Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমিও মানুষ – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমিও মানুষ – ৭

    ৭

    আফজাল সোহরাব আলিকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেল। সোহরাব আলি তাকে সদর ঘরে বসালেন।

    পাড়ার লোকেদের কাছে তার বাড়ির সবাই জেনেছে সোহরাব আলিকে লাঠিয়ালরা ধরে জমিদার বাড়িতে নিয়ে গেছে। তারা জমিদারের অত্যাচারের কথা জানত, “যাকে ধরে নিয়ে যায়, তাকে মেরে আধমরা করে ফেলেন। পাটায় করে তুলে আনতে হয়।” তাই তাকে অচেনা এক যুবকের সঙ্গে হেঁটে আসতে দেখে সোহরাব আলির স্ত্রী, দুই মেয়ে ও পাড়ার সবাই অবাক হলো।

    রক্তাক্ত অবস্থা দেখে দুই মেয়ে আব্বা বলে জড়িয়ে ধরল। আর তার স্ত্রী মাকসুদা দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ফেলতে লাগল। আফজাল ও পাড়ার লোকেরা রয়েছে বলে কাছে যেতে পারলেন না।

    সোহরাব আলি মেয়েদের মাথায় হাত বুলিয়ে প্রবোধ দিয়ে বললেন, জমিদার আমার কিছু করতে পারে নি। লাঠিয়ালদের সঙ্গে লড়াই করে রক্তাক্ত হয়েছি। তারপর পাড়ার সবাইকে উদ্দেশ্য করে আফজালকে দেখিয়ে বললেন, এই ছেলেটা জমিদারের অত্যাচার থেকে বাঁচিয়েছে। আজ থেকে এ আমার ছেলে। আল্লাহ একে মিলিয়েছে। তোমরা সবাই চলে যাও। আমি এর খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করব।

    পাড়ার লোকেরা এতক্ষণ আফজালকেই দেখতে ছিল। এত সুন্দর ছেলে তারা কখনো দেখে নি। সোহরাব আলির কথা শুনে জিজ্ঞেস করল, এই ছেলেটা কী করে আপনাকে জমিদারের অত্যাচার থেকে বাঁচাল, না শোনা পর্যন্ত আমরা যাচ্ছি না।

    সোহরাব আলি বলার আগে আফজাল বলল, সেকথা পরে শুনবেন। এখন আপনারা চলে যান। দেখছেন না, উনি আহত? শুশ্রূষা দরকার?

    আফজালের কথার মধ্যে এমন কিছু ছিল, পাড়ার লোকেরা আর কোনো কথা না বলে চলে গেল।

    আফজাল সোহরাব আলিকে বলল, চাচা, আপনি ভিতরে যান। আপনার এখন সেবা-যত্ন দরকার। আর শুনুন, আজ থেকে প্রতিরাতে গ্রামবাসীদের নিয়ে খালের বাঁধ কেটে মাঠে জোয়ারের পানি তুলবেন। জমিদার আর বাধা দিতে লাঠিয়ালবাহিনী পাঠাবেন না। তিনি দিনে মাঠে জোয়ারের পানি তোলার ব্যবস্থা করবেন। আল্লাহ আপনাদেরকে হেফাজত করুন বলে দাঁড়িয়ে উঠে বলল, এবার আসি চাচা।

    সে কী? এক্ষুনি চলে যাবেন? আল্লাহ আপনাকে দিয়ে আমাকে শুধু জমিদারের অত্যাচার থেকে রক্ষা করান নাই, আমার ইজ্জতও বাঁচিয়েছেন। আমি তো ভেবেছি, আপনাকে কয়েকদিন ছেলের মতো রেখে দেব।

    মাফ করবেন চাচা, আমি থাকতে পারব না।

    কিছু অন্তত মুখে দিয়ে যান।

    তা হলে আমাকে তুমি করে বলুন। আমি তো আপনার ছেলের বয়সী।

    ঠিক আছে বাবা, তুমি বস। আমি তোমার খাওয়ার ব্যবস্থা করি।

    নাস্তা খাইয়ে সোহরাব আলি বললেন, আসার সময় অত করে তোমার পরিচয় জিজ্ঞেস করলাম, বললে না। বললে তো তোমার খোঁজ-খবর নিতে পারতাম।

    আফজাল বলল, আমার খোঁজ আপনাকে নিতে হবে না, আমি মাঝে মাঝে আপনাদের খোঁজ নিতে আসব। তারপর সালামবিনিময় করে চলে গেল।

    সোহরাব আলি তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়েছিল। এমন সময় চাচাতো ভাই ইলিয়াস এসে বললেন, ছেলেটাকে যে চলে যেতে দেখলাম?

    সোহরাব আলি বললেন, হ্যাঁ, দু’চারদিন থাকতে বললাম, থাকল না। বলল, “মাফ করুন চাচা, থাকতে পারব না।” তখনই চলে যাচ্ছিল। অনেক করে বলে নাস্তা খাইয়েছি।

    ছেলেটার পরিচয় নিয়েছ?

    অনেকবার জিজ্ঞেস করেছি, কিছুতেই বলে নি। শুধু বলল, “পরিচয়ের কী দরকার? আপনাদের মতো আমিও মানুষ। আর সব মানুষই বাবা আদম (আ.) ও মা হাওয়া (আ.) এর বংশধর।”

    গ্রামের মানুষজন যারা কিছুক্ষণ আগে আফজালের কথায় চলে গিয়েছিল, কী করে জমিদারের অত্যাচর থেকে সোহরাব আলিকে ছেলেটা রক্ষা করল, তা

    জানার জন্য তারা আবার হাজির হলো।

    সকলের হয়ে ইলিয়াস ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করল।

    সোহরাব আলি ঘটনাটা বলে বললেন, ছেলেটার কথার মধ্যে যেন জাদু ছিল। প্রথম দিকে জমিদার মেজাজ দেখালেও শেষের দিকে টুসাড়া করতে পারেন নি। আর পঞ্চাশ-ষাটজন লাঠিয়াল রুস্তমের অবস্থা দেখে মূর্তির মতো দাঁড়িয়েছিল। আমি তো হতভম্ব হয়ে পড়েছিলাম। মনে হলো স্বপ্ন দেখছি।

    ইলিয়াস বলল, সত্যিই খুব আশ্চর্য ব্যাপার। মনে হয় ছেলেটা মানুষ নয়, জিন। তা না হলে তার পরিচয় দিল না কেন?

    সোহরাব আলি বললেন, দূর, জিন হতে যাবে কেন? মায়ের মুখে শুনেছি, জিনেরা মানুষের চুর ধরতে পারলেও পা ঘোড়ার খুরের মতো হয়। কিন্তু ছেলেটার পা-তো আমাদের মতই। পরিচয় না দেওয়ার অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। ছেলেটা যাওয়ার আগে বলেছে, আজ থেকেই রাতে খালের বাঁধ কেটে মাঠে জোয়ারের পানি তুলতে। জমিদার নাকি আর বাধা দেওয়ার জন্য লাঠিয়ালবাহিনী পাঠাবেন না। তিনি দিনে জোয়ারের পানি মাঠে তুলবেন। তোমরা সব তৈরি থাকবে, খালে জোয়ারের সময় বাঁধ কাটতে যাব।

    পাড়ার একজন বলল, জমিদার যদি লাঠিযালবাহিনী পাঠায়, তা হলে কী হবে?

    সোহরাব আলি বললেন, পাঠালে আমরা সবাই ফিরে আসব। তবে আমার মনে হয়, ছেলেটার কথা সত্য। জমিদার বাধা দিতে কাউকে পাঠাবেন না। তোমরা যে যেতে চাও যাবে কাউকে জোর করব না। যারা যাবে তারা খাওয়া দাওয়ার পর এখানে আসবে। সবাই একসঙ্গে বেরব।

    সোহরাব আলি রাত্রে খাওয়ার পর পাড়ার লোকজনের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। মাত্র দশ-বারোজন লোক কোদাল হাতে নিয়ে এল। আরো ঘন্টা খানেক অপেক্ষা করেও যখন দু’একজন ছাড়া আর কেউ এল না তখন তাদের নিয়ে বাঁধ কাটতে গেলেন।

    গিয়ে দেখল, বাঁধের কাছে কোনো পোপক্ষী নেই। বাঁধ কাটা শেষ হয়েছে, এমন সময় আকাশে মেঘের ডাক শোনা গেল, কিছুক্ষণের মধ্যে মুষলধারে বৃষ্টি নামল।

    সোহরাব আলি বললেন, আল্লাহর কী কুদরত, বাঁধ কাটার সাথে সাথে বৃষ্টি শুরু হলো। চল আমরা সবাই ফিরি।

    একটানা তিনদিন প্রচুর বৃষ্টি হলো। খালের জোয়ারের পানি আর বৃষ্টির পানিতে মাঠ ভরে গেল। চাষিরা মনের আনন্দে চাষ শুরু করল।

    .

    ম্যানেজার সামসুদ্দিন দাদাজীর মতো সৎ ও কর্তব্যনিষ্ঠ হলেও তার মতো ততটা ধার্মীক নয়। তার উপর যুবক। ইকতিদার আলির মুখে তাকে নাতজামাই করার কথা শুনে রাজকন্যার সাথে রাজত্ব পাওয়ার লোভ সামলাতে পারল না। তাই আফজালকে যেমন করে তোক খুঁজে বের করার ও সে যাতে তার পথের কাঁটা হতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করার প্রতিজ্ঞা করল। ভাবল, সোহরাব আলিকে যখন জমিদারের কাছ থেকে নিয়ে গেছে তখন তিনি নিশ্চয় তাকে চেনেন অথবা তার কোনো আত্মীয়ও হতে পারে। তাই পরেরদিন সোহরাব আলির বাড়িতে নিজে গিয়ে খোঁজ করার মনস্থ করলেও বৃষ্টির কারণে তিন দিন যেতে পারল না। চার দিন পর দালাগ্রামে গিয়ে তার খোঁজ করল।

    সোহরাব আলি বাড়িতে ছিলেন না। তার ছোট মেয়ে রোশনী বলল, আব্বা বাড়ি নাই। কামলা নিয়ে মাঠে গেছে।

    সামসুদ্দিন বলল, তোমার আব্বার কাছে একটা জরুরি কাজে এসেছি। আমাকে তার কাছে নিয়ে চল।

    রোশনী তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে আব্বার কাছে গিয়ে বলল, এই লোকটা বাড়িতে এসে তোমার খোঁজ করছিল।

    সালামবিনিময় করে সোহরাব আলি বললেন, কে আপনি? কোথায় থেকে এসেছেন? আপনাকে যেন চেনা-চেনা মনে হচ্ছে।

    সামসুদ্দিন বলল, আমি জমিদার ইকতিদার আলির ম্যানেজার। জমিদারের কাঁচারিবাড়িতে দেখেছেন।

    ও হ্যাঁ হ্যাঁ, এবার মনে পড়ছে। তা কী মনে করে এসেছেন?

    আফজাল, মানে যে ছেলেটা আপনার বাঁধন খুলে নিয়ে এল, তিনি কোথায়।

    সে তো ঐ দিনই চলে গেছে।

    তিনি আপনার কেউ হন না?

    না তো।

    কোথায় গেছেন?

    তা জানি না। হয়ত তার বাড়িতে গেছে।

    বাড়ি কোথায় জানেন?

    না।

    তার সম্পকে আর কী জানেন?

    আমি কিছুই জানি না।

    তা হলে আপনার জন্য এতকিছু করল কেন?

    তাও জানি না।

    প্রথম থেকে, মানে খালের বাঁধ কাটার সময় তিনি আপনাদের সঙ্গে ছিলেন না?

    আমাদের সঙ্গে থাকবে কেন? তার বাড়ি তো আমাদের গ্রামে না।

    আশ্চর্য?

    হ্যাঁ, আমিও তখন খুব আশ্চর্য হয়েছি যখন জমিদারের সঙ্গে তর্ক করছিল এবং আমার বাঁধন খুলে নিয়ে এল। তার আগে আমি তাকে কখনো দেখি নি।

    তিনি আপনাদের বাড়িতে এসেছিলেন?

    হ্যাঁ, এসেছিল। নাস্তা খেয়ে চলে গেছে।

    তাঁর পরিচয় জানতে চাননি?

    অনেকবার চেয়েছি, বলেনি।

    আপনার জন্য এত কিছু করল, কেন বলতে চান নি, জিজ্ঞেস করেননি?

    তাও করেছি, বলল, মানুষ হয়ে অন্য মানুষের বিপদে সাহায্য করা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য, তাই করেছি। এবার আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো, তার খোঁজ নিতে এসেছেন কেন?

    সামসুদ্দিন অল্পক্ষণ চিন্তা করে মিথ্যে বলল, উনি কাল মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন। জমিদার তার মহত্বে মুগ্ধ হয়ে খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন।

    সোহরাব আলি বললেন, হ্যাঁ, ঠিক কথাই বলেছেন। তার মতো মহৎ ছেলে আমি জীবনে দেখি নি।

    সামসুদ্দিন হতাশ গলায় বলল, কিন্তু অমন মহৎ ছেলের খোঁজ পেলাম না বলে খুব দুঃখ হচ্ছে। তার সাথে যদি কখনো দেখা হয়, তা হলে বলবেন, জমিদার দেখা করতে বলেছেন।

    ঠিক আছে বলব।

    এবার আসি বলে সামসুদ্দিন সালামবিনিময় করে সেখান থেকে চলে এল।

    তারপর একদিন রুস্তমকে জিজ্ঞেস করল, সেদিন আফজালকে জুতো মারতে গিয়ে কি এমন হলো যে, কাঁদতে কাঁদতে পা ধরে মাফ চাইলে?

    রুস্তম ঘটনাটা বলে বলল, ঐ কথা মনে পড়লে ভয়ে আজও কলজে শুকিয়ে যায়।

    সামসুদ্দিন তাকে বিদায় করে চিন্তা করল, তা হলে জমিদারের কথাই ঠিক। আফজাল জাদুকর অথবা ম্যাসমেরিজিয়ান। যদি তাই হয়, তার বিরুদ্ধে কিছু করে সে কি সাকসেসফুল হতে পারবে? অনেক ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিল, নিজে কিছু না করে একজন লোকের দ্বারা আফজালের বায়োডাটা যোগাড় করার ব্যবস্থা করবে।

    আসির উদ্দিন উকিলের কাছ থেকে এর মধ্যে ইকতিদার আলি আফসানার বিয়ের নিমন্ত্রণ কার্ড পেলেন। সেই সাথে নিগারও আফসানার একটি চিঠি পেল।

    নিগার নিজের রুমে এসে চিঠিটা পড়তে শুরু করল।

    সুপ্রিয় বন্ধু নিগার,

    আসোলামু আলাইকুম, আশা করি, আল্লাহর অশেষ রহমতে দাদা-দাদিসহ ভালো আছিস এবং জমিদারি চালাবার কায়দা-কানুন শিখে নিচ্ছিস। আমি ও আমাদের বাসার সংবাদ আল্লাহর রহমতে ভালো জানবি। পরে জানাই যে, বাবা তোর দাদুকে আমার বিয়ের নিমন্ত্রণ কার্ড পাঠিয়েছেন। আর আমি এই চিঠি দিয়ে তোকে নিমন্ত্রণ করলাম। বিয়ের তারিখের একসপ্তাহ আগে দাদা-দাদিসহ আসবি। না এলে চিরতরে বন্ধুত্ব হারাবি।

    এবার পাত্রের কথা বলি, বাবার পছন্দ করা ছেলের সঙ্গে আমার বিয়ে হচ্ছে। তোর জন্য বাবা যে ইঞ্জিনিয়ার ছেলে দেখেছিলেন। সেই ছেলেটাই আমার হবু বর। কথাবার্তা পাকা করার আগে পাত্র, তার মা-বাবা ও অন্যান্য নিকটআত্মীয় এসেছিলেন। সে-সময় পাত্রকে ও আমাকে আলাদা রুমে আধঘণ্টা আলাপ করার ব্যবস্থা হয়েছিল। আমি বাবাকে বলেছিলাম, তুমি ও মা যখন পাত্র নির্বাচন করেছ তখন আর এ রকম ব্যবস্থা করার কোনো দরকার নেই। বাবা বললেন, ইসলামে ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশা নিষিদ্ধ থাকলেও বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী একে অপরকে দেখার পারমিশান দিয়েছে। আমি আর আপত্তি করি নি। আধঘণ্টা আলাপের মধ্যে পাত্রকে যতটুকু জানতে পেরেছি, মনে হয় ভালোই হবে। বাকি আল্লাহর মর্জি। আর শোন, আফজাল ভাই কয়েকদিন আগে এসেছিলেন। তাকেও নিমন্ত্রণ করেছি, আসবেন বলেছেন। তোর সঙ্গে আবার দেখা করতে গিয়েছিলেন কিনা জিজ্ঞেস করতে বললেন, “দেখা হয়েছে, কিন্তু দুভাগ্যবশত আলাপ করার সুযোগ হয় নি।” তুই যে চিঠিতে লিখেছিলি তাঁকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবি না; কিন্তু আজও তার সম্পূর্ণ পরিচয় জানিস না। প্রথম বার দেখা করতে গিয়ে শুধু তোর দাদাজীকে যে সব কথা আফজাল ভাই বলেছিলেন, সেই কথার উপর সিদ্ধান্ত নেওয়া কি তোর ঠিক হয়েছে? আমার বিয়েতে এসে তাঁর সম্পর্কে সবকিছু জেনে নিবি। তা ছাড়া আরো লিখেছিস, তোর দাদিআম্মা রাজি থাকলেও তোর দাদাজী আফজাল ভাইকে জাদুকর ভেবে রাজি নন। যা কিছু করবি ভেবেচিন্তে করবি। তোর জন্য আমার খুব চিন্তা হয়। আর বেশি কিছু লিখে বিরক্ত করব না। সাক্ষাতে আলাপ করব। তোর দাদি ও দাদাজীকে আমার সালাম দিবি। আল্লাহর কাছে তোর সহিসালামত কামনা করে বিদায় নিচ্ছি, আল্লাহ হাফেজ।

    ইতি

    তোর প্রিয় বন্ধু আফসানা।

    চিঠি পড়া শেষ করে নিগার দাদাজীর কাছে এসে বলল, আফসানা বিয়ের একসপ্তাহ আগে যেতে বলেছে।

    বিয়ের নিমন্ত্রণ কার্ড পাওয়ার আগেই ইকতিদার আলি ভেবেছিলেন, ঢাকায় গিয়ে উকিলের কাছ থেকে আফজালের বিস্তারিত সবকিছু জানবেন এবং কয়েকদিন থেকে কোনো হুজুরের কাছে গিয়ে জানবেন, নিগারের প্রতি কোনো জিন আকৃষ্ট কি না। আরো জানবেন, আফজাল জিন অথবা জাদুকর বা

    ম্যাসমেরিজিয়ান কি না। এখন নাতির কথা শুনে বললেন, একসপ্তাহ আগে যেতে না পারলেও দু’দিন আগে যাবই এবং বেশ কয়েকদিন থাকবও। আমার কিছু কাজ আছে।

    নিগার উঞ্ছন্নকণ্ঠে বলল, আমিও সে কথা আপনাকে বলব ভেবেছিলাম। এবার দাদিআম্মাকেও নিতে হবে কিন্তু। ওঁকে তো আপনি কখনো ঢাকা নিয়ে যান নি।

    এমন সময় সালমা বেগম এসে নিগারের শেষের কথাটা শুনে বললেন, কার কথা বলছিস?

    নিগার বলল, আপনার কথা। আমার বন্ধু আফসানার কথা আপনাকে একদিন বলেছিলাম না? তার বিয়ে। সে তো উকিল-চাচার মেয়ে। উকিল-চাচা সবাইকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ কার্ড পাঠিয়েছেন। তাই আপনাকেও নিয়ে যাওয়ার জন্য দাদাজীকে বললাম।

    সালমা বেগম আড় চোখে একবার স্বামীর দিকে তাকিয়ে নিয়ে দীর্ঘ নিশ্বাস চেপে রেখে বেদনামিশ্রিতস্বরে বললেন, আজ ষোলো-সতেরো বছর আগে বৌ হয়ে এ বাড়িতে ঢুকছি। তারপর একদিনের জন্যও তোর দাদাজী কোথাও নিয়ে যায় নি। আমার কি এত সৌভাগ্য হবে যে, ঢাকা যাব? কথা শেষ করে ফিরে যেতে লাগলেন।

    নিগার তাড়াতাড়ি গিয়ে দাদিআম্মার একটা হাত ধরে ফিরিয়ে এনে বসিয়ে বলল, এ ব্যাপারে দাদাজীর কাছে কৈফিয়ত চেয়ে বেয়াদবি করব না। তবু বলব, দাদাজী যে ভুল করেছেন, কুরআন হাদিসের জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে করেছেন। এখন আর তাকে কোনো ভুল করতে দেব না। তারপর দাদাজীকে বললেন, দাদিআম্মাকে ঢাকায় নিয়ে যাবেন কি না বলুন? যদি না নিয়ে যান, আমিও যাব না।

    ইকতিদার আলি বললেন, তুমি ঠিক কথা বলেছ। আমি অনেক ভুল করেছি। তবে তুমি না বললেও তোমার দাদিআম্মাকে এবারে ঢাকা নিয়ে যেতাম।

    নিগার মনেমনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলল, মনীষীরা বলেছেন, “যারা নিজের ভুল বুঝতে পেরে সংশোধনের চেষ্টা করেন, তারা মহৎ।” আশা করি, ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন না করে এতদিন যে ভুল করেছেন, এখন থেকে তা অর্জন করে সেই ভুলেরও সংশোধন করবেন।

    ইকতিদার আলি কিছু না বলে চুপ করে রইলেন।

    দাদাজী, আপনি কিছু বলছেন না কেন?

    এখন কি আর শেখার বয়স আছে ভাই?

    দাদাজী কী যে বলেন। শিক্ষার বুঝি বয়স থাকে? যে-কোনো বয়সেই শিক্ষালাভ করা যায়। আমাদের নবি (দ.) বলিয়াছেন, “দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষার বয়স।” আমার কাছে বাবার বাংলায় ধর্মীয় অনেক বই আছে। সেগুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন, আমার কথা ঠিক কি না। যারা মনে করে বাল্যকাল থেকে যুবক বয়স পর্যন্ত শিক্ষার বয়স তারা খুব ভুল করে। তবে বাল্যকাল থেকে শিক্ষা শুরু করা উচিত। আর শিক্ষা বলতে শুধু স্কুল-কলেজের শিক্ষাটাই শিক্ষা নয়, সেই সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা ও তার অনুসরণ অনুশীলনই হলো আসল শিক্ষা। ছোটবেলা থেকে যদি ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ ও অনুসরণ না করে, তা হলে যেমন শিক্ষা বা জ্ঞান পূর্ণ হয় না, তেমনি চরিত্র গঠনও হয় না।

    ইকতিদার আলি বললেন, তুমি তো ছোটবেলা থেকে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন কর নি এবং সে সব অনুসরণও করনি, তা হলে কী তুমি চরিত্রহীন?

    নিগার বলল, ছোটবেলা থেকে ধর্মীয় শিক্ষা না পেলেও ধার্মীক ও চরিত্রবান বাবার আন্ডারে মানুষ হয়েছি। তবু কিন্তু বাবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে উদ্ধৃঙ্খল পথে পা বাড়িয়েছিলাম। সেটা আরো বেড়ে গিয়েছিল বাবার মৃত্যুর পর। আল্লাহর অপার করুণায় তাঁর এক নেক বান্দা আমাকে ঐ পথ থেকে ফিরিয়ে ধর্মের পথে নিয়ে আসেন।

    ইকতিদার আলি বললেন, আল্লাহর সেই নেক বান্দা কে?

    যাকে আপনি পাগল ও জাদুকর ভাবেন, সেই আফজাল।

    যদি বলি তোমার রূপে মুগ্ধ হয়ে এবং তুমি বাবার একমাত্র সন্তান জেনে সম্পত্তির লোভে তোমাকে জাদু করেছে?

    আপনার ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল। আমার রূপে মুগ্ধ হলেও বাবার একমাত্র সন্তান জেনে সম্পত্তির লোভে জাদু করেছে তা ঠিক নয়। তা ছাড়া কুরআনে জাদুর কথা উল্লেখ থাকলেও বর্তমানে পৃথিবীতে জাদু আছে কি না সন্দেহ। আপনি হয়ত মনে করেছেন, আমি ও আফজাল অনেকদিন মেলামেশা করেছি। যার ফলে একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেছি তাও ঠিক নয়। বরং উকিল-চাচার মেয়ে আফসানার সঙ্গে তিনি অনেকদিন মেলামেশা করেছেন। আর আমার সঙ্গে

    মাত্র দু’দিন শুধু আলাপ হয়েছে। আফসানাকে তো আপনি দেখেছেন। সেও আমার চেয়ে কম রূপসী নয়?

    তুমি লেখাপড়া করলেও তোমার বুদ্ধি বা জ্ঞান পাকা হয় নি। আফসানা রূপসী হলেও মা-বাবার একমাত্র সন্তান নয়। তার তিন ভাই আছে। তাই প্রথম আলাপ হওয়ার পর আফসানা ও তার বাবার কাছে তোমার সম্পর্কে সবকিছু জেনে দ্বিতীয়বার আলাপ করার সময় তোমাকে জাদু করেছে।

    নিগার একটু রাগের সঙ্গে বলল, আপনি শুধু জাদু জাদুকরছেন কেন? বললাম না, বর্তমানে পৃথিবীতে জাদু আছে কি না সন্দেহ।

    আরে ভাই তুমি রেগে যাচ্ছ কেন? জাদু না থাকলেও ম্যাসমেরিজামবিদ্যা তো আছে? আফজাল জাদুকর না হলেও ম্যাসমেরিজিয়ান। সে তোমাকে ম্যাসমেরিজাম করে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে।

    রাগের চোটে নিগারের চোখে পানি এসে গেল। চোখ মুছে কান্নাজড়িত স্বরে বলল, ঠিক আছে, ঢাকায় গিয়ে প্রমাণ করাব, তিনি জাদুকর, ম্যাসমেরিজিয়ান, অন্য কিছু।

    ইকতিদার আলি বললেন, আফজালকে পাবে কোথায় যে, প্রমাণ করাবে?

    তিনিও আফসানার বিয়েতে আসবেন।

    এলেও আমি এসেছি শুনে সে পালিয়ে যাবে।

    না, পালাবেন না। তিনি যে কাপুরুষ নন, তা আপনি কয়েকদিন আগেই জেনেছেন।

    ইকতিদার আলি মনেমনে বললেন, বেটার একবার দেখা পাই, তারপর দেখব কাপুরুষ না মহাপুরুষ। মুখে বললেন, ঠিক আছে, ঢাকায় পেলেই বোঝ যাবে সে কতবড় মহাপুরুষ।

    আপনি তাকে মহাপুরুষ বলছেন কেন? আমি তো তাঁকে তা বলি নি। তবে তিনি যে একজন মহৎ, তার প্রমাণও আপনি আগেই পেয়েছেন। তারপর নিগার চোখ মুছতে মুছতে সেখান থেকে চলে গেল।

    সালমা বেগম এতক্ষণ চুপ করে তাদের কথা শুনছিলেন। নিগার চলে যাওয়ার পর বললেন, ঢাকায় গিয়ে যদি সত্য প্রমাণ পাও আফজাল মহৎ, তা হলে কী তার হাতে নিগারকে দেবে?

    না। ম্যানেজার সামসুদ্দিনের সঙ্গেই তার বিয়ে আমি দেবই। দু’একটা গুণ থাকলে কেউ মহৎ হয় না। তা ছাড়া আমার দৃঢ় বিশ্বাস আফজাল ম্যাসমেরিজাম বিদ্যা জানে। ওটার দ্বারা কিছু ভালো কাজ করে মানুষের চোখে মহৎগিরি দেখায়। তোমাকেও তো আমি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি, সে কত মহৎ না অন্য কিছু, তুমিও তা জানতে পারবে।

    সালমা বেগম খুব চতুর মহিলা। বিয়ের সময় জহিরউদ্দিন মেয়েকে ইকতিদার আলির সবকিছু বললেও বয়সের কথা বলেন নি। তিনি জানতেন, বয়সের কথা বললে সালমা কিছুতেই রাজি হবে না। তাই শুধু বলেছিলেন, বয়স একটু বেশি। বাসর রাতে স্বামীকে দেখে যেমন দুঃখ পেয়েছিলেন, তেমনি আব্বার উপর প্রচণ্ড ক্ষোভ হয়েছিল। তখন বিষ খেয়ে অথবা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন। হয়ত তাই করেই ফেলতেন; কিন্তু তার মধ্যে দ্বীনের এলেম ছিল। হঠাৎ তাঁর দু’টো হাদিস মনে পড়ল। “যে পর্বত হইতে নিজেকে নিক্ষেপ করিয়া আত্মহত্যা করে, সে নিজেকে দোজোখের অগ্নিতে নিক্ষেপ করে। যে বিষ খাইয়া আত্মহত্যা করে, সে বিষ হাতে লইয়া দোজোখের ভিতরে তাহার স্বাদ গ্রহণ করিবে। যে বন্দুক দ্ধারা আত্মহত্যা করে, সে বন্দুক হাতে লইয়া দোজোখের ভিতর নিজের উদরে নিক্ষেপ করিবে এবং চিরকাল তথায় অবস্থান করিবে।” [বর্ণনায় : হজরত আবু হোরায়রা (রা.)- তিরমিজী ইবনেমাজা] “যে শ্বাসরোধ করিয়া আত্মহত্যা করে, সে দোযখের আগুনে নিজ আত্মার শ্বাসরোধ করিবে। এবং যে গুলির দ্ধারা আত্মহত্যা করে, সে দোযখের আগুনে নিজের প্রতি গুলি করিবে।”  [বর্ণনায় : হজরত আবু হোরায়রা (রা.)- বুখারী]

    হাদিস দু’টো মনে পড়তে সালমা বেগম ভয়ে শিউরে উঠলেন। তারপর আল্লাহ তার তকদিরে বুড়ো স্বামীর সংসার করা লিখেছেন ভেবে সবকিছু মেনে নিয়েছিলেন। আর মনেমনে একটা স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন।

    পনেরো-ষোলো বছর পর স্বামীর মুখে ভাইপোকে নাতজামাই করার কথা শুনে, সেই স্বপ্ন সফল হতে যাচ্ছে দেখে মনেমনে খুব আনন্দিত হলেও তা প্রকাশ করেন নি। ভাবলেন, এই কথা বলে স্বামী হয়ত তাকে পরীক্ষা করছেন। তাই এতদিন নিগারের পক্ষে কথা বলেছেন। কিন্তু আজ আবার স্বামী যখন ভাইপোকেই নাতজামাই করার দৃঢ়তা প্রকাশ করল তখন নিজের মতামত প্রকাশ করার জন্য বললেন, আমিও চাই আফজালের সঙ্গে নিগারের বিয়ে হোক। নিগার আত্মহত্যা করে ফেলতে পারে ভেবে এতদিন তার পক্ষে কথা বলেছে।

    ইকতিদার আলি মৃদু হেসে বললেন, জানতাম একথা একদিন তুমি বলবেই। প্রথম যেদিন নিগার আফজালের কথা বলে ম্যানেজারের হাতে নিগারকে দেওয়ার কথা বলি, সেদিন তুমি অমত করলেও আমি তোমার মনের ভাব বুঝতে পেরেছিলাম।

    স্বামীর কথা শুনে, সালমা বেগম অবাক দৃষ্টিতে স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    ইকতিদার আলি হেসে উঠে বললেন, আমার কথা শুনে খুব অবাক হয়েছ,? এতে অবাক হওয়ার কী আছে? বেশিরভাগ মেয়ে, যারা প্রথমে কোনো ব্যাপারে রাজি থাকলেও তা প্রকাশ না করে অমত প্রকাশ করে, তুমি হচ্ছ তাদের দলে।

    সালমা বেগম হেসে উঠে বললেন, এত বছর যাকে নিয়ে ঘর করছ, তার মনের খবর বুঝতে যদি না পারবে, তা হলে পুরুষ কিসের?

    ইকদিতার আলিও আবার হেসে উঠে বললেন, শোন, আফজাল যতই মহৎ হোক, আর তার ধন-সম্পদ যতই থাকুক-না কেন কিছুতেই তার সঙ্গে নিগারের বিয়ে দেব না। কারণ আমাদের ও বিষয়সম্পত্তির প্রতি সামমুদ্দিনের যতটা মায়া-মমতা থাকবে, আফজালের ততটা থাকবে না। তা ছাড়া সামসুদ্দিন তোমার ভাইপো। যখন সে জানবে আমরা তার ফুফা-ফুফি তখন সে মনেপ্রাণে সব কিছু লক্ষ রাখবে। এখন তোমার কাজ হলো, নিগারের কাছে সবসময় সামসুদ্দিনের গুণগান করে তাকে বিয়ে করার জন্য রাজি করান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের খোঁপা (গল্পগ্রন্থ) – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }