Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমিও মানুষ – ৫

    ৫

    প্রায় একবছর পর আজ আফজালকে আহত সোহরাব আলির পাশে দেখে নিগার যেমন খুব অবাক হলো, তেমনি মনের মধ্যে আনন্দের ফোয়ারা ছুটল। তখন তার দাদাজীর কথা মনে পড়ল, “পাগল না হলে কেউ বলে, আপনার নাতনি আমাকে ভালোবাসে, আমিও তাকে ভালোবাসি?” কথাটা মনে পড়তে মনের মধ্যে আনন্দের ফোয়ারা আরো দ্রুত বইতে লাগল। কতক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে ছিল তার খেয়াল নেই। যখন ইকতিদার আলি আবার গর্জন করে উঠে বললেন, ম্যানেজার, ওকে জুতোপেটা করে নাকখত দেওয়ার ব্যবস্থা কর তখন নিগার বাস্তবে ফিরে এল।

    ম্যানেজার সোহরাবকে জুতোপেটা করার জন্য রুস্তমকে হুকুম করল।

    রুস্তম ষণ্ডামার্কা খুব শক্তিশালী লোক। জমিদারবাড়িতেই লালিত-পালিত। জমিদারবাড়িতে যত লোককে শাস্তি দেওয়া হয়, সব শাস্তি সে-ই দেয়।

    পায়ের জুতো খুলে রুস্তম এগিয়ে এলে আফজাল তার পথ আগলে বলল, থামুন। তারপর ইকতিদার আলিকে উদ্দেশ্য করে বলল, এই লোকটার প্রতি কেন এরকম শাস্তি দিচ্ছেন জানতে পারি?

    এবার সকলের দৃষ্টি আফজালের উপর পড়ল, তারা অবাক হয়ে ভাবল, কে এই অচেনা যুবক? দেখে তো মনে হচ্ছে কোনো সাধারণ ঘরের ছেলে। কিন্তু জমিদার ও তার এতগুলো লাঠিয়ালের সামনে কথা বলার সাহস পেল কী করে?

    অনেকে আবার ভাবল, পাগলটাগল হবে হয়ত?

    ইকতিদার আলি অগ্নিদৃষ্টিতে কয়েক সেকেণ্ড আফজালের দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, কে তুই? তোর এত বড় সাহস? আমার হুকুমে বাধা দিস?

    আফজাল মৃদু হেসে বলল, এত তাড়াতাড়ি আমাকে ভুলে গেলেন? না, না চেনার ভান করছেন?

    ইকতিদার আলি কর্কশকণ্ঠে বললেন, আমার প্রশ্নের উত্তর দে।

    আফজাল ভার রাগকে পাত্তা না দিয়ে নরমস্বরে বলল, যেই হই-না কেন, আমিও মানুষ। ভদ্রভাবে কথা বলুন।

    ইকতিদার আলি রাগ সামলাতে পারলেন না। উচ্চস্বরে বললেন, সোহরাবের আগে এই পাগলটাকে জুতো মারতে মারতে এখান থেকে বের করে দাও।

    কথাটা শুনে নিগার দাদাজীর কানের কাছে মুখ নিয়ে নিচুস্বরে বলল, না দাদাজী না, আপনার আদেশ ফিরিয়ে নিন। উনি পাগল নন। আপনি বোধহয় চিনতে পারছেন না। উনিই আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন।

    নাতনি যে এরকম কথা বলবে, ইকতিদার আলি আগেই জানতেন। তিনি চান না, এই ঘোটলোক পাগল ছেলেটার সঙ্গে নাতনি সম্পর্ক রাখুক। বললেন, আশ্চর্য? এই ঘোটলোক পাগলের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক?

    দাদাজী আপনি বারবার ওকে ছোটলোকের ছেলে বলবেন না, আর উনি পাগলও নন। আপনি আদেশ ফিরিয়ে নিন।

    ইকতিদার আলি বললেন, এখানকার সবাই জানে তোমার দাদাজী কোনো আদেশ দিলে, তা ফিরিয়ে নেয় না। ছেলেটা সত্যি ছোটলোকের কি না অথবা পাগল কি না তার প্রমাণ এক্ষুনি হয়ে যাবে। তুমি চুপ করে থাক।

    মালিকের হুকুম পেয়ে রুস্তম আফজালকে মারার জন্য জুতো ওঠাল। কিন্তু সবাই অবাক হয়ে দেখল যে রুস্তমের হাতে জুতোপেটা খেয়ে কেউ কখনো হেঁটে ফিরে যেতে পারে নি। বাঁশের পাটায় করে নিয়ে যেতে হয়, সেই রুস্তমের হাতটা উপরে উঠেই থেমে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যে ভয়ে তার মুখটা বিবর্ণ হয়ে কাঁপতে কাঁপতে জুতো ফেলে দিয়ে আফজালের দুটো পা জড়িয়ে ধরে চোখের পানি ফেলছে, আর অস্ফুটস্বরে কী যেন বলছে।

    বিনামেঘে বজ্রপাত হলেও সবাই এত অবাক হতো না। কিন্তু নিগার এতটুকু অবাক হয় নি। সে এই রকম কিছু আশা করছিল। হাসি মুখে আফজালের দিকে তাকিয়ে রইল। বেশ কিছুক্ষণ কেউ কিছু বলতে পারল না।

    একসময় ইকতিদার আলি রাগের সঙ্গে বললেন, রুস্তম জানিস তো, আমার হুকুম অমান্য করলে কী শাস্তি পেতে হয়?

    রুস্তম এবার আফজালের পা ছেড়ে দিয়ে ইকতিদার আলির কাছে এসে দু’পা জড়িয়ে চোখের পানি ফেলতে লাগল, আর মাথা নাড়াতে লাগল। ইকতিদার আলি তাকে লাথি মেরে সরিয়ে দিয়ে বললেন, কাঁদছিস কেন? কী হয়েছে বল।

    রুস্তুম জুতো মারতে গিয়ে আফজালের চোখে এমন কিছু জিনিস দেখেছে, যা দেখে সে ভীষণ ভয় পেয়েছে এবং তার বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। তাই কথা বলতে না পেরে চোখের পানিতে বুক ভেজাতে ভেজাতে মাথা নেড়েই বলল।

    ইকতিদার আলি আরো রেগে গিয়ে হুকুম দিলেন, এই কুত্তার বাচ্চাকে হাত পা বেঁধে বন্দিখানায় রেখে আয়।

    তিন চারজন লোক রুস্তমের দিকে এগিয়ে এলে আফজাল কঠিনস্বরে বলল, খবরদার, শুধু এখন নয়, ভবিষ্যতেও কেউ ওর গায়ে হাত দেবেন না। তারপর ইকতিদার আলির দিকে তাকিয়ে বলল, আপনি মানুষ নামের অযোগ্য। এত বয়স হলো, তবু মরণের ভয় আপনার দিলে এল না। আপনি কি মনে করেছেন, ফেরাউন ও শাদ্দাদের মতো আয়ু পাবেন? তারা হাজার বছর আয়ু পেয়ে নিজেকে খোদা বলে দাবি করেছিল। আপনিও কি তাদের দলভুক্ত হতে চান? তা যদি না চান, তা হলে শুনুন, শুধু নামাজ, রোযা, হজ ও যাকাত আদায় করলেই মুসলমান হয় না। যারা নিজের কামনা-বাসনা ত্যাগ করে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) এর আদেশ-নিষেধ মেনে চলে তাদেরকেই মুসলমান বলে। আর তাদেরকেই ইহকালে উত্তম রেযেক ও পরকালে বেহেস্ত দিবেন বলে আল্লাহ কুরআন পাকে বলিয়াছেন। আপনি জমিদার বংশে জন্মেছেন। জীবন-যৌবন ভোগ-বিলাসে কাটিয়েছেন। মুসলমান হয়েও কুরআন-হাদিস পড়েন না। সেসবে কী বিধিনিষেধ আছে তাও জানেন না। কুরআনে আছে, “আর তোমরা আল্লাহ তায়ালারই ইবাদত কর, এবং তাহার সহিত কাহাকেও শরীক করিও না। এবং পিতা-মাতার সহিত সদ্ব্যবহার কর, এবং আত্মীয়স্বজনের সহিত ও এবং এতিমদের সহিতও এবং দরিদ্রগণের সহিতও, এবং নিকটবর্তী প্রতিবেশীদের সহিতও এবং দূরবর্তী প্রতিবেশীদের সহিতও এবং সহচরদের সহিতও এবং পথিকদের সহিতও এবং উহাদের সহিতও যারা তোমাদের মালিকাধীন আছে। নিশ্চয় আল্লাহ এরূপ লোকদিগকে ভালবাসেন না, যাহারা নিজেকে বড় মনে করে ও আত্মগর্ব করে।” [সুরা-নিসা, আয়াত-৩৬, পারা-৫]

    আরেকটা কথা জেনে রাখুন, মেহের নিগার আপনার মতো লোকের নাতনি জানলে তাকে পছন্দ করতাম না। তারপর নিগারকে উদ্দেশ্য করে বলল, দুঃখিত, আজ আপনার সঙ্গে দেখা হলেও কোনো আলাপ করতে পারলাম না। আল্লাহ রাজি থাকলে ঢাকায় আলাপ হবে। তারপর সোহরাব আলির কাছে এসে তার বাঁধন খুলে দিতে দিতে বলল, এই লোকটা মাঠে খালের পানি ওঠানোর ব্যাপারে গ্রামসুদ্ধ লোক নিয়ে আপনার কাছে এসে উত্তম প্রস্তাব দিয়েছিলেন; কিন্তু আপনি জমিদার, সেই অহঙ্কারে তাদের প্রস্তাব মেনে না নিয়ে অন্যায়ভাবে পানি থেকে বঞ্চিত করছিলেন। তাই হয়ত তারা আপনার দেওয়া খালের বাঁধ কাটতে গিয়েছিলেন। এটা ন্যায় না অন্যায় ভেবে দেখুন। আপনার কাছে অনুরোধ করছি, ওঁদের রাতের জোয়ারের পানি মাঠে ওঠাতে দিন, আর আপনি দিনের বেলা তোলার ব্যবস্থা করুন। যদি আমার অনুরোধ না রেখে ওদেরকে বাধা দিতে যান, তা হলে যারা বাধা দিতে যাবে রুস্তমের মতো অবস্থা তাদের হবে। আর শুনুন, ক্ষমতাবান হয়ে যদি দুর্বলদের প্রতি দয়া দেখান এবং ইনসাফমতো বিচার করেন, তা হলে আল্লাহ আপনাকে ইহকালে যেমন ধন-দৌলত ও মান-ইজ্জত বাড়িয়ে দেবেন, পরকালেও তেমনি বেহেস্ত নসিব করবেন। তারপর সোহরাবের বাঁধন খোলা হয়ে যেতে তার হাত ধরে আপনি আমার সঙ্গে আসুন বলে হাঁটতে লাগল। লাঠিয়ালবাহিনী, জমিদারের লোজন ও গ্রামবাসী বোবা দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকিয়ে রইল। কেউ বাধা দেওয়া তো দূরের কথা, বরং সরে গিয়ে তাদের পথ করে দিতে লাগল।

    ইকতিদার আলি কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু কে যেন তাঁর জিব ভিতরের দিকে টেনে রেখেছে। খুব অসস্তিবোধ করে নাতনির দিকে বারবার তাকাতে লাগলেন।

    অনেকক্ষণ নিরবতা বিরাজ করতে লাগল। সবাই যেন বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। সকলের কাছে ঘটনাটা ভোজবাজি বলে মনে হতে লাগল।

    দাদাজীর অবস্থা কিছুটা যেন নিগার আন্দাজ করতে পারল। একটু উচ্চস্বরে বলল, দাদাজীর শরীর খারাপ লাগছে, আপনারা এখন সবাই চলে যান।

    তার কথা শুনে ম্যানেজার ইকতিদার আলির কাছে এসে বললেন, ডাক্তার আনতে পাঠাব?

    ইকতিদার আলি কথা না বলে হাতের ইশারায় না করে সবাইকে চলে যেতে বললেন।

    নিগারের কথা শুনে গ্রামবাসীরা চলে যেতে লাগলেও লাঠিয়ালবাহিনী দাঁড়িয়েছিল।

    ম্যানেজার তাদেরকেও চলে যেতে বললেন।

    নিগার দাদাজীর হাত ধরে বলল, আপনাকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে। ভিতরে চলুন আরাম করবেন।

    ইকতিদার আলি প্রতিবাদ না করে নাতনির সঙ্গে রুমে এলেন।

    ইকতিদার আলির বয়স যখন ষাট বছর এবং অনেক চেষ্টা করেও মুক্তাদীরের কোনো খোঁজ-খবর পেলেন না তখন বংশরক্ষা ও বিষয়-সম্পত্তি ভোগ করার কথা চিন্তা করে পঁচিশ বছরের সালমা বেগমকে বিয়ে করেন। আল্লাহর কী কুদরত, যে-জন্য তিনি বিয়ে করলেন, সে আশা তাঁর পূরণ হলো না। আজও সালমা বেগমের পেটে সন্তানাদি হয় নি। সালমা বেগমের বয়স এখন চল্লিশের উপর। তিনি নিগারকে খুব ভালোবাসেন।

    নিগার দাদাজীকে ঘরে নিয়ে এলে সালমা বেগম নিগারকে জিজ্ঞেস করলেন, কী বুবু, এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলে যে? বিচার হয়ে গেল?

    নিগার ইশারায় দাদিকে চুপ করে থাকতে বলে দাদাজীকে খাটে শুইয়ে দিল। তারপর ফ্যান ছেড়ে দিয়ে বলল, কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন, ভালো লাগবে।

    সালমা বেগম আতঙ্কিতস্বরে বললেন, তোর দাদিজীর শরীর খারাপ? নিগার তার একটা হাত ধরে বারান্দায় এনে চেয়ারে বসিয়ে নিজেও অন্য একটা চেয়ারে বসে ঘটনাটা বলে বলল, ঐ আফজালের কথাই আপনাকে একদিন বলেছিলাম। সালমা বেগম বললেন, ঘটনাটা শুনে মনে হচ্ছে, ছেলেটার মধ্যে কোনো অলৌকিক শক্তি আছে।

    আমারও তাই মনে হয়। ঢাকায় বাবার বন্ধু উকিল চাচাও তাই বলেন।

    তোর উকিল চাচা তা হলে আফজালকে চেনেন?

    হ্যাঁ চেনেন, কী একটা কেসের ব্যাপারে আফজাল উকিল-চাচার কাছে মাঝে মাঝে যান।

    আফজালের কথা তোর দাদাজীকে বলেছিস?

    কিছুদিন আগে আমি যখন ঢাকা গিয়েছিলাম তখন আফজাল আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য এসেছিলেন। দাদাজী তাকে পাগল ভেবে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজও তাই ভেবে রুস্তুমকে দিয়ে জুতো মেরে তাড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তার ফল কী হলো, তা তো বললাম।

    তুই যে আফজালকে ভালোবাসিস, তোর দাদাজী জানে?

    হ্যাঁ, জানেন।

    আমার যতদূর বিশ্বাস, সে আফজালের হাতে তোকে দেবে না।

    তা আমিও জানি। তবে আমারও এক কথা, ওঁর সঙ্গে বিয়ে না দিলে আমি সারাজীবন বিয়েই করব না।

    সালমা বেগম বললেন, আজকের ঘটনার পর আফজালের ব্যাপারে তোর দাদাজীর মতামত পাল্টাতে পারে।

    নিগার বলল, আমারও তাই মনে হয়। দাদাজীর কথা বাদ দিন। আপনার মতামত বলুন।

    সালমা বেগম দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে বললেন, জমিদারি আমলে যেমন এ বাড়ির বৌয়েদের মতামতের এক কানাকড়িও দাম ছিল না, তেমনি আজও নেই।

    জমিদারি আমালের কথা ছেড়ে দিন। এখন সভ্যযুগ। নারী-পুরুষের সমান অধিকার। তা ছাড়া ইসলামও নারী-পুরুষকে সমান অধিকার দিয়েছে। যদিও আলেমরা মেয়েদেরকে তা জানায় নি।

    এমন সময় ইকতিদার আলি এসে তাদের পাশে চেয়ারে বসে বললেন, দাদি-নাতনিতে কী এত আলাপ হচ্ছে?

    নিগার বলল, এত তাড়াতাড়ি উঠে পড়লেন? আরো কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে ভালো হতো না?

    তা অবশ্য হতো; কিন্তু আফজাল নিতে দিল না। আচ্ছা, তুই ওর ঠিকানা জানিস না?

    জি না দাদাজী, জানি না।

    আমার তো মনে হচ্ছে আশেপাশের কোনো গ্রামেই ওর বাড়ি।

    তাই যদি হয়, তা হলে আপনি লোকের দ্বারা খোঁজ নিতে পারেন।

    হ্যাঁ, তাই নেব। একবার যদি বাছাধনকে পাই, তা হলে খালপোশ করে গায়ে লবণ ও মরিচের গুড়ো ছিটিয়ে দেব। তখন তার বাহাদুরি দেখা যাবে। তারপর নাতনির দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমি ওকে ভুলে যাও। তোমার বাপের মতো একগুঁয়েমি করো না। নচেৎ তোমার পরিণাম ভালো হবে না। এতবড় সাহস? শত শত মানুষের সামনে আমাকে যা-তা বলে অপমান করল?

    নিগার মনে করেছিল, আফজালের ও কুরআন হাদিসের কথা শুনে তার মতো দাদাজীরও দিব্যচোখ খুলে যাবে। কিন্তু এখন তার কথা শুনে ভয়ে কেঁপে উঠল। মুখটা ভয়ে শুকিয়ে গেল।

    সালমা বেগম নাতনির মুখের অবস্থা একবার দেখে নিয়ে বললেন, আজ তো তোমার লাঠিয়ালবাহিনীর সামনে তাকে পেয়েছিলে, যা বললে তা করলে না কেন?

    স্ত্রীর কথায় উত্তর দিতে না পেরে ইকতিদার আলি অগ্নিদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে দাঁতে দাঁত চেপে বললেন, হ্যাঁ তাই করতাম। কিন্তু ওর স্পর্ধা দেখে রাগে সে-কথা মাথায় আসেনি। মনে হয় ছেলেটা ম্যাসমেরিজাম অথবা জাদু-টাদু জানে। সবাইয়ের চোখে ধাঁধা লাগিয়ে সোহরাব আলিকে নিয়ে চলে গেল।

    সালমা বেগম বললেন, তাই যদি মনে কর, তা হলে তাকে ধরে এনে কিছু করার আগেই তো ঐসব করে আবার ধাঁধা লাগিয়ে চলে যাবে?

    স্ত্রীর এই কথারও উত্তর দিতে না পেরে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে নাতনিকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আফজাল তোমাকে জাদু করেছে। রুস্তমকেও জাদুর দ্বারা ভয় দেখিয়েছে। আমার নাম ইকতিদার আলি, আমিও দেখে নেব, কতবড় জাদুকর।

    সালমা বেগম বললেন, নিগারের মুখে শুনলাম, আফজাল ধার্মীক। ধর্মীয় জ্ঞানও তার অনেক। ধার্মিক লোকেরা আবার জাদুকর হয় কী করে?

    ইকতিদার আলি বারবার স্ত্রীর প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে ক্রমশ রেগে যাচ্ছেন। রাগের সঙ্গে বললেন, তুমি যে দেখছি ঐ বদমাইশটার হয়ে কথা বলছ। মনে হয় নিগার তোমাকে তার ভালোবাসার কথা বলেছে?

    নিগার দাদাজীর রাগ দেখে আরো ভয় পেয়ে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে সেখান থেকে চলে গেল।

    সালমা বেগম বললেন, হ্যাঁ বলেছে। ‘দাদাকে বলতে পারলে দাদিকে বলবে কেন?

    তা হলে তুমিও জেনে রাখ, আমি বেঁচে থাকতে ওর হাতে নিগারকে তুলে দেব না। আমার কথার নড়চড় যে হয় না, তা তুমি ভালো করেই জান। আর নিগারকেও কথাটা জানিয়ে দিও।

    আর আফজাল যদি জাদুর দ্বারা নিগারকে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে, তা হলে কী করবে?

    তা হলে ওর থেকে বড় জাদুকরের দ্বারা ওদেরকে খুঁজে বের করে দু’জনকে একসঙ্গে জ্যান্ত কবর দেব।

    তাই দিও বলে সালমা বেগমও সেখান থেকে চলে গেলেন।

    স্ত্রী চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ইকতিদার আলি ভাবলেন, সালমা তো কখনো তার মুখের উপর তর্ক করে না, কিন্তু আজ করল কেন? তা হলে কি বদমাইশটা ওকেও জাদু করেছে? হঠাৎরুস্তমের কথা মনে পড়তে কাছারিবাড়িতে এসে রুস্তমকে ডেকে পাঠালেন।

    কিছুক্ষণ পর রুস্তুম চোখ মুছতে মুছতে এসে মাথা নিচু করে একপাশে দাঁড়াল।

    ইকতিদার আলি তার মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, কীরে বেটা, এখনো কাঁদছিলি? আফজালকে জুতো মারতে গিয়ে কী এমন হলো যে, তুই তার পা ধরে মাফ চাইলি? তখন জিজ্ঞেস করতে কিছু বলতেও পারলি না?

    রুস্তম তখনো পুরোপুরি ধাতস্থ হয় নি। তোতলাতে তোতলাতে বলল, হুজুর, সে-কথা মনে পড়লে আমার কলজে শুকিয়ে যায়। জুতো তুলে মারার সময় ওনার চোখে চোখ পড়তে দেখতে পেলাম, একজন দৈত্যের মতো লোক বড় বড় আগুনের মতো চোখ বের করে, দুহাতে দুটো ছোরা নিয়ে মারার জন্য আমার দিকে এগিয়ে আসছে। তখন ভয়ে আমার শরীর ঠাণ্ডা বরফ হয়ে গেল। তারপর কী করেছি কিছুই মনে নেই।

    ইকতিদার আলির দৃঢ় ধারণা হলো, আফজাল জাদু জানে। বললেন তুই এখন যা।

    রুস্তুম চলে যাওয়ার পর ম্যানেজার সামসুদ্দিনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি জাদু বিশ্বাস কর?

    জি করি।

    কেন কর? কোনো প্রমাণ পেয়েছ?

    জি না প্রমাণ পাই নি। তবে কুরআনে জাদুর কথা উল্লেখ আছে।

    মৌলবিদের মুখে শুনেছ? না নিজে কুরআনের ব্যাখ্যা পড়ে জেনেছ?

    কুরআনের ব্যাখ্যা পড়ে জেনেছি।

    তোমার কী মনে হয়, আজ আফজাল, মানে ঐ যে ছেলেটা সোহরাব আলির বাঁধন খুলে নিয়ে চলে গেল, সে জাদু জানে?

    জাদু সত্য হলেও বর্তমান দুনিয়ায় আছে বলে মনে হয় না। তবে ম্যাসমেরিজাম বলে একটা বিদ্যা আছে, যে এই বিদ্যায় পারদর্শী, সে অনেক অবাস্তব ঘটনা ঘটাতে পারে। আমার বিশ্বাস, আফজাল ম্যাসমেরিজামবিদ্যায় পারদর্শী।

    তোমার কথা অস্বীকার করব না। এখন যা বলছি মন দিয়ে শোনো, আমার ইচ্ছা, নিগারের সঙ্গে তোমার বিয়ে দেওয়ার। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আফজাল। আফজাল জাদু করে হোক আর ম্যাসমেরিজাম করেই হোক, নিগারের মন জয় করেছে। নিগারও তাকে ভালোবাসে। বিয়েও করতে চায়। আমিও বলে দিয়েছি, একটা জাদুকর ছেলের হাতে তোমাকে দেব না। এখন তোমার পথের কাঁটা তোমাকেই দূর করতে হবে। তুমি লোক লাগিয়ে আফজালের খোঁজ নাও। কোথায় বাড়ি? কার ছেলে? কী করে? এককথায় তার পুরো বায়োডাটা নিয়ে আমাকে জানাবে। তারপর আমি দেখে নেব, সে কতবড় জাদুকর অথবা ম্যাসমেরিজিয়ান। সেই সাথে আরো খোঁজ নেবে দেশে বা বিদেশে কোনো বড় জাদুকর অথবা ম্যাসমেরিজিয়ান আছে কি না। যদি থাকে, তার ঠিকানাও জেনে আমাকে বলবে। আর এর জন্য যত টাকা-পয়সা লাগে আমি দেব।

    নিগারকে প্রথম দিন দেখেই ম্যানেজার সামসুদ্দিন মুগ্ধ হলেও তাকে পাওয়ার স্বপ্ন কোনদিন দেখে নি। এখন তার সঙ্গে মালিক বিয়ে দেবেন শুনে তার হার্টবিট হাজার গুণ বেড়ে গিয়েছিল। অনেক চেষ্টা করে সামলে নিয়ে বলল, জি, আপনার কথামতো কাজ করার ব্যবস্থা এখন থেকেই শুরু করব। আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন। তারপর বলল, মাঠে খালের পানি তোলার ব্যাপারে কিছু বলবেন না?

    ইকতিদার আলির তখন রুস্তমের অবস্থার কথা মনে পড়ল। কয়েক সেকেন্ড চিন্তা করে বললেন, ওসব তোমাকে ভাবতে হবে না। যা বললাম, তাই তুমি কর?

    জি আচ্ছা বলে সামসুদ্দিন সেখান থেকে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের খোঁপা (গল্পগ্রন্থ) – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }