Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি এবং কয়েকটি প্রজাপতি – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আপনি কি শুশুক দেখেছেন

    আপনি কি শুশুক দেখেছেন? কেউ কেউ বলে শিশু। দেখেছেন শিশু? নৌকায়। যাচ্ছেন, ভুস করে নদীর পানিতে কিছু একটা ভেসে উঠেই ড়ুবে গেল। অবশ্যই দেখেছেন। এই শুশুক যে ডলফিনের প্রজাতি তা কি জানেন?

    জানেন না?

    শুশুক হলো ডলফিনের একটা প্রজাতি। এই প্রজাতি জন্মান্ধ। এর জন্মান্ধ হবার পেছনের কারণটা জানেন? শুশুক থাকে নদীতে। এদেশের নদীর পানি প্রচণ্ড ঘোলা। এই পানিতে যে বাস করে সে কিছু দেখতে পায় না। কাজেই তার চোখ থাকা না-থাকা একই। প্রকৃতি তখন কী করল–শুশুকের চোখ বাতিল করে দিল। বুঝতে পারছেন ব্যাপারটা? উইপোকার মতো আরেকটি অন্ধ প্রজাতি জন্ম নিল। উইপোকা যে জন্মান্ধ তা জানেন না? প্রাণীজগতের অনেক প্রজাতিই জন্মান্ধ।

    এখন লজিকে আসুন। মনে করুন আপনাকে নির্জন নির্বাসন দেয়া হয়েছে। আপনাকে খাবার দেয়া হয় ঠিকই কিন্তু কেউ আপনার কাছে আসে না। মানুষ তো দূরের কথা, পশুপাখিও না। মনে করুন কুড়ি বছর এইভাবে কেটে গেল। আপনার ভেতর ভালোবাসার যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল, তার কোনোরকম ব্যবহার হলো না। তখন প্রকৃতি কী করবে? আপনার ভালোবাসার ক্ষমতা বাতিল করে দেবে না? শুশুকের বেলায় যে-রকম হয়েছিল? বিশ বছর পর আপনি যদি আত্মীয়স্বজনদের কাছে ফিরে যান তখন দেখবেন কারো প্রতি কোনো ভালোবাসা, আকর্ষণ বিকর্ষণ কিছুই বোধ করছেন না।

    আমার ক্ষেত্রেও হয়তোবা সে-রকম কিছু ঘটেছে। প্রকৃতি আমার ভেতর থেকে ভালোবাসার ক্ষমতা তুলে নিয়েছে। আনন্দিত হবার দুঃখিত হবার ক্ষমতা নষ্ট করে দিয়েছে। আমি শুশুক প্রজাতির মতো অন্ধ হয়ে গিয়েছি।

    অর্থাৎ আমার মানসিকতার স্বাভাবিক গঠনের অবনতি ঘটেছে। মানুষের ক্ষেত্রে যে এরকম ঘটবে তার উল্লেখ কিন্তু আমাদের ধর্মগ্রন্থে আছে। সূরা ইয়াসিনে আল্লাহপাক বলছেন—‘আমান নুআম্মিরহু নুনাক্কিছহু ফিল খালাক।’ যার অর্থ হলো, ‘আমি যাহাকে জীবনদান করি তাহার স্বাভাবিক গঠনে অবনতি ঘটাই।’ বুঝতে পারছেন কিছু?

    আমি আল্লাহ বিশ্বাস করি কি করি না, এই বিষয় নিয়ে আমি আপনার সঙ্গে কথা বলব না। আমার বিশ্বাসের সঙ্গে আমার গল্পের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে সিজিওফ্রেনিক রোগীরা ধর্মবিশ্বাসী হয়। তারা গভীর বিশ্বাসে ধর্মকর্ম করে। কঠিনভাবেই করে। সাইকিয়াট্রিস্টরা যখন কোনো রোগীর সিজিওফ্রেনিয়া হয়েছে। বলে সন্দেহ করেন তখন তার প্রথম প্রশ্নই থাকে–’আপনি কি ধর্মকর্ম করেন? ধর্মের নিয়মকানুন কঠিনভাবে পালন করেন? নিশিরাতে প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন?

    এই প্রশ্নগুলির উত্তরে আপনি যদি হ্যাঁ বলেন তাহলে সাইকিয়াট্রিস্ট ভদ্রলোকের মনে বিরাট আনন্দ হবে। তিনি মনে মনে বলবেন, ‘তরে পাইছি’।

    আপনার কি মনে আছে–শুরুতে আপনাকে বলেছিলাম যে, আমি আবারো সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাই? রূপার তথাকথিত ভাইয়ের কথা বলছি। প্রথমবার গিয়েছিলাম তার বাসায়, এবার যাই তাঁর চেম্বারে। মজার ব্যাপার হলো তিনি কিন্তু আমাকে চিনতে পারেন না। একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য হচ্ছে সিজিওফ্রেনিকদের স্মৃতিশক্তি খুব ভালো হয়, সাইকিয়াট্রিস্টদের স্মৃতিশক্তি হয় দুর্বল এবং ডেনটিস্টদের আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে সবচে’ বেশি।

    সাইকিয়াট্রিস্ট ভদ্রলোক বললেন, কাইন্ডলি আপনার নামটা বলুন।

    আমি নাম না বলে বললাম, স্যার, আমি বিরাট মানসিক সমস্যার ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। আপনি আমাকে সারিয়ে তুলুন। টাকা-পয়সা যা লাগে দেব। টাকা পয়সা আমার কাছে কোনো ব্যাপার না। আমি একজন ধনবান ব্যক্তি।

    ভদ্রলোকের চোখ চকচক করে উঠল। আমাদের দেশে সাইকিয়াট্রিস্টরা রোগী পান না। অন্য ডাক্তাররা যেখানে টাকা গুনতে গুনতে হাতে ঘা করে ফেলেন, সাইকিয়াট্রিস্টদের সেখানে দেখা যায় উড়ন্ত মাছির সাইকোএনালিসিস করে সময় কাটাতে।

    সাইকিয়াট্রিস্ট ভদ্রলোক আমার দিকে ঝুঁকে এসে বললেন, আপনার সমস্যা কী?

    আমার সমস্যা হলো আমি একজন সিজিওফ্রেনিয়ার রোগী।

    আপনি কিসের রোগী সেটা আমি ঠিক করব। আপনার কী করে ধারণা হলো যে আপনি সিজিওফ্রেনিয়ার রোগী? যে রোগী সে কি তার রোগ বুঝতে পারে?

    আমি বললাম, কেন পারবে না? আমার যদি রোজ কাপুনি দিয়ে জ্বর আসে, প্লীহা বড় হয় তাহলে আমি চোখ বন্ধ করে বলতে পারি আমার ম্যালেরিয়া হয়েছে।

    সিজিওফ্রেনিয়া চোখ বন্ধ করে ডায়াগনোসিস করার রোগ না। আপনি দয়া করে অল্প কথায় আপনার সমস্যাগুলি বলুন।

    অল্প কথায় বলব?

    হ্যাঁ, অল্প কথায় বলুন। আপনি কি একা এসেছেন? সঙ্গে কাউকে নিয়ে আসেন নি? মানসিক রোগীরা কখনো নিজের কথা গুছিয়ে বলতে পারে না।

    স্যার, আমি ইচ্ছা করেই কাউকে আনি নি। কারণ আমি এমনসব কথা আপনাকে বলব যা তৃতীয় কোনো মানুষের শোনা উচিত না। স্যার, আমি কি শুরু করব?

    হ্যাঁ, শুরু করুন।

    অল্প কথায়?

    হ্যাঁ, অল্প কথায়। প্লিজ।

    আমি মজার গল্প বলছি এমন ভঙ্গিতে শুরু করলাম আমাদের বাড়িতে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আমার স্ত্রীর বড়বোন মারা গেছেন এবং সবচে’ ছোট বোনটিও মারা যাবে মারা যাবে করছে। বড়বোন মারা গেছেন ভূতের ভয়ে। ছোটটি খুব সম্ভব মারা যাবে পিচ্ছিল ছাদ থেকে পিছলে উঠানে পড়ে। তৃতীয় মৃত্যু অর্থাৎ আমার স্ত্রীর মৃত্যুও অতি শিগগির ঘটবে, এই নিয়ে আমি চিন্তিত। আপনাদের সাইকিয়াট্রিস্টের ভাষায় এই মানসিক অবস্থাটির নাম হয়তো প্যারনয়া। কল্পিত বিপদের আশঙ্কায় অস্থির হওয়া। একের পর এক সবাই মারা যাচ্ছে–এরকম টেনশনের শিকার হওয়া।

    কিছু মনে করবেন না, আপনি কি আমার কাছে আগে কখনো এসেছিলেন? আপনি কি সেই ব্যক্তি যে সারারাত টেলিফোন করে আমাকে জ্বালাতন করেছে?

    আমি খুব বিস্মিত হয়েছি এরকম ভঙ্গি করে বললাম, আপনি ধরে ফেলেছেন। স্যার! জি এসেছিলাম। আমার স্ত্রী রূপাকে নিয়ে আপনার বাড়িতে গিয়েছিলাম। স্যার, আপনার তো অসাধারণ স্মৃতিশক্তি। আমি মুগ্ধ! সাইকিয়াট্রিস্টদের ভেতর এমন স্মৃতিধর মানুষ দেখা যায় না। আগের আমল হলে আপনার পায়ের ধুলা নিতাম। এই আমলে যে পায়ের ধুলা নেয় সবাই তাকে সন্দেহের চোখে দেখে।

    ভদ্রলোকের ভুরু কুঁচকে গেল। তিনি গভীর সন্দেহ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    আমি বললাম, আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি আমার উপর খুবই বিরক্ত হচ্ছেন। আমি কি চলে যাব? না-কি অতি সংক্ষেপে আমার সমস্যাটা আপনাকে জানাব।

    আপনার সমস্যাটা কী?

    আমি ডাক্তারের দিকে খানিকটা ঝুঁকে এসে গলার স্বর নামিয়ে বললাম, আমি স্যার দু’জন স্ত্রীর সঙ্গে সংসার কাটাচ্ছি। একজনের নাম তো আপনাকে আগেই বলেছি, তার নাম রূপা; আরেকজনের নাম কাঁসা। একটা হলো নোবেল। মেটাল, অন্যটা শংকর ধাতু।

    ডাক্তার আমার কথা শেষ করতে না দিয়ে গম্ভীর গলায় বললেন, আপনি আমার সময় নষ্ট করছেন।

    আমি আহত গলায় বললাম, সময় নষ্ট করছি?

    অবশ্যই সময় নষ্ট করছেন। এখন আপনার কথা আমার পুরোপুরি মনে। পড়েছে। আপনি মনগড়া সব স্বপ্নের কথা বলে প্রথম দিন আমাকে চূড়ান্ত রকমের বিরক্ত করেছিলেন। আবারো বিরক্ত করতে এসেছেন।

    স্যার, আমি কি চলে যাব?

    অবশ্যই চলে যাবেন।

    আপনার ফিস দিতে হবে না?

    না, দিতে হবে না।

    পাঁচশ’ টাকার একটা নোট দিয়ে যাই? আপনার সময় নষ্ট করেছি। সময়ের মূল্য।

    দয়া করে আপনি উঠুন। আমাকে রোগী দেখতে হবে।

    স্যার, আমি তো একজন রোগী। মানসিক রোগী।

    আপনি রোগী না। আপনি মানসিকভাবে অতি সুস্থ একজন মানুষ।

    চট করে এরকম সিদ্ধান্তে কী করে এলেন জানতে পারি?

    মানসিক রোগীরা আর যাই পারুক রসিকতা করতে পারে না। হিউমার বোঝার এবং করার ক্ষমতাটা তাদের প্রথমেই নষ্ট হয়। আপনার সেই ক্ষমতা পুরোপুরি আছে।

    এমন কি হতে পারে না স্যার–আমার যে সিজিওফ্রেনিয়া হয়েছে সেটা ভিন্ন। প্রজাতির? শুশুক যেমন ডলফিনেরই একটি প্রজাতি। ডলফিনের চোখ আছে। শুশুক জন্মান্ধ। হয়তো আমার হয়েছে শুশুকটাইপ সিজিওফ্রেনিয়া।

    কেন বিরক্ত করছেন?

    স্যার, মাঝে মাঝে মানুষকে বিরক্ত করতে আমার খুব ভালো লাগে। মাছি হতে ইচ্ছা করে।

    তার মানে?

    মানুষকে সবচে’ বিরক্ত করতে পারে মাছি। সেই জন্যেই মাছি হতে চাই। মাছি হয়ে সবাইকে বিরক্ত করে মারব।

    আপনি কি দয়া করে উঠবেন? প্লিজ।

    আমি উঠলাম। এ দেশের একজন বড় সাইকিয়াট্রিস্টের কাছ থেকে Clean bill of mental health নিয়ে বাড়িতে চলে এলাম।

    আমার আনন্দ হচ্ছে। আমার মনে কোনো রোগ নেই–এই ভেবে আনন্দ না। ডাক্তার আমার রোগ ধরতে পারছেন না–এই ভেবে আনন্দ। মানসিক অসুখ সম্ভবত একমাত্র অসুখ যে অসুখ ডাক্তাররা ধরতে না পারলে খুব আনন্দ হয়।

    আমি ডাক্তার হলে ভালো করতে পারতাম। আধি ডাক্তারের কথা বলছি। মন-বিশেষজ্ঞ। রোগীর সঙ্গে দু’একটা কথা বলেই চট করে বলে দিতে পারতাম রোগীর কী হয়েছে। Silence of the lambs ছবিটা দেখেছেন? ডা. হানিবলের কথা মনে আছে?

    না না, নিজেকে আমার কখনো ডা. হানিবল মনে হয় না। আমি নিজেকে বুদ্ধিমান এবং মজার একজন মানুষ বলে মনে করি। যে মানুষটির চিন্তা করার ক্ষমতা ভালো। সিদ্ধান্তে পৌঁছার ক্ষমতাও ভালো এবং লোকচরিত্র সম্পর্কে ভালো জ্ঞান আছে। যে মানুষটা জানে দুই-এর সঙ্গে দুই মিলালে কখন চার হয়, কখন বাইশ হয়।

    আপনি নিশ্চয়ই আমাকে অহঙ্কারী ভাবছেন। আমি অহঙ্কারী না। আমি এমন একজন যার নিজের উপর আস্থা আছে। আস্থা থাকা দোষের কিছু না। বেশিরভাগ মানুষ বিনয় নামক হাস্যকর গুণের জন্যে নিজের উপর আস্থার ব্যাপারটা চেপে যায়। আমার মধ্যে বিনয়ের ছিটেফোঁটা নাই বলে আমি…

    কী হাবিজাবি বলছি! মূল বিষয়ে আসি। মূল বিষয় হলো আমি ডা. হানিবলের মতো মনের ডাক্তার হলে ভালো করতাম। আমার মামা শেখ ইফতেখারের অসুখটা যেভাবে ধরলাম–তাঁর চোখের দিকে তাকিয়েই আমার মনে হলো সাথীর মৃত্যু তিনি স্বাভাবিকভাবে নেন নি। সামান্য সন্দেহ তাঁর মনে দানা বেঁধেছে। ইংরেজিতে বললে বলতে হয়–A crystal of suspision has formed. A tiny crystal.

    কৃস্টালের সমস্যা হলো একটা দানা তৈরি হওয়া মাত্র আরো দানা তৈরি হতে থাকে, দানা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। সময় নেয় প্রথম দানাটি।

    ইফতেখার মামা তার স্বভাবমতো সব সমস্যা মিটালেন। ডাক্তারি সার্টিফিকেট জোগাড় করলেন ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফেকশনে রোগীর মৃত্যু। মওলানা ডাকিয়ে জানাজার ব্যবস্থা করলেন। আজিমপুর গোরস্তানে কবরের ব্যবস্থা করে সন্ধ্যার পর আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। তখনি বুঝলাম একটা ঝামেলা তো হয়েছে। ইফতেখার মামা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন কেন? আমাকে তিনি নিশ্চয়ই সান্ত্বনা দিতে আসছেন না। তিনি জানেন আমার সান্তনার প্রয়োজন নেই। এই জিনিস আমার লাগে না।

    মামা কয়েকবার খুকখুক করে কেশে বললেন, বাবা, কেমন আছ?

    আমি জবাব দিলাম না। জবাব দেবার প্রয়োজন নেই। আমি কেমন আছি এই সংবাদ সংগ্রহের জন্যে তিনি আসেন নি। তাঁর খুকখুক কাশির মতো প্রশ্নটাও উদ্দেশ্যহীন। তার চোখ দুটিও উদ্দেশ্যহীন মানুষের চোখের মতোই ছটফট করছে। আমি বললাম, আপনি কেমন আছেন?

    তিনি আবারো খুকখুক করে কাশলেন। আমি বললাম, আপনার হাত কি ঠিক আছে? বড় ধরনের কোনো মিথ্যা কথা বলায় হাত অবশ হয়ে যায় নি তো?

    তিনি মেঝের দিকে তাকিয়ে না-সূচক মাথা নাড়লেন। আমি বললাম, আপনি কি আমাকে বিশেষ কিছু বলতে এসেছেন?

    ইফতেখার মামা মেঝে থেকে তার দৃষ্টি উপরে তুললেন, তবে আমার দিকে তাকালেন না। আমার পেছনের দেয়ালের দিকে তাকিয়ে বললেন, মেয়েটা মারা গেল কীভাবে?

    আমি বললাম, ভয় পেয়ে মারা গেছে। কেউ একজন তাকে ভয় দেখিয়েছে। সেই ভয়টা সে নিতে পারে নি। মনে হয় মেয়েটার হার্ট দুর্বল ছিল।

    ইফতেখার মামা বললেন, ও আচ্ছা।

    আমি বললাম, ভয় দেখানোটা ছিল একটা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার অংশ। হার্টের রিদমে ভয়ের প্রভাব বিষয়ক পরীক্ষা।

    মামা আবারো বললেন, ও আচ্ছা।

    আমি বললাম, আপনি আর কিছু জানতে চান?

    মামার দৃষ্টি আবারো মেঝেতে নিবদ্ধ হলো এবং তিনি না-সূচক মাথা নাড়লেন। তিনি আর কিছু শুনতে চান না। তিনি যা জানতে এসেছিলেন তারচে’ বেশি জেনে গেছেন।

    আমি বললাম, আপনি যদি আর কিছু শুনতে না চান তাহলে বাসায় চলে যান। বাসায় গিয়ে বিশ্রাম করুন। আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনার শরীর। ভালো না।

    ইফতেখার মামা বসেই রইলেন। মামার দিকে তাকিয়ে থাকতে আমার ভালো লাগছে। পুরোপুরি ‘Confused state’-এর একজন মানুষ। এটা খুবই বিপদজনক অবস্থা। মানুষ বেশিক্ষণ কনফিউশান নিতে পারে না। মানব মস্তিষ্ক কনফিউশান থেকে বের হবার জন্যে প্রাণপণ চেষ্টা করতে থাকে। যদি সে সফল হয় তাহলে ভালো। যদি সফল না হয় তাহলে মস্তিষ্ক কনফিউশানটাকেই সত্যি ধরে নিয়ে তার জগৎটা অতি দ্রুত সাজিয়ে ফেলে। তার জগৎ তখন হয়ে যায় কনফিউশানের জগৎ। A state of total confusion. A state of wrong reality. সেই অবস্থাটা ভয়াবহ।

    আমি মামার দিকে ঝুঁকে এসে বললাম, মামা, বাসায় যান।

    তিনি বললেন, আচ্ছা।

    কিন্তু তিনি আগের জায়গাতেই বসে রইলেন। খুবই ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। মানুষটা কনফিউশান থেকে বের হতে পারছে না। তাঁর মস্তিষ্ক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মস্তিষ্ক চেষ্টা যে চালাচ্ছে তা বুঝা যাচ্ছে মামার দ্রুত শ্বাস নেয়া দেখে। তাঁর হার্ট অতি দ্রুত রক্ত পাম্প করছে। গ্যালন গ্যালন রক্ত চলে যাচ্ছে মস্তিষ্কে। অক্সিজেনে ভরপুর ধমনীর বিশুদ্ধ রক্ত। মস্তিষ্ক অতিরিক্ত পরিশ্রম করছে, তার অতিরিক্ত খাদ্য দরকার। তার প্রয়োজন বিশুদ্ধ অক্সিজেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআশাবরী – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article আমাদের সাদা বাড়ি – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }