Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি গাধা বলছি – কৃষণ চন্দর

    মোস্তফা হারুন এক পাতা গল্প112 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমি গাধা বলছি – ২

    দুই

    আমার দিনগুলো বড় আরামেই কাটছিল। ঘাসের আঁটি বহন করা, এদিক সেদিক চরে ঘাস খাওয়া আর দিনের শেষে খুঁটির কাছে এসে শুয়ে পড়া এই ছিল নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। এর চেয়ে সাদাসিধে জীবন আর কি হতে পারে? আর এ জগতে বেশির ভাগ লোক এর চেয়ে বেশি আর কিইবা চায়। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মের কাছে আমার এ নিরবচ্ছিন্ন ঝঞ্ঝাটহীন জীবন ভালো লাগল না। শোনা গেল সরকার আর এ, কলোনী নাম দিয়ে বিশুদ্ধ দুগ্ধ সরবরাহের জন্যে এক ডায়রী ফার্মের পত্তন করেছে। সকল বিপদগুলো প্রথমত এমনি শুভ উদ্দেশ্যে নিয়েই তো আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু আমি জিজ্ঞেস করি বোম্বেতে আবার খাঁটি দুধ পান করার দরকার হল কার? বোম্বের সকল বীরপুরুষরাই ইরানীদের চা আর গোয়ালদের আধা দুধ আধা পানি পান করে সব রকম স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছে। জীবনের সব রকম সংগ্রামের মাঝে এসব দুধ পান করেই আজো তারা বেঁচেবর্তে থাছে। এমতাবস্থায় তাদেরকে খাঁটি দুধ পান করানোর জন্যে নতুন একটা পন্থার উদ্ভব করার কি মানে হতে পারে? লোকদেরকে একটা নতুন বিষয়ের প্রতি নিবিষ্ট করিয়ে একটা বিতর্কের সূত্রপাত করা ছাড়া আর কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে? আমি জানি, সরকারের উদ্দেশ্য এটা নয়। কিন্তু শেষ অবধি তাই হয়ে যায়। লোকদের একটা প্রয়োজন মিটিয়ে দিলে অপর প্রয়োজনের ক্ষুধা বেড়ে যায়। যারা বিজ্ঞলোক তারা বিচক্ষণ জেনে গেছে যে, যেদিন থেকে আর, এ, কলোনীর সূত্রপাত হয়েছে সেদিন থেকে মহারাষ্ট্রের কাহিনীও শুরু হয়েছে। এখন আপনি লোকদেরকে খাঁটি দুধ পান করিয়ে কি আশা করতে পারেন? ইরানীদের চা’র বদৌলতেই তো এতকাল মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের মধ্যে গলায় গলায় মিল ছিল। কিন্তু দুধ এমন একটা পদার্থ যা সব সময় ভাগাভাগির পক্ষপাতী। পাঞ্জাবীদের কথাই ধরুন না; বেশি বেশি দুধ পান করতো; ফলে তাদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে গেল। আসলে অপরাধ ছিল দুধের।

    কিন্তু দোষ দেওয়া হয় ইংরেজদের। আসলে দুধের স্বভাবটাই বিভক্ত হবার। আপনি একটা পাত্রে একটু দুধ রেখে দিন, দেখবেন, একটু পর ভাগাভাগি হয়ে গেছে। মানুষের ইতিহাসে এমন অসংখ্য নজির পাওয়া যায় যে, ছোট ছোট জিনিস থেকে বড় বড় শিক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মনে করুন মোহাম্মদ বিন-কাশিম যদি ভারতের বদলে চীন আক্রমণ করত তাহলে পাকিস্তান এখন চীন দেশে থাকত। আর নেপোলিয়ান যদি পানিপথে জন্মগ্রহণ করত, তাহলে ওয়াটারলুর যুদ্ধে ইংরেজরা কোনদিন জিতে পারত না। কলম্বাসের জাহাজ যদি সমুদ্রে ডুবে যেত, তাহলে আমেরিকা কোন দিনই আবিষ্কৃত হত না। তখন কলম্বাস হয়ত ডুবতে ডুবতে মহাকবি গালিবের ভাষায় বলত,

    ডুবুয়া মুজকো হোনে নে

    না-হোতা মায় তু কেয়া হোতা?

    এ ধরনের যুক্তিতর্কের উপমা দিয়ে টয়েন বি তাঁর সমুদয় ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন। এজন্যে আমিও বলি, যদি আর, এ কলোনী না হতো মহারাষ্ট্র প্রদেশও আলাদা হতো না। এ শুধু দুধেরই অপরাধ। বোম্বের বনেদী লোকেরা প্রায় একশ বছর থেকে ইরানীদের ফিকে চা পান করে আসছে। এখন নতুন করে তারা খাঁটি দুধ পান করতে গিয়ে তাদের পাকস্থলীতে দেখা দিল গোলমাল। আর লোকেদের পাকস্থলীতে গোলমাল হলে বদহজমের দরুন তারা নতুন নতুন দাবি-দাওয়া উত্থাপন করে। আমরা মহারাষ্ট্র চাই, কাজ চাই, অন্ন চাই, বস্ত্ৰ চাই, বাড়ি চাই, ছাতা চাই, সিনেমা চাই এবং প্রত্যেক জিনিস এত ভাল চাই, যত ভালো আর, এ, কলোনীর দুধ। “

    এজন্য সেকালের রাজা বাদশাহরা জনসাধারণের কোন চাহিদাই পূরণ করতো না। তাতে জনসাধারণের হজম শক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকত। কিন্তু আজকাল লোকদের হজম শক্তি বিগড়ে হা হা এত বেড়ে গেছে যে, ভাল একটা আশা ভরসা না দিলে তাদেরকে নিরস্ত করা কঠিন।

    আর, এ, কলোনী হয়ে যাবার পর বহুসংখ্যক গোয়ালারা কারবার বন্ধ হবার উপক্রম হল। তাদের ব্যবসা চালু রাখার জন্য তারা সম্ভাব্য সকল রকম চেষ্টা করল। কখনো দুধের দাম কমিয়ে পানি বেশি মিশাল। কখনো ঘাসের দাম কমিয়ে বিক্রয় দর কমাল। কখনো পানি কম দিয়ে বেশি লোকসান দিল। কিন্তু আর, এ, কলোনীর সামনে তাদের সব প্রয়াস বানচাল হয়ে গেল। প্রাইভেট গোয়ালদেরকে অবশেষে হাত গোটাতে হল। দিন দিন আর, এ, কলোনীর দুধের চাহিদাই বেশি রকম বেড়ে যেতে লাগল। গোয়ালারা যদি খাঁটি দুধ আর, এ, কলোনীর চেয়ে কম দামে বিক্রি করতো তাহলে কিছু সংখ্যক লোকের ব্যবসাটা চালু থাকত ৷ কিন্তু সেটাতো ব্যবসা-নীতির খেলাপ। এক জিনিসে অন্য জিনিস না মিশালে কোনদিনই সেটা ব্যবসা হয় না। উদাহরণ স্বরূপ, দুধে পানি, সাহিত্যে নগ্নতা, আটাতে ভূষি, ঘি’তে তেল, রাজনীতিতে ধর্ম এবং চাকরিতে ঘুষ ইত্যাদি তো ব্যবসা-নীতির পয়লা সবক।

    ব্যবসা নীতির দ্বিতীয় ধারা হল, ভেজাল সংমিশ্রণের পরিমাণ এবং উপাদান। যেমন, আপনি যদি দুধে মধু মিশালেন, তাহলে হয়েছে আপনার ব্যবসা। একটা দামী, জিনিসের সাথে একটা দামী জিনিস মেশানো চলে না। দামী জিনিসের সাথে কম দামী জিনিস মিশাতে হবে (যদি ক্ষতিকর হয় তাতেও ক্ষতি নেই)। আজকাল ব্যবসার সব রকম রহস্য এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, পানির কিইবা দাম আছে। আমার মত গাধাও বিনে পয়সার পানি পান করে থাকে। কিন্তু এ পানি যখন দুধে মেশানো হয়, চার গুণ দামে বিক্রি হয়। কাঠের ভুষির কিইবা দাম? অথচ আটার সাথে মিশিয়ে দিলে দিব্যি চলে যায়, কারো খেতে অসুবিধা হয় না। ঘৃণা এবং বিসংবাদ এমনিতে কত নিচ কাজ, অথচ তাতে যদি ধর্মের সংমিশ্রণ করা যায়, তাহলে লাখো নিষ্পাপীদের প্রাণ তাতে বিলীন হয়ে যাওয়া বিচিত্র নয়। ব্যবসা-নীতির এসব গুরুত্ব দুধের গোয়ালারা শুধু জানে না, ধর্মের ধ্বজাধারী থেকে আরম্ভ করে রাজনীতির জনহিতৈষীদেরও বিলক্ষণ জানা আছে। যখন এভবে গোয়ালাদের ব্যবসা শিকায় উঠতে আরম্ভ করলো, ঘিসুর ঘাস বিক্রিও দিন দিন কমে আসতে লাগল।

    ঘিসুর বাড়িতে বাল বাচ্চা উপোষ করতে আরম্ভ করল। ঘিসুর অবস্থা শেষ অবধি এমন হল যে, সে জোসেফ ডি. সুজার বাসায় বসে আমাকে বিক্রি করার কথাবার্তা উত্থাপন করল। বিক্রি করার পরামর্শটা দিয়েছিল তাকে রমজানী কসাই। ঘিসু যখন থেকে বেকার হল তার পানের মাত্রাটা বেড়ে গেল। প্রথম প্রথম ডি, সুজা ধার দিল ৷ কিন্তু ধারের পরিমাণ যখন বেড়ে গেল এবং তা পরিশোধ হবার ব্যাপারে ডি, সুজা সন্দিহান হয়ে পড়ল, তখন সে কিছুটা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে লাগল—নিঃসন্দেহে সে ঘিসুর বন্ধু। কিন্তু বন্ধুই বা বন্ধুকে কদিন বাকী দিতে পারে।

    এমতাবস্থায় রমজানী কসাই ঘিসুকে পরামর্শ দিল আমাকে বিক্রি করে দেবার জন্য। আমি সেসব কথা বাইরে দাঁড়িয়ে শুনতে লাগলাম। ‘গাধাটা আমার কাছে বিক্রি কর। পুরো পঁচিশ টাকা দেব।’ রমজানী কসাই বলল। জোসেফ বলল, ‘ঠিকই, রমজানী ঠিকই বলছে। আজকাল তোমার ঘাস কোথাও বিক্রি হচ্ছে না, গাধাটা রেখে আর কি করবে? তাছাড়া আমারও গোটা সাতেক টাকা পাওনা। বিক্রি দিলে আমার টাকাটাও পেয়ে যেতে পারি।’ কর্ণেল সিং বলল, ‘আর বাদ বাকী টাকা দিয়ে দিব্যি আরো দশদিন পান করতে পারবে।’

    ঘিসু বলল, ‘বেচারী গাধাটা তো আমার মাথার বোঝা হয়ে রয়নি। নিজেই চারিদিকে চরে খায়। আর সন্ধ্যায় এসে খোঁটার কাছে শুয়ে থাকে। সারাদিন আমার ছেলেপিলেগুলি ওর পিঠে চড়ে বেড়ায়। তাছাড়া এক আধটা ঘাসের আঁটি তো এখনও বিক্রি হয়। রমজানী বলল, ‘এক আধটা ঘাসের আঁটি তো তুমি নিজেও বয়ে নিয়ে যেতে পার। তুমি চিন্তা করে দেখ পুরো পঁচিশটা টাকা দেব। তাও খায়খাতির আছে বলে। নইলে এই গাধা পনের টাকাও বিকায় না।’

    ঘিসু বলল, ‘তুমি গাধা দিয়ে কি করবে?’ রমজানী বলল, ‘আজকাল বাঁচা বড় দায়। এখন ছাগল বকরীর যা দাম। তাছাড়া একটা থেকে বড় জোর তিন সের গোস্ত পাওয়াও দুষ্কর। তোমার গাধা তো বেশ মোটাসোটা আছে। গোস্তও মন্দ হবে না?’

    ‘তুমি গাধার গোস্ত বিক্রি করবে ?’

    ‘হ্যাঁ, তবে বকরীর গোস্তের সাথে মিশাল দিয়ে ৷’ ‘বকরীর গোস্তের সাথে মিশিয়ে?’ ঘিসু বিস্মিত হয়।

    ‘এতে আশ্চর্যের কি আছে? তোমাদের গোয়ালারা দুধে পানি দেয় না বুঝি?’ ‘কিন্তু তাই বলে গাধার গোস্ত লোকেরা কি মোটেই টের পাবে না?’

    ‘এটা তো ভাই যার যার ব্যবসার গোমর, আমি এমন এমন ওস্তাদ কসাইকে দেখেছি যারা বকরীর গোস্তের সাথে কুকুরের গোস্ত পর্যন্ত বেমালুম চালিয়ে দিয়েছেন। আমি তো শুধু গাধার গোস্ত বিক্রি করবো। আর তাও কিমা করে বিক্রি করলে কোন নাম নিশানাও থাকবে না।’ কর্ণেল সিং ড্রাইভার মাথা নেড়ে বলল, ‘হ্যাঁ, এটাতো গোমরের কথাই। আমরা মালিকের পেট্রলের উপর কি কারসাজিটা করি সেটা কেউ জানলে উপায় থাকে? তা না করে আমরা বাঁচবই বা কি করে বল? এজন্যেই-ইয়ার এক আধটু’ ……

    ‘হ্যাঁ, ইয়ার, তুমি রাজী হয়ে যাও।’ কর্ণেল সিং ঘিসুকে উদ্দেশ্য করে আবার বলল। এসব কথা শুনে আমার পায়ের নীচের মাটি যেন সরে যাচ্ছিল। মনে হলো কে যেন আমার পায়ের সাথে চার চার মণ লোহা বেঁধে দিয়েছে। আমি গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে মন দিয়ে শুনছিলাম আমার জীবন মৃত্যুর কথা। আমি শেষ অবধি শুনতে চাচ্ছিলাম ঘিসু কি বলে। যে অবলা প্রাণী এত মাস ধরে মন প্রাণ-দিয়ে যার সেবায় নিয়োজিত ছিল, প্রতিদানে একটু ঘাস পর্যন্ত নেয়নি, তার প্রতি ঘিসুর কোন দয়া আছে কিনা সেটাই আমি মনোযোগ দিয়ে শুনতে চাচ্ছিলাম। ঘিসু বলল, ‘গাধাটি আমার সাথে এবং বাড়ির ছেলেপিলেদের সাথে বেশ মায়া জমিয়ে ফেলেছে। আমি কি করে আজ তার প্রাণ বিনষ্ট করব? দাও আর একটু দাও দেখি।’ ,

    ‘নাও, পান কর। কিন্তু তুমি তার প্রাণ বিনষ্ট করছ কোথায়? প্রাণ দেবার নেবার মালিক তো হল উপরওয়ালা। তুমি শুধু গাধাটি আমার কাছে বিক্রী করছো বৈ তো নয়। পঁচিশ টাকা দিচ্ছি তাও বন্ধু মানুষ বলে। নইলে অন্য কেউ দশ টাকায়ও নেবে না এটা। ঠিক আছে, তোমার মনে না চাইলে না হবে।’

    কর্ণেল সিং কথা কাটিয়ে বলল, ‘কাল কোথায় গিয়েছিলিরে রমজানী? কালকে যে এলি না এখানে।’

    ‘আর বলিস না ভাই—আকিলা বানুর কাওয়ালী শুনতে গিয়েছিলাম, সে যা গায়

    ‘আরজে নিয়াজে ইকে কাবেল নেহি রাহা

    যিস দিলপে হামে নাজ থা উ দিল নেহি রাহা।’

    বলেই রমজানী গুন গুন করতে লাগল। তার গুন গুন শুনে ঘিসু মাথা দোলাতে শুরু করল। আর সেই সাথে কর্ণেল সিং ড্রাইভার টিনের পেটরা পেটাতে শুরু করল। আমি স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম। যাক, জীবনটা বেঁচে গেল তাহলে। ঘিসু ভাবাবিষ্ট হয়ে বলল, ‘পঁচিশ কেন কেউ যদি হাজার টাকা দেয়, তবু আমার গাধা কাউকে দেব না।’

    ‘কে, তোর গাধার কথা বলছে এখন আর? রমজানীর কাওয়ালীটা শুনতে দে।’ জোসেফ বলল। কিন্তু ঘিসুর ততক্ষণে জোস উঠে গেছে সে হাত নেড়ে বলল ‘কেউ যদি পঞ্চাশ লাখ টাকাও দেয়, তবু আমার গাধা কাউকে দেব না। এ গাধা আমার যে সেবা করেছে আমি তা জীবনভর ভুলতে পারব না। আমি কোনদিন গাধা বেচব না। সে যখন কোন কোন সময় করুণ চোখে আমার দিকে চায়, মনে হয় সে কোন গাধা নয়। গাধার খোলসের নীচে এক সাধুর আত্মা লুকিয়ে আছে। কেউ যদি পঞ্চাশ কোটি টাকাও দেয় আমার গাধা হাত ছাড়া করবো না। ঘিসু কোন দিন কারো সাথে বেঈমানী করে নাই আর করবেও না। ঘিসু ধর্মবিরোধী কোন কাজ করতে পারবে না।’

    ‘নিয়ে এলো ফের ধর্মের কথা মাঝখানে। জোসেফ ওর গ্লাসটা একটু ভরে দে।’ কৰ্ণেল সিং বলল।

    ‘কোত্থেকে দেব? সাত টাকার আগেই সামাল দিয়ে রেখেছে। কত আর ধার দেয়া যায় বলো।’

    ‘দে ভাই, ভরে দে, ভগবান দেনেওয়ালা। যেভাবে হোক তোমার ধার পরিশোধ হবেই।’

    ‘যখন পরিশোধ হবে তখনই দেব। এখন আর এক ফোঁটাও দিতে পারব না।’ ঘিসু তার খালি গেলাস দেখিয়ে রমজানীকে বলল, ‘আমার গেলাসটা যে একেবারে খালিরে রমজানী।’

    ‘তোমার গ্লাস খালিই থাকবে।’ জোসেফ বলল।

    ‘একটা টাকা দে রমজানী।’ ঘিসু বলল। রমজানী পকেট থেকে পঁচিশ টাকা বের করে বলল, ‘এক টাকা কেন, এই নাও পুরো পঁচিশ টাকা দিচ্ছি।’

    ঘিসু কট্ করে টাকাগুলোর দিকে এগুতে লাগল। ধপকরে টাকাগুলো হাতে নিয়ে সে বলল, ‘চলো গাধা দিয়ে দিচ্ছি তোমাকে। নে জোসেফ, এখন তো আর দিতে বাধা নেই ৷

    রমজানী আমার গলায় দড়ি লাগিয়ে নিয়ে চলল এবং নেচে নেচে বলতে লাগল-

    আরজে নিয়াজে ইকে কাবেল নেহি রাহা

    যিস দিলপে নাজ থা মুঝে উ দিল নেহি রাহা। –

    সহসা আমি বললাম,

    জাতাহুঁ দাগে হাসরাতে

    হাসতি লিয়ে হুয়ে

    কুশতায়ে দরখুরে মাহফিলে নেহী রাহা।

    রমজানী চমকে তাকাল। তারপর আমার দিকে দেখে রশি টেনে জোরে সামনের দিকে এগিয়ে গেল। সে ঠিক করতে পারছিল না যে ; এ আওয়াজ কোত্থেকে আসছে। ভয়ে তার মুখ সাদা হয়ে গেল। ভয় দূর করার জন্য সে জোরে জোরে গাইতে লাগল। আরজে নিয়াজে …

    আমি এবার একটু জোরেই বললাম,

    মরণে কি আয় দিল আওর হি

    তদবীর কর,

    কে ম্যায়,

    শায়ানে দস্ত অ বাজুয়ে কাতে নেহি রাহা।

    রমজানী ভয়ে রীতিমত কাঁপতে লাগল এবার। রাতও হয়ে এসেছে। সে অন্ধকারে চীৎকার দিয়ে বলল, কে? ‘কে এসব বলছে?’

    ‘আমি এক হতভাগা গাধা।’

    ‘তুমি, তুমি?’

    রমজানী চোখ ছানাবড়া করে আমার দিকে তাকাল। চমকে উঠে বলল,

    ‘তুমি এক গাধা হয়ে মানুষের ভাষায় কথা বলছ ৷’

    আমি বললাম, ‘আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম আর কখনো মানুষের ভাষায় কথা বলব না। কিন্তু যখন জীবনমরণের প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে এবং মানব জাতির বেঈমানী দেখতে পেলাম তখন বাধ্য হয়ে ইকবালের সে চরণ বলতে হয়,

    দিলসে হুয়া আয় কাশতে অফা মিট গেয়ি কে ওয়া

    হাসেল সেওয়ায়ে হাসরাতে

    হাসেল নেহি রাহা।

    লা হাওলা ওলা কুয়াতা…. রমজানী চিৎকার দিয়ে বলল এবং আমার রশি ছেড়ে দিয়ে জোরসে দৌড়াল। আমি পেছন দিকে রমজানীর অপসৃয়মান দৃশ্য দেখতে দেখতে তাকে ডাক দিয়ে বললাম, ‘ও রমজানী ভাই, একটু শোন, যাচ্ছ কেন?’

    কিন্তু সে একবারও পিছন ফিরে দেখল না। সে ভয়ে চিৎকার করতে করতে দৌড়াতে থাকল। আমি মাথা নত করে আস্তে আস্তে ফিরে চললাম। চলতে চলতে জোসেফ ডিসুজার ঝুপড়ির কাছে যেয়ে পৌঁছলাম। ততক্ষণে ঘিসু’ এবং কর্ণেল সিং চলে গেছে। শুধু ডি’সুজা বাইরের বেঞ্চিতে বসে গ্লাসের তলানীটুকু পান করছিল। সে আমাকে দেখে লাফ মেরে আমার রশি ধরে ফেলল।

    ‘রমজানীর হাত থেকে ছুটে পালিয়ে এসেছ বুঝি? পালিয়েই বা কোথা যাবে। কালকেই তোমাকে রমজানীর হাওলা করে দেব। বলেই সে আমাকে নারিকেল গাছের সাথে বেঁধে রাখল। আমি আস্তে আস্তে জোসেফকে বললাম,। ‘জোসেফ।’

    ‘হায়, একি?’ সে জোরে চিৎকার করে বলল।

    আমি বললাম, ‘চিৎকার করার কোন দরকার নেই। তুমি একজন শিক্ষিত · লোক এ জন্য তোমার সাথে মুখ খুললাম। তুমি আশ্চর্যই হচ্ছ, আমি গাধাই বলছি।’

    ‘একি, আমি স্বপ্ন দেখছি নাতো।’

    ‘না, স্বপ্ন দেখবে কেন? এ হতভাগা ঠিকই বলছে। ছোটকালে আমি মানুষের ভাষা শিখে নিয়েছিলাম।’

    সে আমার জীবনের আদ্যোপান্ত ঘটনা শুনে বলল, ‘হায় হায় মোটেই বিশ্বাস হতে চায় না। কিন্তু আজ তোমাকে সামনে দেখে মনে পড়ছে তুমিই সেই বিখ্যাত গাধা। তুমিতো পণ্ডিত নেহেরুর সাথে সাক্ষাৎ করেছিলে। হ্যাঁ, বেশ মনে পড়ছে। তোমার বহু খবর আমি পত্রিকায় পড়েছি। বলুন, আমি আপনার কি খেদমত করতে পারি।’

    আমি বললাম, ‘শুধু রমজানীর হাত থেকে আমাকে বাঁচাও।’

    ‘কিন্তু তা কেমন করে? রমজানী তোমাকে পঁচিশ টাকা দিয়ে কিনে ফেলেছে যে।.

    ‘শুধু পঁচিশ টাকায় আমার জীবনটা বরবাদ হয়ে যেতে বলো?’

    ‘কেন, বোম্বের দাদারাতো মাত্র দশ টাকার বদলে মানুষের প্রাণ সংহার করে থাকে। তারাতো হলো মানুষ। আর তুমি হলে গাধা। লেখাপড়া জান ঠিকই। কিন্তু তাতে কি আসে যায়। বিশ্বযুদ্ধের সময় আমি সৈনিক ছিলাম। আমি নিজের চোখে দেখেছি মাত্র কটা ‘টাকার লোভে বহু লোককে নিহত করা হয়েছে। সে তুলনায় তুমিতো এক গাধা।’

    ‌

    ‘তারাও গাধা ছিল। যুদ্ধের সময় মানুষের জীবনকে ভেড়া বকরির মত জ্ঞান করা হত। হিরোশিমার বোমা বর্ষণে ৭০ হাজার লোকের প্রাণহানি হয়েছে। হিসেব করলে দেখবে তাদের মাথাপিছু দাম পঁচিশ টাকাও পড়েনি।’

    জোসেফ বলল, ‘এতে তো তোমার খুশী হওয়া দরকার। মানুষের জীবনের চেয়ে এক গাধার দাম অনেক বেশি দেয়া হচ্ছে।’ আমি তার কথা না শোনার ভান করে বললাম, ‘সে লোকেরা অযথা লাখো লাখো মানুষকে মেশিনগানের শিকার বানিয়েছে। তারা যদি বরং তাদের মাংস গরুর মাংসের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করতো তাহলে বেশ লাভ হত তাদের। লাভই তো তাদের দরকার।’

    ‘তুমি কি সব আশ্চর্য কথা বলছ।’

    ‘শুধু পঁচিশ টাকার বিনিময়ে একজনের হাতের রশি অপরের হাতে তুলে দেওয়ার মত আশ্চর্য কথাতো আর বলছি না।’

    ‘এখন তুমি কি বাঁচতে চাও?’

    ‘আমি বাঁচতে চাই।’ আমি ধরা গলায় বলতে লাগলম, ‘আমার মত কোটি কোটি লোক এ জগতে রয়েছে। তাদেরকে গাধা পেয়ে সবাই গলা টিপে মারছে। এখন আমরা সবাই বাঁচতে চাই, আমাদের গলায় কেউ যেন রশি না লাগাতে পারে।’

    ‘সবার কথা বলে তোমার কি লাভ? তোমার নিজের কথা বল।’ ‘আমি বলি তুমি রমজানীর হাত থেকে আমাকে কিনে নাও।’

    ‘বাহ্ এক গাধার জীবন বাঁচানোর জন্য রমজানীকে পঁচিশটি টাকা দিয়ে দেব আমি? আমি এত গাধা নই।’

    ‘আমার কথা আগে শুনেই নাও। এতে তোমারই লাভ। তুমি আমাকে কিনে নিলে আমি পুলিশের চোখ বাঁচিয়ে তোমার মদ মহমক্রাক অবধি পৌছে দেব। এখন পর্যন্ত এ কাজের জন্য তোমরা মানুষের সাহায্য গ্রহণ করছ। মানুষ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে যায়, তাদের সাজা হয়। তোমাদের লোকসান হয়। কিন্তু এ কাজের জন্য যদি তুমি আমার সাহায্য নাও, তাহলে আমি কছম করে বলতে পারি পুলিশ একবারও ধরতে পারবে না।’

    ‘তা কেমন করে?

    ‘বেশ সহজ পন্থা আমি তোমাকে সব বুঝিয়ে বলছি। এ কাজের জন্য সর্ব প্রথমে তোমাকে বান্দ্রাতে এবং মহমক্রাকে দুটো ঘাঁটি করতে হবে।’ ‘সেসব চিন্তা করতে হবে না। আগে থাকেই আমাদের একাধিক ঘাঁটি রয়েছে সেখানে।’

    ‘তবে তো সব কাজ সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমি শপথ করে বলতে পারি পৃথিবীর কোন স্মাগলারের মাথায় এ ফন্দি আসবে না।’ জোসেফ অধৈর্য হয়ে বলল, ‘আচ্ছা, তারপর।’

    ‌ ‘পন্থাটা একেবারে সহজ। তোমার কাজ হবে শুধু রোজ আমাকে বান্দ্রা থেকে মহমক্রাকে নিয়ে যাওয়া।’

    ‘আচ্ছা, তারপর।’

    ‘রোজ সকালে আমাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ মদ পান করিয়ে দাও। আমার পেটে বেশ কয়েক গ্যালন মদই ধরবে, আমাকে মদ পান করিয়ে দিয়ে মহমক্রাকে নিয়ে ছেড়ে দাও। আমি একটা ভবঘুরে গাধার মত ঘুরতে ঘুরতে পাঁচ মিনিটের মধ্যে পুলিশের চেকপোস্ট পার হয়ে যাব। পুলিশের বাবার সাধ্য নাই আমাদের কারসাজি বুঝে। তারাতো শুধু মানুষের তল্লাশী করে, গাধার প্রতি তাদের সন্দেহ হবে কেন? ‘তারপর ?’

    ‘তারপর মহমের ঘাঁটিতে পৌঁছে তুমি গলায় রাবরের নল ঢুকিয়ে সব মদ বের করে নেবে গাধার পেট থেকে।’

    ‘বের করা মদ লোকেরা পান করবে? গন্ধ আসবে না?’

    ‘কি বোকার মত কথা বলছ। যারা পঁচা জায়গায় লুকানো বোতল এবং পুরানো টায়ারে ভরা মদ পান করে যাচ্ছে দিব্যি, তারা গাধার পেটের মদ খেতে আপত্তি করবে কেন? সকাল বেলা আমার খালি পেট ময়লা যুক্ত টায়ারের থেকে তো অনেকাংশে পবিত্রই থাকে বলতে হবে।’

    ‘বুঝলাম, এতে তোমার নেশা হবে না?’

    ‘পাঁচ মিনিটে আবার নেশা কতটুকু হবে? মহমক্রাক পার হয়ে যেতে পাঁচ মিনিটের বেশি তো আর লাগবে না। আমার পেটকে মনে কর পেট্রোলের একটা বড় ড্রাম। বান্দ্রা হল তোমার ফিলিং স্টেশন। ব্যাস, বান্দ্রা হতে এ ড্রাম ভরে মহমক্রাকে এনে খালি করছ, এরচে বিজ্ঞানসম্মত পন্থা আর কি হতে পারে।’ ‘গড ব্লেস ইউ—’

    জোসেফ একটু চিন্তা করে বললো এবং খুশীতে আমার গলা জড়িয়ে ধরে বলল, ‘এমন ভাল পন্থা আর হয় না। তুমি এক নম্বর পাকা স্মাগলার গাধা। পুলিশের চোখে ধুলা দেবার এর চেয়ে বড় ফন্দি আর নেই। হলিক্রাইষ্ট ইউ—আমি তো এক বছরেই লাখপতি বনে যাব।’ আনন্দের আতিশয্যে জোসেফ আমার মুখে চুমা দিতে লাগলো। ‘এখন অবশ্যিই বড়লোক হয়ে যাব আমি। এতে আর কোন সন্দেহ নেই। এখন পঁচিশ কেন, দরকার হয় একশ টাকা দিয়ে আমি তোমাকে ছাড়িয়ে নেবো।’

    ‘এতদিন আমি নেহাত এক গাধা ছিলাম। এখন এক উপকারী জন্তু বলে আখ্যায়িত হচ্ছি। মানুষ যখন লাভের গন্ধ পায়, তখন একটা গাধার গালেও চুমা দিতে পারে।’

    ‘এসো ভিতরে চলে এসো।’

    জোসেফ আমাকে টানতে টানতে ভিতরে নিয়ে গেল এবং বলতে লাগল, ‘আমি তোমাকে বাইরে নারকেল গাছের নীচে থাকতে দিতে পারি না। তোমার যদি ঠাণ্ডা লেগে যায়। কি আশ্চর্য, তোমার গায়েতো একটা কাপড়ও নেই।’ আমি বললাম, ‘পৃথিবীতে অসংখ্য গাধা নগ্ন অবস্থায় গাছের নীচে শুয়ে থাকে।’

    ‘রাখো সে সব গাধাদের কথা। আজ তো আমি তোমাকে আমার নিজের বেডরুমে শুতে দেব। গরম লাগলে সিলিং ফ্যান খুলে দেব ৷’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর
    Next Article গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    Related Articles

    মোস্তফা হারুন

    গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    November 13, 2025
    মোস্তফা হারুন

    ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }