাজিয়ে নিল। আমরা তখন বল দিয়ে খানিকক্ষণ ঠোকাঠুকি করলাম একদিকে মারলে বল অন্যদিকে ছুটে যায় আর আমরা সেটা দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেতে লাগলাম। যারা অন্য টেবিলে বিলিয়ার্ড খেলছিল তারা আমাদের এই হাসাহাসি শুনে খুবই বিরক্ত হচ্ছিল কিন্তু আমরা তাদের পাত্তা দিলাম না।

    তারপর আমরা রিসোর্টের বাইরে এলাম। প্রথমে ডোরিন আর টনি আমাদেরকে সুইমিংপুলে নিয়ে গেল। সুইমিংপুলটা খুবই সুন্দর, প্রথমে ভেবেছিলাম সেখানে বুঝি টলটলে নীল পানি কিন্তু পানির তো আর কোনো রং হয় না, তখন বুঝতে পারলাম সুইমিংপুলটা নীল রংয়ের টাইলস দিয়ে তৈরি করেছে তাই মনে হচ্ছে পানিটাই বুঝি নীল। সুইমিং পুলের এক পাশে ডাইভ দেওয়ার জায়গায় মোষের মতো বড় একটা মানুষ লাল রংয়ের ছোট আর টাইট একটা জাঙ্গিয়া পরে সেখান থেকে একটা ডাইভ দিল মনে হলো তার ধাক্কায় সুইমিংপুলের সব পানি বুঝি উপরে উঠে গেল। আমরা পানিটা হাত দিয়ে দেখলাম যথেষ্ট ঠান্ডা। মাহবুব পানিটা শুঁকে বলল ওষুধের গন্ধ। নদী আর হাওড়ের এতো সুন্দর পানি থাকতে মানুষ ঠান্ডা ওষুধের গন্ধে ভরা পানিতে লাল জাঙ্গিয়া পরে কেন সাঁতার কাটতে চায় কে জানে।

    সুইমিং পুলটা দেখে আমরা মাঠে চলে এলাম। সেখানে পাশাপাশি অনেকগুলো টেনিস কোর্ট। টনি বলল, “চল টেনিস খেলি।”

    আমি বললাম, “টেনিস কেমন করে খেলে আমি জানি না।”

    ডোরিন বলল, “এর মাঝে জানার কী আছে? বলকে র‍্যাকেট দিয়ে পিটাবে।”

    মাহবুব বলল, “তা ঠিক। আমরা তো কম্পিটিশনে খেলব না।”

    ডোরিন বলল, “দাঁড়াও, আমি টেনিস র‍্যাকেট আর বল নিয়ে আসি।”

    আমরাও ডোরিনের সাথে টেনিস বল আর র‍্যাকেট আনতে গেলাম। একটা আলমারীর ভিতর র‍্যাকেট আর বল সাজানো আছে। আমরা বেছে বেছে হালকা দেখে চারটা র‍্যাকেট আর কয়েকটা টেনিস বল নিয়ে এলাম।

    টেনিস কোর্টে এসে আমরা খেলার চেষ্টা করতে থাকলাম। বলগুলিকে মারতে অনেক শক্তি লাগে। প্রায় সবগুলি বলই নেটে আটকে যেতে লাগল, কিন্তু তাতে আমাদের উৎসাহ মোটেও কমল না। টেনিস খেলতে খেলতে এক সময় আমরা টেনিস বল দিয়ে একজন আরেকজনকে মারতে গুরু করলাম এবং আবিষ্কার করলাম টেনিস খেলা থেকে এই খেলাতেই মজা অনেক বেশি। টেনিস কোর্টে র‍্যাকেট রেখে আমরা ছোটাছুটি করতে করতে এক সময় মনি কাঞ্চনের পিছনের দিকে চলে এলাম। জায়গাটা গাছপালা দিয়ে ঢাকা এবং অনেক নিরিবিলি। বড় বড় ঘাস এবং ঝোঁপ ঝাড়। সেখানে ডোরিন একবার তার টেনিস বল দিয়ে আমাকে মারল এবং বলটা মাটিতে ড্রপ খেয়ে লাফিয়ে উপরে উঠে একেবারে অদৃশ্য হয়ে গেল! আমরা বলটা আর খুঁজেই পেলাম না। জলজ্যান্ত একটা বল কেমন করে চোখের সামনে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে আমরা বুঝতেই পারলাম না।

    টনি বলল, “ছেড়ে দাও। আরেকটা টেনিস বল নিয়ে আসি চল।”

    কিন্তু আমার কেন জানি চোখ চেপে গেল। আমি খুঁজতেই থাকলাম, খুঁজতেই থাকলাম। ঠিক যেখানে বলটা পড়েছে সেই জায়গাটা পাতি পাতি করে খুঁজতে খুঁজতে হঠাৎ এক জায়গায় একটা গোল গর্ত দেখতে পেলাম। গর্তটা বেশ গভীর, কিছু দেখা যায় না। আমি ভিতরে হাত ঢুকিয়ে হাতটা নাড়াচাড়া করতেই একপাশে একটা আংটার মতো জিনিস পেলাম। হাত দিয়ে সেটা নাড়াচাড়া করে বোঝার চেষ্টা করলাম এটা কী। ঠিক বুঝতে পারলাম না। তখন এটা ধরে টান দিতেই কিছু একটা নড়ে উঠল, কী নড়ল ঠিক বুঝতে পারলাম না। তখন আবার টান দিতেই উপরের মাটিটা নড়ে উঠল। মনে হলো এটা একটা ঢাকনার মতন, এর উপর মাটি জমেছে সেখানে ঘাস উঠেছে।

    সবাই আমার দিকে তাকিয়ে ছিল, মাহবুব জিজ্ঞেস করল, “কী পেয়েছ?”

    “বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে একটা ঢাকনা। টান দিলে খুলে যাবে।”

    “সত্যি?” বলে মাহবুবও আমার পাশে হাঁটু গেড়ে বসে গেল। তারপর সেও হাত দিয়ে কড়াটা ধরল। তখন আমরা দুজন ধরে টান দিতেই ঢাকনা বেশ একটু উঠে এলো। ডোরিন আর টনিও তখন ঢাকনাটা ধরে ফেলল। আমরা চারজন মিলে তখন ঢাকনাটা টেনে খুলে ফেললাম। অবাক হয়ে দেখলাম নিচে একটা সিঁড়ি নেমে গেছে। এবং সিঁড়ির নিচে আমাদের টেনিস বলটা পড়ে আছে। এখন অবশ্য এই টেনিস বলটা নিয়ে আমাদের কোনো মাথা ব্যথা এবং আগ্রহ নেই। এই রহস্যময় সিঁড়িটা কোথায় গেছে সেটা নিয়ে আমাদের আগ্রহ।

    আমরা নিঃশব্দে একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকালাম। তারপর এদিক সেদিক তাকালাম, বোঝার চেষ্টা করলাম কেউ আমাদের দেখে ফেলেছে কি না। আমরা ঝোঁপ ঝাড় দিয়ে আড়াল হয়ে আছি, কেউ আমাদের দেখছে না। চারজন আরো উবু হয়ে বসলাম যেন কেউ দেখতে চাইলেও দেখতে না পারে।

    আমি সবার আগে কথা বললাম, “চল, নামি।”

    মাহবুব সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল, বলল, “হ্যাঁ, চল।”

    ডোরিন ইতস্তত করে বলল, “নামবে? যদি কিছু হয়?”

    আমি বললাম, “কী আর হবে? দেখে আসি সিঁড়িটা কোথায় গেছে।”

    ডোরিন শেষ পর্যন্ত রাজি হলো। বলল, “ঠিক আছে।”

    টনি ঠিক সাহস পাচ্ছিল না কিন্তু সবাই যদি নেমে যায় তখন একা একা থেকে যাওয়াটা কেমন দেখায়? তাই সেও রাজি হলো।

    আমরা একজন একজন করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগলাম। সবাই নেমে যাবার পর ঢাকনাটা আবার টেনে ঢেকে দিলাম যেন বাইরে হঠাৎ কেউ চলে এলেও বুঝতে না পারে এখানে কিছু আছে।

    ঢাকনাটা টেনে দেবার পর প্রথমে সিঁড়িটা ঘুটঘুঁটে অন্ধকার হয়ে গেল তারপর আস্তে আস্তে অন্ধকারটা একটু কেটে গিয়ে আমরা আবছা আলো দেখতে পেলাম। মনে হলো সামনে একটা দরজা সেই দরজার নিচ দিয়ে একটু আলো বের হচ্ছে। আমরা কোনো কথা না বলে খুব সাবধানে নিচে নামতে থাকি। দরজার সামনে গিয়ে আমরা দাঁড়ালাম, দরজাতে হাত দিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম কোনো হ্যাঁন্ডেল আছে কি না। সত্যি সত্যি একটা হ্যাঁন্ডেল পেলাম। হ্যাঁন্ডেলটা ঘোরালে দরজাটা খুলবে আমরা একেবারেই আশা করিনি। কিন্তু সত্যি সত্যি শক্ত হ্যাঁন্ডেলটা একটু জোর দিয়ে চাপ দিতেই খুট করে দরজাটা খুলে গেল। দরজার অন্য পাশে কি আছে আমরা জানি না তাই দরজাটা আগেই খুলে ফেললাম না। খুব সাবধানে একটু ফাঁক করে সেই ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলাম। মনে হলো সামনে একটু খানি ফাঁকা জায়গা তারপর আরেকটা দরজা। আমরা তখন সাবধানে ফাঁকা জায়গাটায় এসে দাঁড়ালাম। আগের দরজাটা খুলেছে বলে এটাও খুলবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। এবং আমাদের সন্দেহ সত্যি হলো। আমরা নাটা ঘোরানোর চেষ্টা করে বুঝতে পারলাম এটা তালা মারা। কাজেই আর ভেতরে যাওয়ার উপায় নেই। টনি একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “চল ফিরে যাই।”

    আমরা ফিরেই যাচ্ছিলাম তখন ডোরিন চাপা গলায় বলল, “এই দেখ।”

    আমরা দেখলাম দেওয়ালে একটা চাবির রিং ঝুলছে। সেখানে ছোট বড় কয়েকটা চাবি।

    আমি আনন্দের চাপা একটা শব্দ করে চাবির রিংটা হাতে নিয়ে একটা একটা করে চাবিগুলো নবের ভেতর ঢোকানোর চেষ্টা করলাম। প্রথম দুটো কাজ করল না, তিন নাম্বারটা চাপ দিতেই ঢুকে গেল। আমি সাবধানে চাবিটা ঘোরালাম এবং দরজাটা খুট করে খুলে গেল। দরজায় ওই পাশে কী আছে আমরা জানি না তাই কয়েক সেকেন্ড নিঃশব্দে অপেক্ষা করলাম। যখন কিছুই হলো না তখন খুব সাবধানে দরজাটা ধাক্কা দিয়ে একটুখানি ফাঁক করে ভিতরে তাকালাম। সামনে ঝকঝকে একটা করিডোর, আলোতে ঝলমল করছে। আমি করিডোরের দুই দিকে তাকালাম, কোনো মানুষ নেই। শুধু যন্ত্রপাতির একটা চাপা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

    টনি বলল, “অনেক দেখা হয়েছে। এখন চল যাই।”

    আমি বললাম, “একটু ভিতরে ঢুকি।”

    টনি ভয় পাওয়া গলায় বলল, “না, প্লিজ না।”

    আমি আর কথা না বাড়িয়ে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে গেলাম। আমার পিছু পিছু মাহবুবও ঢুকে গেল। তার পিছনে ডোরিন এবং সবার শেষে টনি।

    টনি ভয় পাওয়া গলায় বলল, “যদি কেউ দেখে ফেলে।”

    “দেখে ফেললে দেখবে। আমরা কি চুরি করতে এসেছি?” আমাদের বলটা পড়ে গেছে সেটা খুঁজতে খুঁজতে এসেছি।”

    মাহবুব মাথা নাড়ল, অন্যরা কিছু বলল না। আমরা করিডোর ধরে হাঁটতে থাকি। দুইপাশে বড় বড় ঘর, সেই ঘরের জানালা দিয়ে ভেতরে দেখা যায়। আমরা দেখতে দেখতে যেতে থাকি। নানা ধরনের যন্ত্রপাতি। মনে হয় বিশাল একটা ল্যাবরেটরি। আমরা আরেকটু এগিয়ে গেলাম, জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে আমি চমকে উঠলাম, এখানে পাশাপাশি অনেকগুলো যন্ত্র এবং এই যন্ত্রগুলো আমি চিনি। মামার মাইক্রোবাসে একটা আছে, এটা হচ্ছে গামা রে স্পেকট্রোস্কোপি করার ডিটেক্টর শুধু তাই না, এক পাশে টেবিলের ওপর সারি সারি অনেকগুলো গাইগার কাউন্টার।

    আমি একটা চাপা শব্দ করলাম, বললাম, “হায় খোদা!”

    ডোরিন জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    “তোমরা চিন্তাও করতে পারবে না”

    “কি চিন্তাও করতে পারব না?”

    “চল ফিরে যাই, বাইরে গিয়ে বলব।”

    আমরা চলে যাবার জন্য মাত্র ঘুরেছি ঠিক তখন করিডোরের অন্য মাথায় দরজা খুলে একজন মানুষ ঢুকল। পাহাড়ের মতন একজন মানুষ, একটু আগে সুইমিংপুলে এই মানুষটা নেংটির মতো একটা জাঙ্গিয়া পরে লাফ ঝাঁপ করছিল। মানুষটা আমাদের দেখে পাথরের মতো জমে গেল, তারপর একটা গগন বিদারী চিৎকার দিল।

    আমি ফিসফিস করে বললাম, “সবাই খুবই স্বাভাবিক থাক। ভাব দেখাবে আমরা মোটেও লুকিয়ে আসিনি। ঘুরতে এসেছি।”

    আমরা নিজেরা নিজেরা কথা বলতে বলতে এগিয়ে গেলাম। পাহাড়ের মতো মানুষটার কাছে গিয়ে ডোরিন তার দিকে হাসি হাসি মুখে বলল, “হ্যালো। গুড আফটারনুন।”

    পাহাড়ের মতো মানুষটা শুভেচ্ছা বিনিময়ের ধারে কাছে গেল না, প্রায় হুংকার দিয়ে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করল, “তোমরা এখানে কীভাবে ঢুকেছ?”

    “কেন? হেঁটে হেঁটে এসেছি।” ডোরিন একটু অবাক হওয়ার ভান করে বলল, “এখানে আসা কি নিষেধ?”

    মানুষটা কোনো উত্তর দিল না, বড় বড় চোখে তাকিয়ে রইল। আমাদের কথাবার্তা শুনে আরো কয়েকজন মানুষ এসে হাজির হলো। তাদের মাঝে ব্যায়ামের ঘরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দৌড়ানো মানুষ দুইজনকেও দেখলাম। শোরগোল শুনে একজন বাঙালিকেও ছুটে আসতে দেখলাম। বাঙালি মানুষটা আমাদের দেখে চোখ কপালে তুলে বলল, “কে তোমাদের ঢুকতে দিয়েছে?”

    “কেউ দেয় নাই। আমরা নিজেরা নিজেরা চলে এসেছি।”

    বাঙালি মানুষটা একজনকে বলল, “নিশ্চয়ই শাহবাজ। নিশ্চয়ই লিফট খোলা রেখে দিয়েছে।”

    আমি হঠাৎ করে বুঝে গেলাম আমরা যে গোপন একটা সিঁড়ি দিয়ে ঢুকে গেছি এই মানুষগুলো সেটা জানে না। তারা মনে করছে আমরা লিফট দিয়ে নেমে এসেছি। আমরা সেরকম ভান করে যাই। আমি অবাক হওয়ার ভঙ্গী করে বললাম, “এখানে আসলে কী হয়? কতো সুন্দর যন্ত্রপাতি, একটু দেখে যাই।”

    মানুষগুলো একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকালো, মনে হলো কী বলবে বুঝতে পারল না। একজন সাদা চামড়ার মানুষ হড়বড় করে অনেক কিছু বলে গেল। আমাদের এভাবে আসা নিয়ে সে মোটেও খুশি হয় নাই সেটা আমি টের পেলাম কিন্তু ঠিক কী বলেছে সেটা বুঝতে পারলাম না। বাঙালি মানুষটা তার কথা অনুবাদ করে দেবার চেষ্টা করল। বলল, “স্যার খুব রাগ হয়েছেন যে তোমরা এখানে ঢুকে গেছ। এখানে বাইরের কারোর আসা নিষেধ।”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কেন?”

    মানুষটা একটু থতমত খেয়ে গেল। একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাল। ডোরিন বলল, “আমরা এই রিসোর্টে থাকতে এসেছি। রুমের ভাড়া দিচ্ছি, এই রিসোর্ট থেকে বলেছে আমরা এখানে যেখানে ইচ্ছা সেখানে যেতে পারব। আমরা আজকে জিমে গিয়েছি, বিলিয়ার্ড বল রুমে গেছি, সুইমিং পুলে গিয়েছি, টেনিস কোর্টে গিয়েছি, এখানেও এসেছি।”

    মাহবুব বলল, “এখানে আসা যদি নিষেধ হয় তাহলে আমাদের কেউ থামালো না কেন? আমাদের না করলেই তো আসতাম না।”

    আমি সাহস করে বললাম, “কোথাও লেখা পর্যন্ত ছিল না যে প্রবেশ নিষেধ।”

    মানুষগুলো চুপচাপ থাকলো, নিজেদের ভিতরে কথা বলল, তারপর বাঙালি মানুষটাকে বলল, আমাদের বের করে দিতে। সেই মানুষটা রাগ রাগ মুখে আমাদেরকে নিয়ে একটা লিফটের সামনে দাঁড়াল। লিফটার ভেতর ঢুকিয়ে আমাদের উপরে নিয়ে বলল, “খবরদার আর কখনো এখানে ঢোকার চেষ্টা করবে না।”

    আমি আমার পিছলে বুদ্ধি ব্যবহার করে জিজ্ঞেস করলাম, “আমার শুধু একটা প্রশ্ন। এখানে ঢোকা নিষেধ কেন? আপনারা কী কোনো বেআইনী কাজ করেন?”

    মানুষটা আমার প্রশ্নের উত্তর পর্যন্ত দিল না, থমথমে মুখে লিফটে ঢুকে গেল।

    মানুষটা চলে যাবার পর মাহবুব ডোরিন আর উনি আমার দিকে ঘুরে তাকালো। ডোরিন জিজ্ঞেস করল, “এখন বলবে এখানে কী হচ্ছে?”

    “বলব। কিন্তু বলার জন্য আমাদের এমন একটা জায়গায় যেতে হবে যেখানে কেউ আমাদের কথা শুনতে পারবে না। আমি তোমাদের যে ব্যাপারটা বলব সেটা টপ সিক্রেট।”

    টনি বলল, “চল তাহলে হাওড়ের পারে যাই।”

    আমি বললাম, “চল।”

    তখন সবাইকে নিয়ে আমরা হাওড়ের পারে রওনা দিলাম। সেখানে একটা গাছ বাঁকা হয়েছিল তার মোটা একটা ডালে আমি পা ঝুলিয়ে বসলাম। ডোরিন বলল, “বল, এখন।”

    আমি বললাম, “আমার মামা কী নিয়ে গবেষণা করে তোমাদেরকে বলেছিলাম মনে আছে?”

    মাহবুব বলল, “হ্যাঁ। পরিবেশ দূষণ।

    “সেটা আসলে সত্যি না।”

    সবাই একসাথে চমকে উঠল। বলল, “সত্যি না?”

    না। মামা যেটা নিয়ে গবেষণা করে সেটা আমরা সবাইকে বলতে চাই না সেজন্য বলি পরিবেশ দূষণ। মামা আসলে দেশের সব জায়গা ঘুরে ঘুরে ইউরেনিয়াম খুঁজে বেড়াচ্ছে।”

    মাহবুব রীতিমতো চমকে উঠল, বলল, “ইউরেনিয়াম! যেটা দিয়ে এটম বোমা বানায়?”

    ‘হ্যাঁ।” আমি সবার দিকে তাকিয়ে বললাম, “মনে আছে আমি একটা গাইগার কাউন্টার নিয়ে হাঁটছিলাম?”

    “হ্যাঁ।”

    “সেটা দিয়ে আসলে কার্বন ডাই অক্সাইড মাপে না। সেটা দিয়ে রেডিও একটিভিটি মাপে।”

    সবাই চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকাল। আমি বললাম, “মনে আছে নৌকায় যষ্ঠি মধু গাছের চারা নিয়ে একটা মানুষ উঠেছিল। মানুষটা কোথায় সেই গাছটা পেয়েছে আমি বারবার জিজ্ঞেস করেছিলাম।”

    ডোরিন বলল, “হ্যাঁ। মনে আছে। আমি ভাবছিলাম কী আজব!”

    “আসলে সেই গাছের গোড়াতে যে মাটি ছিল সেটা ছিল রেডিও একটিভ। এটার কাছে গাইগার কাউন্টার নিতেই সেটা কটকট করছিল। তোমরা কেউ লক্ষ করনি।”

    মাহবুব বলল, “করেছিলাম। আমি লক্ষ করেছিলাম। কিন্তু আমি পাত্তা দেই নাই।”

    “তার মানে বুঝেছ?”

    টনি জিজ্ঞেস করল, “মানে কী?”

    “তার মানে ঐ জায়গাটাতে নিশ্চয়ই ইউরেনিয়ামের খনি আছে।”

    “সত্যি?”

    ‘হ্যাঁ এইজন্য এই বিদেশি মানুষগুলো এখানে একত্র হয়েছে। মনি কাঞ্চনের নিচে গোপনে একটা ল্যাবরেটরি বানিয়েছে। মামার ল্যাবরেটরিতে যে যন্ত্রপাতি ছিল তাদেরও সেগুলো আছে। আমি দেখেই চিনেছি।

    “কী আশ্চর্য!”

    “হ্যাঁ। তারা ইউরেনিয়ামের খনি যেখানে আছে সেই পুরো জায়গাটা নিশ্চয়ই দখল করে নিয়েছে। মুখে বলছে সেখানে সিমেন্টের ফ্যাক্টরি বানাবে, আসলে মাটি খুঁড়ে ইউরেনিয়াম বের করে নিয়ে যাবে।”

    “কী সর্বনাশ।”

    ‘হ্যাঁ। অনেক বড় সর্বনাশ।”

    “তোমার মামা শুনে কী বলেছে?”

    “আমার মামাকে এখনও বলার সময় পাই নাই। তাছাড়া মনি কাঞ্চনের গোপন ল্যাবরেটরিটার কথা তো আগে জানতাম না।”

    “তোমার মামাকে কখন বলবে?”

    আমি বললাম, “ভাবছিলাম, ইউরেনিয়ামের জায়গা থেকে মাটি তুলে নিয়ে এসে মামাকে দেই। তারপর মামাকে বলি।”

    ডোরিন বলল, গুড আইডিয়া।”

    মাহবুব বলল, “কখন যাবে?”

    “কাল সকালে।”

    ডোরিন বলল, “গুড আইডিয়া। আমরাও চলে আসব।”

    মাহবুব বলল, “হ্যাঁ। আমিও চলে আসব। একসাথে যাব।”

    টনি বলল, “কিন্তু আমাদের তো ঢুকতে দেবে না।”

    আমি বললাম, “বুদ্ধি করে ঢুকতে হবে।”

    ডোরিন বলল, “টোপনের অনেক পিছলে বুদ্ধি! তাই না?”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “হ্যাঁ।”

    মাহবুব বলল, “আমি আমার নৌকাটা নিয়ে আসব, তাহলে নৌকা থেকে নেমে যেতে পারব, আমাদের ধরতে পারবে না।”

    ডোরিন আবার হাতে কিল দিয়ে বলল, “ভেরি গুড আইডিয়া।”

    আমরা আরো কিছুক্ষণ কথা বললাম, তারপর আগামীকাল কীভাবে কোথায় দেখা করব সেগুলো ঠিক করে ফেললাম।

    ফিরে যাবার সময় ডোরিন আর টনির আব্বু স্পিড বোটের ড্রাইভারের সাথে কথা বলল, তারা আমাদের দুজনকে হাওড়ের পাড়ে নামিয়ে দিল। মাহবুব তার বাসায় রওনা দিল আমি রওনা দিলাম মামার মাইক্রোবাসের দিকে।

    .

    অনেকদিন ডাইরি লেখা হয় না। রাত্রে ঘুমানোর আগে এখন পর্যন্ত কী হয়েছে সব কিছু লিখে ফেললাম। আমার ডাইরিটা এখন সারা পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং একটা ডাইরি। এই ডাইরিতে এখন মনি কাঞ্চনের নিচে গোপন ল্যাবরেটরির তথ্য আছে, ইউরেনিয়ামের খনির তথ্য আছে–মনে হয় এইটা এখন মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা যাবে।

    আমি যখন ডাইরি লিখছি তখন মামা জিজ্ঞেস করল, “কী ব্যাপার? ডাইরি লিখছিস নাকি উপন্যাস লিখছিস?”

    আমি বললাম, “অনেক কিছু লেখা জমা হয়ে গেছে।”

    “পড়ে শোনাবি, কী লিখছিস?”

    “উঁহু এটা টপ সিক্রেট।”

    মামা চোখ বড় বড় করে নিজের কাজে ফিরে গেল। শুধু যে মনি কাঞ্চনের বিষয়টা টপ সিক্রেট তা নয়। ডোরিনকে নিয়ে কয়েক লাইন লিখেছি। সেটা আরো বেশি টপ সিক্রেট।

    রাতের ঘুমটা খুব ভালো হলো না। মনে হলো মামা এক সময় তার মাইক্রোবাস থেকে নিচে নেমে গেল। কিছুক্ষণ বাইরে থেকে আবার ফিরে এসে অনেকক্ষণ জেগে রইল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কী হয়েছে মামা?”

    “কিছু না ঘুমা।”

    আমি আবার ঘুমিয়ে গেলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }