Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি গাধা বলছি – কৃষণ চন্দর

    মোস্তফা হারুন এক পাতা গল্প112 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমি গাধা বলছি – ১০

    দশ

    দ্বিতীয় দিন ছক্কা-চৌকা কোনটাই লাগলো না। ছক্কা-চৌকা একেবারে মাঠে মারা গেছে। জুমন, গোলাব সিং আর সেতাব সিং ড্রইংরুমে মাথায় হাত দিয়ে বসে রয়েছে। অবশ্য শেঠকে খুব হাসি-খুশি মনে হচ্ছিল। আজ আবারও নাকি সে দু’লাখ টাকা দাও মেরে দিয়েছে।

    ‘শেঠ দু’লাখ টাকা পেল কি করে?’ জুমন জিজ্ঞেস করলো। জুমন কেন? আমারও জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করছিল, সেখানে চৌকা-ছক্কা কিছুই এলো না, শেঠ এত টাকা পেল কি করে? শেঠ মুচকি হেসে বলল,

    ‘তোমরা তো হৈ-হৈ করে চলে গেলে। তোমরা চলে গেলে আমি বেশ কিছুক্ষণ আরও চিন্তা করলাম। যোগী মহারাজ এত সোজা কথায় কি আর নাম্বার বলে দেয়? নিশ্চয়ই এতে কিছু কিন্তু আছে। অনেক চিন্তা ভাবনার পর গুরুজীর শেষ কথাটাই আমার বেশ মনে ধরল :

    ‘জু জিতা ইভি হারা

    অর্থ একেবারে পরিষ্কার। অর্থাৎ হার-জিত সমান এজন্যে আমি বন্দীতে টিকেট ধরলাম।’

    ‘সাবাস শেঠ, আমি বললাম, ‘তুমি দেখছি আজকাল আমার সব কথা ধরে নিতে পার।’

    ‘তা কেন পারব না গুরু। সারা জীবন আপনার পদসেবা করেছি। কিছুই কি পাইনি এখানে?’ জুমন বলল,

    ‘ঠিক আছে এখন থেকে সাধু বাবার কথা শুনে তুমি যে নাম্বার ঠিক করবে আমিও তাই বলব শেঠ। আমার সাথে দালালী করো না যেন। হাতে বানানো নাম্বার বললে, ভাল হবে না বলছি।’

    ‘আজকে আমি কিন্তু নাম্বার টাম্বার বলাবলির মধ্যে নেই।’ আমি বললাম।

    ‘কেন যোগী মহারাজ, আমরা কোন অপরাধ করেছি?’ শেঠ দু’হাত জোড় করে বলল, ‘আসলে ব্যাপারটা হলো রোজ রোজ নাম্বার বলা আমার জন্য নিষেধ আছে। শুধু পূর্ণিমার দিনই আমি নাম্বার বলতে পারব।’

    আমি ভেবে নিয়েছিলাম যেভাবে হোক আমাকে এ যাত্রা কোন রকম ইজ্জত রক্ষা করে যেতে হবে। এরপর যদি মদ খেয়ে অন্তর্ধান হয়ে নাম্বার বলতে থাকি, একদিন না একদিন ধরা পড়ে যাবই। এখানে দিব্যি আরামেইতো আছি। এভাবেই পূর্ণিমার ভাওতা দিয়ে আর মাস খানেক যদি নির্ঝঞ্ঝাটে থাকতে পারি দোষ কি? এরপর যা হয় হবে। আগামী পূর্ণিমাতেও যদি আমার অর্থহীন বকাঝকা থেকে ওরা কোন নাম্বার বুঝে নিয়ে কিছু পেয়ে যায় তাহলে তো পোয়া বারো। আর না পেলে মানে মানে কেটে পড়ব। আর নয়তো তখন ওরাই ডাণ্ডা মেরে বের করে দেবে এক সময়।

    গোলাব সিং বলল,

    ‘শেঠ মাসে একবারও যদি আমার নাম্বার ঠিক ধরতে পারি সারা বছরের কোন চিন্তা করতে হবে না। আমি একবার এক পাগলা বাবার চক্করে পড়েছিলাম। গুরুজীতো তবু নাম্বার পষ্ট করে বলেন। কিন্তু তার কাছ থেকে নাম্বার বের করা বড়

    ঝক্কির ব্যাপার ছিল। সারাদিন তেল মালিশ করেও কেউ কোন নাম্বার বের করতে পারতো না। সত্যি বলতে কি, তিনি কোন কথাই সোজা বলতেন না। তার আজব ধরনের ইশারা ইঙ্গিত থেকে নাম্বার বুঝে নিতে হতো। একেবার তো তিনি আমার মুখে পানের পিক দিলেন। আমি তক্ষুণি দৌড়ে গিয়ে পাঞ্জা ধরলাম। ধরতেই বাজীমাত—সেদিন তিনি হাতের লাঠি দিয়ে আমাকে বসিয়ে দিলেন এক ঘা, আমি বুঝলাম এক্কা ধরতে হবে। লাঠি তো একের মতই সোজা কিনা। এবারও বেশ মালপানি পেয়ে বসলাম। বড় কামেল মানুষ ছিলেন। কিন্তু তারপরও হঠাৎ এক সময় তিনি এমন ডুব মারলেন যে কোন দিনই দেখা পেলাম না আর তাঁর। আজ তিনি থাকলে তাঁর জুতা সাফ করেই আমার ভাগ্য ফিরে যেত।’

    ‘চিন্তা করো না গোলাব সিং। আমাদের সাধু কম কিসে?’ পূর্ণিমার দিনে আমি সরাসরি অস্বীকার করে বললাম,।’

    ‘আজ আমি নাম্বার বলতে পারব না

    ‘কেন, মহারাজ আমরা কি অপরাধ করেছি।’

    ‘আজ হিমালয় থেকে আমার ডাক এসেছে। গুরু শুভ্রনাথ আমার উপর রেগে আছেন। কৈলাস পর্বতে আজ দু’হাজার বছর অবধি তিনি সমাধি আসনে বিরাজমান। আজকেই আমাকে হিমালয় রওনা দিতে হচ্ছে।’

    ‘কেন মহারাজ, আপনার উপর রেগে আছেন কেন তিনি?’

    ‘কারণ, আমি বোম্বেতে এসে আমার কর্তব্য ভুলে গেছি। তাঁর চাঁদা তুলবার জন্য তিনি আমাকে বোম্বে আসার আজ্ঞা করেছিলেন। হায় হায়, আমি সব ভুলে গেছি। তার জন্যে যে একুশ লাখ টাকা জমা করতে হবে। কি আশ্চর্য, কোথায় আমার কর্তব্য আর কোথায় তোদের পাঞ্জা-ছক্কা। তোরা আমাকে ডুবিয়েছিস।’

    ‘গুরু আপনি বলেন তো, কৈলাসের গুরুর জন্যে এক্ষুণি আমি এক লাখ টাকার চেক কাটছি ৷’ শেঠ বলল।

    ‘এক লাখ টাকায় কি হবে? আমার দরকার একুশ লাখ। আর গুরু বলেছেন একজনের কাছেই সব টাকাগুলো চাইতে। সে যদি দিতে না পারে, তাহলে আর কারো কাছে যেন না চাই।’

    ‘কিন্তু আমার কাছে তো একুশ লাখ নাই গুরুজী।’

    শেঠ ভুসুরীমল অপরাধীর মত হয়ে বলল।

    ‘আমি কি তোমার কাছে একুশ লাখ চাই নাকি? আমি চাই আমার ধ্যান জ্ঞান থেকে তোমরা যেসব টাকা কড়ি পেয়েছ তার অর্ধেক টাকা আমার নামে ব্যাংকে জমা করতে থাক। জমা করতে করতে যখন একুশ লাখ হবে তখনই না হয় আমি হিমালয় রওনা দেব।’

    ‘আমার কোন আপত্তি নেই গুরু মহারাজ। আমি তো আপনার চরণের দাস। যা হুকুম করবেন তাই করব।’

    নির্দিষ্ট সময়ে আবার মাহফিল বসল। বোতল বোতল হুইস্কি চলল ৷ আজ আমি এমন সব তন্তর মন্তর পড়ব যে, কারো ভাগ্যে যেন কিছু না পড়ে। এরপরও যদি কিছু পেয়ে যায় ওরা, তার অর্ধেক তো আমার জন্য বরাদ্দ রইলোই। তা না হলে ওরা আমার ওপর একটা না একটা অভিযোগ খাড়া করবে। ব্যস, এ যাত্রা কেটে গেলে আরো কিছু কালের জন্য নিশ্চিন্ত হতে পারি। শালার জগৎটাই এ ধারার। সততা এবং ভালমানুষীর অর্থই হলো সারা জীবন তুমি ভুখা থাকো এবং গাধা হয়ে ধুঁকতে ধুঁকতে মারা যাও। এখন থেকে আমি ওদের মতোই ব্যবহার করব। ওদের মাথায় রেখেই কাঁঠাল ভেঙে খাব। নইলে আমার মত গাধার কোন উপায়ান্তর নেই।

    নাম্বার বলার সময় যতই ঘনিয়ে আসতে লাগলো আমার মাথায়ও রক্ত চড়ে যেতে লাগল।

    কি রকম আহাম্মক আর মূর্খ এ লোকগুলো। পয়সার জন্যে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। এদের কাছে ধর্ম, রাজনীতি, কৃষ্টি, সভ্যতা এবং মানব জাতির ভবিষ্যৎ চিন্তার কোন মানেই নেই। অর্থের সীমিত গণ্ডির মধ্যেই এদের আনাগোনা। আত্মার উপর অন্ধত্বের পট্টি বেঁধে বর্তমান, ভবিষ্যৎ, আর অতীতকে ভুলে লোভী কুকুরের মত অর্থের বেদীতে আত্মাহুতি দিচ্ছে। হতভাগাগুলো কেমন করে আমার দিকে তাকাচ্ছে। মনে হচ্ছে আমার মুখ থেকে কোন কথা বের হলে ঝাঁকে ঝাঁকে নোট ঝরতে থাকবে উপর থেকে। আমি ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে বললাম, শুয়োরের বাচ্চা হারামীগুলো …’

    হঠাৎ ওরা চারজন এক পলকের জন্য চমকে উঠল। আবার নড়েচড়ে সোজা হয়ে বসল।

    ‘হতভাগা চামারগুলো খেটে খেতে চায় না, এক পয়সা দিয়ে দেশের উন্নতি করবে না। শুধু জুয়া, লটারী, রেস, স্মাগলিং, বদমাশী, চুরি, ডাকাতি, ঘুষ, জালিয়াতি, হত্যা সব রকম খারাপ কাজে লেগে আছে। তারপর আবার ন্যাকামী করে বলবে এদেশের উন্নতি হচ্ছে না কেন? এদেশের দারিদ্র্য কেন যায় না? লোকদের এত দুঃখ দুর্দশা কিসের? ব্যাটা চোর, বদমাশ, কুত্তা, কমিনা-কমজাত, শুধু রাতারাতি বড় লোক হবার শখ। শুধু নম্বর আর নম্বর, না, নম্বর আমি বলব না। কেন বলব? আমি পারব না নম্বর বলতে। যাও, যা ইচ্ছে তাই কর গিয়ে।’ রাগে আমার গা থর থর করে কাঁপছিল আর মুখ থেকে গরম ফেনা বের হচ্ছিল। আমি ক্ষোভে ঘৃণায় ওদের লক্ষীছাড়া পিশাচ চেহারাগুলোর দিকে চরম ন্যক্কারজনক কটাক্ষ হেনে রুম ছেড়ে বেরিয়ে গেলাম এবং দাঁড়িয়ে ওদের কথাবার্তা শুনতে লাগলাম।

    সেতাব সিং বলল,

    মিষ্টি, ‘গাধাটার হলো কি? আমাদের খেয়ে আমাদের গাল দিচ্ছে। ফলের রস, চা, কত খাবার আয়োজন, শোবার জন্য নরম বিছানা, থাকার জন্য সাজানো কামরা, টেলিফোন, ঝালর আরো কত আরাম আয়েশের উপকরণ ভোগ করছে, অথচ এমনভাবে আমাদেরকে গালি দিচ্ছে। আমি এক্ষুণি পিস্তল মেরে ওর জীবনলীলা সাঙ্গ করে দেব।’

    জুমন তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল,

    ‘রসো, সেতাব তুমি কিছুই বুঝ না। গুরুজী সাধে কি আর রেগেছে, নিশ্চয়ই আমরা কোন অপরাধ করেছি।’ গোলাব সিং মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল : ‘জুমন ঠিক বলেছে। অবশ্যি আমরা কোন অপরাধ করেছি, নইলে গুরু আমাদের গাল দেবে কেন?’ শেঠ সবাইকে থামিয়ে দিয়ে বলল,

    ‘আরে থামো না, কি হয়েছে? সাধুর গালিতো আকাশবাণী। তাঁর কথা নিয়ে মন ভার করলে চলে? তোমরা এখনো টের পেলে না সাধু বাবা তো নম্বর বলে ফেলেছেন?’

    ‘একি, নম্বর বলল আবার কোন সময়? শুধু গালিইতো দিল এতক্ষণ?’

    ‘গালিইতো দিলো কিন্তু পয়লাতেই কি গালি দিল খেয়াল করেছ কি?’

    ‘কেন শুয়রের বাচ্চা হারামী থেকে শুরু করে চোর, বদমাস, পাজী, কুত্তা সব গালিই তো দিল। তাহলে হিসাব করে দেখ প্রথমে দু’টি গালি এবং শেষের দিকে ছ’টি গালি।

    এখনতো বেশ বুঝতে পারছ আজ ওপেন দুই এবং ক্লোজে হয় আসবে। সাধু বাবা আজ প্রাণভরে আমাদের গালি দিয়েছেন। আর আমরাও ইচ্ছামত দুই আর ছক্কাতে ধরব। সব পয়সা নিঃশেষ করে ধরব। বোম্বের সকল ধন দৌলত লুটে নেব আজ ৷’ শেঠ ভুসুরীমল-এর একথা শুনে সবার চোখ বিস্ময়ে বিস্ফোরিত। একটা কিছু পেয়ে যাওয়ার মতো তারা খুশিতে আটখানা হয়ে উঠল।

    আমি তাড়াতাড়ি করে আমার কামরায় চলে এলাম আর লোকগুলোর কাণ্ডকারখানা সম্পর্কে চিন্তা করতে লাগলাম। টাকার জন্য এরা কি না করতে পারে। টাকার জন্যে এরা গালি শুনতে রাজী। আমি মনে মনে বললাম, কালকে যদি এরা নম্বর মাফিক কিছু না পায় নির্ঘাত আমাকে পিস্তল মেরে শেষ করে ফেলবে। আমি এখন পালিয়ে বাঁচার জন্য মনে মনে অনেক ফন্দি আঁটলাম। কিন্তু কড়া পাহারায় থেকে তার কিছুই করা সম্ভব না। তাছাড়া রাত্রিবেলা বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দিয়ে যায়।

    ভোরবেলায় যখন তালা খুলল, ভয়ে আমার গা কাঁপছিল। আমি মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছিলাম, আমার সামনে চারজন ভাবলেশহীন মুখে দাঁড়িয়ে। আমি ভয়ে এক পা দুপা করে পিছু হটছিলাম। কিন্তু হঠাৎই ওরা হুমড়ি খেয়ে আমার পায়ের উপর পড়ল। আজকের মত বাজিমাত কোনদিনই হয়নি তাদের। জুমন সত্তর হাজার পেয়েছে। গোলাব সিং ত্রিশ হাজার। সেতাব সিং পঞ্চাশ হাজার আর শেঠ ভুসুরিমল তার সমুদয় পুঁজি দিয়ে টিকেট ধরেছিল, সে পেয়েছে পুরো চৌষট্টি লাখ টাকা।

    বাপ্‌রে! এখন তারা খুশিতে ক্ষণে হাসছে, ক্ষণে কাঁদছে, ক্ষণে আমার পায় চুমু দিচ্ছে। খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওরা পাগলের মত কি করছিল আমি তার কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

    ‘ভগবান মালিক মহর্ষি দেবতা সাধু ফকির দরবেশ’,—আমি জোরসে একটা ধমক দিয়ে বললাম,

    ‘ভাগো এখান থেকে। আমাকে একা থাকতে দাও।’

    হুকুম শুনে একসঙ্গে সবাই আমার পা ছেড়ে দিয়ে পিছে হটে গেল। এবং হাত জোড় করে কাঁপতে কাঁপতে পিছু হটে যাচ্ছিল। আমি ততোধিক গর্জন করে বললাম,

    ‘শেঠ তুমি যেও না, তোমার সাথে আমার কথা আছে।’ সবাই চলে গেলে আমি শেঠের আপাদমস্তক দেখে নিয়ে বললাম, ‘সত্য সত্য বল কত টাকা পেয়েছ আজ?’

    শেঠ মাথা নত করে বিনীতভাবে বলল,

    চৌষট্টি লাখ টাকা গুরুদেব, মাত্র চৌষট্টি লাখ

    ‘আমার বত্রিশ লাখ আলাদা করে দাও।’

    ‘এখনি দিচ্ছি ৷’ বলেই শেঠ তার কামরায় চলে গেল এবং কাঁপা কাঁপা হাতে ট্রেজারী খুলে ৩২টা বাণ্ডিল এনে আমার পদপ্রান্তে জমা করল। সবগুলো হাজার টাকার নোট। এক সাথে এত টাকা দেখে আমার স্বর বদলে গেল। আমি প্রসন্ন হয়ে বললাম,

    ‘বেটা আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি তোর উপর। এজন্যে আমি তোকে দু’লাখ টাকা বখশিশ দিচ্ছি। এখান থেকে দুটা বাণ্ডিল তুলে নে। বাদ-বাকী টাকাগুলো নিয়ে আমার সাথে ব্যাংকে চল।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর
    Next Article গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    Related Articles

    মোস্তফা হারুন

    গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    November 13, 2025
    মোস্তফা হারুন

    ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }