Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমিও মানুষ – ৪

    ৪

    মুক্তাদীর যখন বিলেত থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন, তখন দৈবক্রমে আফসানার বাবা আসির উদ্দিনের সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনিই মুক্তাদীরকে এই বাড়িটা কেনার ব্যাপারে সহযোগিতা করেন। তাই আসির উদ্দিনের সঙ্গে মুক্তাদীরের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তারপর আসির উদ্দিন যখন তাকে বিয়ে করার পরামর্শ দেন তখন তিনি অমত প্রকাশ করে নিজের জীবনবৃত্তান্ত বলেন।

    আসির উদ্দিন উকিল-মানুষ। তাই কথাপ্রসঙ্গে মুক্তাদীরের গ্রামের ঠিকানা। জেনে নিয়ে লিখে রাখেন।

    ক্রমে ক্রমে দুই ফ্যামিলির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। সেই সাথে নিগার ও আফসানার মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

    মুক্তাদীর মারা যাওয়ার পর মেয়ের মুখে নিগারের উচ্ছলতার কথা শুনে আসির উদ্দিন বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন। হাজার হোক বন্ধুর মেয়ে। তাই একটা ভালো ছেলের খোঁজ পেয়ে মেয়েকে দিয়ে মতামত জানতে চেয়েছিলেন। মেয়ের মুখে তার মতামত শুনে দুঃখ পেলেও কিভাবে তাকে অধঃপতনের হাত থেকে রক্ষা করবেন চিন্তা করতে লাগলেন। কয়েকদিন চিন্তা-ভাবনা করে নিগারের দাদা ইকতিদারকে চিঠি লিখে মুক্তাদীর ও নিগারের সবকিছু জানালেন। আরো জানালেন, তিনি এসে যেন বংশের একমাত্র প্রদ্বীপ নিগারকে দেশের বাড়িতে নিয়ে যান। চিঠির মধ্যে মুক্তাদীরের ও নিজের ঠিকানা দিয়ে দিলেন।

    ইকতিদার আলির চুল, দাড়ি, গোঁফ সব শাদা হয়ে গেলেও এখনো জরায় আক্রান্ত হন নি। একমাত্র ছেলে যখন রাগ করে বিদেশে চলে যায় তখন রক্তের গরম ছিল। তাই তিনিও ছেলের খোঁজ-খবর নেওয়ার দরকার মনে করেন নি। কিন্তু এখন চিন্তা করেন, এই বিশাল সম্পত্তি ভোগ-দখল করবে কে? বিলেতে যে ঠিকানায় থেকে ছেলে লেখাপড়া করত, সেখানে কয়েকটা চিঠি দিয়ে ফিরে আসতে বলেছেন। কিন্তু সেই সময় চিঠির কোনো উত্তর না পেয়ে খুব দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন এবং ক্রমশ শরীর ও মন ভেঙে পড়ছিল। আজ আসির উদ্দিনের চিঠি পেয়ে যেন নবজন্ম লাভ করলেন। ভাবলেন, আল্লাহ এতদিনে তাকে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করিয়ে মনের আশা পূরণ করালেন। কয়েকদিন পর ঢাকায় রওয়ানা হলেন।

    হঠাৎ একদিন বাবার রুমের টেবিলের ড্রয়ারে একটা চিঠি দেখে নিগার পড়তে শুরু করল।

    মা মেহের নিগার,

    তুমি যে পথে চলেছ, তা ধ্বংসের পথ। তাই তোমাকে সেই পথ থেকে ফেরাবার জন্য আমি অনেক চেষ্টা করেছি। সব জিনিসের যেমন দুটো দিক আছে। তেমনি শিক্ষারও দুটো দিক আছে। একটা ভালো অন্যটা মন্দ। বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা ভালো দিকটাকে সেকেলে ভেবে মন্দ দিকটাকে মডার্ন ও প্রগতিশীল মনে করে গ্রহণ করছে। এখন মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানের দিক থেকে চরম উন্নতি করলেও এবং তার সৎ ব্যবহার করতে জানলেও অসৎ ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। তাই সারা বিশ্বে এত যুদ্ধ-বিগ্রহ, দেখাদ্বেষী, ও মানবতার চরম অবমাননা হচ্ছে।

    আমার পরিচয় তোমাকে জানাই নি। জানালে তোমার পিলে চমকে উঠত এবং তুমি হয়ত ধ্বংসের পথে আরো বেশি অগ্রসর হতে। তাই এতদিন তোমাকে জানাই নি। বেশ কিছুদিন আমার মনে হচ্ছে, আমি আর বেশি দিন বাঁচব না। তাই প্রথম স্ট্রোক করার পর সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে কথাটা আরো বেশি মনে হতে লাগল। তখন তোমাকে আমার পরিচয় জানাবার খুব ইচ্ছা হলেও তোমার ভালোমন্দ চিন্তা করে জানাই নি। একদিন রাতে স্বপ্নে এক মৌলবি ধরনের লোক আমাকে বললেন, মেয়েকে তোমার আসল পরিচয় জানানো উচিত। স্বপ্নটা দেখার পরের দিন এই চিঠি লিখি।

    লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জের জমিদার ইফতিদার আলির একমাত্র ছেলে আমি। জমিদারি প্রথা না থাকলেও আমার বাবার জমিদারের থেকে কম কিছু নেই। তারপর শিক্ষাজীবন ও বাবার সঙ্গে তার মনোমালিন্য ও বিলেতে ফিরে গিয়ে কিভাবে জীবন শুরু করলেন এবং দেশে ফেরার পর তার দুশ্চিন্তার কারণ পর্যন্ত পড়ে বাবার কথা মনে পড়তে নিগারের চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়তে লাগল। চিঠির বাকি অংশ পড়তে পারল না। কিছুক্ষণের মধ্যে সামলে নিয়ে চোখ মুছে আবার পড়তে শুরু করল, বাবা হয়ে অনুরোধ করছি, আমি মারা যাওয়ার পর তুমি তোমার দাদাজীর সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং তিনি তোমাকে পেয়ে যা করবেন, মেনে নেবে। আশা করি মৃত্যুপথযাত্রী বাবার অনুরোধ রাখবে। আল্লাহ তোমাকে হেফাজত করুক, এই দোয়া চেয়ে শেষ করছি।

    ইতি–

    তোমার বাবা মুক্তাদীর

    চিঠিটা পড়ে নিগার অনেকক্ষণ চুপ কর বসে রইল। হঠাৎ তার মনে হলো, জমিদারের একমাত্র উত্তরাধিকারী আমি। তাই বোধহয় আল্লাহ পাক তাঁর এক নেকবান্দা আফজাল ভাইকে উপলক্ষ করে তাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে হেদায়েত দান করেছেন। ভাবল, রেজাল্ট বেরোবার পর দাদাজীকে সবকিছু জানিয়ে চিঠি দিয়ে আসতে বলবে। ততদিন কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা ও অন্যান্য ধর্মীয় বই-পুস্তক পড়ে ইসলাম সম্পর্কে আরো জ্ঞান অর্জন করবে।

    তারপর কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা যত পড়তে লাগল, তত সবকিছু মেনে চলার প্রেরণা অনুভব করে অনুসরণ করার চেষ্টা করতে লাগল। নাইট ক্লাব যাওয়া তো বন্ধ করেছেই, এমনকি বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে।

    তার পরিবর্তন দেখে আফসানা প্রায় প্রতিদিন তার কাছে আসে। সেও ঐসব পড়ে অনুসরণ করতে শুরু করেছে। মাঝে মাঝে দু’জনে ধর্ম ও বর্তমান মুসলমান সমাজের অবক্ষয়, আধুনিকতা ও নারী-পুরুষের সমান আবিষ্কারের ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করে।

    একদিন আফসানা বলল, আফজাল ভাই তোকে কী যে জাদু করেছেন, তোর মতো মেয়েও হেদায়েত হয়ে গেলি?

    নিগার হেসে উঠে বলল, আর তুইও তো তাই হয়েছিস।

    আফসানা বলল, তাঁর সঙ্গে আমার অনেক দিনের পরিচয়। কই, আমাকে তো তিনি জাদু করলেন না? করলেন তোকে। আর তোর সংস্পর্শে এসে আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দান করলেন।

    তাঁ, আল্লাহ কখন কার অসিলায় হেদায়েত দান করেন, তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয়, আফজাল ভাইয়ের মধ্যে এমন কিছু জিনিস আছে, যে কেউ তার সংস্পর্শে আসবে, সেই হেদায়েত হয়ে যাবে। তা হ্যাঁরে, উনি আর তোদের বাসায় আসেন না?

    না। তোকে যেদিন জাদু করে গেলেন, তারপর থেকে আর আসেন না। বাবাই আজ বলছিল, কেসের দিন এগিয়ে আসছে, অথচ আফজালের কোনো খবর নেই। আমি বললাম, তাকে খবর দিয়ে ডেকে পাঠালেই হয়। বাবা বললেন, ঢাকায় থাকলে তো ডেকে পাঠাব। কখন কোথায় থাকে, তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই। সুদূর উত্তরবঙ্গের গ্রামের ছেলে। সেখানেও সবসময় থাকে না। চিঠি দিলে দশ-পনেরো দিন পর পায়।

    বললাম, ওঁর কেস তো অনেকদিন থেকে চালাচ্ছ, এতদিনেও ঢাকার ঠিকানা জেনে নাও নি?

    বাবা বললেন, জানতে চেয়েছিলাম। বলল, ঢাকায় তার কোনো ঠিকানা নেই। গ্রামেই থাকে। ঢাকায় এলে হোটেলে থাকে।

    জিজ্ঞেস করলাম, আগের কেসের দিনগুলোতে ঠিকমতো এসেছে?

    হ্যাঁ, বরং চার-পাঁচদিন আগেই এসে দেখা করেছে।

    এবারে কেসের দিন কবে?

    বাবা বললেন পরশু।

    বললাম, তা হলে নিশ্চয় আজ-কালের মধ্যে এসে যাবে।

    নিগার বলল, এলে আমার সঙ্গে দেখা করতে বলবি।

    আফসানা হেসে উঠে বলল, কেন রে, প্রেমে পড়ে গেছিস না কি?

    নিগারও হেসে উঠে বলল, তুই-ই তো বললি, আফজাল ভাই আমাকে জাদু করেছেন?

    ভেবেছিলাম, তোকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জাদু করেছেন। প্রেমের জাদু করেছেন, ভাবি নি?

    প্রেমের জাদু করেছেন কি না জানি না। তবে তাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। যিনি আমাকে অনেক বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন, তাকে দেখতে ইচ্ছা করে কি না তুই-ই বল?

    তোর কথা অবশ্য ঠিক; তবে কারো প্রেমে পড়লে তাকেও দেখতে ইচ্ছা করে।

    তোর কথাও ঠিক, তবে তুই তো আমাকে খুব ভালোভাবে চিনিস, আমার মতো মেয়ে যার-তার প্রেমে পড়বে না।

    তা আর চিনি না। এমনি ইয়ার্কি করে কথাটা বললাম। সিরিয়াসলি নিচ্ছিস কেন?

    এমন সময় কাজের বুয়া আসিয়া চা-নাস্তা নিয়ে এসে নিগারকে বলল, মেম সাহেব, খুড়ী, আপামনি, একজন বুড়োলোক আপনার কাছে এসেছেন।

    আগে বাসার সবাই নিগারকে মেম সাহেব বলত। সেই রাতের পর থেকে নিগার তাদেরকে মেম সাহেবের বদলে আপামনি বলতে শিখিয়েছে।

    আসিয়ার কথা শুনে নিগার বলল, কোনো ফকিরটকির নয় তো?

    না আপামনি, উনি ফকির নন। চকচকে গাড়ি নিয়ে এসেছেন। আমি উনাকে ড্রইংরুমে বসিয়েছি।

    তাই নাকি বলে নিগার আফসানাকে বলল, কে হতে পারে বলতে পারিস?

    আফসানা বলল, না দেখে বলব কী করে?

    নিগার আসিয়াকে বলল, তুই ওঁকে চা-বিস্কুট দে, আমরা আসছি।

    চা-নাস্তা খেয়ে নিগার ও আফসানা ড্রইংরুমে এসে একজন সম্ভ্রান্ত বৃদ্ধকে দেখে সালাম দিল।

    ইকতিদার আলি সালামের উত্তর দিয়ে কয়েক সেকেন্ড দু’জনের দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, আমি মেহের নিগারের কাছে এসেছি। তোমাদের দু’জনের মধ্যে নিশ্চয় কেউ একজন?

    নিগার বলল, আমি মেহের নিগার। তারপর আফসানাকে দেখিয়ে বলল, আমার বান্ধবী আফসানা। পাশের বাড়িটাই ওদের। ওর বাবা আসির উদ্দিন একজন নামকরা উকিল।

    ইকতিদার আলি একদৃষ্টে কিছুক্ষণ নাতনির দিকে তাকিয়ে রইলেন। এক সময় তার চোখ দুটো পানিতে ভরে উঠল। চশমা খুলে চোখ মুছে বললেন, তোমরা দাঁড়িয়ে আছ কেন? বস।

    তাঁকে চোখ মুছতে দেখে দু’জনেই অবাক হয়ে একে অপরের দিকে তাকাল।

    নিগার দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, আমার কাছে কেন এসেছেন বলুন।

    ইকতিদার আলি বুকপকেট থেকে একটা ফটো বের করে বললেন, একে চেনো?

    নিগার ফটোটা হাতে নিয়ে দেখেই চিনতে পেরে অবাককণ্ঠে বলল, অনেক আগের হলেও এ ফটো তো আমার বাবার। আপনি পেলেন কোথায়? তারপর আফসানার পাশে বসে ফটোটা দেখিয়ে বলল, তুইও নিশ্চয় চিনতে পারছিস?

    আফসানা বলল, হ্যাঁ পারছি।

    ইকতিদার আলি মৃদু হেসে বললেন, কোথায় পেলাম সে-কথা পরে বলছি। তোমরা যে ফটোটা চিনতে পেরেছ, তাতেই আমি খুশি। তারপর আবার চশমা খুলে চোখ মুছলেন।

    তাই দেখে নিগারের মন বলে উঠল, ইনিই তোমার দাদাজী নয় তো? জিজ্ঞেস করল, আপনি বারবার চোখ মুছছেন কেন?

    দেখছ-না বারবার চোখে পানি এসে যাচ্ছে?

    সেই কারণটাই তো জানতে চাচ্ছি।

    তোমার বাবার নাম মুক্তাদীর, তাই না?

    জি।

    যদি বলি মুক্তাদীর আমার একমাত্র সন্তান?

    কথাটা শুনে দু’জনেই চমকে উঠলেও নিগারের মনে আনন্দের ঝড় বইতে শুরু করল। কিছুক্ষণ কথা বলতে পারল না। মনেমনে আল্লাহর শুকরিয়া জানাতে লাগল।

    তাকে চুপ করে থাকতে দেখে আফসানা বলল, শুধু ফটো দেখালে তো হবে, আপনি যে মুক্তাদীর চাচার বাবা, প্রমাণ করতে পারবেন?

    ছেলের বাবা যখন হয়েছি, তখন আর প্রমাণ করতে পারব না? বল কী প্রমাণ চাও?

    আমরা চাইব কেন? আপনি প্রমাণ করবেন।

    আমি লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জের জমিদার ইকতিদার আলি। আমার একমাত্র সন্তান মুক্তাদীর। বিলেতে উচ্চশিক্ষা নিতে পাঠিয়েছিলাম। পড়াশোনা শেষ করে ফিরে আসার পর আমার সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় রাগ করে বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপরের ঘটনা জানতে হলে তোমার বাবাকে ডেকে নিয়ে এস।

    আফসানা অবাক হয়ে বলল, বাবা আপনাকে চেনেন?

    ইকতিদার আলি ঢাকায় এসে প্রথমে আসির উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেন। তার সঙ্গে পরামর্শ করে নিগারের কাছে এসেছেন। বললেন, উকিল সাহেবকে ডেকে নিয়ে এলেই জানতে পারবে।

    আসির উদ্দিন ইকতিদার আলিকে পাঠিয়ে কিছুক্ষণ পরে এসে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সব কিছু শুনছিলেন। এবার ভিতরে ঢুকে বললেন, হ্যাঁ মা, উনি যা বলেছেন, সব কিছু সত্য।

    কেউ কিছু বলার আগে, নিগার ছুটে এসে দাদাজী বলে ইকতিদার আলিকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ ফুঁপিয়ে কাঁদল। তারপর পাশে বসে চোখ মুছতে মুছতে বলল, মা বা বাবা কেউই আপনার কথা আমাকে জানায় নি। কিছুদিন আগে বাবার ড্রয়ারে একটা চিঠি পাই। তাতে আপনার পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেছেন। কিন্তু আপনি আমার কথা জানলেন কীভাবে? আমার ঠিকানাই-বা পেলেন কীভাবে?

    ইকতিদার আলি মৃদু হেসে বললেন, আল্লাহর ঈশারাতেই ভূ-মণ্ডল ও আকাশ মণ্ডলীর সবকিছু চলছে। তারপর আসির উদ্দিনের দিকে তাকিয়ে বললেন, এই উকিল সাহেব মুক্তাদীরের ও তোমার সবকিছু পত্রের দ্বারা জানিয়েছেন।

    নিগার প্রথমে দাদাজীকে ও পরে আসির উদ্দিনকে কদমবুসি করে বলল, চাচা, আপনার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। অনেক বেয়াদবি আপনার সঙ্গে করেছি, মাফ করে দিন।

    আসির উদ্দিন তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, আল্লাহ তোমাকে সুখী করুক মা। তোমার ভালোমন্দ চিন্তা করে বিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। তাতে তুমি রাজি না হতে তোমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য চিঠিতে সবকিছু জানিয়ে ওঁকে আসতে বলেছিলাম। কয়েকদিন আগে আফসানার মুখে তোমার পরিবর্তনের কথা শুনে খুব খুশি হয়েছি। আশা করব, তোমার দাদাজীর কথামতো চলবে।

    ইকতিদার আলি বললেন, নিগার শুধু আমার একটা কথা মেনে নেবে। তারপর আমি ওর সব কথা মেনে চলব।

    নিগার দাদাজীর দুটো হাত ধরে কাদাঁদ গলায় বলল, শুধু একটা কথা মেনে নেওয়ার কথা বলছেন কেন? আর আমার সব কথাই-বা মেনে চলবেন বলছেন কেন? বরং আমিই আপনার সব আদেশ-নির্দেশ মেনে চলব।

    ইকতিদার আলি এবার আফসানাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, কী দাদু, আরো প্রমাণ চাও না কি?

    আফসানা ইকতিদার আলি ও বাবাকে কদমবুসি করে লজ্জিতকণ্ঠে বলল, আমি অনেক বেয়াদবি করে ফেলেছি, আমাকে আপনি মাফ করে দিন।

    ইকতিদার আলি বললেন, তুমি কোনো বেয়াদবি করো নি, বরং যা কিছু বলেছ, তা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। দোয়া করি, “আল্লাহ তোমার ভবিষ্যৎ জীবন। সুখের করুক, শান্তির করুক।”

    নিগার কাজের বুয়া আসিয়াকে ডেকে সবাইকে চা-নাস্তা দিতে বলল।

    .

    পরের দিন ইকতিদার আলি গ্রামে ফিরতে চাইলে নিগার রাজি হলো না। বলল, একসপ্তাহ অন্তত থাকুন, এর মধ্যে এই বাড়িটা কী করবেন না-করবেন ঠিক করুন।

    ইকতিদার আলি বললেন, সে ব্যবস্থা এসেই করে ফেলেছি।

    নিগার খুব অবাক হয়ে বলল, এসেই করে ফেলেছেন মানে?

    মানে কাল এসে যখন তোমাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তোমার আসির উদ্দিন চাচার সঙ্গে আলাপ করছিলাম তখনই বাড়িটার সব দায়-দায়িত্ব তার উপর চাপিয়ে দিয়েছি। মুক্তাদীরের বন্ধু নিশ্চয় বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বেইমানি করবে না?

    নিগার উঠুকণ্ঠে বলল, ওহ দাদাজী, এই বুড়ো বয়সেও আপনার এত বুদ্ধি? যুবক বয়সে না-জানি কত বুদ্ধি ছিল?

    ইকতিদার আলি হেসে উঠে বললেন, বুদ্ধি না থাকলে কি জমিদারি চালান যায়? এবার আর যাওয়ার পথে নিশ্চয় বাধা নেই?

    নিগারের ইচ্ছা আফজালের সঙ্গে দেখা করে যাবে। তাই বলল, বাধা না থাকলেও সবকিছু গোছগাছ করতে দু’তিন দিন সময় লাগবে।

    ঠিক আছে, দুদিন সময় দিলাম। এর মধ্যে যা করার করে নাও। তিন দিনের দিন আমরা রওয়ানা দেব।

    কেসের দিন আফজাল কোর্টে এসে আসির উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে কাজ শেষ হওয়ার পর চলে গেছে।

    আফসানার মুখে সেকথা শোনার পর নিগারের মন খুব খারাপ হয়ে গেল।

    চার দিন থেকে ইকতিদার আলি নাতনি নিগারকে নিয়ে গ্রামে ফিরে গেলেন।

    যাওয়ার আগে নিগার আফসানাকে বলল, আমি চিঠি দেব, উত্তর দিস। আর আফজাল ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলে আমার সালাম দিয়ে বলবি, একদিনের জন্য হলেও তিনি যেন আমাদের বাড়িতে গিয়ে আমার সঙ্গে দেখা করেন। আমি তার পথ চেয়ে থাকব।

    আফসানা মৃদু হেসে বলল, কতদিন পথ চেয়ে থাকার কথা বলব?

    নিগারও মৃদু হেসে বলল, আজীবন।

    তুই তোর দাদুর জমিদারির একমাত্র উত্তরাধিকারী। জমিদারি পাওয়ার পর আফজাল ভাইকে তোর মনে থাকবে? আমার তো মনে হয়, তাকে ভুলেই যাবি? আফজাল ভাই গেলে হয়ত চিনতেই পারবি না।

    এ ব্যাপার নিয়ে কোনো তর্ক তোর সঙ্গে করব না। শুধু এতটুকু বলব, জমিদারি পাওয়া রূপার মতো হলে, আফজাল ভাইকে পাওয়া হীরের মতো।

    ওরে বাব্বা! এ যে দেখছি, আফজাল ভাইয়ের প্রেমে তুই হাবুডুবু খাচ্ছিস।

    হ্যাঁ, হাবুডুবু খেতে খেতে তার প্রেম-সাগরে তলিয়ে যেতে চাই।

    কিন্তু এত বাড়াবাড়ি কি তোর উচিত হচ্ছে? তিনি যদি তোর প্রেমকে অস্বীকার করেন অথবা তারও যদি অন্য কোনো প্রেমিকা থাকেন?

    এত কথা বলবি না তো। যদি সেরকম কিছু হয়, জানার পর কী করব তোকে জানাব। আফজাল ভাইকে যা বলতে বললাম, বলবি কি না বল?

    কথা দিচ্ছি বলব। তারপর তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলল, তোর মতো বন্ধু আমার আর কেউ নেই। তোকে আর দেখতে পাব না মনে পড়লে, শুধু কান্না পায়। খুব কষ্ট অনুভব করি।

    নিগারও কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলল, তোর মতো আমারও হয়। তুই দেখিস, বছরে অন্তত দু’তিনবার আসবই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের খোঁপা (গল্পগ্রন্থ) – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }