Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না – প্রবীর ঘোষ

    প্রবীর ঘোষ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. পুরাণ ও ইতিহাসে মুখ দেখাদেখি বন্ধ

    অধ্যায়: দুই

    ঈশ্বর বিশ্বাস: পুরাণ ও ইতিহাসে মুখ দেখাদেখি বন্ধ

    কারণ: তেরো

    বেদ-মনুস্মৃতি-কোরআন-বাইবেল নাকি অপৌরুষেয়, অর্থাৎ ভগবানের নিজের লেখা!

    বিভিন্ন ধর্ম-বিশ্বাসীদের মধ্যে একটি দৃঢ়বদ্ধ ধারণা আছে, তাঁদের ধর্মগ্রন্থ আপৌরুষেয়। অর্থাৎ মানুষের রচিত নয়। অর্থাৎ ঈশ্বর-রচিত। ঈশ্বর-রচিত এসব ধর্মগ্রন্থ পাঠ করলে জানা যায়, ঈশ্বরের জাগতিক প্রার্থণা পুরাণের ক্ষমতা আছে। উদাহরণ হিসেবে যে কোনও একটি তথাকথিত ঈশ্বর-রচিত গ্রন্থকে পাঠ করলেই এই বক্তব্যের সত্যতা বুঝতে পারবেন। বেদ-এ চোখ বোলান, দেখতে পাবেন বিভিন্ন দেবতাদের উদ্দেশে রয়েছে প্রার্থনা—আমাকে দীর্ঘ আয়ু দাও, আমাকে সুস্বাস্থ্য দাও, নারীদের বশ করার ক্ষমতা দাও, নারীসংগমে দীঘ আনন্দ পেতে প্রচুর বীর্য দাও, অনেক খাবার দাও, অনেক গরু-ঘোড়া-মোষের মাংস খেতে দাও, যুদ্ধে জয় দাও ইত্যাদি ‘দাও দাও’-এব মেলা। এই মেলা ‘দাও দাও’ প্রার্থণা করতে মানুষকে যেহেতু ঈশ্বর-ই নির্দেশ দিয়েছেন, তাই ধরে নিতেই পারি ঈশ্বরের এমনি হাজারো প্রার্থণা পুরাণের ক্ষমতা আছে। ক্ষমতা না থাকলে, ‘আমার কাছে প্রার্থণা কর’ বলাতে যাবেন কেন? মিথ্যে প্রলোভন দেখাবেন কেন?

    সব ধর্মগ্রন্থেই এমন বহু প্রার্থনা পূরণের বিপুল আয়োজন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন অপৌরষেয় ধর্মগ্রন্থে নারীকে পুরুষ শাসনে অবদমিত রাখার ও তাকে মহিমাম্বিত করার প্রচেষ্টা। শুধু কি তাই, শাসক ও শোষকদের শাসন-শোষণের অধিকারকে ধর্মীয় সমর্থনও জানানো হয়েছে।

    হিন্দুদের অপৌরুষেয় ধর্মগ্রন্থে বাড়তি যা তা হল, চতুর্বর্ণ প্রথা তৈরি করে কৃষক-শ্রমিক শ্রেণীকে নিংড়ে নেওয়ার নিষ্ঠুর প্রয়াস।

    এইসব ধর্মগ্রন্থকে ঈশ্বর-রচিত বলে মেনে নিলেই স্বতঃস্ফূর্ততার সঙ্গেই সারিবদ্ধ কিছু চিন্তার উদয় হয়।

    এক: ঈশ্বর কোনও নিরাকার শক্তি নন।

    দুই: ঈশ্বর নারী বিরোধী, অর্থাৎ পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের বিরোধী ও নিপীড়ণকারী।

    তিন: ঈশ্বর নারীদের সঙ্গে সঙ্গে কৃষক-শ্রমিকদের প্রতি নিষ্ঠুর মনোভাবাপন্ন।

    চার: ঈশ্বর তোয়াজ পছন্দ করেন। চাটুকারিতা পছন্দ করেন|

    এরপর কিছু প্রশ্ন এসে হাজির হয়—ঈশ্বর যা বলেন, তা সবই কি সত্যি? বাস্তবিকই কি ঈশ্বরের প্রার্থনা পূরণের ক্ষমতা আছে? আদৌ কি সকলের প্রার্থনা পূরণের ক্ষমতা ঈশ্বরের পক্ষে থাকা সম্ভব? দুই শত্রপক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে যুদ্ধ জয়ের প্রার্থনা জানালে দুজনেরই জয় এনে দেওয়া কি ঈশ্বরের পক্ষে সম্ভব? আদৌ নয়।

    O

    আদৌ কি সকলের প্রার্থনা পূরণের ক্ষমতা ঈশ্বরের পক্ষে থাকা সম্ভব? দুই শত্রুপক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে যুদ্ধ জয়ের প্রার্থনা জানালে দুজনেরই জয় এনে দেওয়া কি ঈশ্বরের পকে সম্ভব? আদৌ নয়।

    O

    যে ঈশ্বরের নির্ধারিত নীতি অমানবিক, যে ঈশ্বর মানুষে-মানুষে বিভাজনের স্রষ্টা, শোষণ ও নিপীড়নের পৃষ্ঠপোষক, সেই ঈশ্বরকে ‘ভাল’, ‘করুণাময়’, ‘পূজনীয়’, ‘শ্রদ্ধেয়’, ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষিত করা কি মিথ্যা উক্তি নয়?

    এত মিথ্যাচারিতায় ভরা, নিষ্ঠুর, অমানকি ধর্মগ্রন্থগুলো বাস্তবিকই যদি অপৌরুষেয় হয়, তবে বলতেই হয় ঈশ্বর চাটুকার পরিবৃত হয়ে থাকতে চাওয়া এক অসৎ ও নিষ্ঠুর সাকার কিছু এবং একই সঙ্গে শোষক ও শাসকদের পৃষ্ঠপোষক। ঈশ্বর যদি বাস্তবিকই দুর্নীতি ও অসততার মূর্ত প্রতিমূর্তি না হন, তবে একথাই স্বীকার করতে হয়, অসৎ ও নিষ্ঠুর শাসক-শাসকদের টিকে থাকার স্বার্থে এইসব ধর্মগ্রন্থগুলো বুদ্ধিজীবী, সুবিধাভোগী পুরোহিতরা ও ধর্মগুরুরাই রচনা করেছিলেন এবং অপৌরুষেয় বলে প্রচার করেছিলেন। উদ্দেশ্যে অতি স্পষ্ট শোষক-শাসক-পুরুষতন্ত্রের স্বার্থ রক্ষা করা।

    কারণ: চোদ্দ

    ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করলেন কবে?

    ইসলামে ও খ্রিস্ট ধর্মে বিশ্বাসীরা মনে করেন পৃথিবীর আদি মানুষ আদমের জন্ম খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে। ঈশ্বর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করার পর এক জোড়া করে প্রাণী তৈরি করে তাতে প্রাণ সঞ্চার করেছিলেন। আদমের জন্ম-ও একইভাবে।

    গোটা ব্যাপারটাই যে নেহাতই কল্পনা, তারই প্রমাণ হিসেবে কিছু ঘটনার শুধু উল্লেখ করছি।

    খ্রিস্টপূর্ব ৪২২১ সালে মিশরে পঞ্জিকা তৈরি হয়। খ্রিস্টপূর্ব ৪২৪১ সালে মিশরে বর্ষ গণনার শুরু। মিশরের নেগাদা, এমিডোস ইত্যাদি অঞ্চলের কবর খুঁড়ে পাওয়া যায় পাথরের হাতিয়ার, সোনা, রূপো ও তামার ব্যবহারের নানা নিদর্শন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে এগুলো খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ বছরের প্রাচীন। খ্রিস্টপূর্ব ৭০০০ সাল নাগাদ লোকবসতির প্রমাণ পাওয়া গেছে টেপ পাওয়াতে। খ্রিস্টপূর্ব ৮০০০ সালেও যে লোকবসতি ছিল, তারই প্রমাণ মিলেছে সিরিয়ার উপকূলে ‘বাসসামরা’তে ৪০ ফুট ঢিবির নীচে।

    এরপরও পবিত্র বাইবেল ও পবিত্র কোরআন-এর কথা মত খ্রিস্টপূর্ব ৪০০৪ সালে পৃথিবীতে প্রথম মানুষ তত্ত্ব বা তথ্যকে আমরা মানি কী করে?

    হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীরা মনে করেন, পৃথিবীর আদি মানুষটির নাম মনু। মনু থেকেই মানুষ প্রজাতির বিস্তার। মনু কোনও রমণীর গর্ভজাত নন। ভগবান ব্রহ্মার দেহ থেকে মনুর সৃষ্টি।

    মান কত দিন এই পৃথিবীতে এসেছে? এ’বিষয়ে হিন্দু ধর্মের মত—সেই সত্য যুগ। হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে তিনটি যুগ অতিক্রম করে এখন চতুর্থ যুগ চলছে। অতিক্রান্ত যুগ তিনটি হল—সত্য, ত্রেতা ও দ্বাপর। এখন চলছে কলি যুগ।

    যুগের হিসেব না হয়, বোঝা গেল; কিন্তু কত বছর আগে মানুষ পৃথিবীতে এসেছে?

    যুগের হিসেব ধরেই তারও হিসেব মিলবে।

    যুগ
    সত্য
    ত্রেতা
    দ্বাপর
    ব্যাপ্তিকাল
    ১৭, ২৮, ০০০ বছর
    ১২, ৯৬, ০০০ বছর
    ৮, ৬৪, ০০০ বছর

    অর্থাৎ, কলি যুগে পড়ার আগেই মানুষ অতিক্রম করেছে ৩৮,৮৮,০০০ বছর।  বিজ্ঞানীদের মতে বিবর্তনের পথ ধরে মাত্র ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার বছর আগে আধুনিক মানুষ এসেছে পৃথিবীর বুকে।

    বলুন তো, এরপরও ঈশ্বরের সৃষ্টিতত্ত্বকে মানি কী করে, এবং ঈশ্বরকে স্রষ্টা হিসেবে মানি কী করে?

    কারণ: পনেরো

    অবতাররা কেন খালি ভারতে, পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে জন্মান?

    হিন্দুদের বিশ্বাস, পৃথিবীর মানুষ যখন নানা পাপ কাজে পৃথিবীর পরিবেশকে দৃষিত করে তোলে, তখন মানুষদের উদ্ধারের জন্য অবতাররা পৃথিবীতে জন্মান। অবতাররা দেবতারই অংশ।

    মানুষের উদ্ধারের জন্য এপর্যন্ত পৃথিবীতে জন্মেছেন মোট দশজন অবতার। তাঁরা হলেন—মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রামচন্দ্র, বলরাম, বুদ্ধ ও কল্কি।

    কিন্তু এঁরা সবাই ভারতেই জন্মালেন কেন? পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মানুষরা কি তবে তখনও খুবই সৎ ছিল? নাকি, এই অবতাররা জন্মানো পর্যন্ত ভারত ছাড়া পৃথিবীর আর কোনও দেশেই মানুষ বাস করত না? বুদ্ধের জন্মাবার সময় কি ভারত ছাড়া আর কোনও দেশেই মানুষ বাস করত না?

    খ্রিস্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০। এবং এঁরা প্রায় সকলেই জন্মালেন আরব ভূখণ্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না?

    O

    খ্রিস্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০। এবং এঁরা প্রায় সকলেই জন্মালেন আরব ভূখণ্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না?

    O

    কারণ: ষোল

    ঈশ্বর কি সত্যিই মহাপ্লাবন সৃষ্টি করেছিলেন?

    খ্রিস্ট ধর্মে বিশ্বাসী ও মুসলিম ধর্মে বিশ্বাসীরা মনে করেন, পৃথিবীতে প্রথম মানুষ আদম জন্মাবার ১৬৫৬ বছর পর ঈশ্বর পৃথিবীকে পাপ মুক্ত করতে এনেছিলেন মহাপ্লাবন। সে সময় পাপে ভরে গিয়েছিল পৃথিবী। তাই জীবজগৎকে ধ্বংস করতে ঈশ্বর এনেছিলেন মহাপ্লাবন। জীব বলতে প্রাণী ও উদ্ভিদ সবই। সবার মধ্যেই বাসা বেঁধেছিল পাপের কালো অন্ধকার। সবার মধ্যেই জমে উঠেছিল পাপের বিষ। পৃথিবীকে সুন্দর করে তুলতেই সেদিন অসুন্দরকে, পাপকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার প্রয়োজন হয়েছিল। প্রয়োজন বোধ করেছিলেন ঈশ্বর। পৃথিবীকে আবার সুন্দর করে গড়ে তুলতে ঈশ্বর সেদিন মহাপ্লাবনের থেকে রক্ষা করেছিলেন একজোড়া করে প্রাণীকে।

    মহাপ্লাবন হয়েছিল প্রথম মানুষ বা আদম বা হজরত আদম-এর জন্মের (খ্রিস্ট পূর্ব ৪০০৪ সালে) ১৬৫৬ বছর পর। অর্থাৎ খ্রিস্ট পূর্ব ২৩৪৮ সালে।

    মহাপ্লাবনের পর অতিক্রান্ত হয়েছে (২ ৩৪৮ + ১৯৯৫ =) ৪৩৪৩ বছর। আর একটি বারের জন্যেও মহাপ্লাবন হয়নি। তার মানে, পৃথিবীতে প্রথম মানুষ এলো, এবং তারপর দেড় হাজার বছর যেতে না যেতেই মানুষ তথা প্রাণিকুল। এতই দুর্নীতির সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করল, যার ফলে ঈশ্বর ধ্বংসের পথ বেছে নিতে বাধ্য হলেন।

    প্রথম মহাপ্লাবনের পর প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর কেটে গেছে। মানুষ ও প্রাণীর সংখ্যা বেড়েছে। উৎপাদনের নানা উন্নততর পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রতিটি দিন পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানুষের লোভও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তারই সঙ্গে বাড়ছে যেন-তেন-প্রকারেণ লাভের পাহাড়, সঞ্চয়ের পাহাড় গড়ে তোলার প্রচেষ্টা। এই মুহূর্তে অবক্ষয়ের থাবার নীচে গোটা পৃথিবী। দুর্নীতির অপর নাম আজ ‘ক্যারিয়ারিজম’। পুলিশদের কাজ চুরি, মন্ত্রীদের কাজ লুট, ধর্মগুরুদের কাজ মন্ত্রীদের অকুণ্ঠ আশীর্বাদ দান। এমন শোষণ, এমন দুর্নীতি, এমন অবক্ষয়ের রেকর্ড প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগেকার মানুষ ভেঙে দিয়েছিল, একথাও কোন ভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তখনকার সামাজিক প্রক্রিয়া এখনকার তুলনায় ছিল অনেক বেশি সহজ-সরল। লোকসংখ্যাও ছিল এখনকার তুলনায় খুবই কম। তবু ঈশ্বর সেই সময়কার পৃথিবীর পাপ দেখে বিচলিত হয়ে মহাপ্লাবন এনেছিলেন। আজ সর্বব্যাপী পাপ দেখেও ঈশ্বর কেন বিচলিত নন? কেন আবার মহাপ্লাবন ঘটাবার প্রয়োজন অনুভব করছেন না? না কি বর্তমান পৃথিবীতে পাপ নেই? অথবা ‘মহাপ্লাবন’ আদৌ হয়নি? সবটাই গপ্পো? খ্রিস্টধর্মের ও মুসলিম ধর্মের এই ‘অভ্রান্ত-সত্য’ আসলে ‘অভ্রান্ত মিথ্যা’?

    O

    আজ সর্বব্যাপী পাপ দেখেও ঈশ্বর কেন বিচলিত নন? কেন আবার মহাপ্লাবন ঘটাবার প্রয়োজন অনুভব করছেন না? না কি বর্তমানপৃথিবীতে পাপ নেই? অথবা ‘মহাপ্লাবন’ আদৌ হয়নি? সবটাই গপ্পো’?

    O

    কারণ: সতেরো

    মহাপ্রলয়ের জাহাজে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর একজোড়ার কি জায়গা হওয়া সম্ভব?

    বাইবেলে বলা হয়েছে এবং মুসলিমরাও বিশ্বাস করেন, মহাপ্রলয়ের আগে একমাত্র পুণাবান মানুষ নোয়া’কে আসন্ন ধ্বংস সম্বন্ধে ঈশ্বর সাবধান করে দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছিলেন একটা তিনতলা জাহাজ তৈরি করতে, যেটা হবে ৩০০ হাত লম্বা, ৫০ হাত চওড়া ও ৩০ হাত উঁচু।

    জাহাজ তৈরি হল। এরপর শুরু হল মহাপ্লাবন। চল্লিশ দিন, চল্লিশ রাত ধরে অঝোরে বৃষ্টি ঝরল। বৃষ্টির প্রাবল্যে পৃথিবীর সব পর্বতের চুড়োগুলো পর্যন্ত গেল ডুবে। ডুবে মরল পৃথিবীর প্রাণিকুল। বেঁচে রইল তারা, যারা আশ্রয় পেয়েছিল জাহাজে। সেই কৃপাধন্য কারা? একজোড়া করে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী। হ্যাঁ, এত প্রলয়ের পরও তারা বেঁচে ছিল, কারণ জাহাজে শুধু জোড়ায় জোড়ান প্রাণীই ছিল না, ছিল তাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত খাবার-দাবার।

    এতো গেল ধর্মীয় বিশ্বাস। এবার আসুন দেখা যাক, বিশ্বাসটা সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?

    আবহবিদ্যার বই থেকে আমরা জানতে পারি, এক বর্গমিটার জমির উপর যে বায়ুমণ্ডল রয়েছে, তাতে গড়ে মোটামুটি ১৮ কিলোগ্রাম জল থাকে। তবে কোনও ভাবেই ২৫ কিলোগ্রামের বেশি নয়। বায়ুমণ্ডলের এই আদ্রতা ঘনীভূত হয়ে একসঙ্গে যদি ঝরে পড়ে, তাহলে পৃথিবীর জলের গভীরতা কতটা বাড়ে, আসুন আমরা এবার সেটাই দেখি।

    ১ বর্গমিটার জায়গায় সবচেয়ে বেশি জল থাকতে পারে ২৫ কিলোগ্রাম, অর্থাৎ ২৫০০০ ঘন সেণ্টিমিটার। অর্থাৎ কিনা, ২৫০০০ ঘন সেণ্টিমিটার জল ঝরবে ১ বর্গ মিটার বা ১০০x ১০০ = ১০,০০০ বর্গ সেণ্টিমিটার জমির উপর। অথাৎ মহাপ্লাবনে সবচেয়ে বেশি জল জমা হলে তা হতে পারে ২.৫ সেণ্টিমিটার গভীর। অর্থাৎ মহাপ্লাবনে পৃথিবীর সব জায়গায় গড়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হলে ২.৫ সেণ্টিমিটার জল জমতে পারে।

    বিশ্বাস করুন, মহাপ্লাবনে সত্যিই এর চেয়ে বেশি জল কোনও ভাবেই জমা সম্ভব নয়।  পৃথিবীর কোনও কোনও জায়গায় এর চেয়ে বেশি বৃষ্টি অবশ্য হয়। কিন্তু সেই ক্ষেত্রগুলোতে আশেপাশের অঞ্চলের মেঘ হাওয়ায় ভেসে বৃষ্টিপাত অঞ্চলে চলে আসে। কিন্তু মহাপ্লাবনে সারা পৃথিবী জুড়েই যদি প্লাবন হয়, তবে কোথায়ও কম, কোথাও বেশি বৃষ্টির জল জমার ব্যাপার নেই। সব জল ঝরে গোটা পৃথিবীতে জল জমলে ওই জলের গভীরতা হবে ২.৫ সেণ্টিমিটারের মত। তার বেশি কোনও ভাবেই হওয়া সম্ভব নয়।

    খ্রিস্ট ধর্মে ও মুসলিম ধর্মে বিশ্বাসীদের মতে, মহাপ্লাবনে ডুবে গিয়েছিল পৃথিবীর সব পর্বতের চুড়োগুলোও। এভারেস্টের উচ্চতা ৯ কিলোমিটার। অর্থাৎ মহাপ্লাবনে বৃষ্টির পরিমাণটা একটু বাড়িয়ে বলা হয়েছিল। এমন কিছু নয়, একটুই। মাত্র ৩,৬০,০০০ গুণ বাড়িয়ে বলা হয়েছিল।

    এবার আসা যাক দ্বিতীয় প্রশ্নে। পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীদের একজোড়া করে নেওয়া কি সম্ভব ছিল নোয়ার জাহাজে? সম্ভব ছিল, সেই সঙ্গে সমস্ত প্রাণীদের বেঁচে থাকার উপযোগী পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার ঐ জাহাজেই নেওয়া?

    বাইবেলে আছে, নোয়ার জাহাজটা ছিল তিনতলা। প্রতি তলা ৩০০ হাত লম্বা আর ৫০ হাত চওড়া। তখনকার দিনের লোকেদের এক হাত মানে মোটামুটি ৪৫ সেণ্টিমিটার। অর্থাৎ জাহাজের প্রতিটা তলা ছিল ৩০০ x ০.৪৫ = ১৩৫ মিটার লম্বা, আর ৫০ x ০.৪৫ = ২২.৫ মিটার চওড়া। অর্থাৎ প্রতিটা তলায় জায়গা ছিল ১৩৫ x ২২.৫ = ৩০৩৭.৫ বর্গ মিটার। তিনটে তলা মিলিয়ে জাহাজে মোট জায়গা ছিল ৩ x ৩০৩৭,৫ = ৯১১২,৫ বর্গ মিটার।

    পৃথিবীতে শুধু প্রাণীই আছে দশ রকমের PHYLUM-এর (গাছ না হয় বাদই দিলাম):—

    1) Protozoa (2) Porifera (31 Coelcnterata (4) Platyhelminthes (5) Nemathelminthes (h) Annelida (7) Arthropoda (8) Mollusca (9) Echinodermata (10) Chordata.

    এর মধ্যে থেকে আমরা শুধুমাত্র একটা ফাইলামকেই বেছে নিচ্ছি। Chordata অর্থাৎ মেরুদণ্ডী প্রাণী। এই Chordata-দেরও আবার পাঁচটা ভাগে ভাগ করা যেতে পারে:—

    (১) পাখি (২) মাছ (৩) সরীসৃপ (8) উভচর ও (৫) স্তন্যপায়ী।

    পৃথিবীতে শুধু স্তন্যপায়ী প্রাণীই আছে ৩৫০০ জাতের। নোয়ার জাহাজে যদি শুধুমাত্র স্তন্যপায়ী জানোয়ারই নেওয়া হয়ে থাকে তাহলেও দেখা যাচ্ছে যে প্রতি জোড়া স্তন্যপায়ীর জনা জায়গা ছিল:

    ৯১১২.৫÷৩৫০০=২.৬ বর্গমিটার। যথেষ্ট জায়গা নয় নিশ্চয়ই, বিশেষত যখন স্তনাপায়ীদের মধ্যে তিমি, ডলফিন, হাতি, রাইনো, হিপ্লোদের মতো বিশাল আকারের জন্তুরাও আছে। স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে, নোয়ার জাহাজে শুধুমাত্র স্তন্যপায়ীদের জনোই যথেষ্ট জায়গা ছিল না। আর স্তন্যপায়ীরা তো সমগ্র প্রাণিকূলের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশ মাত্র। তারপরও তো রয়েছে সক্কলের জন্য নিদেন বেশ কয়েক মাসের খাবার-দাবার রাখার জায়গায় প্রশ্ন। সমস্ত পৃথিবী মহাপ্লাবনে শেষ হয়ে যাওয়ার পর জল সরলেও খাবার মিলবে কোথা থেকে?

    বাঘ, সিংহের মত মাংসাশীরা যে মাংস খবে, সেই সব মাংসল প্রাণীরা কোথায়? গরু, মোষ, ছাগল, ভেড়া, ইত্যাদির মত তৃণভোজী প্রাণীদের জন্য তৃণ কোথায়? হাতি, জিরাফ, ইত্যাদি প্রাণীদের খাওয়ার মত গাছ-গাছড়া কোথায়?

    তিমি থেকে ভোঁদড় পর্যন্ত মৎসাভোজীদের জন্য মাছ কোথায়? সবার খাবার আবার নতুন করে যত দিন না পৃথিবীর বুকে আবির্ভূত হচ্ছে, ততদিন তো এই নোয়ার জাহাজে রেখে দেওয়া খাবার খেয়েই প্রাণটা রাখতে হবে। অতএব জাহাজে খাবারের স্টক বেশ কয়েক মাসের বদলে বেশ কয়েক বছরের রাখাটাই স্বাভাবিক নয় কি? ওই বিশাল পরিমাণ খাদ্য রাখার জায়গা চাই। কিন্তু জাহাজে জায়গা কই?

    এটা এখন নিশ্চয়ই স্পষ্টতর হয়েছে, মহাপ্লাবনের মতই নোয়ার জাহাজের ধর্মীয় বিশ্বাসও উদ্ভট কল্পনা বই কিছু নয়।

    কারণ: আঠেরো

    ‘ফেরেস্তা’, ‘বেহেস্ত’ ও ‘দোজখ’ তৈরিতে আল্লাহের পরিকল্পনার অভাব এবং গোর আজাবে পক্ষপাত কেন?

    মুসলিম ধর্মে বিশ্বাসীরা মনে করেন, ‘বেহেস্ত’ ও ‘দোজখ’ সৃষ্টি হলেও সম্পূর্ণ অব্যবহৃত অবস্থায় তা পড়ে রয়েছে। এই দু’য়ের ব্যবহার শুধু হবে ‘কেয়ামত’ বা ‘মহাপ্রলয়’-এর পর। ‘মহাপ্রলয়’ কবে শুরু হবে? এস্রাফিল ফেরেস্তা যবে শিঙায় তিনবার ফুঁ দেবে। শিঙায় ফুঁ পড়তেই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড অর্থাৎ আল্লাহের যাবতীয় সৃষ্টিই ধ্বংস হয়ে যাবে। থাকবেন শুধু আল্লাহ এবং তাঁর তৈরি বেহেস্ত ও দোজখ। এস্রাফিল ফেরেস্তা কে? একজল ফেরেস্তা। ফেরেস্তা কী? বলা চলে আল্লাহের দূত। এরা স্বর্গ-মর্ত্য সব জায়গাতেই বিচরণ করেন। আল্লাহ বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেছিলেন। সৃষ্টির পর পালনের জন্য আল্লাহ সৃষ্টি করলেন অসংখ্য ফেরেস্তা। (তবে কি আমরা ধরে নেব-সৃষ্টিকে পালন করার ক্ষমতা সর্বশক্তিমান আল্লাহের ছিল না, তাই ফেরেস্তাদের সাহায্য গ্রহণ?)

    ফেরেস্তাদের মধ্যে প্রধান চারজন (১) জেব্রাইল, (২) মেকাইল, (৩) এস্রাফিল, (৪) আজ্রাইল।  জেব্রাইল ফেরেস্তার কাজ পয়গম্বরদের কাছে খোদাতালার আদেশ পৌঁছে দেওয়া। হজরত মোহাম্মদ পৃথিবীর শেষ পয়গম্বর। আর কোনও পয়গম্বর যেহেতু জন্মাবেন না, তাই জেব্রাইল ফেরেস্তার কাজ শেষ। কে জানে, বেচারা এখন কী করছেন? হয়তো তাঁর অবস্থা এখন—’ছুঁচোর গোলাম চামচিকে, তার মাইনে চোদ্দ সিকে’।

    মেকাইল ফেরেস্তার হাতে রয়েছে আবহাওয়া ও খাদ্য দপ্তর| মেকাইল যে খুবই অকর্মণা ফেরেস্তা, এটুকু বুঝতে বেশি আলোচনার প্রয়োজন নেই। অকর্মণ্যতার জ্বলন্ত নিদর্শন পয়গম্বরের দেশ আরবেই বৃষ্টিপাতের নামগন্ধ নেই, নেই চাষবাস। সোমালিয়ার মুসলিমরা মারা যায় দুর্ভিক্ষে। ফি বছর বাংলাদেশের মুসলিমরা সাইক্লোন ও বন্যার কবলে পড়েন। তার দরুন ঘটে বিপুল মৃত্যু ও সম্পত্তিহানি। আল্লাহ যদি নিরপেক্ষই হন, তবে তাঁর ফেরেস্তা কী করে পক্ষপাতিত্ব দেখাবার সুযোগ পান। কী করে কোনও অঞ্চল হয় শস্যশ্যামলা, কোনও অঞ্চল চূড়ান্ত অনুর্বর; কোনও অঞ্চলে বন্যার আধিক্য, কোনও অঞ্চলে খরার; কোনও মানুষের ঘরে খাদ্যের প্রাচুর্য, কোনও মানুষের ঘরে চরম দারিদ্র্য।

    O

    আল্লাহ যদি নিরপেক্ষই হন, তবে তাঁর ফেরেস্তা কী করে পক্ষপাতিত্ব দেখাবার সুযোগ পান। কী করে কোনও অঞ্চল হয় শস্যশ্যামলা, কোনও অঞ্চল চূড়ান্ত অনুর্বর; কোনও অঞ্চলে বন্যার আধিক্য, কোনও অঞ্চলে খরার; কোনও মানুষের ঘরে খাদ্যের প্রাচুর্য, কোনও মানুষের ঘরে চরম দারিদ্র্য।

    O

    এস্রাফিল ফেরেস্তা একটা শিঙা হাতে নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়েই আছেন, কবে আল্লাহ শিঙা ফোঁকার আদেশ দেবেন—এই প্রত্যাশায়। কেয়ামত বা মহাপ্রলয়ের মুহূর্তটি কবে আসবে—তা কি আল্লাহের অজানা? তাই বহু কোটি বছর আগে থেকেই এস্রাফিলকে সৃষ্টি করে শিঙা হাতে দাঁড় করিয়ে রেখেছেন? আল্লাহকে কেউ কি তবে কেয়ামতের দিনটি জানাবেন? কে জানাবেন?

    আজ্রাইল ফেরেস্তার ডিউটিটা অনেকটা হিন্দুদের যমদূত’–এর মত। আজ্রাইল-ই মানুষের মৃত্যুর কারণ। রোগ, দুর্ঘটনা—ইত্যাদি নিমিত্ত মাত্র।

    মানুষের মৃত্যু থেকে কেয়ামত পর্যন্ত আত্মার কাজ কী? মুসলিম ধর্মবিশ্বাসীরা মনে করেন মৃতকে কবর দেওয়ার পরই ‘মনকির’ ও ‘নকির’ নামের দই ফেরেস্তা এসে মৃতকে আবার বাঁচিয়ে তোলে এবং তাকে নানা প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেয়। উত্তরে খুশি না হলে ওই দুই ফেরেস্তা মৃতের উপর অমানুষিক অত্যাচার চালায়। শেষ অবধি গদার আঘাতে মৃতদেহকে ৭০ গজ মাটির নীচে পুঁতে রাখে। আবার মৃতদেহ তুলে এনে অত্যাচার চালায় এবং সুড়ঙ্গপথে দোজখ বা নরকের আগুন এসে আত্মাকে জ্বালাতে থাকে। পুণ্যবানদের ক্ষেত্রে সুড়ঙ্গপথে আসতে থাকে বেহেস্তের বাতাস।

    এরপর কিছু প্রশ্ন স্বভাবতই মাথায় নড়া-চড়া করে—ফেরেস্তা দু’জন মৃতদের প্রশ্ন করেন কোন ভাষায়? ফেরেস্তাদের নিজস্ব ভাষায়, না মৃত মানুষটির মাতৃভাষায়? ফেরেস্তি ভাষায় কথা বললে মৃতরা বোঝে কী করে, উত্তরই বা দেয় কী করে? মৃতের মাতৃভাষায় প্রশ্ন করতে গেলে ফেরেস্তাদের মৃতের ভাষা জনতে হবে। পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০০ ভাষা প্রচলিত। ফেরেস্তারা এত ভাষা জানেন? গোর আজাব ভোগের সময়সীমা মৃতকে কবরস্থ করা থেকে কেয়ামত পর্যন্ত। কিন্তু কেউ যদি বাঘের পেটে যায়, কিম্বা যায় জলে ডুবে, অথবা কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অন্য কোনও ধর্মীয় রীতি বা কারণের জন্য মৃতদেহকে কবর দেওয়া না গেলে, গোর আজাব হবে কী করে? কেয়ামতের পর আল্লাহ তাদের বিচার করবেন কী করে?

    ধরা যাক, একজন পাপীকে কবর দেবার পর সে পাঁচ লক্ষ বছর পর্যন্ত গোর আজাবের বর্বরোচিত শাস্তি ভোগের পর কেয়ামত হল, আর এক পাপী ব্যক্তির কবর দেবার এক মিনিটের মধ্যে কেয়ামত হল। লোকটি পাপী হওয়া সত্বেও গোর আজাব ভোগ করার সময়ই পেল না। ফেরেস্তা দু’জনের প্রশ্নোত্তর পালা শেষ হওয়ার আগেই এসে গেল কেয়ামত। এই ক্ষেত্রে দু’জনেই পাপী। হওয়া সত্ত্বেও সমান বিচার পেল কি? না, আদৌ না। একজন পেল পাঁচ লক্ষ বছরের জন্য গোর আজবে পাপের শাস্তি, আর একজন পাপ করেও গোর আজাবের শাস্তি পেল না। আল্লাহের এ কেমন সমান বিচার পদ্ধতি? এর পরও আল্লাহের বিচার ক্ষমতাকে ‘শ্রেষ্ঠ’ বলে চিহ্নিত করি কী করে? এত ভুল, এত পক্ষপাতিত্ব, এত আজগুবি সমবিচারের প্রহসনের পরও আল্লাহকে নির্ভুল, পক্ষপাতশূনা এক শ্রেষ্ঠ বিচারক বলা যায় কি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅলৌকিক নয়, লৌকিক – ১ (প্রথম খণ্ড) – প্রবীর ঘোষ
    Next Article অলৌকিক নয়, লৌকিক – 8র্থ খণ্ড – (জাতিস্মর, আত্মা, অধ্যাত্মবাদ) – প্রবীর ঘোষ

    Related Articles

    প্রবীর ঘোষ

    অলৌকিক নয়, লৌকিক – 8র্থ খণ্ড – (জাতিস্মর, আত্মা, অধ্যাত্মবাদ) – প্রবীর ঘোষ

    September 20, 2025
    প্রবীর ঘোষ

    অলৌকিক নয়, লৌকিক – ১ (প্রথম খণ্ড) – প্রবীর ঘোষ

    September 20, 2025
    প্রবীর ঘোষ

    অলৌকিক নয়, লৌকিক – ২ (দ্বিতীয় খণ্ড) – প্রবীর ঘোষ

    September 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }